01/11/2026
শুভ জন্মদিন!
আবদুর রব শিকদার
( মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, সাবেক সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট লেখক, কবি, সংগঠক এবং সমাজনেতা)
লেখক ঠিকানা: লাকার্তা, ভেদরগঞ্জ, শরীয়তপুর ।
জন্ম: ১ নভেম্বর ১৯৪৭ শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নস্থ লাকার্তা গ্রামে। শরীয়তপুর জেলার ইতিহাস- “শরীয়তপুর অতীত ও বর্তমান” এর লেখক। বাংলা সাহিত্যের দীর্ঘতম প্রেমপত্র ইতি তোমারই নাঈম আবদুর রব শিকদার এর অনবদ্য অবদান। ২০২১ সালে ঢাকাস্থ শরীয়তপুর লেখক পরিষদের ব্যবস্থাপনায় ‘অতুলপ্রসাদ সেন-আবু ইসহাক সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেন আঞ্চলিক ইতিহাস রচনায়। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী জনাব শিকদার দাদা নাতির মধুর সম্পর্ককে অধিকতর নিবিড় করার লক্ষ্যে গ্র্যান্ড পেরেন্টস ডে সেলিব্রেশন কাউন্সিল বা জিডিসিসি বাংলাদেশ নামক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
জন্ম ১৬ আগষ্ট ১৯৪৭ শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নস্থ লাকার্তা গ্রামে। ছোট বেলায় মন্টু নামে লাকার্তা গ্রামে বিচরণ করেছেন চারণের মতো। পিতা- মরহুম আবদুল হক শিকদার, একজন নাবিক ছিলেন। মাতা- আম্বিয়া খাতুন, গৃহবধু। উভয়েই পরলোকগত।
সহধর্মিণী লীনা ইয়াসমিন শিকদার, গ্র্যাজুয়েট ও গৃহবধু, সমাজসেবিকা। দু পুত্র- ফয়সাল ও আসিফ দেশে বিদেশে প্রতিষ্ঠিত।
প্রাথমিক ও নিমাধ্যমিক পরীক্ষায় টেলেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত এবং ১৯৬৫ সালে দু-লেটার সহ মাদারীপুর ইউনাইটেড ইসলামিয়া হাই স্কুল হতে প্রথম বিভাগে এসএসসি পাস।
তিনি মাদারীপুর নাজিম উদ্দিন কলেজে পাঠকালে ৬৯ এর গণআন্দোলনে অন্যতম ছাত্র নেতা ছিলেন। এ কলেজ হতে স্নাতক ডিগ্রি গ্রহণ করে পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
১৯৬৯ এর গণআন্দোলনে বিশিষ্ট ভূমিকা রাখেন এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে স্থানীয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
১৯৭০ সালের নিজ এলাকায় আজিজুর রহমান হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আবদুর রব শিকদার রাষ্ট্রীয় বাণিজ্য সংস্থা টিসিবি’তে সরকারের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তারূপে কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ ৩৩ বছর একই সংস্থায় চাকরি করে। ক্রমপদোন্নতিসহ সর্বশেষ সংস্থার চীফ অফিসার (সরকারের যুগ্ম সচিব মানের) পদে কাজ করে ২০০৭ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
আন্তর্জাতিক যুব সংগঠনে এপেক্স ক্লাবে যােগ দিয়ে জাতীয় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। দক্ষতার জন্য তিনি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ সমুহের সম্মেলনে গােল্ডেন পিকক নামক পদক লাভ করেন যা বাংলাদেশের জন্য গর্বের।
সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য তিনি এপেক্স বাংলাদেশ-এর ষাটতম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অর্থাৎ ডায়মন্ড জুবিলি অনুষ্ঠানে তাকে সর্বোচ্চ সম্মান “এপেক্স রত্ন” উপাধিতে ভূষিত করা।
আবদুর রব শিকদার ২০২১ সালে ঢাকাস্থ শরীয়তপুর লেখক পরিষদের ব্যবস্থাপনায় ‘অতুলপ্রসাদ সেন-আবু ইসহাক সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেন আঞ্চলিক ইতিহাস রচনায়।
তিনি এপেক্স নামক একটি আন্তর্জাতিক যুব ক্লাবের বাংলাদেশের জাতীয় সভাপতি ছিলেন। (১৯৮৭-১৯৮৮)। বর্তমানে তিনি এ ক্লাবের লাইফ গভর্ণর। সম্প্রতি তিনি এ ক্লাব হতে আজীবন সম্মাননা লাভ করেছেন। তিনি এপেক্স ফাউন্ডেশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও পৃষ্ঠপোষক।
ছাত্রজীবন হতেই তিনি বিভিন্ন লেখালেখিতে সিদ্ধহস্ত ছিলেন।
আবদুর রব শিকদার লেখকের প্রকাশিত বইপত্র
১। শরীয়তপুর অতীত ও বর্তমান (১৯৯২) প্রথম প্রকাশ
২। ইতি তোমারই নাঈম (১৯৯৪) পত্র পুস্তক
৩। শমরিতা তুমি এসো (১৯৯৫) কাব্যগ্রন্থ
৪। এপেক্স দিশারি (১৯৯৬) প্রথম প্রকাশ
৫। এপেক্স দিশারি (২০০৪) দ্বিতীয় প্রকাশ
৬ । জীবন এক বহতা নদী (আত্মজীবনীমূলক পুস্তক-২০০৬)
৭। শরীয়তপুর অতীত ও বর্তমান (২০০৭) দ্বিতীয় প্রকাশ
৮। বাংলাদেশ নবম জাতীয় সংসদ ২০০৯-২০১৪-জাতীয় সংসদ সম্পর্কিত পুস্তক
৯। মুক্তিযুদ্ধে শরীয়তপুর
১০। গ্রামের নাম লাকার্তা (২০১৪)
১১ শরীয়তপুর অতীত ও বর্তমান (তৃতীয় সংস্করণ) প্রকাশের পথে ।
১২। আমার কবিতা গুলো (কাব্য গ্রন্থ)
১৩। আব্দুর রব শিকদার নির্বাচিত ১০০ কবিতা
১৪। গোধুলী বেলার কবিতা (কাব্যগ্রনথ)
এছাড়া তাঁর বহু প্রবন্ধ, নিবন্ধ, ছোট গল্প, কবিতা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ও স্মরণিকায় ছাপা হয়েছে।
তিনি বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছেন।