01/11/2024
#জুম_আর_দিনের_আমল!
আসুন এক নজরে জেনে নেই জুম‘আর দিনের ফজিলত, করনীয় ও বর্জনীয় সমূহ সম্পর্কে।
❏ফজিলতঃ
১। সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল জুম’আর দিন। এই দিনে
আদম (আ.)কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এই দিনে
তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান হয়েছে, এই
দিনেই তাকে জান্নাত থেকে বাহির করা হয়।
আর এই দিন ছাড়া অন্য কোন দিনে ক্বিয়ামত
সংঘটিত হবে না।[মুসলিম, মিশকাত হা/ ১৩৫৬]
২। জুম’আর দিন সূরা কাহফ পড়া। এতে পাঠকের
জন্য আল্লাহ তায়ালা দুই জুম’আর মধ্যবর্তী
সময়কে আলোকিত করে দেন। (হাকেম ২/৩৬৮;
বায়হাকী ৩/২৪৯)
৩। আগে আগে জুমার সালাতে উপস্থিত
মুসল্লির জন্য রয়েছে যথাক্রমে
আল্লাহর রাস্তায় উট, গরু, দুম্বা, মুরগী এবং
ডিম দান করার সাওয়াব। (মুসনাদে শাফী
হা/৬২; জামে লি ইবনে ওহাব হা/ ২২৯, মুসনাদে
হুমাইদি হা/৯৬৩ )
৪। যথাযথভাবে জুম’আর সালাত আদায় কারী ও
চুপ করে খুতবা শ্রবণকারীর দুই জুমার মধ্যবর্তী
সময়ে তার সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।
(মুসনাদে আবু দাউদ হা/৪৭৯)
❏করনীয়ঃ
১। জুম’আর দিন গোসল করা। যাদের উপর জুম’আ ফরজ তাদের জন্য এ দিনে গোসল করাকে রাসুল (ﷺ )ওয়াজিব করেছন।(বুখারীঃ ৮৭৭, ৮৭৮, ৮৮০,৮৯৭, ৮৯৮)
#পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসাবে সেদিন
নখ ও চুল কাটা একটি ভাল কাজ।
২। জুম’আর সালাতের জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা।
(বুখারীঃ ৮৮০)
৩। মিস্ওয়াক করা।
(ইবনে মাজাহঃ ১০৯৮,
বুখারীঃ৮৮৭, ইঃফাঃ৮৪৩)
৪। গায়ে তেল ব্যবহার করা।
(বুখারীঃ৮৮৩)
৫। উত্তম পোশাক পরিধান করে জুম’আ আদায় করা। (ইবনে মাজাহঃ১০৯৭)
৬। মুসুল্লীদের ইমামের দিকে মুখ করে বসা।
(তিরমিযীঃ৫০৯, ইবনে মাজাহঃ১১৩৬)
৭। মনোযোগ সহ খুৎবা শোনা ও চুপ থাকা- এটা ওয়াজিব।
(বুখারীঃ ৯৩৪, মুসলিমঃ৮৫৭, আবু
দাউদঃ১১১৩, আহমাদঃ১/২৩০)
৮। আগে ভাগে মসজিদে যাওয়া।
(বুখারী হা/৮৮১; মুসলিম হা/৮৫০)
৯। পায়ে হেঁটে মসজিদে গমন।
(আবু দাউদঃ হা/৩৪৫)
১০। জুম’আর দিন ও জুম’আর রাতে বেশী বেশী দুরুদ পাঠ।
(আবু দাউদঃ ১০৪৭)
১১। এ দিন বেশী বেশী দোয়া করা।।
(বুখারীঃ ৯৩৫)
১২। ঘুমের ভাব বা তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে বসার
জায়গা বদল করে বসা।
(আবু দাউদ হা/১১১৯)
১৩। খুৎবার সময় ইমামের কাছাকাছি বসা।
জান্নাতে প্রবেশের উপযুক্ত হলেও ইমাম
থেকে দূরে উপবেশনকারীরা বিলম্বে
জান্নাতে প্রবেশ করবে।
(আবু দাউদ হা/১১০৮)
১৪। জুম’আর আযান দেওয়া। অর্থাৎ ইমাম
মিম্বরে বসার পর যে আযান দেওয়া হয় তা।
(বুখারী হা/৯১২