08/02/2024
আমি বিশ্বাস করি, সবাই এটা পড়বে এবং
শেয়ার করবে....
গত ৩ মাসে আমরা কমপক্ষে ৩০ টা ইন্সিডেন্ট পেয়েছি Honey Trap বিষয়ে। এই ২০ জনের মধ্যে দেশের উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব , সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষও রয়েছে।
হঠাৎ কেউ আপনাকে বিদেশী মেয়ে সেজে ফেসবুক আইডি থেকে নক করলো সাথে সাথে আপনি বন্ধু হয়ে গেলেন, ধীরে ধীরে বাংলা বা হিন্দি মিলিয়ে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলা শুরু করলো; আপনি হয়তো গলে গেলেন। একটা পর্যায়ে আপনাকে সে আহ্বান জানালো যে সে আপনার সাথে ভিডিও কল করবে, ভিডিও কল করার বলবে বাথরুমে যেতে, বাথরুমে গিয়ে অপর প্রান্তের মেয়েটি তার নিজের নিচের অথবা ওপরের অংশের কাপড় খোলা শুরু করবে এবং কোনো একটা পর্যায়ে আপনাকেও কাপড় খুলতে বলবে, হয়তো আপনি ভুল করে অথবা অন্য কোনো কারণে একটু কাপড় খুলবেন বা অর্ধনগ্ন হবেন, সে তখন পুরোটা ভিডিও করবে ও সে নিজেরটা বাদ দিয়ে আপনারটা রাখবে অথবা আপনি কাপড়ই খুলেননি তবূও সে নিজেরটা ও আপনার অনগ্ন ভিডিও থেকে ইডিট করে নতুন ভিডিওটা বানাবে এবং শুরু করবে ব্লাকমেইল, ব্লাকমেইল করে আপনার কাছ থেকে টাকা চাবে। তারা আপনার কিছু ব্যক্তিগত বা পেশাগত তথ্য সংগ্রহ করে এই ব্ল্যাকমেইল কে আরো প্রগাঢ় করে তুলবে, সাধ্যে থাকলে আপনার পরিচিত বন্ধু বা কলিগ কে এই ফেব্রিকেটেড ভিডিও পাঠাবে আপনাকে ভয় দেখাতে। এই রকম ঘটনায় এক একজন এর কাছ থেকে মিনিমাম ২০ লাখ টাকা থেকে উর্ধ্বে ১.৫ কোটি পর্যন্ত টাকা নিয়েছে বলে এমন খবর আমাদের কাছে আছে।
সম্মানিত নাগরিকদের আমি আহ্বান জানাই কোনো ভাবেই অপরিচিত আইডি থেকে এসএমএস আসলে তার সাথে বন্ধুত্ব করার কোনো দরকার নেই। বন্ধুত্ব করলেও সেক্ষেত্রে সাবধানে কথা বলবেন। বিশ্বাস করে গোপন চ্যাট করবেন না বা ভিডিও কল তো অবশ্যই না, যাকে চেনেন না জানেন না তার সাথে ভিডিও কলে কোনো ভাবেই কথা বলা যুক্তিসম্মত নয়। আর যদি এমন ইন্সিডেন্ট ঘটে যায়, তাহলে আপনি মাথায় রাখবেন এক টাকাও দিবেন না আপনি, টাকা দিলেই বুঝবে আপনার কাছে টাকা আছে তখন সে আপনাকে আরো ব্লাকমেইল করবে। তাই তাদের আপনি কোনভাবেই রেসপন্স করবেন না। এটা একটা চক্র ও এটা কমপক্ষে ৫০০ লোকের একটা সিন্ডিকেট, যাদের কাছে এটা একটা পেশা, তারা কোনভাবেই আপনার সামাজিক অবস্থান নিয়ে কন্সারন্ড না বা আপনাকে সমাজে হেয় করতে চায়না, তারা চায় টাকা। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে চক্রগুলো বাংলাদেশী নাগরিক এর সহায়তায় এই সিন্ডিকেট পরিচালনা করে। কথা বলার সময় ভারতীয় হোয়াটসএপ ও টাকা নেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশী ব্যাংক একাউন্ট বা বিকাশ/নগদ নাম্বার ব্যবহার করে। এরা আরো ২০/৩০ জনের সাথে একই কাজ করে, আপনার পেছনে সময় দেয়ার মত সময় তাদের নেই। আপনি হুমকি ধমকিতে টাকা দিলে তারা খুশি, না হলে আর কোনো কিছুই না বা ভাইরাল করার সময় তাদের নাই। অবশ্যই হুমকিতে ভীত হয়ে টাকা দিবেন না।
আর এমন ইন্সিডেন্ট ঘটলে পুলিশ (সাইবার পুলিশ) কে রিপোর্ট করুন। এটা এত বেশি মহামারীর মতো হয়ে যাচ্ছে তাই আমি সকলকে বলবো পোস্টটা পড়বেন এবং শেয়ার করবেন।