timesflow.com

timesflow.com Software, Hardware and nano-tech producer and marketer from Bangladesh

27/05/2023

Parents across the country are raving about our program! Check out their testimonials and see for yourself how ALOHA Bangladesh is making a difference in the lives of children just like yours.

To find your nearest active center and contact us for details
Call Now:
01844189521
01844189534
01844189526
01844189527
Visit Us: https://alohabdonline.com/

19/08/2016

A great lesson for us. Anyhow we need to reach our destination.

07/08/2016

নতুন রূপে উইন্ডোজ ১০

উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ একটি হালনাগাদ প্রকাশ করেছে সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। এর নাম দেওয়া হয়েছে প্রথম বার্ষিকী হালনাগাদ। নতুন সুবিধা যোগ করার চেয়ে বিদ্যমান সুবিধার উন্নয়ন এতে প্রাধান্য পেয়েছে। প্রথম বার্ষিকী বলার কারণ, ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম প্রকাশ করে মাইক্রোসফট। সে সময় বলা হয়, পরবর্তী এক বছর পর্যন্ত উইন্ডোজ ৭ এবং ৮.১ ব্যবহারকারীরা বিনা মূল্যে উইন্ডোজ ১০-এ হালনাগাদ করতে পারবেন। চলতি বছরের ২৯ জুলাই সে মেয়াদ শেষ হয়। যাঁরা ইতিমধ্যে উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার শুরু করেছেন, তাঁদের জন্য ২ আগস্ট থেকে বিনা মূল্যে নতুন এই হালনাগাদটি প্রকাশ করা হয়।

নতুন সুবিধা: স্পর্শকাতর পর্দার কম্পিউটারে লেখা কিংবা আঁকার কাজে ব্যবহারের জন্য উইন্ডোজ ইংক সফটওয়্যারটি ঢেলে সাজিয়েছে মাইক্রোসফট। স্টার্ট মেনু, নোটিফিকেশন প্যানেল, নিরাপত্তাব্যবস্থা, টাস্ক বার এবং সর্বোপরি কালচে নকশার ‘ডার্ক থিম’-এর উন্নয়ন করা হয়েছে। কম্পিউটার লক করা থাকলেও কাজ করবে ডিজিটাল সহকারী করটানা। এখন থেকে ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার মাইক্রোসফট এজ ব্রাউজারে লাস্টপাস, এভারনোট, অ্যাড-ব্লকের মতো এক্সটেনশন সমর্থন করবে।

হালনাগাদ করতে চাইলে: উইন্ডোজ ১০ ব্যবহারকারীরা সহজেই নতুন সংস্করণে হালনাগাদ করতে পারবেন। চাইলে একদম নতুন করেও ইনস্টল করার সুযোগ আছে। স্বয়ংক্রিয় হালনাগাদ সুবিধা চালু থাকলে আলাদা করে কিছু করার দরকার হবে না। তবে ব্যবহারকারীদের কাছে নতুন সংস্করণ ধাপে ধাপে পৌঁছানোর পরিকল্পনা মাইক্রোসফটের, আর তাই শুরুতেই হালনাগাদ নাও পেতে পারেন। যাদের তর সইছে না, তাদের জন্যও ব্যবস্থা রেখেছে মাইক্রোসফট। নিচের কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে হালনাগাদ করা যাবে।
* স্টার্ট মেনু থেকে Settings/Updates & Security/Windows Update নির্বাচন করুন
* Update & security বোতামে ক্লিক করুন
* উইন্ডোজ আপডেট ট্যাবে Check for Updates-এ ক্লিক করুন
* ‘Feature update to Windows 10, version 1607’ নামে পাওয়া যাবে নতুন হালনাগাদটি। আপডেট বোতামে ক্লিক করলে প্রথমে ডাউনলোড এবং পরে ইনস্টল শুরু হবে
* আর এত ঝামেলায় যেতে না চাইলে এই লিংকে গিয়েও হালনাগাদ করতে পারবেন: http://goo.gl/tm2Jxh। প্রথমে একটি ছোট সফটওয়্যার নামাতে হবে। সেই সফটওয়্যারের নির্দেশনা অনুসরণ করলেই হালনাগাদ হয়ে যাবে
* আর আপনার কাছে যদি প্রোডাক্ট লাইসেন্স কি থাকে তবে আইএসও ফাইল নামিয়েও পেনড্রাইভ বা ডিভিডি ডিস্কে বার্ন করে ইনস্টল করতে পারবেন। নামানোর ঠিকানা: https://goo.gl/4FbbR9।

কম্পিউটারের কোনো সমস্যার সমাধান যে ওই কম্পিউটারের সামনে বসেই করতে হবে, তা নয়। মনে করুন আপনার কোনো সহকর্মী, বন্ধু কিংবা...
05/08/2016

কম্পিউটারের কোনো সমস্যার সমাধান যে ওই কম্পিউটারের সামনে বসেই করতে হবে, তা নয়। মনে করুন আপনার কোনো সহকর্মী, বন্ধু কিংবা পরিচিত কারোর কম্পিউটারে কোনো সমস্যা হয়েছে। আপনি দূরে কোথাও আছেন। এখন সমাধান কীভাবে করবেন? যিনি দরকারি কাজটি করতে পারছেন না তাঁকে বলুন ‘টিম ভিউয়ার’ নামের সফটওয়্যার নামিয়ে ইনস্টল করে নিতে। টিম ভিউয়ারের ওয়েবসাইট থেকে এই সফটওয়্যারটি নামানো যাবে। ওয়েবসাইটের ঠিকানা: www.teamviewer.com।
নামানো শেষ হলে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে নিতে বলুন। তবে ইনস্টল না করেও ‘রান ওয়ান টাইম ইউজ অনলি’ নির্বাচন করে সফটওয়্যারটি চালু করা যায়। এরপরই একটি ব্যবহারকারীর আইডি এবং পাসওয়ার্ড দেখাবে। সেই ইউজার আইডি আর পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করুন।
এখন আপনার কম্পিউটারেও টিম ভিউয়ার সফটওয়্যার চালু করুন। চালু করার পরই একটি ডায়ালগ বক্স দেখাবে, যেখানে পার্টনার আইডি থেকে যে ব্যবহারকারীর আইডি সংগ্রহ করেছেন, তা লিখে ‘কানেক্ট টু পার্টনার’-এ ক্লিক করুন। তারপর যে পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করেছেন, সেই পাসওয়ার্ড দিয়ে কানেক্ট-এ ক্লিক করুন। আপনার কম্পিউটারের পর্দায় দূরের সে কম্পিউটারের ডেস্কটপ দেখাবে। এবার করণীয় কাজ সেরে নিন। স্মার্টফোনের জন্যও পাওয়া যাবে টিম ভিউয়ার অ্যাপ।

05/08/2016

কম্পিউটারের কোনো সমস্যার সমাধান যে ওই কম্পিউটারের সামনে বসেই করতে হবে, তা নয়। মনে করুন আপনার কোনো সহকর্মী, বন্ধু কিংবা পরিচিত কারোর কম্পিউটারে কোনো সমস্যা হয়েছে। আপনি দূরে কোথাও আছেন। এখন সমাধান কীভাবে করবেন? যিনি দরকারি কাজটি করতে পারছেন না তাঁকে বলুন ‘টিম ভিউয়ার’ নামের সফটওয়্যার নামিয়ে ইনস্টল করে নিতে। টিম ভিউয়ারের ওয়েবসাইট থেকে এই সফটওয়্যারটি নামানো যাবে। ওয়েবসাইটের ঠিকানা: www.teamviewer.com।
নামানো শেষ হলে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে নিতে বলুন। তবে ইনস্টল না করেও ‘রান ওয়ান টাইম ইউজ অনলি’ নির্বাচন করে সফটওয়্যারটি চালু করা যায়। এরপরই একটি ব্যবহারকারীর আইডি এবং পাসওয়ার্ড দেখাবে। সেই ইউজার আইডি আর পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করুন।
এখন আপনার কম্পিউটারেও টিম ভিউয়ার সফটওয়্যার চালু করুন। চালু করার পরই একটি ডায়ালগ বক্স দেখাবে, যেখানে পার্টনার আইডি থেকে যে ব্যবহারকারীর আইডি সংগ্রহ করেছেন, তা লিখে ‘কানেক্ট টু পার্টনার’-এ ক্লিক করুন। তারপর যে পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করেছেন, সেই পাসওয়ার্ড দিয়ে কানেক্ট-এ ক্লিক করুন। আপনার কম্পিউটারের পর্দায় দূরের সে কম্পিউটারের ডেস্কটপ দেখাবে। এবার করণীয় কাজ সেরে নিন। স্মার্টফোনের জন্যও পাওয়া যাবে টিম ভিউয়ার অ্যাপ।

01/08/2016
24/06/2016

শিখে নেই অ্যাপ বানানোর কৌশল..........

স্মার্টফোনের ‘স্মার্ট’ হয়ে ওঠার পেছনে আছে এর হাজারো অ্যাপ। তাই বলা চলে এই অ্যাপকেন্দ্রিক এক বিপ্লব শুরু হয়েছে। আর সে বিপ্লবে বাংলাদেশের তরুণেরা পিছিয়ে থাকবে কেন! অ্যাপ বানাতে দরকার চমৎকার একটি ধারণা। এমন কিছু যা কোনো সমস্যার সমাধান দিতে পারে। প্রোগ্রামিং সংকেত লেখায় নিজে দক্ষ না হলে দলে থাকতে হবে প্রোগ্রামার, ছবির কাজের জন্য দরকার গ্রাফিক ডিজাইনার।
অ্যাপ বানানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানিয়েছেন ইএটিএল-প্রথম আলো অ্যাপস প্রতিযোগিতার বিচারকমণ্ডলীর সমন্বয়ক রাজেশ পালিত। পটভূমি, উন্নয়ন, প্রকাশ এবং রক্ষণাবেক্ষণ ও হালনাগাদ—এই চারটি ধাপে অ্যাপ তৈরি করতে হয়।
পটভূমি পর্যায়
ধারণা: অ্যাপ বানানোর প্রথম কাজ এটি। অ্যাপ তৈরির বিষয় ঠিক করে নিতে হবে।

বৈশিষ্ট্য চূড়ান্তকরণ: অ্যাপে কী কী থাকবে তা ঠিক করতে হবে।
ব্যবহারকারী: অ্যাপটির ব্যবহারকারী কারা এবং এটি কী কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশের জন্য নাকি পুরো বিশ্বের জন্য হবে তা ঠিক করতে হবে।
অপারেটিং সিস্টেম: অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস নাকি উইন্ডোজ—কোন অপারেটিং সিস্টেমের জন্য অ্যাপ তৈরি করবেন তা ঠিক করতে হবে। এ ছাড়া কিছু প্রোগ্রাম আছে যেগুলোর মাধ্যমে সব অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে এমন অ্যাপ তৈরি করা যায়। এর মধ্যে আইওনিক, টাইটানিয়াম, ফোনগ্যাপ উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে এইচটিএমএল ৫, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্টে লেখা অ্যাপ সব স্মার্টফোনেই চলে।
আয়: অ্যাপ থেকে আপনি কীভাবে আয় করবেন তা নির্ধারণ করতে হবে। বিনা মূল্যের অ্যাপে বিজ্ঞাপন থেকে আয় করতে হয়। প্রিমিয়াম অ্যাপ নামানোর সময় টাকা দিয়ে নামাতে হয়, আয়ের উৎস অ্যাপ বিক্রির টাকা। আরেক ধরনের অ্যাপ আছে যেগুলো ফ্রিমিয়াম (ফ্রি+প্রিমিয়াম) নামে পরিচিত। বেশ কিছু সুবিধা বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায়, তবে অতিরিক্ত সুবিধা পেতে টাকা খরচ করতে হয়।
ভাষা নির্বাচন: অ্যাপে কোন ভাষা ব্যবহার করবেন কিংবা কতটি ভাষায় অ্যাপটি তৈরি করা হবে তা ঠিক করতে হবে।
নাম নির্বাচন: এমন কোনো নাম বেছে নিতে হবে যেটি গ্রাহকদের টানবে।
তথ্যসূত্র: অ্যাপ তৈরিতে ব্যবহার করা তথ্যের উৎস উল্লেখ করতে হবে।

উন্নয়নপর্ব
অ্যাপে কী কী সুবিধা থাকবে, নকশা কেমন হবে তা নির্ধারণ করতে হবে এই পর্যায়ে এসে। অ্যাপে যে তথ্য দেওয়া হচ্ছে সেটা গোছালোভাবে দিতে হবে। এরপর সবকিছুর স্কেচ তৈরি করে নিতে হবে, যা ওয়্যার ফ্রেম নামে পরিচিত। এবার স্কেচগুলো পাঠাতে হবে গ্রাফিক ডিজাইনারের কাছে। গ্রাফিকসের কাজ শেষে প্রোগ্রামিং সংকেত (কোড) লেখার কাজটি সেরে নেবেন ডেভেলপার। এবার অ্যাপ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর পালা। কোনো সমস্যা থাকলে তা চিহ্নিত করতে হবে। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটারের মডেলভেদে কর্মক্ষমতা, পর্দার আকার, তথ্য ধারণক্ষমতা ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। অন্যদিকে ডেস্কটপ অ্যাপ সাধারণত কর্মক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। তাই ব্যবহারকারীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়। কিন্তু মোবাইল অ্যাপের ক্ষেত্রে কে ব্যবহার করবে তা আগে থেকে বলা অসম্ভব। তাই মোবাইল অ্যাপ হতে হবে নিখুঁত।

প্রকাশপর্ব
পরিকল্পনা হলো, উন্নয়ন হলো, এবার যাদের জন্য তৈরি সেই ব্যবহারকারীদের হাতে অ্যাপ তুলে দিতে হবে। যে অপারেটিং সিস্টেমের জন্য অ্যাপ বানানো হয়েছে সে প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে উইন্ডোজ স্টোর, গুগল প্লেস্টোরে অ্যাপ উন্মুক্ত করতে খরচ পড়বে যথাক্রমে ১৯ ও ২৫ ডলার। অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরের ক্ষেত্রে প্রতিবছর ৯৯ ডলার ফি দিতে হবে। এ ছাড়া রয়েছে থার্ড পার্টি প্ল্যাটফর্ম। অ্যামাজন এমনই এক থার্ড পার্টি প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশে আছে ইএটিএল। থার্ড পার্টি প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করলে অ্যাপ সহজে ব্যবহারকারীর চোখে পড়ে।

রক্ষণাবেক্ষণ ও হালনাগাদ
অ্যাপ ব্যবহারে কোনো সমস্যা থাকলে তা নিয়মিত সমাধান করতে হবে। ব্যবহারকারীরা পর্যালোচনা, মন্তব্য কী দিচ্ছে তা দেখতে হবে। একই সঙ্গে আপনার অ্যাপে কোনো ত্রুটি বা বাগ আছে কি না, সে ব্যাপারে পরিষ্কার হতে হবে এবং নিয়মিত অ্যাপের হালনাগাদ প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি আপনার অ্যাপের জন্য প্রচারণাও চালাতে হবে।

বাঘ কিংবা সিংহ নয় সবচেয়ে বিপদজনক প্রানি হচ্ছে মশা...watch it..https://www.youtube.com/watch?v=AI3pORAXU4g
11/06/2016

বাঘ কিংবা সিংহ নয় সবচেয়ে বিপদজনক প্রানি হচ্ছে মশা...watch it..
https://www.youtube.com/watch?v=AI3pORAXU4g

The animal kingdom is home to some of the cutest creatures on the planet, but also some of the most deadly! Join http://www.WatchMojo.com as we count down ou...

28/05/2016

উইন্ডোজ ৭ যদি টেস্ট মোডে চলে তাহলে কি করবেন ?

শল্ভঃ
উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেমে চলা কম্পিউটারের পর্দার নিচের ডান কোনায় অনেক সময় Test Mode Windows 7 Build 7601 বা Build 7600 লেখা জলছাপ দেখা যায়। উইন্ডোজ ৭ যদি টেস্ট মোডে থাকে, তবে এমন বার্তা দেখায়। কম্পিউটারে চলা অ্যাপলিকেশন বা ড্রাইভারগুলো যদি Digitally Signed by Microsoft না হয়, তবে এমনটা হয়। মাইক্রোসফটের ফিক্স ইট টুল দিয়ে ঠিক করা গেলেও আপনি চাইলে আরও সহজে কমান্ড প্রম্পট ব্যবহার করে এটি ঠিক করতে পারেন।
যা করতে হবে: প্রথমে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর রাইটস দিয়ে উইন্ডোজ ৭-এর কমান্ড প্রম্পট খুলতে হবে। এ জন্য স্টার্ট মেনুতে গিয়ে CMD লিখুন। কমান্ড প্রম্পটে মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করে Run as administrator নির্বাচন করুন। অথবা কমান্ড প্রম্পট নির্বাচিত অবস্থায় কি-বোর্ডের Ctrl+Shift+Enter একসঙ্গে চাপুন। User account control থেকে অনুমতি চেয়ে একটি বার্তা আসবে। OK করুন। কমান্ড উইন্ডোতে ‘bcdedit/set TESTSIGNING OFF’ লিখে এন্টার বোতাম করুন। কমান্ড লেখায় একটুও এদিক-সেদিক হওয়া চলবে না। প্রথম কমান্ডটি সম্পন্ন হলে কমান্ড উইন্ডোতে আবার ‘shutdown-r’ লিখে এন্টার চাপলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করার অনুরোধ দেখাবে। কম্পিউটার চালু হওয়ার পর থেকে ডেস্কটপ আর আগের মতো জলছাপ দেওয়া বার্তা দেখাবে না।

BEST TECHNOLOGY
17/04/2016

BEST TECHNOLOGY

This video highlights the new tech that is unfolding for 2015 and will blow your mind. Prepare to be amazed!

17/04/2016

ফিরিয়ে নিন ভুল করে পাঠানো ই-মেইল....

Send বাটনে চাপ দিতেই মনে পড়ে গেল ই-মেইলে যে ফাইলটি যুক্ত (অ্যাটাচড) করার কথা তা আদতে করা হয়নি। কিংবা বন্ধুর জন্য লেখা ই-মেইলে ভুল করে বসের ঠিকানা জুড়ে দিয়েছেন। ই-মেইল তো অনেকটা মুখের কথার মতোই—একবার বেরিয়ে গেল তো ফেরত নেওয়ার আর সুযোগ নেই। তবে ই-মেইল সেবাদাতাটি যদি জিমেইল হয়, তাহলে পাঠানো বার্তাটি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য অন্তত কিছুটা হলেও সময় পাবেন। ‘Undo Send’ নামের সুবিধার মাধ্যমে ভুল করে পাঠানো ই-মেইল তাৎক্ষণিকভাবে মুছে ফেলা বা থামিয়ে দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। জিমেইল ল্যাবসে বছর ছয়েক আগে সুবিধাটি যোগ করা হলেও তা ছিল পরীক্ষামূলক। সে সময় এই সুবিধা নিজের জন্য যোগ করে থাকলে অবশ্য নতুন করে কিছু আর করতে হবে না। যদি নতুন করে যোগ করতে চান, তবে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

জিমেইলে ঢুকুন (লগ-ইন)।
পর্দার ওপরের দিকে ডান কোনায় গিয়ার আইকনে ক্লিক করুন।
Settings নির্বাচন করুন।
General ট্যাবের নিচে Undo Send অংশে যান।
Enable Undo Send-এ ক্লিক করুন।
পাশের তালিকা থেকে ৫, ১০, ২০ বা ৩০ সেকেন্ড সময় নির্বাচন করে দিন।
পর্দার নিচে Save Changes বোতামে ক্লিক করে নতুন সেটিংস সংরক্ষণ করুন।

এরপর প্রতিবার কোনো ই-মেইল পাঠানোর পরে ‘Your message has been sent’ লেখার পাশে Undo বোতাম দেখতে পাবেন।
সূত্র: পিসি ম্যাগ

Address

Info@timesflow. Com
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when timesflow.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to timesflow.com:

Share