আইনি পরামর্শ কেন্দ্র

আইনি পরামর্শ কেন্দ্র Getting remedy is your right.

11/12/2022

আইনি জিজ্ঞাসা
জামিন কীভাবে নেবেন?


আপনার বিরুদ্ধে আদালতে কোনো ব্যক্তি মামলা করেছে। সেই মামলায় আপনাকে আদালত থেকে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া অথবা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আপনি চিন্তিত হয়ে পড়েছেন, এখন কী করা যায়, তা ভেবে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত থেকে জামিন নিতে হবে। কিন্তু জামিন বিষয়টা অনেকেই জানেন না।

জামিন দুই ধরনের। একটি হলো আগাম জামিন, অন্যটি অন্তর্বর্তীকালীন।

আগাম জামিন : কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে আদালত থেকে যে জামিন নিয়ে থাকেন, সেটাকে আগাম জামিন বলা হয়।

অন্তর্বর্তীকালীন জামিন : কারাগারে আটক অবস্থায় মামলা নিষ্পত্তির আগপর্যন্ত যে জামিন নেওয়া হয়, তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বলা হয়।

যখন কোনো ব্যক্তির কাছে বিশ্বাস করার এমন কারণ থাকে যে তিনি কোনো জামিন অযোগ্য অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার হতে পারেন, তখন তিনি হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করলে ভবিষ্যতে গ্রেপ্তার করা থেকে বিরত রাখার জন্য আগাম জামিনের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

আগাম জামিন অনুমোদন করার জন্য আইনের বিধানে কোনো নির্দিষ্ট ধারা নেই।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারাকে ব্যাখ্যা করে পরবর্তীকালে আগাম জামিন দেওয়া অব্যাহত রাখেন আদালত। তাই আগাম জামিনের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।

এই ধারাবলে হাইকোর্ট বিভাগ যেকোনো ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন; এই অংশের ব্যাখ্যা দেন কেবল হাইকোর্ট বিভাগ।

আগাম জামিনের শুনানিতে যা উপস্থাপন করতে হয় : আগাম জামিন পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে আদালতের সামনে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি সরকারের বিরাগভাজন হয়ে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা করছেন। তাঁকে দেখাতে হবে যে রাষ্ট্রপক্ষ অসৎ উদ্দেশ্যে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে চায় এবং এতে করে তাঁর সুনাম এবং স্বাধীনতায় অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে।

অন্তর্বর্তীকালীন জামিন : কোনো ব্যক্তি পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর মামলা নিষ্পত্তির আগপর্যন্ত কারাগার থেকে বের হতে হলে তাঁকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে জামিনের জন্য কতগুলো ধাপ অতিক্রম করতে হয়। প্রথমে তাঁকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে আইনজীবীর মাধ্যমে তাঁকে জামিন আবেদন করতে হয়। জামিন নামঞ্জুর হলে দায়রা জজ এবং জেলা জজ আদালতে আসতে হয়। সেখানেও জামিন নামঞ্জুর হলে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করতে হয়। হাইকোর্টে জামিন নামঞ্জুর হলে সর্বশেষ ভরসা আপিল বিভাগের রায়ের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।

এর প্রতিটি ধাপের যেকোনো একটি আদালতে জামিন হলে তিনি কারাগার থেকে বের হতে পারবেন, যদি না এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ বা বিরোধী পক্ষ আপিল না করে।

করণীয়
মামলায় জড়ানোর পর জামিন পাওয়া প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার। তবে এর আগে আসামিকে প্রমাণ করতে হবে, তিনি একজন সম্মানিত ব্যক্তি।

উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে বা অসৎ উদ্দেশ্যে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বা হবে। তাই জামিন নেওয়া তাঁর একান্ত প্রয়োজন।

#জামিন #আইন #এডভোকেট #আইনজীবী #আদালত #পুলিশ

11/12/2022

বিশেষ বিবাহ আইন ১৮৭২।

বিবাহের মাধ্যমে একজন নারী ও পুরুষ সামাজিক ভাবে আইনগত স্বকৃীত অর্জন করে বৈধ ভাবে দাম্পত্য জীবন পরিচালনা কারার। বিবাহ একজন নারি ও পুরুষের সামাজিক মর্জদা দান করার পাশাপাশি একজন পুরুষের উপর নারীর অধিকার সৃষ্টি করে।
সাধারণত, যে যে ধর্মে বিশ্বাসী সে তার ধর্মের নির্দিষ্ট রীতিনীতি অনুযায়ী একজন আরেকজনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। অর্থাৎ, ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী মানুষ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী বিয়ে করবে এবং হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী মানুষ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন ২০১২ অনুযায়ী বিয়ে করবে।
কিন্তু এরকম অনেক সময় দেখা যায় যে এক ধর্মালম্বীর ছেলে বা মেয়ে অন্য আরেক ধর্মালম্বী ছেলে বা‌ মেয়ে-কে বিয়ে করতে চাচ্ছে তখন তাদের বিয়ে ক্ষেত্রে -
১) কোন আইন অবলম্বন করা হবে?
২) কার মাধ্যমে করানো হবে?
৩) তাদের সন্তানদের উত্তরাধিকারীত্ব কিভাবে নির্ধারন করা হবে?
৪) বিবাহ নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে করনীয় এবং
৫) বিবাহ বিচ্ছেদ এ করনীয়।
বাংলাদেশে বিশেষ বিবাহ অনুষ্ঠিত হয় 'বিশেষ বিবাহ আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী। কোন ভিন্ন ধর্মী বিদেশি নাগরিক এবং বাংলাদেশী নাগরিকের মধ্যে বিয়েও এই বিশেষ বিবাহ আইন অনুযায়ী হয়ে থাকে।

বিশেষ বিবাহের ক্ষেত্রে কোন আইনগত বাধা আছে কী?

না নেই কারন, জাতীসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকার সনদ- ১৯৪৮ এর ১৬ নম্বর আর্টিকেলে বলা আছে- দুইজন প্রাপ্ত বয়স্ক নারী-পুরুষের পারস্পারিক সম্পতিতে বিবাহ করার বা বিবাহ বিচ্ছেদ করার এবং পরিবার গঠনের অধিকার রয়েছে। এক্ষেত্রে ধর্ম, বর্ণ, বয়স,জাতীয়তা কোন কিছুই বাধা হবে না..
বিয়ের শর্তাবলী:--

বিশেষ বিবাহ আইনে বিয়ে করতে হলে ছেলে ও মেয়েকে অবিবাহিত থাকতে হবে। ছেলের বয়স কমপক্ষে ২১ বছর এবং মেয়ের বয়স ১৮ বছর হতে হবে। পক্ষগ প্রথমে বিশেষ বিবাহ নিবন্ধকের কাছে গিয়ে যেকোনো এক পক্ষ অপর পক্ষের কাছে বিয়ের জন্য লিখিত নোটিশ পাঠাবে। নিয়ম হচ্ছে, এ নোটিশ দেওয়ার ১৪ দিন পর বিয়ে সম্পাদন করতে হবে। এক পক্ষ নিবন্ধকের মাধ্যমে বিয়ের ১৪ দিন আগে অপর পক্ষকে নির্ধারিত আকারে নোটিশ না পাঠালে বিয়ে সম্পন্ন করা যাবে না। বিয়ের সময় অন্তত তিনজন সাক্ষী উপস্থিত থাকতে হবে। পাত্রপাত্রী সশরীরে উপস্থিত থেকে বিয়ে সম্পন্ন করতে হবে।
কার মাধ্যমে হবে.

বিয়েটি অবশ্যই বিশেষ বিবাহ নিবন্ধকের উপস্থিতিতে সম্পন্ন করতে হবে।
আইন মন্ত্রনায়লয় কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত অনেক স্পেশাল ম্যারিজ রেজিস্ট্রার আছেন, অনেক এডভোকেটও স্পেশাল ম্যারিজ রেজিস্টার হিসাবে তালিকাভুক্ত, বিয়ে সম্পন্ন হলে নিবন্ধক তা সরকারি ভলিউমে নিবন্ধন করবেন এবং একটি ম্যারিজ রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট প্রদান করবেন।

হলফনামা--

এই বিশেষ বিয়ের জন্য ছেলে-মেয়ে উভয়কে একটা হলফনামা দিতে হবে যে, তারা কোন ধর্মে বিশ্বাস করেন না। এই হলফনামা টি নোটারি পাবলিক দিয়ে সত্যায়িত করে নিয়ে স্পেশাল ম্যারিজ রেজিস্টারের নিকট যেতে হবে। এই হলফনামা ছাড়া বিশেষ বিবাহ সম্পন্ন হবে না। এখন এই হলফ নামার অর্থ কিন্তু এটা না যে তারা তাদের ধর্ম বিশ্বাস ত্যাগ করে নাস্তিক হয়ে গেল, এই হলফনামার অর্থ হল, শুধুমাত্র বিবাহের ক্ষেত্রে তারা তাদের ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী বিয়ে করবেন না.

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বা অন্যান্য প্রয়োজনে পুলিশ বিভিন্ন অভিযানে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আটক করে। তবে কোনো অভিযোগ ছাড়া ২৪ ঘণ্টার...
10/12/2022

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বা অন্যান্য প্রয়োজনে পুলিশ বিভিন্ন অভিযানে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আটক করে। তবে কোনো অভিযোগ ছাড়া ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় কাউকে আটক করে রাখতে পারে না। গ্রেফতার ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে ছেড়ে দিতে হয় বা কোনো আইনের আওতায় তাকে গ্রেফতার দেখাতে হয়। তবে বিনা কারণে বা কোনো কারণে যদি এরকম কোনো ঘটনার সম্মুখীন হন তাহলে আপনার কি করণীয়। জেনে নেয়া যাক তাৎক্ষণিক কি করতে পারেন আপনি।
পুলিশ গ্রেফতার করলে করণীয়-

- পুলিশের কাছে নাম, ঠিকানা ও পেশাসহ পরিচয় তুলে ধরতে হবে।

- পেশজীবী বা ছাত্র হলে পরিচয়পত্র প্রদর্শন করা যেতে পারে। এ কারণে সবসময় পরিচয়পত্র সাথে রাখা উচিত।

- এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পরিচিত আইনজীবীর ফোন নম্বর সাথে রাখা যেতে পারে এবং গ্রেফতারের পর দ্রুত আইনজীবীকে বিষয়টি জানিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা উচিত। অন্তত আত্মীয় বা বন্ধুকে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করা যেতে পারে।

- ঢাকায় গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে মিন্টো রোডের ডিবি অফিসে নেয়া হয়, আর যে কোনো থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে সংশ্লিষ্ট থানায় নেয়া হয়।

- গ্রেফতারের পর কাউকে লকআপে রাখার আগে তার বিভিন্ন জিনিসপত্র যেমন- কাগজ, মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সা ও ক্রেডিট কার্ড থাকলে তার কাছ থেকে নিয়ে নেয়া হয়। তবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার সেগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে আটক ব্যক্তির স্বাক্ষর নেয়। এই স্বাক্ষর দেয়ার সময় তালিকাটি পড়ে নেয়া উচিত।

- পুলিশ অফিসারের কাছে কোন বিবৃতি দিলে তা পাঠ করে বা বিবৃতির ভাষ্য অবগত হয়ে তাতে স্বাক্ষর করা উচিত।
- গ্রেফতারের পর আইনজীবী বা পরিবারের কাউকে গ্রেফতারের বিষয়টি জানাতে না পারলে আদালতে হাজির করার পর ম্যাজিস্ট্রেটকে সরাসরি বিষয়টি জানানো উচিত। এতে আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

- গ্রেফতারের পর কোনো পর্যায়ে নির্যাতনের শিকার হলে বা অসুস্থ হলে আদালতের মাধ্যমে বা নিজ উদ্যোগে মেডিকেল চেকআপ করিয়ে নেয়া যায়। চেকআপ করালে এ রিপোর্টটি সংগ্রহে রাখা উচিত। চেকআপকারী ডাক্তারের পরিচয় জেনে রাখা উচিত। কারণ তা পরবর্তীতে প্রয়োজন হতে পারে।

- পুরনো কোনো মামলায় গ্রেফতার হলে দ্রুত ওই মামলার নম্বরসহ কাগজপত্র নিয়ে আদালতে গিয়ে জামিন শুনানির চেষ্টা করা যেতে পারে।

- নতুন কোনো মামলায় বা কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার হলে একজন আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে জামিন শুনানির চেষ্টা করা যেতে পারে।

#পুলিশ #জেল #কারাগার #এডভোকেট #মামলা

কোর্ট ম্যারেজ কিএ হলফনামাটি ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখে নোটারি পাবলিক কিংবা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সা...
10/12/2022

কোর্ট ম্যারেজ কি

এ হলফনামাটি ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখে নোটারি পাবলিক কিংবা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে।

পারিবারিক আইন অনুযায়ী- প্রথমে রেজিস্টার্ড কাজী দ্বারা বিয়ে সম্পন্ন করতে হবে, এরপর স্বামী-স্ত্রী চাইলে এ হলফনামা করে রাখতে পারেন। পারিবারিক আইন অনুযায়ী বিয়ে না করে শুধু এ হলফনামা সম্পন্ন করা উচিত নয়।

মুসলিম আইনে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে বিয়ে সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়া উভয়কে অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে।

মুসলিম বিয়ে ও তালাক (নিবন্ধন) আইন অনুযায়ী, প্রতিটি বিয়ে অবশ্যই নিবন্ধন করতে হবে। কোর্ট ম্যারেজের পর হলফনামার সঙ্গে সব তথ্য ও তারিখ মিল রেখে কাজির সহযোগিতায় বিয়ের নিবন্ধন করতে হবে।

তাই কাছের মানুষকে আপন করে পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

নাহার কমপ্লেক্স,কোর্ট হাউজ স্ট্রিট।
ঢাকা জজ কোর্ট।



#আইনজীবী #আদালত #বিবাহ #বিয়ে #কোর্টম্যারেজ

10/12/2022

জাতীয় পরিচয় পত্রে অথবা পাসপোর্টে
নিজের নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, জন্মতারিখ, রক্তের গ্রুপ এ যদি কোন ভুল থেকে থাকে তবে তা খুব সহজেই এভিডেভিড এর মাধ্যমে সংশোধন করা যায়।

আইনগত পদ্ধতি অবলম্বন করে খুব সহজেই এগুলো সংশোধন করে নিতে পারবেন।

পদ্ধতি - আপনি যে জিনিসটি সংশোধন করতে চান, তার সাথে সম্পৃক্ত কাগজ-পত্র দাখিলের মাধ্যমে ভুলটি সংশোধন করা যায়।

সঠিক পন্হা অনুসরন করলে অযথা হয়রানি থেকে বাচা সম্ভব।

#আইন #এডভোকেট #আদালত

চেক ডিজঅনার মামলা করার পদ্ধতি কি?প্রথমে আপনাকে ব্যাংকে গিয়ে চেক ডিজঅনার করে নিয়ে আসতে হবে।এরপর চেকের টাকা পরিশোধের জন্...
12/11/2022

চেক ডিজঅনার মামলা করার পদ্ধতি কি?
প্রথমে আপনাকে ব্যাংকে গিয়ে চেক ডিজঅনার করে নিয়ে আসতে হবে।
এরপর চেকের টাকা পরিশোধের জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিন সময় দিয়ে উকিল নোটিশ বা লিগ্যাল নোটিশ দিতে হবে।
উকিল নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে, পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
আরো সহজ করে বলতে গেলে, চেক গ্রহীতা বা ধারক চেক ডিজঅনারের বিষয়টি জানার পর ১৩৮ ধারার বিধান মোতাবেক ৩০ দিন সময় দিয়ে টাকা পরিশোধের জন্য চেক দাতাকে নোটিশ দিবেন। ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতা চেকগ্রহীতাকে চেকে উল্লেখিত টাকা পরিশোধ করতে না পারলে তার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে চেকগ্রহীতা এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন।

#আইন #চেক #মামলা #আইনজীবী #কোর্ট

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ এর ১ উপধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো পুরুষ বিবাহবন্ধন ব্যতীত ১৬ বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারী...
12/11/2022

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ এর ১ উপধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো পুরুষ বিবাহবন্ধন ব্যতীত ১৬ বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তার সম্মতি ব্যতিরেকে কোন ভীতি প্রদর্শন করিয়া বা প্রতারণামূলকভাবে তার সম্মতি আদায় করিয়া অথবা ১৬ বৎসরের কম বয়সের কোন নারীর সহিত তার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনসঙ্গম করে তাহা হলে তিনি কোন নারীকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে’। অর্থাৎ ধর্ষণের সংজ্ঞা থেকে আমরা যা পাই তা হলো (১) ভিকটিমের বয়স ১৬ বছরের নিচে হতে হবে (২) তার যৌনকর্মে সম্মতি থাকলেও ধর্ষণ হিসেবে গণ্য হবে (৩) যিনি ওই ভিকটিমের সঙ্গে যৌনকর্ম করেছেন তিনি ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন। এবং এজন্য তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত হবেন।

#আইন #আইনজীবী #এডভোকেট #ধর্ষন

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইনি পরামর্শ কেন্দ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share