01/05/2022
San Diego তে একবার এক লোক অফিস থেকে নিজ বাড়িতে যাচ্ছিল গাড়ি চালিয়ে এবং সাথে অনেক গিফট নিয়ে। তার বাসা countryside এ, অফিস থেকে অনেক দূরে বিধায় শুধু weekend এ যেতে পারে। বাসায় বউ, শাশুড়ি এবং ফুটফুটে দুইটা বাচ্চা অপেক্ষা করছে। পথিমধ্যে লোকটি রাস্তায় অনেক দূর থেকে কালো ধোয়া দেখতে পেল। wild fire অথবা "অন্য মানুষের প্রবলেম, আমার কি" ভেবে সে পাত্তা না দিয়ে নিজ বাড়ির দিকে যাওয়ায় মন দিলো। ২০ মিনিট পর বাড়ি তে এসে দেখে যে ওই কালো ধোয়া টা তার বাসা থেকেই আসছে, দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। তার ই family এর সবাই ই ভিতরে trapped । সে নিজে, প্রতিবেশীরা, fire bigrade কেউ ই সময়মত এসে আগুন নিভাতে পারল না। চোখের সামনেই তার পুরো পরিবার চিৎকার করতে করতে মারা গেল। নিমিষেই শেষ হয়ে গেল সব!!!!
Pause for a moment ...... আপনারা কয়েক সেকেন্ড এর জন্য নিজেকে একটু তার position এ নিয়ে যান। সেইম ঘটনা টা আপনার বাসায় ও হতে পারত। ওই অবস্থায় আপনার কি হত ?? Just try to capture his immense sorrow!!!
এবার এই সহিহ হাদিস টা পরেন একটু-
✔️"যে ব্যক্তির আসরের সালাত ছুটে গেল, তার যেন পরিবার ও ধন সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেল ।" (বুখারি: ৫৫২; মুসলিম: ৬২৬)
এবার চিন্তা করেন, আমরা indirectly এই জীবনে কতবার আমাদের পরিবার কে murder করেছি।
আরও ভয়ঙ্কর জিনিস বলি। আমরা modern মুসলিম রা সবাই একটা কথা মনে মনে হলেও বলি যে- আরে ঈমান তো আছে, so আমরা ২,৩ কোটি বছর নাইয় জাহান্নাম এ থাকলাম, এর পরে তো বেহেস্তে যাবই। 😃
ভাইজান, একজন ইহুদি যদি বলে তার ঈমান আছে, আপনি মানবেন? লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এই টার উপর ঈমান আনতে আগে মুসলিম তো হতে হবে নাকি। মুসলিম না হয়ে তো কালিমার উপর ঈমান আনা সম্ভব না তাই না?
আরে ভাই, ইচ্ছাকৃত ভাবে নামাজ ত্যাগ করলে মুসলমান ই থাকে না, কুফরি করে কাফির হয়ে যায়। যদিও কাউকে কাফির বলার right কারো ই নাই আল্লাহ ছাড়া। আমি just Ruling টা বললাম।
✔️"কোনো ব্যক্তি এবং কুফর ও শিরকের মধ্যে ব্যবধান শুধু নামাজ না পড়ারই। যে নামাজ ছেড়ে দিল সে কাফির হয়ে গেল (কাফিরের মতো কাজ করল) । " (মুসলিম: ৮২; তিরমিজি: ২৬১৯)
✔️"যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত ফরজ নামাজ ত্যাগ করল তার ওপর আল্লাহ তাআলার কোনো জিম্মাদারি থাকল না (মানে His jannat related promises wont work on you)।" (মুসনাদ আহমাদ : ৫/২৩৮)
✔️উমর (রা.) এবং আলি (রা.) বলতেন, ‘নামাজ ত্যাগকারী নির্ঘাত কাফির। ’ (বায়হাকি, হাদিস : ১৫৫৯, ৬২৯১)
✔️আল্লাহ তাআলা বলেন, "নবী ও হিদায়াতপ্রাপ্তদের পর এলো এমন এক অপদার্থ বংশধর, যারা নামাজ বিনষ্ট করল এবং প্রবৃত্তির(নিজের ইচ্ছার) পূজারি হলো। (সূরা মারইয়াম, আয়াত : ৫৯)।"
কি আমরা অনেক চালাক তাই না? নিজেদের মনে করি যে বুদ্ধি দিয়ে জাজ করে উলটায়ে ফেলছি। আহা, দেখেন আমাদের কেই কুরআন এ বলা হইসে "অপদার্থ"। ইয়েস 'অপদার্থ', just সালাত বাদ দিয়ে ইছামত চলার জন্য । আরও প্রমান লাগবে আমাদের নামাজ ধরতে?
✔️"তারা বলবে, আমরা তো নামাজি ছিলাম না এবং আমরা মিসকিনদেরও খাবার দিতাম না; বরং আমরা সমালোচনাকারীদের সঙ্গে সমালোচনায় নিমগ্ন থাকতাম। এমনকি আমরা প্রতিদান দিবসকে অস্বীকার করতাম। আর এভাবেই হঠাৎ আমাদের মৃত্যু এসে গেল। ’ (সুরা মুদ্দাসসির, আয়াত : ৩৮-৪৭)
"আর এভাবেই হঠাৎ আমাদের মৃত্যু এসে গেল"