23/08/2026
সব কিছু নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করার আগে একটু ভালোভাবে ভাবুন।
জানি না কেন,
বিষয়টি নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করছেন, ফানি পোস্ট করছেন, হাসি-ঠাট্টা করছেন।
হয়তো শহরের বাস্তব পরিস্থিতি সবাই কাছ থেকে দেখেনি।
আমি একজন ছেলে হয়েও অনেক সময় বাসে উঠতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না।
কারণ ভিড়ের মধ্যে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়,
সেটা নিজের চোখে দেখেছি।
বিশেষ করে অফিস ছুটির সময় বাসের অবস্থা কতটা কঠিন—যারা নিয়মিত যাতায়াত করেন, তারা ভালো করেই জানেন।
তাই মেয়েদের জন্য আলাদা বাস বা আলাদা পরিবহনব্যবস্থার উদ্যোগকে আমি ব্যক্তিগতভাবে একটি ভালো ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ মনে করি।
যারা এটাকে নিয়ে মজা করছেন, তাদের কাছে একটা প্রশ্ন—
আপনার বোন, স্ত্রী কিংবা পরিবারের কোনো নারী যদি প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকেন, আর পাশের কোনো পুরুষের সঙ্গে অনিচ্ছাকৃতভাবে তার শরীর লেগে যায় বা তাকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়—তখন বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখবেন?
আমি নিজে এমন পরিস্থিতি দেখেছি। তাই মিথ্যা কোনো কথা বলছি না।
অফিস ছুটির সময় অনেক বাসে মেয়েদের নিতে চায় না একটা বাসে উঠতে না পারলে পরের বাসে উঠবে।”
কিন্তু বাস্তবে সব সময় বিষয়টা এত সহজ নয়। অফিস ছুটির সময় পরপর কয়েকটি বাসেই একই রকম ভিড় থাকে। পরের বাস ফাঁকা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে গেলে অনেক দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।
আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে এসব দেখেছি।
তবে আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো—ড্রাইভার ও হেলপার হিসেবে নারী না থাকলে ভালো হতো
পুরুষ বেটার
সরকার এটাকে বাহিরের দেশের মতো ভাবছে কারণ বাহিরের দেশে মহিলাটা গাড়ি চালায় টাক বাস ইত্যাদি 🚘🚌
আমাদের একটা বিষয় মনে রাখা দরকার—
প্রত্যেকটি উদ্যোগেরই ভালো দিক এবং খারাপ দিক থাকতে পারে।
কোনো বিষয় নিয়ে মতামত দেওয়ার আগে শুধু নেতিবাচক দিক না দেখে ইতিবাচক দিকটাও দেখা উচিত।
আমরা মানুষ—অন্যের ভুল ধরতে একদম ১০০ তে ১০০, কিন্তু ভালো কাজের প্রশংসা করতে যেন ভুলে গেছি।
হে আল্লাহ সবাইকে বুঝদান করুন আমিন
✍️ হাদিসের খোঁজে