Technotronix

Technotronix Repair Services:

Desktop ,Laptop ,Note Book Tablet , Smart Phone Motherboard, Hard disk Monitor Projector , IPS&UPS Power Supply
Industrial Circuit Board

27/02/2015

যে কারণে ফোনের ব্যাটারি সর্বনাশ ঘটাতে পারে!!!

আশা করি সবাই ভালো আছেন।

গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নজরদারির খবর নতুন কিছু নয়।

কিন্তু এবার ফোনের ব্যাটারির মাধ্যমে নজরদারি করতে পারেন সাইবার দৃবৃত্তরাও।

তাই বুঝতেই পারছেন ফোনের ব্যাটারি সর্বনাশ ঘটাতে পারে।

স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের ওপর গোয়েন্দা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নজরদারির খবর নতুন কিছু নয়।

বেশিরভাগ স্মার্টফোনে জিপিএস চিপ থাকে, যার মাধ্যমে সহজেই স্মার্টফোন নজরদারির আওতায় থাকে।

যারা নজরদারি এড়াতে চান, তারা সহজ বুদ্ধিতে জিপিএস ফিচারটি বন্ধ করে রাখেন।

কিন্তু মোবাইল ফোনে নজরদারি করার অন্য আরেকটি উপায়ও রয়েছে।

পদ্ধতিটি হলো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারির ওপর নজরদারি করা।

প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট গিজমোডো এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসরায়েলের সরকারি সংস্থার গবেষকরা মোবাইল ফোনের ব্যাটারির মাধ্যমে নজরদারি করার পদ্ধতিটির বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন।

এই পদ্ধতিতে স্মার্টফোন ব্যাটারির চার্জে খুব সামান্য হেরফের হওয়ার বিষয়টি হিসাব করে মোবাইল ব্যবহারকারী কোথায় কোথায় যান, সে বিষয়টি সহজেই ধরা যায়।

মোবাইল ফোনের টাওয়ার হতে মোবাইল ফোনে পিং পেতে কী ধরনের বাধা আসে, তা নির্ণয় করে খুব সহজেই ব্যবহারকারীর অবস্থান বের করা যায়।

টাওয়ারের অবস্থান দূরে হলে অথবা কোনো ভবন বা পাহাড়ের কারণে পিং পেতে সমস্যা হলে মোবাইল ফোনে তখন বাড়তি কিছুটা শক্তি খরচ করে থাকে।

ব্যবহারকারী মোবাইল ফোন নিয়ে কোথায় কোথায় যান সে বিষয়টি যদি কিছুদিন ধরে নজরে রাখা হয় ও এই রুটিন যদি স্বাভাবিক হয়, তাহলে ৯০ শতাংশ নির্ভুলভাবে ব্যবহারকারীর অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব।

কিন্তু ফোন ব্যবহারকারী যদি রুটিনমাফিক না চলাচল করেন, তাহলে তার অবস্থান শনাক্ত করার সম্ভাবনা ৬০ শতাংশে নেমে আসবে।

সংবাদ মাধ্যম বলছে, বিশেষজ্ঞরা এই বিষয়টি নিয়ে বলেছেন, স্মার্টফোনে এভাবে নজরদারির বিষয়টি প্রকৃতপক্ষে উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

কারণ এই ধরনের নজরদারি হলে ব্যাটারি খুলে রাখা ছাড়া তা এড়িয়ে যাওয়ার আর কোনো জুতসই পথ নেই।

এই ধরনের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনের সাধারণ কোনো অ্যাপই যথেষ্ট।

এই ধরনের অ্যাপকে ব্যাটারি ব্যবহারবিষয়ক তথ্য সংগ্রহে গুগলেরও কোনো বাধা নেই।

দুর্বৃত্তরা চাইলেই এরকম কোনো অ্যাপ তৈরি করে সহজেই ব্যবহারকারীর ওপর নজরদারি স্থাপন করতে পারেন।

তাই ব্যাটারী থেকে সাবধান থাকতে হবে।

নইলে আপনি বুঝে ওঠার আগে যা ঘটার ঘটে যাবে।

তখন আর আপনার করার কিছুই থাকবে না।

কোনো সমস্যা বা সাহায্যের দরকার হলে আমাকে ফেসবুক এ পাবেন।

ধন্যবাদ সবাইকে।

27/02/2015

যে ভাবে বাংলাদেশ থেকে পেপাল ব্যবহার করবেন………

বর্তমান সময় জনপ্রিয় অনলাইন প্রসেসর হচ্ছে পেপাল। বাংলাদেশে পেপাল সুবিধা না থাকার কারণে পেমেন্ট নেয়া এবং দেয়ার ক্ষেত্রে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। কেউ কেউ তাদের বিদেশে অবস্থিত পরিচতজনের মাধ্যমে নিবন্ধন করে পেপাল ব্যবহার করছেন। আমি বিদেশে পরিচিত কেউ থাকলে উনার নাম ঠিকানা এবং উনার মাধ্যমে ভেরিফাই করে ব্যবহার করতেই উপদেশ দিব। কারণ সমস্যায় পড়লে সহযোগিতা পাওয়া যাবে। যাই হোক যাদের কেউ নাই তাদের জন্য নিচের পদ্ধতি।

নিবন্ধন:

পেপাল ব্যবহার করতে চাইলে প্রথমেই আপনাকে নিবন্ধন করতে হবে। তাই প্রথমেই paypal.com গিয়ে আপনাকে একটা একাউন্ট খুলে নিতে হবে। পারসোনাল একাউন্ট লেনদেনের ক্ষেত্রে পেপাল ঝামেলা করে থাকে বেশি। তাই আমি premier একাউন্ট নিবন্ধন করতে সাজেস্ট করব। এখন প্রশ্ন আসতে পারে পেপালে তো বাংলাদেশের নাম নাই, তাহলে কিভাবে নিবন্ধন করব? হুম আমরা বাংলাদেশের ঠিকানা দিয়ে নিবন্ধন করব না, করব এশিয়ান কোন দেশের ঠিকানা দিয়ে। আমি মালয়শিয়ার এড্রেস ব্যবহার করে ব্যবহার করছি প্রায় ১.৫ বছর ধরে কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই। গুগলে সার্চ দিয়ে মালয়শিয়ার একটা ঠিকানা ও ফোন নম্বর সংগ্রহ করে ফেলুন। তারপর পেপালে গিয়ে নিবন্ধন করে ফেলুন। নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ তাই এখানে আর বিস্তারিত আলোচনা করছি না।

ভেরিফিকেশন:

ভেরিফিকেশনের জন্য আপনার পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড এবং কার্ডে ব্যাল্যান্স থাকতে হবে। যদি থাকে তাহলে প্রথমেই আপনি আপনার পেপাল একাউন্টে ঢুকে এড্রেসটা নোট করে নিন। তারপর পেওনিয়ার একাউন্টে লগিন করে এডিট প্রোফাইলে গিয়ে পেপালের যে এড্রেস ঐ এড্রেস টা বসিয়ে দিন। তবে মনে রাখতে হবে পেওনিয়ারে কান্ট্রি পরিবর্তন করা যায় না। তাই কান্ট্রি পরিবর্তন নিয়ে চিন্তা না করলেও চলবে। কারণ পেপাল র্কাডের কান্ট্রি চেক করে দেখে না। এই সুযোগটাই আমাদের কাজ সহজ করে দিয়েছে। যাই পেওনিয়ার কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তন করার পর পেপালে আপনার কার্ডটি যোগ করে দিন। পেপাল পেওনিয়ার কার্ড থেকে ১.৯৬ ডলারের মত কেটে নিবে। আর পেওনিয়ার কার্ডের ট্রান্সসেকশন লিস্টে PP*0356CODE এরকম কোড দেখতে পাবেন। এখানে ০৩৫৬ হলো ভেরিফিকেশন কোড। আপনি আপনার ট্রান্সসেকশন লিস্ট থেকে দেখে নোট করে নিন। তারপর পেপালে লগিন করে ভেরিফিকেশন কোড দিয়ে ভেরিফাই করে নিন। এই তো হয়ে গেল পেপাল ভেরিফিকেশন। ভেরিফিকেশন প্রসেস সমাপ্ত হওয়ার পর আপনি পেওনিয়ার কার্ডের একাউন্টে লগিন করে আপনার আগের ঠিকানা দিয়ে সেভ করে বেরিয়ে আসুন। আপনার কাজ শেষ

তবে কিছু সতর্কতা মেনে চলতে হবে। অসর্তকতার জন্য ধরা খাওয়ার সম্ভবনা ৯৯%। আপনি যদি পেপালে জিপি দিয়ে লগিন করেন তাহলে সব সময় জিপি দিয়েই করতে হবে। যদি বাংলালায়ন ব্যবহার করেন তাহলে বাংলালায়ন দিয়ে লগিন করবেন। আর ইলিগ্যাল লেনদেন করবেন না। অপ্রয়োজনে পেপাল একাউন্টে লগিন করবেন না। আনভেরিফাইড একাউন্টের সাথে লেনদেন করবেন না। প্রথম ছয়মাস ছোট ছোট লেনদেন করবেন।

23/02/2015
Just Sell It
03/02/2015

Just Sell It

03/02/2015

আপনার ইন্টারনেট এর গতি বাড়িয়ে নিন

উইন্ডোজ কম্পিউটারের জন্য কিছু ব্যান্ডউইডথ নির্দিষ্ট করে রাখে। এটি বন্ধ করে নিলে ইন্টারনেট সংযোগের গতি কিছুটা বেড়ে যাবে। এ জন্য উইন্ডোজ ৭-এর Start Menu থেকে Run প্রোগ্রাম চালু করুন। এখানে gpedit.msc লিখে এন্টার করুন। গ্রুপ পলিসি এডিটর খুলে গেলে বাম পাশের Computer Configuration থেকে Administrative Templates-এ গিয়ে Network-এ ক্লিক করুন। এবার তালিকায় থাকা QoS Packet Scheduler-এ দুই ক্লিক করে খুলে নিন। এখানে Limit reservable bandwidth-এ দুই ক্লিক করে খুলে Enabled-এ টিক দিয়ে দিন। এবার Bandwidth limit (%) ঘরে ০ (শূন্য) লিখে ওকে করুন। এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করে নিয়ে ব্যবহার করতে থাকুন।

03/02/2015

চলুন জেনে নিই কিছু সেন্সর sensor সমূহের কাজ কি ?

স্মার্টফোনের স্মার্টফোনেস অনেকাংশে এর সেন্সর গুলোর ওপর নির্ভর করে। সেন্সর বিহীন একটি স্মার্টফোন চিন্তাই করা যায়না। সেন্সর বিহীন স্মার্টফোনকে খোড়া/ল্যাংরা বলা যায়। আমার জানা মতে পৃথিবীতে সেন্সর বিহীন কোন স্মার্টফোন নাই। আসুন দেখি কত সহজ ভাবে সেন্সরগুলো সম্পর্কে জানা যায়। স্মার্টফোনে যে সেন্সর গুলো ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর ব্যবহারিক গুরুত্ব বিবেচনা করে নিচে সাজানো হলো।

এক্সেলেরমিটার(Accelerometer): শতভাগ স্মার্টফোনেই Accelerometer সেন্সরটি ব্যাবহৃত হয় ।আপনার স্মার্টফোনে ফটো প্রিভিও, ভিডিও দেখা, মেসেজ লেখা, ওয়েব ব্রাওজিং ইত্যাদির অ্যাপ্স ব্যবহারের সময় আপনার ফোনটি আড়াআড়ি (Landscape) বা লম্বালম্বি (Portrait) ভাবে ধরলে আপনার অ্যাপ্সটি সয়ংক্রিয় ভাবে ঘুরে যাবে, যাতে স্ক্রিনে প্রদর্শিত দৃশ্য আমাদের দেখতে অসুবিধা না হয়। এটাই এক্সেলেরমিটারের কারসাজী। এছাড়া রেসিং গেমস খেলার সময় ইচ্ছামত ডানে বামে কাত করে স্টিয়ারিং ঘুরানোর কাজটিও এক্সেলেরমিটারের কারসাজী।

কাজঃ Accelerometer এর মূল কাজ হচ্ছে স্মারটফোনটির অরিয়েন্টেশন কিভাবে পরিবর্তন করা হচ্ছে, কিভাবে ঘুরানো হচ্ছে, উল্টানো পাল্টানো হচ্ছে তা বুঝতে পারা।

প্রক্সিমিটি(Proximity): স্মার্টফোনে যখন ভয়েস কল করি (ইনকামিং আউটগোয়িং যেটাই হোক না কেন) এবং কথা বলার জন্য কানের কাছে লাগাই তখনই স্ক্রিনের আলো নিভে যায় এবং টাচস্ক্রিনের কার্যক্ষমতা বন্ধ করে দেয় যাতে করে অনাকাংক্ষিত বা অনিচ্ছাকৃত কোন নির্দেশনা (command) না পড়ে। এর অন্যতম আরেকটা সুবিধা হচ্ছে দেহের নির্দিষ্ট দুরুত্বে এলে স্ক্রিনের আলো নিভিয়ে ব্যাটারির চার্জ দীর্ঘায়িত করতে সাহায্য করে। এই সেন্সিং ক্ষমতা সম্পন্ন সেন্সরকেই প্রক্সিমিটি(Proximity) সেন্সর বলে।

g sensor

কাজঃ প্রক্সিমিটি(Proximity) সেন্সর এর মূল কাজ হচ্ছে দেহ থেকে আপনার স্মার্ট ডিভাইসটি কত কাছে অমস্থান করছে তা নির্নয় করা।

এম্বিয়েন্ট লাইট সেন্সর (Ambient Light Sensor): দিনের ঝলমলে আলোতে আপনার মোবাইল ফোনের স্ক্রিনটা অস্পষ্ট লাগতে পারে তখন ব্রাইটনেস সয়ংক্রিয় ভাবে বাড়িয়ে দেখার উপযোগি করে তোলে এই লাইট সেন্সর আবার রাতের অন্ধকারে স্ক্রিনের আলোটা চোখে বেশি লাগতে পারে তখন ঠিক তার উল্টো ব্রাইটনেস সয়ংক্রিয় ভাবে কমিয়ে দেখার উপযোগি করে তোলে।

কাজঃ এর মূল কাজ হচ্ছে স্মার্টফোনের আশেপাশের পরিবেশের আলো পরিমাপ করা এবং এর সাথে স্ক্রিনের ব্রাইটনেসের সমন্বয় করা।

জিপিএস(GPS): জিপিএস এর পুরো রুপ হলো Global Positioning System. পুরো নামটা দেখলেই বোঝা যায় এর ধারনাটা কত ব্যাপক। তবে আমি ব্যাপক ব্যাখ্যায় যাবনা। ধরুন, আপনি আছেন মিরপুরে, বন্ধু বান্ধব নিয়ে যাবেন পুরান ঢাকায় নান্না মিয়ার মোরগ পোলাও খেতে, কিন্তু নান্না মিয়ার মোরগ পোলাও খেতে যাওয়ার রাস্তাঘাট চেনেন না। এবার কানার লাঠির মত ম্যাপ ওপেন করে জিপিএস নেভিগেশন এর মাধ্যমে নিশ্চিন্তে মোরগ পোলাও খেতে যেতে পারেন।

কাজঃ আপনার স্মার্টফোনে যদি জিপিএস থাকে তাহলে সে দেখিয়ে দিবে আপনি পৃথিবীর কোন জায়গায় স্মার্টফোনটি নিয়ে অবস্থান করছেন। জিপিএস(GPS) হলো স্যাটেলাইট এর সহযোগিতায় পৃথিবী ও এর আশে পাশে চষে বেড়ানোর প্রযুক্তি, এটি USA শুধু তার মিলিটারি এর ব্যাবহারের জন্য স্থাপন করে ৬০ এর দশকে। পরে ৮০ দশকে সীমিত পরিসরে সর্বসাধারনের ব্যবহারের জন্য খুলে দেয়া হয়। জিপিএস(GPS) নেভিগেশন এর জন্য ২৪ টি স্যাটালাইট প্রতিনিয়ত পৃথিবীর উপর চোখ রাখছে।

কম্পাস(Compass): আমরা ছোট বেলায় বিজ্ঞানে পড়েছিলাম, যদি একটি চুম্বক শলাকাকে ঝুলিয়ে রাখা হয় তাহলে শলাকাটির একটি মাথা সর্বদা উত্তর মুখী আর একটি মাথা সর্বদা দক্ষিন মুখী হয়ে থাকবে। সুতরাং একটি চুম্বক শলাকা থাকলে দিক হারানোর ভয় নাই। এই কম্পাস হলো আপনার সেই চুম্বক শলাকা, যা আপনাকে দিক ভোলা হতে দেবেনা।

কাজঃ কম্পাস এর কাজ হলো দিক নির্নয় করা।

জায়রোস্কোপ (Gyros or Gyroscope): জায়রোস্কোপ হলো কৌনিক অক্ষে নড়াচড়া বুঝতে পারে এমন একটি সেন্সর। এক্সেলেরমিটারের কিছু সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এক্সেলেরমিটার ছয়টি অক্ষে অর্থাৎ ডানে বামে সামনে পিছনে উপরে নিচে পজিশন নির্নয় করতে পারলেও কৌনিক অক্ষ নিরুপন করতে ব্যর্থ। অর্থাৎ আপনি একটি স্মার্টফোনকে ডানে একটু কোনাকোনি করে কাত করলেন, এই ক্ষেত্রে এক্সেলেরমিটার স্মার্টফোনটি ডানে কাত হয়েছে এইটুকু বুঝতে পারবে, কিন্তু সাথে যদি জায়রোস্কোপ থাকে তাহলে স্মার্টফোনটি ঠিকই বুঝতে পারবে আপনি একে একটু কোনাকোনি করে ডানে কাত করেছেন। এর চেয়ে সহজ করে আর বোঝাতে পারবোনা।

কাজঃ জায়রোস্কোপ ছয়টি অক্ষে কৌনিক যে কোন ধরনের নড়াচড়া নির্নয় করতে সক্ষম। এটি একটি micro electrical & mechanical system.

বি,এস,আই(BSI): BSI এর পুরো রুপ back side illumination বা back illuminated sensor. এর নাম থেকেই বোঝা যায় কিছু একটা আলকিত করার জন্য এই সেন্সরের আগমন। BSI সেন্সর ডিজিটাল ক্যামেরায় ব্যবহার করা হয়, যেটা ডিজিটাল ক্যামেরার লেন্সে বেশি আলো ধরতে সাহায্য করে, যার ফলে অল্প আলোতে ভালো ছবি তোলা যায়। এই সেন্সরটি সিকিউরিটি ক্যামেরা ও জ্যোতিরবিদ্যায় ব্যবহৃত ক্যামেরায় ব্যাবহারের জন্য আবিষ্কৃত হয়। জাপানের সনি ২০০৯ সালে প্রথম তাদের ক্যামেরায় এই সেন্সর ব্যাবহার করে। আজকাল ভালো মানের স্মার্টফোনের ক্যামেরায় এই সেন্সর ব্যবহার করা হচ্ছে।

কাজঃ লেন্সে বেশি আলো ধরতে সহায়তা করে, যাতে করে অল্প আলোতে dead pixel এর সংখ্যা কমিয়ে আরও ভালো মানের ছবি উপহার দিতে পারে।

ব্যরোমিটার (barometer): আমাদের চারিপাশে আবহাওয়ার একটা চাপ রয়েছে, আমাদের বায়বীয় পরিবেশের উপাদান সব সময় সব ঋতুতে এক রকম থাকেনা। শীত কালে আমাদের বায়ুমন্ডলে গরম কালের তুলনায় কম ঊপাদান থাকে যার ফলে শীত কালে বায়ুর চাপ কম থাকে। ব্যরোমিটার বায়ুমন্ডলের চাপ নিরূপন করে। যেটা আবহাওয়া সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহে সহায়তা করে।

আজ এ পর্যন্তই , ভালো থাকুন। আরো কিছু সেন্সর এখানে শিগ্রই আপডেট হবে। কোথাও ভুল থাকলে শুধরে দিবেন।

Sell is easy Now
03/02/2015

Sell is easy Now

28/01/2015

উইন্ডোজ ১০ এ নতুন কি সুবিধা যোগ করেছে মাইক্রোসফট

বর্তমানে বিশ্বের ১৫০ কোটিরও বেশি মানুষ উইন্ডোজ চালিত কম্পিউটার ব্যবহার করেন। কিন্তু অ্যাপল আর গুগলের আধিপত্যের এই মোবাইল কম্পিউটিং যুগে মাইক্রোসফট নতুন করে নিজেকে চেনানোর প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছে। মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলা ২১ জানুয়ারি উইন্ডোজ ১০ উন্মুক্ত করেছেন। চলুন দেখে নেয়া যাক উইন্ডোজ ১০ এ নতুন কি কি যোগ করেছে মাইক্রোসফট।



০১। কর্টানাঃ ব্যক্তিগত ভারচুয়াল সহকারী কর্টানাকে উইন্ডোজ ১০-এর সঙ্গে উন্মুক্ত করছে মাইক্রোসফট। কর্টানাকে প্রশ্ন করে তা থেকে জবাব পাবেন ব্যবহারকারী। অর্থাৎ সহাকারী হিসেবে ব্যবহারকারীর সঙ্গে আলাপ চালিয়ে যাবে এই বুদ্ধিমান সঙ্গীটি।

০২। স্পার্টানঃ উইন্ডোজ ১০-এ ব্রাউজার হিসেবে স্পার্টান কোড নামের একটি নতুন ব্রাউজার আসবে। এর সঙ্গেই ইন বিল্ট থাকবে কর্টানা। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের বিকল্প হিসেবে আসছে এই স্পার্টান ব্রাউজারটি। স্পার্টান ব্রাউজারটিকে এমনভাবে তৈরি করা হবে তা মোবাইল ও উইন্ডোজচালিত বিভিন্ন যন্ত্রে ব্যবহার করা যাবে।

০৩। এক্সবক্সঃ মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে গেমকে অধিক প্রাধান্য দিয়েছে বলেই জানিয়েছেন এক্সবক্স টিমের প্রধান ফিল স্পেন্সার।বর্তমানে এক্সবক্স ওয়ানের গেমগুলোর মোবাইল ভার্সন ফোন বা ট্যাবে খেলা যায়। এর জন্য এক্সবক্সের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে হয়। কিন্তু ডেস্কটপের ক্ষেত্রে অন্যান্য পিসি গেমের মতোই এক্সবক্সের যেকোন গেম খেলা যাবে, কনসোল দরকার হবে না। কেবল কম্পিউটারটি উইন্ডোজ ১০ চালিত হতে হবে।

০৪। স্টার্ট মেনুঃ উইন্ডোজ ১০-এ নতুন ইউজার ইন্টারফেস এসেছে যেখানে স্টার্ট মেনু আবার ফিরে এসেছে। আপনি স্টার্ট মেনু উইন্ডোজ ৭ ও ৮ উভয় স্টাইল এই ব্যবহার করতে পারবেন।

০৫। উইন্ডোজ স্টোরঃ উইন্ডোজের স্টোরের সব অ্যাপ ফোন, ট্যাব, টুইনওয়ান, পিসিসহ সব প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা যাবে।

০৬। স্কাইপঃ উইন্ডোজ ১০-এর সঙ্গে স্কাইপকে এমনভাবে যুক্ত করা হচ্ছে যা ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ হিসেবে কাজ করবে।

০৭। উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারঃ উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার আরও শক্তিশালী করা হয়েছে এবং এর সাথে ডিফল্ট শেয়ার বাটন যোগ করা হয়েছে।

০৮। মাল্টিপল ডেস্কটপ: এর আগে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে মাল্টিপল ডেস্কটপ ব্যবহারের সুযোগ ছিল। এবার ‘উইন্ডোজ ১০ একই সাথে একাধিক কাজ করার সুবিধার্থে যুক্ত হয়েছে ‘মাল্টি ডেস্কটপ ফিচার’।

এছাড়াও উইন্ডোজ ১০ ছাড়াও ভারচুয়াল জগতের বস্তুকে মানুষের হাতের ইশারায় নাচানোর প্রযুক্তি হলোলেন্স উন্মুক্ত করেছে মাইক্রোসফট।

যেভাবে আবারো বিনামূল্যে হ্যাক করে ভাইবার চালানোর উপায় ।নিরাপত্তাজনিত কারনে ভাইবার ও ট্যাংগো সার্ভিস বন্ধ ঘোষনার প্রেক্ষি...
19/01/2015

যেভাবে আবারো বিনামূল্যে হ্যাক করে ভাইবার চালানোর উপায় ।

নিরাপত্তাজনিত কারনে ভাইবার ও ট্যাংগো সার্ভিস বন্ধ ঘোষনার প্রেক্ষিতে এই পোস্ট –
প্রায়ই দেখা যায় ইউটিউব , ভাইবার ও ট্যাংগো কোন না কোন সার্ভিস বাংলাদেশে আজকাল ব্লক করে দেয়া হয় । সেক্ষেত্রে আপনার এন্ড্রয়েড ফোনে কিভাবে ভাইবার ও ট্যাংগো সার্ভিসগুলো রানিং রাখবেন এবং নিজের নিরাপত্তার জন্য আইপি পরিবর্তিত করে চলবেন সেই উপায় নিয়ে এই টিউটোরিয়াল । আর পিসিতে সরাসরি VPN ব্যাবহার করলেই ভাইবার ও ট্যাংগো চালানো যাবে।
viber
এন্ড্রয়েড ইউজার রা –
Android phone এর settings>more networks>VPN> (+ চিহ্ন চেপে ) > add VPN
এখানে দেখবেন তিনটি বক্স ।
name , type এবং server address
name এ বসাবেন আপনার পছন্দনীয় নাম । যেমন – ukvpn , usavpn , banglavpn , CHUTIYAMI ইত্যাদি
Type হবে PPTP
server address এর জন্য , আপনি নিচের এড্রেসগুলোর যেকোন একটি ব্যবহার করতে পারেন ।
euro217.vpnbook.com (আপনার আইপি রোমানিয়া থেকে দেখাবে)
euro214.vpnbook.com ( রোমানিয়া )
us1.vpnbook.com ( ইউ এস এ )
us2.vpnbook.com ( ইউ এস এ )
এবার SAVE করুন । সেইভ করার পর আপনার দেয়া নামের (যেমন , CHUTIYAMI ) এ ক্লিক করুন । ইউজার নেইম হবে vpnbook . পাসওয়ার্ড হচ্ছে d4Eyatra
VOILA ! এখন রোমানিয়া/আমেরিকা/কানাডা থেকে আপনার আইপি পরিচালিত হচ্ছে । সুতরাং , আবার ব্লক হয়ে যাওয়া যেকোন সার্ভিস (এনিথিং , ইভেন বাংলাদেশে ফেসবুক ব্লক করলেও ) ইজ ব্যাক টু অনলাইন !!
__________________________________________________
এছাড়াও কেউ ভাইবার / ট্যাংগোর বদলে LINE (https://play.google.com/store/apps/details…) ইউজ করতে পারেন । এটিতেও কল ফ্রি । এছাড়া আইপি হাইড না ভিপিএন ইউজের জন্য অনেক এপস গুগল প্লেতেই পাওয়া যায় ( যেমন এইটা http://play.google.com/store/apps/details?id=com.psiphon3), যদিও আমি ব্যক্তিগতভাবে কোন এপ ছাড়া এইভাবে ইউজ করতে পছন্দ করি ।

আপনার তোলা ছবি যদি অন্য কেউ আপনার অজান্তে অন্য কোন সাইটে ব্যবহার করে তাহলে আপনি যেভাবে বুঝবেনইন্টারনেটের এই যুগে ফটো শেয়...
17/01/2015

আপনার তোলা ছবি যদি অন্য কেউ আপনার অজান্তে অন্য কোন সাইটে ব্যবহার করে তাহলে আপনি যেভাবে বুঝবেন

ইন্টারনেটের এই যুগে ফটো শেয়ার অতি সাধারণ একটা ব্যাপার। সেই সাথে বাড়ছে ছবি শেয়ার। ফেসবুক, ব্লগ অথবা ফটোশেয়ারিং সাইট থেকে খুব সহজেই আপনার পারমিশন ছাড়াই এই ফটোগুলো যে কেউ ব্যবহার করতে পারে বিভিন্ন জায়গায়। সকল সাইট থেকে আপনার ফটো রিকভার করতে না পারলেও কিছু পদ্ধতি রয়েছে যার মাধ্যমে আপনার ছবির চোরকে ধরতে পারবেন।রিভার্স ইমেজ সার্চ করে বের করতে পারেন আপনার নির্দিষ্ট ফটোটি আর কোথায় কোথায় ব্যবহৃত হয়েছে। Tineye সাইটে গিয়ে আপনার ফটো আপলোড করে অথবা ফটোর ইমেজ লিঙ্ক দিয়ে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন আর কোথায় কোথায় এই ইমেজটি ব্যবহৃত হয়েছে। এভাবে খুব সহজেই এবং ফ্রি আপনার ইমেজ চোরকে ধরতে পারবেন। এছাড়াও বিভিন্ন ব্রাউজার যেমন মজিলা, ক্রোম ইত্যাদির জন্য রয়েছে আলাদা এড-অনস সুবিধা।

গুগলের ইমেজ সার্চ সার্ভিস অনেক জনপ্রিয়। ইমেজ সার্চবারে এখন ক্যামেরা আইকন রয়েছে যেখানে ক্লিক করলে আপলোড অথবা URL লিঙ্ক দেয়ার অপশন আসে। সেখানে আপনার প্রয়োজনীয় ইমেজ আপলোড অথবা ইমেজ লিঙ্ক দিয়ে সার্চ দিলেই সাথে সাথে দেখতে পারবেন আর কোথায় কোথায় ইমেজটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

কমার্শিয়াল রিকভারি সার্ভিসও নিতে পারেন যদি হয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ কোন ইমেজ। Imagerights এমন একটি ফার্ম যাদের কাজ হচ্ছে পারমিশন ব্যতীত আপনার ইমেজের ট্র্যাক ডাউন করা এবং কপিরাইটের আইনে নিয়ে আসা। বিভিন্ন ধরণের চার্জ করে থাকে।

পুরোপুরি কপি হওয়া বন্ধ করা অসম্ভবত তবে কিছু পদক্ষেপ নিলে কপি হওয়া জটিল হয়ে যায়। আপনার ইমেজে ওয়াটারমার্ক ব্যবহার করতে পারেন। বিভিন্ন ইমেজ এডিটর সফটওয়্যার দিয়ে আপনার ইমেজে কপি রাইট টেক্সট এড করে দিতে পারেন। এছাড়াও আপনার ওয়েব সাইট থেকে ইমেজ কপি বন্ধ করতে রাইট ক্লিক ডিজেবল করে রাখলে কিছুটা নিরাপত্তা পেতে পারেন।

দেখে নিন রান কমান্ডের ১১০ টি সহজ ব্যাবহারআসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন বন্ধুরা সবাই।আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালই আছেন। ...
16/01/2015

দেখে নিন রান কমান্ডের ১১০ টি সহজ ব্যাবহার

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন বন্ধুরা সবাই।আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালই আছি। আজ আপনাদের রান কমান্ডের ১১০ টি ব্যাবহার দেখাব। আপনার কম্পিউটারের যেকোন প্রোগ্রামকে সহজে চালু করতে রান বক্সের ভিতর নিচের কমান্ডগুলো প্রয়োগ করুন তারপর Enter চাপুন। সকল কমান্ড উইন্ডোজ ৭ এ কাজ না করলেও এক্স পি তে কাজ করবে।

নিচের ছবিটি দেখুন

একসেসিবিলিটি কন্ট্রোলস – access.cpl

একসেসিবিলিটি উইজার্ড – accwiz

এড হার্ডওয়্যার উইজার্ড – hdwwiz.cpl

এড/রিমুভ প্রোগ্রামস – appwiz.cpl

এডমিনিষ্ট্রিটিভ টুলস – control admintools

অটোমেটিকস আপডেট – wuaucpl.cpl

ব্লু-টুথ ফাইল ট্রান্সেফার উইজার্ড – fsquirt

ক্যালকুলেটর – calc

সার্টিফিকেটস – certmgr.msc

ক্যারেকটার ম্যাপ – charmap

চেক ডিক্স (ডস) – chkdsk

ক্লিপবোর্ড ভিউয়ার – clipbrd

কমান্ড প্রোম্পট – cmd

কম্পোনেন্ট সার্ভিস – dcomcnfg

কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট – compmgmt.msc

কন্ট্রোল প্যানেল – control

ইউজার একাউন্টস – control userpasswords2

ডেট এন্ড টাইমস – timedate.cpl

ডি.ডি.ই শেয়ার্স – ddeshare

ডিভাইস ম্যানেজার – devmgmt.msc

ডাইরেক্ট এক্স – dxdiag

ডিক্স ক্লিনআপ – cleanmgr

ডিক্স ডিফ্রাগমেন্ট – dfrg.msc

ডিক্স ম্যানেজমেন্ট – diskmgmt.msc

ডিক্স পার্টিশন ম্যানেজার – diskpart

ডিসপ্লে প্রোপার্টিস – control desktop

ডিসপ্লে প্রোপার্টিস – desk.cpl

ড: ওয়াটসন ফর উইন্ডোজ – drwtsn32

ড্রাইভার ভেরিফায়ার ম্যানেজার – verifier

ইভেন্ট ভিউয়ার-eventvwr.msc

ফাইল এন্ড সেটিংস ট্রান্সেফার টুল – migwiz

ফাইল সিগ্নেচার ভেরিফিকেশন টুল – sigverif

ফাইন্ড ফার্ষ্ট findfast.cpl

ফোল্ডার প্রোপার্টিস – control folders

ফন্টস – control fonts

ফন্টস ফোল্ডার – fonts

গেম কন্ট্রোলারস – joy.cpl

গ্রুপ পলিসি এডিটর – gpedit.msc

হেল্প এন্ড সাপোর্ট – helpctr

হাইপারটার্মিনাল – hypertrm

আই.এক্সপ্রেস উইজার্ড – iexpress

ইনডেক্সসিং সার্ভিস – ciadv.msc

ইন্টারনেট কানেক্‌শন উইজার্ড – icwconn1

ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার – iexplore

ইন্টারনেট প্রোপার্টিস – inetcpl.cpl

কীবোর্ড প্রোপার্টিস – control keyboard

লোকাল সিকিউরিটি সেটিংস – secpol.msc

লোকাল ইউজারস এন্ড গ্রুপস – lusrmgr.msc

উইন্ডোজ লগঅফ – logoff

মাইক্রোসফট চ্যাট – winchat

মাইক্রোসফট মুভি মেকার – moviemk

এমএস পেইন্ট – mspaint

মাইক্রোসফট সিনক্রোনাইজেশন টুল – mobsync

মাউস প্রোপার্টিস -control mouse

মাউস প্রোপার্টিস – main.cpl

নেট মিটিং – conf

নেটওয়ার্ক কানেকশনস – control netconnections

নেটওয়ার্ক কানেকশনস – ncpa.cpl

নেটওয়ার্ক সেটআপ উইজার্ড – netsetup.cpl

নোটপ্যাড – notepad

অবজেক্ট পেজ মেকার – packager

ওডিবিসি ডাটা সোর্স এডমিনিস্ট্রেটর – odbccp32.cpl

অন স্ক্রিন কীবোর্ড – osk

আউটলুক এক্সপ্রেস – msimn

এমএস পেইন্ট – pbrush

পাসওয়ার্ড প্রোপার্টিস – password.cpl

পারফরমেন্স মনিটর – perfmon.msc

পারফরমেন্স মনিটর – perfmon

ফোন এন্ড মডেম অপশনস – telephon.cpl

ফোন ডায়ালার – dialer

পাওয়ার কনফিগারেশন – powercfg.cpl

প্রিন্টারস এন্ড ফ্যাক্স – control printers

প্রিন্টারস ফোল্ডার – printers

রিজিউনাল সেটিংস – intl.cpl

রেজিষ্ট্রি এডিটর – regedit

রেজিষ্ট্রি এডিটর – regedit32

রিমোট একসেস ফোনবুক – rasphone

রিমোট ডেক্সটপ – mstsc

রিমুভাল স্টোরেজ – ntmsmgr.msc

রিমুভাল স্টোরেজ অপারেটর রিকোয়েষ্ট – ntmsoprq.msc

রেজাল্টেন্ট সেট অপ পলিসি – rsop.msc

স্ক্যানার এন্ড ক্যামেরা – sticpl.cpl

শিডিউল টাস্ক – control schedtasks

সিকিউরিটি সেন্টার – wscui.cpl

সার্ভিসেস – services.msc

শেয়ার্ড ফোল্ডার – fsmgmt.msc

উইন্ডোজ শার্ট ডাউন করা – shutdown

সাউন্ডস এন্ড অডিও – mmsys.cpl

সিস্টেম কনফিগারেশন এডিটর – sysedit

সিস্টেম কনফিগারেশন ইউটিলিটি – msconfig

সিস্টেম ইনফোমেশন – msinfo32

সিস্টেম প্রোপার্টিস – sysdm.cpl

টাস্ক ম্যানেজার – taskmgr

টিসিপি টেষ্টার – tcptest

টেলনেট ক্লাইন্ট – telnet

ইউজার একাউন্ট ম্যানেজার – nusrmgr.cpl

ইউটিলিটি ম্যানেজার – utilman

উইন্ডোজ এড্রেস বুক – wab

উইন্ডোজ এড্রেস বুক ইমপোর্ট ইউটিলিটি – wabmig

উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার – explorer

উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল – firewall.cpl

উইন্ডোজ ম্যাগনিফায়ার – magnify

উইন্ডোজ ম্যানেজমেন্ট – wmimgmt.msc

উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার – wmplayer

উইন্ডোজ ম্যাসেঞ্জার – msmsgs

উইন্ডোজ সিস্টেম সিকিউরিটি টুলস – syskey

আপডেট লাঞ্চ – wupdmgr

উইন্ডোজ ভার্সন – winver

উইন্ডোজ এক্সপি টুর – tourstart

ওয়ার্ড প্যাড – write

ধন্যবাদ সবাইকে।ভাল লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু।

দেখে নিন কিভাবে অ্যান্ডয়েড অ্যাপ ব্যাবহার করবেন আপনার ডেক্সটপ/ল্যাপটপে।আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছেন সবাই ? আশা করি সবাই ভা...
16/01/2015

দেখে নিন কিভাবে অ্যান্ডয়েড অ্যাপ ব্যাবহার করবেন আপনার ডেক্সটপ/ল্যাপটপে।

আসসালামু আলাইকুম।

কেমন আছেন সবাই ? আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আজ আপনাদের দেখাবো কিভাবে অ্যান্ডয়েড অ্যাপ ব্যবহার করা যায় ডেক্সটপ/ল্যাপটপে। একটু কৌশল খাটালেই অ্যান্ডয়েড অ্যাপ এবং গেম গুলো ব্যবহার করা যাবে ডেক্সটপ/ল্যাপটপে। এ জন্য BlueStacks নামের একটি সফটওয়্যারই যথেষ্ট।

এজন্য প্রথমে BlueStacks নামের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হবে। সফটওয়্যারটি ইন্সটল করা শেষ হলে মেনুর সার্চ অপসনে গিয়ে আপনি যে অ্যাপটি ব্যাবহার করতে চাইছেন সেটির নাম লিখে সার্চ করুন । ধরুন আপনি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাবহার করবেন, সার্চ অপসনে গিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ লিখে সার্চ দিতে হবে। এ সময় BlueStacks আপনাকে গুগল অ্যাকাউন্টের লগইন করতে বলবে। লগইন করার পরপরই আপনি পিসির জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ডাউনলোড করতে পারবেন এবং ইন্সটল করে ব্যবহার করতে পারবেন। একই কায়দায় আপনি অন্যান্য অ্যান্ড্রয়েড চ্যাটিং অ্যাপসও ব্যবহার করতে পারবেন।

BlueStacks ডাউনলোড লিঙ্ক : http://www.anafile.com/anakak.php

Address

77 Laboratory Road, Shop # 16, Sherin Plaza, NEw Elephant Road
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Technotronix posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Technotronix:

Share