23/04/2021
এইতো লকডাউনের কয়েকদিন আগে কারওয়ান বাজার গিয়েছিলাম একটা অফিস ভিজিট করতে। সার্ভিসিং এর জন্য আমরা সব সময় চেষ্টা করি দ্রুত যাবার জন্য। কিন্তু ঐ দিন বিজয় সরণী মোড়ের বিখ্যাত সিগন্যালে দুর্ভাগ্য বশতঃ ১ ঘন্টা লস হয়ে যায়।
যখন পৌছাই অফিস জুড়ে তখন অমাবশ্যার অন্ধকার। জরুরী প্রজেক্ট এন্ডিং এর কাজ চলছে ৫টার মধ্যে দুইটা কম্পিউটারই কাজ করছে না, প্রিন্টার লকড এবং ভৌতিক কোন কারণে ৩নং কম্পিউটারটায় নেট কানেকশন পাচ্ছে না।
আমি পৌছাতে না পৌছাতেই ৩নং কম্পিউটার একা একাই নেট কানেকশন পেয়ে চলতে শুরু করলো। আমি স্রেফ ছুইনি পর্যন্ত কিছু :/
এমনটা হয় মাঝেমধ্যে, স্রেফ কাকতালীয় ব্যাপার। যাইহোক, কম্পিউটার দুটোকে আধাঘন্টার মধ্যে লাইনে নিয়ে আসলাম। প্রিন্টারের একস্ট্রা টোনার অফিসেই ছিলো, বদলে দিতেই ঘোড়ার মতো চালু হয়ে গেলো।
বিল নেয়ার সময় যেটা কোয়ালিটি কন্ট্রোল ম্যানেজার সাহেব বেশ প্রশংসা করলেন, বড় একটা ডিল এবং সম্মান বাঁচানো গেছে। তবে খারাপ লাগলো যখন শুনলাম, মিনিমাম ২৫ হাজার টাকার আর্থিক লস হয়ে গেছে এই ১ ঘন্টার জ্যামে।
তারপর থেকে সবাইকেই বলি, ঢাকা শহর জ্যামের শহর। টেক সাপোর্ট আসতে লেট হতেই পারে, তাই বিপদের কথা ভেবে আপনার সবসময় একটা ব্যাকআপ রাখা উচিত।
২০ হাজার টাকার একটা একস্ট্রা কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ আপনার লাখ টাকা বাঁচাতে পারে। অন্তত পক্ষে একটা একস্ট্রা হার্ডডিস্কের ব্যাকআপতো থাকাই উচিত কর্পোরেট অফিসগুলোতে। সাথে প্রতি সপ্তাহে দুইবার ডাটা ব্যাকআপ। নিজেরাই করে নিতে পারবেন।
আপনার কম্পিউটারকে সারামাস চালু রাখতে কাজ করে যাচ্ছি আমরা।
আমি সিরাজুল ইসলাম, টেক এক্সপার্ট, কাজ করছি ICT DHAKA নিয়ে।
সাশ্রয়ী দামে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, প্রিন্টার, টোনার কিনতে অথবা টেকসাপোর্টের জন্য: 01611-197707