03/08/2025
চাকরির জন্য আমার প্রথম পরীক্ষা।
২০১৫ সালের জানুয়ারি। ইউনিভার্সিটির ১ম বর্ষে সবেমাত্র ক্লাস শুরু হয়েছে। এক শুক্রবার সকালে ম্যাসের রুমমেট এক বন্ধু হঠাৎ এসে বললো, "আজ একটি চাকরির পরীক্ষা আছে, আমি কয়েকদিন আগে ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছি এবং তাদের একটি অফিসের একজনের সাথে কথাও বলেছি, উনি ভালো পরামর্শ দিয়েছেন"। গতকাল ফরম জমা দেওয়ার লাস্ট ডেইট ছিল।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কিসের পরীক্ষা?
বললো, "পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র" নামে একটি এনজিও আছে, এই এনজিওতে মাঠকর্মী নিচ্ছে। ১০ টায় পরীক্ষা। আমি যাচ্ছি তুমিও চলো। চট্টগ্রাম চন্দ্রিমা আবাসিকে তাদের হেড অফিস। ওখানেই পরীক্ষা হবে।
বললাম তুমি সব প্রস্তুতি সেরে যাচ্ছো আর ফরম জমা দেওয়ার সময়ও শেষ, এখন গিয়ে আমি কী করব?
বললো আজকেও ফরম জমা দেওয়া যাবে।
বললাম "আমি তো ঐ চাকরি করবো না, আর তারা আমাকে নিবেও না।অনর্থক টাকা খরচ করতে চাই না"।(এনজিওতে একটু টল ফিগার না হলে মাঠকর্মী নেয় না। আমি তখনো হাড্ডিসার ছিলাম)
বন্ধু বললো, "তোমার সব খরচ আমি দেব"।
ভাবলাম সামনে ইউনিভার্সিটিতে অনেকগুলো ভাইভা পরীক্ষা দিতে হবে। কিছুটা অভিজ্ঞতা পেলে কাজে আসতে পারে। তাই রাজি হলাম। সকালে হালকা নাস্তা পানি খেয়ে বের হলাম। পরীক্ষার কেন্দ্রে গিয়ে প্রথমে ফরম সংগ্রহ করে তা পূরণ পূর্বক জমা দিয়ে দিলাম।
সেখানে আরো দু'জন বন্ধুর সাথে দেখা হলো। তারাও আমার মতো কেন্দ্র থেকে ফরম সংগ্রহ করে জমা দিতে গেছে। তাদের একজনের কাছ থেকে ফরম জমা নিয়েছে। আরেকজনকে বয়স কম বলে ফিরিয়ে দিয়েছে। তার বয়স অবশ্যই ডকুমেন্ট অনুযায়ী আমার চেয়ে বেশি। তবুও আমার ফরম জমা নিলেও তারটি নেয়নি। বেচারা ব্যার্থ মনোরথে ফিরে এসেছে।
পরীক্ষা ছিল লিখিত এবং মৌখিক এই দুই ধাপে। সকাল ১০ টায় লিখিত আর বিকাল ৩ টা থেকে ভাইভা বা মৌখিক।
১০ টা নাগাদ পরীক্ষায় বসলাম। নির্ধারিত সময় এক ঘন্টায় ভালোমন্দ পরীক্ষা দিলাম। জুমার নামাজের পর ফলাফল প্রকাশ করা হবে। কেন্দ্রে অপেক্ষা না করে বাসায় চলে আসলাম। নামাজের পর পানাহার সেরে ইতিবাচক ফলাফলের আশায় আবার কেন্দ্রে চলে গেলাম।
এখানে একটি মজার কথা বলে রাখি। বন্ধু পরামর্শের সুরে বললো, যেহেতু এনজিওর পরীক্ষা তাই তাদের ফর্মেটের গেটাপ নিয়ে যেতে হবে। এই বলে সে ম্যাসের আরেক বন্ধুর কাছ থেকে আমার জন্য একটি শার্ট আর একটি কালো প্যান্ট ধার নেয়। আমিও জীবনে প্রথম এবং শেষ বারের মতো এই প্য