21/07/2014
বিয়ে বা বিবাহকে অনেকেই দিল্লিকা লাড্ডুও
বলে থাকেন। কারণ অনেকেই বলেন দিল্লিকা লাড্ডু
খেলেও পস্তাতে হয়, না খেলেও হয়। মানুষের
জীবনে বিয়েটাও কী একই রকম? এই কথা কেউ
মানে আবার কেউ মানে না। বিয়ে সম্পর্কে এ বিতর্ক
চলে আসছে সময়ের হাত ধরে।
সম্প্রতি এই বিয়ে নিয়ে চমকপ্রদ এক তথ্যের
অবতারণা করেছেন মার্কিন একদল গবেষক। তাদের
গবেষণায় উঠে এসেছে বৈবাহিক সম্পর্ক দীর্ঘজীবন
লাভের অন্যতম পূর্বশর্ত।
মাঝবয়সটাকে দুশ্চিন্তামুক্তভাবে পার করতে একজন
সঙ্গী বা সঙ্গিনী অপরিহার্য। আর সেটা মৃত্যুঝুঁকিকেও
অনায়াসে কমিয়ে দিতে পারে।
অন্যদিকে গবেষণার ফলাফলে অবিবাহিতদের জন্য
রয়েছে বড় দুঃসংবাদ। দুঃসংবাদটি হলো- বিশেষ
করে মাঝবয়সে- বিবাহিতদের তুলনায় অবিবাহিতদের
মৃত্যুঝুঁকি তিন গুণ বেশি। অবশ্যই বিবাহিত
জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সুসম্পর্ক থাকাটাকেই
এখানে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ৪০ বছর বয়সের পর
একা থাকা, সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে হারিয়ে নতুন
করে বিয়ে না করলে মৃত্যুঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
মূলত নিঃসঙ্গ বা একা জীবন মানুষকে অস্থির
করে দেয়। হতাশা ভর করে এই বয়সে। এমনকি তাদের
পক্ষে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে।
এই সময়ের আগেই অবিবাহিতরা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে।
যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি অঙ্গরাজ্যের সঙ্গী ও সঙ্গিহীন
৪ হাজার মানুষের ওপর সমীক্ষা চালান গবেষকরা।
তারা আরো ৪ হাজার মানুষের জীবনেতিহাস সংগ্রহ
করেন।
গবেষণায় আরো বলা হয়েছে- এমনকি বিবাহিত যেসব
মানুষের ধূমপান বা অ্যালকোহল পানের অভ্যাস আছে,
তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা, সঙ্গিহীন মানুষের
তুলনায় তিন গুণ বেশি।