Bangladesh America Institute of Technology

Bangladesh America Institute of Technology Computer Training Centre

প্রসেসর কি? প্রসেসর কিভাবে কাজ করে?মোবাইল বা কম্পিউটার কেনার সময় আমরা প্রসেসর শব্দটি অনেকবার শুনে থাকি। হয়ত অনেকে প্রশ্...
07/10/2021

প্রসেসর কি? প্রসেসর কিভাবে কাজ করে?

মোবাইল বা কম্পিউটার কেনার সময় আমরা প্রসেসর শব্দটি অনেকবার শুনে থাকি। হয়ত অনেকে প্রশ্ন করেন প্রসেসর কি ও এর কাজ কি। প্রসেসর বা সিপিইউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) হলো মূলত একটি কম্পিউটার বা মোবাইলের ভিতর থাকা চিপ/হার্ডওয়্যার, যা সফটওয়্যার এর দেওয়া কমান্ড অনুসরণ করে বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করে।

বর্তমানের প্রসেসরসমুহ সেকেন্ডে মিলিয়ন মিলিয়ন কমান্ড প্রসেস করতে পারে। সিপিইউ বা প্রসেসরকে কম্পিউটার/মোবাইলের প্রধান চিপ অথবা মস্তিষ্ক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

কোনো একটি নতুন ডিভাইসের মুল আকর্ষণ কিন্তু এর প্রসেসর হয়ে থাকে। তবে প্রসেসর সম্পর্কে আমাদের মধ্যে অধিকাংশ মানুষেরই তেমন কোনো বিস্তারিত ধারণা নেই। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই বহুল আলোচিত প্রসেসর কি ও প্রসেসর এর কাজ কি সে সম্পর্কে।


আগেই জানিয়ে রাখছি, এই পোস্টে সাধারণ প্রসেসরের মূলনীতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এটি কোনো একাডেমিক আলোচনা নয়, বরং কৌতূহলী পাঠকদের জন্য সহজসরল একটি ধারণামাত্র। এটা আপনার ক্লাস বা একাডেমিক কাজের জন্য নয়। একাডেমিক প্রয়োজনে অনুগ্রহ করে আপনার পাঠ্যপুস্তক বা শিক্ষকের সহায়তা নিন।

প্রসেসর কি?
কম্পিউটার, স্মার্টফোন এবং এধরণের যন্ত্রসমূহে বিভিন্ন কমান্ড গ্রহণ ও সে অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করিয়ে নেয় প্রসেসর। প্রসেসর ছাড়া কোনো কম্পিউটার বা স্মার্টফোন কোনো প্রোগ্রাম রান করতে পারেনা। এটি কমান্ডের ইনপুট নেয় ও সে অনুযায়ী আউটপুট দেয়। প্রসেসর নিজেই একটি হার্ডওয়্যার যে অন্যান্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার থেকে কমান্ড নেয়। এরপর প্রসেসর এই কমান্ড “প্রসেস বা প্রক্রিয়াজাত” করে ও সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার দ্বারা উক্ত কমান্ডের কাজ সম্পন্ন করে।


যেমন মনে করুন আপনি একটি পিসিতে পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে চান। আপনি কিবোর্ডের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড টাইপ করে এন্টার দিলেন। তখন প্রসেসর আপনার পিসির সিস্টেমে সংরক্ষিত পাসওয়ার্ডের সাথে আপনার প্রদত্ত পাসওয়ার্ড যাচাই করবে। যদি পাসওয়ার্ড মিলে যায় তাহলে প্রসেসর আপনাকে লগিন করিয়ে পরবর্তি স্ক্রিনে নিয়ে যাবে। যদি না মিলে তাহলে সে সফটওয়্যারের কাছ থেকে এরর মেসেজ নিয়ে স্ক্রিনে দেখাবে। সেই সাথে স্পিকারে ওয়ার্নিং সাউন্ড প্লে করতে পারে।

প্রসেসরকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলা হয়ে থাকে। তবে একটি কম্পিউটারে একাধিক প্রসেসর থাকতে পারে, যেমনঃ গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (জিপিইউ)। এর মধ্যে সিপিইউ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।


প্রসেসর ইউনিটসমুহ কমান্ড গ্রহণ করে থাকে র‍্যান্ডম অ্যাকসেস মেমোরি অর্থাৎ র‍্যাম থেকে। যখনই কোনো নির্দেশনা প্রদান করা হয় তখন সিপিইউ তা ডিকোড করে তা পারফর্ম করে আউটপুট প্রদান করে।

বর্তমানে কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ইন্টেল ও এএমডি এর প্রসেসর সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। ইন্টেল এর কোর আর এএমডি এর রাইজেন প্রসেসরসমুহ ডেস্কটপ প্রসেসরের দুনিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয়।

অন্যদিকে অ্যাপল, এনভিডিয়া, কোয়ালকম, মিডিয়াটেক, ইত্যাদি চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বেশিরভাগ মোবাইল ডিভাইসের জন্য প্রসেসর তৈরী করে থাকে।

প্রসেসর কি? প্রসেসর কিভাবে কাজ করে?
প্রসেসর কোথায় থাকে?
প্রসেসর এর বিভিন্ন অংশ ও এসব অংশের কাজ জানার আগে কম্পিউটারের/ফোনের কোন হার্ডওয়্যারটিকে প্রসেসর বলা হচ্ছে সেটিও জানা জরুরি। কম্পিউটার এর প্রসেসর সাধারণত মাদারবোর্ডে থাকে।


সিপিইউ সকেট বা সিপিইউ স্লটে প্রসেসর লাগানো থাকে। মাদারবোর্ড এর সাথে প্রসেসর যাতে যথেষ্ট ভালোভাবে আটকে থাকে, তা নিশ্চিত করতে সিপিইউ স্লটের সাথে একটি লিভার লাগানো থাকে।


মোবাইলের ক্ষেত্রেও মাদারবোর্ডে প্রসেসর যুক্ত থাকে। এটি পিসির চেয়ে আরও শক্তভাবে আটকানো থাকে। সাধারণত মোবাইলের প্রসেসর কেউ পরিবর্তন করেনা। তবে কম্পিউটারের প্রসেসর ব্যবহারকারীদের পরিবর্তন করতে দেখা যায়।

প্রসেসর এর বিভিন্ন অংশ
প্রসেসর কিভাবে কাজ করে – তা বুঝতে হলে আগে প্রসেসরের গঠন সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি। একটি কম্পিউটার প্রসেসর এর চারটি প্রধান কম্পোনেন্ট থাকেঃ এএলইউ, এফপিইউ, রেজিস্টার্স, ও ক্যাশ মেমোরি।

এরিথমেটিক লজিক ইউনিট বা এএলইউ কম্পিউটারের সকল গাণিতিক ও লজিক অপারেশন পরিচালনা করে। এএলইউ পূর্ণসংখ্যা নিয়ে কাজ করে। অন্যদিকে ফ্লোটিং পয়েন্ট ইউনিট বা এফপিইউ ফ্লোটিং-পয়েন্ট সংখ্যাসমুহ নিয়ে কাজ করে, যার সংখ্যাসমুহ এক ডেসিমেলের অন্তর্ভুক্ত।


কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ থেকে পাওয়া বিভিন্ন নির্দেশনা সংরক্ষণ করে রেজিস্টার। এএলইউ এর কি করতে হবে তা রেজিস্টার নির্দেশ করে ও তার তথ্য জমা রাখে।

প্রসেসরে এল২ ও এল৩ মেমোরি থাকে। এই মেমোরি থাকার দরুণ প্রসেসরের পক্ষে ক্যাশ ডাটা লোকালি সেভ করা সম্ভব হয়। যার ফলে র‍্যাম থেকে তথ্য আদান-প্রদান ছাড়াই প্রসেসর নিজেই প্রদত্ত কমান্ড দ্রুত সম্পন্ন করতে পারে। এর মাধ্যমে সিপিইউ অধিক কার্যকরী হয় ও দ্রুত কাজ করে।

প্রসেসর কিভাবে কাজ করে?
প্রসেসর কি ও এর বিভিন্ন অংশ সম্পর্কে তো আমরা ধারণা পেয়ে গেলাম। এবার চলুন জানি কিভাবে প্রসেসর কাজ করে।

প্রসেসরসমুহের কোর এর দিকে নজর দিলে দেখা যাবে যে তারা আদতে একই ধরনের প্রসেস ব্যবহার করে। এসব প্রসেসকে বলা হচ্ছে ফেচ-এক্সিকিউট সাইকেল। এই সাইকেলের তিনটি ধাপ হলোঃ ফেচ, ডিকোড ও এক্সিকিউট।

ফেচ
ফেচিং হলো ফেচ-এক্সিকিউট সাইকেলের প্রথম ধাপ। এই ধাপে একটি প্রসেসর কোনো নির্দেশনা ফেচ বা গ্রহণ করে। প্রসেসরকে দেওয়া এই নির্দেশনা র‍্যাম থেকে প্রসেসরে পাঠানো হয়।

ডিকোড
রেজিস্টার থেকে নির্দেশনা পরবর্তী ধাপে পাঠানো হয় ও প্রসেসর ডিকোডার ব্যবহার করে প্রদত্ত নির্দেশনা প্রসেস করে। এরপর প্রদত্ত নির্দেশনাসমুহকে কিছু সিগনালে রুপান্তর করে প্রসেসর, যাতে প্রসেসরের অন্যান্য অংশ এই তথ্য ব্যবহার করে কার্য সম্পাদন করতে পারে।

এক্সিকিউট
এই ধাপের শেষে ডিকোড করা নির্দেশনাসমুহ প্রসেসর এক্সিকিউট বা সম্পাদন করে। নির্দেশনাসমুহ প্রসেসরের অন্য অংশে সম্পাদনের জন্য পাঠানো হয়ে থাকে।

প্রদত্ত নির্দেশনা সম্পাদনের পর তা রেজিস্টার সেভ করে রাখে। এর ফলে প্রসেসরের স্পিড বাড়ে, কেননা পরেরবার একই ধরনের কোনো নির্দেশনা সম্পাদনের আগে আগে প্রসেস করা তথ্য ব্যবহার করতে পারে প্রসেসর।

প্রসেসর এর স্পেসিফিকেশন
প্রসেসর এর ধরন থেকে শুরু করে এর কাজ করার প্রক্রিয়া পর্যন্ত সবই আমরা জানলাম। এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রসেসর বা সিপিইউ সম্পর্কিত কিছু প্রয়োজনীয় স্পেসিফিকেশন সম্পর্কে।

৩২-বিট ও ৬৪-বিট প্রসেসর
প্রসেসর সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকেঃ ৩২-বিট ও ৬৪-বিট। প্রসেসরের বিভিন্ন অংশে একই সময়ে কত বিট তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব তা এর উপর নির্ভর করে।

৩২-বিট প্রসেসরসমুহ তাদের পাওয়ার প্রসেসিং এর জন্য কার্যকর। তবে বেশি বিট মানেই যেহেতু প্রসেসর অধিক শক্তিশালী (একই মানদণ্ডে), তাই সম্প্রতি ৬৪-বিট প্রসেসরের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

ক্লক স্পিড
একটি প্রসেসর সেকেন্ডে কতটি নির্দেশনা প্রসেস করতে পারে, তার পরিমাপ হচ্ছে ক্লক স্পিড। ক্লক স্পিড মাপার জন্য গিগাহার্টজ একক ব্যবহার করা হয়। প্রসেসরের স্পেসিফিকেশনের মূলকেন্দ্র হিসেবে ক্লক স্পিডকে বিবেচনা করা হয়। ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসর তত ভালো হবে।

এল২/এল৩ ক্যাশ
সাধারণভাবে ব্যবহৃত তথ্য এল২ ও এল৩ মেমোরিতে জমা করে প্রসেসর। প্রতিটি নির্দেশনা সম্পাদনের জন্য র‍্যাম এর সাহায্য নেওয়া বদলে সাধারণ তথ্যগুলোর ক্ষেত্রে এই মেমোরি ব্যবহার করে প্রসেসর।

প্রসেসরের অংশ হওয়ায় এল২ ও এল৩ ক্যাশ র‍্যাম থেকে অতি দ্রুত কাজ করে। ক্যাশ যত বেশি হবে, পিসি ততো দ্রুত চলবে।

প্রসেসরের কোর কিভাবে কাজ করে?
আগের দিনে কম্পিউটার প্রসেসরে শুধুমাত্র একটি কোর ছিলো। যার মানে হলো নির্দিষ্ট সময়ে শুধুমাত্র একটি প্রদত্ত কাজ সম্পাদনে সক্ষম উক্ত প্রসেসর বা সিপিইউ।

হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের প্রচুর পরিশ্রমের ফলস্বরুপ আমরা পেয়েছি মাল্টি-কোর প্রসেসর যা বর্তমানে স্ট্যান্ডার্ড হয়ে দাড়িয়েছে। মাল্টি-কোর প্রসেসরের একাধিক কোর থাকায় একই সময়ে একাধিক কাজ সম্পাদনে সক্ষম এই প্রসেসরসমুহ।

আজকের দিনের বেশিরভাগের কম্পিউটারের দুইটি ও চারটি কোর রয়েছে। এসব সেটাপকে যথাক্রমে ডুয়াল কোর ও কোয়াড কোর বলা হয়। কাজের উপর ভিত্তি করে কিছু প্রসেসরের ৬৪টি পর্যন্ত কোর বিদ্যমান।

মোবাইল প্রসেসর কি?
ইতোমধ্যেই জেনেছেন, শুধুমাত্র কম্পিউটার নয়, বরং আপনার হাতের স্মার্টফোনটিও প্রসেসর দ্বারা চালিত। মূলত মোবাইল ডিভাইসসমুহ ও বহনযোগ্য কম্পিউটারের জন্য তৈরীকৃত প্রসেসরকে বলা হচ্ছে মোবাইল প্রসেসর।

গাঠনিক দিক দিয়ে মোবাইল প্রসেসর ও কম্পিউটার প্রসেসরের মধ্যে কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। যেমনঃ কম্পিউটারে জিপিউ আলাদা হলেও মোবাইল প্রসেসরের জিপিইউ এর সিপিইউ’র মধ্যে যুক্ত করা থাকে। গাঠনিক পার্থক্য থাকলেও উভয় প্রসেসরই মূলত একই নিয়মে কাজ করে।

প্রসেসর কি ও এ সম্পর্কে কিছু বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
মোবাইল ও কম্পিউটার প্রসেসরের পার্থক্য কি?
কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের প্রসেসরের মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য আছে। প্রথমত, কম্পিউটারের প্রসেসর তার উল্লেখকৃত স্পিডে বেশিরভাগ সময় কাজ করতে পারে। কিন্তু মোবাইলের প্রসেসর তার উল্লিখিত স্পিডে বেশিরভাগ সময় কাজ করেনা কারণ এতে প্রসেসর প্রচুর গরম হয়ে যাবে যা ডিভাইসের জন্য ক্ষতিকারক। এছাড়া কম্পিউটারের প্রসেসর মোবাইলের প্রসেসরের চেয়ে বেশি শক্তি খরচ করে ও বেশি তাপ উৎপাদন করে।

প্রসেসর কি নষ্ট হয়?
অন্য যেকোনো ইলেকট্রনিক পার্টসের মত প্রসেসরও নষ্ট বা অকেজো হয়ে যেতে পারে। তবে আপনার পিসিতে যদি তাপমাত্রা কমানোর ব্যবস্থা ঠিকঠাক থাকে তাহলে এর প্রসেসর উচ্চতাপমাত্রার হাত থেকে সুরক্ষিত থাকবে যা প্রসেসরকে তাপজনিত ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করবে। ফোনের জন্যও এই কথা প্রযোজ্য।

শেষকথা – প্রসেসর কি? প্রসেসর কীভাবে কাজ করে?
প্রসেসর বা সিপিইউ কম্পিউটার/মোবাইল ফোনের (এবং আরো অনেক ডিভাইসের) একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রসেসরসমুহ কম্পিউটারে ডাটা প্রসেস করার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রোগ্রাম চালাতে সাহায্য করে। সম্প্রতি প্রসেসরের ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি লক্ষণীয় হয়েছে।

মাল্টি-কোর প্রসেসরের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির পাশাপাশি হাইপার-থ্রেডিং এর মত প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে কম্পিউটার আরো দ্রুত ও কার্যকরভাবে অপারেট করতে পারে। প্রসেসর বা সিপিইউ সম্পর্কে উল্লিখিত লেখা ভালোভাবে পড়ে থাকলে এতক্ষণে নিশ্চয় প্রসেসর সম্পর্কে ব্যাসিক একটি ধারণা পেয়ে গিয়েছেন।

তথ‌্যসুত্রঃ বাংলাটেক

02/10/2021

আপনার যদি একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থাকে, সেক্ষেত্রে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে বাড়তি আয়ের উৎস পেতে পারেন। আপনার অনলাইন প্ল্যাটফর্মের ধরন যেমনই হোক না কেনো, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। ওয়েবসাইট, ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক প্রোফাইল, এমনকি ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমেও রেফারেল বা অ্যাফিলিয়েট ইনকাম করা সম্ভব।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি, এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয়, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে কাজ করে, কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন, ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত।


এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? – What is affiliate marketing?
অন্য প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিস কমিশনের বিনিময়ে প্রোমোট ও বিক্রির প্রক্রিয়াকে বলা হয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। শুনতে সহজ একটি বিষয় মনে হলেও এই প্রক্রিয়ার কার্যক্রম কিন্তু যথেষ্ট জটিল। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, অন্যের পণ্য বা সেবা বিক্রির ব্যবস্থা করে কমিশন আয় করাকেই বলা হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।


এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে কাজ করে
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি, সে বিষয়ে একটি সহজ ধারণা তো আমরা পেলাম। এবার চলুন জানি, কিভাবে কাজ করে এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে একজন সেলার অথবা প্রোডাক্ট এর উৎপাদনকারী প্রথমে একটি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম তৈরী করেন। এরপর সেই তিনি তার প্রোডাক্ট প্রোমোট করার উদ্দেশ্যে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারকে ইউনিক লিংক প্রদান করে। এই ইউনিক লিংক ব্যবহার করে প্রতি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার থেকে আসা সেলকে খুব সহজেই গণনা করা যায়।

অ্যাফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করে যখন কোনো ক্রেতা কোনো প্রোডাক্ট ক্রয় করেন, তখন ব্রাউজারে কুকি’র মাধ্যমে ডাটা সংরক্ষিত হয়। এই কুকি সেলারকে অ্যাফিলিয়েট সেল সম্পর্কে জানিয়ে দেয়। কুকি থেকে প্রাপ্ত ডাটা অনুসারে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারের প্রাপ্ত কমিশন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারকে বুঝিয়ে দেয় সেলার/উৎপাদনকারী।

এবার জেনে নেওয়া যাক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নামের এই কৌশলের প্রধান পক্ষদের সম্পর্কে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে তিন বা চারজন প্রধান পক্ষ থাকে। যারা হলোঃ

অ্যাফিলিয়েটঃ যে ব্যক্তি প্রোডাক্ট প্রোমোট করছেন (মানে কমিশনের উদ্দেশ্যে পণ্য সম্পর্কে মানুষজনকে জানাচ্ছেন)
সেলারঃ যে ব্যক্তি প্রোডাক্ট তৈরী বা বিক্রি করছেন
নেটওয়ার্কঃ অ্যাফিলিয়েট সম্পর্ক তথ্যসমুহ যে নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করে
কনজ্যুমারঃ যারা প্রোডাক্ট ক্রয় করেন
এবার চলুন একটু বিষদভাবে জানা যাক, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর এই প্রধান চার পক্ষ সম্পর্কে।

এফিলিয়েট মার্কেটার
অ্যাফিলিয়েট বা পাবলিশার হলেন সে ব্যক্তি যে সেলারের কোনো প্রোডাক্ট কমিশন পাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রোমোট করে থাকেন। একজন অ্যাফিলিয়েট সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, ব্লগ, ভিডিও ও বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের মাধ্যমে একজন সেলারের প্রোডাক্ট এর প্রোমোশন চালিয়ে থাকেন।

সেলার
সেলার হলো মূলত অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর হোস্ট। তারা/তিনি কোনো সময় একাধিক ব্যক্তিবর্গ থেকে শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিও হয়ে থাকেন। মূলত নিজের তৈরি বা নিজের প্রতিষ্ঠানের তৈরী প্রোডাক্ট প্রোমোশন এর লক্ষ্যেই অ্যাফিলিয়েট কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন এই সেলার।

এফিলিয়েট মার্কেটিং নেটওয়ার্ক
যদিওবা নেটওয়ার্ক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর একটি আবশ্যিক উপাদান নয়, তবুও এটা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেলারগণ মূলত বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তাদের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম ম্যানেজ করে থাকেন। মূলত সেলার ও অ্যাফিলিয়েট এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে দেওয়াই নেটওয়ার্ক এর কাজ। ক্লিকব্যাংক, শেয়ার-অ্যা-সেল, ইত্যাদি কিছু জনপ্রিয় অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্ক।

কনজ্যুমার
অ্যাফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করে যারা প্রোডাক্ট ক্রয় করেন, তারা হলেন কনজ্যুমার। মূলত একজন কনজ্যুমার এর ক্রয়কৃত প্রোডাক্টের লাভের একটি অংশ কমিশন হিসেবে পাচ্ছেন একজন অ্যাফিলিয়েট।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে কিভাবে আয় করা যায়?
একজন কনজ্যুমার যখন অ্যাফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করে কোনো প্রোডাক্ট ক্রয় করেন, তখন একজন অ্যাফিলিয়েট কি হিসাবে আয় করেন – এটি একটি বহুল আলোচিত বিষয়। একজন কনজ্যুমারের ফর্ম সাবমিশন, ক্লিক, পারচেজ, ইত্যাদি অ্যাক্টিভিটি থেকে একজন অ্যাফিলিয়েট আয় করতে পারে। যেমনঃ

পার সেলঃ এটি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সবচেয়ে জনপ্রিয় মডেল। এই পেমেন্ট মডেলে একজন অ্যাফিলিয়েট দ্বারা হওয়া সেল এর উপর ভিত্তি করে কমিশন দেওয়া হয়।
পার ক্লিকঃ এই পেমেন্ট মডেলের ক্ষেত্রে কমিশন পেতে সেল হওয়া লাগে না। বরং কোনো কনজ্যুমার অ্যাফিলিয়েট লিংকে ক্লিক করলেই অ্যাফিলিয়েট কমিশন দেওয়া হয়।
পার লিডঃ একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার দ্বারা জেনারেট করা প্রতি লিড এর জন্য পেমেন্ট করা হয় এই মডেলে।
আরো জানুনঃ ফ্রিল্যান্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে অনলাইনে আয় করবেন

এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে করবো?
আপনিও কি একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে চান? তাহলে দেরি কিসের! চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় করবেন।

একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার একাধিক উপায়ে সেল বা ক্লিক আনার মাধ্যমে কমিশন পেতে পারেন। একেক অ্যাফিলিয়েট পদ্ধতির জনপ্রিয়তা একেক ধরনের। আপনি যে বিষয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন, সে বিষয়ের উপর নির্ভর করে কোন মাধ্যমে প্রোমোশন চালালে আপনি অধিক সফলতা পাবেন।

ব্লগিং
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর নাম নিলে প্রথমেই আসে ব্লগিং এর কথা। সার্চ ইঞ্জিন থেকে আসা ফ্রি ট্রাফিক থেকে ব্লগ পোস্টে থাকা অ্যাফিলিয়েট লিংক থেকেই আয় করা যাবে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর উদ্দেশ্যে একাধিক ধরনের কনটেন্ট কাজে আসতে পারে। টিউটোরিয়াল, রিভিউ থেকে শুরু করে যেকোনো শিক্ষামূলক কনটেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রোমোট করতে।

ইউটিউব
আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল এর মাধ্যমেও এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। আপনার ভিডিও ডেসক্রিপশনে এফিলিয়েট লিংক দিয়ে সেখান থেকে কমিশন পেতে পারেন। এছাড়া ইউটিউব থেকে আয় করার উপায় আরো অনেকগুলো রয়েছে।

ইনফ্লুয়েন্সার এফিলিয়েট মার্কেটিং
আপনি যদি ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউব কিংবা ফেসবুকে একজন সোশ্যাল মিডিয়া আইকন হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে আপনার ফলোয়াররা অ্যাফিলিয়েট সেল জেনারেট করে আপনাকে আয়ের পথ খুলে দিতে পারে। মানুষ ইনফ্লুয়েন্সারকে মূলত ফলো করে তাদের রিকমেন্ডেশন, লাইফস্টাইল ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো ধারণা পেতে। আপনার যদি এমন ভালো একটি ফলোয়ার বেস থাকে, সেক্ষেত্রে অ্যাফিলিয়েট সেল এর মাধ্যমে ভালোই আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

ইমেইল এফিলিয়েট মার্কেটিং
ইমেইল মার্কেটিংয়ে ইনভেস্টমেন্ট বিবেচনায় আয়ের সুবিধা অধিক বলে প্রমাণিত। একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার এর ইমেইল লিস্ট অ্যাফিলিয়েট সেল এর ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। আপনার নিউজলেটার কিংবা সাধারণ মেইলে অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্টের লিংক যুক্ত করে দিলে তেমন শ্রম দেওয়া ছাড়া খুব সহজেই সেল জেনারেট করে আয় করতে পারেন।

কুপন সাইট
ই-কমার্স ও অনলাইন শপিংয়ের জনপ্রিয়তার ফলে দিন দিন কুপন সাইটগুলোর জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। কুপন সাইটসমুহে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংক পোস্ট করার মাধ্যমে শপিং যারা ভালোবাসে তাদের সাহায্য করার পাশাপাশি ভালো অংকের আয় সম্ভব।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধা
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সম্পর্কে হাতেখড়ি তো হয়ে গেলো। এবার জানি চলুন, কেনোই বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন। অর্থাৎ একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কেনো হবেন সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

প্যাসিভ ইনকাম
এফিলিয়েট মার্কেটিং কি, এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আয় করার উপায়
কনটেন্ট তৈরী ও প্রোমোশন এর সময় বাদ দিলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে কিন্তু যেকোনো সময় আয় করা সম্ভব। অর্থাৎ অনেকটা সবসময় পরিশ্রম করা ছাড়াই আয় করা যাচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করতে প্রতিটি ট্রান্সজেকশন এর ক্ষেত্রে আপনাকে উপস্থিত থাকতে হচ্ছেনা। একজন অ্যাফিলিয়েট হিসেবে আপনার কাজ হচ্ছে কনটেন্ট এর মাধ্যমে প্রোডাক্ট এর প্রোমোশন, যে কাজ শুধুমাত্র একবারই করতে হচ্ছে।

ফ্লেক্সিবিলিটি
একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে অ্যাফিলিয়েট সেল এর ক্ষেত্রে আপনাকে আহামরি কোনো কাজ করতে হচ্ছেনা। আপনার ইতিমধ্যে থাকা কনটেন্ট এর মধ্যে অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রোমোট করে খুব সহজেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে পারেন। এছাড়াও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য আলাদাভাবে কনটেন্ট তৈরী করতে আহামরি কাঠখড়ও পোড়াতে হয়না। অর্থাৎ আপনার অবস্থা যাই হোক না কেনো, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ শুরু করতে পারেন তৎক্ষণাৎ।

কম ঝুঁকি
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে আপনাকে কোনো ঝুঁকি নিতে হচ্ছেনা। আপনি কোনো প্রোডাক্ট তৈরী কিংবা বিপনন করছেন না। আপনার একমাত্র কাজ হচ্ছে কোনো প্রোডাক্ট ক্রয়ে কোনো কনজ্যুমারকে সহায়তা করা। অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রোমোশন এর সুযোগ কিন্তু অসংখ্য। একটি প্রোডাক্ট সেল না হলে আপনি ঠিকই অন্য প্রোডাক্ট প্রোমোট করে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয়ের উৎস খুঁজে নিতে পারবেন। এছাড়াও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে কাস্টমার সাপোর্ট প্রদানের ঝামেলাও থাকছেনা।

আরো জানুনঃ সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার উপায়

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর উদাহরণ
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর খুঁটিনাটি তো জেনে গেলেন। এবার কথা হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন কিসের। কি বিষয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন, তা নির্ভর করছে আপনি কি ধরনের প্রোডাক্ট প্রোমোট করতে সক্ষম তার উপর। চলুন কিছু জনপ্রিয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর উদাহরণ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

অ্যামাজন এসোসিয়েটস এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম
জনপ্রিয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন হতে পারে আপনার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর প্রথম পার্টনার। অ্যামাজন এর ক্যাটালগে থাকা অসংখ্য প্রোডাক্ট থেকে যেকোনো প্রোডাক্ট এ সেল জেনারেট করে আয় করা শুরু করতে পারেন। অ্যামাজন এর অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম সম্পর্কে আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন।

দারাজ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম
বাংলাদেশের বহুল জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস, দারাজ ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের জন্য সম্ভাবনার পথ খুলে দিয়েছে। দারাজ অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে দারাজ এ লিস্টেড নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট প্রোমোট করে অ্যাফিলিয়েট সেল এর মাধ্যমে আয় করা যাবে। দারাজ অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম সম্পর্কে আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন।

১০ মিনিট স্কুল এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম
অনলাইন শিক্ষামূলক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট, ১০ মিনিট স্কুল এর ওয়েবসাইটে থাকা বিভিন্ন কোর্স বা ইবুক সেল করেও আয় করা যাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে। এই ফরমটি পূরণ করার মাধ্যমে ১০মিনিট স্কুল এর অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

এনভাটো এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম
মিলিয়ন মিলিয়ন ডিজিটাল অ্যাসেট লাইব্রেরি, এনভাটো এলিমেন্টস এর জন্য অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রোমোট করেও বেশ ভালো মানের আয় সম্ভব। এনভাটো এলিমেন্টস এর ক্ষেত্রে সুবিধার বিষয় হচ্ছে এর বিশাল অ্যাসেট লাইব্রেরী। অর্থাৎ আপনার বিষয় যা ই হোক, প্রোমোট করার জন্য সবসময় কিছু না কিছু পেয়ে যাবেন। এনভাটো এর অ্যাফিলিয়েট সম্পর্ক আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন।

উপরের প্রোগ্রামগুলো ছাড়াও আরো অনেক এফিলিয়েট প্রোগ্রাম রয়েছে। ডোমেইন, হোস্টিং, এবং আরও কিছু প্রোগ্রাম আছে যার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারেন।

পোস্টের মধ্যে কয়েকটি এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রামের লিংক দেয়া আছে। সেগুলো সম্পর্কে প্রদত্ত লিঙ্ক থেকে জেনে নিতে পারেন। নিজের সাইট থেকে পণ্য বিক্রি করতে চাইলে আপনার একটি ইকমার্স সাইট দরকার হবে যা একজন ডেভলপারের কাছ থেকে তৈরি করিয়ে নিতে হবে। ধন্যবাদ।

টাকা তোলার পদ্ধতি এক এক মার্কেটে আলাদা হতে পারে। তবে সবাই ব্যাংক একাউন্ট সাপোর্ট করবে আশা করি। আপনি যে এফিলিয়েট প্রোগ্রামে আগ্রহী তাদের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে। ধন্যবাদ।

You may follow the following steps to Improve your English skill
05/09/2021

You may follow the following steps to Improve your English skill

No doubt, English is global language; one should be master in it for better job opportunity, personality development and...
01/09/2021

No doubt, English is global language; one should be master in it for better job opportunity, personality development and to be good speaker. We should not forget the five key points of English language like listening, speaking, reading, writing and thinking. These key points are not only important but inter connected, so we should pay attention simultaneously. Then we can achieve the target.

Computer Training Centre

ওয়ার্ডপ্রেস কি? ওয়ার্ডপ্রেস কেন এত জনপ্রিয়?একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসেবে আপনি হয়ত ইতোমধ্যেই ওয়ার্ডপ্রেস শব্দটি শুনে ...
27/08/2021

ওয়ার্ডপ্রেস কি? ওয়ার্ডপ্রেস কেন এত জনপ্রিয়?

একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসেবে আপনি হয়ত ইতোমধ্যেই ওয়ার্ডপ্রেস শব্দটি শুনে থাকবেন। যদি না শুনে থাকেন তবুও আপনি হয়ত বহুবার ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা চালিত সাইট ভিজিট করেছেন- আপনার অজান্তেই! ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে একটি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সহজ ভাবে বললে “সফটওয়্যার”) যা দিয়ে ওয়েবসাইট নির্মাণ ও পরিচালনা করা হয়। চলুন জেনে নেয়া যাক, ওয়ার্ডপ্রেস কি, এর ইতিহাস ও ওয়ার্ডপ্রেস কেন এত জনপ্রিয়, ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত।

ওয়ার্ডপ্রেস কি? – What is WordPress in Bangla
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ওয়ার্ডপ্রেস হলো ওয়েবসাইট ও ব্লগ তৈরীর সবচেয়ে সহজ ও বহুল জনপ্রিয় মাধ্যম। ওয়ার্ডপ্রেস একটি ওপেন-সোর্স সিএমএস বা কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা পিএইচপি (PHP) প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।

ওয়ার্ডপ্রেস GPLv2 এর অধীনে লাইসেন্স করা ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার হওয়ার ফলে যেকেউ ওয়ার্ডপ্রেস বিনামূল্যে ব্যবহার ও মোডিফাই করতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের সকল ওয়েবসাইটের প্রায় ৪০ শতাংশ ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে তৈরী!

ওয়েবসাইট তৈরীর কাজকে ওয়ার্ডপ্রেস সহজ করে দিয়েছে। ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে যেকেউ খুব সহজেই একটি ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবে। এছাড়াও ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরীতে কোনো প্রকার কোডিং সম্পর্কে জ্ঞান না থাকলেও চলে।

WordPress.com নাকি WordPress.org?
গুগলে WordPress লিখে সার্চ করলে দুইটি ওয়েবসাইট শীর্ষস্থানে দেখতে পাবেন। এর মধ্যে একটি হলো WordPress.com ও অন্যটি WordPress.org সাইট। মজার ব্যাপার হলো, দুইটি ওয়েবসাইটের নামই WordPress হলেও কার্যক্রমের দিক দিয়ে এই দুইটি ওয়েবসাইটের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। চলুন সেই পার্থক্য সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

প্রথমেই কথা বলা যাক WordPress.org নিয়ে। এটি হলো ওয়েবসাইটের জন্য একটি ফ্রি ও ওপেন-সোর্স কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। অর্থাৎ ওয়ার্ডপ্রেস একটি সফটওয়্যার যা ব্যবহার করে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ওয়েবসাইট তৈরী করা যাবে। WordPress.org থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিজের হোস্ট করা যেকোনো ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনি একটি হোস্টিং সার্ভিস যেমন হোস্টগেটর, Bluehost, DijitalOcean, Vultr, Cloudways প্রভৃতি ব্যবহার করতে পারেন।

অন্যদিকে WordPress.com হলো মূলত একটি ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি, যা WordPress.org এর সফটওয়্যার ব্যবহার করে টাকার বিনিময়ে ওয়েব হোস্টিং সেবা এবং ওয়েবসাইট তৈরীর সুবিধা দিয়ে থাকে। তবে WordPress.org এর আসল সফটওয়্যার সরাসরি প্রচলিতভাবে ব্যবহার না করায় WordPress.com এ কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।

এই আর্টিকেলে আমরা ওয়েবসাইটের জন্য কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ওয়ার্ডপ্রেস অর্থাৎ WordPress.org এ যেটা পাওয়া যায় সেটা নিয়ে জানবো।

ওয়ার্ডপ্রেস কি? কেন ওয়ার্ডপ্রেস এত জনপ্রিয়?
ওয়ার্ডপ্রেস এর ইতিহাস
কলেজ শিক্ষার্থী ম্যাট মুলেনওয়েগ ২০০২ সালে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য b2/cafelog ব্লগিং সিস্টেম ইন্সটল করেছিলেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই ব্লগিং সিস্টেম এর প্রধান ডেভলপার কিছু কারণে এই ব্লগিং সিস্টেম এর কাজ বন্ধ করে দেন।

২০০৩ সালের এপ্রিল মাসের ১ তারিখে নিজের এক বন্ধু, মাইক লিটলকে নিয়ে b2/cafelog এর একটি নতুন সংস্করণ তৈরী করেন ম্যাট মুলেনওয়েগ। ম্যাট এর এক বন্ধু WordPress নামটির পরামর্শ দিলে নামটি তার পছন্দ হয় এবং সেই থেকেই জন্ম হয় ওয়ার্ডপ্রেস এর।

ওয়ার্ডপ্রেস এর প্রথম সংস্করণ, ওয়ার্ডপ্রেস ০.৭ ২০০৩ সালের মে মাসের ২৭ তারিখ মুক্তি পায়। ওয়ার্ডপ্রেস ১.০ প্রকাশ করা হয় ২০০৪ সালের জানুয়ারী মাসে। ওয়ার্ডপ্রেস এর এই সংস্করণ ‘Davis’ নামে পরিচিত। এরপর সময়ের সাথে সাথে ধীরে ধীরে ওয়ার্ডপ্রেসে যুক্ত হতে থাকে নতুন নতুন ফিচার ও বাড়তে থাকে ওয়েবসাইট তৈরীর সফটওয়্যার হিসেবে ওয়ার্ডপ্রেস এর জনপ্রিয়তা।

মূলত মুলেনওয়েগ ও মাইক লিটল এর প্রচেষ্টার ফসল ওয়ার্ডপ্রেস। যদিওবা ম্যাট মুলেনওয়েগ-ই ওয়ার্ডপ্রেস এর সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসাবে সবার কাছে পরিচিত। এছাড়াও ম্যাট মুলেনওয়েগ WordPress.com এর পেছনে থাকা প্রতিষ্ঠান, Automattic এর প্রতিষ্ঠাতা।

ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট
ওয়ার্ডপ্রেস এর যাত্রা একটি ব্লগ তৈরির সাধারণ টুল হিসাবে শুরু হলেও সময়ের সাথে সাথে বদলেছে ওয়ার্ডপ্রেস এর রুপ ও কার্যকারিতা। বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট তৈরী করা সম্ভব। এই ব্যাপারটি আরও সহজ হয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস এর ডিরেক্টরিতে থাকা অসংখ্য থিম ও প্লাগিন এর সাহায্যে।

উদাহরণস্বরূপ, ওয়ার্ডপ্রেস শুধুমাত্র বিজনেস ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগ তৈরীতেই নয়, বরং ই-কমার্স সাইট তৈরীরও অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম। ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে তৈরী করা সম্ভব এমন কিছু ধরনের সাইট নিম্নরূপঃ

বিজনেস ওয়েবসাইট
ই-কমার্স স্টোর
ব্লগ
পোর্টফোলিও
রেজ্যুমে
ফোরাম
সোশ্যাল নেটওয়ার্ক
মেম্বারশিপ সাইট, ইত্যাদি।
উল্লিখিত ধরনের ওয়েবসাইট ছাড়াও একাধিক ক্যাটাগরি মিশিয়েও ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট বানানো যাবে৷ মোটামুটি ভাবা যায় এমন যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট ই ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা বানানো সম্ভব।

ওয়ার্ডপ্রেস এর ব্যবহারকারী কারা?
ওয়েবসাইট তৈরিতে ওয়ার্ডপ্রেস এর ব্যবহার এতোটাই জনপ্রিয় যে এটা ছাড়া বিশ্বের ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে কল্পনাই করা যায় না। ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে এমন কিছু উল্লেখযোগ্য ওয়েবসাইট হলোঃ

হোয়াইট হাউস এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট
মাইক্রোসফট এর অফিশিয়াল ব্লগ
আমেরিকান টেলিভিশন নেটওয়ার্ক, বিবিসি আমেরিকা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্লগ, টেক ক্রাঞ্চ
জনপ্রিয় শিল্পি, কেটি পেরি’র ওয়েবসাইট
স্টার ওয়ারস এর অফিশিয়াল ব্লগ
মিউজিক লেবেল, সনি মিউজিক
দ্যা নিউ ইয়র্ক টাইমস
দ্যা ওয়াল্ট ডিজনি কোম্পানি
এমটিভি নিউজ
এবং আরো অনেক
ওয়ার্ডপ্রেস কেন এত জনপ্রিয়?
ওয়ার্ডপ্রেস এর জনপ্রিয়তার পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কেন ওয়ার্ডপ্রেস এত জনপ্রিয়।

ফ্রি ও ওপেন সোর্স সফটওয়্যার
ওয়ার্ডপ্রেস এর জনপ্রিয়তার কারণের মূলেই রয়েছে এটির সহজলভ্যতা। ফ্রি সফটওয়্যার হওয়ায় যেকেউ বিনামূল্যে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারে। অন্যসব ওয়েবসাইট তৈরীর প্ল্যাটফর্ম মোটা অংকের টাকা দাবি করলেও সুলভ মূল্যে হোস্টিং ও ডোমেইন কিনে ওয়ার্ডপ্রেস এর সাহায্যে খুব সহজেই অল্প খরচে একটি ওয়েবসাইট তৈরী সম্ভব।

ব্যবহারে সুবিধা
জুমলা, ড্রুপাল, ইত্যাদির মত অনেক সিএমএস প্ল্যাটফর্ম থাকলেও এদের মধ্যে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করাই সবচেয়ে সহজ। ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে কোনো পূর্বধারণা ছাড়াই যেকেউ খুব সহজেই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে একটি ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারবে। ব্লগ লেখা হোক কিংবা পেজ তৈরী, সকল কাজই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে যেকেউ করতে পারে।

থিম
ওয়েবসাইট এর প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে এর ডিজাইন। আর ওয়ার্ডপ্রেস চালিত ওয়েবসাইট ডিজাইন নির্ভর করে এর থিম এর উপর। ওয়ার্ডপ্রেস এর ডিরেক্টরিতে রয়েছে অসংখ্য ফ্রি থিম যা ব্যবহার করে আপনি যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারেন। ফ্রি থিম এর পাশাপাশি থিমফরেস্ট এর মতো মার্কেটপ্লেসে অনেক পেইড থিমস ও রয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস এর জন্য।

প্লাগিন
ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করলে বেসিক সব ফিচার এর সাথেই পাওয়া যায়। তবে ওয়ার্ডপ্রেস এর ফাংশনালিটি উল্লেখযোগ্য হারে বর্ধিত বা উন্নত করতে চাইলে ব্যবহার করতে হয় ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন। এগুলোকে অ্যাপ এর সাথে তুলনা করা যেতে পারে। মোবাইলে যেমন বিভিন্ন অ্যাপ আপনাকে বিভিন্ন সুবিধা দেয়, তেমনি ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিনও সাইটে বিভিন্ন ফিচার যুক্ত করে।

ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন ব্যবহার করে যেকোনো নতুন ফিচার যুক্ত করা সম্ভব ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে। এছাড়াও ওয়ার্ডপ্রেসে যেকোনো সমস্যার সমাধানেও প্লাগিন ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

এসইও
এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর ক্ষেত্রে ওয়ার্ডপ্রেস যথেষ্ট কার্যকর৷ ওয়ার্ডপ্রেস প্রথম থেকেই সার্চ ইঞ্জিন সমূহকে প্রাধান্য দিয়ে এসইও-বান্ধব সফটওয়্যার তৈরী করে আসছে। এর ফলে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে তৈরী ওয়েবসাইটে গুগল থেকেই অসংখ্য ভিজিটর পাওয়া সম্ভব। এছাড়াও বিভিন্ন প্লাগিন ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের এসইও কে উন্নত করা যায়।

সাপোর্ট
ওয়ার্ডপ্রেস ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার হলেও এই সফটওয়্যারকে ঘিরে রয়েছে বিশাল একটি কমিনিউটি। যার ফলে ওয়ার্ডপ্রেস সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার সমাধান বের করা বেশ সহজ। এছাড়াও ওয়ার্ডপ্রেস অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায় কোনো সমস্যা দেখা দিলে ব্লগ, ইউটিউব, ইত্যাদির কল্যাণে অল্প সময়েই সমস্যার সমাধান করা যায়।

ওয়ার্ডপ্রেস কিভাবে শিখবেন?
আমরা আগেই জেনেছি বিশ্বের একটি বিশাল সংখ্যার ওয়েবসাইট তৈরী হয় ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করেই। তাই ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভলপার এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। তাই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার শেখার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে অন্যসব বিষয়ের মত ইউটিউবের সাহায্য নিতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেস কোডেক্স থেকেও ওয়ার্ডপ্রেস, ওয়ার্ডপ্রেস থিম ও ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন ডেভলপমেন্ট সম্পর্কে সকল ধারণা লাভ করা সম্ভব।

এছাড়াও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে প্রচুর ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ যা পড়েও আপনি ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন৷ আপনি যদি শুধুমাত্র ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েব ডিজাইনার হতে চান, সেক্ষেত্রে কোডিং না শিখেও ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে পারবেন। তবে ব্যাক-এন্ড ডেভলপমেন্ট শিখতে হলে অবশ্যই পিএইচপি, এইচটিএমএল, জেকুয়্যেরি, জাভাস্ক্রিপ্ট, মাইএসকিউএল ইত্যাদি জানার প্রয়োজন হবে।

আমরা ভবিষ্যতে ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে আরো গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পোস্ট করব। আমাদের সাথেই থাকুন!

Computer Training Centre

Address

30 Sonargaon Janopath, Sector# 12, Uttara
Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 07:30 - 05:30
Tuesday 07:30 - 05:30
Wednesday 07:30 - 05:30
Thursday 07:30 - 05:30
Saturday 07:30 - 05:30
Sunday 07:30 - 05:30

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh America Institute of Technology posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bangladesh America Institute of Technology:

Share