Muhammad Shop Point

Muhammad Shop Point Muhammad Shop Point — আপনার প্রযুক্তিময় জীবনযাত্রার বিশ্বস্ত ঠিকানা।

Muhammad Shop Point 🛍️
স্মার্ট জীবনযাত্রায় আপনার নিত্যদিনের গ্যাজেট পার্টনার! 📱⚡
⌚ স্মার্টওয়াচ | 🎧 TWS ইয়ারফোন | 🔋 পাওয়ার ব্যাংক | 📹 ভ্লগিং গিয়ার ও স্মার্ট হোম প্রোডাক্টস।
🚚 সারা বাংলাদেশে দ্রুত ক্যাশ অন ডেলিভারি!
📩 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন। Muhammad Shop Point-এ আপনাকে স্বাগতম!
আধুনিক জীবনের গতি বাড়াতে এবং প্রযুক্তিকে আপনার সহজলভ্য করতে আমরা নিয়ে এসেছি সেরা মানের গ্যাজেট ও ইলেকট্রনিক অ্যাকসেসরিজের বিশ্বস্ত কালেকশন।
আমাদের কালেকশনে রয়েছে:
� মোবাইল ও লাইফস্টাইল অ্যাকসেসরিজ: প্রিমিয়াম স্মার্টওয়াচ, উন্নত সাউন্ডের TWS/ইয়ারফোন, পাওয়ার ব্যাংক ও ক্যাবল।
� কন্টেন্ট ক্রিয়েটর গিয়ার: ভ্লগিং সেটআপ, রিং লাইট ও প্রয়োজনীয় মেকিং টুলস।
� স্মার্ট হোম ও ডেইলি গ্যাজেটস: নিত্যদিনের গৃহস্থালি কাজ সহজ করার মতো মিনিমালিস্ট ও আধুনিক প্রযুক্তি।
কেন আমাদের বেছে নেবেন?
� ১০০% প্রিমিয়াম ও কোয়ালিটি চেকড প্রোডাক্ট
� সাশ্রয়ী মূল্য ও বিশ্বস্ত সেবা
� দ্রুততম সময়ে সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি
আপনার পছন্দসই গ্যাজেটটি বেছে নিতে আজই পেজে মেসেজ দিন অথবা আমাদের শপে ভিজিট করুন!

সূর্যোদয়ের প্রকৃতি শুধু দৃষ্টিতে নয়, অনুভবেওএক অনন্য প্রশান্তি— সুপ্রভাত_________
05/10/2026

সূর্যোদয়ের প্রকৃতি শুধু দৃষ্টিতে নয়, অনুভবেও
এক অনন্য প্রশান্তি— সুপ্রভাত_________

04/10/2026

আজ মদিনায় বজ্রপাতের দৃশ্য...

"কিং আব্দুল আজিজ গেইট" (১ নং গেট) - বিশেষত্ব ও বৈশিষ্ট্য:•    অবস্থান: এটি মসজিদুল হারামের পশ্চিম দিকে (আজিয়াদ ও জাবাল ও...
04/10/2026

"কিং আব্দুল আজিজ গেইট" (১ নং গেট) - বিশেষত্ব ও বৈশিষ্ট্য:

• অবস্থান: এটি মসজিদুল হারামের পশ্চিম দিকে (আজিয়াদ ও জাবাল ওমর এলাকার কাছাকাছি) অবস্থিত।
• কাবা শরীফের দৃশ্য: এই গেট দিয়ে প্রবেশ করলেই সরাসরি মাতাফ এলাকা এবং পবিত্র কাবা শরীফ দেখা যায়।
• হুইলচেয়ার সুবিধা: এটি একটি প্রধান ও প্রশস্ত ফটক হওয়ায় এখানে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী হাজী ও ইবাদতকারীদের যাতায়াতের সুব্যবস্থা রয়েছে।

• নামকরণ: সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক বাদশাহ আবদুল আজিজ আল সৌদের নামানুসারে এই গেটের নামকরণ করা হয়েছে।

• ভিড় নিয়ন্ত্রণ: হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের জন্য এটি একটি অতি পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ রুট, যা সহজেই মনে রাখা যায়।

মসজিদ আল হারামের সবচেয়েতে বেস্ট গেইট হচ্ছে "কিং আব্দুল আজিজ গেইট" (১ নং গেট) কারণ মসজিদ আল-হারাম এর সকল গেটের মধ্য হতে এটাই একমাত্র এমন গেট যেখান থেকে প্রবেশ হয়ে অতি দ্রুত মাতাফে যাওয়া যায় এবং হাজরে আসওয়াদও অতি নিকটে হয়।

এই গেটটি ২০২৫ এর রমজানে কাজ শেষ হওয়ার পর পরিপূর্ণভাবে সবসময়ের জন্য খোলা হয়েছিল। আর এই গেটের ভিতরে প্রবেশ করা ছাড়া বাহির থেকেই কাবাঘর স্পষ্ট দেখার সুযোগও পাওয়া যায়।

এই সকল সুবিধা অন্য কোন গেটে নেই। তাই সকল গেট থেকে সেরা হচ্ছে "১ নং কিং আব্দুল আজিজ গেট"।

সেপ্টেম্বরের ২৫,২৬ ও ২৭ তারিখ, অর্থাৎ এই জুম্মা, শনি আর রবিবার হচ্ছে আরবি 'রবিউস সানি' মাসের ঠিক মাঝামাঝি। এই সময়কে বলা ...
24/09/2026

সেপ্টেম্বরের ২৫,২৬ ও ২৭ তারিখ, অর্থাৎ এই জুম্মা, শনি আর রবিবার হচ্ছে আরবি 'রবিউস সানি' মাসের ঠিক মাঝামাঝি। এই সময়কে বলা হয় 'আইয়ামে বীজ', অর্থাৎ আলোকজ্জ্বল দিনগুলো। খেয়াল করলে দেখবেন, এই তিনদিনের চাঁদ অনেক বেশি আলো ছড়াচ্ছে। বেশিক্ষণ তাকায়ে থাকলে বুক খাঁ খাঁ করে উঠবে!

আচ্ছা, আরবি মাসের এই পূর্ণ চাঁদওয়ালা সময়ে কি করা দরকার? টানা তিনদিন রোজা রাখা উচিৎ!
কেন? কারণ এই তিনদিন রোজা রাখলে খুব খুব সওয়াব। কি সেইগুলো, জানতে ইচ্ছে হয়না বুঝি?

আ’ব্দুল্লাহ ইবনে আ’মর ইবনে আ’স রাদিয়াল্লাহু আ’নহু হতে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “প্রতি মাসে তিনটি করে রোযা রাখা, সারা বছর ধরে রোযা রাখার সমান।” (বুখারীঃ ১১৫৯, ১৯৭৫)

আবু দাউদে আরো এসেছেঃ আবদুল মালেক বিন কুদামাহ বিন মালহান (রা:) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে আইয়ামে বীজ তথা চন্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন’।
. পাশাপাশি এইযে এভাবে আত্মার ব্যায়ামও হবেঃ হযরত ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, রমযান মাসের রোযা এবং প্রতি মাসের তিন দিনের (আইয়্যামে বীয) রোযা অন্তরের হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে দেয়। (মুসনাদে আহমদঃ২৩০৭০)

প্রকৃতির সৌন্দর্যে মিশে আছে আল্লাহর ঘর
22/09/2026

প্রকৃতির সৌন্দর্যে মিশে আছে আল্লাহর ঘর

একজন মা পিএইচডি করেছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে, আর তাঁর মেয়ে পিএইচডি করেছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে।দুজনেরই বিষয় বিজ্ঞা...
21/09/2026

একজন মা পিএইচডি করেছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে, আর তাঁর মেয়ে পিএইচডি করেছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে।

দুজনেরই বিষয় বিজ্ঞান, দুজনেরই পথচলা আন্তর্জাতিক একাডেমিয়ায়।

মা সুলতানা শফী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে এমএসসিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে প্রথম নারী হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।

এরপর কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে তাত্ত্বিক কণা পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি করেন। পিএইচডি শেষে কেমব্রিজের Girton College-এ ফেলোশিপও পান।

সেখানে প্রায় এক বছর থাকার পর বিদেশে থেকে যাওয়ার সুযোগ ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতে।

মেয়ের পথও বিজ্ঞানের, তবে গবেষণার বিষয় আলাদা। রেবেকা শফী ক্যালটেক থেকে পদার্থবিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষ করে পিএইচডির জন্য যান হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সেখানে তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল কৃষ্ণগহ্বরের ঘূর্ণন বা Black Hole Spin। হার্ভার্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।

পরে তাঁর গবেষণার পরিধি বিস্তৃত হয় তাত্ত্বিক জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞান থেকে স্নায়ুবিজ্ঞান ও মানব জেনেটিকসের দিকে।

বর্তমানে তাঁর গবেষণার সঙ্গে মানবমস্তিষ্ক, জেনেটিক বৈশিষ্ট্য ও নিউরোসায়েন্সের সম্পর্ক জড়িয়ে আছে।

সুলতানা শফীর জীবনের বড় একটি সিদ্ধান্ত ছিল কেমব্রিজে থেকে যাওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও দেশে ফিরে আসা।

Girton College-এর ফেলোশিপ ছেড়ে তিনি ফিরে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবে তাঁর একাডেমিক যাত্রার বড় একটি অধ্যায় শুরু হয়েছিল।

এরপর দীর্ঘদিন পদার্থবিজ্ঞান পড়িয়েছেন। তাঁর স্বামী আহমেদ শফীও ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক।

১৯৬৯ সালে লন্ডনে তোলা তাঁদের একটি ছবিতে ধরা আছে সেই সময়ের স্মৃতি।এক প্রজন্মে কেমব্রিজ, পরের প্রজন্মে হার্ভার্ড। সুলতানা শফীর একাডেমিক পথ তৈরি হয়েছিল পদার্থবিজ্ঞানের শ্রেণিকক্ষ, গবেষণাগার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার মধ্য দিয়ে।

রেবেকা শফীর পথ এগিয়েছে ক্যালটেক ও হার্ভার্ড হয়ে কৃষ্ণগহ্বরের গবেষণা থেকে মানবমস্তিষ্ক ও জেনেটিকসের দিকে।

মা ও মেয়ের গবেষণার বিষয় আলাদা হলেও দুজনের গল্পকে পাশাপাশি রাখলে বিজ্ঞানচর্চার একটি দীর্ঘ পারিবারিক ধারাই সামনে আসে।

Credits: পাবলিকিয়ান

সর্ব কালের সেরা ১০ জন মুসলিম বিজ্ঞানী তালিকা l
20/09/2026

সর্ব কালের সেরা ১০ জন মুসলিম বিজ্ঞানী তালিকা l

দান-সদকার ১৯ টি উপকারিতাঃ ১। বিপদাপদ দূর হয়ঃরাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃসদকা বিপদ দূর করে। (বায়হাকী, শু‘আবুল ঈমান, সহীহ জামে ৫৭...
17/09/2026

দান-সদকার ১৯ টি উপকারিতাঃ
১। বিপদাপদ দূর হয়ঃ
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
সদকা বিপদ দূর করে। (বায়হাকী, শু‘আবুল ঈমান, সহীহ জামে ৫৭৭০)

২। কবরের আজাব থেকে রক্ষা করেঃ
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“সদকা কবরের আজাব থেকে রক্ষা করে। (তাবরানী, কাবীর ১৬৫০৬; সহীহ জামে ৩৫৬৬)

৩। জটিল অসুখ ভালো হয়ঃ
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ সদকা অসুখ দূর করে এবং গুনাহ মুছে দেয়।(সহীহ জামে ৩৩৫৮)

৪। আল্লাহর রাগ কমায়ঃ
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ সদকা আল্লাহর ক্রোধ নিভিয়ে দেয়।(সহীহ জামে ৩৭৬৬)

৫। খারাপ মৃত্যু ঠেকায়ঃ
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ সদকা খারাপ মৃত্যু প্রতিরোধ করে। (সিলসিলা সহীহা ১৯০৭)

৬। কিয়ামতে ছায়া দেবে* (কিয়ামতের মাঠে) সমস্ত মানুষের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজ সদাকার ছায়াতলে অবস্থান করবে। সহীহ ইবনে খুজাইমা; হাদীসঃ ২৪৩১}

৭। ফেরেশতাদের দোয়া পাওয়া যায়ঃ
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ প্রতিদিন সকালে দু’জন ফেরেশতা অবতরণ করেন। তাঁদের একজন বলেন, হে আল্লাহ! দাতাকে তার দানের উত্তম প্রতিদান দিন আর অপরজন বলেন, হে আল্লাহ! কৃপণকে ধ্বংস করে দিন। {সহীহ বুখারী ১৪৪২}

৮। গুনাহ মাফ হয়ঃ
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
সদকা গুনাহ মুছে দেয় যেমন পানি আগুন নেভায়। (তিরমিজি ২৬১৬; সহীহ জামে ৫১৩৬)

৯। জান্নাত নসিব হয়ঃ
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ সদকা প্রদানকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে। (সহীহ বুখারী ১৮৯৭; মুসলিম ১০২৭)

১০। রিযিক বৃদ্ধি পায়ঃ
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ সদকা সম্পদ কমায় না। (সহীহ মুসলিম ২৫৮৮)

১১। কিয়ামতের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করেঃ
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ সদকা কিয়ামতের ভীতিকর অবস্থা থেকে রক্ষা করবে। (সহীহ জামে ১৪২৫)

১২। হিসাব সহজ হয়ঃ
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
গোপন দান আল্লাহর গজব দূর করে এবং হিসাব সহজ করে। (তাবরানী কাবীর ৮০১১)

১৩। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
সদকা আয়ু বৃদ্ধি করে।
(সিলসিলা সহীহা ২৫৪; সহীহ জামে ৫০০৪)

১৪। সম্পদে বরকত হয়ঃ
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“সদকা সম্পদে বরকত আনে। (সহীহ মুসলিম ২৫৮৮)

১৫। গোপন দান আরশের ছায়ায় স্থান দেবেঃ
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
সাত শ্রেণীর একজন — যে গোপনে দান করে। (সহীহ বুখারী ৬৬০; মুসলিম ১০৩১)

১৬। আল্লাহর কাছে প্রিয় হয়
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“আল্লাহর কাছে প্রিয় কাজ হলো মুসলিমের ক্ষুধা মেটানো, ঋণ শোধ করা। (তাবরানী আওসাত ৬১৯২)

১৭। ঈমান পূর্ণ হয়
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ অন্যকে খাওয়াও, সালাম প্রচার করো — ঈমান পূর্ণ হবে। (আদাবুল মুফরাদ ১০৯৬; সহীহ আলবানী)

১৮। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের প্রয়োজন পূর্ণ করবে, আল্লাহ তার প্রয়োজন পূর্ণ করবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের কোন এক বিপদ দূর ক’রে দেবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার বহু বিপদের একটি বিপদ দূর ক’রে দেবে
(সহীহ -বুখারী ২৪৪২,সহীহ মুসলিম ৬৭৪৩)

১৯। দোয়া কবুল হওয়ার মাধ্যম
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
তোমাদের অসুস্থদেরকে সদকা দ্বারা সুস্থ করো এবং দোয়ার মাধ্যমে বিপদ প্রতিহত করো। {সহীহ জামে, হাদীস ৩৩৫৮}

দাম বাড়ছে বাজারে, স্বস্তি Muhammad Shop Point এ 🤩 অফিসিয়াল Infinix Smart 20 এখন মাত্র ১৪,৩৯৫৳ 🥳
03/09/2026

দাম বাড়ছে বাজারে, স্বস্তি Muhammad Shop Point এ 🤩 অফিসিয়াল Infinix Smart 20 এখন মাত্র ১৪,৩৯৫৳ 🥳

03/09/2026

তিনি ছিলেন আফরা বিনতে উবাইদ বিন সালাবা!


ইসলামের ইতিহাসে এমন কিছু মহীয়সী নারী রয়েছেন, যাঁরা যুগান্তকারী বীর সন্তান জন্ম দিয়ে ইতিহাস গড়েছেন। তাঁদেরই একজন হলেন মদিনার খাযরাজ গোত্রের বনু নাজ্জার শাখার (রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর মাতুল বংশ) প্রখ্যাত সাহাবিয়া হজরত আফরা বিনতে উবাইদ বিন সালাবা (রা.)।

তাঁর আত্মত্যাগ ও বীরত্ব এতটাই সুমহান ছিল যে, ইতিহাসে তাঁর সাত বীর সন্তান বাবার বদলে মায়ের পরিচয়ে ‘বনু আফরা’ (আফরার সন্তান) হিসেবে অনন্য মর্যাদা লাভ করেন।

​তিনি ছিলেন মদিনায় প্রথমদিকে ইসলাম গ্রহণকারী ও বাইয়াতকারী নারীদের অন্যতম। দুই স্বামীর সংসারে তাঁর গর্ভে জন্ম নেন সাতজন জানবাজ মুজাহিদ, যাঁদের প্রত্যেকেই বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন:

✅ ​হারিস বিন রিফায়ার ঔরসে: মুআয, মুআউয়িয এবং আউফ (রা.)।

✅ ​বুকাইর বিন আবদ ইয়ালাইলের ঔরসে: আকিল, খালেদ, ইয়াস এবং আমের (রা.)।

​হজরত মুআবিয়া (রা.) বুকাইরের এই চার পুত্র সম্পর্কে গর্ব করে বলতেন, "তাঁরা ছাড়া আর কোনো চার ভাই একসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাথে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি।"

বদর যুদ্ধে কুফরের সর্দার আবু জাহলকে ধরাশায়ী করার বিরল কৃতিত্ব লাভ করেন আফরার দুই তরুণ সন্তান মুআয ও মুআউয়িয। যুদ্ধ শেষে রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁদের শাহাদাতস্থলে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, “আল্লাহ আফরার দুই ছেলের ওপর রহম করুন, তারা এই উম্মতের ফেরাউন ও কুফরের সর্দারকে হত্যার ক্ষেত্রে অংশীদার।”

​
বদরের যুদ্ধে মুআয, মুআউয়িয ও আকিল (রা.) শহীদ হওয়ার পর হজরত আফরা (রা.)-এর ঈমানি দৃঢ়তার এক অভাবনীয় দৃশ্য ফুটে ওঠে। সন্তানদের মৃত্যুতে শোকাহত না হয়ে তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে ছুটে এসে আকুল হয়ে জানতে চান, “হে আল্লাহর রাসুল! আমার সন্তানদের মধ্যে নিকৃষ্টতম জন কি এখনো বেঁচে আছে?”

অর্থাৎ, তাঁর যে সন্তান শাহাদাতের মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়ে দুনিয়ায় রয়ে গেছে, তিনি তাকেই ‘নিকৃষ্ট’ ভাবছিলেন! রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁকে আশ্বস্ত করলে তাঁর হৃদয় প্রশান্ত হয়। শহীদদের এই মহীয়সী মাকে সান্ত্বনা দিতে উম্মুল মুমিনিন হজরত সাওদা বিনতে জামআ (রা.) স্বয়ং তাঁর বাড়িতে ছুটে গিয়েছিলেন।

​
মা আফরা (রা.)-এর হাতে গড়া এই বীর সন্তানেরা ইসলামের বিভিন্ন যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন।


​বদর যুদ্ধ: মুআয, মুআউয়িয ও আকিল (রা.)।

​রজি-এর ঘটনা: খালেদ (রা.)।

​বিরে মাউনার ঘটনা: আমের (রা.)।

​ইয়ামামার যুদ্ধ: ইয়াস (রা.)।

​একমাত্র আউফ (রা.) জীবিত ছিলেন, যাঁর মাধ্যমে এই মহীয়সী মায়ের বংশধারা অব্যাহত থাকে।

ইসলামের সুরক্ষায় নিজের নাড়িছেঁড়া ধনদের হাসিমুখে উৎসর্গ করে হজরত আফরা (রা.) আত্মত্যাগের যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা কিয়ামত পর্যন্ত মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

(আহমাদ খলিল জাময়াহ,নিসাউন মিন আসরিন নুবুয়াহ : ১/২৭৩-২৭৮, ইবনুল জাওযী,সিফাতুস সাফওয়াহ: ১/৩৪১, আল ওয়াকিদি,কিতাবুল মাগাজী : ১/১০৯)

Address

Keraniganj
Dhaka
1310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muhammad Shop Point posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share