Softwere-Bd

Softwere-Bd We are the only trusted software for your organization. We are only a very small amount of software

19/08/2017

ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক
এক ব্যাংক ডাকাতের ফাঁসি হয়েছে। জেল কর্তৃপক্ষ তার শেষ ইচ্ছার কথা জানতে চাইলো।
ব্যাংক ডাকাত বললো, এই জীবনে বড় সখ ছিলো, দেশের রাষ্ট্রপতিকে সামনাসামনি দেখার। আমি ওনার থেকে জীবনভিক্ষা চাই না, শুধু চাই, ওনাকে একবার দেখতে।
রাষ্ট্রপতি অনুরোধ রাখলেন। ডাকাত রাষ্ট্রপতির দেখা পেলে ডাকাত তাঁকে জানালো, "হুজুর আমার তো ফাঁসি হয়ে যাচ্ছে। আমার কাছে একটা গাছের চারা ছিলো, যেটা রোপণ করলে অমর হওয়া যায়, চারাটা আপনাকে দিয়ে যেতে চাই"।
রাষ্ট্রপতি অনেক খুশি। বললেন ঠিক আছে, আমি কালকেই মন্ত্রীপরিষদের সবাইকে ডাকছি। আমি তাদের সামনেই এই চারা রোপণ করবো।
পরের দিন, মন্ত্রি পরিষদ হাজির। ডাকাত গাছের চারা নিয়েও হাজির। মাটি খুড়া হলো।
ডাকাত বললো, হুজুর একটা কথা ছিলো। মানে গাছটা যদি কোন অপবিত্র মানুষ রোপণ করে, তবে সে সাথে সাথেই মারা যাবে, আর যদি পবিত্র হাতে রোপণ করে তবে সে অমর হবে।
একথা শুনে রাষ্ট্রপতি ভিমড়ি খেলেন, তবে সামলে নিলেন নিজেকে। তিনি বললেন, "তাহলে মন্ত্রি পরিষদ থেকেই কেউ এই চারা রোপণ করুক, আমার মনে হচ্ছে, শিক্ষামন্ত্রী আপনি গাছটা রোপণ করতে পারেন"।
শিক্ষামন্ত্রী আসন্ন নিশ্চিত মৃত্যুর কথা ভাবতেই শিউরে উঠলো। সে বললো, "মাননীয় রাষ্ট্রপতি, দেখুন সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ঠান্ডারাখাসহ সবাইকে পাশ করাতে গিয়ে আমার একটু এদিক সেদিক করতে হয়েছে, আমার মনে হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই চারা রোপণের উপযুক্ত মানুষ, চারা সেই রোপণ করুক"।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এবার সামলে নিয়ে বললো, "দেখুন চোর ডাকাত সন্ত্রাসী সামলাতে সামলাতে আবার দলীয় ক্যাডারদের দলের কাজে রাখতে আমাকে অনেক এদিক সেদিক করতে হয়, আমার মনে হয়, যেহেতু অর্থমন্ত্রীর সরাসরি নাগরিকদের সাথে কাজ নেই, ওনার হাতই পবিত্র! "
অর্থমন্ত্রী সামলে নিয়ে বললেন, "দেখুন, আপনাদের প্রতিটা কাজেই দুইগুণ তিনগুণ বাজেট আমাকেই অনুমোদন করতে হয়, আমার মনে হয় একের পর এক সব মন্ত্রীকে প্রস্তাব না দিয়ে ধর্মমন্ত্রীকে এই কাজটি করতে দিলেই ভালো। ওনার হাত পবিত্র!"
রাষ্ট্রপতির এই প্রস্তাব পছন্দ হলো। তিনি ধর্মমন্ত্রীকেই সেই চারা গাছটি রোপণের নির্দেশ দিলেন!
ধর্মমন্ত্রী আমতা আমতা করতে করতে বললেন, "মাননীয় রাষ্ট্রপতি, দেখুন প্রতিবছর হজ্জের সময়েই এক দেড় হাজার কোটি টাকা এদিক সেদিক হয়, এছাড়া লাইসেন্স বাবদ আরও হাজার কোটি টাকা! আমাকে তো এসব করতেই হয়! আমাকে এই গাছের চারা রোপণ করা থেকে রেহাই দিন হুজুর"!
এবার রাষ্ট্রপতি ডাকাতকে বললেন, "আচ্ছা তুমিই গাছের চারাটি রোপণ করো"।
ডাকাত বললো, "হুজুর আমিতো ইতোমধ্যেই ফাঁসির আদেশপ্রাপ্ত, এই গাছ আমার রোপণ করা কি ঠিক হবে?"
রাষ্ট্রপতি এইবার ডাকাতকে বললে, "যাও তোমার ফাঁসির দণ্ড মাফ, তুমি আমার চোখ খুলে দিয়েছো, এখন মুক্ত হয়ে বাড়ি চলে যাও!"
এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, "মাননীয় রাষ্ট্রপতি, আপনি ক্ষমা করে দিয়েছেন, আর বলার কিছুই নাই। কিন্তু ও তো আমাদের সব খবর জেনে গেলো। ওকে তো মুক্তভাব ছাড়া ঠিক হবে না, বরং ক্রশফায়ার করে দেই!"
অর্থমন্ত্রী বললেন, "আমার মনে হয়, এই ডাকাতকে মন্ত্রী করে নিলেই ভালো! সব দিকই তাতে ঠিক হবে"!
শিক্ষামন্ত্রী বললেন, "না, না, ওর শিক্ষাগত যোগ্যতা কম, ওকে মন্ত্রী করা ঠিক হবে না!"
রাষ্ট্রপতি বললেন, "এর যেই বুদ্ধি আর কূটকৌশল - কীভাবে তোমাদের অপকর্মগুলো আমার সামনে স্বীকার করিয়ে নিলো! ওকেই আমার দরকার, আজ থেকে তাকে বিদেশমন্ত্রী হিসাবেই নিয়োগ দিচ্ছি! "

03/01/2017

সহযাত্রী ১: একটু আস্তে কথা বলুন-Please speak
a little quietly
সহযাত্রী ২: কেন? আপনার কি সমস্যা? -Why what’s
your problem?
সহযাত্রী ১: আমার সমস্যার কথা না হয় নাই বললাম-I
might have not said about my problem
আমার ছোট মেয়েটি ঘুমাচ্ছে- My little daughter
is sleeping
ও জেগে উঠলে আর ঘুম পারাতে পারবনা- If she
wakes up I cannot put her to sleep again
তাছাড়া বাসের মধ্যে একটু আস্তে কথা বলাই ভাল-
Furthermore It is better to speak a bit quietly in
the bus
আমার উপর রাগ কইরেন না ভাই- Don’t get angry
with me brother
সহযাত্রী ২: আসলেই আপনি ঠিকই বলেছেন-
Indeed, you are right
আমি বুঝতে পারিনি- I did not understand
আমারই ভুল হইছে-It’s my fault
আমি সত্যিই দু:খিত- I am really sorry

17/12/2016

শিক্ষক:তুমি কি কোন লোহার দোকানে
গিয়েছো? ছাত্রী:জি, গিয়েছি।
শিক্ষক:তা কিভাবে রাখা হয়?
ছাত্রী :খোলা মেলা।
শিক্ষক:তুমি কি রুপার দোকানে গিয়েছো?
ছাত্রী :হ্যাঁ গিয়েছি।
শিক্ষক:তা কিভাবে রাখা হয়?
ছাত্রী :সংরক্ষণ করে রাখা হয়।
শিক্ষক:তুমি কি স্বর্ণের দোকানে গিয়েছো?
ছাত্রী :জি হ্যাঁ গিয়েছি।
শিক্ষক:তা কিভাবে রাখা হয়?
ছাত্রী :তা রুপার চেয়েও বেশী সংরক্ষণ করে
রাখা হয়।
শিক্ষক:তুমি কি হীরার দোকানে গিয়েছো?
ছাত্রী :হ্যাঁ গিয়েছি।
শিক্ষক:তা কেমনে রাখা হয়?
ছাত্রী :তা স্বর্ণের চেয়েও বেশী গুরুত্ব
সহকারে ঢেকে রাখা হয়।
শিক্ষক:কেন জান?
ছাত্রী :কেননা তার দাম অত্যন্ত বেশী তাই।যেন
তাতে ময়লা না লাগে।
শিক্ষক মুচকি হেঁসে বললেন: ইসলামে মহিলাদের
মান ও সম্মান হীরার চেয়েও অনেক অনেক
বেশী। তাই তুমি পর্দায় থাকবে।
ছাত্রী :সর্ট ড্রেসে সমস্যা কি স্যার?!
শিক্ষক:যারা তোমাকে সর্ট ড্রেস পরতে বলছে,
তারা তোমাকে লোহার মত ব্যবহার করতে চাচ্ছে।
তারা তোমার শরীরে দাগ দেবে, ময়লা লাগাবে,
মরিচা ফেলবে। তারপর ছুড়ে ফেলে দেবে
ডাস্টবিনে।ওরা কোনদিন তোমাকে সৌন্দর্যময়
হীরা ভাববে না, বরং ভাববে ব্যবহারেরর লোহা। যা
সাময়িক ব্যবহারের পর ফেলে দেবে। তাই একটু
বিবেক বুদ্ধি দিয়ে ভেবে দেখ, তোমার মান
সম্মান ও ভবিষ্যৎ এর কথা । মনে রাখবে এই দুনিয়াই
কিন্তু শেষ নয়, আখিরাত বলেও কিছু একটা আছে।

16/12/2016
24/11/2016

►কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে ২৮,০০০
গুণ বেশি ।,
:
▬►প্রাণীদের মধ্যে বিড়ালই সবচেয়ে বেশি
ঘুমায় (দৈনিক ১৮ঘন্টা) ।
:
▬►একমাত্র স্ত্রী মশাই মানুষের রক্ত খায়।
:
▬►মাছি মিনিটে ৮ কিলোমিটার উড়তে
পারে ।
:
▬►পুরুষ ব্যাঙই বর্ষকালে ডাকে,আর তা শুনে
কাছে আসে স্ত্রী ব্যাঙ ।
:
▬►হামিং বার্ড পাখি পিছনের দিকে
উড়তে পারে ।
:
▬►গিরগিটি একই সময়ে তার চোখ দুটি দুই
দিকেই নাড়তে পারে ।
:
▬►টিকটিকি এক সঙ্গে ৩০টি ডিম পাড়ে ।
:
▬►মাছ চোখ খোলা রেখে ঘুমায় ।
:
▬►একমাএ পিঁপড়েই কোনদিন ঘুমায় না
:
▬► সিডকা পোকা একটানা ১৭ বছর মাটির
নিচে ঘুমায় । তারপর মাটি থেকে বেড়িয়ে
এসে চিতকার করতে করতে ৩ দিনের মাথায়
মারা যায় ।
:
▬►সিংহের গর্জন ৫ মাইল দূর থেকেও শোনা
যায়।
:
▬►অনেকের ধারণা হাঙ্গর মানুষকে হাতের
কাছে পেলে মেরে ফেলে। কিন্তু মানুষের
হাতেই বেশী হাংগর মারা পড়েছে।
:
▬►কাচ আসলে বালু থেকে তৈরী।
:
▬►আপনি প্রতিদিন কথা বলতে গড়ে ৪৮০০টি
শব্দ ব্যবহার করেন। বিশ্বাস না হলে
পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
:
▬►আপনি ৮ বছর ৭ মাস ৬ দিন একটানা
চিৎকার করলে যে পরিমান শক্তি খরচ হবে
তা দিয়ে এক কাপ কফি অনায়েসে বানানো
যাবে।
:
▬►একটি রক্ত কনিকা আমাদের পুরো দেহ
ঘুরে আসতে সময় নেয় ২২ সেকেন্ড।
:
▬►আপনার যদি একটা তারকা গুনতে ১
সেকেন্ড সময় লাগে তাহলে একটি
গ্যালাক্সির সব তারকা গুনতে সময় লাগবে
প্রায় ৩ হাজার বছর।
:
▬►অনেকের ধারণা শামুকের দাঁত নেই। অথচ
শামুকের ২৫ হাজার দাঁত আছে।
▬►চোখ খুলে হাঁচি দেয়া সম্ভব না।
:
▬►বিড়াল ১০০ রকম শব্দ করতে পারে অথচ
কুকুর পারে ১০ রকম।
:
▬►পৃথিবীর প্রাণীদের মধ্যে ৮০ ভাগই
পোকামাকড়।
:
▬►একটি তেলাপোকা তার মাথা ছাড়া ৯
দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এরপর
তারা সাধারণত খাদ্যাভাবে মারা যায়|

23/11/2016

রোহিঙ্গাদের একাল-সেকাল
রাখাইনে দু’টি সম্প্রদায়ের বসবাস ‘মগ’ ও
‘রোহিঙ্গা’। মগরা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। ‘মগের
মুল্লুক’ কথাটি বাংলাদেশে পরিচিত। একসময়
তাদের দৌরাত্ম্য ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছেছিল।
মোগলরা তাদের তাড়িয়ে দেয়।
১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি মায়ানমার
স্বাধীনতা অর্জন করে এবং বহুদলীয়
গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু হয়। সে সময়
পার্লামেন্টে রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিত্ব
ছিল। এ জনগোষ্ঠীর কয়েকজন সরকারি বড়
দায়িত্বও পালন করেছেন; কিন্তু ১৯৬২ সালে
জেনারেল নে উইন রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করলে
রোহিঙ্গাদের জন্য শুরু হয় দুর্ভোগের নতুন
অধ্যায়।
সামরিক জান্তা তাদের ‘বিদেশি’ হিসেবে
চিহ্নিত করে। নাগরিক অধিকার থেকে
বঞ্চিত করে ভোটাধিকার কেড়ে নেয়।
ধর্মীয়ভাবেও অত্যাচার করা হতে থাকে।
নামাজ আদায়ে বাধা দেয়া হয়। হত্যা-ধর্ষণ
হয়ে পড়ে নিয়মিত ঘটনা। সম্পত্তি জোর করে
কেড়ে নেয়া হয়। বাধ্যতামূলক শ্রমে
নিয়োজিত করা হতে থাকে। তাদের শিক্ষা-
স্বাস্থ্যসেবা নেয়ার সুযোগ নেই। বিয়ে
করার অনুমতি নেই। সন্তান হলে নিবন্ধন নেই।
জাতিগত পরিচয় প্রকাশ করতে দেয়া হয় না।
সংখ্যা যাতে না বাড়ে, সে জন্য আরোপিত
হয় একের পর এক বিধিনিষেধ।
১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের ফলে
রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হন।
তারা সরকারি অনুমতি ছাড়া ভ্রমণ করতে
পারেন না, জমির মালিক হতে পারেন না
এবং দুটির বেশি সন্তান না নেয়ার
অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করতে হয়।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দেয়া তথ্য
অনুসারে, ১৯৭৮ সাল থেকে মায়ানমারের
মুসলিম রোহিঙ্গারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের
শিকার এবং বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে
বাধ্য হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের চলাচলের
স্বাধীনতা ব্যাপকভাবে নিয়ন্ত্রিত এবং
তাদের বেশির ভাগের নাগরিকত্ব বাতিল
করা হয়েছে। তাদের ওপর অবৈধ কর চাপিয়ে
দেয়া হয়েছে। তাদের জমি জবরদখল,
জোরপূর্বক উচ্ছেদ, ঘরবাড়ি ধ্বংস করা এবং
বিয়ের ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ চাপিয়ে
দেয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের রাস্তার কাজে
ও সেনাক্যাম্পে বাধ্যতামূলক শ্রমিকের কাজ
করতে হচ্ছে।
১৯৭৮ সালে সেনাবাহিনীর
‘নাগামান’ (ড্রাগন রাজা) অভিযানের ফলে
প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে
পালিয়ে আসে। এই সেনা অভিযান
বেসামরিক রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চলছিল
এবং ফলে ব্যাপক হত্যা, ধর্ষণ ও মসজিদ
ধ্বংসের ঘটনা ঘটে।
১৯৯১-৯২ সালে নতুন দাঙ্গায় প্রায় আড়াই লাখ
রোহিঙ্গা বাংলাদেশে চলে আসে।
১৬৬০ সালে জালিম রাজা থান্দথুধম্মা
আরাকান রাজ্যে আশ্রিত মোগল সম্রাট
শাহজাদা সুজাকে সপরিবারে হত্যা করে।
এরপর শুরু হয় মুসলমানের ওপর অত্যাচার-
নিপীড়ন। প্রায় সাড়ে ৩০০ বছর মুসলমানদের
কাটাতে হয় এই দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে।
১৭৮০ সালে বর্মি রাজা বোধাপায়া
আরাকান দখল করে নেয়। সে ঢালাওভাবে
মুসলিম নিধন করতে থাকে। ১৮২৮ সালে
মায়ানমার ইংরেজদের শাসনে চলে যায়।
১৯৩৭ সালে মায়ানমার স্বায়ত্তশাসন লাভের
পর বৌদ্ধদের পরিকল্পিত সাম্প্রদায়িক
দাঙ্গা ব্যাপক রূপ নেয়। তারা প্রায় ৩০ লাখ
মুসলিম হত্যা করে বলে অভিযোগ পাওয়া
যায়। ১৯৪৮ সালে মায়ানমার স্বাধীনতা লাভ
করে; কিন্তু মুসলিম জনগোষ্ঠীর ভাগ্যের
পরিবর্তন ঘটেনি। স্বাধীন দেশের সরকার
তাদেরকে নাগরিকত্ব দূরে থাক, মানবিক
অধিকারটুকুও দেয়নি।
নাসাকা বাহিনী ও সন্ত্রাসী বৌদ্ধদের
হামলার শিকার হয়ে রোহিঙ্গা মুসলিমরা
পাশের বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয়
নিতে বাধ্য হয়েছেন। এরা বিশ্বের
রাষ্ট্রহীন নাগরিক। ১৯৮২ সালে
মায়ানমারের সরকার রোহিঙ্গা মুসলিমদের
নাগরিকত্ব বাতিল করে দেয় এবং তাদেরকে
শুধু ‘বসবাসকারী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তাদের নেই নাগরিক অধিকার কিংবা
সাংবিধানিক ও সামাজিক অধিকার। তারা
মায়ানমারের অন্য প্রদেশে অনুমতি ছাড়া
যেতে পারে না। একসময় যেখানে
রোহিঙ্গারা ছিল সংখ্যাগুরু, রাখাইন (মগ
সন্ত্রাসী) বৌদ্ধদের সেখানে এনে তাদের
সংখ্যালঘু বানানো হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, এরা
বাংলাদেশ থেকে আগত । সরকার তাদের
ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়, যাতে করে
তারা দেশ ছেড়ে পালায় অথবা দাসত্ব
স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়। এদের এ নাজুক
পরিস্থিতি দেখে মেডিসিনস স্যান
ফ্রন্টিয়ারস বলেছেন, পৃথিবী থেকে
বিলুপ্তপ্রায় আদিগোষ্ঠীর তালিকায় ভয়াবহ
অবস্থানে রয়েছে রোহিঙ্গারা।’ ৬২ সালের
পর রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীসহ মায়ানমারের সব
মিলিয়ে ১৩৫টি আদিবাসী গোষ্ঠীর ওপর
নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে চলেছে।
সাম্প্রতিক দাঙ্গার পরিপ্রেক্ষিতে
মায়ানমারের ‘দ্য ভয়েস’ নামক সাময়িকীতে
একজন বর্মি পাঠক লিখেছে, ‘আমাদের উচিত
‘কালারস’ হত্যা অথবা ধ্বংস করা, তা না হলে
এ দেশ থেকে বৌদ্ধ ধর্মের অস্তিত্ব মুছে
যাবে।’ রোহিঙ্গাদের এভাবে চিহ্নিত করা
হয়েছে মায়ানমার বিদ্বেষী ও বৌদ্ধদের
শত্রু হিসেবে। শুধু তাই নয়, জাতীয়তার প্রশ্নে
তাদের গণনায় ধরা হয় না।
প্রায় তিন লাখ শরণার্থী রোহিঙ্গা বাস
করছে বাংলাদেশে; কিন্তু এরা
বাংলাদেশি নাগরিক নয়, তা আন্তর্জাতিক
ভাবেও স্বীকৃত। সরকারের পক্ষ থেকে
তাদের চলে যেতে জোর তাগিদ দেয়া হচ্ছে;
কিন্তু মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতার
ডিঙিয়ে তারা নিজ দেশে ফিরতে পারছে
না।
সপ্তদশ ১৭০০ শতকের সময় এশিয়ার বিখ্যাত
বাণিজ্যনগরী বলে পরিচিত আরাকানের
এমরায়ুক ইউ শহরের স্বাধীন সুলতান ছিলেন
একজন মুসলমান। এ থেকে বোঝা যায়,
রোহিঙ্গা ও দেশটির অন্য মুসলমানেরা
মায়ানমারে ভুঁইফোড় অধিবাসী নয়; কিন্তু
উগ্রবাদী বৌদ্ধরা সে দেশ থেকে
মুসলমানদের নির্মূল বা উৎখাত করতে চায়।
তাদের সে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই
বিভিন্ন অজুহাতে রোহিঙ্গা মুসলমানদের
ওপর হত্যাযজ্ঞ চালানো হচ্ছে।

মাত্র ২ হাজার টাকায় আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইট বানিয়ে নিন। visit www.softwerebd.com
18/11/2016

মাত্র ২ হাজার টাকায় আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েব
সাইট বানিয়ে নিন। visit www.softwerebd.com

Experience is a free, fully standards-compliant CSS template designed by Free CSS Templates. This free template is released under a Creative Commons Attributions 2.5 license, so you're pretty much free to do whatever you want with it (even use it commercially) provided you keep the links in the foot...

আমরাই আপনাকে আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েব সাইট বানিয়ে দিব যার বিনিময়ে কোন টাকা দিতে হবে না।আপনার যে কোন ওয়েব সাইটের জন্য...
14/11/2016

আমরাই আপনাকে আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েব সাইট বানিয়ে দিব যার বিনিময়ে কোন টাকা দিতে হবে না।
আপনার যে কোন ওয়েব সাইটের জন্য যোগাযোগ করুন 01736916753
www.softwerebd.com

08/11/2016

শুদ্ধরীতিতে বাংলা নামের ইংরেজী
বানান বর্ণ সমূহঃ-
→ ক- Ka, খ-Kha, গ-Ga, ঘ- Gha, ঙ- M,
→ চ-cha, ছ- Chha, জ-Ja/Za, ঝ-Jha ঞ-n,
→ ট-Ta, ঠ-Tha, ড- Da, ড়-r, ঢ-Dha, ঢ়-r, ণ-n,
→ ত-Ta, থ- Tha, দ-Da, ধ- Dha, ন-Na,
→ প-Pa, ফ-Fa, ব-Ba, ভ-Va/Bha, ম-Ma,
→ য-Za, য়-y, র-Ra, ল-La, শ-Sha, ষ-Sha, স-S, হ-Ha
→ অ-A, অা-A, ই-I, ঈ-E, উ-U, ঊ-U, ঋ-Wri, এ-E, ঐ-
Oi, ও-W, ঔ-Ow
>>>যুক্তবর্ণ সমূহ

07/11/2016

মোবাইল হ্যাং হওয়ার কারন ও সমাধান টিপ্স

বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিষ্টেমের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। কিন্তু মাঝে মাঝে এই প্রিয় অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করতে গিয়ে আমরা কিছু সমস্যায় ভুগি। সেই সব প্রাধান সমস্যার গুলির মধ্যে একটি হল মোবাইল হ্যাং হয়ে যাওয়া । কিছু পদ্ধতি আনুসরন করলে আমরা এর থেকে মুক্তি পেতে পারি। তার আগে চলুন জেনে নিই আমাদের মোবাইল কেন হ্যাং হয়।

মোবাইল হ্যাং হওয়ার কারনঃ
১. অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল হ্যাং হয়ে যাওয়ার প্রাধান কারন দেখা গেছে এর মোবাইল স্পেস। অর্থাৎ আপনি যখন একই সময়ে অনেক গুলি আপ্লিকেশন ব্যবহার করেন তখন প্রয়োজনের তুলনায় মেমরি (RAM) কম হলে মোবাইল হ্যাং হতে পারে।
২. যদি আমরা মেমোরি কার্ড (Memory card /External Memory) এর পরিবর্তে ফোন মেমরিতে (Internal Memory/ROM) যথেচ্ছ পরিমানে অ্যাপ্লিকেশন ইনষ্টল (Install) করি তবে রোম (ROM) এর ঘাটতির কারনে ফোন হ্যাং হতে পারে।
৩. যদি cookies, caches, log files. না পরিষ্কার করা হয়। তবে এগুলি মেমরি জ্যাম করে মোবাইল হ্যাং হওয়ার ক।রন হয়ে দাড়ায়।
৪. মোবাইল এর মেমরির তুলনায় ভারি অ্যাপলিকেশন, গেম চালালে মোবাইল হ্যাং হয়।

সমাধানঃ
১. কোন কিছু ইনষ্টল (Install ) করতে চাইলে চেষ্টা করুন মেমোরি কার্ডে ইনষ্টল (Install ) করার। অর্থাৎ ফোন মেমরিকে যতটা সম্ভব ফাঁকা রাখার।
২. যে অ্যাপ গুলি ব্যবহার করেন না তা আনইনষ্টল(Uninstall) করেদিন।
৩. আপনার মোবাইল এর মেমরি (RAM) যদি কম থাকে তবে কখনই ভারি অ্যাপলিকেশন চালাবেন না।
৪. লক্ষ রাখুন একই সঙ্গে অনেক অ্যাপলিকেশন চলছে কিনা।
৫. অ্যাপ বন্ধ করে মেমরি (RAM) ফাঁকা রাখতে “Advanced task killer”, “Easy task killer” ব্যবহার করতে পারেন।

মোবাইল হ্যাং করলে যা করনীয়

মোবাইল ফোনের ওপর মানুষের নির্ভরতা এতটাই বেড়েছে যে, এখন এই যন্ত্র ছাড়া কেউ এক দিন পার করার চিন্তাও করতে পারেন না। মোবাইল ফোন যদি কিছুক্ষণ ঠিকমতো কাজ না করে, এতে অনেকে অধৈর্য হয়ে পড়েন। মোবাইল ফোন একটানা ব্যবহার করতে করতে কখনো তা ‘হ্যাং’ বা অচল হয়ে যেতে পারে। সাধারণত বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন, গেম ও ভিডিও মেমোরি ফোনের অনেক জায়গা দখল করে নিলে মোবাইল ফোন ‘হ্যাং’ হতে শুরু করে।

গুগলের নতুন অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যার মার্সম্যালোচালিত ফোন ব্যবহারকারীরা সহজেই তাঁদের অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মেমোরি ও র‍্যামে কতখানি জায়গা খালি আছে তা দেখে নিতে পারেন। ফোন যদি হ্যাং করে তবে তা দূর করার জন্য যা করতে পারেন:
১. ফোনের সেটিং অপশনে যান এবং সেখান থেকে মেমোরি কতখানি আছে তা দেখে নিতে পারেন। ভিডিও, ছবি ও অ্যাপ কতখানি মেমোরি দখল করেছে তা পরীক্ষা করে দেখুন।
২. অ্যাপ অপশন থেকে মেমোরি ব্যবহারের অপশনটি নির্বাচন করুন। ফোন বা এসডি কার্ডে অ্যাপস ঠিক কতখানি জায়গা নিয়েছে তার বিস্তারিত জানা যাবে।
৩. কোনো অ্যাপ যদি অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে, তা আনইনস্টল করে দিতে পারেন। এ ছাড়া অপ্রয়োজনীয় ছবি বা ভিডিও মুছে মেমোরি ফাঁকা করে দিলে ফোনের ‘হ্যাং’ সমস্যা দূর হবে।

admin(A)

Address

Cumilla
3571

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Softwere-Bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share