11/06/2023
খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক্স যেগুলো না জানলেই নয়!!
১.সিস্টেম লস কয়টি?
-দুটি, কারিগরি ও অকারগরি সিস্টেম লস।
২.সবচেয়ে ভালো অর্থনৈতিক পাওয়ার ফ্যাক্টরের মানে কি?
-পাওয়ার ফ্যাক্টরের এমন একটা মান যে অবস্থায় থাকলে একটা বছরে সর্বোচ্চ সাশ্রয় বাড়ে।
৩. পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান কমে গেলে কি হয়?
-ট্রান্সমিশন লাইনের তাপ বেড়ে যায়, কপার লস বেড়ে যায়, ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক মেশিন গরম হয়ে যায়, কারেন্ট বেশি প্রবাহিত হয়, আউটপুট কম পাওয়া যায়।
৪. কনজাম্পশন লস কি?
-একজন গ্রাহক কি পরিমান বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে সেটা তার মিটারে দেখা যায়, একে কনজাম্পশন লস বলে।
৫. সিস্টেম লস কি?
-বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে গ্রাহকের বাসা পর্যন্ত আসতে বিদ্যুতের যেসব লস হয় তাকে সিস্টেম লস বলে।
৬. বিলিং লস কি?
-বিদ্যুতের মিটারের রিডিং এবং যে মিটার দেখে তার রিডিং যদি একই না হয়, অর্থাৎ মিটার রিডার যদি কমিয়ে লেখে সেই বিলটা তখন এটাকে বিলিং লস বলে।
৭. অকারগরি লস কোথায় বেশি দেখা যায়?
-বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে, স্কুল-কলেজে, শপিং মলে, বাসা-বাড়িতে, গার্মেন্টসে।
৮. পরিবহন লস কিভাবে কমানো যায়?
-পরিবাহী তারের রেজিস্টেন্স কমিয়ে এবং ভোল্টেজের পরিমান বাড়িয়ে।
৯. কারিগরি সিস্টেম লস কি কি?
-যন্ত্রপাতির লস, পরিবহন জনিত লস, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিজস্ব ব্যবহার জনিত লস।
১০. কালেকশন লস কি?
-বিল আদায় না করে কিংবা অসৎ উপায়ে বিলের টাকা কমিয়ে ফেলাটা হচ্ছে কালেকশন লস।
প্রশ্ন ০১) ভাল সুইচগিয়ারের বৈশিষ্ট্য গুলি কী কী?
উত্তরঃ ১)শনাক্তকরন ক্ষমতা
২)সংবেদনশীলতা
৩)রিলায়ভিটি
৪)দ্রুত গতিতে কাজ করার ক্ষমতা
প্রশ্ন ০২)সুইচগিয়ার কাকে বলে?
উত্তরঃ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে short -circuit এবং অন্যান্য দোষজনিত ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে ব্যবস্থা রাখতে হয়। যার সাহায্যে ঐ ক্ষতিকারক প্রভাব নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়। এবং নরমাল এবং এবনরমাল অবস্থায় 'অন' বা 'অফ' করা যায়।
প্রশ্ন ০৩) বৈদ্যুতিক ফল্ট বলতে কী বুঝ?
উত্তরঃ যে সকল কারনে ইলেকট্রিকাল সিস্টেমে এবনরমাল কারেন্ট প্রবাহিত হয় অথবা প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় ,তবে তাকে বৈদ্যুতিক ফল্ট বলে।
প্রশ্ন ০৪) সিমেট্রিকাল ফল্ট কি?
উত্তরঃ তিন ফেজ যখন একসাথে short circuit হয়, এবং প্রতিফেজে
ত্রুটিযুক্ত সমপরিমান কারেন্ট প্রবাহিত হয় তখন ওই প্রবাহ কে সিমেট্রিকাল ফল্ট বলে।
প্রশ্ন ০৫) আনসিমিট্রিকাল ফল্ট কি?
উত্তরঃ যখন কোন ইলেকট্রিক সিস্টেমে ফল্ট সংঘটিত হয় না ,কিন্তু প্রতি ফেজে সমপরিমান কারেন্ট প্রবাহিত যদি না হয় , তবে তাকে আনসিমিট্রিকাল ফল্ট বলে।
প্রশ্ন ০৬)বৈদ্যুতিক সিস্টেমে ফল্ট সংঘটিত হওয়ার কারন কী?
উত্তরঃ ১) ইনসুলেশন ফেইলার
২)ভোল্টেজ ড্রপ
৩)লাইনের আকস্মিক ক্ষতি
৪)আনব্যালান্সড
প্রশ্ন ০৭)সাবট্রানজিয়েন্ট কারেন্ট কী?
উত্তরঃ সাবট্রানজিয়েন্ট পিরিয়ডে মেশিনের রিয়াকট্যান্স এর পরিমান কম হওয়ার কারনে আরমেচার এ অত্যাধিক কারেন্ট প্রবাহিত হয়, এ কারেন্ট কেই সাবট্রানজিয়েন্ট কারেন্ট বলে।
প্রশ্ন ০৮) বাসবার কী
উত্তরঃ বাসবার এক ধরনের তামা বা এলুমিনিয়ামের পরিবাহী পাত বা রড , যা এক বা একাধিক circuit হতে বৈদ্যুতিক শক্তি সংগ্রহ ও বিতরন করে।
1. সাব-স্টেশন কাকে বলে?
পাওয়ার সিস্টেম ব্যবস্থায় সাব-স্টেশন এমন এক কেন্দ্র
যেখানে এমন সব সরঞ্জামাদির ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন
প্রকার বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য যেমন- ভোল্টেজ, এসি/ডিসি
কনভার্সন, ফ্রিকুয়েন্সি, পাওয়ার ফ্যাক্টর ইত্যাদির পরিবর্তনে
সাহায্য করে, এ ধরনের কেন্দ্রকে সাব-স্টেশন বা বিদ্যুৎ
উপকেন্দ্র বলে।
2. পাওয়ার লাইন ক্যারিয়ার (PLC)
যে লাইনের মাধ্যমে পাওয়ার স্টেশন, সাব-স্টেশন, রিসিভিং
স্টেশনে নিজস্ব জরুরী যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা
টেলিফোনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয় তাকে পাওয়ার লাইন
ক্যারিয়ার (PLC) বলে।
3. Q-ফ্যাক্টর
AC সার্কিটে সিরিজ রেজোন্যান্সের সময় সার্কিটের L
অথবা C এর আড়াআড়িতে ভোল্টেজ প্রয়োগকৃত
ভোল্টেজের তুলনায় বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
রেজোন্যান্সের কারনে সৃষ্ট এই ভোল্টেজ বেড়ে
যাওয়াকে সিরিজ রেজোনেন্ট সার্কিটের Q-ফ্যাক্টর
(Quality Factor) বলে।
4. পাওয়ার ফ্যাক্টর
পাওয়ার ফ্যাক্টরঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর হল একটিভ পাওয়ার অর্থাৎ যে
পাওয়ার আমরা ব্যবহার করতে পারি এবং এ্যপারেন্ট পাওয়ারের
অনুপাত। ইহাকে cosθ দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যার মান 0 হতে 1
পর্যন্ত।
5. লোড ফ্যাক্টর
গড় লোড এবং সর্বোচ্চ চাহিদার অনুপাতকে লোড ফ্যাক্টর
বলে। Load Factor = Average load/Max. Demand or Peak
load. এর মান ১ এর নিচে হয়।
6. প্লান্ট ফ্যাক্টর
কোন পাওয়ার প্লান্টের গড় লোড এবং নির্ধারিত রেটেড
ক্যাপাসিটির অনুপাতকে প্লান্ট ফ্যাক্টর বলে।
Plant Factor = Average load/ Rated capacity of the plant
7. ডিমান্ড ফ্যাক্টর
প্লান্টের সর্বোচ্চ চাহিদা এবং সংযুক্ত লোডের অনুপাতকে
ডিমান্ড ফ্যাক্টর বলে। Demand Factor = Max. Demand/
Connected Load.
8. ফরম ফ্যাক্টর
ফরম ফ্যাক্টর (Form Factor): কোন সাইন ওয়েভের
কার্যকরী মান (RMS value) এবং গড় মান (Average Value) এর
অনপাতকে ফরম ফ্যাক্টর (Form Factor) বলে। একে Kf
দ্বারা প্রকাশ করা হয় যার মান 1.11
9. পিক ফ্যাক্টর
পিক ফ্যাক্টর (Peak Factor): কোন সাইন ওয়েভের সরবচ্চ
মান (Max. value) এবং কার্যকরী মান (RMS value) এর
অনপাতকে পিক ফ্যাক্টর (Form Factor) বলে। একে Ka
দ্বারা প্রকাশ করা হয় যার মান 1.41
10. স্কিন ইফেক্ট
AC বিদ্যুৎ প্রবাহ কোন পরিবাহির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময়
সে পরিবাহির ভিতরে প্রবেশ না করে উহার সারফেস দিয়ে
প্রবাহিত হতে চেস্টা করে, এটাকে স্কিন ইফেক্ট বলে।
এই স্কিন ইফেক্ট এর ফলে লাইনের রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পায়
যার ফলে লাইন লসও বেড়ে যায়।
11. করোনা ইফেক্ট
যখন দুইটি কন্ডাক্টর এর স্পেসিং ব্যাসের তুলনায় বেশি
অবস্থায় রেখে তাদের আড়াআড়িতে AC ভোল্টেজ
প্রয়োগ করে ধিরে ধিরে বাড়ানো হয় তখন একটি পর্যায়
আসে। এই বিশেষ পর্যায় কন্ডাক্টরের চারপাশে বাতাস
ইলেক্ট্রস্ট্যাটিক স্ট্রেস হয়ে আয়নিত হয় এবং বাতাসের
ইন্সুলেশন স্ট্রেংথ ভেঙ্গে যায়। এই অবস্থায়
কন্ডাক্টরের চারপাশে জিম জিম শব্দসহ হালকা অনুজ্জ্বল
বেগুনী রস্মি দেখা যায় এবং ওজন গ্যাসের সৃষ্টি হয়, এই
অবস্থাটিকে করোনা নামে পরিচিত।
12. প্রক্সিমিটি ইফেক্ট
সমান্তরাল দুইটি পরিবাহীর কারেন্ট যদি পরস্পর বিপরীতমুখী
হয়, তাহলে উভয় পরিবাহীর নিকটবর্তী অংশে কারেন্ট
ডেনসিটি বেড়ে যায়। আবার একমুখী কারেন্ট হলে
দূরবর্তী অংশে কারেন্ট ডেনসিটি বেড়ে যায়। এ ঘটনাকে
প্রক্সিমিটি ইফেক্ট বলে। ইহার প্রভাবে অসম কারেন্ট
প্রবাহিত হয়, লাইনের রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পায় এবং সেলফ
রিয়াক্ট্যান্স এর মান কমে যায়।
13. ফ্যারান্টি ইফেক্ট
মিডিয়াম বা লং ট্রান্সমিশন লাইনে ওপেন সার্কিট বা লোড শুন্য
অবস্থায় কিংবা অল্প লোডে চলার সময় প্রেরন প্রান্ত
অপেক্ষা গ্রহন প্রান্তের ভোল্টেজের মান বেশি হতে
দেখা দেয়। এই ঘটনা বা phenomenon কে ফেরান্টি
ইফেক্ট বলে।
টপিকঃ ডিসি মোটর
ডি.সি মোটর ঃ০১
প্রশ্ন ০১) ডি.সি মোটর কী?
উত্তরঃ ডি.সি মোটর এক প্রকার ডি.সি মেশিন, যা বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
প্রশ্ন ০২) ব্যাক ই. এম. এফ কী?
উত্তরঃ ব্যাক ই. এম.এফ হচ্ছে মোটরের আর্মেচারে উৎপন্ন বিপরীত তড়িৎ চালক বল,যা আর্মেচারে প্রবাহিত কারেন্টকে তথা সরবরাহ লাইনের ভোল্টেজ কে বাধা দেয়।
প্রশ্ন ০৩) টর্ক কাকে বলে?
উত্তরঃ টর্ক বলতে কোন ক্রিয়াশীল বলের মোমেন্ট কে বুঝায়,, যা কোন বস্তুকে ঘুরায়।
প্রশ্ন ০৪) ডি.সি মোটর কত প্রকার ও কী কী?
উত্তরঃ ডিসি মোটর তিন প্রকারঃ
১)সিরিজ মোটর
২) শান্ট মোটর
৩) কম্পাউন্ড মোটর।
প্রশ্ন ০৫) ডি.সি মোটরের গতি নিয়ন্ত্রন করা যায়?
উত্তরঃ ১) ওয়ারড - লেওনাড পদ্ধতি ।
২) বুস্টার এর সাহায্যে আর্মেচারে তড়িৎ চাপ নিয়ন্ত্রন।
৩) ফিল্ড ডাইভারটার পদ্ধতি।
প্রশ্ন ০৬) ডি.সি মোটরে স্টারটিং কারেন্ট এর মান উচ্চ কেন?
উত্তরঃ শুরুতে ডি.সি মোটরে স্টারটিং কারেন্ট এর মান উচ্চ হয় কারন শুরুতে চৌম্বক পোলের ফ্লাক্স বৃদ্ধি পায়,, ফলে আর্মেচারে কারেন্ট বৃদ্ধি পায়।
প্রশ্ন ০৭) ডি.সি মোটর এ স্টারটিং এর বেলায়,, স্টারটার ব্যাবহার এর প্র্যোজনীয়তা ব্যাখা কর?
উত্তরঃ শুরুতে ডি.সি মোটর এর আর্মেচারে স্থির থাকায় এতে কোন ব্যাক ই. এম.এফ থাকে না। ফলে এই ভারী আর্মেচারে কে ঘুরানোর জন্য নরমাল অবস্থাতে যে কারেন্ট প্রয়োজন,, তার চেয়ে ৫ থেকে ৭ গুণ বেশি কারেন্ট দরকার হয়,, যা সরবরাহ লাইন এবং এর সাথে সংযুক্ত অন্যান্য যন্ত্রপাতি ও কয়েলের জন্য বিপদজনক এমনকি মোটর পুড়ে যেতে পারে। তাই নিরাপদে মোটর চালু রাখার জন্য স্টারটার ব্যাবহার করা হয়।
এ .সি জেনারেটর এর বেসিক প্রশ্নাবলি -০১
প্রশ্ন ০১ঃঅল্টানেটর বলতে কী বুঝ?
উত্তরঃ অল্টারনেটরকে এ সি জেনারেটর বলে।
এটি এমন একটি ডিভাইস , যার মাধ্যমে যান্ত্রিক শক্তি কে ইলেকট্রিকাল
শক্তি তে রুপান্তর করে।
প্রশ্ন ০২ঃ ভোল্টেজ রেগুলেশন কখন ধনাত্মক হয়?
উত্তরঃ রেজিস্টিভ এবং ইন্ডাক্টীভ লোডের সময় ধনাত্মক হয়ে থাকে।
প্রশ্ন ০৩ঃ এক্সাইটার কাকে বলে?
উত্তরঃ যে উৎস হতে ডি সি সাপ্লাই ফিল্ডের ওয়াইন্ডিং দেয়া থাকে, তাকে এক্সাইটার বলে।
প্রশ্ন ০৪ঃ কয়েল পিচ কী?
উত্তরঃ অল্টারনেটোর এর আম্রেচার ওয়াইন্ডিং এ একটি কয়েলের , দুই পাশের মধ্যকার অংশকে কয়েল পিচ বলা হয়।
প্রশ্ন ০৫ঃ পাইলট এক্সাইটার বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ বড় বড় অল্টারনেটর এর মূল এক্সাইটর কে উত্তেজিত করতে
আরেকটি ছোট এক্সাইটার ব্যাবহার করা হয় ,
তাকে পাইলট এক্সাইটার বলে।
প্রশ্ন ০৬ঃ অল্টারনেটর কে সিনক্রোনাস জেনারেটর বলা হয় কেন?
উত্তরঃঅল্টারনেটোরকে সবসময় সিনক্রোনাস গতিবেগে, ঘুরিয়ে ভোল্টেজ প্রডিউস করা হয় বলে, একে সিনক্রোনাস জেনারেটর বলা হয়।
প্রশ্ন ০৭ঃ নন -স্যালিয়ান্ট পোল রোটর কোথায় ব্যাবহার করা হয়?
উত্তরঃ যে সকল অল্টারনেটোর এর গতিবেগ খুব বেশী অথবা যে সকল মেশিনে সরাসরি বাস্পীয় বা গ্যাসচালিত টারবাইন দিয়ে চালানো হয় সে সকল অল্টারনেটর এ ধরনের রোটর ব্যাবহার করা হয়।
প্রশ্ন ০৮ঃ ফুল পিচ ওয়াইন্ডীং বলতে কী বুঝ?
উত্তরঃ যে ওয়াইন্ডীং এর কয়েল স্প্যান ১৮০ ডিগ্রী ইলেট্রিকাল পোল পিচের সমান সে ওয়েন্ডিং কে ফুল পিচ ওয়াইন্ডিং বলে।
প্রশ্ন ০৯ঃ পোল পিচ কী?
উত্তরঃ পাশাপাশি দুটি N ও S পোলের কেন্দ্রীয় দূরবরতি অংশ কে পোল পিচ বলা হয়।
প্রশ্ন ১০ঃ অল্টারনেটর এর প্রধান লস কোনগুলি?
উত্তরঃ ১)রোটেশনাল লস।
২) এক্সাইটেরর এর লস।
৩)স্ট্রে লোড লস।
৪) ইলেক্ট্রিকাল লস।