শেখ হাসিনা সেতু

শেখ হাসিনা সেতু We teach on automation course to Polytechnic Engineers, Technician and versity's students

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এর ওয়াল থেকে.... চরমোনাই হচ্ছে  এক ভন্ডামীর আস্তানা।নীচে প্রমান দেখুনঃআমি গভীরভাবে খেয়াল করলাম মস...
02/08/2022

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এর ওয়াল থেকে....
চরমোনাই হচ্ছে এক ভন্ডামীর আস্তানা।
নীচে প্রমান দেখুনঃ

আমি গভীরভাবে খেয়াল করলাম মসজিদের জামাতে যারা নিয়মিত শরীক হন, তাদের বেশীরভাগই “চরমোনাই পীরের মুরিদ”। মাথায় পাগড়িটা, গায়ে পাঞ্জাবিটা তাদেরই বেশী দেখি। মসজিদে বসে তাদের চোখেই পানি দেখি। তাদের মাহফিলগুলো লোকে পরিপূর্ণ দেখি। ভালো লাগতে শুরু করল। ফজলুল করিম পীর সাহেব আমাদের এলাকায় (৪০ কিলোর মধ্যে) যত মাহফিল করেছেন এই ভালো লাগার কারণে সবগুলোতেই যেতাম।
উনি বলতেন, “বাবারা আমার বাবাজানের ২৭ খানা কিতাফ হর হামেশায় পড়বে।”
আগ্রহ হোল। হাতে তুলে নিলাম “মাওয়ায়েজে এসহাকিয়া”, “ভেদে মারেফাত ইয়াদে খোদা”, “আশেক মাশুক”, “ইমদাদুস শুলুক”, এমনকি “তাবীজের কিতাব”টিও। অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বাস্তবতাকে। চরমোনাই পীরকে চিনলাম নতুনভাবে। মনে হল এ বিষয়ে সবাইকে জানানো আমার ঈমানী দায়িত্ব।

আমি আজ আপনাদের সাথে তাদের একটি বই সম্পর্কে আলোচনা করব।
“ইমদাদুছ ছুলুক”
লেখকঃ রশিদ আহমেদ গঙ্গোহী।
মুজাহিদ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত।
বইটার শুরুতেই ফজলুল করিম পীর সাহেবের অভিমত দেয়া আছে।
পড়তে শুরু করলাম...
২৭ নম্বর পাতায় পেলাম একটা নতুন ধারণা “তাওহীদে মতলব” হচ্ছে মারেফাতের ১ম শর্ত। কি এই “তাওহীদে মতলব” পড়তে লাগলাম। পীর সাহেব লিখেছেনঃ
যেমনিভাবে ‘আল্লাহ এক’, ‘কিবলা এক’, তেমনিভাবে ‘পীরও এক ও অদ্বিতীয়’ এটা মানার নামই “তাওহীদে মতলব”।
***এর চেয়ে বড় শিরক কি এর আগে দুনিয়ায় অন্য কেউ করেছিল?
একটু ভাবলাম...
আবার পড়তে লাগলাম।

আবার লিখেছেনঃ
সাহাবীদের মাঝে নবীর মর্যাদা যেমন, আপন মুরীদদের মাঝে পীরের মর্যাদা তেমন। এখানেই থামেননি, আরেকটু অগ্রসর হয়ে লিখেছেন, “নবীর আকার শয়তান যেমনিভাবে ধারণ করতে পারে না, তেমনি পীরের আকারও ধারণ করতে পারে না।”

অবাক হয়ে ভাবছি এই কি চরমোনাই?
থামলাম না, পড়তেই থাকলাম...

পেয়ে গেলাম মারেফাতের মুল আকিদা “মুরিদ যত দুরেই থাক, পীর তার সাথে রূহানীভাবে হাজির থাকে। মুরিদ যদি কোনো ভাবে কখনও বিপদে পড়ে, তবে পীরকে হাজির-নাজির জানিয়া তার কাছে সাহায্য চাইলে, পীর তাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করবে।”

আরেকটু এগুলাম। কয়েক পাতা পরেই যা পড়লাম তাতে আমার শরীর রাগে কাপতে থাকল। বইটা বন্ধ করলাম। তার আগেই পড়ে ফেললাম পীরের অমীয় বানীঃ
“যে খোদাকে চোখে দেখি না, তাকে ইবাদতের যোগ্য মনে করিনা।”
(নাউজুবিল্লাহ)

জনৈক মুরিদ স্বপ্নে দেখলেন সমসাময়িক দুনিয়ার সকল অলী-আল্লাহগণ রাসুল (সাঃ) এর দরবারে হাজির হয়েছেন। রাসুল (সাঃ)কে প্রশ্ন করা হল, ‘ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বর্তমান সময়ে দুনিয়ার সবচাইতে বড় আল্লাহর অলী কে?’ রাসুল (সাঃ) উত্তরে বললেন, ‘মেপে দেখা লাগবে’। অতপর তিনি দাড়িপাল্লা আনলেন এবং তার এক পাল্লায় দুনিয়ার সকল অলী-আওলিয়াদেরকে উঠালেন, আরেক পাল্লায় চরমোনাই পীর ফজলুল করিম সাহেবকে উঠালেন। চরমোনাই পীরের পাল্লা ভারি হল।’
(ফজলুল করিম সাহেবের জীবনী ১৬২নং পাতা)

এসব পড়ার পর আমার নিজের কোনো কথা লেখার আর সাহস পাচ্ছি না... আল্লাহ্‌ আমাদের মাফ করুন।

02/08/2022

যদি প্রশ্ন করেন একটি রাষ্ট্রের সাধারণ জনগণ ও রাষ্ট্র পরিচালকের মধ্যে সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত?
তবে অবশ্যই উত্তরটি হবে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।

কারণ সাধারণ জনগণ ও রাষ্ট্র পরিচালকের মাঝে সুসম্পর্ক থাকলে কেবলমাত্র তখনই একটি শক্তিশালী ও দীর্ঘ মেয়াদি সরকার গঠন করা সম্ভব হয়। কারণ জনগণই হচ্ছে একটি রাষ্ট্রের ব্লাড লাইন আর রাষ্ট্র পরিচালক হচ্ছে সেই দেশের হৃদপিণ্ড। যিনি সমগ্র দেশের মধ্যে জনগণের থেকে আয়কৃত অর্থ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। ফলে নতুন নতুন কর্মস্থান তৈরি হয় এবং জনগণের আয় বৃদ্ধি পায়। আর জনগণের আয় বৃদ্ধি হলে রাষ্ট্রের রাজস্ব বাড়ে এবং সাথে রাষ্ট্র পরিচালকের ক্ষমতাও ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে, ফলে সেই দেশ শক্তিশালী ও ক্ষমতাধর রাষ্ট্রে পরিনত হয়, একটা সময় যার ক্ষমতা নিজ দেশের বাইরেও বিস্তৃত হতে থাকে। যেমন চীন, রাশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, উত্তর কোরিয়া এবং ইরান যাদের কে ইউরোপ-আমেরিকাও ভয় পায়।

অথচ রাষ্ট্র পরিচালক ও জনগণের মাঝে সামান্য দূরত্ব, ভুল বুঝাবুঝি বা অনাস্থা তৈরি হলে সেখানে শয়তান ডুকে পড়ে। আর এই শয়তান হচ্ছে বিদেশি শক্তি এবং তার অনুসারী হলো সেই দেশেরই বিরোধী দল, প্রথম শ্রেণীর কিছু ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, ঠিকাদার, অসৎ সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তাবৃন্দ ও কিছু এমপি-মন্ত্রীরা। যাদের কাজ হচ্ছে সাধারণ জনগণের মাঝে সরকারের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সরকারকে দূর্বল ও অকার্যকর বানিয়ে নিজেদের হাতের মুঠে রেখে ফায়দা লুটা। তারা কলেস্টেরলের মত সরকার ও জনগণের মাঝে দূরত্ব বা বাধা সৃষ্টি করে রাখে।

কারণ একটি দেশের সরকারের রাজস্ব আয়ের তিনটি উৎস রয়েছে। যার
১.প্রথমটি হচ্ছে পরোক্ষ কর বা (Indirect tax) যেটা আদায় হয় সাধারণ জনগণের ক্রয় ক্ষমতার উপরে। যার পরিমাণ হতে পারে মোট রাজস্ব আয়ের ৪০-৬০ ভাগ।
২. দ্বিতীয়টি হচ্ছে প্রত্যক্ষ কর বা (Direct tax) যেটা আদায় হয় উচ্চবিত্তদের ইনকামের উপর ট্যাক্স আরোপ করে যা হতে পারে সরকারের মোট আয়ের ১৫-২০ পার্সেন্ট। এবং
৩. তৃতীয়টি হচ্ছে বিভিন্ন বন্দরের শুল্ক, ফি, কমিশন ও মাসুল আদায়ের মাধ্যমে।

এখন একটি দেশের সরকারের সবচেয়ে সহজ ও বড় ইনকামটাই আসে সেই দেশের সাধারণ জনগণের স্বচ্ছলতা বা স্বাভাবিক ক্রয় ক্ষমতা থেকে। অর্থাৎ একটি দেশের সাধারণ জনগণ যত বেশি ইনকাম করবে তখন তারা তত বেশি খরচও করবে, আর যত বেশি খরচ করবে বা কেনাকাটা করবে সেই দেশের সরকার তত বেশি রাজস্বও ইনকাম করতে পারবে, অর্থাৎ আমরা দোকান থেকে বা বাজার থেকে যে পণ্যই কিনি না কেন, সেখান থেকে সরকার কোন না কোন ভাবে ভ্যাট আদায় করে নিয়ে নেয়। আর এই ভ্যাট কেই indirect tax বা পরোক্ষ কর বলে। তাই জনগণ যতবেশি সচ্ছল হবে, ক্ষমতাসীন সরকার তত বেশি রাজস্ব আদায় করতে পারবে ফলে অর্থনৈতিকভাবে সে দেশের সরকার তত বেশি শক্তিশালী হবে, কারণ সরকারের শক্তিই হচ্ছে তার দেশের স্বচ্ছল জনগণ। তাই উন্নত রাষ্ট্রের দিকে তাকালে দেখবেন তাদের জনগনের মাথাপিছু আয় অনেক বেশি ফলে তারা ইচ্ছেমতো খরচ করতে বা কেনাকাটা করতে পারে, যার ফলে তাদের সরকার বেশি বেশি রাজস্ব আদায় করে, আর এজন্যই তারা অর্থনৈতিকভাবে এত শক্তিশালী। অন্যদিকে যে দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় কম বা অস্বচ্ছল, সে দেশের জনগণের ক্রয়ক্ষমতাও স্বাভাবিকের চেয়ে কম হয়, যে কারণে তারা প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য বা সেবা ব্যবহার করতে পারে না, ফলে সরকারের তেমন কোন রাজস্ব আদায়ও হয় না, আর এ কারণেই সেই দেশ কে অর্থনৈতিকভাবে দূর্বল ও গরীব রাষ্ট্র বলা হয়।

আর এর জন্য দায়ী সেই দেশেরই কিছু বড় বড় ব্যবসায়ী, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারি- কর্মকর্তাবৃন্দ, ঠিকাদর ও কিছু এমপি-মন্ত্রীরা। যাদেরকে Direct tax বা প্রতক্ষ করদাত বলা হয়। আর এই Direct tax বা প্রতক্ষ করদাতা এবং শুল্ক ও কমিশনদাতা ব্যক্তিরা একই, যারা তাদের মোট আয়ের উপর সরকার নির্ধারিত কর আদায় তো দূরে থাক বরং শুভংকরের ফাঁকি দেওয়ার নানা ধরনের চেষ্টা করে থাকে। আর সরকার দূর্বল ও চাপে থাকলে তাদের এই কাজ আরও বেশি সহজ হয় তাই তারা সরকারকে চাপে রাখতে সেই দেশেরই বিরোধী দলকে সরকারের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়, ফলে বিরোধী দলও ক্ষমতা দখলের লোভে মরিয়া হয়ে জনগণের মাঝে সরকারের বিরুদ্ধে নানা ধরনের বিভ্রান্ত মূলক তথ্য ও প্রচারণা চালায়। এমনকি হরতাল অবরোধ দিয়ে যানবাহ ভাঙ্গচুর, সাধারণ জনগনের সম্পদ নষ্ট এবং কলকারখানার উৎপাদন ব্যহৃত করে অর্থনীতিকে ধংস্বের মুখে ঠেলে দেয়, ফলে রাষ্ট্র একটি দূর্বল ও অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিনিত হতে থাকে। আর তখনই ক্ষমতাসীন সরকার বিরোধী দলেকে দমানোর জন্য বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এরকম অবস্থায় স্বাভাবিক ভাবেই জনগণের দৃষ্টিও তখন দেশের সরকার ও বিরোধী দলের উপর চলে যায়। আর সেই সুযোগটাই তৃতীয় পক্ষ দেশের প্রথম শ্রেণীর কিছু বড় বড় ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, ঠিকাদার, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সচিব-আমলা ও কিছু এমপি-মন্ত্রীরা নিয়ে থাকে অর্থাৎ এই Direct tax বা প্রতক্ষ করদাতারা নিয়ে থাকে।

এছাড়াও এরা দেশের প্রথম শ্রেণীর ব্যবসায়ি হওয়ায় বেশিরভাগ প্রয়োজনীয় বিদেশি পণ্য তাদের মাধ্যমেই আমদানি হয়, ফলে তারা সুযোগ বুঝে শুল্ক ফাঁকি এমনকি আমদানি নিষিদ্ধ বিভিন্ন পণ্যও আমদানি করে থাকে এবং ইচ্ছে মত আমদানিকৃত বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেশীয় মুদ্রার মূল্যের পতন ঘটায়, ফলে মুদ্রাস্থিতি ঘটে। শুধু তা-ই নয় তারা তাদের ইনকামের উপর নির্ধারিত ট্যাক্সও সরকারকে প্রদান করতে চাই না। যেমন ধরেন যদি তাদের বছরে ২৫লাখ টাকা ইনকাম ট্যাক্স আসে তবে তারা ৩-৪ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে সরকারকে ট্যাক্স দিবে ২-৩ লাখ টাকা, আর এ কাজে তাদের সাহায্য করে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারায়। এছাড়াও দেশের ক্রান্তিকালীন সময়ে এরা সুযোগ বুঝে দ্রব্য মূল্যের দাম বাড়িয়ে দেয় আর সরকার দূর্বল থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে সাধারণ জনগণ ব্যাপক ভোগান্তির স্বীকার হয় এবং সরকারি দল আরও বেশি চাপের মধ্যে পড়ে। যে কারণে এই শ্রেনীর ব্যক্তিবর্গের উপর বার্ষিক রাজস্ব আয়ের ৪০% টার্গেট এর ২০% ভাগও অনেক সময় আদায় করা সম্ভব হয় না। ফলে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের ঘাটতি অর্থ চড়া সুদে বিভিন্ন দেশ থেকে ঋণ হিসেবে সংগ্রহ করতে হয়।

এছাড়াও সরকার প্রধান দূর্বল থাকায় প্রভাবশালী এমপি-মন্ত্রীরা বিশাল অংকের টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানিকে বিনা মূল্যে রাষ্ট্রের জায়গা, অবৈধ গ্যাস সংযোগ, বিদ্যুৎ ও পানির লাইন সরবরাহের ব্যবস্থা করে দেয়। এছাড়াও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে নদীর জায়গা, খালের জায়গা এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রয়াত্ব জায়গা দখল করে অনুমোদনহীন বিভিন্ন কলকারখানা গড়ে তুলে এবং সেসব কলকারখানার বিষাক্ত বর্জ্র দিয়ে নদীনালার পানি ও পরিবেশ দূষণ করে। আর এসব নানা ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে সরকার দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় টিকতে পারে না। কারণ তারা জানে একটি সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে সরকারের শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং তারা ইচ্ছে মত দুর্নীতি, অনিয়ম, লুটপাট করতে পারবে না। তাই তারা সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বাধ্য করে।

অন্যদিকে সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে দীর্ঘ মেয়াদি নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ বা প্রকল্প গুলোও আলোর মুখ দেখতেই পায় না, এমনকি প্রকল্প সম্পূর্ণ না করেই অসাধু সরকারী কর্মচারীদের সাহায্য নিয়ে ঠিকাদারগণ প্রকল্পের সম্পূর্ণ টাকা তুলে নিয়ে বিদেশ বাড়ি গাড়ি করে সুখের জীবন শুরু করে। আর এই সব অনিয়ম, দুর্নীতি, লুটপাট ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি খেসারত দেয় সেই সাধারণ জনগণ। যারা রাষ্ট্রীয় কোন সুযোগ সুবিধা তো পায়ই না বরং অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে দুর্বিসহ ভাবে জীবনযাপন করতে থাকে।

সুতরাং কলেস্টেরল যেমন হার্ট ব্লক করে রক্ত সঞ্চলন বন্ধ করে দিয়ে মানুষের মৃত্যু ঘটায় ঠিক তেমনই এই শ্রেণির ব্যক্তিবর্গ জনগণ ও রাষ্ট্র পরিচালকের মধ্যে দূরত্ব বা বাঁধা সৃষ্টি করে সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় দূর্বল করে নিজেদের ফায়দা লুটতে থাকতে।

তাহলে আপনারই বলুন একটি দেশের সরকার তার দেশের সাধারণ জনগণকে ছেড়ে দুধ কলা দিয়ে কেন এই সুবিধা ভোগী কাল সাপ বা প্রভাবশালী মহলকে পালবে বা সহায়তা দিবে। যারা তাদের স্বার্থের জন্য সরকারকে ব্যবহার করে এমনকি যে কোন সময় ক্ষমতা থেকে উৎখাত করতে বাধ্য করে। অথচ সাধারণ জনগণ রাষ্ট্র পরিচালকের প্রতি অনুগত থাকলে সরকারি দল শক্তিশালী হয় এবং সেইসব সুবিধা ভোগী শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, উচ্চবিত্ত, সরকারি কর্মকর্তা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারি, সচিব-আমলা ও এমপি-মন্ত্রীদের আইনের আওতা এবং জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে সহজ হয়। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়৷ দেশের উপর বিহির্বিশ্বের হস্তক্ষেপ কমে, সরকারি অর্থের অপচয় রোধ হয় এবং রাষ্ট্রের সম্পত্তি উদ্ধার ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বাড়ে।

যখন বলা হয়েছিল তোমরা মূর্তি পূজা করোনা, তখন বেশিরভাগই তা মেনে নিলেও মূর্তি নির্মাণ, পরিবহন, বাজারজাতকারণ এবং এর সাথে জরি...
29/07/2022

যখন বলা হয়েছিল তোমরা মূর্তি পূজা করোনা, তখন বেশিরভাগই তা মেনে নিলেও মূর্তি নির্মাণ, পরিবহন, বাজারজাতকারণ এবং এর সাথে জরিত সংশ্লিষ্টরা তা মেনে নিলো না। কারণ তাদের রুজিরোজগার সেই মূর্তিকে ঘীরেই ছিলো এবং সৃষ্টিকর্তার উপর তারা বিশ্বাস স্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।

যখন বলা হলো নেশাজাত দ্রব্য তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ করা হলো তখনও বেশিরভাগ লোক তা মেনে নিলেও এই ব্যবসার সাথে জরিত এবং সেবনকারীরা তা মেনে না নিয়ে উল্টো এর বিরুদ্ধে অবস্থা নিলো।

যখন বলা হলো সুদ, ঘুষ ও জুয়া তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ এবং জঘন্য পাপ তখন বেশিরভাগ লোক এটা মেনে নিলেও এর সাথে জরিতরা তা প্রত্যাখান করলো।

যখন বলা হলো আমার আয়াতের বিনিময়ে কেউ কোন অর্থ বা সম্পদ গ্রহণ করো না। সকলেই তা মেনে নিলেও কৌশলিরা তা মেনে না নিয়ে সেটাকেই এখন মূল ধর্ম বিশ্বাসে রূপান্তরিত করেত সক্ষম হয়েছে।

মোটকথা সরাসরি সুবিধা ভোগিদের স্বার্থে আঘাত হানে এরকম যে কোন আইন বা নিয়মের কোন তোয়াক্কা তারা করে না বরং তার বিপক্ষে অবস্থান করে সেটাইকে সঠিক বলে প্রতিষ্ঠিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা তারা করতে থাকে।

এখানে পার্থক্য শুধু উপাস্যের নামের মধ্যে আর সবকিছুতেই আপনি সাদৃশ্য খুজে পাবেন। তবে দুই বাবাই রমরমা😁 তাই বিনা দলিলে ভক্তদ...
28/07/2022

এখানে পার্থক্য শুধু উপাস্যের নামের মধ্যে আর সবকিছুতেই আপনি সাদৃশ্য খুজে পাবেন। তবে দুই বাবাই রমরমা😁 তাই বিনা দলিলে ভক্তদের স্বর্গে প্লট ধরিয়ে দিয়েছেন, সাথে হুরপরী ফ্রিতে পাওয়ার আশ্বাস দিয়েছে মরার পরে।

A digital platform’s strategy, design, and development must all promote one goal: creating a valuable, memorable experience for the user. We create experiences that connect deeply with your target audience’s needs, and inspire not just affection, but action.

28/07/2022

মৃত্যু পথযাত্রী বোনের জমিজমা টিপ সই দিয়ে জোরপূর্বক স্টাম্পে সই করলো আপন ভাই! ঝিনাইদহ জেলার হরিনাকুন্ডু উপজেলার ভায়না ইউনিয়নের জোড়াদাহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

26/06/2022

খাম্বা লিমিটেড😁😂

স্বপ্নের "শেখ হাসিনা সেতু"
26/06/2022

স্বপ্নের "শেখ হাসিনা সেতু"

কিছু অর্জন বাঁধ ভাঙ্গা উল্লাসের, কিছু মুহূর্ত তৃপ্তির, কিছু সময় পরম প্রশান্তির আর কিছু দৃশ্য বারবার দেখতে ইচ্ছে করে। আমা...
26/06/2022

কিছু অর্জন বাঁধ ভাঙ্গা উল্লাসের, কিছু মুহূর্ত তৃপ্তির, কিছু সময় পরম প্রশান্তির আর কিছু দৃশ্য বারবার দেখতে ইচ্ছে করে।

আমাদের স্বপ্নের "শেখ হাসিনা সেতু"

23/02/2022
14/02/2022

পবিত্র কোরআনের বানী যে সঠিক তা প্রমাণ করার চেষ্টা। বর্তমান যুগেও বিজ্ঞান ভুল এবং পবিত্র কোরআন সঠিক।

পৃথিবীর কোন বার্ষিক গতি নেই, পৃথিবী ২৪ঘন্টায় তার কক্ষপথকে একবার প্রদক্ষিন করে এবং এ সময়ই দিন রাত্রি সম্পূর্ণ হয়। অন্য দিকে সূর্যও স্থির নয়, সূর্য তার কক্ষপথকে প্রদক্ষিন করতে ৩৬৫ দিন সময় নেয়। আর এ সময় কালেই আবহাওয়া বা ঋতুর পরিবর্তন ঘটে। কারণ সূর্য তার কক্ষপথ ভ্রমণ কালে পৃথিবীর কোন কোন প্রান্তের দূরত্ব বাড়তে থাকে এবং কোন প্রান্তের দূরত্ব কমতে থাকে ফলে অঞ্চল ভেদে ঋতুর পরিবর্তনও পরিলক্ষিত হয়।

সুতরাং পৃথিবীর নিজ অক্ষে কোন আহ্নিক গতি নেই, কারণ প্রচন্ড বেগে ঘুর্নিয়মান কোন বস্তুর উপর অন্য কোন কিছু স্থির ভাবে ধরে রাখা সম্ভব নয়, অর্থাৎ ঝিটকে পড়ে যাবে। তবে প্রচন্ড বেগে চলমান বস্তুর উপর একই গতি প্রাপ্ত হলে যে কোন বস্তুই তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিখূতভাবে টিকে থাকে। অর্থাৎ পৃথিবী তার কক্ষপথে ভ্রমণ করতে যে সময় নেয় সেটাই হচ্ছে পৃথিবীর আহ্নিকগতি।

06/02/2022

Bangladeshi Scientists Innovation a wonderful Bag from jute and it looks like polythene but it’s not polythene it is a perishable product, which is eco friendly for our environment.

29/01/2022

চলো খেলতে খেলতে আবিষ্কার করি এবং গড়ি নতুন বিজ্ঞানময় সংস্কৃতি

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শেখ হাসিনা সেতু posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to শেখ হাসিনা সেতু:

Share