31/07/2024
মানব সভ্যতার শুরু থেকে সমাজে টিকে থাকার জন্য ভাবের আদান-প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হয়ে ওঠে। আর সেখান থেকেই ভাষার বিবর্তন শুরু এবং সেই ভাষাকে লিখিত রূপ দেওয়া। তবে আজকে আমরা একটা সাংকেতিক ভাষা সম্পর্কে জানব, আর সেটি হলো "মোর্স কোড"।
মোর্স কোড কী ?
মোর্স কোড হল এমন একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা যেখানে অক্ষর, সংখ্যা এবং প্রতীকগুলিকে ডট (•) এবং ড্যাশ (-) এর একটি সিরিজ দ্বারা উপস্থাপন করা হয়।
উদাহরণস্বরূপ:
A: •-
B: -•••
C: -•-•
1: •----
2: ••---
এই সাংকেতিক ভাষা টেলিগ্রাফির প্রথম দিকের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। লিখিত কোড ছাড়াও এটি ডাটা কম্যুনিকেশনে পালস বা শব্দ ইত্যাদি দিয়ে উপস্থাপন করা যায়। সেক্ষেত্রে একটি ড্যাশ দ্বারা গঠিত শব্দ তিনটি ডটের সমান। সুতরাং এখনে ডট হচ্ছে পরিমাপের একক । ১৮৩০ সালে মোর্স কোড আবিষ্কার করেন স্যামুয়েল এফ বি মোর্স। তার নামানুসারে এই কোডের নামকরণ করা হয় ‘মোর্স কোড’।
Emergency SOS:
আন্তর্জাতিক মোর্স কোড সংকেত SOS(· · · – – – · · ·)প্রথম ১৯০৫ সালে ব্যবহৃত হয় দুর্যোগ বিপর্যস্ত একটি জাহাজের জন্য। পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাপী মাত্র কয়েক বছর পরেই এই সংকেতটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তিনটি ড্যাশ এবং তিনটি ডট এর পুনরাবৃত্তি প্যাটার্নটি সহজ ও সরল প্রকৃতির হওয়ার কারণে সহজেই নির্বাচিত হয়ে যায় ইমার্জেন্সি কেসে ব্যবহারের জন্য। SOS-এর অর্থ ঘটনার ওপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হতে থাকে, যেমন “save our ship” যার অর্থ “আমাদের জাহাজ বাঁচান” অথবা “save our souls” যার অর্থ “বিপদ থেকে রক্ষা কর”।
আরেকটি মজার ফ্যাক্ট বলি, আমরা আগে নোকিয়া বাটন মোবাইলে মেসেজ আসলে একটা বিপ সাউন্ড এর সংকেত শুনতে পেতাম। সেটা আর কিছু না, সেটাকে ডিকোড করলে SMS শব্দ পাওয়া যাবে।
মোর্স কোড যারা শিখতে চান তারা অনলাইনে / ইউটিউবে অনেকে ভিডিও পেয়ে যাবেন শিখে নেওয়ার জন্য।
- H: ....
- T: -
- S: ...
অর্থাৎ HTS যেটাকে অনেকে Help The Students হিসাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এখন পা দিয়ে সে এটা আসলেই বুঝিয়েছিলো নাকি কাকতালীয় সেটা বিষয় নয় আমাদের । তবে যেটাই হোক, এই জেনারেশনের ছেলেমেয়ে যে কতটা মেধাবী তা আর নতুন করে প্রমাণ করার কিছুই নেই।
এই জেনারেশনের অনেকেই Facebook, Youtube, ABB, Microsoft, Amazon ইত্যাদি বড়ো বড়ো প্রতিষ্ঠানে জব করে,সুতারং এই জেনারেশন AI,IT,Semiconductors device, Digital Language ,Coding ভালোই জানে।।