Shariatpur portal

Shariatpur portal শরীয়তপুর জেলা ভিত্তিক সংগঠন। সংগঠনটি শরীয়তপুর জেলা ভিত্তিক বহুমাত্রিক উদ্দেশ্য ২০১২ সালের ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।

শরীয়তপুর পোর্টাল শরীয়তপুর জেলার তথ্য বিষয়ক একটি সংগঠন। ২০১২ সালের ১৪ এপ্রিল (০১ বৈশাখ 1419) সংগঠনটি যাত্রা শুরু করে।
লক্ষ্যঃ----------------
শরীয়তপুর জেলার সকল প্রকার তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রচার করার নির্ভরযোগ্য সংগঠন হিসাবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া “শরীয়তপুর পোর্টাল” এর মূল লক্ষ্য।

লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য উদ্দেশ্যসমূহ হবে:-----------------------

1. শরীয়তপুর জেলাকে দেশ বিদেশে তুলে ধরা।
2. দেশ বিদেশে শরীয়তপুরবাসীদের মাঝে যোগাযোগ বৃদ্ধি করা।
3. শরীয়তপুর জেলার ইতিবাচক কার্যক্রমের সহযোগী ও প্রযোজ্যক্ষেত্রে দায়িত্বগ্রহণ করা।
4. জেলার তথ্য সম্পর্কিত “সংরক্ষণাগার” হিসেবে যথাযথ কার্যক্রম পরিচালনা করা।
5. শরীয়তপুর জেলাকে স্বদেশ ও বর্হিবিশ্বে তুলে ধরার বিষয়ে “দায়িত্বশীল” ও ‍“অগ্রগামী” ভুমিকা পালন করা।

বর্তমান কার্যক্রমঃ-------------------------------------------

1. WWW.shariatpurportal.info ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জেলার তথ্য সমুহ প্রকাশ ও সংরক্ষণ;
2. অফিস রুমে শরীয়তপুর জেলার সম্পর্কিত বিভিন্ন দলিলপত্র, বই পত্র ও প্রকাশনা সংরক্ষণ এবং জনসাধারণের জন্য প্রদর্শন;
3. জনসাধারণের জ্ঞানার্জনার্থে বই পড়তে উদ্বুদ্ধ করার জন্য একটি পাঠাগার পরিচালনা;

প্রতিবছর ২ নভেম্বর বাংলাদেশে ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস’ দিবসের সংক্ষিপ্ত তথ্য:ঘোষণা: ১৯৯৫ সালে...
02/11/2026

প্রতিবছর ২ নভেম্বর বাংলাদেশে ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস’
দিবসের সংক্ষিপ্ত তথ্য:
ঘোষণা: ১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২ নভেম্বরকে এই দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। এর পেছনে রয়েছে ১৯৭৮ সালের ২ নভেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্লাড ব্যাংকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সন্ধানী কর্তৃক আয়োজিত প্রথম স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির ইতিহাস।
মূল উদ্দেশ্য: সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান এবং মৃত্যুর পর কর্নিয়া বা চক্ষুদায়ে উদ্বুদ্ধ করা এবং সচেতনতা তৈরি করা।

প্রতি বছর ২ নভেম্বর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির উদ্যোগে দিবসটি দেশব্যাপী পালন করে থাকে। ২০২৬ সালের জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবসের প্রতিপাদ্য হলো: ‘রক্তদানে জীবনের জয়গান, চক্ষুদানে আলোর সন্ধান।’ রক্তদান ও চক্ষুদান যা শুধু একটি দিবস নয়, বরং মানবতার উৎসব। যেখানে ‘দান’ মানে কেবল বস্তু নয়, জীবন ও আলো দান। রক্তের ফোঁটায় কারো জীবন বাঁচে, অন্যদিকে মৃত্যুর পর নিজের চোখ দিয়ে কারো পৃথিবী দেখার স্বপ্ন দুটিই মানবতার শ্রেষ্ঠ প্রতীক।
রক্ত মূল্যবান উপাদান যা ল্যাবরেটরিতে তৈরি হয় না। মানুষই পারে মানুষকে রক্ত দিতে। দেশে প্রতিবছর প্রায় ১৪ লাখ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়, অথচ সংগৃহীত রক্ত তার তুলনায় অনেক কম। দুর্ঘটনা, অস্ত্রোপচার, সন্তান প্রসব বা ক্যানসার চিকিৎসায় রক্তের দরকার হয়। একজন সুস্থ মানুষ মাত্র ৩০০ মিলিলিটার রক্ত তিন থেকে চার মাস পরপর দিতে পারেন। এতে শরীরের ক্ষতি হয় না। স্বেচ্ছায় রক্তদান মানে কেবল চিকিৎসা সহায়ক কাজ নয়; বরং একজন মানুষকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করার মহৎ দান।

শুভ জন্মদিন!আবদুর রব শিকদার( মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, সাবেক সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট লেখক, কবি, সংগঠক এবং সমাজনেত...
01/11/2026

শুভ জন্মদিন!

আবদুর রব শিকদার
( মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, সাবেক সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট লেখক, কবি, সংগঠক এবং সমাজনেতা)
লেখক ঠিকানা: লাকার্তা, ভেদরগঞ্জ, শরীয়তপুর ।
জন্ম: ১ নভেম্বর ১৯৪৭ শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নস্থ লাকার্তা গ্রামে। শরীয়তপুর জেলার ইতিহাস- “শরীয়তপুর অতীত ও বর্তমান” এর লেখক। বাংলা সাহিত্যের দীর্ঘতম প্রেমপত্র ইতি তোমারই নাঈম আবদুর রব শিকদার এর অনবদ্য অবদান। ২০২১ সালে ঢাকাস্থ শরীয়তপুর লেখক পরিষদের ব্যবস্থাপনায় ‘অতুলপ্রসাদ সেন-আবু ইসহাক সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেন আঞ্চলিক ইতিহাস রচনায়। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী জনাব শিকদার দাদা নাতির মধুর সম্পর্ককে অধিকতর নিবিড় করার লক্ষ্যে গ্র্যান্ড পেরেন্টস ডে সেলিব্রেশন কাউন্সিল বা জিডিসিসি বাংলাদেশ নামক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
জন্ম ১৬ আগষ্ট ১৯৪৭ শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নস্থ লাকার্তা গ্রামে। ছোট বেলায় মন্টু নামে লাকার্তা গ্রামে বিচরণ করেছেন চারণের মতো। পিতা- মরহুম আবদুল হক শিকদার, একজন নাবিক ছিলেন। মাতা- আম্বিয়া খাতুন, গৃহবধু। উভয়েই পরলোকগত।
সহধর্মিণী লীনা ইয়াসমিন শিকদার, গ্র্যাজুয়েট ও গৃহবধু, সমাজসেবিকা। দু পুত্র- ফয়সাল ও আসিফ দেশে বিদেশে প্রতিষ্ঠিত।
প্রাথমিক ও নিমাধ্যমিক পরীক্ষায় টেলেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত এবং ১৯৬৫ সালে দু-লেটার সহ মাদারীপুর ইউনাইটেড ইসলামিয়া হাই স্কুল হতে প্রথম বিভাগে এসএসসি পাস।
তিনি মাদারীপুর নাজিম উদ্দিন কলেজে পাঠকালে ৬৯ এর গণআন্দোলনে অন্যতম ছাত্র নেতা ছিলেন। এ কলেজ হতে স্নাতক ডিগ্রি গ্রহণ করে পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
১৯৬৯ এর গণআন্দোলনে বিশিষ্ট ভূমিকা রাখেন এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে স্থানীয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
১৯৭০ সালের নিজ এলাকায় আজিজুর রহমান হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আবদুর রব শিকদার রাষ্ট্রীয় বাণিজ্য সংস্থা টিসিবি’তে সরকারের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তারূপে কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ ৩৩ বছর একই সংস্থায় চাকরি করে। ক্রমপদোন্নতিসহ সর্বশেষ সংস্থার চীফ অফিসার (সরকারের যুগ্ম সচিব মানের) পদে কাজ করে ২০০৭ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
আন্তর্জাতিক যুব সংগঠনে এপেক্স ক্লাবে যােগ দিয়ে জাতীয় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। দক্ষতার জন্য তিনি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ সমুহের সম্মেলনে গােল্ডেন পিকক নামক পদক লাভ করেন যা বাংলাদেশের জন্য গর্বের।
সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য তিনি এপেক্স বাংলাদেশ-এর ষাটতম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অর্থাৎ ডায়মন্ড জুবিলি অনুষ্ঠানে তাকে সর্বোচ্চ সম্মান “এপেক্স রত্ন” উপাধিতে ভূষিত করা।
আবদুর রব শিকদার ২০২১ সালে ঢাকাস্থ শরীয়তপুর লেখক পরিষদের ব্যবস্থাপনায় ‘অতুলপ্রসাদ সেন-আবু ইসহাক সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেন আঞ্চলিক ইতিহাস রচনায়।
তিনি এপেক্স নামক একটি আন্তর্জাতিক যুব ক্লাবের বাংলাদেশের জাতীয় সভাপতি ছিলেন। (১৯৮৭-১৯৮৮)। বর্তমানে তিনি এ ক্লাবের লাইফ গভর্ণর। সম্প্রতি তিনি এ ক্লাব হতে আজীবন সম্মাননা লাভ করেছেন। তিনি এপেক্স ফাউন্ডেশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও পৃষ্ঠপোষক।
ছাত্রজীবন হতেই তিনি বিভিন্ন লেখালেখিতে সিদ্ধহস্ত ছিলেন।
আবদুর রব শিকদার লেখকের প্রকাশিত বইপত্র
১। শরীয়তপুর অতীত ও বর্তমান (১৯৯২) প্রথম প্রকাশ
২। ইতি তোমারই নাঈম (১৯৯৪) পত্র পুস্তক
৩। শমরিতা তুমি এসো (১৯৯৫) কাব্যগ্রন্থ
৪। এপেক্স দিশারি (১৯৯৬) প্রথম প্রকাশ
৫। এপেক্স দিশারি (২০০৪) দ্বিতীয় প্রকাশ
৬ । জীবন এক বহতা নদী (আত্মজীবনীমূলক পুস্তক-২০০৬)
৭। শরীয়তপুর অতীত ও বর্তমান (২০০৭) দ্বিতীয় প্রকাশ
৮। বাংলাদেশ নবম জাতীয় সংসদ ২০০৯-২০১৪-জাতীয় সংসদ সম্পর্কিত পুস্তক
৯। মুক্তিযুদ্ধে শরীয়তপুর
১০। গ্রামের নাম লাকার্তা (২০১৪)
১১ শরীয়তপুর অতীত ও বর্তমান (তৃতীয় সংস্করণ) প্রকাশের পথে ।
১২। আমার কবিতা গুলো (কাব্য গ্রন্থ)
১৩। আব্দুর রব শিকদার নির্বাচিত ১০০ কবিতা
১৪। গোধুলী বেলার কবিতা (কাব্যগ্রনথ)
এছাড়া তাঁর বহু প্রবন্ধ, নিবন্ধ, ছোট গল্প, কবিতা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ও স্মরণিকায় ছাপা হয়েছে।
তিনি বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছেন।

আবু ইসহাক শরীয়তপুর জেলাবাসী কথাসাহিত্যিক, অভিধান-প্রণেতা এবং ‘বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার’ (১৯৬৩), ‘একুশে পদক’ (১৯৯৭)...
01/11/2026

আবু ইসহাক শরীয়তপুর জেলাবাসী কথাসাহিত্যিক, অভিধান-প্রণেতা এবং ‘বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার’ (১৯৬৩), ‘একুশে পদক’ (১৯৯৭), ‘স্বাধীনতা পদক’ (মরণোত্তর, ২০০৪) প্রাপ্ত শরীয়তপুরবাসী লেখক।
জন্মশতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি
কবি আবু ইসহাক ১৯২৬ সালের ০১ নভেম্বর ফতেজঙ্গপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত শিরঙ্গল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোঃ এবাদুল্লাহ রাড়ী। আবু ইসহাক শরীয়তপুর উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯৪২ সালে মাধ্যমিক, ১৯৪৪ সালে ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন এবং ১৯৬০ সালে করাচি বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। তার প্রথম গল্প 'রসের জলসায় ১৯৪০ সালে নবযুগ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাড়া জাগানো উপন্যাস 'সূর্য দীঘল বাড়ি' ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়। তার অন্যান্য গল্প গ্রন্থের মধ্যে 'হারেম' ১৯৬২ সালে, 'মহাপতঙ্গ' ১৯৬৩ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি ২০০৩ সালে ১৬ ফেব্রুয়ারী ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

ফাতেমা মেধা বৃত্তি - ২০২৬ শরীয়তপুর জেলার ৩য় থেকে ৮মে শ্রেণীর সকল শিক্ষার্থী।- সম্পূর্ণ ফ্রি রেজিস্ট্রেশনে!   আবেদন লিং...
24/10/2026

ফাতেমা মেধা বৃত্তি - ২০২৬
শরীয়তপুর জেলার ৩য় থেকে ৮মে শ্রেণীর সকল শিক্ষার্থী।
- সম্পূর্ণ ফ্রি রেজিস্ট্রেশনে!
আবেদন লিংক: https://scholarship.fatemamedicalcenter.com/
রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ: ১৫ নভেম্বর, ২০২৬
পরীক্ষার তারিখ: ১২ ডিসেম্বর, ২০২৬ (শনিবার)
আয়োজনে:
ফাতেমা মেডিকেল সেন্টার
১৭৪, তুলাসার, শরীয়তপুর সদর, শরীয়তপুর।
হটলাইন: 096 44 247 247

স্বরচিত লেখা আহবান।
21/10/2026

স্বরচিত লেখা আহবান।

শুভ সুচনা -রংতুলি সদাই পাতি!আজ ১ অক্টোবর ভেদরগঞ্জে “রংতুলি_সদাই_পাতি” নামে হোম ডেলিভারি সার্ভিস শুরু হয়েছে।মুদি বাজার, ক...
01/10/2026

শুভ সুচনা -রংতুলি সদাই পাতি!
আজ ১ অক্টোবর ভেদরগঞ্জে “রংতুলি_সদাই_পাতি” নামে হোম ডেলিভারি সার্ভিস শুরু হয়েছে।
মুদি বাজার, কাঁচাবাজার, খাবার, ঔষধ, গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্য পৌঁছে দিবে তারা।
ভেদরগঞ্জের কারো কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে শুধু তালিকাটা Inbox/WhatsApp এ পাঠিয়ে দিলেই হবে।
ডেলিভারি চার্জ ভেদরগঞ্জ বাজারের ১কি:মি: এর মধ্যে 40 টাকা। পরবর্তী প্রতি কি:মি: এর জন্য 10 টাকা+40 টাকা। অর্থাৎ [২কিমি: এর চার্জ (10+10)+40=60 টাকা] ৩কি:মি:=৭০৳, ৪কি:মি:= ৮০৳
WhatsApp 📲 0170 777 5242
www.facebook.com/rongtulisodaipati

রংতুলি সদাই পাতির জন্য শুভ কামনা।

বিশেষ সচেতনতা!
26/09/2026

বিশেষ সচেতনতা!

25/09/2026
25/09/2026

Address

Dhaka
8030

Opening Hours

Monday 09:15 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:45
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

01798462000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shariatpur portal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shariatpur portal:

Shortcuts

Share