MARS Printing and Accessories

MARS Printing and Accessories MARS Printing and Accessories supplies Printing Products, Corporate Gifts, Corporate Promotional Pro

MARS Printing and Accessories supplies Printing Products (All Kinds of Printing), Corporate Gifts, Corporate Promotional Products, Corporate Branding Products, Corporate Event Management Supports, and All Kinds of Garments Accessories Based in Dhaka, Bangladesh.

বিক্রি বাড়ানোর সবচেয়ে বড় 'সিক্রেট' কী জানেন? সেটা হলো— একবার নিজের সার্ভিসটা চেক করেছেন কি?! রাত ১২টা বাজে। হিসাবের খাতা...
26/08/2026

বিক্রি বাড়ানোর সবচেয়ে বড় 'সিক্রেট' কী জানেন? সেটা হলো— একবার নিজের সার্ভিসটা চেক করেছেন কি?!

রাত ১২টা বাজে। হিসাবের খাতা বা এক্সেল শিট নিয়ে বসে সারাদিনের হিসেব মেলাচ্ছেন আর ভাবছেন, "ইশ! আগামীকাল কীভাবে সেলসটা আরও বাড়ানো যায়?"

আমাদের বেশিরভাগ ব্যবসায়ীর দিন শেষ হয় এই একটা চিন্তা করেই। কিন্তু সত্যি বলতে কি, বিক্রি বাড়ানোর সবচেয়ে বড় ভুলটা লুকিয়ে আছে ঠিক এখানেই!

কারণ, একজন কাস্টমার কিন্তু শুধু আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস কিনতে আসে না। সে কিনতে আসে ভরসা, একটা সঠিক সমাধান আর ভালো একটা অভিজ্ঞতা।

একটু বাস্তব দিকটা ভেবে দেখুন তো—
•আপনি কাউকে একটা ভালো Product দিলেন।
•কথা অনুযায়ী সময়মতো Delivery দিলেন।
•কাস্টমারের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করলেন। ইনবক্সে বা ফোনে খুব সুন্দর করে রেসপন্স করলেন।
•আর কোনো সমস্যা হলে বিরক্ত না হয়ে হাসিমুখে সমাধান করে দিলেন।
তাহলে কী হবে? এর রেজাল্ট কী হবে জানেন:

ওই মানুষটা শুধু নিজেই আপনার রেগুলার কাস্টমার হবে না, বরং বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে বা বন্ধুদের আড্ডায় বুক ফুলিয়ে বলবে— "ওদের পেজ থেকে চোখ বন্ধ করে নিতে পারেন, ভাইদের সার্ভিস আসলেই অনেক ভালো!"

আসল Sales কিন্তু এটাই!

তাই প্রতিদিন হিসাবের খাতায় শুধু এই প্রশ্নটা করবেন না— “আজ কত টাকার বিক্রি হলো?”

বরং, দিনশেষে নিজেকে একবার জিজ্ঞেস করুন— “আজ আমি আমার কাস্টমারদের ঠিক কতটা ভালো অভিজ্ঞতা দিলাম?”

কারণ, আপনি যখন কাস্টমারের সমস্যার সমাধান করবেন এবং তার প্রত্যাশার চেয়ে একটু ভালো এক্সপেরিয়েন্স দেবেন, তখন সেলসের পেছনে আপনাকে আর ছুটতে হবে না। সেলস নিজেই আপনার কাছে ফিরে আসবে।

সহজ একটা সমীকরণ মাথায় রাখুন:
✅ ভালো প্রোডাক্ট + ভালো সার্ভিস + অসাধারণ অভিজ্ঞতা = নিশ্চিত সেলস!
দিনশেষে ব্যবসায় তারাই দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকে, যারা শুধু ভালো বিক্রেতা নয়, বরং কাস্টমারের জন্য দারুণ একটা অভিজ্ঞতা তৈরি করতে জানে!

কাস্টমারের সমস্যার সমাধান দিন, দেখবেন সেলস অটোমেটিক বাড়ছে। আপনি কি আজ আপনার কাস্টমারকে স্পেশাল কিছু ফিল করিয়েছেন?

কাজ করছি প্রিন্টিং প্যাকেজিং ও কর্পোরেট গিফ্ট আইটেম নিয়ে।
পেজ: MARS Printing & Accessories

বছরে ২০ লাখ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ২৩-২৪ কোটি টাকা  আয়! ভাবছেন কোনো বড় টেক কোম্পানি? একদমই না নেই, বিশাল Start...
25/08/2026

বছরে ২০ লাখ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ২৩-২৪ কোটি টাকা আয়!

ভাবছেন কোনো বড় টেক কোম্পানি? একদমই না নেই, বিশাল Startup নেই, হাজার হাজার কর্মীও নেই।
আছে শুধু দুটি Preschool।

—এই দম্পতি তার জলজ্যান্ত প্রমাণ। স্বামী-স্ত্রী মিলে চালান মাত্র দুটি Preschool (বাচ্চাদের স্কুল)। আর এই দুই স্কুল থেকেই একজন ৫৯ বছর বয়সী উদ্যোক্তার বার্ষিক আয় এক বছরের আয় প্রায় ২০ লাখ ডলারের কাছাকাছি! বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ২৩-২৪ কোটি টাকা!

কিন্তু সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো—তার শুরুটা মোটেও এমন ছিল না।ছোটবেলা থেকে "বড় হয়ে স্কুলের মালিক হবো"—এমন কোনো স্বপ্নও ছিল না তার। তার জীবনে শুধু একটা বিষয় পরিষ্কার ছিল— তিনি "সারাজীবন অন্যের অধীনে কাজ করতে চান না"। ব্যস, এই জেদ থেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার সিদ্ধান্ত।

প্রশ্ন হলো—কী নিয়ে ব্যবসা করবেন?
সেটাও তিনি জানতেন না।
পরে ফ্লোরিডাতে একজন তাকে Education Business-এর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। কিছু ভালো Mentor-এর কাছ থেকে শেখার সুযোগ পান। আর সেখান থেকেই শুরু হয় Preschool Business।

একটা স্কুল থেকে ধীরে ধীরে ব্যবসা বড় হতে থাকে। একসময় তিনি ও তার স্ত্রী মিলে দাঁড় করান দুটি বড় Preschool।

কিন্তু গল্পের টুইস্ট এখান থেকেই বদলে যায়ঃ
যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল—
“ব্যবসায় আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা কী?”
তার উত্তর ছিল খুবই ছোট—
“Take care of your employees.”

অর্থাৎ, আপনার কর্মীদের যত্ন নিন।
কারণ তিনি বুঝেছেন, কর্মীরা শুধু বেতন নেওয়া মানুষ নয়।
তারা আপনার ব্যবসার অভিজ্ঞতা, সেবা আর সুনামের অংশ।
তবে ব্যবসার বাইরেও তার কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত ছিল।
জীবনসঙ্গী নির্বাচন।

৩০ বছরের বিবাহিত জীবনের দিকে তাকিয়ে স্ত্রীকে দেখিয়ে তিনিনিঃসঙ্কোচে বলেন —
“I couldn’t have done it without her.”
অর্থাৎ, “তাকে ছাড়া আমি এটা করতে পারতাম না।”

একজন উদ্যোক্তার পাশে সঠিক মানুষ কতটা গুরুত্বপূর্ণ—এই কথাটাই হয়তো তার জীবনের সবচেয়ে বড় উপলব্ধি।

আর Sales ও Negotiation নিয়ে তার পরামর্শ?
মাত্র দুটি শব্দ—
“Be sellable.”
অর্থাৎ শুধু ভালো Product বা Service থাকলেই হবে না।

নিজেকেও এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যেন মানুষ আপনার কথা শুনতে চায়, আপনার ওপর বিশ্বাস করতে চায় এবং আপনার Offer গ্রহণ করতে চায়।

আর ৫৯ বছর বয়সে তরুণদের জন্য তার শেষ পরামর্শ জানতে চাওয়া হলে উত্তরটা ছিল আরও ছোট—
"God" (ঈশ্বর)। নিজের ওপর বিশ্বাস আর সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা।
এই গল্পের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হয়তো Preschool Business নয়।

বরং—
আপনাকে শুরুতেই সবকিছু জানতে হবে না।
শুরু করার জন্য পারফেক্ট সময়ের অপেক্ষা করবেন না।
কখনো একজন Mentor আপনার সামনে নতুন দরজা খুলে দিতে পারে।

কখনো একজন ভালো কর্মী আপনার ব্যবসাকে বড় করে তুলতে পারে।
আর কখনো সঠিক জীবনসঙ্গী আপনার পুরো যাত্রাটাই বদলে দিতে পারে। আপনার টিমের সদস্যদের নিজের পরিবারের মতো আগলে রাখুন।

ব্যবসা শুধু টাকা বানানোর খেলা নয়—সঠিক মানুষ, সঠিক সিদ্ধান্ত আর সঠিক মূল্যবোধ নিয়েও খেলা।

দিনশেষে বিশ্বাস আর ধৈর্যই আপনাকে গন্তব্যে পৌঁছে দেবে।

৩৫ বছর বয়সে তিনি প্রথম মিলিয়ন ডলারের মালিক হন। ১৩ বছর বয়সে গৃহহীন, আর ১৬ বছর বয়সে সোজা ১০ বছরের জন্য জেলে! একবার ভাবুন ত...
23/08/2026

৩৫ বছর বয়সে তিনি প্রথম মিলিয়ন ডলারের মালিক হন।

১৩ বছর বয়সে গৃহহীন, আর ১৬ বছর বয়সে সোজা ১০ বছরের জন্য জেলে! একবার ভাবুন তো, এমন একটা ছেলের জীবন শেষমেশ কোথায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে? আপনার-আমার হয়তো মনে হবে, এই ছেলের ভবিষ্যৎ পুরোই অন্ধকার।

কিন্তু ইন্টারনেট ও বিনিয়োগ জগতে ‘ওয়ালস্ট্রিট ট্র্যাপার’ (Wallstreet Trapper) নামে পরিচিত যার নাম লিওন হাওয়ার্ড
গল্পের টুইস্ট এখান থেকেই বদলে যায়ঃ

যিনি আজ এক বছরে ৮ অঙ্কের ডলারে আয় করেন ! এমনকি এনভিডিয়া (Nvidia)-তে শুধু একদিনে একটা ট্রেড করে তিনি আয় করেছিলেন ১১ লাখ ডলার (প্রায় বাংলাদেশী ১৩ কোটির টাকারও বেশি) !

এই অবিশ্বাস্য সফলতার পেছনের ম্যাজিকটা কিন্তু তিনি হার্ভার্ড বা অক্সফোর্ডের মতো কোনো নামিদামি বিজনেস স্কুলে শেখেননি। শিখেছিলেন জেলের ওই অন্ধকার সেলে বসেই।

জেলে পরিচয় হওয়া এক ব্যক্তি তাকে প্রথমবার চোখ খুলে দেন। লিওন বুঝতে পারেন, আমরা সাধারণ মানুষ সারা জীবন শুধু নিজের "সময়" বিক্রি করে টাকা আয়ের পেছনে ছুটি। কিন্তু ধনীরা তা করে না। তারা মানুষের জন্য ভ্যালু তৈরি করে এবং এমনভাবে টাকা বিনিয়োগ করে, যেন টাকাই উল্টো তাদের জন্য কাজ করে!

এই ছোট্ট একটা ধারণাই তার পুরো জীবন বদলে দেয়। জেল থেকে বের হয়ে তিনি ঠিক এই সূত্রটাই কাজে লাগান। ৩৫ বছর বয়সে তিনি প্রথম মিলিয়ন ডলারের মালিক হন।

এত এত সফলতার পরও লিওনের কাছে আসল শিক্ষা ওই ১১ লাখ ডলার নয়। তার মতে, আমাদের দারিদ্র্যের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আমরা "Ownership" বা মালিকানা বুঝতে চাই না। আমরা প্রতিদিন বড় বড় কোম্পানির পণ্য ব্যবহার করি, কিন্তু কখনো সেই কোম্পানির মালিকানার একটা ছোট অংশ (শেয়ার) কেনার কথা ভাবি না।

সবাইকে যে উদ্যোক্তাই হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। ব্যবসা চালানো মানসিক ও শারীরিকভাবে অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আপনি চাইলে একজন বুদ্ধিমান "বিনিয়োগকারী" হয়ে অন্যের সফল ব্যবসার অংশীদার হতে পারেন। অন্যের কোম্পানির জন্য দিনরাত খাটলে আপনি মূলত তাদের স্বপ্নকেই বড় করছেন, কিন্তু Ownership থাকলে তাদের সফলতার ভাগ আপনিও পাবেন।

লিওন হাওয়ার্ড বিশ্বাস করেন— আসল সম্পদ ব্যাংক ব্যালেন্স নয়। আসল সম্পদ হলো 'জ্ঞান'। টাকা একদিন শেষ হয়ে যেতে পারে। কিন্তু আপনি যদি আপনার পরিবারকে সম্পদ তৈরির বিদ্যাটা শিখিয়ে দিয়ে যেতে পারেন, তবে তা প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাদের কাজে লাগবে।

লিওনের এই অসাধারণ জার্নি থেকে আমাদের জীবনের জন্য দারুণ ৫টি শিক্ষণীয় বিষয়:

১. আপনার বর্তমানের খারাপ পরিস্থিতি কোনোভাবেই আপনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেয় না।
২. শুধু সময় বিক্রি করা বন্ধ করুন, নিজের জমানো টাকাকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়— সেটা শিখুন।
৩. জীবনে বড় হতে চাইলে সম্পদ তৈরিতে "মালিকানা (Ownership)" নিতে শেখাটা ভীষণ জরুরি।
৪. শুধু মোটিভেশনাল তথ্য জানলেই হবে না; সেটাকে বাস্তবে কাজে লাগাতে হবে।
৫. সবচেয়ে বড় সম্পদ শুধু টাকা নয়— পরবর্তী প্রজন্মকে সম্পদ তৈরির সঠিক জ্ঞান দিয়ে যাওয়া।

গল্পের কোন পয়েন্টটা আজ আপনাকে সবচেয়ে বেশি ভাবাল ?

জীবন যখন চারপাশ থেকে আটকে ধরে, পকেটে টাকা নেই, তখন স্বপ্ন দেখার সাহস কজন রাখে?দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণী লরেন লুটসের (Lorrain...
21/08/2026

জীবন যখন চারপাশ থেকে আটকে ধরে, পকেটে টাকা নেই, তখন স্বপ্ন দেখার সাহস কজন রাখে?

দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণী লরেন লুটসের (Lorraine Loots) সামনেও ঠিক এমনই এক পরিস্থিতি এসে দাঁড়িয়েছিল। জীবনে টিকে থাকতে একই সাথে ১২টি ছোটখাটো কাজ করছিলেন তিনি। মধ্যবিত্তের কঠিন জীবন, বাড়তি কোনো আয় নেই। একপ্রকার বাধ্য হয়েই তিনি ভর্তি হলেন 'Business for Artists' নামের একটি ক্লাসে। আর এই ক্লাসের শেষ প্রজেক্টটিই তার পুরো জীবন বদলে দিল!

লরেন সিদ্ধান্ত নিলেন, সারাদিনের হাজারো কাজের ভিড়ে নিজের আসল প্যাশনের জন্য প্রতিদিন মাত্র ১ ঘণ্টা সময় বের করবেন। এই ১ ঘণ্টায় তিনি একটি ছবি আঁকবেন এবং সেটি ইনস্টাগ্রামে আপলোড করবেন।

কিন্তু সময় তো মাত্র ১ ঘণ্টা! এত অল্প সময়ে বড় কোনো ক্যানভাসে ছবি আঁকা সম্ভব ছিল না। আর সেই তীব্র সীমাবদ্ধতা থেকেই জন্ম নিল এক জাদুকরী আইডিয়ার—"365 Paintings for Ants"! একটি বড় ধাতব মুদ্রার সমান ছোট্ট ক্যানভাসে অতি সূক্ষ্ম আর অবিশ্বাস্য নিখুঁত শিল্পকর্ম আঁকতে শুরু করলেন তিনি।

২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে শুরু। পথটা মোটেও মসৃণ ছিল না। চরম শারীরিক অসুস্থতা, এমনকি পরিবারের কাছের মানুষকে হারানোর গভীর শোকও তাকে দমাতে পারেনি। বিছানা থেকে কষ্ট করে উঠে হলেও ওই ১ ঘণ্টা তিনি ক্যানভাসে বসেছেন। কারণ তিনি বুঝেছিলেন, স্বপ্ন পূরণে টিকে থাকতে হলে বলীদান আর ধারাবাহিকতার কোনো বিকল্প নেই।

কিছুদিনের মধ্যেই মানুষ প্রতিদিন আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করতে শুরু করল—আজ লরেন কী আঁকবেন?

গল্পের টুইস্ট এখানেই
তার এই অভাবনীয় ধারাবাহিকতাই জীবনে নিয়ে এল পরম কাঙ্ক্ষিত সেই "টার্নিং পয়েন্ট"। বিশ্বখ্যাত আর্ট সাইট Colossal এবং পরবর্তীতে খোদ ইনস্টাগ্রাম তাদের মূল পাতায় লরেনকে ফিচার করে। রাতারাতি তার চিত্রকর্ম বিক্রি হতে শুরু করে এবং বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ গ্যালারিগুলোতে তার কাজ জায়গা করে নেয়!

আজ অনেকেই বলে—
“সময় নেই।”
“টাকা নেই।”
“সুযোগ নেই।”
“আমাকে কেউ চেনে না।”

লরেনের এই গল্পটি আমাদের পার্সোনাল ব্র্যান্ডিংয়ের দারুণ ৪টি শিক্ষা দেয়:

সীমাবদ্ধতা থেকেই নতুন পথের জন্ম: ১ ঘণ্টার সীমাবদ্ধতায় না পড়লে তিনি হয়তো 'মিনিয়েচার আর্ট'-এর মতো এই ইউনিক জায়গাটি কখনোই খুঁজে পেতেন না।

ধারাবাহিকতাই আসল শক্তি: অসুস্থতা ও শোকের মধ্যেও প্রতিদিন কাজ পোস্ট করার অদম্য মানসিকতাই অডিয়েন্সের কাছে তাকে অনন্য করে তুলেছে।

সোশ্যাল মিডিয়াই সেরা প্ল্যাটফর্ম: গ্যালারির দরজায় ধরণা না দিয়ে তিনি সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়াকেই নিজের প্রধান মাধ্যম বানিয়েছেন।

কমিউনিটি তৈরি করুন: আজকের যুগে কাজ কতটা অসাধারণ তার চেয়েও বড় বিষয় হলো বিশ্ব সেটা দেখতে পাচ্ছে কি না। লরেন শুধু ছবিই আঁকেননি, নিজের কাজের চারপাশে একটি 'কমিউনিটি' ও 'ব্র্যান্ড' গড়ে তুলেছিলেন।

কিন্তু Lorraine Loots-এর গল্প একটা অস্বস্তিকর প্রশ্ন করে—
আপনার কাছে কি প্রতিদিন মাত্র ১ ঘণ্টাও নেই?
হয়তো আপনার জীবনও এখন খুব একটা সুবিধার নয়।

হয়তো আপনার কাছে বড় বাজেট নেই।
বড় অফিস নেই।
বড় Audience নেই।

সমস্যা নেই।
শুরু করার জন্য আপনার যা আছে, সেটা দিয়েই শুরু করুন।

প্রতিদিন ১ ঘণ্টা।
প্রতিদিন ১টি কাজ।
প্রতিদিন ১টি Content।
প্রতিদিন ১ ধাপ।

কারণ Personal Brand একদিনে তৈরি হয় না।

মানুষ যখন বারবার আপনার কাজ দেখতে পায়, আপনার ধারাবাহিকতা দেখতে পায় এবং বুঝতে পারে—“এই মানুষটা থামে না”—তখনই একটি পরিচয় তৈরি হতে শুরু করে।

বড় সুযোগের অপেক্ষা করবেন না।
ছোট কাজটা প্রতিদিন করুন।

কারণ কখনো কখনো আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা শুরু হয়—

আপনিও যদি আপনার দক্ষতা নিয়ে ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে থাকেন, তবে মনে রাখবেন—নিজের জায়গা নিজেকেই তৈরি করে নিতে হয়।

কোনো রাতারাতি ম্যাজিকের জন্য অপেক্ষা না করে, লরেনের মতো প্রতিদিন একটি করে ছোট পদক্ষেপ নিন। কারণ এই ডিজিটাল যুগে যে নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারে, সুযোগ ও সফলতা তার কাছেই ধরা দেয়।

সারাদিনের শত ব্যস্ততার মাঝেও আপনার জীবনের এমন কোনো '১ ঘণ্টার প্রজেক্ট' আছে কি, যা আপনি আজ থেকেই শুরু করতে চান বা করেছেন?

নাইজেরিয়ার এক তরুণ তার প্রথম গাড়ি কেনার টাকাটা দিয়ে গাড়ি না কিনে, কিনেছিলেন একটা প্রপার্টি বা জমি। তখন হয়তো কাছের মানুষদ...
21/08/2026

নাইজেরিয়ার এক তরুণ তার প্রথম গাড়ি কেনার টাকাটা দিয়ে গাড়ি না কিনে, কিনেছিলেন একটা প্রপার্টি বা জমি।

তখন হয়তো কাছের মানুষদের কাছে সিদ্ধান্তটা খুব সাধারণ বা একটু বোকামি মনে হয়েছিল!

কিন্তু সেই ছোট ‘স্যাক্রিফাইস’ আর জমানো টাকাই আজ তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারের বিশাল সাম্রাজ্যের মালিক বানিয়েছে।

বলছি তার নাম হলো টোনি এলুমেলু (Tony Elumelu)-এর কথা। তিনি একজন নাইজেরিয়ান বিলিয়নিয়ার, 'United Bank for Africa (UBA)'-এর চেয়ারম্যান এবং 'Heirs Holdings'-এর প্রতিষ্ঠাতা।

নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা টোনির সাফল্যের শুরুটা কিন্তু কোনো ম্যাজিক বা বড় পুঁজি দিয়ে হয়নি। হয়েছিল ৩টি খুব সাধারণ অভ্যাস দিয়ে: ১. Hard Work (কঠোর পরিশ্রম) ২. Discipline (নিয়মশৃঙ্খলা) ৩. Deferred Gratification (অর্থাৎ, আজকের শখটা ভবিষ্যতের জন্য একটু পিছিয়ে দেওয়া)।

গল্পের টুইস্ট এখানেই
তার জীবনের সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট আসে যখন তিনি কয়েকজন বন্ধুর সাথে মিলে একটি ডুবতে বসা (distressed) দুর্দশাগ্রস্ত / বিপন্ন ব্যাংক কিনে নেন। নিজেদের পরিশ্রম আর বুদ্ধিমত্তায় তারা ব্যাংকটিকে আবার ঘুরিয়ে দাঁড় করান। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আজ ব্যাংকিং থেকে শুরু করে তেল, গ্যাস, রিয়েল এস্টেট—সব জায়গাতেই তার বিশাল বিনিয়োগ।

তবে টোনির জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিকটি হলো তার চিন্তাধারা। তিনি বিশ্বাস করেন—
"You can't be the only tree in the forest." (আপনি জঙ্গলের একমাত্র গাছ হতে পারেন না!)

অর্থাৎ, শুধু নিজে বড় হলে হবে না, চারপাশের মানুষকেও বড় হওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। আর তাই তিনি 'The Tony Elumelu Foundation' তৈরি করেছেন, যেখান থেকে আফ্রিকার তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রতিবছর ৫,০০০ ডলার করে অনুদান দেওয়া হয়! তিনি বিশ্বাস করেন, চারপাশের মানুষ সফল হলে তবেই সমাজ এগোবে।

তরুণদের জন্য এই বিলিয়নিয়ারের সবচেয়ে বড় আর্থিক পরামর্শটি খুব সহজ: Save. Save. Save. তার মতে, “কেউ যদি এক ডলার আয় করে বলে যে ‘এটা তো খুব সামান্য, এখান থেকে জমানো যায় না’, তাহলে সে জীবনে এক বিলিয়ন ডলার আয় করলেও কিছুই জমাতে পারবে না।”

তাই পকেট খালি করে বিলাসিতা নয়, আগে সঞ্চয় করুন এবং সেই সঞ্চয়কে বিনিয়োগে রূপান্তর করুন।

তার এই অসাধারণ জীবনের গল্প থেকে আমাদের জন্য ৫টি দারুণ শিক্ষা রয়েছে:

১. ভবিষ্যতের জন্য আজকের শখ বিসর্জন: আজকের সাময়িক ইচ্ছা পূরণ না করে, ভবিষ্যতের জন্য সম্পদ তৈরি করাটা অনেক বেশি বুদ্ধিমানের কাজ।
২. শুধু জমানোই শেষ নয়: টাকা শুধু জমালেই হবে না, সেই সঞ্চয়কে সঠিক জায়গায় বিনিয়োগ করতে হবে।
৩. সুযোগের জন্য প্রস্তুতি: মানুষ যেটাকে 'লাক' বা ভাগ্য বলে, সেটা আসলে সুযোগ। সুযোগ আসার আগেই নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হয়, তবেই সেটাকে কাজে লাগানো যায়।

অনেকে বলে—“ওর ভাগ্য ভালো ছিল।”
কিন্তু সত্যিটা হলো— Luck যখন দরজায় কড়া নাড়ে, আপনি প্রস্তুত না থাকলে সেটাকে Opportunity হিসেবেও চিনতে পারবেন না। তাই বড় সুযোগের অপেক্ষায় বসে থাকার চেয়ে নিজেকে প্রস্তুত করাই বেশি জরুরি।

৪. সবাইকে নিয়ে বড় হওয়া: আসল বড় হওয়া মানে শুধু নিজের ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়ানো নয়, বরং অন্যদের এগিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করে দেওয়া।

৫. ভিশনে অটুট থাকা: ভবিষ্যৎ যত কঠিনই মনে হোক না কেন, নিজের লক্ষ্যের দিকে ফোকাসড থেকে দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করলেই দিনশেষে পার্থক্যটা গড়ে ওঠে।

পরিশেষে-
আপনার আয় আজ যতহোক।
কিন্তু একটা প্রশ্ন নিজেকে করুন—
আপনি আপনার আয়ের কতটা আজকের জীবনকে আরামদায়ক করতে খরচ করছেন, আর কতটা ভবিষ্যতের জীবনকে শক্তিশালী করতে ব্যবহার করছেন?

কারণ আপনার ভবিষ্যৎ সম্পদের ভিত্তি তৈরি হচ্ছে আজকের ছোট ছোট সিদ্ধান্তগুলো দিয়েই।
Save. Invest. Stay Focused.

আর সুযোগ আসার আগেই নিজেকে প্রস্তুত করুন।
গল্পের কোন শিক্ষাটি আপনার নিজের জীবনের সাথে সবচেয়ে বেশি কাছাকাছি ?

২০ বছর বয়সে ছেলেটিকে চাকরি দেওয়া হয়নি, কারণ তার কোনো 'ডিগ্রি' ছিল না!ছেলেটি তখন উল্টো প্রশ্ন করল, "আচ্ছা, ডিগ্রি থাকলে আ...
19/08/2026

২০ বছর বয়সে ছেলেটিকে চাকরি দেওয়া হয়নি, কারণ তার কোনো 'ডিগ্রি' ছিল না!

ছেলেটি তখন উল্টো প্রশ্ন করল, "আচ্ছা, ডিগ্রি থাকলে আপনারা মাসে কত বেতন দিতেন?" উত্তর এলো, "১,১০০ ডলার আর সাথে কিছু কমিশন।" ছেলেটি বলল, "আমার কোনো ফিক্সড বেতন চাই না।

আমি শুধু কমিশনে কাজ করব। আমাকে কি একটা সুযোগ দেবেন?"
তারা সুযোগ দিল। আর ঠিক এক বছর পর... ছেলেটি সেই কোম্পানিটাই কিনে নিলো!

গল্পটা কোনো সিনেমার দৃশ্য নয়, একদম বাস্তব। মানুষটির নাম রিক জ্যাকসন (Rick Jackson)। যিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান 'জ্যাকসন হেলথকেয়ার'-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও। তার অধীনে ২২টি কোম্পানি, আর ব্যবসার বার্ষিক আয় ৩ বিলিয়ন ডলার!
অথচ তার জীবনের শুরুটা ছিল নিদারুণ কষ্টের।

বাবা ছিলেন না। মা মাত্র ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছিলেন, কাজ করতেন ওয়েট্রেস হিসেবে। অভাবের তাড়নায় মাত্র ১৩ বছর বয়সে তাকে চলে যেতে হয় ফস্টার কেয়ারে (অনাথ বা দুস্থ শিশুদের আশ্রয়াশ্রম)। এরপর জীবনের তাগিদে বদলেছে ৫টি ফস্টার হোম, ৮টি প্রাইমারি স্কুল আর ৫টি হাইস্কুল। ১৯ বছর বয়সে টাকার অভাবেই পড়াশোনায় ইতি টানতে হয় তাকে।

কিন্তু এই চরম হতাশার মধ্যেও তার মাথায় একটা জেদ চেপে বসেছিল— নিজের জীবনের স্টিয়ারিং সে নিজের হাতেই রাখবে।

গল্পের টুইস্ট এখানেই
সেই জেদ থেকেই বিনা বেতনে চাকরিতে ঢোকা এবং ২৬ বছর বয়সেই নিজের চেষ্টায় 'মিলিয়নিয়ার' হয়ে যাওয়া।
ব্যবসা বড় করতে গিয়ে রিক জ্যাকসন খুব দারুণ একটা জিনিস শিখেছিলেন।

তিনি বিশ্বাস করতেন, "বিক্রি মানে কাউকে জোর করে নিজের জিনিস গছিয়ে দেওয়া নয়।" তিনি আগে বোঝার চেষ্টা করতেন, সামনের মানুষটার আসলে কী প্রয়োজন। এরপর নিজের পণ্য বা সেবা দিয়ে সেই সমস্যার সমাধান করতেন। তার সোজা হিসাব ছিল— অন্যকে তার প্রয়োজনীয় জিনিস পেতে সাহায্য করো, দেখবে নিজের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোও তুমি পেয়ে গেছো!

তবে রিকের জীবনে সবচেয়ে চমকপ্রদ ঘটনাটা ঘটে তিনি যখন মিলিয়নিয়ার হয়ে যান, তখন।
টাকা হলেও, প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি না থাকার একটা চাপা কষ্ট তার ভেতরে কাজ করত।

তাই ২৬ বছর বয়সে তিনি মাসে ২,০০০ ডলার বেতনে একজন পিএইচডি (PhD) হোল্ডারকে নিজের জন্য নিয়োগ দেন! উদ্দেশ্য একটাই— ট্যাক্স, মার্কেটিং, অ্যাকাউন্টিং থেকে শুরু করে ব্যবসার খুঁটিনাটি সব তার কাছ থেকে শিখে নেওয়া। কারণ তিনি ব্যবসার কোনো হিসাবই অন্যের ওপর অন্ধভাবে ছেড়ে দিতে রাজি ছিলেন না।

আজ ৭২ বছর বয়সে দাঁড়িয়েও রিক জ্যাকসন নিজের সেই কঠিন শৈশবকে ভুলে যাননি। তাই তার মতো যেসব শিশুরা ফস্টার কেয়ারে বড় হচ্ছে, তাদের ভাগ্য বদলাতে 'FaithBridge Foster Care' নামের একটি সংস্থাও প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি।

রিক জ্যাকসনের এই রোলারকোস্টার জীবন থেকে আমাদের ৫টি দারুণ জিনিস শেখার আছে:
১.শুরুটা যেমনই হোক: পরিস্থিতি হয়তো আপনার শুরুটা কেমন হবে তা ঠিক করে দেয়, কিন্তু শেষটা কোথায় হবে, সেটা আপনার হাতেই।

২. আসল সেলস: ভালো বিক্রি মানে অনর্গল কথা বলা নয়, বরং ক্রেতার প্রয়োজন বুঝে সঠিক সমাধান দেওয়া।

৩. শেখার ক্ষুধা: ডিগ্রি না থাকলেও সমস্যা নেই, যদি শেখার অদম্য ইচ্ছা থাকে, তবে নিজের রাস্তা নিজেই তৈরি করে নেওয়া যায়।

৪. দায়িত্ববোধ: ব্যর্থ হলে অন্যকে দোষ না দিয়ে নিজের কাঁধে দায়িত্ব নিন। তাহলেই জীবনের নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে থাকবে।

৫. সাফল্যের আসল অর্থ: সাফল্য মানে কখনো পড়ে না যাওয়া নয়, বরং যতবার পড়বেন, তার চেয়ে অন্তত একবার বেশি উঠে দাঁড়ানো!

রিক জ্যাকসনের জীবনের কোন বিষয়টি আপনাকে সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে?

Address

191 Fakirapool, Motijheel C/A
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MARS Printing and Accessories posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share