World of I.T. Communication

World of I.T. Communication Our Service:
01. E-commerce Solutions.
02. Mobile Recharges.
03. SMS Integration.
04. Bulk SMS Solutions.
05. Web site Design & Development.
06.

Domain Registration & Hosting.

ডিজিটাল বিশ্বে আপনার ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে আপনার জন্য তৈরি কাস্টমাইজড ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং ডেভ...
25/02/2023

ডিজিটাল বিশ্বে আপনার ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে আপনার জন্য তৈরি কাস্টমাইজড ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট অফার মাত্র ১৫,৯৯৯ টাকায়!

ওয়েবসাইট এর ডেমো দেখতে / অর্ডার করতে ইনবক্স করুন 📲 World of I.T. Communication

অথবা কল করুন – 01968858385 +Whatsapp

প্যাকেজ এ কি কি ধরনের ওয়েবসাইট পাবেন? 🤔 –
• ব্যক্তিগত পোর্টফোলিও
• নিউজ পোর্টাল ও
• কোম্পানি ওয়েবসাইট

তাই আজই যোগাযোগ করুন এবং বুঝে নিন মাত্র ১৫,৯৯৯ টাকায় মোবাইল ফ্রেইন্ডলি আকর্ষনীয় ওয়েবসাইট। + অ্যাডঅনস = ফাইনাল প্রাইস। সাথে, ফ্রি ডোমেইন ও হোস্টিং তো থাকছেই!

ওয়েবসাইট প্যাকেজে যা যা থাকছে 👇

• ফ্রি ডোমেইন (১বছর)
• ফ্রি হোস্টিং (১০ জিবি । ১বছর)
• একটি সম্পূর্ণ ওয়েবসাইট (১০ – ১৫ পেইজ)
• প্রিমিয়াম থিম
• ওয়েবসাইট সিকিউরিটি
• লোগো ডিজাইন
• এসএসএল সার্টিফিকেট (১ বছর)
• প্লাগইন / এক্সটেনশন - সর্বোচ্চ ৮ টি
• রেস্পন্সিভ ওয়েবসাইট
• এসইও অপটিমাইজড
• আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ
• মোবাইল ফ্রেন্ডলি ওয়েব ডিজাইন
• একাধিক ছবি এড করার সুবিধা
• হ্যাক ও ম্যালওয়ার সেফটি
• ডাইনামিক, সিকিউর, ফাস্ট লোডিং
• ৫টি সাব-ডোমেইন
• ১০টি ইমেইল এড্রেস
• DDOS সেটআপ
• এডমিন প্যানেল
• কন্ট্রোল প্যানেল
• কাস্টমাইজড এক্সপেরিয়েন্স
• স্পিড অপটিমাইজেশন
• সোশ্যাল মিডিয়া ইন্টিগ্রেশন
• ম্যাসেঞ্জার বোট ইন্টিগ্রেশন
• টেক্সট আ্যনিমেশন
• হোয়াটসআ্যপ ইন্টিগ্রেশন
• ওয়েবসাইট মেইন্টেনেন্স
• ওয়েবসাইট ডাটার মান্থলি ব্যাকআপ সিস্টেম
• ডেভেলপমেন্ট টাইম – ২১ দিন (ওয়েবসাইট এর ধরণের উপর নির্ভর)

আকর্ষনীয় সুলভ মূল্যের এই অফারটি শুধু আমরাই দিচ্ছি। 🎯

তাই, দেরি না করে ওয়েবসাইট বানাতে আজই যোগাযোগ করুন। 🤝

📞 01968-858385
🌐 https://raintouch.com.bd
📩 [email protected]

শর্তাবলী প্রযোজ্য -
* অফারটি সীমিত সময়ের জন্য
* মিনিমাম ১ বছরের এগ্রিমেন্ট
* হোস্টিং ও ডোমেইন রিনিউ চার্জ ৬০০০ টাকা
* ২টি রিভিউ দেওয়ার সুবিধা

25/02/2023

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে স্মার্ট ও লাভজনক ক্যারিয়ার হলো আই.টি বিজনেস। আর 5-10বছরের মধ্যে বাংলাদেশে এমন কাউকে খুজে যাওয়া যাবে না, যার একটি ওয়েব সাইট (ডোমেইন+হোস্টিং) থাকবে না। তাই আ.টি বিজনেস শুরু করার এখনই উপযুক্ত সময়।
-
১২ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে আমরা যে সকল সহযোগীতা করবোঃ
সম্পূর্ণ বিজনেস সেটআপ। যেমন-
# নিজস্ব ব্যান্ডিং ওয়েব সাইট।
# ডোমেইন রিসেলার প্যানেল।
# হোস্টিং (WHM ) 250GB রিসেলার প্যানেল (পরে বাড়ানো যাবে)।
# Bulk SMS রিসেলার।
# ই-কমার্স, নিউজ পোর্টাল সহ বিভিন্ন ওয়েব সাইট বিক্রয়ের রিসেলার।
# প্রশিক্ষণ (কিভাবে সব কিছু পরিচালনা করবেন তার প্রশিক্ষণ।)
-
আনুমানিক কেমন ইনকাম হবেঃ প্রথম 6 মাস 5-10 হাজারের মত হবে, ধীরে ধীরে বাড়তেই থাকবে, 2/3 বছরের মাথায় 1-2 লক্ষ টাকা পযন্ত ইনকাম হবে।
-
প্রয়োজনীয় উপরণঃ প্রাথমিক অবস্থায় ইন্টারনেট কানেকশন সহ আপনার শুধুমাত্র একটি ল্যাপটপ / কম্পিউটার থাকলেই যথেষ্ঠ। তবে, 4-6 মাস পর ভাল সেল হওয়া শুরু হলে; যদি ট্রেড লাইসেন্স না থাকে, তাহলে একটি ব্যাবসায়ীক ট্রেডলাইন্সে করে নিতে হবে।
--
মোট খরচঃ 10,850/- টাকা।
Contact us...........
# # World of IT Communication # #
# Call: +8801765754420, +881968858385 (What'sApp)
# Email: [email protected]
# Skype: rk.manik2000
# Facebook: https://lnkd.in/fka_ufJ
# Web: https://lnkd.in/fuBVyJe
( + + + + + )

যদি করেন ভাই চালাকি, পরে বুঝবেন তার জ্বালা কী !১. মিষ্টি বিক্রেতা মনে করে,আমি তো মিষ্টি খাই না। তাই এতে ভেজাল করলে আমার ...
31/01/2023

যদি করেন ভাই চালাকি, পরে বুঝবেন তার জ্বালা কী !

১. মিষ্টি বিক্রেতা মনে করে,
আমি তো মিষ্টি খাই না। তাই এতে ভেজাল করলে আমার কোন সমস্যা নাই।

২. বেকারির মালিক মনে করে,
আমিতো বিস্কুট খাই না। তাই পঁচা ডিম-ময়দা দিয়ে বানালে আমার কোন সমস্যা নাই

৩. ফল বিক্রেতা মনে করে,
আমিতো ফল খাই না। তাই কেমিকেল মিশালে আমার কোন সমস্যা নাই।

৪.মাছ বিক্রেতা মনে করে,
আমিতো ফরমালিনযুক্ত মাছ খাই না। তাই ফরমালিন মিশালে আমার কোন সমস্যা নাই।

দিনের শেষে কি হয় ? -
১. মিষ্টি বিক্রেতা মিষ্টি বিক্রি করে- বিস্কুট, ফল, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায়।

২. বেকারির মালিক বিস্কুট বিক্রি করে-
মিষ্টি, ফল, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায৩. ফল বিক্রেতা ফল বিক্রি করে-
মিষ্টি, বিস্কুট, মাছ কিনে নিয়ে বাসায় যায৪. মাছ বিক্রেতা মাছ বিক্রি করে -
ফল, বিস্কুট, মিষ্টি কিনে নিয়ে বাসায় যায়।
--------------------
সবাই মনে মনে নিজেকে অনেক চালাক ভাবে;
অনেক লাভ করেছে ভেবে আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তোলে।
আসলে তারা যে নিজেরাই নিজেদের ঠকাচ্ছে, ক্ষতি করছে তা ভাবতেও পারেনা।
Pleasantry

ভুল……..“আমার বিজনেস ছোট, এই মুহুর্তে ওয়েব সাইটের প্রয়োজন নেই”“আমার পরিচিত একজন আছে, সে আমাকে ফ্রিতে ওয়েব সাইট তৈরি করে দ...
13/01/2023

ভুল……..
“আমার বিজনেস ছোট, এই মুহুর্তে ওয়েব সাইটের প্রয়োজন নেই”
“আমার পরিচিত একজন আছে, সে আমাকে ফ্রিতে ওয়েব সাইট তৈরি করে দিবে”

অনলাইন বিজনেস কিংবা ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে উপরোক্ত ভুল গুলো সচারাচর দেখা যায়। সাময়িক অনলাই ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তা হলে আপনার ওয়েব সাইটের প্রয়োজন আসলে নেই। যদি আপনি দীর্ঘস্থায়ী অনলাইন ব্যবসার চিন্তা করে থাকেন তাহলে আপনার ওয়েব সাইট থাকা বাধ্যতামূলক, সেটা যে ধরনের ব্যবসা হোক না কেন।

আমরা যে সকল ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট করে থাকিঃ

১। ই-কমার্স ও লাইফস্টাইল ওয়েবসাইট
২। অনলাইন নিউজ পোর্টাল।
৩। পোর্টফোলিও এবং পারসোনাল ওয়েবসাইট
৪। অর্গানিক ফুড ও এগ্রো বেজড বিজনেস ওয়েবসাইট
৫। হাউজিং ও ইন্টেরিওর কোম্পানি ওয়েবসাইট
৬। কর্পোরেট ওয়েবসাইট
৭। এক্সপোর্ট ইমপোর্ট বিজনেস ওয়েবসাইট
৮। ক্যাফে, রেস্তোরাঁর জন্যে ওয়েবসাইট
৯। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।

ডেমো নয় আমাদের কম্পিলিট সাইট সমূহ দেখতে http://soggaict.com ওয়েব সাইট ভিজিট করুন।

বিস্তারিত জানতে কল করুন
01968858385
অথবা ফেসবুক পেজে ইনবক্স করুন।

 #ফ্রিল্যান্সিং_এর_কাজসমূহআমরা সবাই জানি যে, ফ্রিল্যান্সিং মুক্ত পেশার কাজ। এখানে বিপুল পরিমাণে কাজ আছে। নিজের স্বাধীনমত...
23/12/2022

#ফ্রিল্যান্সিং_এর_কাজসমূহ
আমরা সবাই জানি যে, ফ্রিল্যান্সিং মুক্ত পেশার কাজ। এখানে বিপুল পরিমাণে কাজ আছে। নিজের স্বাধীনমত কাজ করতে পারবেন। কাজ না করলে আপনাকে কেউ চাপ প্রয়োগ করতে পারবে না। তবে মেইন কথা হল, এখানে কাজ না করলে আপনি একটি টাকাও ইনকাম করতে পারবেন না। আর যত বেশি কাজ করবেন তত বেশিই আপনার ইনকাম বাড়বে।
আপনি প্রথম প্রথম মিনিমাম ২০০ থেকে ৩০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। তবে আস্তে আস্তে আপনার এই ইনকাম বাড়তেই থাকবে।
ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহঃ-
#ডিজাইনিংঃ
ডিজাইনিং এর অনেক ধরনের কাজ আপনি এখানে পাবেন। আপনাকে এর জন্য ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটরের কাজ জানতে হবে। এছাড়া ডিজাইনিং এর আরো অনেক ধরনের সফটওয়ার আছে যেগুলো সম্পর্কে আপনার পূর্ণ ধারণা থাকতে হবে। তা না হলে ডিজাইনিং এর কাজ আপনি করতে পারবেন না। কারণ ক্লায়েন্টের চাহিদা মাথায় রেখে এক এক সময় এক এক ধরনের ডিজাইন আপনাকে করতে হবে। বিভিন্ন ধরনের ডিজাইনিং এর কাজ আছে। যেমনঃ
১। প্রেজেন্টেশন
২। ফটোগ্রাফী
৩। অ্যানিমেশন
৪। লোগো ডিজাইন
৫। ইলাস্ট্রেশন
৬। গ্রাফিক্স ডিজাইন ইত্যাদি
#রাইটিং
এই কাজ করার জন্য আপনাকে সৃজনশীল হতে হবে। কারণ আপনাকে বিভিন্ন ধরনের টপিক্স এর উপর লিখতে হতে পারে। আপনাকে ক্লায়েন্ট যে রাইটিং এর কাজ দিবে আপনাকে প্রথমে সে বিষয়ে রিসার্চ করতে হবে। তারপর পূর্ণ একটা ধারণা লাভ করার পর ঐ বিষয়ে লেখা শুরু করতে হবে। নিচে কিছু রাইটিং এর কাজের উদাহরণ-
১। বিজনেস প্লান রাইটিং
২। ক্রিয়েটিভ রাইটিং
৩। একাডেমিক রাইটিং
৪। ওয়েবসাইট কনটেন্ট রাইটিং
৫। টেকনিক্যাল রাইটিং
৬। সি.ভি ও কভার লেটার রাইটিং
৭। গ্রান্ট রাইটিং
৮। কপিরাইটিং
৯। অ্যার্টিকেল ও ব্লগ পোস্ট রাইটিং ইত্যাদি
#অডিও_ভিডিও_প্রোডাকশন
আপনি যদি ভাল ভিডিও ধারণ করতে পারেন। তাহলে আপনি এখানে ভিডিও নিয়ে কাজ করতে পারেন। অনেকেই আছে এখানে ভিডিও কেনা বেচা করে থাকে। অনেক ইনকাম আসবে এখান থেকে। অন্যদিকে আপনি যদি ভিডিও এডিট করতে পারেন তাহলেও অনেক জব পাবেন এখান থেকে। তবে ভিডিও বা অডিও এর কাজ করতে হলে আপনাকে অনেক গুলো অডিও এবং ভিডিও এর সফটওয়ারের কাজ জানা লাগবে।
সফটওয়ার সম্পর্কে জ্ঞান বা জানা না থাকলে আপনি অডিও বা ভিডিও নিয়ে কাজ করতে পারবেন না।
#অ্যাডমিন_জবস
এই ধরনের কাজ মূলত ডাটা এট্রি, ওয়েব রিসার্চ ইত্যাদি ধরনের হয়ে থাকে। যেমনঃ
১। ডাটা এট্রি
২। ট্রান্সক্রিপশন
৩। ভারচুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্স
৪। প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট
৫। ওয়েব রিসার্চ ইত্যাদি
#ওয়েব_ডিজাইনিং_এবং_সফটওয়ার_ডেভেলপমেন্ট
আপনি যদি কোডিং এ ভাল হয়ে থাকেন। তাহলে আপনি ওয়েব ডিজাইনিং এবং সফটওয়ার ডেভেলপমেন্টের কাজ করতে পারেন। এই ধরনের কাজের পেমেন্টও বেশি হয়ে থাকে। আপনি যে কোন ধরনের সফটওয়ার তৈরি করতে হতে পারে। তাই ভাল ভাবে এই বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে। হতে পারে মোবাইল সফটওয়ার বা কম্পিউটারের সফটওয়ার।
#ট্রান্সলেশন
আপনি যদি বিভিন্ন দেশের ভাষা বুঝে থাকেন। তবে এই কাজ আপনার জন্য উপযোগী। কারণ ট্রান্সলেশনের মত অনেক কাজ আছে এখানে। শুধু মাত্র ক্লায়েন্টদের চাহিদা মোতাবেগ একটা কনটেন্ট কে অন্য ভাষায় রূপান্তরিত করে দিতে হবে।
এছাড়া আরো অনেক কাজ আছে। যে গুলো সম্পর্কে আপনার আলাদা আলাদা জ্ঞান থাকার পাশাপাশি কাজ জানা থাকতে হবে।
এই যেমনঃ
কনসালটেশন এবং অ্যাকাউন্টিং
ডাটা সাইন্স ও এনালাইটিক্স
আইটি ও নেটওয়ার্কিং
কাস্টমার সার্ভিস
সেলস এবং মার্কেটিং
ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আর্কিটেকচার ইত্যাদি।
তবে বাংলাদেশে গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, কনটেন্ট রাইটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এস.ই.ও), ওয়েব ডিজাইন, অনলাইন ডাটা এট্রি ইত্যাদি ধরনের কাজই বেশি করা হয়ে থাকে।
#বিশেষজ্ঞদের_মতে_ফ্রীলাঞ্চিং_ক্যারিয়ারের_জন্য_সেরা_পাঁচটি_কাজঃ-
আগামী দিনগুলোতে আয়ের উৎস ও কর্মসংস্থানের বড় খাত হবে আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং। বর্তমানে বাংলাদেশের অর্ধলক্ষাধিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রকৌশলী অনলাইনে বিশ্বের হাজার হাজার প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। এছাড়া দেশের প্রায় দুই লাখ তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিংয়ে জড়িত। এ সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। তাদের এ সফলতায় অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই না বুঝে ফ্রিল্যান্সিংয়ে নেমে পড়েন। তবে কাজে নামার আগে কোন কাজটি মার্কেটপ্লেসে বেশি জনপ্রিয় বা বাংলাদেশীদের জন্য করা সম্ভব, তা ভালোভাবে জেনে নেয়া উচিত।
#ওয়েব_ডেভেলপমেন্ট:
প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার এই সময়ে বিশ্বের ছোট-বড় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ছাড়াও ব্যক্তিগত ও সামাজিক ক্ষেত্রে প্রায় সবাই ধীরে ধীরে ইন্টারনেটের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। সবাই চাচ্ছেন তার একটি ভার্চুয়াল ঠিকানা হোক। কারণ, একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান একদিকে যেভাবে এর গ্রাহকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে, অপরদিকে বিভিন্ন শহরে বা দেশে অবস্থিত নিজ নিজ শাখার সাথে আমত্মঃযোগাযোগও সহজে এবং কম খরচে করতে পারে। ওয়েব দুনিয়ায় বর্তমানে মোট ওয়েবসাইটের সংখ্যা প্রায় ৬৫ কোটি। প্রতিদিনই তৈরি হচ্ছে হাজার হাজার ওয়েবসাইট। এই বিপুল সংখ্যক ওয়েবসাইট তৈরির জন্য ডিজাইনের পাশাপাশি প্রয়োজন ওয়েব ডেভেলপমেন্টের। নতুন ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট কিংবা পুরনো ওয়েবসাইটকে নতুনভাবে ডেভেলপ করার জন্য প্রয়োজন ভালোমানের ওয়েব ডেভেলপার। এ কারণেই অনলাইন মার্কেটপ্লেসসহ লোকাল মার্কেটে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের চাহিদা বেড়েই চলেছে।
একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, ওডেস্ক, ফ্রিল্যান্সার, ইল্যান্সসহ জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন ও নির্ভরযোগ্য কাজ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। ওডেস্কে প্রায় সবসময়ই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ক্যাটাগরিতে ১০ হাজারের অধিক জব থাকে। ইল্যান্সের প্রায় ৩৫ শতাংশ কাজই ওয়েব ডেভেলপমেন্টের। প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে শত শত কাজ। ওডেস্কে প্রতি ঘণ্টায় ১৫০ ডলারের বেশি রেটে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করছেন এমন অনেকেই রয়েছেন। তবে এ আয়ের পরিমাণ নির্ভর করে ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে নিজেকে কতটা দক্ষ করতে পারছেন, তার ওপর। একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে অবশ্যই এইচটিএমএল, সিএসএস, পিএইচপি, জাভাস্ক্রিপ্ট, জেকোয়ারি, মাইএসকিউএলসহ সংশ্লিষ্ট বিষয় ভালোভাবে জানতে হবে। এ বিষয়গুলো ভালোভাবে শিখে শত শত কোটি ডলারের ওয়েব ডেভেলপমেন্টের বাজারে যেকেউ প্রবেশ করতে পারেন।
#ওয়েব_ও_গ্রাফিক্স_ডিজাইন:
আঁকাআঁকিতে ঝোঁক বেশি! ক্রিয়েটিভ কিছু করতে চান? সময় পেলেই কমপিউটারের পেইন্ট টুলস, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর নিয়ে গাছ, পাখি, ফুল, ফল, বাড়ির দৃশ্য, কারও নাম বা ছবি নিয়ে কাজ শুরু করেন। পার্টটাইম বা ফুলটাইম কাজ খুঁজছেন? অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অপেক্ষাকৃত বেশি আয় করতে চান? তাহলে ভেবেচিন্তে নেমে পড়ুন গ্রাফিক্স ডিজাইনে। অন্যান্য চাকরির চেয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি সবচেয়ে নিরাপদ ও ঝামেলাহীন। নিরাপদ ও ঝামেলাহীন বলার কারণ হলো অন্যান্য পেশার বিপরীতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কোনো কাজের অভাব হয় না। এটি একটি সম্মানজনক পেশা। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার বেশ কিছু কালার, টাইপফেস, ইমেজ এবং অ্যানিমেশন ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হন। এর আউটপুট ডিজিটাল বা প্রিন্ট উভয়ই হতে পারে। নিজেকে ভালোভাবে তৈরি করতে পারলে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের অভাব হয় না। ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া, প্রমোশনাল ডিসপ্লে, জার্নাল, করপোরেট রিপোর্ট, মার্কেটিং ব্রোশিউর, সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, লোগো ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইনসহ বিভিন্ন সেক্টরে কাজের চাহিদা রয়েছে। লোকাল মার্কেট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস যাই বলি না কেনো, প্রতিনিয়ত গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজের পরিমাণ বাড়ছে।
ডিজাইনারদের বেতন নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ডিজাইনার স্যালারিজের মতে, একজন ডিজাইনার প্রতি বছরে গ্রাফিক্স ডিজাইন বা এ সম্পর্কিত চাকরি বা কাজ করে এক লাখ ডলার আয় করতে পারেন। সেই হিসেবে বাংলাদেশী প্রায় ৮০ লাখ টাকা আয় করতে পারেন। বাংলাদেশে গ্রাফিক্স ডিজাইনে ডিপেস্নামাধারীর বেতন মাসে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। তবে ব্যাচেলর ফাইন আর্টসে ডিগ্রিধারীদের বেতন মাসে এক থেকে দেড় লাখ টাকা হতে পারে। এছাড়া অনলাইন মার্কেটপ্লেসে একটি লোগো ডিজাইন করলে পাঁচ ডলার থেকে শুরু করে দুই হাজার ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়। তবে দক্ষতার ক্ষেত্রে ও বেশি ক্রিয়েটিভ কাজ হলে তা পাঁচ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া একটি ওয়েবসাইটটের ফাস্ট পেজ ডিজাইন করার ক্ষেত্রে ৫০ ডলার থেকে শুরু করে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। ৯৯ডিজাইনস ডটকম, ফ্রিল্যান্সার, ওডেস্কসহ অনেক অনলাইন মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে এ কাজগুলো পাওয়া যায়। তাই ওয়েব ও গ্রাফিক্স ডিজাইন হতে পারে একজন ফ্রিল্যান্সারের সবচেয়ে উপযোগী পেশা।
#ব্লগিং_অ্যান্ড_অ্যাফিলিয়েট_মার্কেটিং:
মার্কেটপ্লেসের কাজ না হলেও অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার অন্যতম উপায় হচ্ছে বস্নগিং ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। বাংলাদেশ থেকেই এখন প্রচুর তরুণ-তরুণী বস্নগিং ও অ্যাফিলিয়েটের মাধ্যমে নিজেদের স্মার্ট ক্যারিয়ার নিশ্চিত করেছেন। এ খাত থেকে প্রতিমাসে ২ থেকে ১০ হাজার ডলার আয় করছেন এমন সফল বস্নগার ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারের সংখ্যাও এখন অনেক। বস্নগিং ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং প্রায় একই বিষয়। দুটিই একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করা সম্ভব। বস্নগিংয়ের মাধ্যমে শুধু টাকা নয়, পাওয়া যায় বিপুল সম্মানও। আন্তর্জাতিক বিশ্বে বস্নগারদের সাংবাদিক হিসেবেও এখন গণ্য করা হয়। স্মার্ট ক্যারিয়ার হিসেবে তাই বস্নগিং এখন ওয়েব উদ্যোক্তাদের মধ্যে হট কেক।
বস্নগিংয়ের মাধ্যমে অনেক উপায়েই আয় করা যায়। এর মধ্যে গুগল অ্যাডসেন্স আমাদের দেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায়। সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্টের এ বিজ্ঞাপন প্লাটফর্মের মাধ্যমে প্রতিমাসে ১০ হাজার ডলারের ওপরে আয় করছেন এমন বস্নগারের সংখ্যাও বাংলাদেশে রয়েছে। গুগল অ্যাডসেন্স এবং সরাসরি বিজ্ঞাপন স্পেস বিক্রিসহ নানা উপায়ে আয় করতে পারেন একজন বস্নগার। নিজের বস্নগের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট পণ্যকে সুপারিশ করেও (রেফার) আয় করার সুযোগ রয়েছে একজন বস্নগারের, যাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয়। ইন্টারনেট থেকে ভালো আয়ের ক্ষেত্রে এ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংও একটি উপযোগী মাধ্যম। এ মাধ্যমে আপনি অন্য যেকোনো আয়ের উপায়, যেমন অ্যাডসেন্স থেকেও বেশি আয় করতে পারবেন।
তবে বিশাল এ ক্ষেত্রটিতে এগিয়ে যেতে আপনাকে কৌশলী হতে হবে। জানতে হবে পরীক্ষিত সব উপায়। ওয়েবসাইট তৈরি করা থেকে শুরু করে অ্যামাজান অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম, প্রোডাক্ট রিসার্স (চাহিদা সম্পন্ন লাভবান পণ্য নির্বাচণ করা), কিওয়ার্ড রিসার্স (সার্চ ইঞ্জিন থেকে টার্গেটেড ভোক্তা প্রোডাক্টভিত্তিক কিওয়ার্ড নির্বাচন), প্রোডাক্ট রিভিউ লেখা (কাস্টমারকে পণ্য প্রদর্শন ও লেখনীর মাধ্যমে পণ্য কেনায় উৎসাহিত করা), অনলাইন মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে সাইটে টার্গেট ট্রাফিক আনাসহ বিভিন্ন বিষয় জানতে হয়। এ ক্ষেত্রে ইংরেজিতে কনটেন্ট লিখতে পারা বা লেখালেখিতে আগ্রহীরা এগিয়ে এসে সম্মানজনক এ পেশায় নাম লেখাতে পারেন।
#সার্চ_ইঞ্জিন_অপটিমাইজেশন:
ইন্টারনেট বাণিজ্যের এ যুগে ওয়েবসাইট ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান তো কল্পনাই করা যায় না। আবার ওয়েবসাইট থাকলেই কিন্তু এখন চলে না। এটি সর্বত্র পৌঁছে দিতে ব্যাপক মার্কেটিংয়েরও প্রয়োজন হয়। ওয়েবসাইটকে সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি উপায়। ওয়েবসাইটকে গুগলের প্রথম দিকে নিয়ে আসার যে কৌশল সেগুলোকেই মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলা হয়। দিন দিন বিশ্বব্যাপী যত ওয়েবসাইট বাড়ছে, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজের ক্ষেত্রও অনেক বাড়ছে। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতেও তাই দিন দিন বাড়ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজ। আর এ হিসেবে ফ্রিল্যান্সার হতে চাওয়া তরুণ-তরুণীদের অন্যতম পছন্দ হতে পারে এ ক্ষেত্রটি। ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোর তথ্যানুসারে, একজন দক্ষ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার মাসে ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। প্রয়োজন সঠিক নির্দেশনা, প্রচেষ্টা, ধৈর্য এবং সময়। বর্তমানে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও এ পেশায় বেশ ভালো করছেন। জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কিত বস্নগ এসইওমজের ডাটা অনুযায়ী প্রতি ১০০ জন ফ্রিল্যান্স সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারদের মধ্যে ২৩ জনই নারী। ওডেস্কের বিলিয়ন ডলারের এ মার্কেটপ্লেসের ১২ শতাংশ এখন আমাদের দখলে। আর এর মধ্যেই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের (এসইও) কাজ সবচেয়ে বেশি করা হয়। শুধু ওডেস্ক নয়, অন্যান্য মার্কেটপ্লেসেও সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজে বাংলাদেশীদের পদচারণা বাড়ছে। গত বছর ফ্রিল্যান্সার ডটকম আয়োজিত কনটেন্ট রাইটিং ও সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) ২০১২ প্রতিযোগিতায় পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের ফ্রিল্যান্সারদের হারিয়ে বাংলাদেশের সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও ইন্টারনেট মার্কেটিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ডেভসটিম লিমিটেড প্রথম হয়। আর এজন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বিশ্বে বাংলাদেশ এখন খুব পরিচিত একটি নাম।
আপনি যদি ইংরেজি মোটামুটি জানেন, তবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখা শুরু করে দিতে পারেন। এসইওর এমন কিছু কাজ আছে যেগুলো খুব কঠিন কিছু নয়। দু’তিন মাসের ট্রেনিং নিয়েই এ ধরনের কাজ করা যায়। কোথায় পাবেন প্রশিক্ষণ। ইন্টারনেট থেকেই শিখতে পারেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের খুঁটিনাটি। প্রয়োজনে নিতে পারেন প্রশিক্ষণ। ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন চাহিদাসম্পন্ন এ কাজে।
সংশ্লিষ্টরা যা বলেন,
অনেকেই না জেনে, না বুঝে নেমে পড়েন ফ্রিল্যান্সিংয়ে। ফলে দেখা যায় কিছুদূর এগিয়ে আর সামনে যেতে পারছেন না। তাই যে কাজ পছন্দ করেন বা করতে ভালো লাগে তেমন কোনো কাজ ভালোভাবে জেনে তারপর মার্কেটপ্লেসে আসা উচিত। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে পাঁচ শতাধিক ধরনের কাজ রয়েছে, যেখান থেকে আপনার পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিতে হবে আপনি কী করবেন। এরপর অনলাইন রিসোর্স বা ভালো কোনো প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে কিভাবে মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে হয় এসব জেনেই কাজে নামতে হবে। এমনটিই বলছিলেন জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সের কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান।
অপর শীর্ষ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ওডেস্কের কান্ট্রি অ্যাম্বাসাডর মাহমুদ হাসান সানি বলেন, ভালো আয় করা যায় এমন বিষয় বিবেচনা না করে দেখতে হবে আপনি কোন বিষয়টি ভালোভাবে পারবেন। কোনো কাজ শুরু করার আগে অনলাইনের রিসোর্স থেকে সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতে পারেন। এরপর আপনার যে কাজটি করা সম্ভব মনে হবে, তা ভালোভাবে শিখতে হবে। কোনো গাইডলাইনের দরকার হলে ফেসবুক ওডেস্কসহ অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোর ফেসবুক পেজ, গ্রম্নপ ও ফোরামে যুক্ত হতে পারেন। মনে রাখতে হবে, অনলাইনে কেউ আপনাকে এমনিতেই ডলার দেবে না। আপনার কাছ থেকে ভালো কিছু আউটপুট পেলেই তারা কাজটি করতে দেবে ও পে করবে। তাই যাই করেন কাজটি আগে ভালোভাবে জেনে নিন। ভালোভাবে কাজ জানলে কাজের অভাব হয় না।
ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণদাতা ডেভসটিম ইনস্টিটিউটের মূল প্রতিষ্ঠান ডেভসটিম লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আল-আমিন কবির জানান, অনেকেই না বুঝে ট্রেনিং নিতে চলে আসেন ফ্রিল্যান্সিং কাজ শিখতে। আমরা তাদেরকে সবসময়ই বলি, আপনি যে বিষয়ে কাজ করতে চান তার বেসিক বিষয়গুলো অনলাইন রিসোর্স থেকে জেনে আসেন। তাহলে এ বিষয়ে ভালো করতে পারবেন কি না, তা বুঝতে পারবেন। তা না হলে প্রশিক্ষণ নেয়ার সময় হারিয়ে যেতে হবে। অনলাইনেই অনেক রিসোর্স আছে, সেখান থেকে আপনি যেকোনো কাজ শিখতে পারেন। এ বিষয়ে বিনামূল্যে কোনো গাইডলাইনের দরকার হলে ডেভসটিম ইনস্টিটিউটে আসতে পারেন। তবে যদি স্বল্প সময়ে কাজ শিখতে চান তাহলে সংশ্লিষ্টদের গাইডলাইন অথবা প্রশিক্ষণ নিতে হবে। প্রশিক্ষণ নেয়ার আগে ওই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেবেন যাতে প্রতারিত না হন
#কনটেন্ট_রাইটিং:
অনলাইনে আয় করার সহজ ও সম্ভাবনাময় উপায় হলো লেখালেখি, যাকে আর্টিকেল রাইটিং বা কনটেন্ট রাইটিং বা কনটেন্ট ডেভেলপিং বলা হয়। যারা ইংরেজিতে ভালো তারাই লেখালেখিকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে পারেন। কনটেন্ট রাইটাররা বিভিন্ন কাজের জন্য কনটেন্ট লিখে থাকেন। ওয়েব কনটেন্ট ছাড়াও বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য রিসোর্স বই, ব্রোশিউর, লিফলেট বা অন্যান্য প্রচারণার কাজে কনটেন্ট ডেভেলপ করা হয়ে থাকে। একজন কনটেন্ট ডেভেলপারের অনেক কাজের ক্ষেত্র রয়েছে। ক্ষেত্রগুলো হলো- কপিরাইটিং, বস্নগ লেখা, ওয়েব কনটেন্ট, প্রেস রিলিজ রাইটিং, ট্রান্সলেশন, ট্রান্সক্রিপশন, সামারাইজেশন, রিজিউম রাইটিং, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ইত্যাদি। লেখার বিষয়টি নির্ভর করে লেখকের দক্ষতা, রুচি, সহযোগিতা সর্বোপরি যে সাইট বা বিষয়ের জন্য লেখা হচ্ছে তার চাহিদার ওপর। তবে বিষয়বস্ত্ত যা-ই হোক না কেনো, একজন ওয়েব কনটেন্ট রাইটারকে কোনো নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে রীতিমতো গবেষণা করে ডাটাবেজ তৈরি করতে হয়। উন্নত বিশ্বে একজন কনটেন্ট রাইটারকে সাংবাদিক বা গবেষক হিসেবেও অভিহিত করা হয়। বিষয়বস্ত্ত অনুযায়ী ঠিক করে নিতে হয় লাইন অব অ্যাকশন। লেখা অবশ্যই প্রাঞ্জল ও গুরুত্বপূর্ণ হতে হবে। রাইটার হিসেবে মনে রাখতে হবে যারা ওয়েবসাইটে আপনার লেখা পড়বেন, তারা মিনিটপ্রতি বা ঘণ্টাপ্রতি নির্দিষ্ট পয়সা খরচ করে পড়বেন। সুতরাং তারা চাইবেন সবচেয়ে কম সময়ে প্রয়োজনীয় জিনিস পড়তে। তাই তথ্যনির্ভর, সংক্ষিপ্ত বিষয়ভিত্তিক লেখাই আপনাকে লিখতে হবে। কনটেন্ট লেখার ক্ষেত্রে কোনোভাবেই অন্যের লেখা কপি করা যাবে না। এতে লেখক হিসেবে আপনার গ্রহণযোগ্যতা যেমন বাড়বে, তেমনি উপার্জনের পথও প্রশস্ত হবে। কনটেন্ট রাইটার হতে গেলে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজিতে ভালো হতে হবে। প্রয়োজন শুদ্ধ বানান। আমেরিকান স্পেলিং শুদ্ধভাবে জানতে হবে। গ্রামার সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে ব্রিটিশ ও আমেরিকান গ্রামার সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা ভালো। আর ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য প্রয়োজনীয় যে বিষয়গুলো রয়েছে, যেমন ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ সমন্বয়, কাভার লেটার লেখা, আপডেটেড থাকা এসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
বাংলাদেশে এমন অনেক ফ্রিল্যান্স লেখক আছেন যারা ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩০ ডলার পর্যন্ত আয় করে থাকেন। এছাড়া দেশী-বিদেশী ইন্টারনেট মার্কেটিং অথবা কনটেন্ট মার্কেটিং প্রতিষ্ঠানেও আপনি ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা বেতনে চাকরি করতে পারেন। তাই কনটেন্ট রাইটার হিসেবেও ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।
If Interested, Contact US... www.Facebook.com/woitcywc

আপনার বাজেটের মধ্যে যেকোনো ধরণের ওয়েবসাইট করুন আমাদের থেকে।𝐖𝐞𝐛𝐬𝐢𝐭𝐞 -ই আপনার ব্যবসার পরিচয় বহন করে ও পরিচিতি বাড়ায়। বর্তম...
26/11/2022

আপনার বাজেটের মধ্যে যেকোনো ধরণের ওয়েবসাইট করুন আমাদের থেকে।

𝐖𝐞𝐛𝐬𝐢𝐭𝐞 -ই আপনার ব্যবসার পরিচয় বহন করে ও পরিচিতি বাড়ায়।
বর্তমান সময়ে ছোট অথবা বড় ব্যবসায় 𝐖𝐞𝐛𝐬𝐢𝐭𝐞 প্রত্যেকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্ত্বপূর্ণ সম্পদ।

🥳🥳 আপনার বাজেটের মধ্যেই 𝐖𝐞𝐛𝐬𝐢𝐭𝐞 করুন আমাদের কাছে।
➡ 𝗲𝗖𝗼𝗺𝗺𝗲𝗿𝗰𝗲 𝘄𝗲𝗯𝘀𝗶𝘁𝗲
➡ 𝗕𝘂𝘀𝗶𝗻𝗲𝘀𝘀 𝘄𝗲𝗯𝘀𝗶𝘁𝗲
➡ 𝗕𝗹𝗼𝗴 𝘄𝗲𝗯𝘀𝗶𝘁𝗲
➡ 𝗣𝗼𝗿𝘁𝗳𝗼𝗹𝗶𝗼 𝘄𝗲𝗯𝘀𝗶𝘁𝗲
➡ 𝗘𝘃𝗲𝗻𝘁 𝘄𝗲𝗯𝘀𝗶𝘁𝗲
➡ 𝗣𝗲𝗿𝘀𝗼𝗻𝗮𝗹 𝘄𝗲𝗯𝘀𝗶𝘁𝗲
➡ 𝗠𝗲𝗺𝗯𝗲𝗿𝘀𝗵𝗶𝗽 𝘄𝗲𝗯𝘀𝗶𝘁𝗲
➡ 𝗡𝗼𝗻𝗽𝗿𝗼𝗳𝗶𝘁 𝘄𝗲𝗯𝘀𝗶𝘁𝗲
➡ 𝗜𝗻𝗳𝗼𝗿𝗺𝗮𝘁𝗶𝗼𝗻𝗮𝗹 𝘄𝗲𝗯𝘀𝗶𝘁𝗲
➡ 𝗢𝗻𝗹𝗶𝗻𝗲 𝗳𝗼𝗿𝘂𝗺

প্যাকেজে যা পাবেনঃ
☑️ Domain + Hosting + SEO
☑️ SSL Certificate
☑️ রেস্পন্সিভ ডিজাইন
☑️ প্রিমিয়াম থিম 🅿️🆁🅴🅼🅸🆄🅼 🆃🅷🅴🅼🅴
☑️ মোবাইল ফ্রেন্ডলি ওয়েব ডিজাইন
☑️ সি-প্যানেল
☑️ ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল
☑️ ওয়ার্ডপ্রেস এডমিন প্যানেল
☑️ SEO ফ্রেন্ডলি ডিজাইন
☑️ লাইভ চ্যাটিং

Contact Us:
☎️ 𝙃𝙤𝙩𝙡𝙞𝙣𝙚 : +8801617358463
𝙬𝙝𝙖𝙩'𝙨 𝘼𝙥𝙥 : +8801968858385

Contact us....
31/10/2022

Contact us....

31/10/2022
সবাই খুব ভালো কাজ করছে এবং সকল সাইটে আগের চেয়ে ভালো কাজ হচ্ছে। 😌 যদিও সব কাজের পোস্ট করা সম্ভব হয়না,তারপরেও কিছু দেখানোর...
24/09/2022

সবাই খুব ভালো কাজ করছে এবং সকল সাইটে আগের চেয়ে ভালো কাজ হচ্ছে।
😌 যদিও সব কাজের পোস্ট করা সম্ভব হয়না,তারপরেও কিছু দেখানোর চেষ্টা করলাম।
✅ একটা ভালোমানের Ip/Vps ব্যবহার করলে এবং নিজের চেষ্টা থাকলে এই কাজে সফল হওয়া কোন বিষয় না।
☢️ মনে রাখবেন সস্তা আর দামি IP এর কাজ একই হলে কেউ বেশি টাকা দিয়ে IP/Vps কিনতো না।তাই সবসময় সস্তা না খুঁজে চেষ্টা করবেন ভালোমানের একটা IP/VPS ব্যবহার করার।
🔄 পরিশেষে বলতে পারি নতুনদের কাজ শুরু করার একটা ভালো সময় এখন।
✋ যেকোন প্রয়োজনে ইনবক্সে জানাবেন।
📲01968858385

আপনার ওয়েবসাইট প্রয়োজন?আমরা সকল ধরনের ওয়েবসাইট করে থাকি।সাথে থাকছে লাইফ টাইম সাপোর্ট এর সুবিধা ।✍️ওয়েবসাইট সার্ভিস সমূহঃ...
08/09/2022

আপনার ওয়েবসাইট প্রয়োজন?
আমরা সকল ধরনের ওয়েবসাইট করে থাকি।
সাথে থাকছে লাইফ টাইম সাপোর্ট এর সুবিধা ।
✍️ওয়েবসাইট সার্ভিস সমূহঃ
✅ ই-কমার্স ওয়েবসাইট
✅ কুরিয়ার ওয়েবসাইট
✅ অনলাইন নিউজপেপার
✅ কর্পোরেট ওয়েবসাইট
✅ ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট
✅ ব্লগিং ওয়েবসাইট
✅ ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট
✅ এডুকেশন ওয়েবসাইট
✅ ট্রাভেল ওয়েবসাইট
✅ হোটেল ওয়েবসাইট
✅ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট
✅ ফার্নিচার ওয়েবসাইট
✅ রিয়েল এস্টেট ওয়েবসাইট
✅ বায়িং হাউজ ওয়েবসাইট
✅ গার্মেন্টস ওয়েবসাইট
✅ ল-ফার্ম ওয়েবসাইট
✅ হসপিটাল ওয়েবসাইট
সহ কাষ্টমারের চাহিদা মত ওয়েবসাইট সার্ভিস প্রদান করা হয় ।
ফোনঃ +88 01617358463
মোবাইল/হোয়াটসঅ্যাপঃ +880 1968-858385

Address

6/2 Middle Paikpara Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when World of I.T. Communication posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to World of I.T. Communication:

Share