Electrical government job preparation

Electrical government job preparation We know all Electrical Work

1. VFD টা আসলেই কি?2. VFD কে কেন Inverter ও বলা হয়? 3. VFD ব্যাবহার করা হয় কেন? 4. VFD কিভাবে অপারেশন সম্পন্ন করে?5. V...
04/06/2024

1. VFD টা আসলেই কি?
2. VFD কে কেন Inverter ও বলা হয়?
3. VFD ব্যাবহার করা হয় কেন?
4. VFD কিভাবে অপারেশন সম্পন্ন করে?
5. VFD দিয়ে কিভাবে কাজ করে?

⏭VFD কি??---- এটা এমন একটা ডিভাইস যা একটি AC Drive বা Induction Motor এর ইনপুটের Frequency এবং voltage এর ভ্যারিয়েশন করে মোটরের স্পীড কন্ট্রোল করতে পারে। এবং মোটরকে প্রোটেকশনও দিতে পারে।

⏭কেন VFD কে Inverter ও বলা হয়? DC কে যখন AC রুপান্তর করা হল Inverter. আর AC কে DC করা হল Converter.
DC to AC = Inverter
AC to DC = Converter
VFD তার অপারেশন কমপ্লেট করতে প্রথমে AC কে DC তে কনভার্ট করে এবং পরবর্তীতে DC কে 3 phase AC রুপান্তর করে। অতএব VFD কে Inverter বললে ভুল হবেনা।
⏭ VFD এর অনেকগুলো সুবিধা আছে
1. আপনি যদি আপনার মোটরের স্পীড ভেরিয়েশন করতে যেমন আপনি চান আপনার মোটর যখন স্টার্ট হবে তখন এটা কম RPM ঘুরবে এবং ধীরে ধীরে রেটেড স্পীডে পৌছোবে সেই কাজটা VFD সুন্দর করে করে দিতে পারবে ফ্রিকুয়েন্সি ভেরিয়েশন করে।
2. আপনার বাসার সিঙ্গেল ফেজ লাইন দিয়ে যদি আপনি 3 phase motor চালাতে চান সেটাও VFD করে দিতে পারে।
3. VFD দ্বারা মোটরকে প্রয়োজন অনুযায়ী ফরওয়ার্ড বা রিভার্সে। স্টার -ডেল্টায় চালাতে পারবেন।
4. আর মোটরকে প্রোটেকশনের জন্য VFD ব্রেকিং রেজিস্টর এর মত প্রোটেকটিভ সিস্টেম হাতে রাখে। এছাড়াও অনেক সুবিধা রয়েছে VFD ব্যাবহারে।

⏭VFD operation :-
১. সর্বপ্রথমই আসে ইনপুটের কথা। ইনপুটে সাপ্লাই দিতে হবে। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে VFD এর ইনপুটে আপনি single phase বা 3 phase সাপ্লাই যাই দেননা কেন vfd তার আউটপুটে 3 phase ই সাপ্লাই দিবে। অর্থ্যাৎ প্রথমে সাপ্লাই পেলে vfd পরবর্তী কাজ করবে।
২. এই ধাপে vfd ইনপুটের AC সাপ্লাইকে রেকটিফায়ারের মাধ্যমে DC তে কনভার্ট করবে।
৩. এই ধাপে vfd এর কন্ট্রোলিং সার্কিট IGBT ( Insulated Gate Bipoler Transistor) এর গেটে পাল্স প্রেরন করে। এই পালসের ওপরই ফ্রিকুয়েন্সির ভেরিয়েশন নির্ভর করে। কি পরিমান ফ্রিকুয়েন্সি ইউজার চায় সেই অনুযায়ী কন্ট্রোল সার্কিট IGBT এর গেটে নির্দিষ্ট সময়ে পাল্স এর পরিমাণ বাড়িয়ে কমিয়ে ফ্রিকুয়েন্সি পরিবর্তন করে। 3 phase এর জন্য ৬ টা igbt থাকে। এইধাপেই DC কে পুনরায় AC রুপান্তরিত করে vfd এর আউটপুটে প্রেরন করে।
⏭প্রশ্ম হতে পারে কেন প্রথমে AC কে DC আবার DC কে AC করার কি প্রয়োজন ? আসলে AC সরাসরি ফ্রিকুয়েন্সি পরিবর্তন করা যায়না। একে ডিসিতে নিয়েই ফ্রিকুয়েন্সি পরিবর্তন করতে হয

23/08/2023

PLC কি ?

পি এল সি (PLC) পূর্ণ নাম প্রোগ্রামএবল লজিক কন্ট্রোলার (Programmable Logic Controller)। এটি এমন একটি ডিভাইস যার সাহায্যে অতি সহজেই অন্যান্য যন্ত্র কন্ট্রোল করা যায়।এটি এক প্রকার ইন্ডাস্ট্রিয়াল কম্পিউটার কন্ট্রোল সিস্টেম যা ইনপুটে কোন প্রকার সিগন্যাল পাওয়ার সাথে সাথে একটি ডিসিশন মেক করবে কাস্টম প্রোগ্রামের উপর নির্ভর করে এবং আউটপুট কন্ট্রোল করবে।পিএলসি সাধারণত মাইক্রোপ্রসেসর নিয়ে গঠিত যাকে কম্পিউটারের সাহায্যে প্রোগ্রাম করতে হয়। প্রোগ্রামটি মূলত কম্পিউটারের সফটওয়্যারে লিখতে হয় এবং তা ক্যাবলের সাহায্যে পিএলসিতে লোড করা হয়।

PLC কোথায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে?

আমরা জানি পিএলসি একটি ডিজিটাল কম্পিউটার যা বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কন্ট্রোল করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে।যেকোন মেশিন অটোমেশন, নিউক্লিয়ার পাওয়ার জেনারেশন প্লান্ট, রাসায়নিক শিল্পকারখানা, অটোমেটেড শিল্পকারখানা, হোম অটোমেশন,সিমেন্ট কারখানার, ফুড কারখানার,বায়োমেডিক্যাল,ইরোবটস উৎপাদন এবং নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

Brand Name of PLC:

বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানির পিএলসি বাজারে রয়েছে। তবে এদের মধ্যে কিছু পরিচিত পিএলসির তালিকা নিচে দেওয়া হলো।

1.ডেল্টা পিএলসি( Delta)

2.এলেন ব্র্যাডলি( Allen Bradley)

3.মিটসুবিশি(Mitsubishi)

3.ফুজি(fuzzi)

4.পেনাসনিক ( Panasonic)

5.ওমরন (Omron)

6.এল এস ( LS)

7.টশিবা(Toshiba)

8.সিমেন্স (Siemens)

9.ফাটেক ( Fatek )

10.স্ট্যাইডার(Schneider)

পিএলসি কিভাবে কাজ করে থাকে?

পিএলসি এক প্রকার মাইক্রোকন্ট্রোলার বেইজড কন্ট্রোল সিস্টেম। এতে একটি প্রোগ্রামএবল মেমোরি থাকে যা বিভিন্ন প্রকার ইনস্ট্রাকশন স্টোর করে থাকে। এর মাধ্যমে এরিথমেটিক(গাণিতিক)লজিক্যাল, সিকুয়েন্সিং, টাইমিং ইত্যাদি কার্যবলি সম্পাদন করা হয়।পিএলসি কাজ নির্ভর করে প্রথম ধাপ যে ইনপুট সিগন্যাল দেয়া হবে তা লেডার ডায়াগ্রামের মাধ্যমে প্রসেসিং হয়ে দ্বিতীয় ধাপে কাঙ্খিত আউটপুট সিগন্যাল পাওয়া যাবে। এর সাহায্যে অন্যান্য ডিভাইস সহজেই কন্ট্রোল করা যায়।

পিএলসি তিনটি প্রধান সেকশন রয়েছেঃ

(1) পাওয়ার সাপ্লাই

(2) ইনপুন\আউটপুট

(3) সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট

1.পাওয়ার সাপ্লাই:

পিএলসিকে একটিভ করার জন্য অবশ্যই একটি পাওয়ার লাগবে। পাওয়ার সাপ্লায়ের কাজ মূলত ইনপুট, সিপিইউ এবং আউটপুটকে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা। আর একটি কথা, এতে আর্থিং থাকতেই হবে। আর্থিং না করা থাকলে প্রোগ্রাম ঠিকমত রান নাও করতে পারে এমনকি ডিলিট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

বিভিন্ন পিএলসির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পাওয়ার কম বেশি হতে পারে। যেমন অনেক পিএলসি আছে যাদের অপারেট করতে ১১৫ ভোল্ট থেকে ২৪০ ভোল্ট এসি/ডিসি প্রয়োজন হয়। আবার অনেক পিএলসি রয়েছে শুধু ডিসি ২৪ ভোল্টে অপারেট করা যাবে।

2.ইনপুট:

এখানে বিভিন্ন প্রকার ইনফরমেশন প্রদান করা হয়ে থাকে। ইনপুট ডিভাইসে প্রাপ্ত তথ্যকে লেডার ডায়াগ্রাম অনুযায়ী আউটপুট ডিভাইসের বিভিন্ন অংশে পাঠানো হয়। ইনপুট সাধারণত বিভিন্ন প্রকার সুইচ, সেন্সর, তাপমাত্রা ইনফরমেশন, ভেরিয়েবল ভোল্টেজ ইত্যাদি ইনফরমেশন সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটকে পাঠায়।

3.আউটপুট:

সেন্ট্রাল প্রসেসিং থেকে আগত তথ্যকে রিলে সুইচের মাধ্যমে মেশিনে পাঠানো হয়ে থাকে ও মেশিন সেই অনুযায়ী কাজ করে।মেশিনে সেন্সর সহ অন্যান্য ডিভাইসের মাধ্যমে পুনরায় ইনপুটে তথ্য প্রদান করে থাকে এবং এইভাবে চক্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় ভাবে চলতে থাকে।

সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট:

ইনপুট হতে আগত তথ্যগুলোকে লেডার ডায়াগ্রাম অনুযায়ী আউটপুট ডিভাইসের বিভিন্ন অংশে পাঠানো হয়ে থাকে। এছাড়া ইনপুট ডিভাইসের প্রাপ্ত তথ্যর সাথে সিপিইউ ডায়াগ্রাম অনুযায়ী নিজস্ব কিছু তথ্য সংযোগ হতে পারে ।

পি এল সি প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার:

প্রথমে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে আপনি কোন ব্র্যান্ডের পিএলসি ব্যবহার করবেন। এক একটা ব্র্যান্ডের পিএলসির জন্য আলাদা আলাদা সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয় ।এরপরেই সেই ব্র্যান্ড অনুযায়ী PLC সফটওয়্যার পিসিতে ইনস্টল করে নিতে হবে।

পিএলসি সিপিইউ:

পি এল সি সিপিইউতে আপনি চাইলে এক্সটারনাল ইনপুট আউটপুট বাড়িয়ে নিতে পারেন। ধরেন আপনি ৩৬ টি ইনপুট এবং ২৪ টি আউটপুট ব্যবহার করতে পারছেন কিন্তু আপনার ইনপুট ও আউটপুট আরো বেশি লাগবে, সেক্ষেত্রে এক্সটারনাল মডিউল যোগ করে করতে পারেন এবং এটা খুবই সহজ।কিন্তু সব পিএলসির ক্ষেত্রে আপনি ইচ্ছা করলেই ইনপুট ও আউটপুট এক্সটেনশন করতে পারবেন না। একমাত্র মডুলার পিএলসিতে এক্সটেনশন সম্ভব। অর্থাৎ একটি কম্পাক্ট পিএলসি এবং অপরটি মডুলার পিএলসি।

কমিউনিকেশন ক্যাবল:

পিএলসির জন্য ভালো মানের ক্যাবল এবং কনভার্টার ব্যবহার করাই উত্তম। কারন বাজারে বিভিন্ন ক্যাবল পাওয়া যায় যা ঠিকমত কাজ করে না। একারনে পিএলসি কমিউনিকেশন ক্যাবল পিএলসি যে কোম্পানির সেই কোম্পানি থেকেই নেওয়া উচিত। যদিও ক্যাবলের দাম অনেক বেশি হয়ে থাকে।

পিএলসি প্রোগ্রামিং ভাষা:

Ladder Diagram (LD)
Function Block Diagram (FBD)
Instruction List (IL)
Structural Text (ST)
Sequential Function Chart (SFC)

17/06/2023

ইন্ডাস্ট্রি লেভেলে কিছু অজানা প্রশ্ন যা জেনে নেওয়া আমাদের খুবই জরুরী!!
Magnetic contactor কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে? Magnetic contactor একটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক চালিত সুইচ, এটার ফাংশন অনেকটা রিলের মতই । তবে রিলে সাধারনত লো পাওয়ার ও ভোল্টেজে ব্যবহৃত হয় অন্য দিকে হাই পাওয়ারের ক্ষেত্রে Magnetic contactor ব্যবহার হয়। এটাতে একটি এনারজাইজড কয়েল, আয়রন কোর, কয়েকটি অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট (NC, NO points), মেইন কন্ট্যাক্ট টার্মিনাল (3 contacts points) ও একটি ওভারলোড রিলে সংযুক্ত থাকে। এটির সাথে সাধারণত একটি নিয়ন্ত্রণ সার্কিট ব্যবহার করে বৃহৎ বৈদ্যুতিক লোড (বৈদ্যুতিক মোটর) স্টার্ট/স্টপ বা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কলকারখানায় মোটর কন্ট্রোল অটোমেশনে এটি ব্যবহার হয়ে থাকে।

কেন Magnetic contactor ব্যবহার করা হয়?

১। এটির মাধ্যমে একটি ছোট পুশ সুইস দিয়ে একটি বৃহৎ মোটর বা বড় বৈদ্যুতিক লোড নিয়ন্ত্রণ করা সহজ ও নিরাপদ।

২। এটির সাথে কয়েকটি অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট (NC, NO points) থাকে, এগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন সিগনাল বা স্টাটাস জানা যায়।

৩। এটির সাথে ওভারলোড রিলে সংযুক্ত থাকায় লোডে কারেন্ট সরবরাহ কোন কারনে ওভার হয়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটি লোডে কারেন্ট সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

৪। ৩ ফেজ মোটরের ক্ষেত্রে ৩-ফেজ সাপ্লাই দিতে হয়, এক্ষেত্রে Magnetic contactor ব্যবহার করে সহজে মোটরে ৩-ফেজ সাপ্লাই দেয়া যায়।

৫। স্টার/ডেল্টা এর ক্ষেত্রে ৩টি Magnetic contactor ব্যবহার করে সহজেই কন্ট্রোল করা যায়।

৬। চালু অবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে লোডে কারেন্ট সরবরাহ বন্ধ হবে আবার এ অবস্থায় কারেন্ট সরবরাহ আসলেও নতুন করে স্টার্ট বাটন না প্রেস করলে লোডে কারেন্ট সরবরাহ হবেনা। এতে সার্জ ভোল্টেজ থেকে ডিভাইস রক্ষা পায়।

NC ও NO contact কি?

এগুলো অক্সিলারি কন্টাক্ট। এগুলোকে ব্যবহার করে লোড কে অটোমেশন মুডে বা প্রোটেকশন এর সার্কিট তৈরি করা হয়।

NC= Normally Close নরমাল অবস্থায় অর্থাৎ যখন এর কয়েল এনারজাইজড থাকেনা এটার অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট বন্ধ (Close) অবস্থায় থাকে।

NO= Normally Open নরমাল অবস্থায় অর্থাৎ যখন এর কয়েল এনারজাইজড থাকেনা এটার অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট খোলা (Open) অবস্থায় থাকে।

যখন এর কয়েল এনারজাইজড হবে (বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে) তখন NC পয়েন্ট NO হবে এবং NO পয়েন্ট NC হয়ে যাবে।

অক্সিলারি কে সংযুক্ত করতে এতে অক্সিলারি ব্লোক থাকে।

Magnetic contactor এর কয়েলে কত পাওয়ার দেয়া হয়?

এটা বিভিন্ন রেঞ্জের হয়ে থাকে যেমনঃ 24VDC,24 VAC,110 VAC,240 VAC,415 VAC

Magnetic contactor এর গায়ে এটা সাধারণত উল্লেখ করা থাকে। সাধারনত কয়েলের টার্মিনাল দুটো কে A1 এবং A2 দ্বারা চিহ্নিত করা থাকে।

১। প্রঃ টিউব লাইট কত ফুট লম্বা ও কত ওয়াটের হয় ?
উ : ৪ ফুট ৪০ ওয়াট এবং ২ ফুট ২০ ওয়াট সাধারনত।
২। প্রঃ স্টার্টার ছারা টিউব লাইট জ্বালানো যায় কি ?
উঃ হ্যা যায়, পুশ বাটন সুইচ ব্যবহার করে অথবা তারে তারে সংযোগ করেই বিচ্ছিন্ন করে দিতে হয়।
৩। প্রঃ টিউব লাইট এক বার জ্বলে আবার পর মুহুর্ত্তেই নিভে এরূপ করতেছে – দোষ কোথয়?
উঃ স্টার্টার খারাপ কাজ করতেছে না।
৪। প্রঃ টিউব লাইটের দুই দিক জ্বলে থাকে পূর্ন ভাবে জ্বলে না – কারন কি ?
উঃ টিউবের ভিতর প্রয়োজনীয় গ্যাস নাই, অথবা প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ পাচ্ছেনা, অথবা স্টার্টার সার্কিট ব্রেক করতেছে না অথবা চোক কয়েল দুর্বল হয়েপরেছে।
৫। সুইচ অফ করা সত্বেও হোল্ডারে সাপ্লাই পাত্তয়া যায়।
উ :সুইচ লাইনে ব্যবহার না করে নিউট্রালে ব্যবহার করা হয়েছে।
৬। কলিং বেলের আওয়াজ খুব বেশী কি ভাবে কমাবে ?
উ : কম পাওয়ারের বাতি কলিং বেলের সাথে সিরেজে ব্যবহার করে।
৭। একটি ডিসি জেনারেটর পূর্ণ স্পিডে ঘুরতেছে কিন্তু ভোল্টেজ উৎপন্ন হইতেছে না- কারন কি?
উ: (১) ফিল্ডে রেসিডিয়্যাল মেগনেটিজম নেই
(২) জেনারেটর উল্টা ঘুরতেছে
(৩) ফিল্ডের কয়েল ওপেন
(৪) আর্মেচার কয়েল ওপেন
(৫) কার্বন ব্রাসের কম্যুটেটরে সংযোগ নেই।

৮। স্টার্টার মোটরর্স্টাট দেয়া ছারা আর কি কি কাজ করে?
উ: ইহা ওভার লোডে এবং সাপ্লাই চলে গেলে মোটরকে সোর্স হতে আপনা আপনি বিচ্ছিন্ন করে।
৯। একটি ১০ হর্স পাওয়ারের মোটর দ্বারা ১০ হর্স পাওয়ারের জেনারেটর ঘুরিয়ে তাহা হতে ১০ হর্স পাওয়ার জেনারেশন পাওয়া যাবে কি?
উ: না, কারন কখনও ইনপুট আউটপুট সমান হয় না।
১০। ডায়নামো কি ?
উ: ডিসি জেনারেটরকে ডায়নামো বলে।
১১। কোন প্রকার ওয়্যাইন্ডিং কখন ব্যবহ্নত হয় ?
উ: ল্যাপ ওয়্যাইন্ডিং বেশী কারেন্টের জন্য এবং ওয়েভ ওয়্যাইন্ডিং বেশী ভোল্টেজের জন্য ব্যবহ্নত হয়।
১২। তিন ফেজ হতে এক ফেজ নেয়া যায় কি ?
উ: হ্যাঁ, যদি স্টার কানেকশন থাকে, তবে একটি লাইন ও নিউট্রালে এক ফেজ সাপ্লাই পাওয়া যায়।
১৩। সিলিং ফ্যানের স্পিড কমে যাওয়ার কারন কি?
উ: পূর্ণ ভোল্টেজ পাচ্ছে না, না হয় ক্যাপাসিটর দুর্বল না হয় বল বিয়ারিং জ্যাম, না হয় কয়েলের ইন্সুলেশন দূর্বল।
১৪। পাখা পূর্ণ বেগে ঘুরা সত্বেও বাতাস পাওয়া যায় না কেন ?
উ: পাখার ব্লেডের বাক কম না হয় পাখার পিছনে প্রয়োজনীয় ফাকা জায়গা নেই।
১৫। পাখা উল্টা ঘুরে গেলে কি ভাবে ঠিক করবে ?
উ: ক্যাপাসিটরের কয়েল কানেকশন বদল করে, আথবা হয় রানিং না হয় র্স্টাটিং কয়েল বদল করে ঠিক করা যায়।
১৬। সিলিং ফ্যানের কোন দিকের বল বিয়ারিং সাধারনতঃ আগে খারাপ হয় ?
উ: উপরের বিয়ারিং খারাপ হয়।
১৭। সিলিং ফ্যান স্টার্ট দেওয়ার সংঙ্গে সংঙ্গে ইহার কানেকটিং রডে খট খট আওয়াজ হয়ে পরে আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায় কারন কি ?
উ: ইহার রডে রাবার বুশ নেই।
১৮। কোন মোটর এসি এবং ডিসি উভয় সাপ্লাই এ চলে ?
উ: ইউনিভার্সাল মোটর (ডিসি সিরিজ মোটর) ।
১৯। তিন ফেজ মোটর উল্টা ঘুরতেছে, কিভাবে ঠিক করবে ?
উ: ইহার যে কোন দুই ফেজের জায়গা বদল করে দিতে হবে।
২০। চলন্ত অবস্থায় তিন ফেজ মোটরেরএক ফেজ চলে গেলেকি হবে ?
উ : যদি লোড বিহীন অবস্থায় থাকে তবে মোটর ঘুরতে থাকবে কিন্তু গরম হয়েযাবে এবং ভিন্ন রকম আওয়াজ করবে। আর যদি লোডেড অবস্থায় থাকে , তবে মোটরসঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাবে। যদি মেইন সুইচ অফ করে দেওয়া না হয়, তবে মোটরজ্বলে যাবে
২১। তিন ফেজ ২০ ঘোড়া মোটরের জন্য ক্রয়কৃত স্টার ডেল্টা স্টার্টার ১০ ঘোড়া তিন ফেজ মোটরের ব্যবহার করা যাবে কি ?
উ : হ্যাঁ, যাবে তবে কারেন্ট সেটিং এর মান কমিয়ে দিতে হবে।
২২। স্টার ডেল্টা স্টার্টারের ম্যাগনেটিক কয়েল কত ভোল্টেজ সাপ্লাই পায় ?
উ : সরাসরি ৪০০ ভোল্টসাপ্লাই পায়। (লাইন টু লাইন)
২৩। ইন্সুলেশন রেজিস্ট্যান্স কি মিটার দ্বারা মাপা হয় ?
উ : মেগার দ্বারা।
২৪। আর্থ রেজিস্ট্যান্স কি ভাবে মাপা হয় ?
উ : মেগার আর্থ টেস্টারের সাহায্যে অথবা মোটামুটি ভাবে একটি ১০০ওয়াটের বাতি আর্থ তার লাইনের মধ্যে সংযোগ করার পর যদি উজ্জ্বল ভাবে জ্বলে , তাহলে আর্থিং ভাল আছে।
২৫। আর্থিং রেজিস্ট্যান্স কত হওয়া বান্ছনীয় ?
উ : বাসাবাড়ীর জন্য বেশীর পক্ষে ৫ ওহম এবং সাব স্টেশন ও পাওয়ার লাইনের জন্য বেশীর পক্ষে ১ ওহম হওয়া দরকার।
২৬। কোন ট্রান্সফরমারের কেবল মাত্র একটি কয়েল থাকে ?
উ : অটো ট্রান্সফরমার।
২৭। ট্রান্সফরমার হামিং কি ?
উ : ট্রান্সফরমারের কোর এবং কয়েল কানেকশন যদি মজবুত ভাবে না করাথাকে, লুজ কানেকশন থাকে তাহলে ফুল লোড অবস্থায় কাঁপতে থাকে এবং এক প্রকারআওয়াজ হয়, তাহাই হামিং।
২৮। ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারন কি ?
উ : (১) ওভার লোড হওয়ার জন্য হতে পারে
(২) ইন্সুলেশন দুর্বল হয়ে গেলে
(৩) কোথাও আর্থ হয়ে গেলে
(৪) ওভার ভোল্টেজ সাপ্লাইয়ের জন্য।
২৯। সিলিকা জেলের স্বাভাবিক রং কি রূপ থাকে ?
উ : ভাল অবস্থায় ধব ধবে সাদা, কিন্তু জলীয় বাস্প গ্রহন করলে কিছুটা বাদামী রং এর হয়ে যায়,আবার উত্তাপ দিলে ইহা সাদা হয়ে যায়।
৩০। ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি ?
উ : ইহার প্রধান কাজ দুটি- প্রথমত ইহা ইন্সুলেশনের কাজ করে, দ্বিতীয়ত ট্রান্সফরমারকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্যে করে।
৩১। ব্রিদার কি ?
উ : ইহা ট্রান্সফরমারের কনজার্ভেটরের সহিত লাগানো থাকে, যার মাধ্যমেবাহির হতে ঠান্ডা বাতাস ফিল্টার হয়ে ট্যাংকে ঢুকে এবং গরম বাতাস ট্যাংক হতেবাহির হয়ে যায়।
৩২। বুকল্স রিলে কি ?
উ : ইহা এক প্রকার রিলে যাহা ট্রান্সফরমারের ট্যাংক ও কনজার্ভেটরেরসংযোগকারী পাইপের মধ্যে বসানো থাকে এবং ট্রান্সফরমারের ভিতরেত্রুটি দেখাদিলে সর্তক ঘন্টা বাজিয়ে থাকে।
৩৩। গার্ড ওয়্যার কি ?
উ : ট্রান্সমিশন লাইনের নীচে ব্যবহ্নত তার, যাহা আর্থের সহিত সংযোগ থাকে।
৩৪। ব্যাটারীর সলিউশন তৈরির সময় এসিড পানিতে না পানি এসিডে মিশাতে হয় ?
উ : এসিড পানিতে মিশাতে হয়।
৩৫। জাম্পার কি ?
উ : মেইন লাইন হতে বাসা বাড়ীতে সাপ্লাই লাইনের সংযোগ রক্ষাকারী তার।
৩৬। ডেম্পার ওয়্যাইন্ডিং কি ?
উ : সিনক্রোনাস মোটরকে র্স্টাট দেওয়ার জন্য ইহার পোলের উপর মোটাতারের ওয়্যাইন্ডিং দেওয়া হয় এবং ইহা অল্টারনেটরে ও ব্যবহ্নত হয় হান্টিং দোষ কমানোর জন্য।
৩৭। CB কি ?
উ : সার্কিট ব্রেকার যাহা ক্রটি পূর্ণলাইনকে আপনা আপনি র্সোস হতে বিচ্ছিন্ন করে।
৩৮। A.C কে D.C এবং D.C কে A.C কিভাবে করা হয় ?
উ : A.C কে D.C করা হয় রেকটিফায়ার অথবা রোটারী কনভার্টার দ্বারা এবং D.C কে A.C করা হয় ইনভার্টার দ্বারা।

ভাল লাগলে শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন ।

12/06/2023

1 Ton = 3,516.8528 Watts = 3.516 kW.
2 Ton = 2 x 3.516 kW = 7.032kW = 7032W
১। AC কে টনে প্রকাশ করা হয় কিন্তু KW-এ প্রকাশ করা হয় না কেন?
২।১ টন সমান কত KW ?
৩। ২ টন AC-তে কত আম্পিয়ার কারেন্ট নেয় Single Phase and Three Phase-এ?
৪।MCB এর সাইজ কত হবে ২ টন ও ১ টন এসি এর জন্য?

১ নং এর উত্তরঃ
এসিকে টনে প্রকাশ করা হয় তার কারন হল প্রতি ঘন্টায় কি পরিমাণ তাপ রোম থেকে remove করতে পারে এর উপর ভিত্তি করে এসিকে তৈরি করা হয়।তার মানে এটা তাপের সাথে সম্পর্কিত। টন হল তাপের একটি একক। কোন এসি যদি প্রতি ঘন্টায় ১২০০০ বিটিউ বা ১০০০ কিলোক্যালরি বা ৪১২০ কিলোজুল তাপ remove করতে পারে তাকে এক টন এসি বলে। এজন্ন এসিকে টন হিসাবে তৈরি হয়।
BTU = British thermal unit

২ নং এর উত্তরঃ
১ টন রেফ্রিজারেশন হল প্রায় ১২০০০ বিটিউ/ঘন্টা এর সমান বা ৩৫১৬.৮৫২৮ ওয়াট এর সমান।
One RT(Refrigeration Ton) = 3.5168528 kW…
1 RT = 3.5168528 kW
1 kW = 0.284345 RT(Refrigeration Ton)
1 kW = 0.28434517 RT
So,
The power P in kW = Power P in RT (Refrigeration Ton) times 3.5168528….
P(kW) = P(RT) × 3.5168528

৩ নং এর উত্তরঃ
মনে করা যাক, 230VAC and Power factor = Cosθ = 0.95,
Single Phase AC system
1 Ton = 3,516.8528 Watts = 3.516 kW.
2 Ton = 2 x 3.516 kW = 7.032kW = 7032W

Power in a Single Phase AC System
আমরা জানি,
P = VxI Cosθ=২ টন= ৭০৩২ ওয়াট

তাহলে
I = P / (V x Cosθ)….. Where Cosθ = Power factor
I = 7032W / (230V x .95)
I(কারেন্ট) = 32.18 A

Three Phase System
মনে করা যাক,
440V and Power factor = Cosθ = 0.85 , P=২ টন=৭০৩২ ওয়াট

আমরা জানি,
P =√3 x VLxIL Cosθ
I = P /( √3xVxCosθ)
I = 7032W / (1.732 x 440V x .85) Where Cosθ = Power factor and √3 = 1.732
I = 10.855 A
তাহলে ২ টন এসি এর কারেন্ট লাগে ১০.৮৫৫ এয়াম্পিয়ার(Three Phase)

৪ নং এর উত্তরঃ
আমরা উপরে ক্যালকুলেশন করে কারেন্ট বের করলাম
Single Phase 32.18 A, Three phase 10.855A
সাধারণত স্টারটিং এর সময় বেশি কারেন্ট টানে ফুল লোড আবস্থায় সব কিছু বিবেচনা করে দেখা যায়
সিঙ্গেল ফেজ এর জন্য 40A MCB Class C and থ্রি ফেজের জন্য 20A Class C MCB ব্যবহার করলে চলবে।

বি. দ্রঃ বর্তমানে মার্কেটে লো কোয়ালিটির MCB পাওয়া যায়। সে সব ক্ষেত্রে রেটিং ঠিক থাকে না।

সবাইকে ধন্যবাদ..... লেখা চলতে থাকবে, পরবর্তী Topic এর জন্যPage এর সাথে যুক্ত থাকুন

11/06/2023

খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক্স যেগুলো না জানলেই নয়!!

১.সিস্টেম লস কয়টি?
-দুটি, কারিগরি ও অকারগরি সিস্টেম লস।

২.সবচেয়ে ভালো অর্থনৈতিক পাওয়ার ফ্যাক্টরের মানে কি?
-পাওয়ার ফ্যাক্টরের এমন একটা মান যে অবস্থায় থাকলে একটা বছরে সর্বোচ্চ সাশ্রয় বাড়ে।

৩. পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান কমে গেলে কি হয়?
-ট্রান্সমিশন লাইনের তাপ বেড়ে যায়, কপার লস বেড়ে যায়, ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক মেশিন গরম হয়ে যায়, কারেন্ট বেশি প্রবাহিত হয়, আউটপুট কম পাওয়া যায়।

৪. কনজাম্পশন লস কি?
-একজন গ্রাহক কি পরিমান বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে সেটা তার মিটারে দেখা যায়, একে কনজাম্পশন লস বলে।

৫. সিস্টেম লস কি?
-বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে গ্রাহকের বাসা পর্যন্ত আসতে বিদ্যুতের যেসব লস হয় তাকে সিস্টেম লস বলে।

৬. বিলিং লস কি?
-বিদ্যুতের মিটারের রিডিং এবং যে মিটার দেখে তার রিডিং যদি একই না হয়, অর্থাৎ মিটার রিডার যদি কমিয়ে লেখে সেই বিলটা তখন এটাকে বিলিং লস বলে।

৭. অকারগরি লস কোথায় বেশি দেখা যায়?
-বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে, স্কুল-কলেজে, শপিং মলে, বাসা-বাড়িতে, গার্মেন্টসে।

৮. পরিবহন লস কিভাবে কমানো যায়?
-পরিবাহী তারের রেজিস্টেন্স কমিয়ে এবং ভোল্টেজের পরিমান বাড়িয়ে।

৯. কারিগরি সিস্টেম লস কি কি?
-যন্ত্রপাতির লস, পরিবহন জনিত লস, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিজস্ব ব্যবহার জনিত লস।

১০. কালেকশন লস কি?
-বিল আদায় না করে কিংবা অসৎ উপায়ে বিলের টাকা কমিয়ে ফেলাটা হচ্ছে কালেকশন লস।



প্রশ্ন ০১) ভাল সুইচগিয়ারের বৈশিষ্ট্য গুলি কী কী?
উত্তরঃ ১)শনাক্তকরন ক্ষমতা
২)সংবেদনশীলতা
৩)রিলায়ভিটি
৪)দ্রুত গতিতে কাজ করার ক্ষমতা

প্রশ্ন ০২)সুইচগিয়ার কাকে বলে?
উত্তরঃ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে short -circuit এবং অন্যান্য দোষজনিত ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে ব্যবস্থা রাখতে হয়। যার সাহায্যে ঐ ক্ষতিকারক প্রভাব নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়। এবং নরমাল এবং এবনরমাল অবস্থায় 'অন' বা 'অফ' করা যায়।

প্রশ্ন ০৩) বৈদ্যুতিক ফল্ট বলতে কী বুঝ?
উত্তরঃ যে সকল কারনে ইলেকট্রিকাল সিস্টেমে এবনরমাল কারেন্ট প্রবাহিত হয় অথবা প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় ,তবে তাকে বৈদ্যুতিক ফল্ট বলে।

প্রশ্ন ০৪) সিমেট্রিকাল ফল্ট কি?
উত্তরঃ তিন ফেজ যখন একসাথে short circuit হয়, এবং প্রতিফেজে
ত্রুটিযুক্ত সমপরিমান কারেন্ট প্রবাহিত হয় তখন ওই প্রবাহ কে সিমেট্রিকাল ফল্ট বলে।

প্রশ্ন ০৫) আনসিমিট্রিকাল ফল্ট কি?
উত্তরঃ যখন কোন ইলেকট্রিক সিস্টেমে ফল্ট সংঘটিত হয় না ,কিন্তু প্রতি ফেজে সমপরিমান কারেন্ট প্রবাহিত যদি না হয় , তবে তাকে আনসিমিট্রিকাল ফল্ট বলে।

প্রশ্ন ০৬)বৈদ্যুতিক সিস্টেমে ফল্ট সংঘটিত হওয়ার কারন কী?
উত্তরঃ ১) ইনসুলেশন ফেইলার
২)ভোল্টেজ ড্রপ
৩)লাইনের আকস্মিক ক্ষতি
৪)আনব্যালান্সড

প্রশ্ন ০৭)সাবট্রানজিয়েন্ট কারেন্ট কী?
উত্তরঃ সাবট্রানজিয়েন্ট পিরিয়ডে মেশিনের রিয়াকট্যান্স এর পরিমান কম হওয়ার কারনে আরমেচার এ অত্যাধিক কারেন্ট প্রবাহিত হয়, এ কারেন্ট কেই সাবট্রানজিয়েন্ট কারেন্ট বলে।

প্রশ্ন ০৮) বাসবার কী
উত্তরঃ বাসবার এক ধরনের তামা বা এলুমিনিয়ামের পরিবাহী পাত বা রড , যা এক বা একাধিক circuit হতে বৈদ্যুতিক শক্তি সংগ্রহ ও বিতরন করে।



1. সাব-স্টেশন কাকে বলে?
পাওয়ার সিস্টেম ব্যবস্থায় সাব-স্টেশন এমন এক কেন্দ্র
যেখানে এমন সব সরঞ্জামাদির ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন
প্রকার বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য যেমন- ভোল্টেজ, এসি/ডিসি
কনভার্সন, ফ্রিকুয়েন্সি, পাওয়ার ফ্যাক্টর ইত্যাদির পরিবর্তনে
সাহায্য করে, এ ধরনের কেন্দ্রকে সাব-স্টেশন বা বিদ্যুৎ
উপকেন্দ্র বলে।

2. পাওয়ার লাইন ক্যারিয়ার (PLC)
যে লাইনের মাধ্যমে পাওয়ার স্টেশন, সাব-স্টেশন, রিসিভিং
স্টেশনে নিজস্ব জরুরী যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা
টেলিফোনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয় তাকে পাওয়ার লাইন
ক্যারিয়ার (PLC) বলে।

3. Q-ফ্যাক্টর
AC সার্কিটে সিরিজ রেজোন্যান্সের সময় সার্কিটের L
অথবা C এর আড়াআড়িতে ভোল্টেজ প্রয়োগকৃত
ভোল্টেজের তুলনায় বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
রেজোন্যান্সের কারনে সৃষ্ট এই ভোল্টেজ বেড়ে
যাওয়াকে সিরিজ রেজোনেন্ট সার্কিটের Q-ফ্যাক্টর
(Quality Factor) বলে।

4. পাওয়ার ফ্যাক্টর
পাওয়ার ফ্যাক্টরঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর হল একটিভ পাওয়ার অর্থাৎ যে
পাওয়ার আমরা ব্যবহার করতে পারি এবং এ্যপারেন্ট পাওয়ারের
অনুপাত। ইহাকে cosθ দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যার মান 0 হতে 1
পর্যন্ত।

5. লোড ফ্যাক্টর
গড় লোড এবং সর্বোচ্চ চাহিদার অনুপাতকে লোড ফ্যাক্টর
বলে। Load Factor = Average load/Max. Demand or Peak
load. এর মান ১ এর নিচে হয়।

6. প্লান্ট ফ্যাক্টর
কোন পাওয়ার প্লান্টের গড় লোড এবং নির্ধারিত রেটেড
ক্যাপাসিটির অনুপাতকে প্লান্ট ফ্যাক্টর বলে।
Plant Factor = Average load/ Rated capacity of the plant

7. ডিমান্ড ফ্যাক্টর
প্লান্টের সর্বোচ্চ চাহিদা এবং সংযুক্ত লোডের অনুপাতকে
ডিমান্ড ফ্যাক্টর বলে। Demand Factor = Max. Demand/
Connected Load.

8. ফরম ফ্যাক্টর
ফরম ফ্যাক্টর (Form Factor): কোন সাইন ওয়েভের
কার্যকরী মান (RMS value) এবং গড় মান (Average Value) এর
অনপাতকে ফরম ফ্যাক্টর (Form Factor) বলে। একে Kf
দ্বারা প্রকাশ করা হয় যার মান 1.11

9. পিক ফ্যাক্টর
পিক ফ্যাক্টর (Peak Factor): কোন সাইন ওয়েভের সরবচ্চ
মান (Max. value) এবং কার্যকরী মান (RMS value) এর
অনপাতকে পিক ফ্যাক্টর (Form Factor) বলে। একে Ka
দ্বারা প্রকাশ করা হয় যার মান 1.41

10. স্কিন ইফেক্ট
AC বিদ্যুৎ প্রবাহ কোন পরিবাহির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময়
সে পরিবাহির ভিতরে প্রবেশ না করে উহার সারফেস দিয়ে
প্রবাহিত হতে চেস্টা করে, এটাকে স্কিন ইফেক্ট বলে।
এই স্কিন ইফেক্ট এর ফলে লাইনের রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পায়
যার ফলে লাইন লসও বেড়ে যায়।

11. করোনা ইফেক্ট
যখন দুইটি কন্ডাক্টর এর স্পেসিং ব্যাসের তুলনায় বেশি
অবস্থায় রেখে তাদের আড়াআড়িতে AC ভোল্টেজ
প্রয়োগ করে ধিরে ধিরে বাড়ানো হয় তখন একটি পর্যায়
আসে। এই বিশেষ পর্যায় কন্ডাক্টরের চারপাশে বাতাস
ইলেক্ট্রস্ট্যাটিক স্ট্রেস হয়ে আয়নিত হয় এবং বাতাসের
ইন্সুলেশন স্ট্রেংথ ভেঙ্গে যায়। এই অবস্থায়
কন্ডাক্টরের চারপাশে জিম জিম শব্দসহ হালকা অনুজ্জ্বল
বেগুনী রস্মি দেখা যায় এবং ওজন গ্যাসের সৃষ্টি হয়, এই
অবস্থাটিকে করোনা নামে পরিচিত।

12. প্রক্সিমিটি ইফেক্ট
সমান্তরাল দুইটি পরিবাহীর কারেন্ট যদি পরস্পর বিপরীতমুখী
হয়, তাহলে উভয় পরিবাহীর নিকটবর্তী অংশে কারেন্ট
ডেনসিটি বেড়ে যায়। আবার একমুখী কারেন্ট হলে
দূরবর্তী অংশে কারেন্ট ডেনসিটি বেড়ে যায়। এ ঘটনাকে
প্রক্সিমিটি ইফেক্ট বলে। ইহার প্রভাবে অসম কারেন্ট
প্রবাহিত হয়, লাইনের রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পায় এবং সেলফ
রিয়াক্ট্যান্স এর মান কমে যায়।

13. ফ্যারান্টি ইফেক্ট
মিডিয়াম বা লং ট্রান্সমিশন লাইনে ওপেন সার্কিট বা লোড শুন্য
অবস্থায় কিংবা অল্প লোডে চলার সময় প্রেরন প্রান্ত
অপেক্ষা গ্রহন প্রান্তের ভোল্টেজের মান বেশি হতে
দেখা দেয়। এই ঘটনা বা phenomenon কে ফেরান্টি
ইফেক্ট বলে।



টপিকঃ ডিসি মোটর

ডি.সি মোটর ঃ০১
প্রশ্ন ০১) ডি.সি মোটর কী?
উত্তরঃ ডি.সি মোটর এক প্রকার ডি.সি মেশিন, যা বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।

প্রশ্ন ০২) ব্যাক ই. এম. এফ কী?
উত্তরঃ ব্যাক ই. এম.এফ হচ্ছে মোটরের আর্মেচারে উৎপন্ন বিপরীত তড়িৎ চালক বল,যা আর্মেচারে প্রবাহিত কারেন্টকে তথা সরবরাহ লাইনের ভোল্টেজ কে বাধা দেয়।

প্রশ্ন ০৩) টর্ক কাকে বলে?
উত্তরঃ টর্ক বলতে কোন ক্রিয়াশীল বলের মোমেন্ট কে বুঝায়,, যা কোন বস্তুকে ঘুরায়।

প্রশ্ন ০৪) ডি.সি মোটর কত প্রকার ও কী কী?
উত্তরঃ ডিসি মোটর তিন প্রকারঃ
১)সিরিজ মোটর
২) শান্ট মোটর
৩) কম্পাউন্ড মোটর।

প্রশ্ন ০৫) ডি.সি মোটরের গতি নিয়ন্ত্রন করা যায়?
উত্তরঃ ১) ওয়ারড - লেওনাড পদ্ধতি ।
২) বুস্টার এর সাহায্যে আর্মেচারে তড়িৎ চাপ নিয়ন্ত্রন।
৩) ফিল্ড ডাইভারটার পদ্ধতি।

প্রশ্ন ০৬) ডি.সি মোটরে স্টারটিং কারেন্ট এর মান উচ্চ কেন?
উত্তরঃ শুরুতে ডি.সি মোটরে স্টারটিং কারেন্ট এর মান উচ্চ হয় কারন শুরুতে চৌম্বক পোলের ফ্লাক্স বৃদ্ধি পায়,, ফলে আর্মেচারে কারেন্ট বৃদ্ধি পায়।

প্রশ্ন ০৭) ডি.সি মোটর এ স্টারটিং এর বেলায়,, স্টারটার ব্যাবহার এর প্র্যোজনীয়তা ব্যাখা কর?
উত্তরঃ শুরুতে ডি.সি মোটর এর আর্মেচারে স্থির থাকায় এতে কোন ব্যাক ই. এম.এফ থাকে না। ফলে এই ভারী আর্মেচারে কে ঘুরানোর জন্য নরমাল অবস্থাতে যে কারেন্ট প্রয়োজন,, তার চেয়ে ৫ থেকে ৭ গুণ বেশি কারেন্ট দরকার হয়,, যা সরবরাহ লাইন এবং এর সাথে সংযুক্ত অন্যান্য যন্ত্রপাতি ও কয়েলের জন্য বিপদজনক এমনকি মোটর পুড়ে যেতে পারে। তাই নিরাপদে মোটর চালু রাখার জন্য স্টারটার ব্যাবহার করা হয়।



এ .সি জেনারেটর এর বেসিক প্রশ্নাবলি -০১

প্রশ্ন ০১ঃঅল্টানেটর বলতে কী বুঝ?
উত্তরঃ অল্টারনেটরকে এ সি জেনারেটর বলে।
এটি এমন একটি ডিভাইস , যার মাধ্যমে যান্ত্রিক শক্তি কে ইলেকট্রিকাল
শক্তি তে রুপান্তর করে।

প্রশ্ন ০২ঃ ভোল্টেজ রেগুলেশন কখন ধনাত্মক হয়?
উত্তরঃ রেজিস্টিভ এবং ইন্ডাক্টীভ লোডের সময় ধনাত্মক হয়ে থাকে।

প্রশ্ন ০৩ঃ এক্সাইটার কাকে বলে?
উত্তরঃ যে উৎস হতে ডি সি সাপ্লাই ফিল্ডের ওয়াইন্ডিং দেয়া থাকে, তাকে এক্সাইটার বলে।

প্রশ্ন ০৪ঃ কয়েল পিচ কী?
উত্তরঃ অল্টারনেটোর এর আম্রেচার ওয়াইন্ডিং এ একটি কয়েলের , দুই পাশের মধ্যকার অংশকে কয়েল পিচ বলা হয়।

প্রশ্ন ০৫ঃ পাইলট এক্সাইটার বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ বড় বড় অল্টারনেটর এর মূল এক্সাইটর কে উত্তেজিত করতে
আরেকটি ছোট এক্সাইটার ব্যাবহার করা হয় ,
তাকে পাইলট এক্সাইটার বলে।

প্রশ্ন ০৬ঃ অল্টারনেটর কে সিনক্রোনাস জেনারেটর বলা হয় কেন?
উত্তরঃঅল্টারনেটোরকে সবসময় সিনক্রোনাস গতিবেগে, ঘুরিয়ে ভোল্টেজ প্রডিউস করা হয় বলে, একে সিনক্রোনাস জেনারেটর বলা হয়।

প্রশ্ন ০৭ঃ নন -স্যালিয়ান্ট পোল রোটর কোথায় ব্যাবহার করা হয়?
উত্তরঃ যে সকল অল্টারনেটোর এর গতিবেগ খুব বেশী অথবা যে সকল মেশিনে সরাসরি বাস্পীয় বা গ্যাসচালিত টারবাইন দিয়ে চালানো হয় সে সকল অল্টারনেটর এ ধরনের রোটর ব্যাবহার করা হয়।

প্রশ্ন ০৮ঃ ফুল পিচ ওয়াইন্ডীং বলতে কী বুঝ?
উত্তরঃ যে ওয়াইন্ডীং এর কয়েল স্প্যান ১৮০ ডিগ্রী ইলেট্রিকাল পোল পিচের সমান সে ওয়েন্ডিং কে ফুল পিচ ওয়াইন্ডিং বলে।

প্রশ্ন ০৯ঃ পোল পিচ কী?
উত্তরঃ পাশাপাশি দুটি N ও S পোলের কেন্দ্রীয় দূরবরতি অংশ কে পোল পিচ বলা হয়।

প্রশ্ন ১০ঃ অল্টারনেটর এর প্রধান লস কোনগুলি?
উত্তরঃ ১)রোটেশনাল লস।
২) এক্সাইটেরর এর লস।
৩)স্ট্রে লোড লস।
৪) ইলেক্ট্রিকাল লস।

ইন্ডাস্ট্রি লেভেলে যারা কাজ করেছে তাদের এই বিষয়ে কিছুটা হলেও অভিজ্ঞতা আছে!বর্তমানে ৯৯% ফ্যাক্টরিতে VFD ব্যবহার করা হয়।ন...
28/05/2023

ইন্ডাস্ট্রি লেভেলে যারা কাজ করেছে তাদের এই বিষয়ে কিছুটা হলেও অভিজ্ঞতা আছে!
বর্তমানে ৯৯% ফ্যাক্টরিতে VFD ব্যবহার করা হয়।
নতুনদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে এই VDF আবার কি???
তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, VFD এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে Variable Frequency Drive.
এটা দিয়ে বড় বড় মটরে speed কে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। আমরা যেমন বাসাবাড়িতে সিলিং ফ্যানের speed নিয়ন্ত্রণ করার জন্য Regulator ব্যবহার করি ঠিক তেমনি ফ্যাক্টরিতে বড় বড় মটরের speed কে এই VFD দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।
এখন হয়তো অনেকের মাথায় প্রশ্ন আসতে পারে মটরের speed কে নিয়ন্ত্রণ করতে VFD কেন ব্যবহার করতে হবে, আর কি অন্য কোনো উপায় নাই??
আছে আরো অন্যান্য উপায় আছে কিন্তু সবচেয়ে সহজ উপায় হল ফ্রিকোয়েন্সি কে কম বেশি করে মটরের speed নিয়ন্ত্রণ করা। তাই সেই কাজটি করার জন্য VFD কে আবিষ্কার করা হয়েছে। তবে VFD যে শুধু মটরের speed কে কম বেশি করে তা নয়। এর আরো সুবিধা আছে।
সুবিধা সমূহ:
১.এটি মটরের বিভিন্ন ফল্ট ধরে মটরকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং user কে massage দেয়।
২. এটি অনেক এনার্জি সেভ করে।
৩. সিঙ্গেল ফেজ লাইন দিয়েও থ্রি ফেজ মটর চালান যায়।
৪. VFD দিয়ে ফ্রিকোয়েন্সি কে 400 HZ পর্যন্ত বানান যায়
৫. বিভিন্ন প্রকার ডিজিটাল এবং এনালগ সিগন্যাল কে কাজে লাগিয়ে VFD এর মাধ্যমে মটকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
৬. প্রয়োজন অনুসারে program পরিবর্তন করে কাজ করা যায়।
এ ছাড়া আরো অনেক সুবিধা রয়েছে। তবে সুবিধার পাশাপাশি এর কিছু অসুবিধাও রয়েছে।
অসুবিধা সমূহ:
১. তূলনামূলক ভাবে দাম অনেক বেশি।
২. অপারেট এবং মেইনটেইন্যান্স করার জন্য দক্ষ জনবল দরকার হয়।
সুবিধা অসুবিধা তুলনা করলে এর সুবিধাটাই বেশি

28/05/2023

১। কারেন্ট কাকে বলে?
পরিবাহী পদার্থের মধ্যকার মুক্ত ইলেকট্রন সমূহ একটি নিদ্রিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার হারকেই কারেন্ট বলে। ইহাকে I বা i দ্বারা প্রকাশ করা হয়, এর একক অ্যাম্পিয়ার (A বা Amp.) অথবা কুলম্ব/সেকেন্ড ।
২। ভোল্টেজ কাকে বলে?
পরিবাহী পদার্থের পরমাণুগুলির মুক্ত ইলেকট্রন সমূহকে স্থানচ্যুত করতে যে বল বা চাপের প্রয়োজন সেই বল বা চাপকেই বিদ্যুৎ চালক বল বা ভোল্টেজ বলে। একে V দ্বারা প্রকাশ করা হয় এর একক Volts.

৩। রেজিষ্ট্যান্স কাকে বলে?
পরিবাহী পদার্থের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার সময় পরিবাহী পদার্থের যে বৈশিষ্ট্য বা ধর্মের কারণে উহা বাধাগ্রস্ত হয় উক্ত বৈশিষ্ট্য বা ধর্মকেই রোধ বা রেজিষ্ট্যান্স বলে। এর প্রতীক R অথবা r, আর একক ওহম (Ω)।

৪। ট্রান্সফরমার
ট্রান্সফরমার একটি ইলেক্ট্রিক্যাল মেশিন যা পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎকে (Alternating current) এক ভোল্টেজ থেকে অন্য ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে। ট্রান্সফরমার স্টেপ আপ অথবা স্টেপ ডাউন দুই ধরনের হয়ে থাকে এবং এটি ম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন (Magnetic induction) নীতি অনুসারে কাজ করে। ট্রান্সফরমারে কোন চলমান/ঘূর্ণায়মান অংশ থাকে না, এটি সম্পূর্ণ স্থির ডিভাইস। ট্রান্সফরমারে দুটি উইন্ডিং থাকে, প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি উইন্ডিং । প্রাইমারি ওয়াইন্ডিয়ে ভোল্টেজ প্রদান করলে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয় এবং ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স আয়রন কোরের মধ্য দিয়ে সেকেন্ডারি ওয়াইন্ডিয়ে যায় এবং সেখানে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয়। যার ফলশ্রুতিতে সেকেন্ডারি কয়েলে ভোল্টেজ পাওয়া যায়। ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ পরিবর্তনের হার প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচ সংখ্যার হারের উপর নির্ভর করে। তবে মনে রাখবেন, ট্রান্সফরমার শুধু ভোল্টেজের পরিবর্তন ঘটায় কিন্তু পাওয়ার ও ফ্রিকুয়েন্সি অপরিবর্তিত থাকে। পাওয়ার ঠিক থাকে তাই ভোল্টেজ পরিবর্তনের জন্য কারেন্টেরও পরিবর্তন হয়।

৫। ট্রান্সফরমেশন রেশিও
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের উভয় দিকের ইন্ডিউসড ভোল্টেজ এবং কারেন্ট ও কয়েলের প্যাচের সংখার সাথে একটি নিদ্রিস্ট অনুপাত মেনে চলে, ইহাই ট্রান্সফরমেশন রেশিও বা টার্ন রেশিও। ইহাকে সাধারণত a দ্বারা প্রকাশ করা হয়,
অর্থাৎ a = Ep/Es = Np/Ns = Is/Ip

৬। ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার
CT (Current Transformer) এটি সাধারণত কম রেঞ্জের মিটার দিয়ে সার্কিটের বেশি পরিমান কারেন্ট পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। PT (Potential Transformer) এটি সাধারণত কম রেঞ্জের মিটার দিয়ে সার্কিটের বেশি পরিমান ভোল্টেজ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। CT ও PT এভাবে ব্যবহার করা হলে এগুলোকে ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার বলে।

৭। সার্কিট ব্রেকার
সার্কিট ব্রেকার হলো একটি বৈদ্যুতিক সুইচিং ডিভাইস যা দ্বারা ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটকে সাপ্লাই হতে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা হয়। তবে এটি ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটে নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষন যন্ত্র হিসাবে কাজ করে। ওভার লোড বা শর্ট সাকিট দেখা দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঐ ইলেকট্রিকাল সার্কিটকে সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তবে সার্কিট ব্রেকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্কিটে সংযোগ করেনা ।

৮। আইসোলেটর
বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি বিশেষ করে ট্রান্সফরমারকে নো-লোড অবস্থায় বা সামান্য লোড অবস্থায় লাইন হতে বিচ্ছিন্ন করার জন্য আইসোলেটর ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ আইসোলেটর এক ধরনের সুইস, যা অফলাইনে অপারেটিং করা হয়।

৯। সাব-স্টেশন কাকে বলে?
পাওয়ার সিস্টেম ব্যবস্থায় সাব-স্টেশন এমন এক কেন্দ্র যেখানে এমন সব সরঞ্জামাদির ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য যেমন- ভোল্টেজ, এসি/ডিসি কনভার্সন, ফ্রিকুয়েন্সি, পাওয়ার ফ্যাক্টর ইত্যাদির পরিবর্তনে সাহায্য করে, এ ধরনের কেন্দ্রকে সাব-স্টেশন বা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র বলে।

Magnetic contactor একটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক চালিত সুইচ, এটার ফাংশন অনেকটা রিলের মতই । তবে রিলে সাধারনত লো পাওয়ার ও ভোল্টেজে ব্যবহৃত হয় অন্য দিকে হাই পাওয়ারের ক্ষেত্রে Magnetic contactor ব্যবহার হয়। এটাতে একটি এনারজাইজড কয়েল, আয়রন কোর, কয়েকটি অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট (NC, NO points), মেইন কন্ট্যাক্ট টার্মিনাল (3 contacts points) ও একটি ওভারলোড রিলে সংযুক্ত থাকে। এটির সাথে সাধারণত একটি নিয়ন্ত্রণ সার্কিট ব্যবহার করে বৃহৎ বৈদ্যুতিক লোড (বৈদ্যুতিক মোটর) স্টার্ট/স্টপ বা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কলকারখানায় মোটর কন্ট্রোল অটোমেশনে এটি ব্যবহার হয়ে থাকে।

কেন Magnetic contactor ব্যবহার করা হয়?

১। এটির মাধ্যমে একটি ছোট পুশ সুইস দিয়ে একটি বৃহৎ মোটর বা বড় বৈদ্যুতিক লোড নিয়ন্ত্রণ করা সহজ ও নিরাপদ।

২। এটির সাথে কয়েকটি অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট (NC, NO points) থাকে, এগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন সিগনাল বা স্টাটাস জানা যায়।

৩। এটির সাথে ওভারলোড রিলে সংযুক্ত থাকায় লোডে কারেন্ট সরবরাহ কোন কারনে ওভার হয়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটি লোডে কারেন্ট সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

৪। ৩ ফেজ মোটরের ক্ষেত্রে ৩-ফেজ সাপ্লাই দিতে হয়, এক্ষেত্রে Magnetic contactor ব্যবহার করে সহজে মোটরে ৩-ফেজ সাপ্লাই দেয়া যায়।

৫। স্টার/ডেল্টা এর ক্ষেত্রে ৩টি Magnetic contactor ব্যবহার করে সহজেই কন্ট্রোল করা যায়।

৬। চালু অবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে লোডে কারেন্ট সরবরাহ বন্ধ হবে আবার এ অবস্থায় কারেন্ট সরবরাহ আসলেও নতুন করে স্টার্ট বাটন না প্রেস করলে লোডে কারেন্ট সরবরাহ হবেনা। এতে সার্জ ভোল্টেজ থেকে ডিভাইস রক্ষা পায়।

NC ও NO contact কি?

এগুলো অক্সিলারি কন্টাক্ট। এগুলোকে ব্যবহার করে লোড কে অটোমেশন মুডে বা প্রোটেকশন এর সার্কিট তৈরি করা হয়।

NC= Normally Close নরমাল অবস্থায় অর্থাৎ যখন এর কয়েল এনারজাইজড থাকেনা এটার অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট বন্ধ (Close) অবস্থায় থাকে।

NO= Normally Open নরমাল অবস্থায় অর্থাৎ যখন এর কয়েল এনারজাইজড থাকেনা এটার অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট খোলা (Open) অবস্থায় থাকে।

যখন এর কয়েল এনারজাইজড হবে (বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে) তখন NC পয়েন্ট NO হবে এবং NO পয়েন্ট NC হয়ে যাবে।

অক্সিলারি কে সংযুক্ত করতে এতে অক্সিলারি ব্লোক থাকে।

Magnetic contactor এর কয়েলে কত পাওয়ার দেয়া হয়?

এটা বিভিন্ন রেঞ্জের হয়ে থাকে যেমনঃ 24VDC,24 VAC,110 VAC,240 VAC,415 VAC

Magnetic contactor এর গায়ে এটা সাধারণত উল্লেখ করা থাকে। সাধারনত কয়েলের টার্মিনাল দুটো কে A1 এবং A2 দ্বারা চিহ্নিত করা থাকে।

১। প্রঃ টিউব লাইট কত ফুট লম্বা ও কত ওয়াটের হয় ?
উ : ৪ ফুট ৪০ ওয়াট এবং ২ ফুট ২০ ওয়াট সাধারনত।
২। প্রঃ স্টার্টার ছারা টিউব লাইট জ্বালানো যায় কি ?
উঃ হ্যা যায়, পুশ বাটন সুইচ ব্যবহার করে অথবা তারে তারে সংযোগ করেই বিচ্ছিন্ন করে দিতে হয়।
৩। প্রঃ টিউব লাইট এক বার জ্বলে আবার পর মুহুর্ত্তেই নিভে এরূপ করতেছে – দোষ কোথয়?
উঃ স্টার্টার খারাপ কাজ করতেছে না।
৪। প্রঃ টিউব লাইটের দুই দিক জ্বলে থাকে পূর্ন ভাবে জ্বলে না – কারন কি ?
উঃ টিউবের ভিতর প্রয়োজনীয় গ্যাস নাই, অথবা প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ পাচ্ছেনা, অথবা স্টার্টার সার্কিট ব্রেক করতেছে না অথবা চোক কয়েল দুর্বল হয়েপরেছে।
৫। সুইচ অফ করা সত্বেও হোল্ডারে সাপ্লাই পাত্তয়া যায়।
উ :সুইচ লাইনে ব্যবহার না করে নিউট্রালে ব্যবহার করা হয়েছে।
৬। কলিং বেলের আওয়াজ খুব বেশী কি ভাবে কমাবে ?
উ : কম পাওয়ারের বাতি কলিং বেলের সাথে সিরেজে ব্যবহার করে।
৭। একটি ডিসি জেনারেটর পূর্ণ স্পিডে ঘুরতেছে কিন্তু ভোল্টেজ উৎপন্ন হইতেছে না- কারন কি?
উ: (১) ফিল্ডে রেসিডিয়্যাল মেগনেটিজম নেই
(২) জেনারেটর উল্টা ঘুরতেছে
(৩) ফিল্ডের কয়েল ওপেন
(৪) আর্মেচার কয়েল ওপেন
(৫) কার্বন ব্রাসের কম্যুটেটরে সংযোগ নেই।

৮। স্টার্টার মোটরর্স্টাট দেয়া ছারা আর কি কি কাজ করে?
উ: ইহা ওভার লোডে এবং সাপ্লাই চলে গেলে মোটরকে সোর্স হতে আপনা আপনি বিচ্ছিন্ন করে।
৯। একটি ১০ হর্স পাওয়ারের মোটর দ্বারা ১০ হর্স পাওয়ারের জেনারেটর ঘুরিয়ে তাহা হতে ১০ হর্স পাওয়ার জেনারেশন পাওয়া যাবে কি?
উ: না, কারন কখনও ইনপুট আউটপুট সমান হয় না।
১০। ডায়নামো কি ?
উ: ডিসি জেনারেটরকে ডায়নামো বলে।
১১। কোন প্রকার ওয়্যাইন্ডিং কখন ব্যবহ্নত হয় ?
উ: ল্যাপ ওয়্যাইন্ডিং বেশী কারেন্টের জন্য এবং ওয়েভ ওয়্যাইন্ডিং বেশী ভোল্টেজের জন্য ব্যবহ্নত হয়।
১২। তিন ফেজ হতে এক ফেজ নেয়া যায় কি ?
উ: হ্যাঁ, যদি স্টার কানেকশন থাকে, তবে একটি লাইন ও নিউট্রালে এক ফেজ সাপ্লাই পাওয়া যায়।
১৩। সিলিং ফ্যানের স্পিড কমে যাওয়ার কারন কি?
উ: পূর্ণ ভোল্টেজ পাচ্ছে না, না হয় ক্যাপাসিটর দুর্বল না হয় বল বিয়ারিং জ্যাম, না হয় কয়েলের ইন্সুলেশন দূর্বল।
১৪। পাখা পূর্ণ বেগে ঘুরা সত্বেও বাতাস পাওয়া যায় না কেন ?
উ: পাখার ব্লেডের বাক কম না হয় পাখার পিছনে প্রয়োজনীয় ফাকা জায়গা নেই।
১৫। পাখা উল্টা ঘুরে গেলে কি ভাবে ঠিক করবে ?
উ: ক্যাপাসিটরের কয়েল কানেকশন বদল করে, আথবা হয় রানিং না হয় র্স্টাটিং কয়েল বদল করে ঠিক করা যায়।
১৬। সিলিং ফ্যানের কোন দিকের বল বিয়ারিং সাধারনতঃ আগে খারাপ হয় ?
উ: উপরের বিয়ারিং খারাপ হয়।
১৭। সিলিং ফ্যান স্টার্ট দেওয়ার সংঙ্গে সংঙ্গে ইহার কানেকটিং রডে খট খট আওয়াজ হয়ে পরে আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায় কারন কি ?
উ: ইহার রডে রাবার বুশ নেই।
১৮। কোন মোটর এসি এবং ডিসি উভয় সাপ্লাই এ চলে ?
উ: ইউনিভার্সাল মোটর (ডিসি সিরিজ মোটর) ।
১৯। তিন ফেজ মোটর উল্টা ঘুরতেছে, কিভাবে ঠিক করবে ?
উ: ইহার যে কোন দুই ফেজের জায়গা বদল করে দিতে হবে।
২০। চলন্ত অবস্থায় তিন ফেজ মোটরেরএক ফেজ চলে গেলেকি হবে ?
উ : যদি লোড বিহীন অবস্থায় থাকে তবে মোটর ঘুরতে থাকবে কিন্তু গরম হয়েযাবে এবং ভিন্ন রকম আওয়াজ করবে। আর যদি লোডেড অবস্থায় থাকে , তবে মোটরসঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাবে। যদি মেইন সুইচ অফ করে দেওয়া না হয়, তবে মোটরজ্বলে যাবে
২১। তিন ফেজ ২০ ঘোড়া মোটরের জন্য ক্রয়কৃত স্টার ডেল্টা স্টার্টার ১০ ঘোড়া তিন ফেজ মোটরের ব্যবহার করা যাবে কি ?
উ : হ্যাঁ, যাবে তবে কারেন্ট সেটিং এর মান কমিয়ে দিতে হবে।
২২। স্টার ডেল্টা স্টার্টারের ম্যাগনেটিক কয়েল কত ভোল্টেজ সাপ্লাই পায় ?
উ : সরাসরি ৪০০ ভোল্টসাপ্লাই পায়। (লাইন টু লাইন)
২৩। ইন্সুলেশন রেজিস্ট্যান্স কি মিটার দ্বারা মাপা হয় ?
উ : মেগার দ্বারা।
২৪। আর্থ রেজিস্ট্যান্স কি ভাবে মাপা হয় ?
উ : মেগার আর্থ টেস্টারের সাহায্যে অথবা মোটামুটি ভাবে একটি ১০০ওয়াটের বাতি আর্থ তার লাইনের মধ্যে সংযোগ করার পর যদি উজ্জ্বল ভাবে জ্বলে , তাহলে আর্থিং ভাল আছে।
২৫। আর্থিং রেজিস্ট্যান্স কত হওয়া বান্ছনীয় ?
উ : বাসাবাড়ীর জন্য বেশীর পক্ষে ৫ ওহম এবং সাব স্টেশন ও পাওয়ার লাইনের জন্য বেশীর পক্ষে ১ ওহম হওয়া দরকার।
২৬। কোন ট্রান্সফরমারের কেবল মাত্র একটি কয়েল থাকে ?
উ : অটো ট্রান্সফরমার।
২৭। ট্রান্সফরমার হামিং কি ?
উ : ট্রান্সফরমারের কোর এবং কয়েল কানেকশন যদি মজবুত ভাবে না করাথাকে, লুজ কানেকশন থাকে তাহলে ফুল লোড অবস্থায় কাঁপতে থাকে এবং এক প্রকারআওয়াজ হয়, তাহাই হামিং।
২৮। ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারন কি ?
উ : (১) ওভার লোড হওয়ার জন্য হতে পারে
(২) ইন্সুলেশন দুর্বল হয়ে গেলে
(৩) কোথাও আর্থ হয়ে গেলে
(৪) ওভার ভোল্টেজ সাপ্লাইয়ের জন্য।
২৯। সিলিকা জেলের স্বাভাবিক রং কি রূপ থাকে ?
উ : ভাল অবস্থায় ধব ধবে সাদা, কিন্তু জলীয় বাস্প গ্রহন করলে কিছুটা বাদামী রং এর হয়ে যায়,আবার উত্তাপ দিলে ইহা সাদা হয়ে যায়।
৩০। ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি ?
উ : ইহার প্রধান কাজ দুটি- প্রথমত ইহা ইন্সুলেশনের কাজ করে, দ্বিতীয়ত ট্রান্সফরমারকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্যে করে।
৩১। ব্রিদার কি ?
উ : ইহা ট্রান্সফরমারের কনজার্ভেটরের সহিত লাগানো থাকে, যার মাধ্যমেবাহির হতে ঠান্ডা বাতাস ফিল্টার হয়ে ট্যাংকে ঢুকে এবং গরম বাতাস ট্যাংক হতেবাহির হয়ে যায়।
৩২। বুকল্স রিলে কি ?
উ : ইহা এক প্রকার রিলে যাহা ট্রান্সফরমারের ট্যাংক ও কনজার্ভেটরেরসংযোগকারী পাইপের মধ্যে বসানো থাকে এবং ট্রান্সফরমারের ভিতরেত্রুটি দেখাদিলে সর্তক ঘন্টা বাজিয়ে থাকে।
৩৩। গার্ড ওয়্যার কি ?
উ : ট্রান্সমিশন লাইনের নীচে ব্যবহ্নত তার, যাহা আর্থের সহিত সংযোগ থাকে।
৩৪। ব্যাটারীর সলিউশন তৈরির সময় এসিড পানিতে না পানি এসিডে মিশাতে হয় ?
উ : এসিড পানিতে মিশাতে হয়।
৩৫। জাম্পার কি ?
উ : মেইন লাইন হতে বাসা বাড়ীতে সাপ্লাই লাইনের সংযোগ রক্ষাকারী তার।
৩৬। ডেম্পার ওয়্যাইন্ডিং কি ?
উ : সিনক্রোনাস মোটরকে র্স্টাট দেওয়ার জন্য ইহার পোলের উপর মোটাতারের ওয়্যাইন্ডিং দেওয়া হয় এবং ইহা অল্টারনেটরে ও ব্যবহ্নত হয় হান্টিং দোষ কমানোর জন্য।
৩৭। CB কি ?
উ : সার্কিট ব্রেকার যাহা ক্রটি পূর্ণলাইনকে আপনা আপনি র্সোস হতে বিচ্ছিন্ন করে।
৩৮। A.C কে D.C এবং D.C কে A.C কিভাবে করা হয় ?
উ : A.C কে D.C করা হয় রেকটিফায়ার অথবা রোটারী কনভার্টার দ্বারা এবং D.C কে A.C করা হয় ইনভার্টার দ্বারা।

ভাল লাগলে শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন ।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Electrical government job preparation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category