Computer Solutions and Training Center

Computer Solutions and Training Center সরকারি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকা
মেয়েদের জন্য মহিলা শিক্ষক
৬মাস মেয়াদী কম্পিউটার সার্টিফিকেট! Advanced IT Course
1. Basic Computer Course
2.
(1)

Computer Solutions and Training Center is situated in the centre of Dhaka City, 19 Indira Road (1st Floor, Right Side) Beside Tejgoan Collage) Farmgate (Tofajjol Book House Building). The services at Computer Solutions and Training Center are advanced with computer labs and practice rooms for training and research. Microsoft Office Application with Advance Excel
2. Professional Graphics Design
3.

Engineering Design Master (AutoCAD)
4. Search Engine Optimization (SEO)
5. Video Editing
6. Facebook Marketing

কাল বোনকে 'জেমিনাই' (Gemini) 🤖 ব্যবহার করা শেখাতে গিয়ে নিজেই একটু বিভ্রান্তিতে পড়ে গেলাম! 😅 ও বারবার উচ্চারণ ভুল করে 'জি...
30/04/2026

কাল বোনকে 'জেমিনাই' (Gemini) 🤖 ব্যবহার করা শেখাতে গিয়ে নিজেই একটু বিভ্রান্তিতে পড়ে গেলাম! 😅 ও বারবার উচ্চারণ ভুল করে 'জিমিনি, গেমিনি' বলছিল। 🤦‍♂️

আমি ভুল ধরিয়ে দিতেই ও কৌতূহলী হয়ে প্রশ্ন করে বসল— "তাহলে G-এর উচ্চারণ কখন 'গ' আর কখন 'জ' হবে? আগে সেটা বোঝাও!" 🤔

এরপর আর কী! ওকে বসিয়ে G-এর উচ্চারণের পুরো নিয়মটা খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে দিলাম। 📖💡 জেমিনাই শেখার পাশাপাশি ব্যাকরণের ছোট্ট একটা ক্লাসও হয়ে গেল! ✨🎯

ইংরেজি শব্দ পড়ার সময় 'G'-এর উচ্চারণ নিয়ে অনেকেই দ্বন্দ্বে পড়ে যান। কখন হবে 'গ' (Hard G) আর কখন হবে 'জ' (Soft G)? 🤔

এই বিভ্রান্তি দূর করতে সহজ কিছু নিয়ম জেনে রাখা ভালো। যেমন: সাধারণত G-এর পর e, i, or y থাকলে উচ্চারণ হয় 'জ'। অন্যদিকে, a, o, u বা কনসোনেন্ট থাকলে উচ্চারণ হয় 'গ'। বিস্তারিত এবং উদাহরণসহ এই নিয়মগুলো নিচের ইনফোগ্রাফিক ছবিতে দেওয়া হলো।

নিয়মগুলো মনে রাখার জন্য পোস্টটি সেভ করে রাখুন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে তাদেরও শেখার সুযোগ করে দিন। 😊👇

#ফেসবুকটিপস

দেখেন যা ভালো মনে করেন
14/04/2026

দেখেন যা ভালো মনে করেন

আপনার সিভি কি ইন্টারভিউ কল পাওয়ার জন্য যথেষ্ট? 📄✨আপনি কি জানেন, একজন নিয়োগকর্তা (Recruiter) একটি সিভির পেছনে গড়ে মাত্র ৬...
13/04/2026

আপনার সিভি কি ইন্টারভিউ কল পাওয়ার জন্য যথেষ্ট? 📄✨

আপনি কি জানেন, একজন নিয়োগকর্তা (Recruiter) একটি সিভির পেছনে গড়ে মাত্র ৬ থেকে ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করেন? এই অল্প সময়ের মধ্যেই নির্ধারিত হয় আপনি পরের ধাপে যাবেন কি না। তাই চাকরির প্রথম ইম্প্রেশনের জন্য একটি পারফেক্ট সিভির কোনো বিকল্প নেই! 🎯

কেন একটি গোছানো সিভি আপনার ক্যারিয়ারের জন্য গেম-চেঞ্জার হতে পারে? দেখে নিন:

✅ এটি আপনার প্রথম পরিচয়: আপনি সশরীরে উপস্থিত হওয়ার আগেই সিভি আপনার হয়ে কথা বলে। একটি প্রফেশনাল ও ক্লিন ডিজাইনের সিভি আপনার ব্যক্তিত্ব এবং সিরিয়াসনেস ফুটিয়ে তোলে। 😎

✅ প্রথম ইম্প্রেশনেই বাজিমাত: শত শত অ্যাপ্লিকেশনের ভিড়ে সুন্দরভাবে সাজানো সিভি সহজেই নজর কাড়ে। অগোছালো সিভি দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও আপনাকে দৌড় থেকে ছিটকে দিতে পারে। 📉

✅ দক্ষতার সঠিক উপস্থাপন: আপনার অভিজ্ঞতা বা সার্টিফিকেট থাকলেই হবে না, সেগুলো সঠিক কি-ওয়ার্ড (Keywords) ব্যবহার করে উপস্থাপন করতে হবে। যাতে রিক্রুটার এক পলকেই আপনার যোগ্যতা বুঝতে পারেন। 🛠️

✅ আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: যখন আপনি জানেন আপনার সিভিটি মানসম্মত, তখন ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনার আত্মবিশ্বাসও অনেক বেড়ে যায়। 🚀

💡 টিপস: মনে রাখবেন, আপনার সিভি যেন খুব বেশি বড় না হয় (১-২ পৃষ্ঠা আদর্শ) এবং এতে যেন কোনো বানান ভুল না থাকে।

🤔 আপনার সিভি কি আপডেট করা আছে? নাকি ভাবছেন নতুন করে তৈরি করবেন? আপনার সিভিতে কোন বিষয়টি উল্লেখ করতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন, আমাদের কমেন্টে জানান! আমরা আপনাকে সাহায্য করতে প্রস্তুত। 👇

চাকরির জন্য ৬ মাস মেয়াদী কম্পিউটার সার্টিফিকেট কি সত্যিই প্রয়োজন? 🤔💻বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে শুধু প্রাতিষ্ঠ...
13/04/2026

চাকরির জন্য ৬ মাস মেয়াদী কম্পিউটার সার্টিফিকেট কি সত্যিই প্রয়োজন? 🤔💻
বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি থাকলেই চলে না, প্রয়োজন বিশেষ কিছু দক্ষতা। আর সেই দক্ষতার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি হলো একটি ৬ মাস মেয়াদী কম্পিউটার সার্টিফিকেট কোর্স। 📜✨

কেন এই সার্টিফিকেট আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ? দেখে নিন এক নজরে:

✅ প্রাথমিক যোগ্যতা (Basic Requirement): সরকারি বা বেসরকারি—প্রায় সব ধরণের অফিসিয়াল জবে এখন কম্পিউটার বেসিক (MS Office, Internet, Typing) জানা বাধ্যতামূলক। অনেক ক্ষেত্রে আবেদনের ন্যূনতম শর্তই থাকে ৬ মাসের কম্পিউটার কোর্স। 📋

✅ সিভি-র গুরুত্ব বৃদ্ধি (Boost Your CV): আপনার সিভিতে যখন একটি স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট যুক্ত থাকে, তখন নিয়োগকর্তার কাছে আপনার গ্রহণযোগ্যতা বহুগুণ বেড়ে যায়। এটি প্রমাণ করে যে আপনি প্রযুক্তিবান্ধব। 🚀

✅ প্রফেশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট: ৬ মাসের দীর্ঘ সময়ে আপনি কেবল টাইপিং নয়, বরং Excel-এর জটিল কাজ, ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক ডিজাইন বা অনলাইন সিকিউরিটি সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। 📊🛠️

✅ বেতন ও পদোন্নতি: যাদের কম্পিউটার দক্ষতা ভালো এবং অনুমোদিত সার্টিফিকেট আছে, তাদের পদোন্নতি এবং ভালো স্যালারি পাওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় বেশি থাকে। 💰📈

✅ ফ্রিল্যান্সিং ও আত্মকর্মসংস্থান: চাকরি ছাড়াও নিজের ছোটখাটো ব্যবসা বা অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য এই ৬ মাসের বেসিক কোর্সটি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে। 🌍🤝

সার্টিফিকেট কেবল একটি কাগজ নয়, এটি আপনার দক্ষতার প্রমাণ। তবে মনে রাখবেন, সার্টিফিকেটের পাশাপাশি প্র্যাকটিক্যাল কাজে দক্ষ হওয়া সবচেয়ে জরুরি। তাই আজই সঠিক সিদ্ধান্ত নিন এবং নিজেকে দক্ষ করে তুলুন! 💪✨

📌 আমাদের কম্পিউটার কোর্সে ভর্তি চলছে! (০১৯৭৭৯৫৭৭৮৩)

কম্পিউটার-বেজড আইএলটিএস (IELTS) দিতে চান? টাইপিং নিয়ে ভয় আর নয়! ⌨️🎓আইএলটিএস পরীক্ষায় রাইটিং মডিউলে অনেক ভালো আইডিয়া মাথা...
12/04/2026

কম্পিউটার-বেজড আইএলটিএস (IELTS) দিতে চান? টাইপিং নিয়ে ভয় আর নয়! ⌨️🎓

আইএলটিএস পরীক্ষায় রাইটিং মডিউলে অনেক ভালো আইডিয়া মাথায় থাকলেও কি-বোর্ডে দ্রুত হাত না চলায় অনেকেই পূর্ণ নম্বর পান না। বিশেষ করে যারা Computer-delivered IELTS দিচ্ছেন, তাদের জন্য টাইপিং স্পিড এখন সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি। 🚀

আপনার এই ভয় দূর করতে কম্পিউটার সলিউশন নিয়ে এসেছে বিশেষ টাইপিং সেশন! আমরা জানি, অনেকেই কি-বোর্ড দেখে টাইপ করেন বা আঙুল খুঁজে পান না। তাই আমাদের এখানে:

✅ খুবই সহজ পদ্ধতিতে টাইপিং শেখানো হয়, যা যে কেউ দ্রুত আয়ত্ত করতে পারে।
✅ টাচ টাইপিং (Touch Typing) টেকনিকের মাধ্যমে কি-বোর্ড না দেখেই দ্রুত লেখার কৌশল শেখানো হয়।
✅ আইএলটিএস স্পেশাল প্র্যাকটিস: পরীক্ষার ফরম্যাটে রাইটিং টাস্ক টাইপ করার বিশেষ ট্রেনিং।
✅ ভুল সংশোধনের ট্রিকস: দ্রুত টাইপ করার পাশাপাশি বানান সঠিক রাখার সহজ উপায়।

কেন আইএলটিএস-এ টাইপিং জরুরি?
⏱️ সময় সাশ্রয় করে রিভিশনের সুযোগ বাড়ায়।
🔢 স্ক্রিনেই ওয়ার্ড কাউন্ট দেখা যায় বলে শব্দ গোনার টেনশন থাকে না।
✨ কাটাকাটিমুক্ত পরিষ্কার প্রেজেন্টেশন নিশ্চিত করে।

আত্মবিশ্বাসের সাথে পরীক্ষা দিতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা আপনাকে দক্ষ করে তুলব একদম সহজ নিয়মে! 🤝

📍 ঠিকানা: [আপনার সেন্টারের ঠিকানা, যেমন: ১৯ ইন্দিরা রোড, ঢাকা]
📞 যোগাযোগ: ০১৯৭৭৯৫৭৭৮৩

💬 কমেন্টে লিখুন "IELTS", আমরা আপনাকে বিস্তারিত তথ্য পাঠিয়ে দেব! 📩

কর্পোরেট ক্যারিয়ারে পাওয়ার পয়েন্ট (PowerPoint) কেন আপনার 'গোপন অস্ত্র'? 🚀💼বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে শুধু কঠ...
12/04/2026

কর্পোরেট ক্যারিয়ারে পাওয়ার পয়েন্ট (PowerPoint) কেন আপনার 'গোপন অস্ত্র'? 🚀💼

বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে শুধু কঠোর পরিশ্রমই যথেষ্ট নয়, বরং আপনার কাজকে স্মার্টলি উপস্থাপন করাটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আর প্রেজেন্টেশনের কথা আসলেই সবার আগে আসে Microsoft PowerPoint। 💻✨

কেন কর্পোরেট জোনে পাওয়ার পয়েন্ট জানা আপনার জন্য জরুরি? দেখে নিন:

✅ আইডিয়া উপস্থাপনে দক্ষতা: আপনার মাথায় যত দারুণ আইডিয়াই থাকুক না কেন, তা যদি ভিজ্যুয়ালি সুন্দর করে না দেখান, তবে বসের বা ক্লায়েন্টের মন জেতা কঠিন। 💡
✅ ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন: জটিল সব এক্সেল শিট বা ডাটাকে চার্ট এবং গ্রাফের মাধ্যমে সহজবোধ্য করে তোলা যায় মাত্র কয়েক ক্লিকে। 📊
✅ প্রফেশনাল ইমপ্রেশন: একটি চমৎকার স্লাইড ডেক আপনার প্রফেশনালিজম এবং ডিটেইলিংয়ের প্রতি আপনার মনোযোগ প্রমাণ করে। 😎
✅ সময় সাশ্রয়: স্লাইড মাস্টার এবং স্মার্ট আর্ট ব্যবহার করে খুব দ্রুত প্রফেশনাল রিপোর্ট তৈরি করা সম্ভব। ⏱️
✅ পাবলিক স্পিকিংয়ে আত্মবিশ্বাস: পেছনের স্লাইডগুলো যদি গোছানো থাকে, তবে প্রেজেন্টেশন দেওয়ার সময় আপনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় বহুগুণ!🎤

আপনি কি আপনার প্রেজেন্টেশন স্কিল দিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করতে প্রস্তুত? নাকি এখনো স্লাইড বানাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন? 🤔

💬 কমেন্টে জানান: পাওয়ার পয়েন্টের কোন ফিচারটি আপনার সবচেয়ে প্রিয় বা কোন বিষয়টি শিখতে আপনি সবচেয়ে বেশি আগ্রহী?

👇 শেয়ার করুন: আপনার সেই বন্ধুর সাথে যার প্রেজেন্টেশন স্কিল আরও উন্নত করা প্রয়োজন! ↗️

ব্যাংক জবে ক্যারিয়ার গড়তে চান? এই এক্সেল ফাংশনগুলো আপনার জানা থাকা বাধ্যতামূলক! 🏦📊ব্যাংকিং সেক্টরে কাজের গতি বাড়াতে এবং ...
12/04/2026

ব্যাংক জবে ক্যারিয়ার গড়তে চান? এই এক্সেল ফাংশনগুলো আপনার জানা থাকা বাধ্যতামূলক! 🏦📊

ব্যাংকিং সেক্টরে কাজের গতি বাড়াতে এবং প্রফেশনাল হিসেবে নিজেকে দক্ষ করে তুলতে মাইক্রোসফট এক্সেলের কোনো বিকল্প নেই। ইন্টারভিউ থেকে শুরু করে প্রতিদিনের ব্যাংকিং অপারেশন—সবখানেই এই ফাংশনগুলোর ব্যবহার রয়েছে।

নিচে ব্যাংক জবের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ফাংশনগুলো তুলে ধরা হলো:

📌 ১. কিস্তি ও লোন হিসাব (Financial Functions):

PMT: লোনের মাসিক কিস্তি বা EMI বের করতে।

IPMT: কিস্তির মধ্যে কত টাকা শুধু ইন্টারেস্ট বা সুদ তা দেখতে।

PV/FV: বিনিয়োগের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ মূল্য নির্ধারণে।

📌 ২. তথ্য খুঁজে বের করা (Lookup Functions):

VLOOKUP / XLOOKUP: হাজার হাজার গ্রাহকের ডাটা থেকে নির্দিষ্ট কারো তথ্য নিমেষেই খুঁজে পেতে।

IF Function: ব্যালেন্স বা লোনের স্ট্যাটাস অনুযায়ী অটোমেটিক রেজাল্ট (যেমন: Eligible/Not Eligible) দেখাতে।

📌 ৩. ডাটা এনালাইসিস (Statistical Functions):

SUMIFS: নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির (যেমন: শুধু ডিপিএস বা এফডিআর) মোট ব্যালেন্স যোগ করতে।

COUNTIFS: কতজন গ্রাহক নির্দিষ্ট স্কিমের আওতায় আছেন তা গুনতে।

📌 ৪. সময় ও তারিখ ম্যানেজমেন্ট (Date Functions):

DATEDIF: গ্রাহকের বয়স বা লোনের মেয়াদকাল নির্ভুলভাবে বের করতে।

EDATE: পরবর্তী কিস্তির তারিখ বা ফিক্সড ডিপোজিটের ম্যাচিউরিটি ডেট বের করতে।

💡 প্রো-টিপ: শুধু ফাংশন নয়, Pivot Table এবং Data Validation জানলে ব্যাংকিং রিপোর্ট তৈরি হবে অনেক সহজ এবং নির্ভুল!

আপনার কি কোনো বিশেষ ফাংশন সম্পর্কে বিস্তারিত জানার আছে? কমেন্টে জানান! 👇

📍 ঠিকানা: ১৯ ইন্দিরা রোড, ঢাকা। যোগাযোগঃ ০১৯৭৭৯৫৭৭৮৩
🎓 কম্পিউটার সলিউশন – আমরা দিচ্ছি মানসম্মত প্রশিক্ষণ ও সরকারি সার্টিফিকেট।

আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ক্ষমতা কতটুকু? জেনে নিন ২ মিনিটে! 💻🚀নতুন কম্পিউটার কিনলে বা পুরনো কম্পিউটারের কাজের গতি বুঝ...
12/04/2026

আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ক্ষমতা কতটুকু? জেনে নিন ২ মিনিটে! 💻🚀

নতুন কম্পিউটার কিনলে বা পুরনো কম্পিউটারের কাজের গতি বুঝতে হলে প্রথমেই জানতে হয় এর Configuration (কনফিগারেশন)। কিন্তু অনেকেই জানেন না সহজ উপায়ে কীভাবে প্রসেসর, র‍্যাম বা গ্রাফিক্স কার্ডের তথ্য বের করতে হয়।

আজকের পোস্টে সহজ ৪টি পদ্ধতি শেয়ার করছি:

✅ পদ্ধতি ১: Settings (সবচেয়ে সহজ)
Start > Settings > System > About। এখানে প্রসেসর ও র‍্যামের বেসিক তথ্য পাবেন।

✅ পদ্ধতি ২: Task Manager (পারফরম্যান্স চেক)
Ctrl + Shift + Esc চেপে Performance ট্যাবে যান। আপনার CPU, RAM, এবং Disk (SSD/HDD) বর্তমানে কেমন কাজ করছে তা লাইভ দেখতে পাবেন।

✅ পদ্ধতি ৩: System Information (বিস্তারিত তথ্য)
Win + R চেপে msinfo32 লিখে এন্টার দিন। মাদারবোর্ড থেকে শুরু করে বায়োস ভার্সন পর্যন্ত সব পাবেন।

✅ পদ্ধতি ৪: DirectX (গ্রাফিক্সের জন্য)
Win + R চেপে dxdiag লিখে এন্টার দিন। যারা গেম খেলেন বা এডিটিং করেন, তাদের গ্রাফিক্স কার্ড চেক করার জন্য এটি সেরা পদ্ধতি।

নিচের ছবিতে পুরো বিষয়টি একটি ফ্লোচার্টের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। পোস্টটি সেভ করে রাখুন, ভবিষ্যতে কাজে লাগবে! 📌

এম এস ওয়ার্ডের (Microsoft Word) 'ফাইল' (File) মেন্যু মূলত একটি ডকুমেন্টের ব্যাকস্টেজ ভিউ (Backstage View), যেখান থেকে ডক...
11/04/2026

এম এস ওয়ার্ডের (Microsoft Word) 'ফাইল' (File) মেন্যু মূলত একটি ডকুমেন্টের ব্যাকস্টেজ ভিউ (Backstage View), যেখান থেকে ডকুমেন্টের ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা এবং প্রিন্টিং সংক্রান্ত কাজগুলো করা হয়।
অপশন (Option) কাজের বিবরণ (Description)
Home (হোম)-- নতুন ব্ল্যাংক ডকুমেন্ট শুরু করা এবং রিসেন্ট (Recent) ফাইলগুলো দেখার জন্য।
New (নিউ)-- সম্পূর্ণ নতুন ফাইল তৈরি বা আগে থেকে তৈরি করা টেমপ্লেট বেছে নেওয়ার জন্য।
Open (ওপেন)-- কম্পিউটারে বা ড্রাইভে সেভ করা কোনো পুরনো ফাইল খোলার জন্য।
Info (ইনফো)-- ফাইলের সাইজ, লেখক, এবং ডকুমেন্ট প্রোটেক্ট (পাসওয়ার্ড দেওয়া) করার জন্য।
Save (সেভ)-- বর্তমান ডকুমেন্টে করা পরিবর্তনগুলো একই ফাইলে সংরক্ষণ করার জন্য।
Save As (সেভ অ্যাজ)-- ফাইলটি অন্য কোনো নামে, অন্য ফরম্যাটে (যেমন PDF) বা অন্য জায়গায় সেভ করার জন্য।
Print (প্রিন্ট)-- ডকুমেন্টটি প্রিন্ট করার আগে প্রিভিউ দেখা এবং হার্ডকপি বের করার জন্য।
Share (শেয়ার)-- ইমেইল বা ক্লাউডের মাধ্যমে ফাইলটি অন্যদের পাঠানোর জন্য।
Export (এক্সপোর্ট)-- ফাইলটিকে সরাসরি PDF বা XPS ডকুমেন্ট হিসেবে তৈরি করার জন্য।
Close (ক্লোজ)-- এম এস ওয়ার্ড সফটওয়্যার বন্ধ না করে শুধুমাত্র বর্তমান ফাইলটি বন্ধ করার জন্য।
Account (অ্যাকাউন্ট)-- অফিস সাবস্ক্রিপশন, আপডেট এবং ইউজার প্রোফাইল দেখার জন্য।
Options (অপশনস)-- ওয়ার্ডের সেটিংস যেমন—ফন্ট, ভাষা, প্রুফিং বা রিবন কাস্টমাইজ করার জন্য।

এম এস ওয়ার্ডে (Microsoft Word) 'হোম' (Home) মেন্যু হলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত রিবন ট্যাব, যেখানে একটি ডকুমেন্টের টেক্সট ফ...
11/04/2026

এম এস ওয়ার্ডে (Microsoft Word) 'হোম' (Home) মেন্যু হলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত রিবন ট্যাব, যেখানে একটি ডকুমেন্টের টেক্সট ফরম্যাটিং এবং সাজানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব প্রধান টুল থাকে।
১. ক্লিপবোর্ড (Clipboard)
Copy/Cut/Paste: টেক্সট কপি বা কাট করে অন্য জায়গায় বসানো।
Format Painter: কোনো লেখার ফরম্যাট কপি করে অন্য লেখায় প্রয়োগ করা।

২. ফন্ট (Font)
Font Name/Size: ফন্টের ধরন এবং আকার পরিবর্তন করা।
Bold/Italic/Underline: লেখাকে মোটা, বাঁকা বা নিচে দাগ দেওয়া।
Change Case: সব অক্ষর বড় বা ছোট করা।
Font Color/Highlight: অক্ষরের রং এবং ব্যাকগ্রাউন্ড রং পরিবর্তন।

৩. প্যারাগ্রাফ (Paragraph)
Bullets/Numbering: পয়েন্ট বা তালিকা তৈরি করা।
Alignment (Left/Center/Right/Justify): লেখাকে ডান, বাম বা মাঝখানে সাজানো।
Line Spacing: লাইনের মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গা নিয়ন্ত্রণ।
Indent: প্যারাগ্রাফকে মার্জিন থেকে দূরে সরানো।

৪. স্টাইলস (Styles)
Heading Styles: ডকুমেন্টের বিভিন্ন হেডিং এবং বডি টেক্সটের জন্য প্রি-সেট ফরম্যাট ব্যবহার করা (যেমন Heading 1, Heading 2)। এটি সূচিপত্র তৈরিতেও সাহায্য করে।

৫. এডিটিং (Editing)
Find: ডকুমেন্টে কোনো নির্দিষ্ট শব্দ খুঁজে বের করা।
Replace: একটি শব্দ খুঁজে তা অন্য শব্দ দিয়ে পরিবর্তন করা।
Select: পুরো টেক্সট বা অবজেক্ট একসাথে নির্বাচন করা।

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কাজ করার গতি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ১০টি কার্যকরী 'প্রো টিপস' ১. এক ক্লিকেই ফরম্যাট কপি (Format...
11/04/2026

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কাজ করার গতি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ১০টি কার্যকরী 'প্রো টিপস'

১. এক ক্লিকেই ফরম্যাট কপি (Format Painter):
কোনো লেখার ফন্ট, সাইজ বা রঙ অন্য লেখায় দিতে চাইলে লেখাটি সিলেক্ট করে Format Painter-এ ক্লিক করুন, তারপর কাঙ্ক্ষিত লেখার ওপর ব্রাশ করে দিন। যদি একাধিক জায়গায় একই ফরম্যাট দিতে চান, তবে আইকনটিতে ডাবল-ক্লিক করুন।

২. দ্রুত লাইন টানা (Keyboard Shortcuts for Lines):
পুরো পেজ জুড়ে লাইন টানার জন্য মাউস ব্যবহারের দরকার নেই। ৩টি ড্যাশ (---) লিখে এন্টার দিলে পাতলা লাইন, ৩টি ইকুয়াল (===) লিখে এন্টার দিলে ডাবল লাইন এবং ৩টি স্টার (***) লিখে এন্টার দিলে ডটেড লাইন তৈরি হবে।

৩. সব টেক্সট একসাথে কপি (Spike):
ভিন্ন ভিন্ন জায়গা থেকে টেক্সট কপি করে এক জায়গায় পেস্ট করতে চাইলে Ctrl + F3 ব্যবহার করুন। এতে সব টেক্সট 'Spike'-এ জমা হবে। শেষে Ctrl + Shift + F3 চাপলে সব টেক্সট একসাথে পেস্ট হয়ে যাবে।

৪. স্মার্ট সিলেক্ট (Vertical Selection):
সাধারণত আমরা লাইন ধরে সিলেক্ট করি, কিন্তু আপনি যদি কলাম আকারে বা লম্বালম্বিভাবে টেক্সট সিলেক্ট করতে চান, তবে কীবোর্ডের Alt কী চেপে ধরে মাউস দিয়ে ড্র্যাগ করুন।

৫. দ্রুত টেক্সট বড়-ছোট করা:
মাউস দিয়ে ফন্ট সাইজ না বদলে, লেখা সিলেক্ট করে Ctrl + Shift + > চাপলে ফন্ট বড় হবে এবং Ctrl + Shift + < চাপলে ছোট হবে।

৬. ডকুমেন্ট নেভিগেশন (Navigation Pane):
বড় ডকুমেন্টের এক পেজ থেকে অন্য পেজে দ্রুত যেতে Ctrl + F চেপে 'Navigation Pane' চালু করুন। এখান থেকে হেডিং বা পেজ নাম্বার দেখে দ্রুত মুভ করা যায়।

৭. অটো-টেক্সট (AutoCorrect):
আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম বা বড় কোনো পদবি বারবার লিখতে হলে সেটির জন্য ছোট কোড সেট করে রাখুন (Options > Proofing > AutoCorrect)। যেমন: 'GOV' লিখলে অটোমেটিক 'Government' হয়ে যাবে।

৮. প্যারাগ্রাফ সেশন মুভ করা:
কোনো প্যারাগ্রাফ উপরে বা নিচে সরাতে চাইলে সেটি সিলেক্ট করে Alt + Shift + Up/Down Arrow চাপুন। কাট-পেস্ট করার ঝামেলা ছাড়াই লেখা মুভ হবে।

৯. শব্দ ধরে ডিলিট করা:
একটা একটা অক্ষর ডিলিট না করে পুরো শব্দ একসাথে ডিলিট করতে Ctrl + Backspace ব্যবহার করুন। এতে আপনার সময় অনেক বাঁচবে।

১০. পিডিএফ এডিট করা:
যেকোনো পিডিএফ (PDF) ফাইল সরাসরি ওয়ার্ডে ওপেন করুন (File > Open)। ওয়ার্ড ফাইলটিকে এডিটযোগ্য টেক্সটে রূপান্তর করে দেবে, আলাদা কোনো কনভার্টার লাগবে না।

Address

১৯ ইন্দিরা রোড, তেজগাঁও কলেজের পাশের বিল্ডিং ২য় তলায় (তোফাজ্জল বুক হাউজের উপর তলায়), Farmgate
Dhaka
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Computer Solutions and Training Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Computer Solutions and Training Center:

Share