কারিগরি আইটি কম্পিউটার - Techit

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • কারিগরি আইটি কম্পিউটার - Techit

কারিগরি আইটি কম্পিউটার - Techit কারিগরি আইটি কম্পিউটার, Reg: C-138593

29/06/2018
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিতকারিগরি আইটি কম্পিউটার সকল আঞ্চলিক শাখা সমূহের জানুয়ারী-জুন-২০১৮ এর ৩ মাস ও ৬ মাস ...
29/06/2018

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত
কারিগরি আইটি কম্পিউটার সকল আঞ্চলিক শাখা সমূহের জানুয়ারী-জুন-২০১৮ এর ৩ মাস ও ৬ মাস মেয়াদী কম্পিউটার অফিস এ্যাপ্লিকেশন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

29/06/2018

কারিগরি আইটি কম্পিউটার, Reg: C-138593

২১ শে ফেব্রুয়ারিএকুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জনগণের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসা...
20/02/2018

২১ শে ফেব্রুয়ারি
একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জনগণের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবেও সুপরিচিত। বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৫২ সালের এই দিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮) বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ২০১০ খ্রিস্টাব্দে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়।
বঙ্গীয় সমাজে বাংলা ভাষার অবস্থান নিয়ে বাঙালির আত্ম-অম্বেষায় যে ভাষাচেতনার উন্মেষ ঘটে, তারই সূত্র ধরে বিভাগোত্তর পূর্ববঙ্গের রাজধানী ঢাকায় ১৯৪৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভাষা-বিক্ষোভ শুরু হয়। ১৯৪৮ সালের মার্চে এ নিয়ে সীমিত পর্যায়ে আন্দোলন হয় এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি তার চরম প্রকাশ ঘটে।

ঐদিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাজপথে বেরিয়ে এলে পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালায়। এতে আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালামসহ কয়েকজন ছাত্রযুবা হতাহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ ঢাকাবাসী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে সমবেত হয়। নানা নির্যাতন সত্ত্বেও ছাত্রদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ জানাতে পরের দিন ২২ ফেব্রুয়ারি পুণরায় রাজপথে নেমে আসে। তারা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে শহীদদের জন্য অনুষ্ঠিত গায়েবি জানাজায় অংশগ্রহণ করে। ভাষাশহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারি এক রাতের মধ্যে মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে গড়ে ওঠে একটি স্মৃতিস্তম্ভ, যা সরকার ২৬ ফেব্রুয়ারি গুঁড়িয়ে দেয়। একুশে ফেব্রুয়ারির এই ঘটনার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলন আরও বেগবান হয়। ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৯ মে অণুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তখন থেকে প্রতি বছর এ দিনটি জাতীয় ‘শোক দিবস’ হিসেবে উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনায় ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা এক মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে একাধিক্রমে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষকবৃন্দ, ঢাকাস্থ বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। এ সময় আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি গানের করুণ সুর বাজতে থাকে।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর একুশে ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষিত হয়। এদিন শহীদ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে রেডিও, টেলিভিশন এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো বিভিন্ন অণুষ্ঠানের আয়োজন করে। দেশের সংবাদপত্রগুলিও বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে।

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি যে চেতনায় উদ্দীপিত হয়ে বাঙালিরা রক্ত দিয়ে মাতৃভাষাকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিল, আজ তা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি
কানাডার ভ্যানকুভার শহরে বসবাসরত দুই বাঙ্গালী রফিকুল ইসলাম এবং আবদুস সালাম প্রাথমিক উদ্যোক্তা হিসেবে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার আবেদন জানিয়েছিলেন জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনানের কাছে ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে।[১][২] ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি জাতিসঙ্ঘের সদস্যদেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।[৩] ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে এখন থেকে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে জাতিসংঘ। - এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তাবটি সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে উত্থাপন করে বাংলাদেশ। গত মে মাসে ১১৩ সদস্যবিশিষ্ট জাতিসংঘের তথ্যবিষয়ক কমিটিতে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে পাস হয়।
সূত্র- উইকিপিডিয়া

কারিগরি আইটি কম্পিউটারআমাদের সম্পর্কে তথ্যকারিগরি আইটি কম্পিউটার: বর্তমান বিশ্ব এমনিতেই এখন ভার্চুয়াল কাজের ওপর অনেক বেশ...
20/02/2018

কারিগরি আইটি কম্পিউটার
আমাদের সম্পর্কে তথ্য

কারিগরি আইটি কম্পিউটার: বর্তমান বিশ্ব এমনিতেই এখন ভার্চুয়াল কাজের ওপর অনেক বেশি নির্ভশীল তাই কম্পিউটার বিষয়ে মৌলিক জ্ঞান থাকাটা এখন সকলের জন্য আবশ্যক হয়ে পড়েছে। বর্তমান সময়ে আপনি এমন চাকরি বিজ্ঞপ্তি খুব কমই দেখবেন যেখানে কম্পিউটারের মৌলিক অভিজ্ঞতা চাওয়া হয় না। সেই লক্ষ্যে সরকারের পাশাপাশি কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান The Companies ACT XVIII OF 1994 কোম্পানীর আইনের অনূকূলে অনুমোদিত। উহার মধ্যে Technical IT Computer উল্লেখিত একটি প্রতিষ্ঠান যাহার গভঃ রেজিঃ নম্বর C-138593/17 এর ভিত্তিতে আমরা দেশজুড়ে তথ্য প্রযুক্তির উপর গুরুত্ব আরোপ করে আসছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে তৃণমূলপর্যায়ে প্রযুক্তি সম্প্রসারনের জন্য কারিগরি আইটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্ভশীল একটি প্রতিষ্ঠান। প্রযুক্তির অসম্ভবকে সম্ভব করে গোটা পৃথিবীকে পরিবর্তন করে দিয়েছে কম্পিউটার জ্ঞান। বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার অনুযায়ী বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে তথ্য ও প্রযুক্তির উপর মানসম্মত আধুনিক প্রশিক্ষণের জন্য মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষনিত কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি। পৃথিবী যখন তথ্য ও প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে আমাদের দেশে আইটি উদ্দোগতাদের নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে কম্পিউটার জ্ঞান পৌছে দেওয়ার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি কাজ করবে। প্রত্যাশিতভাবে কম্পিউটার শিক্ষা চালু করনের লক্ষে প্রতিটি বিভাগ, জেলা/থানা পর্যায়ে আধুনিক কম্পিউটার ট্রেণিং সেন্টার চালু উদ্যোগ নিয়েছি। যাতে সাধারণ মানুষ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিয়ে ঘরে বসেই অর্থ উপার্জন করতে পারে। শুধু সরকারেরই নয়, আমাদের সকলের দায়িত্ব দেশ থেকে বেকারত্ব দূর করা। দক্ষ জনবল সৃষ্টি করা আমাদের মূল উদ্দেশ্য।

04/02/2018

কারিগরি আইট কম্পিউটার কর্তৃক পরিচালিক সকল আঞ্চলিক শাখা সমূহের জুলাই-ডিসেম্বর সেশনের বিভিন্ন মেয়াদী কম্পিউটার ক...

16/01/2018

কারিগরি আইটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আঞ্চলিক শাখা অনুমোদন চলছে

কারিগরি আইটি কম্পিউটার, Reg: C-138593

দেশব্যাপী কারিগরি আইটি কম্পিউটারের আঞ্চলিক শাখা অনুমোদন চলছে।
16/01/2018

দেশব্যাপী কারিগরি আইটি কম্পিউটারের আঞ্চলিক শাখা অনুমোদন চলছে।

দেশব্যাপী কারিগরি আইটি কম্পিউটারের আইটি উদ্যোক্তা সৃষ্টি কার্যক্রম চলছে।

Address

Faridpur
Dhaka
7801

Opening Hours

Monday 09:00 - 19:00
Tuesday 09:00 - 19:00
Wednesday 09:00 - 19:00
Thursday 09:00 - 19:00
Friday 09:00 - 19:00
Saturday 09:00 - 19:00
Sunday 09:00 - 19:00

Telephone

+8801966909203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কারিগরি আইটি কম্পিউটার - Techit posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to কারিগরি আইটি কম্পিউটার - Techit:

Share