15/05/2024
১. ব্যাংক কখনো মর্টগেজ দেখে লোন দেয় না, মর্টগেজের বিপরীতে কখনো লোন হয় না । ব্যাংক লোন দেয় ব্যবসা দেখে আর মর্টগেজ রাখা হয় সিকিউরিটি হিসেবে সেইটাও আবার ৬০:৪০ ইকুইটি মার্জিনে। খুব কম ক্ষেত্রেই মর্টগেজ ভ্যালু লোনের চেয়ে বেশি হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মর্টগেজ ভ্যালু লোনের চেয়ে কম থাকে, তাই ১ টাকা লোনের মর্টগেজ ভ্যালু ১০ টাকা অসম্ভব।
২. ১ টাকার লোন নিয়ে ১০ টাকার জমি বিক্রি করা! ব্যাংক কোনদিনও ১ টাকার জায়গায় ১০ টাকা আদায় করতে পারবেনা। ১ টাকার জন্য ১০ টাকার মর্টগেজ বিক্রি করলেও অবশিষ্ট ৯ টাকা গ্রাহককে দিতে বাধ্য।
৩. কতটাকা পরিশোধ করতে হবে!
ব্যাংক যখন লোন দেয় তখনই কিস্তি পরিশোধের সম্পূর্ণ লিস্ট তারিখ উল্লেখসহ গ্রাহককে দিয়ে দেয়। তাছাড়া প্রতিনিয়ত গ্রাহকের ঠিকানায় লোনের এমাউন্ট, কিস্তির বকেয়া উল্লেখ করে চিঠি পাঠানো হয়। সব বাদ দিলাম কালকে সকালে ব্যাংকে যেয়ে শুধু কিস্তির পরিমাণ কেন, লোনের ডিটেইলস জানতে চাইলে ব্যাংক সাথে সাথে দিয়ে দিবে।
৪. ব্যাংক চাওয়া মাত্রই গ্রাহকের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে না । মামলা করার আগে গ্রাহককে কয়েকবার চিঠি দিতে হবে। পত্রিকায় নিলাম, সমন জারি করতে হবে । এগুলো করা ছাড়া আদালতে গেলাম মামলা করে আসলাম, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়ে গেল বিষয়টা এমন না।
৫. মামলা হয় খেলাপি গ্রাহকের বিরুদ্ধে। গ্রাহক খেলাপি হল কেন ? কোভিডের সময় বাংলাদেশ ব্যাংক ২% টাকা জমা দিয়ে খেলাপি ঋণ রেগুলার করার সুযোগ দিল, এর চেয়ে বড় সুযোগ আর কি দিবে। তাছাড়া খেলাপি ঋণ রেগুলার করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের আরও অনেক সার্কুলার আছে, গ্রাহক সেই সুযোগ না নিয়ে খেলাপি হল কেন?
সবচেয়ে বড় কথা কালকে সকালে ব্যাংকে যেয়ে যদি বলা হয় ব্যাংকের সব টাকা ফেরত দিয়ে দিচ্ছি, ব্যাংক কি টাকা নিবে না? ব্যাংক সাথে সাথে টাকা নিবে এবং মামলা বাতিল হয়ে যাবে।