বিশ্বের অদ্ভুদ কিছু অজানা তথ্য যা জানলে আপনি ও অবাক হবেন

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বিশ্বের অদ্ভুদ কিছু অজানা তথ্য যা জানলে আপনি ও অবাক হবেন

বিশ্বের অদ্ভুদ কিছু অজানা তথ্য  যা জানলে আপনি ও অবাক হবেন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বিশ্বের অদ্ভুদ কিছু অজানা তথ্য যা জানলে আপনি ও অবাক হবেন, Information Technology Company, Dhaka.

19/04/2026

৮ লিটার পানির সাথে ৮ কেজি লবণ মেশালে ওজন কত হবে?
🤔🤔🤔

ইলিশ কিনে ঠকছেন নাতো?ইলিশ মাছ কেনার আগে কিছু টিপস মেনে চলুন। ছবি: সংগৃহীতচলছে ইলিশের মৌসুম। ঘরে ঘরে ইলিশ রান্নার ধুম পড়ে...
03/10/2024

ইলিশ কিনে ঠকছেন নাতো?
ইলিশ মাছ কেনার আগে কিছু টিপস মেনে চলুন। ছবি: সংগৃহীত

চলছে ইলিশের মৌসুম। ঘরে ঘরে ইলিশ রান্নার ধুম পড়েছে। কিন্তু আপনি কী আসল স্বাদের ইলিশ চিনতে পারেন। নাকি বাজারে গিয়ে অন্যকে কেনার ধরন দেখে চিনে নিতে হয়? নিজে না চিনলে চড়া দামে কিনে ঠকতে পারেন। তাই কেনার আগে কিছু জিনিস জেনে নেয়া দরকার।

বাংলাদেশে অবশ্য দুই ধরনের ইলিশ পাওয়া যায়। নদী আর সাগরের - এই দু ধরনের ইলিশ পাওয়া গেলেও সবাই নদীর ইলিশই কিনতে চান। কারণ সাগরের ইলিশের চেয়ে নদীর ইলিশ বেশি সুস্বাদু হয়।

ইলিশ মাছ কেনার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে ঠকবেন না এবং সতেজ ও মানসম্মত ইলিশ মাছ কিনতে পারবেন। কিছু টিপস মেনে চললেই হবে।

মাছের রং ও গন্ধ-
১. ইলিশ মাছের গায়ে উজ্জ্বল রুপালি রং থাকে।
২. সতেজ ইলিশের গায়ে দাগ বা কালচে রং থাকা উচিত নয়।
৩. সতেজ ইলিশ থেকে সামান্য লবণের মতো সমুদ্রের গন্ধ পাওয়া যায়।


চোখ ও কানকো পরীক্ষা-
১. ভালো ইলিশের চোখ পরিষ্কার ও উজ্জ্বল থাকে।
২. কানকো যদি লালচে বা উজ্জ্বল হয়, তবে মাছটি সতেজ। কালচে হলে সেটা পুরনো হতে পারে।


মাছের আকার ও ওজন-
১. সাধারণত, বড় ও মোটা ইলিশ মাছ বেশি তেলযুক্ত হয়। ৭০০ গ্রাম থেকে ১ কেজির মাছগুলো খেতে বেশি সুস্বাদু হয়।
২. খুবই ছোট বা অতিরিক্ত বড় ইলিশ মাছ না নেয়াই ভালো। অতিরিক্ত বড় মাছ তেল কম দিতে পারে।


মাছের পেট পরীক্ষা-
১. মাছের পেট যদি শক্ত হয় এবং চাপ দিলে পানি বের না হয়, তবে তা ভালো ইলিশের লক্ষণ।
২. পেট নরম হয়ে গেলে বা চাপে পানি বের হলে মাছটি পুরনো হতে পারে।


শিরা ও আঁশ পরীক্ষা:
১. ইলিশের আঁশ ধরা অবস্থায় থাকা উচিত এবং শিরাগুলো স্পষ্ট ও শক্ত থাকে।
২. পুরনো মাছের আঁশ সহজে খসে পড়ে।


নদীর ইলিশ চেনার উপায়-
১. নদীর ইলিশের রং সাগরের ইলিশের চেয়ে বেশি চকচকে। আর মাঝ বরাবর একটি হালকা লাল রঙের দাগ থাকে।

২. নদীর ইলিশ গোলাকার, বেটে, পেট, ঘাড় মোটা হয়। আর সাগরের ইলিশ লম্বাটে, সরু, পিঠের দিকে কালচে রং থাকে।

৩. ফুলকা লাল হবে। অস্বাদু ব্যবসায়ীরা যদি ফুলকায় রং দিয়ে লালও করে তবু সেই লাল অধিক সময় থাকে না।

৪. ইলিশের চোখ থাকবে স্বচ্ছ, উজ্জ্বল।

৫. আঁশ হবে রুপালি চকচক করবে।

৬. মা ইলিশের পেটটা দেখতে চওড়া হবে।
#সংগৃহীত

03/10/2024

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================
১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================
১ শতাংশ =৪৩৫ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
=========================
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================
১ গন্ডা = ৮৭১ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================
কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি
কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।
কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত × ৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা
উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।
আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। যেমন –
* আপনি যদি ৯০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ বর্গফুট।
* আর যদি ১২০০ বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।
* ১৬০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ বর্গফুট

সংগৃহীত পোস্ট

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিশ্বের অদ্ভুদ কিছু অজানা তথ্য যা জানলে আপনি ও অবাক হবেন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share