রুহের বদল

রুহের বদল আসসালামু আলাইকুম।
দ্বীন পালনে আগ্রহী হয়ে শিখছি কেবল, কেও আমাকে দ্বীনি ভাববেন না দয়াকরে🙏
(2)

02/09/2026

করলাম
জানলাম
বুঝলাম
শিখলাম
*কারোর ভালো কেও সহ্য করতে পারেনা
* দায়িত্ব নিতে সবাই পারেনা/ চায়না
*উপকারীর উপকার স্বীকার করার সৌন্দর্য টা এখন বিলুপ্ত প্রায়
*কারো জন্য কিছু করতে গেলে দোষের মধ্যে পরতে হয়
*সবাইকে খুশি করাটা অনেক কষ্টের, দিনশেষে ফলাফল শূন্য
*আল্লাহকে খুশি করা সহজ, সব পাওয়া যায়।
*অন্যরা কি বলবে তা ভেবে উপকার করার অভ্যাস নষ্ট করা যাবেনা।
*ঝামেলা, নোগেটিভিটি থাকবেই, এগিয়ে যাওয়ার নামই জীবন
*সব পরিস্থিতিতে আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে।
*কিছু মানুষকে জীবনে আঁকড়ে ধরতে হবে যারা পজিটিভ এনার্জি দেয় সবসময়
*কিছু মানুষের সাথে শুধু হাসিমুখে কথা বলার জন্য সম্পর্ক রাখা।
*কিছু মানুষকে কলিজটা কেটে খাওয়ালেও বলবে লবন কম, তাই তারা নিষ্ক্রিয়ভাবে থাকবে
*কিছু মানুষকে জাস্ট হায়,হেলো।

আর সবার জন্যই সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখতে দোয়া করে যেতে হবে।

16/06/2026

❝যদি তুমি আখিরাতে বিশ্বাসী হও কিন্তু এর জন্য প্রস্তুতি না নাও, আর দুনিয়ার বিনিময়ে একে বিক্রি করে দাও, তাহলে তুমি একটা আহাম্মক। যেখানে তুমি একটি বস্তুর বিনিময়ে দুটি বস্তুকে বিক্রি করো না সেখানে কিভাবে গুটিকয়েক দিনের বিনিময়ে এমন কিছুকে বিক্রি করে দিলে যা অনন্ত (অর্থাৎ জান্নাত)।❞

-
শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়াহ [রাহ.]

[ শারহুল আক্বীদাতিল আসফাহানিয়্যাহ, পৃ: ১৬৭]

16/06/2026

🌙 মহররম মাস সম্পর্কে

মহররম হল ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস এবং এটি চারটি সম্মানিত (আশহুরুল হুরুম) মাসের একটি। আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন:

📖 কুরআন থেকে:

> إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِندَ اللَّهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِي كِتَابِ اللَّهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ

“নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট মাসের সংখ্যা বারোটি, যেদিন থেকে তিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন; এর মধ্যে চারটি সম্মানিত।”
— সূরা তাওবা: ৩৬

এই চারটি মাস হচ্ছে: মুহররম, রজব, জুলক্বদ ও জুলহিজ্জা।

---

🕋 আশুরা ও এর গুরুত্ব

📖 সহীহ হাদীস থেকে:

✅ ১. আশুরা (১০ মহররম) এর রোজা

> عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: مَا رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَحَرَّى صِيَامَ يَوْمٍ فَضَّلَهُ عَلَى غَيْرِهِ إِلَّا هَذَا الْيَوْمَ، يَوْمَ عَاشُورَاءَ

ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে কোনো রোযার প্রতি এত আগ্রহী হতে দেখিনি যতটা আগ্রহী ছিলেন আশুরার দিন রোযা রাখার ব্যাপারে।
— সহীহ বুখারী: ২০০৬

✅ ২. আশুরার রোজা পূর্বের গুনাহ মাফের উপায়

> سُئِلَ عَنْ صَوْمِ يَوْمِ عَاشُورَاءَ، فَقَالَ: يُكَفِّرُ السَّنَةَ الْمَاضِيَةَ

আশুরার রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে রাসূল (সা.) বলেন: এটি গত এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেয়।
— সহীহ মুসলিম: ১১৬২

✅ ৩. নবী মূসা (আ.) ও ফিরআউনের ঘটনা

> রাসূলুল্লাহ (সা.) মদীনায় গিয়ে দেখেন ইহুদিরা আশুরার দিন রোযা রাখছে। জিজ্ঞেস করলে তারা বলে,

"هذا يومٌ صالحٌ، هذا يومٌ نجَّى اللهُ بني إسرائيلَ من عدوِّهم، فصامه موسى"

“এটি একটি পবিত্র দিন। এই দিনে আল্লাহ তাআলা বনী ইসরাঈলকে তাদের শত্রু ফেরাউনের হাত থেকে মুক্ত করেছিলেন। তাই মূসা (আ.) রোযা রেখেছিলেন।”

রাসূল (সা.) বললেন:
"فأنا أحقُّ بموسى منكم" فصامه، وأمر بصيامه

“আমিই মূসার তুলনায় তোমাদের চেয়ে বেশি হকদার।” এরপর তিনি নিজেও রোযা রাখলেন এবং সাহাবীদেরও রাখতে আদেশ দিলেন।
— সহীহ বুখারী: ২০০৪, সহীহ মুসলিম: ১১৩০

---

✅ কোন দিনগুলো রোজা রাখা উত্তম?

রাসূল (সা.) আশুরার রোযা রাখার সঙ্গে সঙ্গে অন্য একটি দিনও রোযা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে ইহুদিদের সাথে সাদৃশ্য না হয়।

> "لَئِن بَقِيتُ إِلَى قَابِلٍ لَأَصُومَنَّ التَّاسِعَ"

“যদি আগামী বছর আমি বেঁচে থাকি, তবে নিশ্চয়ই ৯ তারিখও রোযা রাখব।”
— সহীহ মুসলিম: ১১৩৪

সুতরাং উত্তম রোযার নিয়ম হচ্ছে:

৯ ও ১০ মহররম (দুই দিন)

অথবা ১০ ও ১১ মহররম

---

❌ আশুরা উপলক্ষে শোক, মাতম, কষ্ট দেয়া – বিদআত

আশুরার দিনে হোসাইন (রা.)-এর শাহাদাত স্মরণে অনেকে শোক পালন, মাতম, অথবা নিজেদের আঘাত করে থাকে, যা ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও বিদআত।

> "لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَطَمَ الْخُدُودَ، وَشَقَّ الْجُيُوبَ، وَدَعَا بِدَعْوَى الْجَاهِلِيَّةِ"

“সে আমাদের দলভুক্ত নয় যে ব্যক্তি মুখে আঘাত করে, জামা ছিঁড়ে ফেলে এবং জাহেলি যুগের মত বিলাপ করে।”
— সহীহ বুখারী: ১২৯৭, সহীহ মুসলিম: ১০৩

---

📌 সারসংক্ষেপে মূল পয়েন্ট:

1. মহররম একটি সম্মানিত মাস।

2. আশুরা (১০ মহররম) এর রোযা রাখতে রাসূল (সা.) উৎসাহ দিয়েছেন।

3. এ রোযা গত এক বছরের গুনাহ মোচন করে।

4. উত্তম হলো ৯ ও ১০ বা ১০ ও ১১ মহররম রোযা রাখা।

5. শোক পালন, মাতম করা, বিদআতমূলক কাজ – সম্পূর্ণ হারাম।

12/06/2026
04/06/2026

যে চায়, সে-ই একদিন চলে যায়।**

একটা ছেলে ছিল। সে সব সময় একা থাকতে পছন্দ করত। মানুষের ভিড়, অযথা কথা, কারও খোঁজ নেওয়া— এসব তার ভালো লাগত না। কেউ তার কাছে এসে "কেমন আছো?" জিজ্ঞেস করলেও তার বিরক্ত লাগত। তার মনে হতো, পৃথিবীতে কেউ তাকে বোঝে না, তাই কাউকে তারও দরকার নেই।

একদিন বিকেলে সে রাস্তার পাশে একটি বেঞ্চে একা বসে ছিল। আকাশে মেঘ জমেছিল, বাতাসে ছিল বৃষ্টির গন্ধ।

একজন লোক ধীরে ধীরে তার কাছে এসে দাঁড়াল।

— "মন খারাপ?"

ছেলেটা মাথা তুলে তাকাল।

— "না।"

লোকটি মৃদু হেসে বলল,

— "তবুও মনে হচ্ছে কিছু একটা হয়েছে।"

এই কথাটুকুতেই ছেলেটার রাগ উঠে গেল।

— "তোমার কী দরকার এখানে?"

লোকটি একটু থেমে বলল,

— "কিছু না। শুধু জানতে চেয়েছিলাম তুমি ভালো আছো কিনা।"

ছেলেটা এবার চিৎকার করে উঠল,

— "চলে যাও এখান থেকে! এখনই চলে যাও। না গেলে মাথা ফাটিয়ে দেব!"

লোকটির মুখের হাসিটা মিলিয়ে গেল। সে আর কিছু বলল না। শুধু নীরবে চলে গেল।

সেদিনের পরও ছেলেটার জীবনে এমন ঘটনা অনেকবার ঘটেছে। কেউ বন্ধুত্ব করতে এসেছে, সে ফিরিয়ে দিয়েছে। কেউ পাশে দাঁড়াতে চেয়েছে, সে অপমান করেছে। কেউ তার দুঃখের খবর নিতে এসেছে, সে দরজা বন্ধ করে দিয়েছে।

ধীরে ধীরে মানুষ তার কাছ থেকে দূরে সরে যেতে শুরু করল।

একসময় এমন দিন এলো, যখন তার ফোনে আর কোনো খোঁজ নেওয়ার বার্তা আসত না। অসুস্থ হলেও কেউ জানতে চাইত না কেমন আছে। ঈদের দিনেও কেউ তাকে ডাকত না।

সে যা চেয়েছিল, ঠিক তাই পেয়েছিল—

একাকীত্ব।

কিন্তু একাকীত্বকে দূর থেকে যত সুন্দর লাগে, কাছ থেকে ততটাই ভয়ংকর।

এক রাতে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। ঘরের জানালার পাশে বসে সে বাইরে তাকিয়ে ছিল। হঠাৎ তার মনে পড়ল সেই মানুষগুলোর কথা, যাদের সে একদিন তাড়িয়ে দিয়েছিল।

লোকটা তো শুধু জিজ্ঞেস করেছিল, "মন খারাপ?"

এতেই সে এত রেগে গিয়েছিল কেন?

কিছু প্রশ্নের উত্তর মানুষ সঙ্গে সঙ্গে পায় না। সময় তাকে উত্তর খুঁজে নিতে বাধ্য করে।

রাত গভীর হলো।

দূরের মসজিদ থেকে কুরআন তিলাওয়াতের শব্দ ভেসে এলো।

সে চুপচাপ শুনতে লাগল।

হঠাৎ তার মনে হলো, পৃথিবীর সবাই দূরে চলে গেলেও একজন আছেন, যিনি এখনো তার রব। তিনি এখনো তার তওবার অপেক্ষায় আছেন।

তার চোখ ভিজে উঠল।

সেই রাতে বহুদিন পর সে সিজদায় মাথা রাখল।

সিজদায় গিয়ে সে বুঝতে পারল, মানুষকে দূরে সরিয়ে দিয়ে সে আসলে নিজেকেই শাস্তি দিয়েছে। যে ভালোবাসাগুলোকে সে অবহেলা করেছে, সেগুলো হয়তো আল্লাহর পক্ষ থেকে পাঠানো নিয়ামত ছিল।

সে কাঁদতে কাঁদতে বলল,

"হে আল্লাহ, আমি অনেক হৃদয় ভেঙেছি। অনেক মানুষকে কষ্ট দিয়েছি। আমি ভেবেছিলাম আমার কাউকে দরকার নেই। অথচ আজ বুঝছি, আপনার রহমত ছাড়া আমি কিছুই না।"

সেদিন তার মনে পড়ল একটি হাদিসের কথা—

"যে মানুষের প্রতি দয়া করে না, তার প্রতি দয়া করা হয় না।"

তার বুকটা কেঁপে উঠল।

সে বুঝল, মানুষের প্রতি কঠোরতা কোনো শক্তি নয়। প্রকৃত শক্তি হলো ক্ষমা করা, নম্র হওয়া এবং মানুষের সঙ্গে সুন্দর আচরণ করা।

ভোর হতে শুরু করল।

বৃষ্টির শব্দ থেমে গেল।

আকাশে ফজরের আলো ফুটছিল।

সে জানালার বাইরে তাকিয়ে দেখল, রাতের সবচেয়ে অন্ধকার সময়টাও শেষ হয়ে গেছে।

ঠিক তখন তার মনে হলো—

আল্লাহ কখনো কোনো মানুষকে তাঁর রহমত থেকে বঞ্চিত করেন না। মানুষ নিজেই অহংকারের দেয়াল তুলে সেই রহমত থেকে দূরে সরে যায়।

সেদিন থেকে সে বদলাতে শুরু করল।

সবাই তাকে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমা করেনি। সবাই ফিরে আসেনি। কিন্তু সে জানত, আল্লাহর পথে ফেরার জন্য মানুষের প্রশংসা নয়, আন্তরিক তওবাই যথেষ্ট।

আর যখনই সে একা অনুভব করত, তখন সে মনে করত—

মানুষের দরজা বন্ধ হয়ে যেতে পারে,
কিন্তু আল্লাহর দরজা কখনো বন্ধ হয় না।

আর কিয়ামতের দিন, যখন সম্পদ থাকবে না, অহংকার থাকবে না, পরিচয় থাকবে না—

তখন শুধু সেই হৃদয়ই সফল হবে, যে হৃদয় বিনয়ের সঙ্গে নিজের রবের কাছে ফিরে এসেছিল।
✍️ Tashik Bhuiyan

03/06/2026

আসসালামুয়ালাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহ🌸
আমি একজন মেয়ে এজন্য পরিচয় টা গোপন রাখলাম! 🌺
আমি একটা কথা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি?
বিষয় টা হলো দোয়া কবুলের গল্প এবং কোনো বিষয়ে হতাশ হ্ওয়া যাবে না!
আমি আমার নিজের কথাই বলতেছি!
২০২৩ সাল আমার বয়স তখন ১৪ বছর আমার একটা অসুখ ছিলো যেটা কোনো ডাক্তার সাড়াতে পারি নি অনেক ডাক্তার দেখাইছিলাম ঠিক হয় নি প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ করেছি অসুখ টার পিছনে কিছুই হয় নি! একদিন ইউটিউবে দোয়া কবুলের গল্প একটা ভিডিও সামনে আসলো আমি সেটা দেখলাম দেখার পর নিজের মনে কেমন একটা ভয় সৃষ্টি হলো ভাবতে লাগলাম অসুখের কথা ভাবতে গিয়ে আমি আমার রবের কথাই ভুলে গেছি, আমি যখন সুস্থ হচ্ছিলাম না এক পর্যায়ে ভীষণ কান্নাকাটি করছিলাম আমি কখনো নারাজ হয় নি অনেক বড় বড় রোগ সহ্য করেছি কিন্তু কখনো আল্লাহর প্রতি কোনো অভিযোগ রাখি নি, এই তো ৫ মাস আগের কথা আমি আমার আম্মু কে জড়িয়ে ধরে খুব কান্না করছিলাম আমার রোগ টা এমন ছিলো যে আমি সুস্থ না হলে আমি কখনো মা হতে পারবো না, আমি সেদিন থেকে বেশি বেশি আস্তাগফিরুল্লাহ পড়তাম, বেশি বেশি দুরুদ পড়তে লাগলাম! প্রায় সময় তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করতাম! বিশেষ করে জুম্মার আগের দিন রাতে, আমার আম্মু ও পড়তো আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করতো আমিও ভীষণ কান্নাকাটি করতাম, এক পর্যায়ে একটা কাকুর কাছ থেকে ঝাড়িয়ে নিছিলাম, সে আমাকে কিছু কথা বলেছিলো সেগুলো মেনে চলতাম, সেখান থেকেই আলহামদুলিল্লাহ আমি এখন সুস্থ আসলে ওই কাকু টা কিছুই করে নি কাকুটা শুধুমাত্র একটা অছিলা ছিলো, আল্লাহ পাক আমাকে হরকতে বরকত দিয়েছেন, সত্যি বলতে আমি অনেক পরহেযগার একটা মেয়ে ছিলাম আমি ভীষণ আল্লাহ ভীরু ছিলাম ছোটো বেলা থেকেই নামাজ পড়তাম ইসলাম মেনে চলতাম, কিন্তু কোনো না কোনো একটা কারণে আমি পথভ্রষ্ট হয়ে গেলাম আমি যেদিন থেকে পথভ্রষ্ট হয়েছিলাম সেদিন থেকেই এই অসুখ টা ধরা পড়ে তাই বলি বোন কখনো হতাশ হয়েও না নিরাশ হয়েও না নিজেকে আল্লাহর জন্য সপে দাও, দুনিয়াকে ভালো না বেসে আল্লাহ কে ভালোবাসো, আজকে আমি আমার জীবন থেকে অনেক শিক্ষা পেয়েছি আমি সেই পথভ্রষ্ট থেকে আবার রবের পথে ফিরে আসছি বলেই রব আমাকে সুস্থ রেখেছেন সময় থাকতে ভাই-বোন আপনারা রবের দিকে প্রত্যাবর্তন করুন, কেউ কোনো বিষয়ে হতাশ হবেন না যত বড় রোগ হোক না কেন সব সময় আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল রাখবেন, দেখবেন আল্লাহ পাক আপনার সকল ইচ্ছা কবুল করবেন,
৪ বছর পর আল্লাহ আমার দোয়া কবুল করে আমাকে সুস্থ করে দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ,🌺
কথা গুলোর ভেতরে যদি ভুল কিছু বলে থাকি ক্ষমার

~ সংগ্রহীত

30/05/2026

হাসান (রহিমাহুল্লাহ)বলতেন,

হে আদমসন্তান, তুমি যতক্ষণ নিজের মাঝে থাকা দোষের ব্যাপারে অন্যকে দোষারোপ করবে, ততক্ষণ তুমি প্রকৃত ইমানের অধিকারী হতে পারবে না। সুতরাং প্রথমে তুমি নিজের দোষ সংশোধন করো। কারণ, যখনই তুমি একটি দোষ সংশোধন করবে, তখনই অপর একটি দোষ পেয়ে যাবে। মনে করবে, তুমিই ইসলাহ ও সংশোধনের বেশি উপযুক্ত। হে আদমসন্তান, যদি তুমি ন্যায়পরায়ণ হও, তবে নিজেকে মানুষের দোষ-ত্রুটির অনুসন্ধান থেকে সরিয়ে অন্য কোনো ব্যস্ততায় রাখো। কারণ, আল্লাহর প্রিয় বান্দারা এমনই হয়ে থাকেন।

[বই : নববি শিষ্টাচার ও দুনিয়া-বিমুখতার মূর্তপ্রতীক হাসান বসরী (রহিমাহুল্লাহ)]

#সীরাহ

26/05/2026

চাহিদাকে সীমিত করুন।
জানেন তো—কাফনের কাপড়ে কোনো পকেট থাকে না।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রুহের বদল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share