Rural Online & Outsourcing Training Services

Rural Online & Outsourcing Training Services গ্রাম-গঞ্জে আউটসোর্সিং ও তথ্য-প্রযুক? গ্রাম-গঞ্জে আউটসোর্সিং ও তথ্য-প্রযুক্তি পেশাকে ছড়িয়ে দেয়া এবং এ পেশা/কাজ সম্পর্কে পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

রামাদান মুবারক
23/03/2024

রামাদান মুবারক

12/03/2024
10/09/2023

মিঠামাইন হাওর ট্যুর

04/08/2023

ROOTS
কত স্বপ্ন ছিলো

প্রয়োজনীয় #ভারতীয়ভিসা
24/05/2023

প্রয়োজনীয়
#ভারতীয়ভিসা

29/04/2023

কুরুলুস উসমান এক দারুণ তুর্কী সিরিজ

তুর্কী সিরিজ বাংলা

আপনার হয়ে লিখে দিচ্ছে AI, ছবি এঁকে দিচ্ছে AI, শুধু তাই নয়… আপনার পক্ষে কোর্টে আইনগতভাবে লড়ছেও এই AI তথা আর্টিফিশিয়াল ইন্...
25/03/2023

আপনার হয়ে লিখে দিচ্ছে AI, ছবি এঁকে দিচ্ছে AI, শুধু তাই নয়… আপনার পক্ষে কোর্টে আইনগতভাবে লড়ছেও এই AI তথা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। বর্তমানে আপনি যে সেক্টরেই কাজ করেন না কেনো; আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে আপনি উপকৃত হবেনই।

আসুন জেনে নিই বর্তমানের সেরা ১০টি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ওয়েবসাইট সম্পর্কে :

1. ChatGPT: বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্লাটফর্ম। এটি একটি ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং মডেল। আপনাকে কঠিন কঠিন জিনিস সহজেই লিখে দেবে।
Link: https://chat.openai.com/chat

2. Midjourney: আপনার লিখিত কমান্ড অনুসরণ করে ছবি তৈরি করে দেবে।
Link: https://www.midjourney.com/home

3. DALL·E: কমান্ড থেকে ছবি তৈরির আরেকটি জনপ্রিয় AI প্লাটফর্ম।
Link: https://openai.com/dall-e-2/

4. Krisp: ভয়েস থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েস, ইকো, মুছে দিয়ে সেটিকে পরিষ্কার সাউন্ডে রুপান্তর করে।
Link: https://krisp.ai/

5. Cleanvoice: পডকাস্ট এপিসোড এডিট করে।
Link: https://cleanvoice.ai/

6. Podcastle: রেকর্ড করা ভয়েসকে স্টুডিও কোয়ালিটি ভয়েসে রুপান্তর করে।
Link: https://podcastle.ai/

7. Flair: ব্র্যান্ডেড কন্টেন ডিজাইন করে।
Link: https://flair.ai/

8. Illustroke: ভেক্টর ইমেজ তৈরি করে।
Link: https://illustroke.com/

9. Patterned: যারা প্যাটার্ন তৈরি করেন তাদের জন্য উপকারি।
Link: https://www.patterned.ai/

10. Stockimg: সার্চ করে খুঁজে নিতে পারবেন মনের মতো স্টক ইমেজ।
Link: https://stockimg.ai/

♠কবি আল মাহমুদ ও একটি কবিতাআমাদের মিছিল-আল মাহমুদআমাদের এ মিছিল নিকট অতীত থেকে অনন্তকালের দিকেআমরা বদর থেকে ওহুদ হয়ে এখ...
21/03/2023

♠কবি আল মাহমুদ ও একটি কবিতা

আমাদের মিছিল
-আল মাহমুদ

আমাদের এ মিছিল নিকট অতীত থেকে অনন্তকালের দিকে
আমরা বদর থেকে ওহুদ হয়ে এখানে,
শত সংঘাতের মধ্যে এ কাফেলায় এসে দাঁড়িয়েছি।

কে প্রশ্ন করে আমরা কোথায় যাবো?
আমরা তো বলেছি আমাদের যাত্রা অনন্ত কালের।
উদয় ও অস্তের ক্লান্তি আমাদের কোনদিনই বিহবল করতে পারেনি।

আমাদের দেহ ক্ষত-বিক্ষত,
আমাদের রক্তে সবুজ হয়ে উঠেছিল মূতার প্রান্তর।
পৃথিবীতে যত গোলাপ ফুল ফোটে তার লাল বর্ণ আমাদের রক্ত,
তার সুগন্ধ আমাদের নিঃশ্বাসবায়ু।

আমাদের হাতে একটিমাত্র গ্রন্থ আল কুরআন,
এই পবিত্র গ্রন্থ কোনদিন, কোন অবস্থায়, কোন তৌহীদবাদীকে থামতে দেয়নি।
আমরা কি করে থামি?
আমাদের গন্তব্য তো এক সোনার তোরণের দিকে যা এই ভূ-পৃষ্ঠে নেই।

আমরা আমাদের সঙ্গীদের চেহারের ভিন্নতাকে গ্রাহ্যের মধ্যে আনি না,
কারন আমাদের আত্মার গুন্জন হু হু করে বলে
আমরা একআত্মা, এক প্রাণ।
শহীদের চেহারার কোন ভিন্নতা নেই।
আমরা তো শাহাদাতের জন্যই মায়ের উদর থেকে পৃথিবীতে পা রেখেছি।

কেউ পাথরে, কেউ তাঁবুর ছায়ায়, কেই মরুভূমির উষ্ববালু কিংবা সবুজ কোন ঘাসের দেশে চলছি।
আমরা আজন্ম মিছিলেই আছি,
এর আদি বা অন্ত নেই।
পনের শত বছর ধরে সভ্যতার উথ্থান-পতনে আমাদের পদশব্দ একটুও থামেনি।

আমাদের কত সাথীকে আমরা এই ভূ-পৃষ্ঠের কন্দরে কন্দরে রেখে এসেছি-
তাদের কবরে ভবিষ্যতের গুন্জন একদিন মধুমক্ষিকার মত গুঞ্জন তুলবে।
আমরা জানি,
আমাদের ভয় দেখিয়ে শয়তান নিজেই অন্ধকারে পালিয়ে যায়।

আমাদের মুখয়বয়ে আগামী ঊষার উদয়কালের নরম আলোর ঝলকানি।
আমাদের মিছিল ভয় ও ধ্বংসের মধ্যে বিশ্রাম নেয়নি, নেবে না।

আমাদের পতাকায় কালেমা তাইয়্যেবা,
আমাদের এই বাণী কাউকে কোনদিন থামতে দেয়নি
আমরাও থামবো না।

সংক্ষিপ্ত জীবনী:
♣প্রারম্ভিক জীবন:
আল মাহমুদ ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।তার পিতৃপ্রদত্ত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। তার পিতার নাম মীর আবদুর রব ও মাতার নাম রওশন আরা মীর। তার দাদার নাম আব্দুল ওহাব মোল্লা যিনি হবিগঞ্জ জেলায় জমিদার ছিলেন।
কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার সাধনা হাই স্কুল এবং পরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড হাই স্কুলে পড়ালেখা করেন। মূলত এই সময় থেকেই তার লেখালেখির শুরু। আল মাহমুদ বেড়ে উঠেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। তিনি মধ্যযুগীয় প্রণয়োপাখ্যান, বৈষ্ণব পদাবলি, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল প্রমুখের সাহিত্য পাঠ করে ঢাকায় আসার পর কাব্য সাধনা শুরু করেন এবং ষাট দশকেই স্বীকৃতি ও পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন।

♣কর্মজীবন:
সংবাদপত্রে লেখালেখির সূত্র ধরে ১৯৫৪ সালে মাহমুদ ঢাকা আগমন করেন। সমকালীন বাংলা সাপ্তাহিক পত্র/পত্রিকার মধ্যে কবি আব্দুর রশীদ ওয়াসেকপুরী সম্পাদিত ও নাজমুল হক প্রকাশিত সাপ্তাহিক কাফেলা পত্রিকায় লেখালেখি শুরু করেন। পাশাপাশি তিনি দৈনিক মিল্লাত পত্রিকায় প্রুফ রিডার হিসেবে সাংবাদিকতা জগতে পদচারণা শুরু করেন। ১৯৫৫ সাল কবি আব্দুর রশীদ ওয়াসেকপুরী কাফেলা পত্রিকার চাকরি ছেড়ে দিলে তিনি সেখানে সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন।

১৯৭১ সালে তিনি ভারত গমন করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। যুদ্ধের পরে দৈনিক গণকণ্ঠ নামক পত্রিকায় প্রতিষ্ঠা-সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। সম্পাদক থাকাকালীন এ সময় সরকারের বিরুদ্ধে লেখার কারণে এক বছরের জন্য কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়।

১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি গল্প লেখার দিকে মনোযোগী হন। ১৯৭৫ সালে তার প্রথম ছোটগল্প গ্রন্থ পানকৌড়ির রক্ত প্রকাশিত হয়। পরে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে শিল্পকলা একাডেমীর গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের সহপরিচালক পদে নিয়োগ দেন। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর তিনি পরিচালক হন। পরিচালক হিসেবে ১৯৯৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন।

♣সাহিত্যজীবন:
১৯৫৪ সাল অর্থাৎ ১৮ বছর বয়স থেকে তার কবিতা প্রকাশ পেতে থাকে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত সমকাল পত্রিকা এবং কলকাতার নতুন সাহিত্য, চতুষ্কোণ, ময়ূখ ও কৃত্তিবাস ও বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত 'কবিতা' পত্রিকায় লেখালেখির সুবাদে ঢাকা-কলকাতার পাঠকদের কাছে তার নাম পরিচিত হয়ে ওঠে এবং তাকে নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত হয়। কাব্যগ্রন্থ লোক লোকান্তর (১৯৬৩) সর্বপ্রথম তাকে স্বনামধন্য কবিদের সারিতে জায়গা করে দেয়। এরপর কালের কলস (১৯৬৬), সোনালি কাবিন (১৯৭৩), মায়াবী পর্দা দুলে উঠো (১৯৭৬) কাব্যগ্রন্থগুলো তাকে প্রথম সারির কবি হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করে। ১৯৯৩ সালে বের হয় তার প্রথম উপন্যাস কবি ও কোলাহল।

তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার নগরকেন্দ্রিক প্রেক্ষাপটে ভাটি বাংলার জনজীবন, গ্রামীণ আবহ, নদীনির্ভর জনপদ, চরাঞ্চলের জীবনপ্রবাহ এবং নরনারীর চিরন্তন প্রেম-বিরহকে তার কবিতায় অবলম্বন করেন। নারী ও প্রেমের বিষয়টি তার কবিতায় ব্যাপকভাবে এসেছে। উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী হিসেবে নারীর যৌনতা, আকাঙ্ক্ষা ও ভোগের লালসাকে তিনি শিল্পের অংশ হিসেবেই দেখিয়েছেন।আধুনিক বাংলা ভাষার প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততায় আঞ্চলিক শব্দের প্রয়োগ তার অনন্য কীর্তি।

১৯৬৮ সালে ‘লোক লোকান্তর’ ও ‘কালের কলস’ নামে দুটি কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।তার সবচেয়ে সাড়া জাগানো সাহিত্যকর্ম সোনালি কাবিন। ১৯৭০-এর দশকের শেষার্ধ তার কবিতায় বিশ্বস্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস উৎকীর্ণ হতে থাকে; এর জন্য তিনি প্রগতিশীলদের সমালোচনার মুখোমুখি হন। ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম উপন্যাস “কবি ও কোলাহল”। কোনো কোনো তাত্ত্বিকের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিশ্বাসগ্রস্ততার কারণে তার বেশকিছু কবিতা লোকায়তিক সাহিত্যদর্শন দৃষ্টান্তবাদ দ্বারা অগ্রহণযোগ্য। তবে একথাও সত্য, কবিতায় দর্শন থাকে, কিন্তু দর্শন দ্বারা কবিতা নিয়ন্ত্রিত নয়, কবিতা আবেগের কারবার।

♣ কামেল পীরের হাতে বায়াত গ্রহণ:
১৯৮০ ঈসায়ীতে কবি আল মাহমুদ বায়তুশ শরফের পীর আল্লামা শাহ আবদুল জব্বার রাহ. এর হাতে বায়াত গ্রহণ করে মুরিদ হন। এরপর থেকে তিনি ইসলামি ভাবধারার অনেক গল্প-কবিতা গ্রন্থকারে রচনা করেন।

♣উল্লেখযোগ্য প্রকাশিত গ্রন্থ:
→লোক লোকান্তর (১৯৬৩)
→কালের কলস (১৯৬৬)
→সোনালী কাবিন (১৯৭৩)
→মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো (১৯৭৬)
→আরব্য রজনীর রাজহাঁস
→বখতিয়ারের ঘোড়া
→অদৃশ্যবাদীদের রান্নাবান্না
→Selected Poems - Al Mahmud (১৯৮১)
→দিনযাপন
→দ্বিতীয় ভাঙ্গন
→একটি পাখি লেজ ঝোলা
→পাখির কাছে ফুলের কাছে
→আল মাহমুদের গল্প
→গল্পসমগ্র
→প্রেমের গল্প
→যেভাবে বেড়ে উঠি
→কিশোর সমগ্র
→কবির আত্নবিশ্বাস
→কবিতাসমগ্র
→কবিতাসমগ্র-২
→পানকৌড়ির রক্ত
→সৌরভের কাছে পরাজিত
→গন্ধ বণিক
→ময়ূরীর মুখ
→না কোন শূন্যতা মানি না
→নদীর ভেতরের নদী
→পাখির কাছে , ফুলের কাছে
→প্রেম ও ভালোবাসার কবিতা
→প্রেম প্রকৃতির দ্রোহ আর প্রার্থনা কবিতা
→প্রেমের কবিতা সমগ্র
→উপমহাদেশ
→বিচূর্ণ আয়নায় কবির মুখ
→উপন্যাস সমগ্র-১
→উপন্যাস সমগ্র-২
→উপন্যাস সমগ্র-৩
→তোমার গন্ধে ফুল ফুটেছে (২০১৫)[১২]
→ছায়ায় ঢাকা মায়ার পাহাড় (রূপকথা)
→ত্রিশেরা
→উড়াল কাব্য
→এ গল্পের শেষ নেই শুরুও ছিল না
(মহাকাব্য)

♣ব্যক্তিগত জীবন:
আল মাহমুদ ব্যক্তিগত জীবনে সৈয়দা নাদিরা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির পাঁচ ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে।২০১৯ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি ৮২ বছর বয়সে ঢাকার ধানমণ্ডির ইবনে সিনা হাসপাতা‌লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি নিউমোনিয়াসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।

♣পুরস্কার ও সম্মাননা:
→বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮)
→জয় বাংলা পুরস্কার (১৯৭২)
→হুমায়ুন কবীর স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২)
→জীবনানন্দ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২)
→কাজী মোতাহার হোসেন সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৬)
→কবি জসীম উদ্দিন পুরস্কার
→ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৬)
→একুশে পদক (১৯৮৬)
→নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক (১৯৯০)
→বায়তুশ শরফ গুণীজন সংবর্ধনা পুরস্কার (১৯৯৪)
→ভানুসিংহ সম্মাননা পদক (২০০৪)
→লালন পুরস্কার (২০১১)
→বাসাসপ কাব্যরত্ন (২০১৭)

Address

College Road, Basurhat
Companiganj
3850

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rural Online & Outsourcing Training Services posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rural Online & Outsourcing Training Services:

Share