জান্নাতে প্রবেশ ও জাহান্নাম হতে মুক্তির পথ।।

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • জান্নাতে প্রবেশ ও জাহান্নাম হতে মুক্তির পথ।।

জান্নাতে প্রবেশ ও জাহান্নাম হতে মুক্তির পথ।। জান্নাতে প্রবেশ ও জাহান্নাম হতে মুক্?

08/05/2026

টাকা দিয়ে সম্মান কেনা যায় না যদি সেই টাকা হয় দুর্নীতির ❗ জান্নাতে প্রবেশ ও জাহান্নাম হতে মুক্তির পথ।। #জান্নাতে_প্রবেশ_ও_জাহান্নাম_হতে_মুক্তির_পথ

শূরা (شورى)ইসলামে শূরা (شورى) কী?ইসলামে শূরা মানে হলো—👉 পরামর্শভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ পদ্ধতি।রাষ্ট্র, সমাজ বা সামষ্টিক ...
31/01/2026

শূরা (شورى)

ইসলামে শূরা (شورى) কী?

ইসলামে শূরা মানে হলো—
👉 পরামর্শভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ পদ্ধতি।
রাষ্ট্র, সমাজ বা সামষ্টিক বিষয়ে এককভাবে সিদ্ধান্ত না নিয়ে যোগ্য ও অভিজ্ঞ লোকদের সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেওয়াকেই শূরা বলা হয়।



শূরা শব্দের অর্থ
• আরবি: شورى (Shūrā)
• শাব্দিক অর্থ: পরামর্শ করা, মতামত গ্রহণ করা



কুরআনে শূরা

📖 সূরা আশ-শূরা, আয়াত ৩৮

“তারা তাদের কাজকর্ম পরস্পরের পরামর্শের মাধ্যমে সম্পন্ন করে।”
(وَأَمْرُهُمْ شُورَىٰ بَيْنَهُمْ)

📖 সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৫৯

“তুমি তাদের সাথে পরামর্শ করো কাজে-কর্মে।”

➡️ অর্থাৎ, নবী ﷺ-কে পর্যন্ত পরামর্শ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—এতে শূরার গুরুত্ব বোঝা যায়।



হাদিসে শূরা

নবী ﷺ গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও সামরিক বিষয়ে সাহাবাদের সাথে নিয়মিত পরামর্শ করতেন—
• বদর যুদ্ধ
• উহুদ যুদ্ধ
• খন্দক যুদ্ধ

➡️ অনেক ক্ষেত্রে নবী ﷺ নিজের মতের বিপরীত হলেও অধিকাংশের মত গ্রহণ করেছেন।



ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় শূরা

শূরা হলো:
• স্বৈরতন্ত্র নয়
• একনায়কতন্ত্র নয়
• আবার আধুনিক পশ্চিমা গণতন্ত্রও নয়

বরং—
✔ কুরআন–সুন্নাহর সীমার ভেতরে
✔ যোগ্য, ন্যায়পরায়ণ লোকদের পরামর্শ
✔ ন্যায়বিচারভিত্তিক সিদ্ধান্ত



খলিফাদের আমলে শূরা
• আবু বকর (রা.) শূরার মাধ্যমে খলিফা হন
• উমর (রা.) শূরা পরিষদ গঠন করেন
• উসমান (রা.) ৬ জনের শূরা পরিষদের মাধ্যমে নির্বাচিত
• আলি (রা.) জনসমর্থনের ভিত্তিতে দায়িত্ব নেন।

পোষ্ট: আল কোরআন ও আল হাদিস এর বাণী।।

দুনিয়া !!!
08/10/2025

দুনিয়া !!!

"বর্তমানে একটি ট্রেন্ড চালু হয়েছে, মানুষ স্পষ্ট হা*রা*ম কাজে জড়িয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করে ও সাহায্য কামনা ক...
20/09/2025

"বর্তমানে একটি ট্রেন্ড চালু হয়েছে, মানুষ স্পষ্ট হা*রা*ম কাজে জড়িয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করে ও সাহায্য কামনা করে! "
"নাউযূবিল্লাহ্"

যেমন:

০১. ফেসবুক, ইস্টাগ্রামে মেয়েরা নিজেদের হিজাব ওয়ালা/হিজাব বিহীন ছবি দিয়ে সাথে কুরআনের আয়াতও পোস্ট করে...আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট/ তিনি তাকওয়াপূর্ণ ব্যক্তিদের পছন্দ করেন।
"নাউযূবিল্লাহ্"

০২. মাশাআল্লাহ আন্টি আপনার মেয়ে তো দারুন নাচতে পারে।
"নাউযূবিল্লাহ্"

০৩. হ্যা "আলহামদুলিল্লাহ" স্কুলের ড্যান্স প্রতিযোগিতায় সে প্রথম হয়েছে।
"নাউযূবিল্লাহ্"

০৪. এক ছেলে কলিগের স্ত্রীকে ইঙ্গিত করে ভাবি,
আর বইলেন না আপনি যা সুন্দর "মাশাআল্লাহ।
"নাউযূবিল্লাহ্"

০৫. ইনশাআল্লাহ এবার যদি আর্জেন্টিনা ওয়ার্ল্ড কাপ জিতে, তাহলে আমি নামায শুরু করবো।
"নাউযূবিল্লাহ্"

০৬. মাশাআল্লাহ আপনার ছেলের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান দারুন হয়েছিলো। যা ড্যান্স করেছি জোয়ান বুড়ো সবাই। হ্যাঁ "দোআ" করবেন দ্বিতীয় ছেলেটার বিয়েও যেনো এমনভাবে পালন করতে পারি।
"নাউযূবিল্লাহ্"

০৭. ছেলে মেয়ে মিক্স ফ্রেন্ড সার্কেল কে উদ্দেশ্য করে, আলহামদুলিল্লাহ আমরা ফ্রেন্ডসরা খুব হেল্পফুল।
"নাউযূবিল্লাহ্"

০৮. মাশাআল্লাহ তোমাকে তো এমনেই সুন্দর দেখায়, দাড়ি রাখবে কেনো।
"নাউযূবিল্লাহ্"

৯. মাশাআল্লাহ আমার মেয়ে এতটাই সুন্দরী যে, সব মানুষ ওর দিকে তাকিয়ে থাকে।
"নাউযূবিল্লাহ্"

১০. আমাদের রিলেশনের ৬ বছর কেটে গেলো আলহামদুলিল্লাহ। দোআ করবেন যেনো আমরা বফ/গফ এভাবেই সবসময় পাশে থাকি।
"নাউযূবিল্লাহ্"

১১. এক আঙ্কেল এসে বললো, শুনছো অমুক ভাইয়ের ছেলের তো আল্লাহর রহমতে খ্রিষ্টান মিশনারিতে চাকরি হয়ে গেছে। গাড়ি এসে তাকে নিয়ে যায়।
"নাউযূবিল্লাহ্"

দা*জ্জা*লের একপাশে থাকবে জান্নাত আরেকপাশে থাকবে জা*হা*ন্নাম। আমরা দা*জ্জা*লের জান্নাতকেই আল্লাহর নিয়ামত মনে করছি।
এখনি আমাদের এই অবস্থা, না জানি দা*জ্জা*লের আগমনে কি হবে আমাদের।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন, আল্লাহুম্মা আ-মীন 🤲
এছাড়াও রয়েছে জন্ম মৃত্যু দিবস এই দিবস সেই দিবস

আল্লাহ আমাকে এইসব জাহিলিয়াত থেকে রক্ষা করো এবং সকলকেও রক্ষা করো

゚ ゚viral

আশেক জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত কিনা।আপনার সাথে কি কি মিলে দেখে নিন।আশিক বা লাভার জ্বিন হচ্ছে সেই সমস্ত জ্বিন যারা পুরুষ ও না...
18/08/2025

আশেক জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত কিনা।
আপনার সাথে কি কি মিলে দেখে নিন।
আশিক বা লাভার জ্বিন হচ্ছে সেই সমস্ত জ্বিন যারা পুরুষ ও নারীদের শারীরিক বা মানসিক কিংবা উভয় ভাবে পছন্দ করে নিজের যিনার চাহিদা পূরনের জন্য নারী/পুরুষদের শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করে ও কষ্ট দেয়। আরো সহজে বললে রোগীর শরীরে অবস্থান করে জ্বিন নিজে ব্যভিচার তথা যিনায় লিপ্ত হয় এবং ব্যক্তিকে যিনায় লিপ্ত হতে বাধ্য করে।
আপনি যেভাবে বুঝবেন, আপনি আশিক জিন দ্বারা আক্রান্ত কিনা
=============================================================================
১. স্বপ্নদোষের সময় অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হওয়া। অনেক সময় যাদুর প্রভাবেও অতিরিক্ত সপ্নদোষ হয়। নারী পুরুষ উভয়ের হয়।
২. জেগে থাকা অবস্থায় ব্যক্তি শুয়ে থাকে কিন্তু কিছুক্ষণের জন্য শরীর অবশ হয়ে যায় বিশেষ করে হাত ও পা। আর জ্বীন যখন তার সংগে ব্যভিচারে করে সেটা ব্যক্তি কখনো কখনো বুঝতে পারে কিন্তু কাউকে ডাক দেওয়া বা কিছু করার উপায় থাকেনা। তবে সব সময় যে বুঝা যাবে সেটাও না। তবে কিছু না কিছু সূত্র থাকবে।
৩. জাগ্রত অবস্থায় জ্বীন জেনা করতে পারে এবং এই সময় জ্বীনকে রোগি দেখতেও পারে, নাও দেখতে পারে। তবে অনুভব হয়। ব্যাপারটা অনেকটা হেলুসিনেশন এর মত হতে পারে।
৪. কোন জ্বীন যদি কোন মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার উদ্দ্যেশেই পজেস করে তাহলে নারীর শরীরে বিভিন্ন জায়গায় দাগ থাকে,এই দাগ মাঝে মাঝেই মেয়ের শরীরে দেখা যায়,শারীরিক সম্পর্ক না হলেও এরকম দাগ দেখা যাবে,লাল দাগ, খামচি বা কামড়ের দাগ, বিশেষ করে গলা, পিঠে, ঘাড়ে এবং লজ্জা স্থানসমূহ এবং লজ্জাস্থান ব্যথা, ফুলে যাওয়া , অসময়ে পিরিয়ড হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
৫. কোন জ্বীন যদি কোন পুরুষ বা নারীকে পছন্দ করে তখন ওই জ্বীন সবসময় ভিকটিমের আশেপাশে থাকে, যখন ঘুমায় তখন আসে, ঘুমের মধ্যেই শারীরিক সম্পর্ক করে, ভিকটিম তখন বাস্তবতা অনুভব করতে পারে কিন্তু কাউকে দেখে না ও বলার মতো অনুভূতি শক্তি থাকেনা।
৬. আশিক জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত হলে সেই সকল নরনারীর দের স্মৃতি শক্তি কমে যায়।
৭. খাওয়ার অনিহা সৃষ্টি হয়।
৮. মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় ও অল্পেই খুব রেগে যায়।
৯. আত্মকেন্দ্রিক ঘরকুনো হয়ে যায়। এরা আস্তে আস্তে খুব অলস প্রকৃতির মানুষ হয়ে যায়।
১০. পড়াশোনার প্রতি, ইবাদাতের প্রতি, পরিবারে প্রতি অমনোযোগী হয়ে যায়। আল্লাহ তা'য়ালার জিকির ও কুরআন তিলাওয়াতের প্রতি তাদের মনে প্রখর অনিহা থাকে।
১১. অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্নতা পছন্দ করে। এধরনের ব্যক্তিরা ঘুমাতে খুব পছন্দ করে, কারন সে যখনই ঘুমায় জিন তার খারাপ উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত করার সুযোগ পায়।
১২. পুরুষ জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত মেয়েরা সাধারণত পুরুষদের পছন্দ করেনা, তবে মহিলা জিন (পেত্নী) দ্বারা আক্রান্ত ছেলেরা মেয়েদের প্রতি আকর্যণ বেরে যায়
১৩. একাকী থাকতে পছন্দ করে ও অগোছালো থাকতে বেশি পছন্দ করে।
১৪. বিবাহিত মেয়েরা স্বামী থেকে দুরে থাকতে পছন্দ করে কোন কারন ছাড়াই। পুরুষ হলে নারী আসক্তি বেড়ে যায় কিন্তু নারীদের এড়িয়ে চলে অথবা নারীদের প্রতি আসক্তি বেড়ে যায় কিন্তু নারীদের এড়িয়ে চলে না।
১৫. জাগ্রত অবস্থায় ( হস্তমৈথুনের মাধ্যমে) নারী, পুরুষ উভয়ই একি রকম, এসময় জ্বীন রোগির হাত,মস্তিষ্ক পজেস করে ইন্দ্রিয়তৃপ্তি লাভ করে, এটা তখনই বোঝা যাবে যখন কেউ আগে থেকেই গুপ্ত অভ্যাসে লিপ্ত ছিলকিন্তু তা অল্প পরিমানে,হঠাৎ করে যদি মাত্রাতিরিক্ত ভাবে যৌন চাহিদা বেড়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে আশিক জ্বীনের কাজ এটা। তবে বশীকরণ বা আসক্তকারি বা অনুগত যাদুর লক্ষন হচ্ছে, স্ত্রী বা স্বামীর সংগে সহবাসের ঘন ঘন ইচ্ছা জাগা, কিন্তু যারা অবিবাহিত তারা যদি আশিক জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত হয় তাহলে তাদের যৌন উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয় আশিক জ্বীন, ফলে যুবক যুবতীরা হারামে লিপ্ত হয়।
১৬. জ্বীন মানুষের সঙ্গে মিলনের সময় যৌনাঙ্গে গরম বাতাসের মত অনুভূত হয়, জ্বীনরা সঙ্গম করে,তাই এই সঙ্গমের পরে মেয়েরা দুর্বল হয়ে যায় খুব, ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায়, শরীরে অনেক ব্যথা অনুভব করে, এসব লক্ষণ নারী পুরুষ সকলের অনুভব হয়।
১৭. অবিবাহিত মেয়ের সাথে জ্বীন শারীরিক সম্পর্ক করলে সেই মেয়ে বিয়ের ক্ষেত্রে শুধু অনিহা প্রকাশ করে,আর বিবাহিত মেয়ের সাথে এরকম কিছু হলে সেই মেয়ে স্বামীর সাথে মিলনের আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। আর পুরুষের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার ঘটে।
১৮. সমকামিতা, পেডোফাইল, মাত্রা অতিরিক্ত পর্নো আসক্তি আশিক জ্বিনের অন্যতম লক্ষণ
১৯. আশিক জিনে আক্রান্ত ব্যক্তি মাঝেমধ্যে সারাক্ষণই sexual ব্যাপার গুলো কল্পনা করতে থাকে। আরা একারনেই তারা Ma********on এর প্রতি অতি উৎসাহিত হয়ে পরে।
যদি আপনার সাথে এই লক্ষণগুলো মিলে যায় তাহলে কুফুরী শিরকি তাবিজ তদবির বাদ দিয়ে আপনি রুকিয়া করান, ইনশাআল্লাহ সব ঠিক হয়ে|



আপনার মনে হতে পারে, তেলাপোকার কী দরকার ছিল? এরকম একটা কুৎসিত প্রাণী না বানালে হতো না?প্রফেসর শ্রীনি, ইউনিভার্সিটি অফ টেক...
07/08/2025

আপনার মনে হতে পারে, তেলাপোকার কী দরকার ছিল? এরকম একটা কুৎসিত প্রাণী না বানালে হতো না?

প্রফেসর শ্রীনি, ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের বায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান, একজন বিশ্বখ্যাত তেলাপোকা বিশেষজ্ঞ (হ্যাঁ, এধরনের বিশেষজ্ঞও আছে পৃথিবীতে), তিনি বের করেছেন যে, বেশিরভাগ তেলাপোকা পচন ধরা জিনিসপত্র খায়, যা নাইট্রোজেন আটকিয়ে রাখে।

যদি তেলাপোকা এগুলো না খেয়ে তাদের মলের সাথে মাটিতে নাইট্রোজেন ছেড়ে না দিত, তাহলে পৃথিবীর নাইট্রোজেন চক্রে বিপুল পরিমাণ নাইট্রোজেনের প্রবাহ ব্যাহত হতো, যা বনের গাছপালার জন্য বিরাট ক্ষতির কারণ হতো।

তেলাপোকা আছে দেখেই আজকে বন-জঙ্গলে এত গাছপালা বেঁচে আছে, আমরা বুক ভরে শ্বাস নিতে পারছি। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য যেমন অক্সিজেন দরকার, সেরকম নাইট্রোজেনও দরকার, কারণ নাইট্রোজেন প্রোটিন তৈরির জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।

প্রোটিন না হলে কোনো প্রাণ বেঁচে থাকতে পারবে না। শুধু তাই না, তেলাপোকা এমন কিছু নেই যা খায় না — আঠা, চর্বি, সাবান, চামড়া, চুল ইত্যাদি।

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ২০০ মিলিয়ন বছর আগে থেকে, সেই ডাইনোসরদের আমল থেকে, তেলাপোকার মতো একটি অত্যন্ত টেকসই প্রাণী দিয়ে রেখেছেন, প্রতিদিন প্রকৃতি থেকে বিপুল পরিমাণে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করার জন্য, প্রকৃতিতে প্রাণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় নাইট্রোজেন চক্র ঠিক রাখার জন্য, গাছপালা টিকে থাকার জন্য।

“আসমান-জমিন এবং এ দুইটির মাঝে যা কিছু আছে সে সব আমি তামাশা করে সৃষ্টি করিনি।”

[সূরাহ আম্বিয়া, আয়াত : ১৬]

"নিশ্চয়ই আল্লাহ মাছি কিংবা তার চেয়েও ছোট কিছুর উপমা দিতে লজ্জা করেন না। সুতরাং যারা ঈমান এনেছে তারা জানে, নিশ্চয় তা তাদের রবের পক্ষ থেকে সত্য। আর যারা কুফরী করেছে তারা বলে, আল্লাহ এর মাধ্যমে উপমা দিয়ে কী চেয়েছেন? তিনি এ দিয়ে অনেককে পথভ্রষ্ট করেন এবং এ দিয়ে অনেককে হিদায়াত দেন। আর এর মাধ্যমে কেবল ফাসিকদেরকেই পথভ্রষ্ট করেন।"

[সূরাহ আল বাকারাহ, আয়াত : ২৬]

[ ডা. সাঈদ ]

পোস্ট - সংগৃহীত

06/08/2025

একটা সত্যি কথা কি জানেন?আমাদের মধ্যে না আছে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা, না আছে ভয়।এমন একজনের কথা একটু আগে বাসায় বলছিলাম, যে কিনা আমাদের সময়েরই একটা ছেলে।এই ছেলে ইশার পরপরই ঘুমায়ে যায়, কারণ এটা রাসূলুল্লাহর (সা) সুন্নাহ। আর রাসূলুল্লাহর (সা) সুন্নাহই তার কাছে গাইডেন্স। আর গাইডেন্স ফলো করলেই সে সফল। নইলে তো সে মিসগাইডেড, ব্যর্থ!এই ছেলে প্রতি রাতে ঘুম থেকে সাড়ে বারোটায় উঠে যায়। ভোর পাঁচটা পর্যন্ত সে চুপিচুপি টানা সলাত করে। কিয়াম করে। কেন?কারণ, সে আল্লাহর প্রতি সত্যিই কৃতজ্ঞ।সে নিজের ভুল আর জাহান্নাম নিয়ে সত্যিই ভীত।এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে আর আশ্রয় চাইতে চাইতে সে দুই পা ফুলায়ে ফেলে। প্রতিদিন। একটা ট্যুরে ত্রিশদিনের একদিনও তার এই রুটিন মিস হয় নাই। তীব্র মশার প্রকোপেও আল্লাহর প্রতি ভালবাসা তাকে সুন্নাহর অনুসরণ থেকে থামাইতে পারে নাই। কোন পরিস্থিতি আর অজুহাতই তাকে আল্লাহর সাথে কথোপকথনের মিষ্টতা মিস করার দুঃসাহস দেয় নাই।মনিব নিজে নেমে আসবেন, কথা শুনতে চাইবেন, মাফ করতে চাইবেন, আর এই কথার উপরে ঈমান থাকলে দাস হয়ে সে ঘুমাবে, তা কী হয়? হয় না।এই ছেলেটা তাওহীদ "বুঝেছে"। আল্লাহকে চিনেছে। সফলতা দেখেছে।আর আমরা?আমরা বয়ান দিয়ে, বয়ান শুনেই বিন্দাস!ঠিক না?আল্লাহর জন্য বাঁচা! এতো সস্তা?~মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর।

একটা সত্যি কথা কি জানেন?আমাদের মধ্যে না আছে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা, না আছে ভয়।এমন একজনের কথা একটু আগে বাসায় বলছিলাম, যে ...
06/08/2025

একটা সত্যি কথা কি জানেন?
আমাদের মধ্যে না আছে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা, না আছে ভয়।

এমন একজনের কথা একটু আগে বাসায় বলছিলাম, যে কিনা আমাদের সময়েরই একটা ছেলে।

এই ছেলে ইশার পরপরই ঘুমায়ে যায়, কারণ এটা রাসূলুল্লাহর (সা) সুন্নাহ। আর রাসূলুল্লাহর (সা) সুন্নাহই তার কাছে গাইডেন্স। আর গাইডেন্স ফলো করলেই সে সফল। নইলে তো সে মিসগাইডেড, ব্যর্থ!

এই ছেলে প্রতি রাতে ঘুম থেকে সাড়ে বারোটায় উঠে যায়। ভোর পাঁচটা পর্যন্ত সে চুপিচুপি টানা সলাত করে। কিয়াম করে।
কেন?

কারণ, সে আল্লাহর প্রতি সত্যিই কৃতজ্ঞ।
সে নিজের ভুল আর জাহান্নাম নিয়ে সত্যিই ভীত।
এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে আর আশ্রয় চাইতে চাইতে সে দুই পা ফুলায়ে ফেলে।
প্রতিদিন।

একটা ট্যুরে ত্রিশদিনের একদিনও তার এই রুটিন মিস হয় নাই। তীব্র মশার প্রকোপেও আল্লাহর প্রতি ভালবাসা তাকে সুন্নাহর অনুসরণ থেকে থামাইতে পারে নাই। কোন পরিস্থিতি আর অজুহাতই তাকে আল্লাহর সাথে কথোপকথনের মিষ্টতা মিস করার দুঃসাহস দেয় নাই।

মনিব নিজে নেমে আসবেন, কথা শুনতে চাইবেন, মাফ করতে চাইবেন, আর এই কথার উপরে ঈমান থাকলে দাস হয়ে সে ঘুমাবে, তা কী হয়?
হয় না।

এই ছেলেটা তাওহীদ "বুঝেছে"।
আল্লাহকে চিনেছে।
সফলতা দেখেছে।

আর আমরা?
আমরা বয়ান দিয়ে, বয়ান শুনেই বিন্দাস!
ঠিক না?

আল্লাহর জন্য বাঁচা!
এতো সস্তা?

~মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর।

আত্মশুদ্ধির পথ ও মুর্শিদের সোহবতের অপরিহার্যতা(কুরআন, হাদীস ও আউলিয়াগণের বাণীর আলোকে)১. কুরআনে বলা হয়েছে: “হে মুমিনগণ! ত...
27/07/2025

আত্মশুদ্ধির পথ ও মুর্শিদের সোহবতের অপরিহার্যতা
(কুরআন, হাদীস ও আউলিয়াগণের বাণীর আলোকে)

১. কুরআনে বলা হয়েছে: “হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদীদের সঙ্গে থাকো।”
সূরা তাওবা, আয়াত ১১৯

২. রাসূল (সা.) আত্মশুদ্ধির জন্য সোহবতকেই মাধ্যম বানিয়েছেন।
“তিনি (আল্লাহ) একজন রাসূল পাঠিয়েছেন... যিনি তাঁদের কিতাব শিক্ষা দেন, আত্মশুদ্ধি করেন।”
সূরা জুমু’আ, আয়াত ২

৩. ইমাম গাযালী (রহ.) বলেছেন, আত্মশুদ্ধির পথে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো — একজন আল্লাহওয়ালা মুর্শিদের সোহবত গ্রহণ করা।
ইহয়াউ উলুমিদ্দীন, খণ্ড ৩, ‘রিয়াযতুন নফস’ অধ্যায়

৪. মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.) বলেছেন, হাজার কিতাব পড়ে যা সম্ভব নয়, তা একটি সৎ সোহবতেই সম্ভব।
তালীমুদ্দীন, রুহানি মাজলিস, ২য় খণ্ড

৫. যদি মুর্শিদের সোহবত না থাকে, মানুষ নিজের ভুলকেই ঠিক মনে করে, আত্মা শুকিয়ে যায়, গুনাহ মিষ্টি লাগে, আল্লাহর কথা ভারী লাগে।
“তোমরা তাদের অনুসরণ করো না, যাঁরা নিজেদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করে।”
সূরা জাসিয়া, আয়াত ১৮

৬. ইমাম শাতিবী (রহ.) বলেছেন, যে নিজের নফসকে গাইড ছাড়া চালায়, তার গাইড হয়ে যায় শয়তান।
আল-ই’তিসাম, খণ্ড ১

৭. ওলি আল্লাহর সোহবতে আত্মা শুদ্ধ হয়, গুনাহের আগুন নিভে যায়, আত্মা প্রশান্ত হয়, কান্না ফিরে আসে।
“নিশ্চয়ই আল্লাহর স্মরণেই অন্তর প্রশান্ত হয়।”
সূরা রা'দ, আয়াত ২৮

৮. সাহাবিরা নবীজির সোহবতের মাধ্যমেই আত্মিকভাবে পরিপূর্ণ মানুষ হয়েছিলেন।
“তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহর মাঝে রয়েছে উত্তম আদর্শ।”
সূরা আহযাব, আয়াত ২১

৯. আত্মা আয়নার মতো, যা শুধুই সৎ সঙ্গ দ্বারা পরিষ্কার হয়।
“সৎ লোকের সঙ্গ তোকে সৎ বানাবে, আর অসৎ তোকে বিপথগামী বানাবে।”
আবু দাউদ, হাদীস ৪৮৩৩

১০. যেমন চিকিৎসক ছাড়া রোগের চিকিৎসা হয় না, তেমনি আত্মার চিকিৎসক ছাড়া আত্মা শুদ্ধ হয় না।
“আল্লাহ সেই রোগ দেন না, যার জন্য তিনি ওষুধ রাখেননি।”
সহীহ বুখারী, হাদীস ৫৬৭৮

১১. পরিপূর্ণ আত্মশুদ্ধি ও শান্তি পেতে হলে, একজন আল্লাহওয়ালা মুর্শিদের সোহবত নেওয়া আবশ্যক।
“আল্লাহর পথে দাওয়াত দেয় এমন ব্যক্তির সঙ্গে থেকো, যার আচার-আচরণ সৎ।”
সূরা লুকমান, আয়াত ২২

১২. এই সোহবতই আত্মার দরজা খুলে দেয়, চোখের অশ্রু ফিরিয়ে আনে, আল্লাহর প্রেমে ভাসিয়ে দেয়।
“আল্লাহ তাদের অন্তরে ঈমান লিখে দেন এবং তাঁদেরকে নিজ পক্ষ থেকে রুহানিয়াত দান করেন।”
সূরা মুজাদালাহ, আয়াত ২২

সন্তানকে যে কোনো দুর্ঘটনা ও বিপদ থেকে রক্ষা করার ৩টি  আমল,জেনে রাখুন প্রতিটা বাবা,মা🙏সন্তানের জন্য প্রতিদিন মাত্র কয়েক ম...
23/07/2025

সন্তানকে যে কোনো দুর্ঘটনা ও বিপদ থেকে রক্ষা করার ৩টি আমল,জেনে রাখুন প্রতিটা বাবা,মা🙏

সন্তানের জন্য প্রতিদিন মাত্র কয়েক মিনিট সময় বের করে নিচের ৩টি কুরআনিক আমল করুন। ইনশাআল্লাহ, আপনার সন্তান থাকবেন আল্লাহর রক্ষণাবেক্ষণে।

---
★১. সূরা ফালাক ও সূরা নাস – ‘দুই রক্ষাকবচ’

রাসূল ﷺ নিজ হাতে হাসান ও হুসাইন রা.-কে এই দুই সূরা পড়ে ফুঁ দিয়ে হেফাজতের দোয়া করতেন।

➡️ নিয়ম:

সকালে ও সন্ধ্যায় ৩ বার করে সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে সন্তানের উপর ফুঁ দিন।

না থাকলে দূর থেকেও পড়ে তাঁর জন্য নিয়ত করুন।

★২. আয়াতুল কুরসি – ২৪ ঘণ্টার পাহারা

হাদীসে আছে, কেউ আয়াতুল কুরসি পড়লে আল্লাহ তার জন্য একজন ফিরিশতা পাহারায় নিযুক্ত করেন।

➡️ নিয়ম:

সন্তান ঘর থেকে বের হওয়ার আগে আয়াতুল কুরসি পড়ে মাথায় হাত রেখে ফুঁ দিন।

ঘুমানোর সময়ও এই আয়াত পড়ে দিন।

★৩. ৬ দিক থেকে হেফাজতের দোয়া

এই দোয়াটি সন্তানের চারপাশের অজানা সব বিপদ থেকে হেফাজতের জন্য অনেক উলামা নিয়মিত পড়ার পরামর্শ দেন।

📖 দোয়া:
اللَّهُمَّ احْفَظْهُ مِنْ بَيْنِ يَدَيْهِ، وَمِنْ خَلْفِهِ، وَعَنْ يَمِينِهِ، وَعَنْ شِمَالِهِ، وَمِنْ فَوْقِهِ، وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ يُغْتَالَ مِنْ تَحْتِهِ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইহফাযহু মিম্বাইনি ইয়াদাইহি, ওয়া মিন খলফিহি, ওয়া আন ইয়ামিনিহি, ওয়া আন শিমালিহি, ওয়া মিন ফাওকিহি, ওয়া আ’উযু বি‘আজমাতিকা আন ইউঘতাালা মিন তাহতিহি।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার সন্তানকে সামনের, পেছনের, ডান, বাঁ, উপর ও নিচ থেকে সব বিপদ থেকে হেফাজত করুন।

➡️ নিয়ম:

সকালে বা রাতে সন্তানের জন্য এই দোয়াটি অন্তত একবার হলেও পড়ুন।
-সংগৃহীত।
#বাবা_মা_সন্তান #দোয়া

Address

৩২ ধানমণ্ডি
Dhaka
ঢাকা।

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জান্নাতে প্রবেশ ও জাহান্নাম হতে মুক্তির পথ।। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share