আপন আইটি-Apon It

আপন আইটি-Apon It আপনার আপন সঙ্গী আমরা আপনার জন্য তুলে আনব খবরের পেছনের খবর

14/07/2020

Support on TikTok এর পক্ষ থেকে আপনাদেরকে সাগতম এই প্রথম আমরাই দিচ্ছি 100% রিয়েল all service 📲
🙂TikTok view:
🥳TikTok Followers:
😍TikTok Like:
আমাদের অন্য অন্য সাভিস☺ সমূহ:- (1)Youtube Subscribe..... (2)Youtube watch time..... (3)Youtube views. (4)Youtube video like, comment.(5)Facebook Like, Fllowers.(6)Facebook Group, member.
(7) pages Like, Followers.
(8) Instragram Like, Fowlers.(9)Twitter Like, Fowlers. (10) TikTok Like, View, Fowlers, common, share.
YouTube Monetization on guaranti package 100% khub olpo dame🥰🤩🥳
যোগাযোগ:০১৬৭৩৮৩৪০৩৯, ০১৯২২৭৬৪৭৬৬

13/07/2020

পতিতা, শরাব আর সুলতান মুরাদ

অটোমান সাম্রাজ্যের সুলতান তিনি। সুলতান মুরাদ প্রায়শয়ই ছদ্মবেশে তার রাজ্যের লোকেদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে বের হতেন। এক সন্ধ্যায় তিনি নিজে বিশেষ ভালো বোধ করছিলেন না বিধায় নিরাপত্তাবাহিনীর প্রধানকে তলব করলেন তার সঙ্গী হতে। ঘুরতে ঘুরতে তারা এক জনবহুল জায়গায় এসে দেখলেন, এক লোক রাস্তায় পড়ে আছে।

সুলতান লাঠি দিয়ে খোঁচা মেরে বুঝতে পারলেন লোকটি মৃত, অথচ চারপাশে মানুষে গিজগিজ করলেও কারও কোনো ভ্রুক্ষেপ ছিল না বিষয়টি নিয়ে।

সুলতান আশেপাশের লোকজনদের ডাকলেন। তারা এগিয়ে এলো। কিন্তু ছদ্মবেশে থাকায় কেউই চিনতে পারল না নিজেদের শাসককে।

তিনি তাদের জিজ্ঞাসা করলেন, ‘লোকটা মরে পড়ে আছে, তবুও কেউ এগিয়ে আসছে না কেন? লোকটির পরিবারের কেউ নেই?’

‘আরে এ তো একজন ব্যাভিচারী, মদ্যপ কুলাঙ্গার!’ লোকগুলো বলে উঠল।

‘যাই হোক, সে তো আমাদের নবি (সাঃ)-এর উম্মাতেরই একজন, নাকি? এখন আমাকে তার বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে যেতে সাহায্য করুন’- সুলতান বললেন। লোকেরা সুলতানের সাথে মৃত লোকটিকে তার বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে আসল, এরপর চলে গেল। সুলতান আর তার সহযোগী সেই প্রধান থেকে গেলেন।

লোকটির স্ত্রী মৃতদেহকে দেখা মাত্র কান্নায় ভেঙে পড়লেন। তিনি বলতে লাগলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনার প্রতি সদয় থাকবেন! ও আল্লাহর বান্দা, হে আমার প্রিয়তম স্বামী, আমি তো দেখেছি আপনি সবসময় কতটা নিষ্ঠাবান ছিলেন!’

সুলতান মহিলাটির কথা শুনে আশ্চর্য হয়ে গেলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘সবার থেকে যা কিছু শুনলাম, এরপরও সে নিষ্ঠাবান কীভাবে হয়? যেখানে দুশ্চরিত্রের জন্য সে এতটাই ঘৃণিত যে ,তার মৃত্যু নিয়েও কারো মাথাব্যথা ছিল না?’

লোকটির স্ত্রী জবাব দিলেন, ‘আমি জানতাম এমনই হবে। তিনি প্রতি রাতে সরাইখানায় যেতেন ও পয়সায় যতটকু সম্ভব হতো, ততটুকু শরাব কিনে ঘরে নিয়ে আসতেন। এনেই সেগুলো নর্দমায় ফেলে দিতেন। তিনি বলতেন, ‘আমি আজ মুসলিমদের অল্পখানি বাঁচিয়ে দিলাম।’ তারপর তিনি কোনো পতিতাকে কিছু টাকা দিয়ে ঘরে নিয়ে আসতেন এবং ভোর পর্যন্ত তাকে কুরআন পাঠ করে শুনাতেন। তিনি বলতেন, ‘আজ আমি এক তরুণীকে এবং ঈমানদার কোনো যুবককে পাপ কাজে জড়িয়ে পড়া থেকে বাঁচালাম।’

লোকেরা তাকে শরাব কিনতে ও পতিতালয়ে যেতে দেখত এবং এই কারণেই তারা তাকে নিয়ে নানা ধরনের কথা বলতে শুরু করে। আমি একদিন তাকে বললাম, ‘আপনি মারা গেলে না কেউ গোসল করানোর থাকবে, না কেউ জানাজা পড়তে আসবে। কবর দেওয়ার জন্যও তো কেউ থাকবে না।’

তিনি হেসে বলেছিলেন, ‘ভয় পেয়ো না, ঈমানদারদের সুলতান আর সকল ধর্মনিষ্ঠ ব্যক্তিরাই আমার জানাজায় উপস্থিত থাকবেন।’

সুলতান এই কথা শুনে আর চোখের পানি ধরে রাখতে পারলেন না। তিনি বললেন, ‘আল্লাহর কসম! তিনি ঠিকই বলেছিলেন। কারণ আমিই সুলতান মুরাদ। আগামীকাল আমরা তাকে গোসল করিয়ে, জানাজা পড়ে সম্মানের সাথে কবর দিয়ে আসব।’

এমনই হলো। স্বয়ং সুলতান মুরাদ, রাজ্যের বিশিষ্ট চিন্তাবিদ, সকল ধর্মপ্রাণ ও এলাকার জনসাধারণ সবাইই তার জানাজায় অংশগ্রহণ করল।

আমরা যা দেখি আর লোকমুখে যা শুনি, তা থেকেই মানুষকে বিচার করার চেষ্টা করি। অথচ আমরা জানিও না তাদের মনের অন্তস্থলে কী চলে, যার কথা কেবলমাত্র বান্দা আর তার রবই জানেন।

‘হে মুমিনগণ, তোমরা অধিক অনুমান থেকে দূরে থাকো। নিশ্চয়ই কোনো কোনো অনুমান তো পাপ। আর তোমরা গোপন বিষয় অনুসন্ধান করো না এবং একে অপরের গীবত করো না। তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে? তোমরা তো তা অপছন্দই করে থাকো। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয় আল্লাহ অধিক তাওবা কবুলকারী, অসীম দয়ালু।’ (কুরআন ৪৯ঃ১২)

[কাহিনিটি ইস্তাম্বুলের ইউলিয়া নলিঞ্চি মিমি হতে সংগৃহীত]

23/06/2020

ডুমুর_খাওয়া_কেন_ভালো_আপনার_জন্য? অবহেলিত একটি ফল ডুমুর। ডুমুর খাওয়া হয় তরকারি হিসেবেও। ডুমুর খান আর না খান, "ডুমুরে....

24/08/2019

জীবনের যত বিচিত্রময়ী চাহিদা, চাহিদার যোগান-ঘাটতি, পূর্ণতা-অপূর্ণতা, জয়-পরাজয়, পাওয়া-হারিয়ে ফেলা, সুস্থতা-অসুস্থতা, আনন্দ-বেদনা, প্রসারতা-সংকির্নতা, আলো-অন্ধকার, হাসি-কান্না, ইত্যাদি সব কিছুই মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য কল্যাণকর। রিযীক বা নিয়ামত।।

••হে আল্লাহ আমার হিসেবে সহজ করুন।।

02/08/2019

Minar Rashid এর লেখাঃ
ফল হিসাবে আমকে বেশি পছন্দ করলে জাতীয় ফল
কাঁঠালকে কি অবমাননা করা হবে ?
==============================

আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল । অথচ আমাদের প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে উপহার হিসাবে পাঠিয়েছেন আম । অভিনব এই উপহার পাঠানো নিয়ে আন্তর্জাতিক রীতিনীতি বা প্রটোকল কতটুকু বেকায়দায় পড়েছে আমি সেদিকে যাচ্ছি না ।
আমার প্রশ্ন , প্রধানমন্ত্রী কাউকে কোনো ফল পাঠালে পাঠাবেন জাতীয় ফল কাঁঠাল । আমের পরিবর্তে কাঁঠাল পাঠালেই বরং জাতীয় কৃষ্টি , ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা ফুটে উঠত ।
তাহলে এক্ষেত্রে কি প্রধানমন্ত্রী আমাদের জাতীয় ফলকে অবমাননা করলেন ?
খেলাধুলা প্রেমী আমাদের প্রধানমন্ত্রী ক্রিকেট খেলার জন্যে জায়নামাযে বসে দোয়া করেন ।অথচ এই দোয়া করা উচিত জাতীয় খেলা হা-ডু-ডু র জন্যে । ক্রিকেট খেলোয়াড়রা অনেকবার গণভবনে জামাই আদরে আপ্যায়িত হয়েছেন । জাতীয় খেলা হা-ডু-ডু খেলোয়াড়দের ভাগ্যে সেই জামাই আদরের বিন্দুমাত্র জুটে নি । প্রধানমন্ত্রী হয়তো জাতীয় দলের একজন হা -ডু-ডু খেলোয়াড়ের নামও বলতে পারবেন না ।
এখন যদি বলি , আমাদের জাতীয় খেলাটি পরিবর্তন করে ফেলা হোক , তাহলে আমি কি রাষ্ট্রদ্রোহী হিসাবে বিবেচিত হবো ?

গায়ক নোবেল জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের কথা বলেন নি । জাতীয় সঙ্গীতের চেয়ে অন্য একটি সঙ্গীতকে অধিকতর সমৃদ্ধ মনে করায় তার চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধারে লেগে পড়েছে একটি মহল ।

আম যতই সুমিষ্ট হোক কাঁঠালের চেয়ে প্রিয় বলা যাবে না । অন্য পাখি যতই সুন্দর হোক, যতই মিষ্টি কন্ঠে গান করুক জাতীয় পাখি দোয়েলের চেয়ে সুন্দর বলা যাবে না । অন্য ফুল যতই সুন্দর হোক তাকে জাতীয় ফুল শাপলার চেয়ে মনোরম বলা যাবে না ।

কারণ জাতীয় সংগীত , জাতীয় ফল, জাতীয় ফুল , জাতীয় পাখি , জাতীয় খেলা এগুলি মনে হয় কোনো ওহীর মাধ্যমে আমাদের উপর নাজিল হয়েছে ।
এগুলি নিয়ে কোনো প্রশ্ন উথ্থাপন করা যাবে না ।অথচ পৃথিবীর অনেক দেশেই জাতীয় সংগীত পরিবর্তন করা হয়েছে । রাশিয়া করেছে বেশ কয়েকবার । এদেশে জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের এই চিন্তাও মহাপাপ ।

অথচ নিজের প্রিয় ফুল , ফল , পাখি, খেলা নিয়ে প্রশ্ন করলে এদেশের অধিকাংশ মানুষের পছন্দ জাতীয় ফুল, ফল , পাখি, খেলার বাইরে হবে । একমাত্র জাতীয় মাছ ইলিশ ছাড়া বোধ হয় এদেশের মানুষ অন্য কোনোটিতে একমত হতে পারবেন না। যদিও এই অধম সহ অনেকেই কাঁটার যন্ত্রণায় এই মাছ খেতে পারে না ।

জাতীয় সংগীত নিয়েও অনেকের অনুভূতি ও ভাবনা একই ।সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পৃথিবীতে
যে কয়টি দেশ স্বাধীন হয়েছে তন্মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম । অথচ জাতীয় সংগীত হিসাবে আমরা বেছে নিয়েছি ঘুম পাড়ানীর একটি সংগীত । এর কাব্যিক বা শৈল্পিক মান যত উঁচু মানের হোক না কেন - আমাদের স্পেসিফিক প্রয়োজন কতটুকু এই গানটি পূরণ করছে সেই প্রশ্ন উঠতেই পারে ।

আমাদের সবচেয়ে গৌরব ও গর্বের ৭১ কে এই গানটিতে খুঁজে পাওয়া যায় না । যে চেতনার উপর বাংলাদেশ নামক দেশটির জন্ম হয়েছে সেই স্পিরিট বা তেজ এই গানে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত ।

এই গানে ঘুম পাড়ানির অষুধ আছে - জাতিকে জাগাবার কোনো মন্ত্র নেই ।এই গানে আপোষ আছে , দ্রোহ নেই । সুন্দরের জয়গান আছে , অসুন্দরকে প্রতিহত করার হুংকার নেই । পৃথিবীর অন্যান্য দেশের জাতীয় সংগীত নিয়ে গবেষণা করলে এই অভাবগুলো প্রকট হয়ে ধরা পড়ে ।

পশ্চিম বঙ্গের সরকারী নাম এখন ‘বাংলা ‘ । এই গানে বাংলা আছে , বাংলাদেশ নেই । কাজেই পশ্চিম বঙ্গ কোনোদিন স্বাধীন হলে এই গানটি তাদের জাতীয় সংগীত হিসাবেই বেশি সুইটেবল হবে ।
এই গানটির জন্ম ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করলেও হোঁচট খেতে হয় । ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের কারণে
কলকাতায় অবস্থিত এলিট জমিদারশ্রেণীর জমিদারি হারানোর বেদনা ও তা পরে ফিরে পাওয়ার তৃপ্তি ও আনন্দ এই গানটিতে ফুটে উঠেছে । অনেক সংগ্রাম , ত্যাগ তিতিক্ষার বিনিময়ে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের
একটি জাতির জন্মের আভাষ বা ইঙ্গিত এখানে নেই । বরং সেই দীর্ঘ ইতিহাস ভুলে যাওয়ার এক ধরণের ঘুম পাড়ানো অষুধ রয়েছে । এই গানে ভাসানীর ‘খামোশ’ নেই , নেই মুজিবের সেই তর্জনি উচিয়ে বজ্র হুংকার , নেই জিয়ার সেই অমর ঘোষণা । এই গানে এই মাটির ভাটিয়ালীর সুর নেই , ভাওয়াইয়ার স্বাদ নেই ।

আমাদের রুচি ,প্রয়োজন ও প্রত্যাশার ( Taste,Need and expectation )
অনেক কিছুর অভাব থাকলেও এটিই আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ।
কাঁঠাল জাতীয় ফল হলেও আম আমাদের সবচেয়ে প্রিয় ফল । চিন্তার জগতে আমরা আজ এমন প্যারালাইজড যে এই কথাটিও মুখ ফুটে বলা যাবে না । এক শ্রেণীর সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক লাঠিয়ালরা লাঠি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

02/03/2019

এরা সবাই আমার কলিজা টুকরা,
দ্বীন প্রচারের স্বার্থে, কোরআনের হক ককথাগুলো সুন্দর ভাষায়, উত্তম ভাবে প্রচারের লক্ষে, বাংলাদেশের কয়েক জন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাস্সিরের নাম্বার দেয়া হলো-

1) মুফতি আমীর হামজা (01727-964987)
2) মিজানুর রহমান আল আজহারী ( 01785-500393)
3) জহিরুল ইসলাম আল জাবেরী (01711-195911)
4) কামরুল ইসলাম সাঈদী আনসারী (01977-885599)
5) শেখ সিদ্দিকুর রহমান (01837-112233)
6) ড.মুফতি আবুল কালাম আজাদ বাশার (01716-251834)
7) মোল্লা নাজিম উদ্দিন (01711-263570
8) সাদিকুর রহমান আল আজহারী (01703-987070)
9) ফখরুদ্দিন আহমেদ (01711-489714)
10) রেজাউল করিম খান (01712-898448)
11) মুহাদ্দিস মাহমুদুল হাসান (01712-646213)
12) নাসির ইকবাল বিন শাফি (01711-451478)
13) আব্দুল জব্বার আল মামুন (01818-843347)
14) আবদুর রহমান নাদিমি (01712-181218)
15) মেহেবুল্লাহ সিদ্দিকী (01723-471913)
16) ক্বারী আব্দুল্লাহ আল আমিন (01712-053688)
17) নুরুল ইসলাম কাশেমী (01849444578)
18) নাসির উদ্দিন হেলালী (01711-134199)
19) আবুল বাশার হেলালী (01718-614149)
20) এ.টি.এম.তাজুল ইসলাম (01812-941914)
21) গোলাম রাব্বানী যুক্তিবাদী (01719-802245)
22) মাওলানা জামাল উদ্দিন (01716-760355)
23) মুফতি আরিফ বিল্লাহ সিদ্দিকী (01711-958301)
24) মাওলানা গোলাম আযম (01716-476467)
25) মামুন হোসাইন হাবিবি (01973329033)
26) দেলোয়ার হোসাইন হুজাইফি (01743-297585)
27) অব্দুল মান্নান আনসারী (01710-764491)
28) মুহাদ্দিস রফিক উল্লাহ আফসারী (01828-128465)
29) জালাল উদ্দিন রুমি (01863-183071)
30) হাঃ মাওঃ শুয়াইব আহমদ আশরাফী (01735-891787)
31) মাওঃ মাসুম ফারদিন (01721-991178)
32) মাওঃ ইমাম উদ্দিন (01834-235070)
33) মাওঃ হাচান আনসারী (01915-158858)
34) আমিরুল ইসলাম কাওছার (01704-347750)
35) মাওঃ আল আমিন হোসাঈন (01787-703070)
36) মাওঃ জসিম উদ্দিন (01813-5198804)
37) মাওঃ মুফতি আমির হোসাইন লাকসামী (01624-591417)
38) হাঃ মাওঃ হাবীবুল্লাহ মেসবাহ (01717-146988)
39) মোস্তফা মাহবুবুল আলম (01767-798259)
40) রাকিবুল ইসলাম শামীম (01786-470594)
41) হাফেজ মনোয়ার হোসেন মোমীন (01740-593381)
42) মুফতি মোহাম্মদ জাকারিয়া ( 01718-512714 )
43) নূর মোহাম্মদ সিরাজি (01749-088031)
44) নূর মোহাম্মদ বারাকাতী (01734-553312)
45) আহমদ আলী মোল্লা (01858-365610)
46) ইব্রাহিম খলিল (01714-557317)
47) মুহাম্মদ হাবিবুর রশিদ (01718-006103)
48) মাহবুব ইজ্জুদীন (01717-501491)
49) হাফেজ এমদাদুল হক সুলতানী (01712-722785)
50) আশরাফ বিন মোবারক সিদ্দিকী (01776-098023)
51) আহসানুল্লাহ জীহাদি (01717-885437 )
52) ওহেদুজ্জামান সেলিম (01723-318472)
53) আব্দুল কাদের জিহাদি (01735-586387)
54) ফখরুদ্দিন হেলালী (01824-832273)
55) মাওলানা রেজাউল ইসলাম উজ্জল- (01712-766817)
56) সাইয়্যেদ এইচ,এম,শহীদুল ইসলাম (01712-502223)
57) রুহুল আমিন (01716-334746)
58) মাহফুজুর রহমান দিনাজপুরী (01724-443401)
59) আব্দুল মুমিন বিন দুরুল হুদা- (01737-779331)
60) আব্দুল্লাহ আল মামুন (01716-571890)
61) নাজমুল হাসান (01741-092982)
62) হাফেজ আফতাব আহমেদ (01717-883612)
63) মাওঃ নাজমুল হক (01718-897215)
64) রেজাউল করিম নওগাঁ (01711-451435)
65) শাহজাহান সাঈদী (01714-501885)
66) হাফেজ ইদ্রিস আলী (01751-188583)
67) ইমাম হাসান সাঈফী (01721-540444)
68) আব্দুর রহিম আল মাদানী (01703-520012)
69) শাইখুল ইসলাম শাইখ (01718-057335)
70) মুহাদ্দিস মনিরুজ্জামান (01918-095088)
71) আখিরুজ্জামান আজাদি (01734-675870)
72) আবু বকর সিদ্দিক (01710-245548)
73) অব্দুল বারি রাশিদী (01736-597617)
74) মাওলানাঃ গোলজার হুসাইন (01711-964697)
75) ড. শিবলী মাহমুদ সাঈদী (01912-707222)
76) মুফতি আব্দুল কুদ্দুস (01911-177242)
77) ফয়সাল আহমেদ হেলালী (01975-243454)
78) আবুল কালাম আজাদ (01716-824567)
79) আবুল কালাম আজাদ (01781-358926)
80) আব্দুল গফ্ফার যশোরী (01711-341240)
81) গোলাম মাওলা ফারুকী (01819-174144)
82)মাওঃএইচ এম সাইফুল ইসলাম আবতাহী, লক্ষ্মীপুর, (01824-637717)
83) মাওলানা মহিউদ্দিন (01712-212996)
84) মুফতি আব্দুর রহমান (01721-990793)
85) আব্দুর রহিম জামালী (01918824896)
86) মুফতি মুহাঃ আফজাল হুসাইন (01914718878)
87) ইনামুল হাসান বিন নুর 01762790380

কপি-পেস্ট।

একসঙ্গে জন্ম নেওয়া চার কন্যার তিনজন বাড়ি ফিরছেনিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ২০:০৮ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অধ্য...
04/12/2017

একসঙ্গে জন্ম নেওয়া চার কন্যার তিনজন বাড়ি ফিরছে
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ২০:০৮

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অধ্যাপক মনীষা ব্যানার্জির কক্ষে টেবিলে শোয়ানো যমজ চার বোন। ঢাকা, ৪ ডিসেম্বর। ছবি: মানসুরা হোসাইন।
আলিশা, অরিশা, আদিবা ও অন্বেষা চার বোন। গত ১৭ নভেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করে একসঙ্গে ওদের জন্ম হয়েছে। অন্বেষা ছাড়া অন্য তিনজন আজ সোমবার বাড়ি ফিরছে। ঠোঁট ও তালুকাটা অবস্থায় অন্বেষার জন্ম হয়েছে। তার রক্তেও সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। তবে অন্য তিনজন এখন বেশ ভালো আছে।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক বিভাগে কথা হয় চার কন্যার বাবা আলী আকবর ও মা ইয়াসমিনের সঙ্গে। তিন কন্যাকে নিয়ে বাড়ি ফিরবেন বলে প্রস্তুতি হিসেবে মেয়েদের নতুন জামা গায়ে দিয়ে দিয়েছেন। চোখে কাজল দিয়ে সাজিয়েছেন মা। জন্মের পর থেকে এই চার কন্যাকে নবজাতক বিভাগের বিশেষ নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (স্ক্যাবু) রাখা হয়। ওদের অবস্থার একটু উন্নতি হলে কেবিনে বাবা মায়ের কাছে দেওয়া হয়।

নবজাতক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মনীষা ব্যানার্জি প্রথম আলোকে জানান, এই চার নবজাতক ৫ কেজি ৩০ গ্রাম ওজন নিয়ে জন্ম নেয়। জন্মের সময় গড়ে ওদের ওজন ছিল সাড়ে ১২০০ গ্রামের মতো। ওদের জন্ম হয়েছে ৩১ সপ্তাহে, নির্ধারিত সময়ের নয় সপ্তাহ আগে। সময়ের আগে কম ওজন নিয়ে একসঙ্গে চার নবজাতকের জন্ম ওদের জন্য বিরাট ঝুঁকির বিষয়। ঠোঁট ও তালুকাটা নিয়ে জন্ম নেওয়া নবজাতকের অবস্থা প্রথম থেকেই নাজুক ছিল। চারজনের বেলাতেই শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, রক্তে শর্করা কমে যাওয়া এবং সংক্রমণের ভয় থেকেই যাচ্ছে। শীতের সময় ওদের বেশি যত্নের প্রয়োজন হবে।

অধ্যাপক মনীষা ব্যানার্জির রুমে আলিশা, অরিশা ও আদিবাকে আনা হয়। বাবা ও মায়ের কোলে দুজন আর একজন তাদের বড় মামার কোলে করে আসে। স্ক্যাবু থেকে আনা হয় অন্বেষাকেও। চার কন্যার বাবা আলী আকবর একটু পরপর মেয়েদের শরীর কম্বল দিয়ে ঢেকে দিচ্ছিলেন, যাতে ঠান্ডা লেগে না যায়। তিনি জানান, ওদের জন্মের আগে থেকেই জানতেন তিনি চার সন্তানের বাবা হতে যাচ্ছেন। দুটি ছেলে ও দুটি মেয়ে চেয়েছিলেন, কিন্তু জন্মের পর দেখেন চারজনই মেয়ে। হাসিমুখে জানালেন, যা হয়েছে ভালোই হয়েছে।

একসঙ্গে চার কন্যার জন্ম দিয়ে মা ইয়াসমিনের অবস্থা বেশ খারাপ। অস্ত্রোপচারের আগেই দেখা দেয় নানান জটিলতা। তিনি জানান, এইচএসসি পড়ার সময় গত দুই বছর আগে বিয়ে হয়। স্বামী ঢাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। কাজের জন্য বিদেশ চলে যাবেন বলে দ্রুত সন্তান নিতে চাচ্ছিলেন। মেয়েদের জন্মের পর এখন চার মেয়েকে দেখাশোনার জন্য বাড়তি লোক রাখতে হবে। ঘরের ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই পরিবর্তন আনতে হবে।

চার কন্যাকে অধ্যাপক মনীষা ব্যানার্জির কাচের বড় টেবিলে শোয়ানো হলে কোন মেয়ের কী নাম জানতে চাইলে লাজুক হাসেন আলী আকবর। মেয়েদের নাম রাখলেও কোন মেয়ের কী নাম তা ঠিক মনে রাখতে পারছেন না। স্ক্যাবুতে যে আছে, তার নাম অন্বেষা শুধু এটুকু মনে থাকে।

স্ক্যাবুতে একজনকে থাকতে হলেও তিনজন বাড়ি ফিরতে পারছে—এটা নিয়ে স্ক্যাবুতে কর্মরত চিকিৎসক ও নার্সদেরও খুশির অন্ত নেই। স্ক্যাবু থেকে একজন বেশ একটু চিৎকার করেই জানালেন, অন্বেষার ওজন একটু বেড়েছে।

20/11/2017

মেজর জলিল এখনো প্রাসঙ্গিক
মাসুদ মজুমদার
১৮ নভেম্বর ২০১৭,শনিবার, ১৯:৫৮
আপডেট: ১৮ নভেম্বর ২০১৭,শনিবার, ১৯:৫৮
১৯ নভেম্বর। মেজর অব: এম এ জলিলের মৃত্যুবার্ষিকী। মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, মুক্তিযুদ্ধোত্তর বিরোধীদলীয় স্রোতধারার প্রাণপুরুষ মেজর জলিল বাংলাদেশের রাজনীতির মাঠে নতুন ধারার বরপুত্র। এক অসাধারণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের পক্ষে টানা সংগ্রামী এই লড়াকু সৈনিক বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য এক বিরল এক্সপেরিমেন্টও। মার্কসবাদে মুক্তির দিশা খুঁজে একসময় হতাশ হয়ে পড়েন। ইসলামের ভেতর মুক্তির অন্বেষা তাকে নতুন পথের সন্ধান দেয়। মৃত্যু পর্যন্ত সেই লক্ষ্যে মুক্তি আন্দোলন করেছেন। মার্কসবাদ-মাওবাদে মুক্তির দিশা খোঁজার মধ্যে তার কোনো ভড়ং ছিল না। তাই যখনই নতুন দিশা পেলেন তখনই মত পাল্টালেন। নিঃসঙ্কোচে তার নতুন অস্তিত্ব জানান দিলেন। আলী শরিয়তির ধারায় মেজর জলিলও নতুন স্বপ্নের জালটি বুনে গেলেন। ‘অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা’ তার দেশপ্রেমের এক অমর গদ্যকাব্য। আজ বিনম্রচিত্তে পরম শ্রদ্ধাভরে তাকে স্মরণ করছি। তার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারে নতুন প্রজন্ম জাগুক- এই প্রত্যাশা করছি।

বাংলাদেশের আজকের প্রেক্ষাপটে মেজর জলিল অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। একসময় যেকোনো দুঃশাসনের বিরুদ্ধে তর্জনি উঁচিয়ে ‘খামোশ’ বলতেন মওলানা ভাসানী। স্বাধীনতার স্বপ্নভঙ্গের প্রেক্ষাপটে ‘রুখো’ বলে আধিপত্যবাদের পথ রোধ করে দাঁড়িয়েছিলেন মেজর জলিল। আজ আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘিœত। স্বাধীনতার স্বপ্নগুলো ভূলুণ্ঠিত। গণতন্ত্র সুদূরপরাহত। জুলুম-অত্যাচারের হাহাকার সর্বত্র। এমন পরিস্থিতিতে লড়াকু সৈনিক মেজর জলিলকে বেশি মনে পড়ছে। ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও রাজনৈতিক ঐক্যতানের কারণে নির্দ্বিধায় বলতে পারি- মেজর জলিল জীবিত থাকলে আজ হুঙ্কার দিয়ে রাজপথে নামতেন। জনমনে সাড়া জাগাতেন। দুঃশাসনের আসন কাঁপাতেন। প্রতিবাদী কণ্ঠ ও চরিত্রগুলো আজ আর নেই। যারা আছেন তারা কেউ কেউ কায়েমি স্বার্থবাদের পদতলে আশ্রয় নিয়েছেন। কেউ বা রাজনৈতিক নষ্টামির কাছে আত্মসমর্পণ করে বসে আছেন। আজকের বাস্তবতায় জলিলচর্চার তাগিদ বাড়ছে। সময়ের সাহসী সন্তানদের মূল্যায়নের প্রয়োজনও বেড়েছে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
মেজর জলিল যখন মৃত্যুবরণ করেন, তখন তার কোনো স্থাবর সম্পত্তি ছিল না। ভাড়া করা বাড়িতে থাকতেন। একসময় একটি পুরনো মডেলের গাড়ি ছিল। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে সেটিও বিকিয়ে দিতে হয়েছিল। জাতির জন্য উজাড়প্রাণ, প্রশস্ত হৃদয়ের সিংহদিলী মানুষটি জাতির জন্য রেখে গেলেন একবুক ভালোবাসা। শত্রু-বন্ধু চেনার মানদণ্ড। সহজ-সরল-নির্লোভ জীবনাচার। সত্যের জন্য, মানুষের জন্য, অন্যায়-অত্যাচার ও জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক জ্বলন্ত উপমা। সর্বোপরি স্বাধীনতার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগের অনুপম দৃষ্টান্ত।

মেজর এম এ জলিল,- নামটি উচ্চারিত হলেই মানসপটে ভেসে ওঠে এমন এক বর্ণিল-স্বপ্নিল প্রলম্বিত চুল-শ্মশ্রুমণ্ডিত নায়কের কথা, যিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের নবম সেক্টর কমান্ডার। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজবন্দী। আধিপত্যবাদ ও সম্প্রসারণবাদবিরোধী আন্দোলনের আপসহীন অগ্রসৈনিক। স্বাধীনতার ঊষালগ্নে বিরোধীদলীয় রাজনীতির সাহসী যোদ্ধা, শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে আমৃত্যু বজ্রকণ্ঠ ও সংগ্রামী জননেতা। জাতীয় রাজনীতিতে বর্ণাঢ্য জীবন-বৈচিত্র্যের ব্যতিক্রমী পুরুষ। জাতীয় শত্রু-তাঁবেদার শোষক-জালিমের আতঙ্ক, মজলুমের বন্ধু। স্বজন-প্রিয়জনের প্রিয়মুখ। সহজ-সরল নিরহঙ্কার অথচ অসাধারণ ব্যক্তিত্বের মহিমায় মহিমান্বিত এক ব্যক্তিত্বের প্রতিকৃতি। তার নামটি উচ্চারিত হলে মানসপটে ভেসে ওঠে জাতীয় রাজনীতিতে দুই দশকজুড়ে প্রভাব বিস্তারকারী-মুক্তির নেশায় সতত জাগ্রত, কল্যাণব্রতে অঙ্গীকারবদ্ধ, বস্তুগত জীবনে প্রতিষ্ঠাবিমুখ, এক অসাধারণ দেশপ্রেমিকের প্রতিচ্ছবি।

মাত্র ৪৭ বছর বয়সের এক অকুতোভয় সাহসী যোদ্ধা বাংলাদেশের রাজনীতিকে এমন কিছু ব্যতিক্রমী বিষয় উপহার দিয়েছেন- যা অন্য কোনো রাজনৈতিক নেতৃত্বের পক্ষে সম্ভব ছিল না। তিনি যুদ্ধে গেলেন; কিন্তু কোনো রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন না। দেশের ডাকে সাড়া দিতেই তিনি নিজেকে যুদ্ধে জড়িয়েছিলেন। দেশের প্রয়োজনেই ভারতীয় বাহিনীর লুটপাটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন। দেশের কল্যাণচিন্তা করেই অকল্পনীয় এক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বিরোধীদলীয় রাজনীতির স্রোতপ্রবাহ সৃষ্টি করেছিলেন। দেশ-জাতির কথা ভেবেই কলম ধরেছিলেন। আজ মেজর জলিল আমাদের মাঝে নেই। আছে তার দেশপ্রেমের ঈর্ষণীয় উপমা। সেই সাথে আছে কালজয়ী কিছু লেখা।
হাজার চেষ্টা করেও জাতি আজ আর একজন জলিলকে খুঁজে পাবে না। কিন্তু তার কালজয়ী লেখাগুলো জাতিকে প্রেরণা জোগাবে। যেকোনো মানুষকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় পরিস্থিতির মুখেও দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করবে। তাই তার লেখাগুলো জাতির সম্পদ, দেশের সম্পদ। আমরা যারা এ বর্ণাঢ্য ব্যতিক্রমী পুরুষটির সান্নিধ্যে গিয়েছি- তারা উপলব্ধি

Address

Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আপন আইটি-Apon It posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আপন আইটি-Apon It:

Share