17/01/2021
"প্রান্তিকআলো" অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চায়ের উপকারিতা।
(আপনারা বিভিন্ন চ্যানেলে হয়তোবা দেখেছেন। আমি গবেষণা করে ইলেকট্রনিক্স এর কিছু নতুন নতুন ডিভাইস আবিষ্কার করেছি। যেমন:- চোর ধরার টিসিএস মেশিন। পকেটমার ধরার "পকেট গার্ড মানিব্যাগ।" দোকানদারদের ক্যাশ থেকে টাকা চোর ধরার "ক্যাশ গার্ড" মেশিন। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হিসেবে, 10 ওয়াট হাই স্পিড সিলিং ফ্যান। মাছ ধরার ফিস অ্যাটাক মেশিন। তাছাড়া এই জাতীয় আরো অনেকগুলো নতুন নতুন ডিভাইস আবিষ্কার করেছি। আমার তৈরি এই ডিভাইসগুলো আমাদের কোম্পানি "প্রান্তিক আলোর" মাধ্যমে, বাজারজাত করার সকল কার্যক্রম শুরু করে ছিলাম। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল, হঠাৎ করোনা মহামারীতে আমি নিজেই আক্রান্ত হয়ে পড়ি।, জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, মাথাব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা, ক্লান্তিভাব, এই সমস্যাগুলোতে আমি বারবার আক্রান্ত হচ্ছিলাম। যেহেতু আমি ছাত্র জামা থেকেই আমার যেকোনো সমস্যা হলে, নিজেই কেমিক্যালমুক্ত প্রাকৃতিক ঔষধ তৈরি করে নিজের চিকিৎসা নিজে করতাম।
করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরও ঠিক একই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। নিজের তৈরি কেমিক্যালমুক্ত ঔষধ খেয়ে পরিপূর্ণ সুস্থ হব। তবুও বাহিরের কেমিক্যালযুক্ত ঔষধ খাব না।
শেষ পর্যন্ত আমি বুখারী শরীফের একটি হাদিস مَا أَنْزَلَ اللَّهُ دَاءً إِلاَّ أَنْزَلَ لَهُ شِفَاءً অর্থাৎ "আল্লাহ তাআলা (পৃথিবীতে) এমন কোন রোগ পাঠাননি যে রোগ থেকে আরোগ্য লাভের চিকিৎসা (ঔষধ) পাটানি।" এ হাদীসের উপর ভিত্তি করে আমি আমার নিজের পরিপূর্ণ সুস্থতার জন্য গবেষণা করে কিছু চা আবিষ্কার করেছি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী চা'টির নাম দিয়েছি এন্টিঅক্সিডেন্ট চা। আমার এই চা নিয়মিত ভাবে বড় বড় সাংবাদিক, লইয়ার, ব্যাঙ্ক ম্যানেজার, আর্মি অফিসার, পুলিশ অফিসার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপিটালের কয়েকজন এমবিবিএস ডাক্তার, সোনালী ব্যাংক এবং এসআইবিএলের বিভিন্ন শাখায় বড় বড় অফিসারগণ আমার এই চা নিয়মিত ভাবে খাচ্ছেন। তাদের চাহিদার কারণে আমাদের এই চা বাজারজাত করতে বাধ্য হচ্ছি। অল্প কিছুদিন পর তাদের সবার সাক্ষাৎকার নিয়ে আমাদের এন্টিঅক্সিডেন্ট চা বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রচার করবো ইনশাআল্লাহ। তবে আজ থেকে আমরা ঢাকা শহরের বিভিন্ন মার্কেটে সাধারণ মানুষদের মাঝে বাজারজাত শুরু করেছি। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আল্লাহ তাআলা মানবকল্যাণে আমাদের এই চা কবুল করেন। আমিন!)