INFO SALE & BUY.

INFO SALE & BUY. INFO SALE & BUY happy to provide all information of the World.

07/10/2025

সর্দি-কাশিতে ওষুধ নয়, আগে মধু খান

পরিবেশ এখন এই গরম, এই ঠাণ্ডা, হালকা ঠাণ্ডায় অনেকেরই সর্দি-কাশিতে নাক বন্ধ অবস্থা। আর এই অসুস্থতা দূর করতে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে শুরু করেন অনেকে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পরিবর্তে এসব সমস্যা মোকাবিলায় মধু বেশি কার্যকর।
সম্প্রতি এক গবেষণায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, জ্বর ঠাণ্ডার মতো সাধারণ রোগের উপশমে সহজলভ্য মধু ব্যবহার করেই অ্যান্টিবায়োটিকের ফল পেতে পারেন।
বিজ্ঞানীরা একটি গবেষণা প্রকল্প তৈরি করেন। তারা ১৪টি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালনা করেন যাতে ১ হাজার ৭৬১ জন অংশ নেয়। গবেষণায় অ্যান্টিহিস্টামিন, পেইনকিলারসহ অন্যান্য অ্যান্টিবায়োটিকের উপাদানও ব্যবহার করা হয়।

মানুষের শ্বাসযন্ত্রের ওপরের অংশে অবস্থিত নাক, গলা, কণ্ঠ, শ্বাসনালী যুক্ত ফুসফুসের সঙ্গে। আর করোনাকালে ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়াতে ও ঠাণ্ডা জ্বর সারাতে নিয়মিত মাত্র এক চামচ মধু খেলেই উপকার পাওয়া যায়।

প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে মধুর ব্যবহার নিরাপদ ও কার্যকর। মধুতে প্রায় ৪৫টিও বেশি খাদ্য উপাদান থাকে। তবে এতে সাধারণত কোনো চর্বি ও প্রোটিন নেই। প্রতি ১০০ গ্রাম মধু থেকে আমরা ৩০৪ ক্যালরি পাই।

মধুর সঙ্গে দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর বিভিন্ন সমস্যা দূর করে এবং রক্তনালী পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। শরীরে শক্তি যোগায় এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখে। নিয়মিত মধু খেলে লিভার পরিষ্কার থাকে, শরীরের বিষাক্ত উপাদানগুলো বের করে দেয় এবং শরীরের মেদ গলে বের হয়ে যায়। সংক্রমণ দূর করে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

তবে ডায়াবেটিস থাকলে মধু খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

25/09/2025

ব্যস্ততার মাঝেও কোরআনচর্চার সহজ উপায়

মানুষ বর্তমান জীবনব্যবস্থায় আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে খুব বেশি ব্যস্ত। ফলে বহু মানুষের কোরআনুল কারিম তেলাওয়াত ও তা থেকে জ্ঞানার্জনের ইচ্ছা থাকলেও তারা তা করতে পারেন না।

কিন্তু শত ব্যস্ততার মাঝেও কিভাবে কোরআনচর্চা করা যায়, নিম্নে তা তুলে ধরা হলো-
চলতি পথে কোরআন তেলাওয়াত: প্রতিদিন কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতের সময় আমাদের প্রচুর পরিমাণ সময় নষ্ট হয়, বিশেষত শহরের যানজটের কারণে দীর্ঘ সময় বসে থাকতে হয়। এ সময়ে ফেসবুক বা অন্যকোনো সামাজিক মাধ্যমে ব্যয় না করে কোরআন, কোরআনের অর্থ ও ব্যাখ্যা পাঠ করা যায়। আধুনিক মোবাইল ফোনে ব্যবহার উপযোগী অসংখ্য কোরআনভিত্তিক আলোচনা গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল স্টোরে পাওয়া যায়।

চলতি পথে কোরআন শ্রবণ: কোরআন দেখে পাঠ করতে ইচ্ছা না করলে চলাচলের পথে কোরআন তেলাওয়াত শোনা যেতে পারে। পবিত্র কাবার ইমাম শায়খ হুজায়ফি, শায়খ সুদাইসি ও শায়খ মিশয়ারির মতো আরব বিশ্বের খ্যাতিমান কারিদের তেলাওয়াতের পাশাপাশি বাংলাদেশি বহু কারির তেলাওয়াত অনলাইনে পাওয়া যায়, বিশেষত আরবের বিখ্যাত কারিদের তেলাওয়াতের অ্যাপসও গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল স্টোরে পাওয়া যায়।

৫ ওয়াক্তে ২৫ মিনিট: ৫ ওয়াক্ত নামাজের আগে বা পরে যদি ৫ মিনিট করে কোরআন তেলাওয়াত করা হয়, তবে দৈনিক ৫ থেকে ৮ পৃষ্ঠা কোরআন তেলাওয়াত করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনেও কোরআন তেলাওয়াত করা যেতে পারে। এমনও হতে পারে যে ৩ ওয়াক্ত নামাজের পর তেলাওয়াত করা হলো এবং বাকি ২ ওয়াক্তের ১ ওয়াক্তে ৫ থেকে ১০টি আয়াতের অর্থ এবং অপর ওয়াক্তে এক থেকে ৩টি আয়াতের ব্যাখ্যা পাঠ করা হলো।

খাবার টেবিলে আলোচনা: দুপুরে বা রাতে যখন খাবারের টেবিলে বা দস্তরখানে পরিবারের সদস্যরা তুলনামূলক বেশি উপস্থিত থাকে, তখন কোরআনের বিভিন্ন আয়াত, আয়াতের বিধান, আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিত ও আয়াতের শিক্ষা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

আলেমরা বলেন, খাওয়ার সময় একেবারে চুপ থাকার চেয়ে দ্বিনি বিষয়ে আলোচনা করা উত্তম। আর এ ক্ষেত্রে বড়দের আলোচনা ছোটরা শুনতে পারে আবার ছোটদের আলোচনা বড়রাও শুনতে পারেন।

ঘুমের আগে ১০ মিনিট: ঘুমের সময় ওজু করে ঘুমানো মুস্তাহাব। বিশুদ্ধ হাদিসে ঘুমানোর আগে ইখলাস, ফালাক, নাস, মুলক ইত্যাদি সূরা পাঠ করার কথা এসেছে। তবে যারা সারা দিন কোরআন তেলাওয়াতের সুযোগ পায় না, তারা রাতে ঘুমানোর আগে উল্লিখিত সূরার সঙ্গে ১০ থেকে ১৫ মিনিট অন্যান্য সূরাও তেলাওয়াত করে নিতে পারেন।

নামাজে তেলাওয়াত: যারা কোরআনের হাফেজ, কিন্তু নিয়মিত তেলাওয়াতের সুযোগ হয় না, তারা ৫ ওয়াক্তের ফরজ ও সুন্নত নামাজে নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে তেলাওয়াত করতে পারেন। আর যারা হাফেজ নন, কিন্তু কোরআনের বিভিন্ন অংশ মুখস্থ করেছেন, তারাও তা ঠিক রাখতে ধারাবাহিকভাবে নামাজে তেলাওয়াত করতে পারেন।

কর্মস্থলে কোরআন শরিফ: কখনো কখনো কর্মস্থলে অল্প সময়ের জন্য হলেও অবসর মেলে। তখন করার মতো ঠিক কোনো কাজ থাকে না। টুকরা টুকরা এসব অবসরেও কোরআনচর্চা করা যেতে পারে। এ জন্য কর্মস্থলেও একটি কোরআন শরিফ বা তার ব্যাখ্যা গ্রন্থ রাখা যেতে পারে।

কোরআনচর্চার পুরস্কার: যারা শত ব্যস্ততার মধ্যে কোরআন আঁকড়ে ধরে রাখবে এবং তা চর্চা করবে, আল্লাহ কোরআনের মাধ্যমে তাদের আলোর পথ দেখাবেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে চায়, এর (কোরআন) দ্বারা তিনি তাদের শান্তির পথে পরিচালিত করেন এবং নিজ অনুমতিক্রমে অন্ধকার থেকে বের করে আলোর দিকে নিয়ে যান এবং তাদের সরল পথে পরিচালিত করেন’। (সূরা: মায়িদা, আয়াত: ১৬)

এ ছাড়া কোরআনচর্চায় মুমিনের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং তার ধর্মীয় জীবনের উন্নতি হয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যখনই কোনো সূরা অবতীর্ণ হয়, তখন তাদের কেউ কেউ বলে, এটা তোমাদের মধ্যে কার ঈমান বৃদ্ধি করল? যারা মুমিন এটা তাদেরই ঈমান বৃদ্ধি করে এবং তারাই আনন্দিত হয়’। (সূরা: তাওবা, আয়াত: ১২৪)

ইয়া আল্লাহ! আমাদের সবাইকে নিয়মিত পবিত্র কোরআনুল কারিম পাঠ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

18/08/2025

দিনে কয়টি কলা খাবেন

দিনে কয়টি কলা খাবেনকলাতে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে
কলা এমন একটি ফল, যেটি সারাবছরই পাওয়া যায়। পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই ফল নিয়মিত খেলে সাধারণ রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে সহায়তা করে।

পুষ্টিবিদদের মতে, কলাতে গ্লুকোজ ও ক্যালোরি থাকে। কলা অনেক সময় ধরে পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে দিনে কয়টা করে কলা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। পাশাপাশি প্রশ্ন কলার অপকারিতা কী?

বিশেষজ্ঞদের কথায় কলাতে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম রয়েছে। তাই কলা বেশি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। মাঝারি সাইজের কলা প্রাপ্তবয়স্করা দিনে দুই থেকে তিনটি করে খেতে পারে। তবে শিশুদের দিনে একটি করে কলা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

বিশেষজ্ঞদের কথায় মাঝারি সাইজের কলায় ১৮ মিলিগ্রামের মতো পটাসিয়াম রয়েছে। অন্যদিকে কলা অনেক সময় গাছপাকা হয় না। কার্বাইড দিয়ে পাকানো হয়। তাই অতিরিক্ত কলা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। তবে কোথাও আসা-যাওয়া রয়েছে, দীর্ঘ সময় খাবার খাওয়ার উপায় নেই। এ সময় কিন্তু কলা খেতেই পারেন। এটি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

কলা খাওয়ার অপকারিতা
প্রচুর পরিমাণে কলা খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। একটি মাঝারি সাইজের কলাতে ১০৫ ক্যালরি শক্তি থাকে। তাই বেশি কলা ওজন বাড়ার কারণ হতে পারে।

যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা থাকে তাহলে তাদের দৈনিক একটা বেশি কলা খাওয়া ভালো নয়। কলায় টাইরামইন থাকে, যা মাইগ্রেনের কারণ।

কলাতে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে। রক্তে পটাসিয়াম বেড়ে গেলে ক্লান্ত অনুভূত হয়। হার্টের সমস্যা দেখা দেয়। তাই প্রচুর পরিমাণে কলা খাওয়া ঠিক নয়।

কলায় প্রচুর শর্করা থাকে। এটি দন্তক্ষয়ের কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের কথায় চকোলেটের থেকেও বেশি শর্করা থাকে কলায়। যদিও প্রাকৃতিক, তাই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হলেও দাঁতের জন্য খারাপ।

13/08/2025

শরীরের রক্তস্বল্পতা দূর করতে

দেশের নারীদের জন্য রক্তস্বল্পতা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। রক্তে লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে তাকেই মূলত অ্যানিমিয়া বলা হয়৷

রক্তে হিমোগ্লোবিন কম হলে ক্ষুধামন্দা, শরীর ক্লান্ত বোধ করা, ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা, সব সময় অস্বস্তিবোধ করা, অস্বাভাবিক হৃদকম্পন ও মনোযোগের অভাব দেখা দেয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীরের রক্তের চাহিদা পূরণ করতে নিয়মিত কিছু খাবার খেলে উপকার পাওয়া যায়।

এর মধ্যে রয়েছে:

ভিটামিন সি
ভিটামিন সি-র অভাবে হিমোগ্লোবিন কমে যেতে পারে। তাছাড়া ভিটামিন সি ছাড়া আয়রন পুরোপুরিভাবে শোষণ হয় না। আমলকী, পেঁপে, বাতাবিলেবু, কমলা, লেবু, স্ট্রবেরি, গোলমরিচ, ব্রোকোলি, আঙুর, টমেটো ইত্যাদিতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে।

আয়রন
হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে লোহা গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। আয়রন সমৃদ্ধ কিছু খাবার হলো- দেশি সুস্থ মুরগির কলিজা, কচু শাক, লাল মাংস, চিংড়ি, পালংশাক, আমন্ড, বিট, বেদানা, খেজুর। আয়রন, ক্যালসিয়াম, কার্বোহাইড্রেইড এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।

এছাড়া মধু আয়রনের একটি ভালো উৎস। আয়রন ছাড়াও মধুতে কপার ও ম্যাঙ্গানিজ আছে। এই উপকরণগুলো শরীরে গিয়ে প্রচুর পরিমাণে হিমোগ্লোবিন প্রস্তুত করতে সহায়তা করে। নিয়মিত দুধ, ডিমও খেতে হবে।

অ্যানিমিয়ার রোগীদের ক্ষেত্রে অক্সিজেন ও পুষ্টিকর উপাদান উৎপাদনের জন্য হৃদপিন্ডের প্রচুর পরিমাণে রক্তের প্রয়োজন হয়৷ এতে হার্ট ফেল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এজন্য অ্যানিমিয়া হলে শুরু থেকেই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ জেনে সে অনুযায়ী খাবার ও ওষুধ গ্রহণ করতে হবে।

12/08/2025

শাড়ির ব্যবসা শুরু করতে চান? জেনে নিন দেশের সেরা পাইকারি বাজারগুলোর ঠিকানা!

অনলাইনে শাড়ি নিয়ে ব্যবসা করার স্বপ্ন অনেকেরই। কিন্তু সঠিক জায়গা থেকে ভালো মানের শাড়ি পাইকারি দামে না কিনতে পারলে লাভ করা কঠিন। নতুন উদ্যোক্তাদের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন থাকে - "কোথায় পাবো সেরা কালেকশনের শাড়ি?

আপনার ব্যবসার সুবিধার জন্য বাংলাদেশের বিখ্যাত এবং সবচেয়ে বড় শাড়ি পাইকারি বাজারগুলোর একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো। ব্যবসার শুরুতে এই জায়গাগুলো আপনার জন্য সেরা হতে পারে।

📍 ঢাকার ভেতরের পাইকারি বাজার:
১. ইসলামপুর, পুরান ঢাকা: দেশের সবচেয়ে বড় এবং প্রাচীন পাইকারি কাপড়ের বাজার হলো ইসলামপুর। শাড়ি, থ্রি-পিস, গজ কাপড় - কী নেই এখানে! দেশি-বিদেশি সব ধরণের শাড়ির বিশাল সংগ্রহ পাবেন পাইকারি দামে। ব্যবসার জন্য একসাথে অনেক শাড়ি কিনতে হলে ইসলামপুরের বিকল্প নেই।

২. মিরপুর বেনারসি পল্লী: বিয়ের শাড়ি, কাতান, বেনারসি, লেহেঙ্গা এবং পার্টি শাড়ির জন্য সেরা জায়গা হলো মিরপুর বেনারসি পল্লী। যারা শুধুমাত্র গর্জিয়াস এবং বিয়ের কালেকশন নিয়ে কাজ করতে চান, তাদের জন্য এই জায়গাটি একটি তীর্থস্থান। এখানে সরাসরি কারিগরদের বানানো শাড়িও পাওয়া যায়।

৩. গাউছিয়া ও নিউ মার্কেট এলাকা: খুচরা বাজারের জন্য বিখ্যাত হলেও, এখানকার বেশ কিছু দোকানে পাইকারি বা সেমি-পাইকারি দামে শাড়ি বিক্রি করা হয়। বিশেষ করে ইন্ডিয়ান জর্জেট, শিফন এবং নিত্যনতুন ডিজাইনের শাড়ির জন্য এই মার্কেটগুলো জনপ্রিয়।

৪. ডেমরার জামদানি হাট: যারা সরাসরি তাঁতিদের কাছ থেকে আসল জামদানি কিনতে চান, তাদের জন্য ডেমরার জামদানি হাট সেরা। প্রতি শুক্রবার শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে এই হাট বসে। এখানে আপনি তুলনামূলক কম দামে সেরা জামদানিগুলো সংগ্রহ করতে পারবেন।
📍 ঢাকার বাইরের বিখ্যাত শাড়ির হাট:

৫. টাঙ্গাইলের করটিয়া হাট: টাঙ্গাইল শাড়ির জন্য বিখ্যাত এই হাটটি বসে সপ্তাহে দুই দিন (মঙ্গলবার ও বুধবার)। সারা দেশের পাইকাররা এখান থেকে টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি সংগ্রহ করেন। সরাসরি তাঁতিদের থেকে সুলভ মূল্যে শাড়ি কেনার এটি এক বিশাল সুযোগ।

৬. নরসিংদীর বাবুরহাট: দেশের অন্যতম বৃহৎ কাপড়ের হাট হলো বাবুরহাট। সুতি শাড়ি, প্রিন্টের শাড়ি এবং কম দামের শাড়ির জন্য এই হাট বিখ্যাত। যারা স্বল্প পুঁজি দিয়ে ব্যবসা শুরু করতে চান, তারা বাবুরহাট থেকে পাইকারি শাড়ি কিনে লাভবান হতে পারেন।

💡কিছু জরুরি টিপস:
যেকোনো মার্কেট থেকে শাড়ি কেনার আগে কাপড়ের মান ভালোভাবে যাচাই করুন।
প্রথমেই এক দোকান থেকে সব না কিনে কয়েকটি দোকান ঘুরে দাম সম্পর্কে ধারণা নিন।
পাইকারি কেনার সময় পরিমাণে বেশি কিনলে দাম কমাতে সুবিধা হয়।
বাজারের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন এবং খোলার সময় জেনে তবেই রওনা দিন।
সঠিক পরিকল্পনা এবং ভালো মানের পণ্য দিয়ে শুরু করলে আপনার শাড়ির ব্যবসায় সফলতা আসবেই। আপনার নতুন পথচলার জন্য অনেক শুভকামনা!

03/08/2025

নারী ও পুরুষ – কে কী পরবেন দৈনন্দিন জীবনে.....

দৈনন্দিন জীবনে পোশাক শুধু শরীর ঢাকার উপকরণ নয়, বরং এটি ব্যক্তিত্ব, রুচি, পেশা ও পরিবেশ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়। আমাদের ব্যস্ত জীবনযাত্রায় প্রতিদিনের জন্য এমন পোশাক বেছে নেওয়া জরুরি যা একদিকে যেমন আরামদায়ক, তেমনি মানানসই ও মর্যাদাসম্পন্ন।

বিশেষ করে বাংলাদেশের আবহাওয়া, সামাজিক প্রেক্ষাপট ও ধর্মীয় মূল্যবোধ মাথায় রেখে পুরুষ ও নারীর প্রাত্যাহিক পোশাকের বিষয়ে কিছু সাধারণ দিকনির্দেশনা থাকতেই পারে। চলুন দেখে নেওয়া যাক—

পুরুষদের প্রাত্যাহিক পোশাক: পরিবেশ ও প্রয়োজন অনুযায়ী নির্বাচন

অফিস ও করপোরেট জীবন:
হালকা রঙের ফুলহাতা শার্ট, সেমি-ফর্মাল প্যান্ট বা চিনো সবচেয়ে উপযোগী। গ্রীষ্মকালে সুতি কাপড়ের পোশাক আরামদায়ক। কার্ডিগান বা ব্লেজার প্রয়োজন অনুসারে পরা যেতে পারে।
বিশেষ টিপস: অতিরিক্ত আঁটসাঁট পোশাক এড়িয়ে চলুন। টাই বা বেল্টের রং যেন মৃদু ও মার্জিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে:
টি-শার্ট বা পলো-শার্টের সঙ্গে জিন্স বা ক্যাজুয়াল প্যান্ট মানানসই। তবে শ্রদ্ধাশীল পরিবেশ বিবেচনায় অতিমাত্রায় ছেঁড়া বা প্রিন্টেড জিন্স, অতিরিক্ত হুডি বা শর্টস এড়িয়ে চলা ভালো।

বাড়ি ও অবসরে:
সুতির পাঞ্জাবি, পাজামা বা আরামদায়ক লুঙ্গি ও টি-শার্টের চেয়ে আরামদায়ক কিছু নেই। গরমকালে হাফহাতা বা হাতকাটা গেঞ্জি ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে ঘরের বাইরেও যেতে হতে পারে— এটা মাথায় রাখতে হবে।

নারীদের প্রাত্যাহিক পোশাক: শালীনতা ও স্টাইলের ভারসাম্য

অফিস ও কর্মক্ষেত্রে:
সালোয়ার-কামিজ, সেমি-ফর্মাল কুর্তি বা লম্বা টিউনিকের সঙ্গে পালাজ্জো, সোজা প্যান্ট অথবা সালোয়ার – সবই মানানসই। অনেকেই শাড়ি পরেন, তবে সেক্ষেত্রে হালকা সুতির শাড়িই উপযোগী।
টিপস: গলা বা হাত বেশি খোলা না রেখে ব্যালান্স বজায় রাখুন। হিজাব পরলে তা যেন পরিচ্ছন্ন ও আয়ত্তে থাকে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে:
টিউনিক-কামিজ বা সালোয়ার-কামিজ সবচেয়ে প্রচলিত। ওড়না বা স্কার্ফ ব্যবহার স্বতন্ত্রতা ও শালীনতা বজায় রাখে। যারা জিন্স-টপ পরেন, তারা যেন বেশি টাইট বা শরীরচাপা ডিজাইন এড়িয়ে চলেন।

বাড়িতে ও অবসরে:
সাধারণ কামিজ বা স্লিপ গাউন, ঢিলেঢালা টি-শার্ট বা হাউস ড্রেস— সবই আরামদায়ক। তবে হঠাৎ কেউ আসলে বা বাইরে যেতে হলে যাতে দ্রুত উপযুক্ত পোশাকে নিজেকে উপস্থাপন করা যায়, সে প্রস্তুতিও থাকা ভালো।

জেন্ডার-নিউট্রাল পরামর্শ:
আরাম: দিনের বেশির ভাগ সময়ই পোশাকে কাটে— সুতরাং আরাম প্রধান বিবেচ্য হওয়া উচিত।

পরিচ্ছন্নতা: প্রতিদিন পোশাক পরার আগে তার পরিষ্কার ও আয়রন থাকা অত্যন্ত জরুরি।

সামাজিক রুচি: পোশাক হওয়া উচিত এমন, যাতে নিজেকে প্রকাশ করা যায় আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে, কিন্তু কারও অনুভূতিতে আঘাত না লাগে।

ধর্মীয় সংবেদনশীলতা: বাংলাদেশ একটি ধর্মপ্রাণ সমাজ। অতিরিক্ত শরীরচাপা বা খোলা পোশাক কারও দৃষ্টিতে অশালীন হতে পারে— এমন কিছু এড়িয়ে চলা বুদ্ধিমানের কাজ।

প্রাত্যাহিক পোশাক বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত রুচির পাশাপাশি পরিবেশ, সমাজ এবং কাজের ধরন বিবেচনায় আনা উচিত। পোশাক যেমন আমাদের চেহারাকে সাজায়, তেমনি আমাদের আচরণ, মূল্যবোধ ও আত্মমর্যাদাকেও তুলে ধরে। তাই পোশাকে হোক পরিমিতি, পরিচ্ছন্নতা ও পরিশীলনের চর্চা।

03/08/2025

সন্তানের ফোন ব্যবহারে লাগাম টানার উপায়

স্মার্টফোন শিশুদের জীবনে যেমন স্থান করে নিয়েছে, তেমনি তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, স্মার্টফোন শিশুকে ‘স্মার্ট’ করে— এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস’ জানায়, ঘুমের সময় শিশুকে ফোন ব্যবহার করতে না দেওয়াই ভালো— এতে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। তবে বাস্তবে সন্তানকে এই নিয়ম মানাতে গিয়ে অভিভাবকদের বেগ পেতে হয়।

এই প্রেক্ষাপটে কিছুটা স্বস্তির তথ্য দিয়েছে নিউজিল্যান্ডের ওটাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা। এতে বলা হয়েছে, ঘুমানোর দুই ঘণ্টা আগে ফোন ব্যবহার করলে বড় ধরনের সমস্যা হয় না, তবে ঘুমাতে দেরি হয় এবং সকালে উঠতেও সময় লাগে।

১১-১৪ বছর বয়সী কিশোরদের ওপর চালানো ওই গবেষণায় দেখা গেছে, যদি কেউ ঘুমানোর সময় গোপনে ফোন ব্যবহার করে, তখন নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়।

গবেষক ব্র্যাডলি ব্রসনান বলেন, “ঘুম আর স্ক্রিন একসঙ্গে চললে ক্ষতি হয়। আপনি ঠিক করুন— স্ট্রিমিং করবেন, না ড্রিমিং?”

তবে তিনি জানান, ছোট শিশু ও কিশোরদের ওপর ফোনের প্রভাব এক নয়। শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে ঘুম অত্যন্ত জরুরি। ঘুমের ঘাটতি মনোযোগের অভাব, মানসিক চাপ ও স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ায়।

এমন অবস্থায় কী করবেন অভিভাবকরা?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুর দৈনন্দিন রুটিনে ফোন ব্যবহারের নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করতে হবে। খাওয়ার সময়, পড়ার সময় ফোন ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে।

ব্রসনান বলেন, “আমাদের মস্তিষ্ক একসঙ্গে অনেক কিছু করতে পারে না। পড়ার সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকলে মনোযোগ কমবেই। ”

তবে স্কুলের কাজে অনলাইন ব্যবহার লাগতেই পারে। তাই সীমারেখা টানা জরুরি। পাশাপাশি ইন্টারনেট ব্যবহারে ঝুঁকি যেমন সেক্সট্র্যাপ, ভুয়া প্রোফাইল ইত্যাদি সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে।

সবচেয়ে ভালো উপায় হলো— সন্তানকে নিয়ে অনলাইনে সময় কাটানো। একসঙ্গে কিছু শেখা, অ্যাপ ব্যবহার করা— এসব অভ্যাস তাকে নিরাপদ অনলাইন ব্যবহারে সহায়ক হতে পারে।

সবচেয়ে জরুরি, সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে ধীরে ধীরে ফোন ব্যবহারে সচেতন করে তোলা। এতে শিশুই নিজের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের অভ্যাস গড়ে তুলবে।

24/07/2025

গুগলের সাহায্যে সহজেই খুঁজে পান হারানো ফোন

মোবাইল ফোন তো একটু আগেই হাতে ছিল, হঠাৎ কোথায় গেল-কিছুতেই মনে পড়ছে না। ছোট ভাই-বোনের ফোন দিয়ে কল দিলে রিং হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু আশপাশে কোনো শব্দ পাওয়া যাচ্ছে না।

তখনই মনে পড়ে, ফোন তো সাইলেন্ট মোডে রাখা!
এমন পরিস্থিতি প্রায় সবার সঙ্গেই ঘটে। আর প্রিয় ডিভাইসটি হারানোর ভয়ে পড়ে যায় টেনশনে। তবে চিন্তার কিছু নেই। গুগলের রয়েছে চমৎকার এক সমাধান, যার মাধ্যমে খুব সহজেই খুঁজে পেতে পারেন আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোনটি।

যেভাবে খুঁজে পাবেন

অন্য একটি মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে গুগলে গিয়ে লিখুন “ফাইন্ড মাই ফোন” (Find My Phone)।

এরপর আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে (যেটি ফোনে সাইন ইন করা আছে) সাইন ইন করুন।

গুগল তখন আপনার ফোনের অবস্থান মানচিত্রে দেখাবে।

এবার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজার বা আমার ডিভাইস খুঁজুন (Find My Device) অপশন চালু করে ‘রিং’ (Ring) কি-টি চাপুন।

বিশেষত্ব হলো-ফোনটি যদি সাইলেন্ট মোডে থাকে, তবুও এটি পুরো শব্দে বেজে উঠবে। আর যতক্ষণ না আপনি ফোনটি হাতে নিয়ে পাওয়ার বোতাম চেপে রিং বন্ধ করছেন, ততক্ষণ রিং হতেই থাকবে!

তবে মনে রাখবেন, এই সুবিধাটি ব্যবহার করতে হলে আপনার ফোনে অবশ্যই আগে থেকেই গুগল অ্যাকাউন্ট সাইন ইন করা থাকতে হবে এবং ইন্টারনেট সংযোগ চালু থাকতে হবে।

13/07/2025

দ্রুত নয়, খাবার খান ধীরে ধীরে

কাজের তাড়নায় বা ব্যস্ততার কারণে আমরা সব সময়ই খাবার খাই দ্রুত। তবে দ্রুত খাবার খেলে শরীরের ওজন এবং মেদ বাড়ে বলেই মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের।

অপরদিকে খাবার যদি আস্তে আস্তে খাওয়া যায়, তবে এর ফলে যেমন অতিরিক্ত ওজন বাড়ে না, তেমনি রয়েছে আরও বেশকিছু উপকার।
চলুন দেখে নেওয়া যাক আস্তে খাওয়ার গুণ কী কী, কোন কোন কারণে আস্তে আস্তে খেলে ওজন বৃদ্ধি হয় না-

বেশি পুষ্টি: খাবার আস্তে খেলে অনেক বেশি পরিমাণে খাদ্য হজম করতে পারে শরীর। ফলে শরীরে মেদ কম জমে।
মন ভালো থাকে: শুনে অবাক লাগলেও কথাটা সত্যি। তাড়াহুড়ো করে খেলে উদ্বেগের পরিমাণ বাড়ে। অন্যদিকে, আস্তে আস্তে খেলে মন ভালো থাকে। তাতে ওজন বৃদ্ধি হয় না।

হজম ভালো: বেশি করে চিবিয়ে খাচ্ছেন? তাতে খাবার হজমও হয় ভালো। খাবার যত বেশিক্ষণ মুখে থাকে, ততই তার মধ্যে থাকা চর্বি বা স্নেহপদার্থ ক্রমশ হজম হতে থাকে। দ্রুত খেলে হজমে সমস্যা হয়, গ্যাস্ট্রিকের সৃষ্টি হতে পারে। আস্তে খেলে খাবার ভালোভাবে ভাঙে, হজমে সাহায্য করে এবং অ্যাসিডিটি কমে।

ক্যালোরি কমানো: বেশি চিবিয়ে খেলে মুখের ব্যায়াম হয়। তাতে কিছু মেদ তো কমেই।

তৃপ্তি দ্রুত আসে:
ধীরে খেলে মস্তিষ্ক সময় পায় বুঝতে যে আপনি পেট ভরে খেয়েছেন। এতে অল্প খেলেই পেট ভরার অনুভূতি পাওয়া যায়। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে:
আস্তে খেলে খাবার ধীরে হজম হয়, ফলে গ্লুকোজ ধীরে ধীরে রক্তে মেশে। এতে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।

তাই দ্রুত খাবার খাওয়ার তুলনায় ধীরে ধীরে খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করাই সব থেকে উত্তম।

10/07/2025

কিশমিশ খাওয়ার উপকারিতা

শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি রক্তে লাল কণিকার পরিমাণ বাড়ায় কিশমিশ। শুকনো কিশমিশ খাওয়ার পরিবর্তে ভিজিয়ে খেলে উপকার বেশি।

প্রতিদিন কিশমিশের পানি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পাবেন ওষুধ ছাড়াই। এ ছাড়া কিশমিশ হৃদযন্ত্র ভালো রাখে। নিয়ন্ত্রণে রাখে কোলেস্টেরল। কিশমিশে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ আছে। আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা সহজে রোগমুক্তির কারণ। আর রয়েছে প্রচুর আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইবার।

ভেজানো কিশমিশ খাওয়ার উপকারিতা-

১. ব্লাড প্রেসার
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলোর মধ্যে একটি কিশমিশ। এর মধ্যে থাকা পটাসিয়াম হাই ব্লাড প্রেসার বশে রাখে।

২. রক্ত স্বল্পতা কমায়
রক্ত স্বল্পতা কমাতে কিশমিশ যথেষ্ট উপকারী। নিয়মিত কিশমিশ খেলে এর মধ্যে থাকা আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়। এ ছাড়া এর মধ্যে আছে তামা, যা রক্তে লাল রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে।

৩. হজমশক্তি বাড়ায়
সুস্থ থাকার জন্য ভালো হজমশক্তি জরুরি। এটি হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। রোজ রাতে একগ্লাস পানিতে কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন ভোরে সেই কিশমিশ খান। নিজেই তারপর তফাত খেয়াল করুন দিন ১৫ পরেই।

৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
আপনি যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চান তবে ভেজা কিশমিশ ও তার পানি নিয়মিত খান। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৫. বিষমুক্ত শরীর
শরীরকে দূষণমুক্ত করতে কিশমিশ খান নিয়মিত। চারদিকের দূষণে আপনি যখন জেরবার তখন সকালে খালি পেটে ভেজানো কিশমিশ খেলে শরীর বিষমুক্ত হবে। ভেজানো কিশমিশের পাশাপাশি কিশমিশ ভেজানো পানিও খেতে পারেন।

৬. কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
নিয়মিত কিশমিশ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে। আপনি যদি পেটের সমস্যায় নিয়মিত ভোগেন তাহলে প্রতিদিন সকালে খালিপেটে ভেজানো কিশমিশ খান। যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে কষ্ট পান তারা ওষুধের বদলে নিয়মিত কিশমিশ খেয়ে দেখতে পারেন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when INFO SALE & BUY. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share