11/01/2026
স্মার্টফোন বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক লুণ্ঠন ও মাফিয়া রাজত্বের অবসান চাই! ✊📱
বর্তমানে বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজার এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে তথাকথিত ‘অফিশিয়াল’ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে, অন্যদিকে জুলাই বিপ্লবের খুনের আসামিরা বুক ফুলিয়ে এই ইন্ডাস্ট্রি নিয়ন্ত্রণ করছে। আজ সময় এসেছে মুখোশ উন্মোচনের।
🔴 সিন্ডিকেটের প্রাতিষ্ঠানিক লুণ্ঠন:
সরকার শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিলেও বাজারে তার উল্টো চিত্র। অফিশিয়াল ব্র্যান্ডগুলো ফোনের দাম না কমিয়ে উল্টো ৫০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। ভারতের তুলনায় একই মডেলের ফোনে ১০-১৫ হাজার টাকা বেশি রাখা হচ্ছে, অথচ দেওয়া হচ্ছে নিম্নমানের চিপসেট। এটি সরাসরি গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা!
🔴 কে এই নেপথ্যের কারিগর?
অভিযোগের তীর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (জহির)-এর দিকে, যিনি স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বর্তমানে 'অনার বাংলাদেশ'-এর নিয়ন্ত্রক।
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা: তিনি বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট ছিলেন। শেখ হাসিনা এবং মোস্তাফা জব্বার-পলক চক্রের সাথে তার ঘনিষ্ঠতার বহু প্রমাণ আজ জনসমক্ষে।
ভয়ংকর অভিযোগ: আদালত ও জনগণের তথ্যমতে, তিনি জুলাই অভ্যুত্থানে রামপুরার ছাত্র হত্যার অন্যতম অর্থদাতা ও আসামি (মামলার ১৭ নং তালিকাভুক্ত)।
অর্থ পাচার: নাফিসা কামাল সিন্ডিকেটের সাথে যুক্ত হয়ে বিমা উন্নয়ন প্রকল্প থেকে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
🔴 প্রশাসনের দ্বিচারিতা:
খুনের মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও জহির আজ ‘বস’ সেজে ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংস করছেন। অথচ যারা ন্যায্য দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন, সেই ৪৭ জন সৎ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের কাছে আমাদের প্রশ্ন—এই বৈষম্যের দায় কার?
🔴 পতিত স্বৈরাচারের দোসর ও রাজনৈতিক প্রভাব 🤝
জহিরুল ইসলাম সাবেক স্বৈরাচারী সরকারের আইসিটি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ও জুনাইদ আহমেদ পলকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের সময় শেখ হাসিনার তোষামোদিতে তিনি কোটি কোটি টাকা খরচ করেছেন। এই রাজনৈতিক সখ্যতা ব্যবহার করেই তিনি আজ একচেটিয়া বাজার জিম্মি করে রেখেছেন।
🔴 ৮০০ কোটি টাকার লুণ্ঠন ও পাচার সিন্ডিকেট 📉
গণমাধ্যমের রিপোর্ট ও তথ্যসূত্র অনুযায়ী, সাবেক অর্থমন্ত্রীর মেয়ে নাফিসা কামালের সাথে যোগসাজশে স্মার্ট টেকনোলজিস বিমা উন্নয়ন প্রকল্প থেকে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা (৬৭ মিলিয়ন ডলার) হাতিয়ে নিয়ে বিদেশে পাচার করেছে। এই বিপুল অর্থ পাচারের দায় প্রশাসন কেন এড়াতে পারছে না?
আমাদের দাবি সুষ্পষ্ট:
১️⃣ অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত ৪৭ জন ব্যবসায়ীর নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
২️⃣ খুনের মামলার আসামি ও বাজার সিন্ডিকেটের হোতা জহিরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
৩️⃣ NEIR সিস্টেমের নামে গ্রাহক হয়রানি ও একচেটিয়া বাজার তৈরির পাঁয়তারা বন্ধ করতে হবে।
৪️⃣ সম্পূর্ণভাবে সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত পর্যন্ত NEIR কার্যক্রম স্থগিত করে উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক বাজার নিশ্চিত করতে হবে।
সাধারণ গ্রাহক এবং ছোট ব্যবসায়ীরা আজ ঐক্যবদ্ধ। এই লুণ্ঠন ও অবিচার আমরা আর মেনে নেব না। এই পোস্টটি শেয়ার করে অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচন করতে সাহায্য করুন।
আমাদের ৫৭ জন এমন তীব্র শীতে জেলখানার মেঝেতে ঘুমায় সেটা অনুভব করেন আপনারা ?
আমি এবং অনেকেই বাসায় থাকিনা, রাস্তায় বের হয়ে চা থেকে পারিনা এই কস্ট বুঝেন ? অপরিচিত নাম্বার দেখবে ডর লাগে এটা বুঝতে পারেন ? সৈরাচারের সময় দেখেছি যারা ভিন্ন ধারার রাজনীতি করত তারা পালিয়ে বেড়াত। আজ আমরা ব্যবসায়ীরা সেই সৈরাচারের মদত দাতাদের ইন্ধনে প্রশাসন কে ঘুষ দিয়ে আমাদের ব্যবসায়ীদের পিছনে লেলিয়ে দিয়েছে যার ফলে আমাদেরকে পালিয়ে ভেড়াতে হচ্ছে।
“শহীদ হওয়ার জন্য শুধু একটি বুলেটই যথেষ্ট নয়, তার আগে প্রয়োজন একটি বিপ্লবী চেতনা যা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কখনো মাথা নত করে না।”
— শহীদ ওসমান হাদি।
প্রতিবাদ শুরু করুন নিচের লিংক থেকেই
https://www.facebook.com/share/v/17b3oEs43U/?mibextid=wwXIfr