20/10/2026
মানুষ এতটা নির্দয় হতে পারে? প্রতিদিন ক্ষতি করার জন্য মেসেজ আসে!
একটু চিন্তা করে দেখুন তো, একজন মানুষ আরেকজন মানুষকে কতটা ঘৃণা করলে তার হাত-পা পঙ্গু করে দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করতে পারে!
আমি একজন রুকইয়াহ চিকিৎসক। প্রতি মাসেই আমার কাছে এমন অনেক মেসেজ আসে, যেখানে কেউ বলছেন, “হুজুর, আমি অমুক ব্যক্তির ক্ষতি করতে চাই। তার হাত-পা দুমড়ে দিতে চাই। তাকে অসুস্থ করতে চাই, এমনকি তাকে মেরে ফেলতে চাই!”
একবার ভাবুন, মানুষের মনের মধ্যে কতটা হিংসা, বিদ্বেষ আর প্রতিশোধের আগুন থাকলে সে অন্যের এমন ক্ষতি চাইতে পারে!
এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যারা অন্যের ক্ষতি করার ইচ্ছা পোষণ করছেন, তারা যদি বাস্তবেই এমন কাজ করার চেষ্টা করেন, তাহলে তাদের দ্বারা অন্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা কি একেবারেই নেই?
অথচ যখন কোনো মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন, জীবনে একের পর এক সমস্যা আসতে থাকে, তখন অনেকেই প্রশ্ন করেন, “হুজুর, আমাকে কে জাদু করবে? আমার ক্ষতি কে করতে চাইবে?”
আমি কাউকে দোষারোপ করছি না। আবার কারও বিরুদ্ধে প্রমাণ ছাড়া জাদু করার অভিযোগও করছি না। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, মানুষের মধ্যে অন্যের ক্ষতি করার ইচ্ছা যে থাকতে পারে, সেটা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
ছাত্রটির পরিবার প্রায় ছয় বছর ধরে তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাচ্ছিল। তার নাক দিয়ে বারবার রক্ত পড়ত। চিকিৎসা করানো হচ্ছিল, কিন্তু পরিবারের বর্ণনা অনুযায়ী, সমস্যাটি থেকে যাচ্ছিল।
একপর্যায়ে একজন হুজুর জানতে পারলেন, আমি রুকইয়াহ করি। এরপর সেই হুজুর ছাত্রটিকে নিয়ে আমার চেম্বারে আসেন।
আমি প্রথমে রুকইয়াহর মাধ্যমে বিষয়টি পরীক্ষা করি। তখন ছাত্রটির মধ্যে কিছু প্রতিক্রিয়া দেখতে পাই, যেটিকে আমি জিনের সমস্যা সক্রিয় হওয়ার লক্ষণ হিসেবে বুঝেছিলাম। এরপর যখন চূড়ান্তভাবে রুকইয়াহ শুরু করি, তখন একটি অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটে। যে ছেলেটির নাক দিয়ে রক্ত পড়ার ইতিহাস ছিল, রুকইয়াহ চলাকালে তার মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে।
ঘটনাটি দেখে তার পরিবারের সদস্যরা বিস্মিত হয়ে যান। কারণ, তারা জিন-জাদুর বিষয়টি আগে বিশ্বাস করতেন না। তাদের মনে প্রশ্ন জাগে, হুজুর, এমন ঘটনাও কি হতে পারে