AD Center Ctg

AD Center Ctg Business Web Site Create, Facebook Marketing, Online Advertiser / Promoter, Business & Product (SEO/SMM), Photography Service, E-Commerce Site Marketing

Ad Center Ctg - Business Web Site Create, Facebook Marketing, Online Advertiser / Promoter, Business & Product (SEO/SMM), Photography Service, E-Commerce Site Marketing, You Tube Marketing, Video Marketing etc

✅ 👉 ক্রিয়েটিভ ডিজাইনে ইউনিক আইডেন্টিটি শুধু মাত্র ADCenterCtg✅ 👉 লাভ এট ফার্স্ট সাইট এ আমরা হয়ত অনেকেই বিশ্বাস করি। যে...
28/12/2021

✅ 👉 ক্রিয়েটিভ ডিজাইনে ইউনিক আইডেন্টিটি শুধু মাত্র ADCenterCtg

✅ 👉 লাভ এট ফার্স্ট সাইট এ আমরা হয়ত অনেকেই বিশ্বাস করি। যেন প্রথম দেখাতেই মন আটকে থাকে সেখানে। এবার ধরুন ফেসবুকের হোমফিড স্ক্রল করছেন, তখন কোন সুন্দর ডিজাইনের ইমেজে চোখ আটকে গেল, আর আপনি আপন মনেই বলে উঠলেন, "বাহ অনবদ্য"

✅ 👉 আবার আপনার কোম্পানির শুধুমাত্র একটা লোগোই যদি এর পরিচয়ে যথেষ্ট হয়, তাহলে বুঝে নিবেন, মার্কেটে আপনার কদর কতখানি! তবে সেই লোগো হতে হবে আপনার বিজনেসের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ, অর্থপূর্ণ এবং সৃজনশীলতায় ভরপুর।

✅ 👉 তবে অনেকেই লোগো কিংবা কোম্পানির বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ডিজাইনের ব্যাপারে অনেক সময় এই ব্যাপারগুলো ভাবেন না। এর মাধ্যমে সেই কোম্পানির ব্র্যান্ড ইমেজ বা পরিচিতির সামগ্রিক দৈন্যদশা প্রকাশ পাবার পাশাপাশি এই প্রতিযোগিতার বাজারে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করেও সেলস কিংবা প্রোমোশনে বারবার পিছিয়ে পড়তে হবে।

✅ 👉 তাই দক্ষ হাতে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির নিশ্চয়তায় আপনার কোম্পানির ব্র্যান্ড গাইডলাইন অনুসারে ক্রিয়েটিভ ডিজাইন সল্যুশনের সাথে চোখ ধাঁধানো ডিজাইনের ব্যানার, লোগো, ভিডিও, ব্রোশিউর সহ সকল প্রকার ডিজাইনের শতভাগ সল্যুশন পেতে আস্থার আরেক নাম ADCenterCtg

🔰 🔰 🔰 তাই বাজেটের ভেতর দুর্দান্ত সার্ভিস পেতে আজই আমাদের প্রফেশনাল ফেসবুক পেজ সেটআপ সার্ভিস প্যাকেজগুলোর বিস্তারিত জানতে কমেন্ট / ইনবক্স করুন।

AD দেওয়ার জন্য আমাদের পেইজে মেসেজ অথবা কল করুন।
👉 👉 যেকোনো প্রয়োজনে - 01617028443










✅ ✅ ক্রিয়েটিভ ডিজাইনে ADCenterCtg ম্যাজিক ✅ ✅ ✅ ✅ আর কতকাল পুরনো ধাঁচের ডিজাইন দিয়ে সেল পাওয়ার আশায় তীর্থের কাকের মতন অর...
28/12/2021

✅ ✅ ক্রিয়েটিভ ডিজাইনে ADCenterCtg ম্যাজিক ✅ ✅

✅ ✅ আর কতকাল পুরনো ধাঁচের ডিজাইন দিয়ে সেল পাওয়ার আশায় তীর্থের কাকের মতন অরণ্য রোদনে থাকবেন?

✅ ✅ এখনো প্রাগৈতিহাসিক যুগের ডিজাইনে আটকে থাকলে হয়ত আপনার ব্যবসা ও ডাইনোসারের মতন বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তাই ডিজাইনে দরকার নতুনত্ব, প্রয়োজন চোখ ধাঁধানো ইমেজে সেলস ওরিয়েন্টেড প্রোমোশন।

ADCenterCtg দিচ্ছে ব্র্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, কোম্পানি প্রোমোশন এবং সেল বাড়াতে কমপ্লিট ডিজাইন সল্যুশন, যেখানে আপনি পাচ্ছেন -

✅ 👉 কোম্পানি লোগো,
✅ 👉 বিজনেস কার্ড,
✅ 👉 ফ্ল্যায়ার,
✅ 👉 ব্রুসিয়ার ডিজাইন, ইত্যাদি।

✅ 👉 আর ও পাচ্ছেন ক্যাফে রেস্তোরাঁর জন্যে আকর্ষণীয় মেন্যু ডিজাইন। সেই সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেল বাড়াতে আপনার কোম্পানির ব্র্যান্ড গাইডলাইন অনুযায়ী ক্রিয়েটিভ ইমেজ ডিজাইন।

✅ 👉 আমাদের রয়েছে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ডিজাইনার এবং লোগো মেকার, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং নিবিড় তত্ত্বাবধায়নে আপনি পাবেন সেরা মানের ডিজাইনের নিশ্চয়তা।

🔰 🔰 🔰 তাই বাজেটের ভেতর দুর্দান্ত সার্ভিস পেতে আজই আমাদের প্রফেশনাল ফেসবুক পেজ সেটআপ সার্ভিস প্যাকেজগুলোর বিস্তারিত জানতে কমেন্ট / ইনবক্স করুন।

AD দেওয়ার জন্য আমাদের পেইজে মেসেজ অথবা কল করুন।
👉 👉 যেকোনো প্রয়োজনে - 01617028443

🔰 🔰 🔰 আপনি কি একজন এসএমই উদ্যোক্তা অথবা অনলাইন বিজনেস করছেন ? 🔰 🔰 🔰 🔰 🔰 🔰 তবে খেয়াল করে দেখুন, আপনার পেজটা সুন্দরভাবে গো...
28/12/2021

🔰 🔰 🔰 আপনি কি একজন এসএমই উদ্যোক্তা অথবা অনলাইন বিজনেস করছেন ? 🔰 🔰 🔰

🔰 🔰 🔰 তবে খেয়াল করে দেখুন, আপনার পেজটা সুন্দরভাবে গোছানো আছে তো ?

🔰 🔰 🔰 নাকি অগোছালো ফেসবুক পেজ নিয়েই নেমে পড়েছেন তথাকথিত বুস্টিং ফাঁদে !

প্রকৃতপক্ষে অসম্পূর্ণ ফেসবুক পেজ থেকে ক্রেতারা প্রডাক্ট কেনার ব্যাপারে আগ্রহ কিংবা আস্থা কোনটাই পান না। ফলে সেলস কমে গিয়ে ঘটে চূড়ান্ত পর্যায়ের ভরাডুবি।

আপনার পেজকে তাই পরিপূর্ণ ভাবে সেটআপ করে সেটিকে প্রডাক্ট প্রমোশনের উপযোগী করতে আমাদের বিভিন্ন প্যাকেজে রয়েছে -

✅ 👉 পেজ এর এবাউট সেকশন এর সকল তথ্য পূরন,
✅ 👉 কভার ফটো,
✅ 👉 প্রফাইল পিকচার ডিজাইন,
✅ 👉 পোস্ট / ক্যাপশন কন্টেন্ট (বাংলা/ইংরেজি),
✅ 👉 পেজ টেমপ্লেট মডিফিকেশন,
✅ 👉 পেজ ট্যাব রি এরেঞ্জমেন্ট,
✅ 👉 পেজ এর অটোমেটেড রিপ্লাই (ম্যাসেজ এর) সেট আপ সহ কমপ্লিট কাস্টমাইজেশন।

✅ আপনাদের আস্থার শীর্ষে থাকা ADCenterCtg এর দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার, গ্রাফিক ডিজাইনার ও কন্টেন্ট রাইটার দ্বারা সফলতার সাথে সেলস ওরিয়েন্টেড ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস দিয়ে আসছে, যা আপনার ফেসবুক পেজ সাজানোর পাশাপাশি সেলস বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকর।

🔰 🔰 🔰 তাই আজই আমাদের প্রফেশনাল ফেসবুক পেজ সেটআপ সার্ভিস প্যাকেজগুলোর বিস্তারিত জানতে কমেন্ট / ইনবক্স করুন।
AD দেওয়ার জন্য আমাদের পেইজে মেসেজ অথবা কল করুন।

👉 👉 যেকোনো প্রয়োজনে - 01617028443

🔰 🔰 🔰  ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিন 🔰 🔰 🔰 🔰  আপনার প্রতিষ্ঠানের ফেসবুক পেইজের বিজ্ঞাপনের জন্য আমরা আছি আপনার পাশে। ফেইসবুক পেইজ ...
28/12/2021

🔰 🔰 🔰 ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিন 🔰 🔰 🔰

🔰 আপনার প্রতিষ্ঠানের ফেসবুক পেইজের বিজ্ঞাপনের জন্য আমরা আছি আপনার পাশে। ফেইসবুক পেইজ এ লাইক বাড়ানোর জন্য Page Promote অথবা Post Boost করার জন্য আমরা আছি আপনার পাশে।
আপনি কেন ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিবেন ??

👉 প্রচারের সবচেয়ে বড় মাধ্যম (বাংলাদেশে ইউজার ১ কোটি ১০ লাখের ও বেশি)
👉 এলাকা ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রচারের সুবিধা
👉 বয়স নির্ধারনের স্বাধীনতা
👉 লিঙ্গ বাছাই করার সুবিধা
👉 প্রতিষ্ঠান টার্গেট অনুসারে ক্লাইন্ট বাছাই করার সুবিধা
👉 তুলনামূলক অন্যান্য মাধ্যমের চেয়ে খরচ কম।

✅ 💠 সর্বনিম্ন 500 টাকা (৫ ডলার) থেকে শুরু।
✅ 💠 আমরা (5 বছর) যাবৎ বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে
আসছি।
✅ 💠 আপনার ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন।
✅ 💠 খুব সহজে, কম খরচে সেরা মাধ্যম ফেসবুকে আপনার এবং আপনার পণ্যের প্রচারণার জন্য আজই বিজ্ঞাপন দিন।

🔰 🔰 🔰 ফেসবুকে এড দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাচ্ছেন না এমন ব্যাবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জন্য আমরা চালু করেছি -
"Core Intensive Care Facebook Advertising Service"

ফেসবুকে একটা এড থেকে সর্বোচ্চ রেজাল্ট নিয়ে আসার জন্য চারটা বিষয় নিয়ে কাজ করতে হয় :

১) সঠিক পরিকল্পনা
২) আকর্ষনীয় ক্যাপশন ও ভিজ্যুয়াল
৩) সঠিক টার্গেটিং
৪) পরিপূর্ণ মনিটরিং

🔰🔰🔰 আর এই বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে আমরা চমৎকার সফলতার সাথে 5 বছর যাবৎ ফেসবুক এডভার্টাইজমেন্ট সার্ভিস প্রদান করছি।

🔰 "Core Intensive Care Facebook Advertising Service" সার্ভিস প্রজেক্ট এর আওতায় আপনি পাবেনঃ

🔰 ১) ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্রাটেজিক কনসাল্টেন্সি
(যাতে আমরা খুজে বের করতে পারি ঠিক কি কারনে আপনার সেল আসছে না।)

🔰 ২) ফেসবুক পেজ অডিট
(আপনার ফেসবুক পেজ কতটুকু অপ্টিমাইজড ও তথ্যবহুল, কোন গ্যাপ থাকলে সেটা ঠিক করা)

🔰 ৩) চমৎকার কভার ফটো ও প্রফাইল পিকচার
(যাতে কেউ আপনার পেজ এ আসলে চমৎকৃত হয়।)

🔰 ৪) ১৫০ - ৩০০ শব্দের সেলস আর্টিকেল
(যেটা পড়ে একজন আপনার পণ্য বা সেবা কিনতে আগ্রহী হবে)

🔰 ৫) নজরকাড়া গ্রাফিক্স ভিজ্যুয়াল
(ফেসবুকের নীতিমালা অনুসরন করে।)

আর এ সবকিছুই পাচ্ছেন খুবই অল্প টাকার প্যাকেজের আওতায়।

🔰 ✅ বিঃদ্রঃ- আপনাকে আগে টাকা পেমেন্ট করতে হবেনা। আপনার বিজ্ঞাপন Active হওয়ার পরে আপনাকে Screenshot দেওয়া হবে।তারপর আপনি Confirm হয়ে ১০ মিনিটের মধ্যে আমাদের টাকা পাঠাবেন।

🔰 🔰 🔰 আমাদের প্যাকেজগুলোর বিস্তারিত জানতে কমেন্ট / ইনবক্স করুন। বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য আমাদের পেইজে মেসেজ অথবা কল করুন। যেকোনো প্রয়োজনে কল করুন - 01617028443

🔰 🔰 🔰  ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিন 🔰 🔰 🔰 🔰  আপনার প্রতিষ্ঠানের ফেসবুক পেইজের বিজ্ঞাপনের জন্য আমরা আছি আপনার পাশে। ফেইসবুক পেইজ ...
28/12/2021

🔰 🔰 🔰 ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিন 🔰 🔰 🔰

🔰 আপনার প্রতিষ্ঠানের ফেসবুক পেইজের বিজ্ঞাপনের জন্য আমরা আছি আপনার পাশে। ফেইসবুক পেইজ এ লাইক বাড়ানোর জন্য Page Promote অথবা Post Boost করার জন্য আমরা আছি আপনার পাশে।
আপনি কেন ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিবেন ??

👉 প্রচারের সবচেয়ে বড় মাধ্যম (বাংলাদেশে ইউজার ১ কোটি ১০ লাখের ও বেশি)
👉 এলাকা ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রচারের সুবিধা
👉 বয়স নির্ধারনের স্বাধীনতা
👉 লিঙ্গ বাছাই করার সুবিধা
👉 প্রতিষ্ঠান টার্গেট অনুসারে ক্লাইন্ট বাছাই করার সুবিধা
👉 তুলনামূলক অন্যান্য মাধ্যমের চেয়ে খরচ কম।

✅ 💠 সর্বনিম্ন 500 টাকা (৫ ডলার) থেকে শুরু।
✅ 💠 আমরা (5 বছর) যাবৎ বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে
আসছি।
✅ 💠 আপনার ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন।
✅ 💠 খুব সহজে, কম খরচে সেরা মাধ্যম ফেসবুকে আপনার এবং আপনার পণ্যের প্রচারণার জন্য আজই বিজ্ঞাপন দিন।

🔰 🔰 🔰 ফেসবুকে এড দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাচ্ছেন না এমন ব্যাবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জন্য আমরা চালু করেছি -
"Core Intensive Care Facebook Advertising Service"

ফেসবুকে একটা এড থেকে সর্বোচ্চ রেজাল্ট নিয়ে আসার জন্য চারটা বিষয় নিয়ে কাজ করতে হয় :

১) সঠিক পরিকল্পনা
২) আকর্ষনীয় ক্যাপশন ও ভিজ্যুয়াল
৩) সঠিক টার্গেটিং
৪) পরিপূর্ণ মনিটরিং

🔰 আর এই বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে আমরা চমৎকার সফলতার সাথে 5 বছর যাবৎ ফেসবুক এডভার্টাইজমেন্ট সার্ভিস প্রদান করছি।

🔰 "Core Intensive Care Facebook Advertising Service" সার্ভিস প্রজেক্ট এর আওতায় আপনি পাবেনঃ

🔰 ১) ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্রাটেজিক কনসাল্টেন্সি
(যাতে আমরা খুজে বের করতে পারি ঠিক কি কারনে আপনার সেল আসছে না।)

🔰 ২) ফেসবুক পেজ অডিট
(আপনার ফেসবুক পেজ কতটুকু অপ্টিমাইজড ও তথ্যবহুল, কোন গ্যাপ থাকলে সেটা ঠিক করা)

🔰 ৩) চমৎকার কভার ফটো ও প্রফাইল পিকচার
(যাতে কেউ আপনার পেজ এ আসলে চমৎকৃত হয়।)

🔰 ৪) ১৫০ - ৩০০ শব্দের সেলস আর্টিকেল
(যেটা পড়ে একজন আপনার পণ্য বা সেবা কিনতে আগ্রহী হবে)

🔰 ৫) নজরকাড়া গ্রাফিক্স ভিজ্যুয়াল
(ফেসবুকের নীতিমালা অনুসরন করে।)

আর এ সবকিছুই পাচ্ছেন খুবই অল্প টাকার প্যাকেজের আওতায়।

🔰 ✅ বিঃদ্রঃ- আপনাকে আগে টাকা পেমেন্ট করতে হবেনা। আপনার বিজ্ঞাপন Active হওয়ার পরে আপনাকে Screenshot দেওয়া হবে।তারপর আপনি Confirm হয়ে ১০ মিনিটের মধ্যে আমাদের টাকা পাঠাবেন।

🔰 🔰 🔰 আমাদের প্যাকেজগুলোর বিস্তারিত জানতে কমেন্ট / ইনবক্স করুন। বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য আমাদের পেইজে মেসেজ অথবা কল করুন। যেকোনো প্রয়োজনে কল করুন - 01617028443

🔰 প্রফেশনাল Business পেইজ কেন দরকার ?🟢 বর্তমানে ফেসবুকে অনেক রকমেরই বিজনেস দেখা যায়, কেউ জামাকাপড়, কেউ বা জুয়েলারি, কসমে...
28/12/2021

🔰 প্রফেশনাল Business পেইজ কেন দরকার ?

🟢 বর্তমানে ফেসবুকে অনেক রকমেরই বিজনেস দেখা যায়, কেউ জামাকাপড়, কেউ বা জুয়েলারি, কসমেটিক্স, হিজাব, ঘড়ির বা অন্যান্য ব্যবসা করছেন। কিন্তু পেইজ খুলে প্রোডাক্ট এর ছবি তুলে Group এ পোস্ট করে অথবা হুটহাট Boost করেই ফেসবুক বিজনেস এ সফল হওয়া যায় না।
সেল নিয়ে অনেকে চিন্তায় পড়ে যান "সেল কেন হয় না?" কাস্টমার আপনার পেইজ এ আসে ঠিকই কিন্তু মেসেজ না করে চলে যায়। কিন্তু কেনো ? তা কি ভেবে দেখেছেন ?

আসুন জেনে নিই ডিজাইন ও ব্রান্ডিং এর গুরুত্ব নিয়ে কিছু তথ্য -

✅ ডিজাইন ও ব্র্যান্ডিং -
আপনার ফেইসবুক পেজের আউটলুক কেমন হবে সেটা পুরোটাই নির্ভর করে কি বিক্রি করবেন তার উপর। ফুলের দোকানের পেইজ আর জুতার দোকানের পেইজ নিশ্চই এক হবে না?
আবার ছেলেদের প্রোডাক্টের ব্র্যান্ডিং নিশ্চই মেয়েদের প্রোডাক্টের মতো হবে না। আপনার লোগো, ব্র্যান্ড কালার, ব্যানার এগুলোর সবকিছুতেই যে পণ্য বিক্রি করবেন তার ছোঁয়া থাকাটা খুবই জরুরি।

🔵 যে পেইজ টি দিয়ে বিজনেস স্টার্ট করছেন সেই পেইজ টি কিভাবে সাজিয়েছেন ? সেটা কি একজন কাস্টমারকে তার কম্ফোর্ট অনুযায়ী প্রডাক্ট বা সার্ভিস শো করতে পারছে ? আপনি নিজে একজন ক্রেতা হিসেবে ভাবুন তো, আপনি কি খোঁজেন একটি পেইজ এ শপিং করতে গিয়ে ?
তাহলে নিজের পেইজ টি কিভাবে মেইনটেন করছেন ? আপনি কি অনলাইন এ গ্রাহক কে সিকিওর শপিং এর অভিজ্ঞতা দিতে পারছেন ? পন্য এর মান এবং দাম ঠিক রেখে সঠিক কাস্টমার বাছাই করতে পেরেছেন তো ?

✅ একমাত্র প্রোফেশনাল ফেসবুক পেইজই আপনার অনলাইন বিজনেসের সফলতার কারন হতে পারে।

✅ অনেকে জানেন না যে পেইজ কোয়ালিটি ডেভেলপ হলে সেল এবং রিচ বেড়ে যেতে পারে অনেক গুনে।

✅ আমরা দিচ্ছি অনান্য যেকোনো আইটি কম্পানীর চেয়ে কম মূল্যে সেরা ডিজাইন ও সেটআপ সার্ভিস।

✅ ভালো মানের পেইজ হলে পজেটিভ রেসপন্স পাওয়া সম্ভব ,এতে কাস্টমার ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে পেইজ ভিজিট করে। এবং আপনার পণ্য বিক্রিও বেড়ে যায়।

যেকোনো প্রয়োজনে - 01617028443

27/02/2021

ক্যারিয়ার বিষয়ক কিছু কথা (কিছু উপলব্ধি)
১.
২০১২ সালের ফেব্রুয়ারির শেষে আরএফএলে জয়েন করি। প্রথম চাকরি সেটা নয়, কিন্তু আগের মাত্র ২ মাসে ২টা কোম্পানি ট্রাই করে ফেলায় আরএফএল এর জব তখনো আমার কাছে একদম নতুনের মতই।
জয়েনের ২দিন পরেই আমার বস বললেন আপনি রামপুর থেকে কুড়িল একটা হাঁটা দেন, আশে পাশে যত দরজার দোকান পড়বে সব ভিজিট করবেন, কি বলে শুনবেন। ফাঁকি দিবেন না, আমি কিন্তু এই এলাকার সব দোকান চিনি।
উনি প্রচন্ড জাঁদরেল লোক, নতুন বলেই সেটা সবাই জানিয়ে দিয়েছিল আমাকে। ফাঁকি দেবার প্রশ্নই আসে না। তবে আমি ভাবছিলাম যে না হেঁটে কি হবে না? যদি রিকশা বা বাসে যাই। পরে ভেবে দেখলাম যে এটা আসলে বুদ্ধিমানের কাজ হবেনা, কারণ কোন পাশে কি দোকান আছে বুঝবো কিভাবে।
শেষ ফাগুনের ঠাডা রোদে হাঁটা শুরু হলো। সকাল থেকে সন্ধ্যা, ভিজিট করলাম, কথা বললাম, কাজ শেষ করলাম। পরদিন যখন বললাম বস রিপোর্ট কিভাবে দিব? উনি বললেন রিপোর্ট দিয়ে কি করবো, এটা তো আপনার লার্নিং এর জন্য ছিল! খুব রাগ হলো, এটা কোন কথা? এভাবে হাঁটায় মারলো, এটা লার্নিং?
২.
মাস দুয়েক পরের কথা। বস চেঞ্জ হয়েছে। আরএফএল তখন রিকশার রিম, স্পোক এসব বের করবে। একটা নাম দিতে হবে সেই ব্র‍্যান্ডের জন্য। গুগল নিয়ে বসে পড়লাম, আর নিজের প্রতিভা। কিছু অপশান বের হলো - দুরন্ত, দুর্বার, দুর্জয়। এসব অপশান দেখে শুনে বস বললেন, আপনি এক কাজ করেন, রিকশার গ্যারেজে চলে যান, ওদেরকে জিজ্ঞাসা করেন যে এর মধ্যে থেকে ওদের কাছে কি পছন্দ, কোনটার অর্থ ওরা বুঝে, কোনটা উচ্চারণ করতে সহজ হয়। এটার ইউজার ওরা, আমার-আপনার পছন্দ আর ওদের পছন্দ তো এক হবেই না।
আরে মহা মুসিবত, রিকশার গ্যারেজে যাব! এটা কোন কথা! আমি বিবিএ-এমবিএ হোল্ডার, আমার একটা স্ট্যাটাস আছে না। বস মানবেনা, যেতেই হবে।
তো গেলাম। আগের ভিজিটের অভিজ্ঞতা কাজে লাগলো, কিছু লোকেশন চেনা ছিল। উত্তর বাড্ডার পিছনে, রামপুরা, মালিবাগের এদিকে কয়েকটা গ্যারেজে গেলাম। ওদের সাথে কথা বললাম। ওরা দুর্বার আর দুরন্ত দুইটা বলেছিল। আরো নানা রকম প্রোডাক্ট ফিডব্যাক দিল। ততক্ষণে আগের বস আর নতুন বস কারো উপরেই রাগ নেই কারণ বুঝে গেছি এই এক্সপেরিয়েন্স আসলে অফিসে বসে হবেনা।
৩-৪টার দিকে সার্ভের ভার্সিটিকালিন অভিজ্ঞতাকে (!) কাজে লাগিয়ে বাসায় এসে ঘুমিয়ে পড়লাম। পরদিন বসকে সব বললাম যে ৩০জনের মত সার্ভে করেছি। উনি ১৫জন বাদ দিয়ে বললেন তুমিও জানো, আমিও জানে যে তুমি এতজনের সাথে কথা বলোনাই, তবে যা বলেছ তাতেই চলবে। শেষ পর্যন্ত ম্যানেজমেন্ট দুরন্ত নামটাকে নিল। এই নামটাই আজকের 'দুরন্ত' বাইসাইকেলের ব্র‍্যান্ড যার জন্মস্থান বলা যায় রিকশার গ্যারেজ!!!
৩.
উপরের যে দুইটা ঘটনা বললাম সেটা চাকরির একদম প্রথম ২-৩ মাসের মধ্যে ঘটা ঘটনা। পথ যে একজন মার্কেটারকে পথ দেখিয়ে দেয় সেটা আমার বসেরা একদম শুরুতেই আমাদের ধরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাতে উনারা সফল। ইনিশিয়ালি আমরা মনে করি যে বস রাগী, কিচ্ছু বুঝেনা, খালি চাপ দেই। আসলে এর সবই যে ভুল ধারণা সেটা একবার মার্কেটে গিয়ে সেই অভিজ্ঞতাকে হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করলে বোঝা যায়।
মাঠে মাঠে আমাদের অনেক সময় গিয়েছে। তখন বসেরাও আমাদের চাপ দিয়ে আনন্দ পেতেন কারণ আউটপুটগুলোও হয়ত উনারা ভালো পেতেন।
কেন যেন মনে হয় এখন বসের চেয়ারে বসার পরে সেই আনন্দের জায়গাটায় একটা কমতি পড়ছে আমাদের। যারা এখন নতুন আসছেন, তাদেরকে ঠিক ধরতে পারিনা। এখন প্রত্যেকের কিছু আলাদা প্রায়োরিটি থাকে। অল্প সময়ে ৬ডিজিট, দেশের বাইরে যাওয়া, আমি তো ভাই ব্র‍্যান্ড ম্যানেজার - আমি কেন প্রোডাক্টের কার্টন ধরবো এই টাইপ একটা এটিটিউড তাদের মাঝে যেটা নিজের চোখ দিয়ে দেখেছি। আইফোন হাতে নিয়ে যার চাকরি শুরু তাকে রিকশার গ্যারেজে যেতে বললে সে কি আজ যেত? নাকি আসলে সে আইডিয়া দিত বস, আমাদের আসলে এসব সার্ভের জন্য ইন্টার্ন নেয়া প্রয়োজন?!
এই প্রজন্ম অস্থির, এই প্রজন্মের সাথে গ্রামের সম্পর্ক কম, পাবলিক বাসের সম্পর্ক কম। আমার তৎকালিন বস একটা কথা সবসময় বলতেন যারা পাবলিক বাসে ঝুলেনাই, তারা আসলে কখনো ব্র‍্যান্ডে জব করতে পারবে না। এটা শুধু একটা বাক্য না, বরং এখানে অনেকগুলো ডিপ মিনিং আছে। কালারফুল এই প্রজন্ম কি শুধু লাইফের তাদের অংশটুকুই জানে, আর বাকি সব কি তাদের কল্পনা কিনা এইটুকু নিয়ে মাঝে মাঝে সংশয় কাজ করে।
আমি বহুদিন কোন বিজ্ঞাপনে গ্রাম দেখিনা, খুব বেশি মফস্বল ও দেখিনা। আমরা কি একটা বড় কনজিউমার গ্রুপ থেকে আলাদা হয়ে যাচ্ছি? এর পিছনে কি এই সময়ের ব্র‍্যান্ড ম্যানেজারদের কালচারাল ওরিয়েন্টেশন দায়ী?
আমি জানিনা। হয়ত সবই আমার এজাম্পশান। আবার কিছুটা সত্যি। সবাই এক রকম অবশ্যই না। তবে একটা সংশয় কিন্তু দিন দিন বাড়ছে।
সবশেষে এইটুকু বলতে চাই, নবীন মার্কেটার যারা এই লেখা পড়ছেন, তারা যেন ফাগুনের এই কড়া রোদেই মার্কেটে যান। একটা ডাব ওয়ালার কাছে গিয়ে একটা ডাব নিয়ে খান, দুইটা প্রশ্ন করেন, কাস্টমারদের সাথে তার কিছু কথোপকথন শুনেন। দেখবেন তার বলার মত অনেক কিছু আছে, যা আপনার ব্র‍্যান্ড স্টোরিটেলিং এ আজ অথবা কাল সাহায্য করবেই।
ব্র‍্যান্ড মার্কেটিং একটা সাইকোলজিক্যাল গেম ছাড়া আর কিছুই নয়। এবং এই খেলার বিজয়ী নির্ধারণের নিয়ামক সব থাকে পথে ঘাটে।
সবাই ভালো থাকবেন।

23/02/2021

টপিকঃ অনলাইন ব্যবসার সমস্যা ও সমাধান
বর্তমান সময়ে প্রতিদিনেই বেড়ে চলছে অনলাইনে ব্যবসা। আর এই ব্যবসা করতে এসে প্রথম অবস্থায় অনেকেই লাভবান হলেও কিছু সময় পরে এসে মুখ থুবড়ে পড়ছে। যার কারণটি হচ্ছে ব্যবসা শুরু করার পূর্বে সঠিক পন্থা অবলম্বন না করা। অনলাইন ব্যবসা শুরু করার সময় কিছু বিষয়ে ধারণ রাখা দরকার। আজকে সেই বিষয়গুলো তুলে ধরবো আপনাদের কাছে। যেখানে নতুন ও পুরাতন উদ্দোক্তাদের কে অনলাইন ব্যবসার সফল হবার একটি পুর্নাঙ্গ ধারণা প্রদাণ করবো। আর্টিকেলটি অবশ্যই একটু সময় নিয়ে সম্পূর্ণ পড়বেন।
চলুন শুরু করা যাকঃ
অনলাইন ব্যবসা নিয়ে শুরু করার পূর্বে একটু অফলাইন ব্যবসা নিয়ে আলোচনা করি। আমি যদি অফলাইনে একটি ব্যবসা করতে চাই সেক্ষেত্রে আমাকে কয়েকটি কাজ করতে হবে। প্রথমত ব্যবসা করার জন্য আমাকে ব্যবসার জন্য ভালো প্রডাক্ট নির্বাচনসহ ভালো জায়গা নির্বাচণ করে একটি রুম বা দোকান ভাড়া নিতে হবে। এরপর রুমে আমাকে লাইটিং, ফ্যান বা এসি ইত্যাদি লাগাতে হবে, এরপর ব্যবসার অবস্থার উপর ভিত্তি করে আমাকে দোকানে এক বা একাধিক কর্মচারী রাখতে হবে। আর ব্যবসার প্রচারের দিকে লক্ষ্য রেখে আমাকে বিভিন্ন ইভেন্ট টার্গেট করে ব্যানার, পোস্টার এবং মাইকিং করতে হবে। এই এত কিছুর পরেও আমার দোকান থেকে প্রডাক্ট সেল করতে হলে আমাকে আমার কাস্টমারের সাথে যথেষ্ট ভালো আচরণ এবং প্রয়োজনে ডিস্কাউন্ট দিয়ে আমার পন্য সেল করতে হবে। এই সব কাজগুলো শেষ করেই একজন ব্যবসায়ী লাভবান হবেন। এখন যদি আমারা একটু পুনরায় লক্ষ্য করি অফলাইন ব্যবসা করতে গেলে কি কি পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে।
১. পন্য নির্বাচণ
২. ব্যবসার স্থান নির্বাচন
৩. ব্যবসার স্থানকে আকর্ষনীয় করা (লাইটিং, ডেকরেশন, নেইমপ্লেট, সাইনবোর্ড ইত্যাদি)
৪. প্রমোশন (ব্যানার, পোস্টার, মাইকিং)
৫. কর্মচারী নিয়োগ
৬. ভালো আচরণ ও ডিস্কাউন্ট
এই ছয়টি কাজ করার পরেই সেল আনা সম্ভব। যেখান থেকে সেল নিশ্চিত হবে।
এবার যদি একটু ব্যবসায়ীর ইনভেস্টমেন্ট এর স্থানগুলো চেক করি তাহলে দেখতে পাবো।
১. পণ্য ক্রয়ের মূল্য
২. দোকান ভাড়া (মাসিক)
৩. ইলেক্ট্রিসিটি বিল (মাসিক)
৪. ডেকরেশন বিল (বার্ষিক)
৫. প্রমোশন বিল (মাসিক)
৬. কর্মচারী বিল (মাসিক)
এখন যদি আমি ব্যবসা করে লাভবান হতে চাই তাহলে আমাকে এই ছয়টি বিলের চার্জ একত্রিত করে পন্যের মুল্য নির্ধারণ করতে হবে, তবেই আমি লাভবান হবো এবং আমার ব্যবসা চলমান থাকবে।
অনলাইনে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে আমরা যদি একটু লক্ষ্য করি তবে ধাপগুলো দেখতে পারবো, (আমরা যারা অনলাইনে ব্যবসা চলমান রেখেছি বা শুরু করবো ভাবছি এদের মধ্যে ৮০-৯০ শতাংশ ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে)
১. পন্য নির্বাচন
২. ফেইসবুক পেইজ
৩. সেল (অধিকাংশের ক্ষেত্রে)
৪. বুস্ট + সেল।
যদি একটু লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পারবো অধিকাংশ লোকই ৩ স্টেপ এবং প্রায় ব্যক্তিরাই ৪ স্টেপে এসে সেল প্রত্যাশা করছে।
যা সম্পূর্ণভাবে একটি ভূল পদক্ষেপ। যার কারণে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনলাইন ব্যবসায়ীরা ব্যবসা শুরু করার পর থুবড়ে পড়ছে।
অনলাইন ব্যবসার সঠিক ধাপগুলো নিয়ে পূর্নাঙ্গ আলোচনা করার পূর্বে একটু আমার কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি।
৬ বছর ধরে ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ২ বছর ধরে ডিজিটাল এজেন্সী পরিচালনা করতে গিয়ে আমি অনেক দেশীয় উদ্দোক্তার সাথে পরিচিত হই এবং সার্ভিস দিয়ে থাকি। যাদের মধ্যে ৯৯% লোক আমার কাছে আসে তাদের ফেইসবুক পেইজের বুস্ট করতে। যাদের বুস্ট বাজেট থাকে ২০০০-৩০০০ টাকা। টার্গেট থাকে পুরো দেশ, আর প্রত্যাশা থাকে ১০০-১৫০ সেল। আর প্রায় ক্ষেত্রে ৬০% উদোক্তারা ১ বার বুস্ট করেই থেমে যায়। বাকি ৩৮% ২-৩ বার বুস্ট করেই থেমে যায়। আর বাকি ২% আমার সাথে বিজনেস স্টাট্রেজি মেনে কাজ করে যায় এবং লাভবান হয়।
আমি প্রায়ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টদের কাজ থেকে কয়টি প্রশ্ন পেয়ে থাকি এর উত্তর দিতে গিয়ে আমি তাদেরকে কিছু প্রশ্ন করে থাকি।
ক্লায়েন্ট প্রশ্নঃ ভাইয়া আমি ১০০০০-২০০০০ টাকার পন্য ক্রয় করেছি আপনি কতটি সেল দিবেন বুস্ট থেকে।
আমার ক্লায়েন্ট কে উত্তরঃ আপনাকে ফেইসবুক প্রতিদিন ২০-৩০ টি এডস দেখায় আপনি এখান থেকে ১ মাসে কতটি পন্য কিনেছেন, কতটি দোকানে মেসেজ করেছেন? বা আপনার পরিচিত জনেরা কতটি পন্য অনলাইনে অর্ডার করেছে?
ক্লায়েন্টের উওরঃ প্রায়ক্ষেত্রে একটিও না। ২-১ জনের ক্ষেত্রে ১টি সর্বোচ্চ।
এখন আমার উওর তাহলে আপনি কিভাবে ১০০০-২০০০ টাকা বাজেটে কেবল একটি পেইজ খুলে প্রত্যাশা রাখেন যে আপনার ১০০-১৫০ সেল আসবে।
আমার ক্লায়েন্টকে আবার প্রশ্ন ( যারা অনলাইনে কেনাকাটা করেন): আপনি অনলাইনে পন্য কেনার ক্ষেত্রে সময় যার থেকে পন্য কেনেন আর যার থেকে কেনেন না সেক্ষেত্র কি কি বিষয় খেয়াল করেন?
ক্লায়েন্টের উত্তরঃ
*** যাদের থেকে কিনি না।
১. নতুন পেইজ এবং লাইক কম
২. যাদের পেইজে কাস্টমার রিভিউ একদম কম
৩. যাদের পেইজে লাইভ নেই।
৪. যাদের পেইজের পূর্বের পোস্ট এবং কমেন্টে বিশ্বাস যোগ্যতা আছে।
৫. ভালো রেসপন্স করে না
৬. ডেলিভারীর আগেই টাকা চায়।
*** যাদের থেকে কিনি
১. পেইজের বয়স আছে এবং লাইক মোটামুটি ভালো।
২. যাদের পেইজে কাস্টমার রিভিউ আছে।
৩. যাদের পেইজে লাইভ আছে।
৪. যাদের পেইজের পুর্বের পোস্ট এবং কমেন্টে বিশ্বাস যোগ্যতা আছে।
৫. ভালো রেসপন্স করে।
৬. ডেলাভারীর পরে টাকা চায়।
এবার আমি ক্লায়েন্টকে প্রশ্ন করি যে ৫ টি বিষয় আপনি নিজে অন্য পেইজ থেকে পন্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে খেয়াল করেন এর মধ্যে আপনার পেইজে কয়টি বৈশিষ্ট্য আছে।
ক্লায়েন্টের উত্তরঃ সর্বোচ্চ ১-২ টি।
এবার আমার উত্তর তাহলে আপনি কিভাবে আপনার ব্যবসার ক্ষেত্রে ১০০-১৫০ পন্য সেলের প্রত্যাশা রাখতে পারেন।
এই ঘটনা গুলো প্রায় সব নতুন উদ্দোক্তার মধ্যে খুজে পাই। আপনাদের জন্য সাজেশন নতুন ব্যবসার ক্ষেত্রে আগে পরিচিতি বাড়ান। পরে সেল নিয়ে ভাবুন। যদি কিছু সেল এই সময়ে পেয়ে যান সেটা বোনাস।
এবার আলোচনায় আসি অনলাইন ব্যবসা নিয়ে আলোচনায়।
আমাদের দেশে দু ধরনের অলনাইন ব্যবসা প্রচলিত।
১. ফেইসবুক কেন্দ্রিক
২. পূর্নাঙ্গ অনলাইন
****ফেইসবুক কেন্দ্রিক***
ফেইসবুক কেন্দ্রিক ব্যবসাটি আমাদের দেশের অধিকাংশ অনলাইন ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করে থাকে। এটি একটি অল্প পূজিতে ভালো ব্যবসার মাধ্যম। কিন্তু এখানে গুরুত্বপূর্ণ স্টেপগুলো ফলো না করলে ফেইল করার সম্ভাবনাই বেশি। চলুন কিভাবে শুরু করতে হবে।
১. পন্য নির্বাচণঃ এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। আমাদের দেশের অধিকাংশ অনলাইন ব্যবসায়ীরা দুই ধরনের পন্য নিয়ে কাজ করেন।
ক. পোশাক খ. বিউটি
যার ফলে মার্কেটে প্রচুর প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়। আর এই প্রোডাক্ট গুলোর ক্ষেত্রে আমাদের দেশের মানুষজন দোকানে গিয়ে পন্য কিনতেই পচ্ছন্দ করেন। আর অনলাইনে তখনই কেনে যদি কিছু ইউনিক কিছু পেয়ে থাকেন। তাই পন্য নির্বাচণ গুরুত্বপূর্ণ। এমন পন্য নির্বাচণ করুন যার মার্কেটে চাহিদা বেশি, প্রতিযোগিতা কম।
২. ব্রান্ডিংঃ পন্য নির্বাচনের পর এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। যা আপনার ব্যবসার ভবিষ্যৎ নির্বাচন করবে। তাই পেইজটি সুন্দর ভাবে সাজান।
একটি নিজস্ব লোগো অবশ্যই বানান। কোন কপি ডিজাইন নিবেন না, বা অনলাইন থেকে কারো লোগো নিবেন না। এটি অন্যায় এবং আপনার জন্য ক্ষতিকারক। আপনি এর জন্য কপিরাইট মামলায় জড়াতে পারেন। অপরদিকে অন্যের লোগো দিয়ে নিজের ব্যবসার পরিচয়। তাই এদিকে অবশ্যই গুরুত্ব দিন।
এরপর আপনার পেইজের জন্য একটি সুন্দর কাভার ফটো নির্বাচন করুন এবং এটি প্রত্যেকটি চলমান ইভেণ্টের উপর সুন্দর কাভার ফটো ডিজাইন করুন।
এরপর পেইজের about সেকশনটিকে সঠিক তথ্য দিয়ে তুলে ধরুন। যা আপনার ব্যবসার লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ক্লায়েন্টের কাছে ফুটে ওটে এবং আপনার নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।
এরপর ট্যাবগুলোকে পর্যায়ক্রমিকভাবে সাজান এবং সঠিক কল টু একশন বাটন যুক্ত করুন।
এবার পেইজে একটি সুন্দর শপ তৈরী করুন। যাতে করে আপনার ক্লায়েন্টরা পেইজে প্রবেশ করার পর আপনার পন্যগুলো দেখতে পারে। এটি ব্যবসার সেল বৃদ্ধি করে।
এছাড়া পেইজের রিভিঊ পেইজের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং অরগানিক রিচ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তাই প্রত্যেক পন্য বিক্রয়ের পর ক্লায়েন্ট থেকে তার ফিডব্যাক নিন।
৩. কন্টেন্ট ম্যানেজম্যান্টঃ ফেইসবুক একটি সোস্যাল মিডিয়া। আর ফেইসবুক পেইজ থেকে ভালো কিছু পেতে অরগানিক রিচ পেতে গেলে কন্টেন্ট ম্যানেজম্যান্ট এর বিকল্প নেই।
আপনার পেইজে ব্যবসার প্রচারের জন্য ভালো মানের কন্টেন্ট তৈরী করুন। যেমনঃ
ক. ছবি
খ. ব্যানার
গ. ভিডিও
ঘ. লাইভ
ঙ. পোল
চ. কন্টেস্ট
ছ. অন্যান্য
প্রত্যেক কন্টেন্ট পাবলিশের ক্ষেত্রে অব্যশই ব্যবসার ব্র‍্যান্ডিং মাথায় রাখবেন। আর সর্বদাই ব্যবসার সাথে যায় এমন পোস্ট করা যাবে না। কারণ আপনার ক্লায়েন্ট প্রতিদিন আপনার থেকে পন্য কিনবেন না। পোস্টে ভ্যারিয়েশন নিয়ে আসবেন। যা আপনার পেইজে আপনার ক্লায়েন্টকে ধরে রাখে।
আর হ্যা শুধু কন্টেন্ট বানালেই হবে না। এগুলো সঠিক সময়মত পোস্ট করতে হবে। এমন সময়ে পোস্ট করবেন না, যখন আপনার ক্লায়েন্টরা আপনার পোস্টকে রিচ করবে না। প্রত্যেকদিন কমপক্ষে ১-৩ টি পোস্ট করুন। এবং পোস্টের সময় একই রাখুন।
৪. ম্যাসেজিং এবং কমেন্টঃ পন্য বিক্র‍য়ের ক্ষেত্রে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ক্লায়েন্টেদের সাথে কমেন্টে এবং ম্যাসেজে সর্বদা ভালো আচরণ করুন যেন তারা আপনার ব্যবসা থেকে একটি ভালো অভিজ্ঞতা লাভ করেন। আর একটা বিষয় অবশ্যই মনে রাখবেন ক্লায়েন্টকে আপনার পন্য কেনার জন্য চাপ প্রয়োগ করবেন না।
৫. ব্যবসার প্রমোশনঃ ব্যবসার প্রমোশনের ফেইসবুক ব্যবসার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর জন্য একটি সঠিক action plan তৈরী করতে হবে এবং এটিকে বাস্তবায়ন করতে হবে। ফেইসবুক ব্যবসার ২ ভাবে প্রচার করা যায়। একটি পেইড একটি নন-পেইড।
নন-পেইড মার্কেটিং এর মধ্যে রয়েছে
ক. ফেইসবুক গ্রুপ
খ. ফেইসবুক ফ্রেন্ডলিস্ট
গ. ফেইসবুক ব্যক্তিগত টাইমলাইন
এছাড়াও আপনি সেল বৃদ্ধির জন্য লোকাল মাল্টি ভেন্ডর প্লাল্টফর্ম ব্যবহার করতে পারেন।
ক. দারাজ খ. ইভ্যালি গ. পিকাবো ইত্যাদি
পেইড মার্কেটিং এর মধ্যে রয়েছে,
ক. ফেইসবুক এডস
খ. SMS মার্কেটিং
ফেইসবুক এডস ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবসার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, ক্রেতার অবস্থান এবং পন্যের ধরণ বুঝে বাজেট করুন। অবশ্যই ফেইসবুক বিজনেসের ক্ষেত্রে এই বাজেটটির কথা মাথায় রেখে ব্যবসায় আসবেন। অনথ্যায় মাঝ পথে থেমে যাবেন।
আরেকটি বিষয় মনে রাখবেন পেইজের লাইকারদের কথা সবসময় বিবেচনা করবেন। প্রত্যকটা এডসের জন্য বাজেটকে দুভাগে ভাগ করবেন। ১টি পেইজের লাইকারদের জন্য অপরটি নতুন কাস্টমারের জন্য। কারণ যে ইতিমধ্যে আপনার পেইজ লাইক করেছে সে আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ইতিমধ্যে জানে এবং আপনার সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখে। তাই এখানে সেল হবার সম্ভাবনা বেশি। আর এই পদক্ষেপ আপনার পেজের সেল বৃদ্ধি না করলেও অরগানিক রিচ বৃদ্ধি করে দিবে।
পরবর্তীতে এডস নিয়ে একটি বিস্তারিত আর্টিকেল লিখবো সেখানে বিস্তারিত লিখবো।
৬. এনালাইসিস এবং ট্রাকিংঃ এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি আপনার ব্যবসার অবস্থান ধরে রাখবে এবং আপনার ভুল গুলো তুলে ধরবে।
উদাহরণসরুপ, আমি কোন এডস পরিচালনা করলে ক্লায়েন্টদের থেকে পাওয়া মেসেজগুলোকে নিয়ে একটি মাসিক পর্যালোচনা করি। এখানে কিছু বিষয় বিবেচনা করি।
ক. আমাকে কয়জন ব্যক্তি মেসেজ করেছে।
খ. আমার থেকে কয়জন কিনেছে।
গ. আমার থেকে কয়জন কেনেন নি।
ঘ. আমার থেকে কেন কেনেন নি।
ঙ. আমার সেল বৃদ্ধিতে নতুন কি কি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।
এই ধরনের এনালাইসিস আপনাকে একটি পূর্নাঙ্গ ধারণা দিবে।
এছাড়াও আমি আমাকে মেসেজ করা প্রত্যেকটি ক্লায়েন্টের একটি লিস্ট করি যারা আমার থেকে পন্য ক্রয় করেছে এবং করেনি তাদের একটি লিস্ট করি এবং পুনরায় পন্যের সাথে ক্লায়েন্টের কানেকশন বিবেচনা করে মার্কেটিং করি।
উপরে উল্লেখিত এই বিবেচনা গুলো আপনার ফেইসবুক ব্যবসাকে সচল রাখবে এবং সাফল্যমন্ডিত করবে। তাই এটি চলমান রাখার চেষ্টা করবেন।
***পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ব্যবসা***
পূর্নাঙ্গ অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। যা আপনাকে সঠিক ভাবে মেনে চলতে হবে। তবেই ব্যবসাকে একটি ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবেন।
চলুন পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ব্যবসার ধাপগুলো আলোচনা করা যাক।
১. পণ্য নির্বাচণঃ এই ধাপটি ফেইসবুক বিজনেসের মতই। পন্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে একই ধাপ মেনে করুন।
২. ওয়েবসাইট/ এপসঃ আপনার ব্যবসার জন্য একটি সুন্দর ওয়েবসাইট তৈরী করুন। এখানে সুন্দরভাবে আপনার পন্য গুলোকে উপস্থাপন করুন। এটি অনেকটা অফলাইনের দোকানের মত। দোকান যেভাবে লাইটিং, ডেকোরেশন প্রভৃতি করে দোকনটিকে কাস্টমারের কাছে আকর্ষনীয় করে তোলে সেইভাবে আপনি অনলাইনের ব্যবসার জন্য একটি আকর্ষনীয় ওয়েবসাইট তৈরী করুন। ওয়েবসাইট তৈরীর সময় ওয়েবসাইটের স্পিডের দিকে খেয়াল রাখবেন যেন ৩-৫ সেকেন্ডের মধ্যে ওয়েবসাইটটি লোড হয়ে যায়। অনথ্যায় ক্লায়েন্ট বিরক্ত বোধ করবেন। আপনার থেকে পন্য ক্র‍য় না করেই চলে আসবেন।
এছাড়াও আপনার বাজেট ভালো মানের থাকলে ওয়েবসাইটের পাশাপাশি একটি মোবাইল এপস তৈরি করতে পারেন।
৩. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংঃ আপনার ব্যবসার প্রসার এবং প্রচারের জন্য জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে আপনার ব্যবসার জন্য পেইজ তৈরি করুন। সেখানে আপনার পন্যের জন্য ওয়েবসাইটের অনুরূপ একটি সপ সোস্যাল মিডিয়া একাউন্ট গুলোতে তৈরী করুন।
যেসব সোস্যাল মিডিয়াতে একাউন্ট খুলবেন?
ক. গুগল মাই বিজনেজ
খ. ফেইসবুক
গ. ইন্সটাগ্রাম
ঘ. ইউটিউব
পরবর্তীতে সোস্যাল মিডিয়া সম্পর্কিত আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
৪. ট্রাকিং টুলস ইন্সটল ও ম্যানেজম্যান্টঃ আপনার ব্যবসার কাস্টমারদের গতিবিধি নির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের ট্রাকিং টুলস আপনার ওয়েবসাইটে ইন্সটল করুন। উল্লেখযোগ্য ট্রাকিং টুলস সমূহঃ
ক. গুগল ট্যাগ ম্যানেজার
খ. গুগল এনালাইটিক্স
গ. গুগল সার্চ কনসল
ঘ. ফেইসবুক পিক্সেল
এছাড়াও অনেক টুলস রয়েছে ব্যবসার উপর ভিত্তি করে আপনি আরো বিভিন্ন টুলস ব্যবহার করতে পারেন।
৫. এসইওঃ এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। এসইও আপনার ওয়েবসাইটের অর্গানিক কার্জপদ্ধতি বৃদ্ধি করবে। এবং সার্চ ইঞ্জিন থেকে আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত ক্লায়েন্ট আপনার ব্যবসায় ডাইভার্ট করবে।
৬. Ads management: এটিও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। সঠিক Ads প্লাটফর্ম সঠিক ভাবে ব্যবহার করে আপনি সহজেই আপনার ব্যবসাকে সঠিক অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবেন। উল্লেখযোগ্য Ads প্ল্যাটফর্ম সমূহ।
ক. Google ads
খ. Facebook Ads
গ. Instagram Ads
ঘ. YouTube Ads
এডস মিডিয়াগুলো ব্যয়বহুল, তবে অনলাইন ব্যবসার জন্য অনস্বীকার্য। তাই Ads মিডিয়া গুলো ব্যবহারের জন্য ব্যবসার পরিকল্পনার জন্য হাতে ভালো বাজেট রাখবেন। অন্যথায় মাঝ পথে থেমে যাবেন।
৭. ইমেইল মার্কেটিংঃ ই-মেইল মার্কেটিং অনলাইন ব্যবসার আরেকটি প্রয়োজনীয় মাধ্যম। আপনার ক্লায়েন্টদের মাসে অত্যন্ত একটি ই-মেইল পাঠান।
৮. SMS মার্কেটিংঃ SMS এর মাধ্যমে আপনার ক্লায়েন্টেদের আপনার ব্যবসার আপডেট গুলো জানান।
৯. Affiliate মার্কেটিংঃ Affiliate মার্কেটিং সেল বৃদ্ধি করার অন্যতম মাধ্যম। এটিকে চাইলে ব্যবহার করুন।
১০. এনালাইসিসঃ প্রত্যেক সপ্তাহে অথবা মাসভিত্তিক আপনার ব্যবসার অবস্থান নিয়ে আলোচনা করুন, সমস্যা গুলো খুজে বের করুন, সমাধানের উপায় খুজুন।

21/02/2021

আপনি কি বুস্টিং নিয়ে চিন্তিত ?

বুস্টিং করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ভুল পদ্ধতি অবলম্বন করছেন আর যে কারনে আপনার বুস্টে রিচ কম হওয়া থেকে শুরু করে সেল কম হচ্ছে।
শুধুমাত্র কার্ড থাকলেই আর বুস্টে ক্লিক করেই পোস্ট বা পেজ বুস্ট করে
আপনি ভালো ফলাফল পাবেন না।

আপনাকে অবশ্যই যথাযথ ভাবে বুস্ট করতে হবে, আর যথাযথভাবে বুস্ট করার ফলেই আপনি ফেসবুকের সেল এবং রিচ বাড়াতে সক্ষম হবেন।

বর্তমানে আপনাকে ফেসবুকে বুস্ট করে ভালো ফলাফল পেতে হলে ফেসবুকের বিজ্ঞাপন কৌশল, নীতিমালা ফলো করতে হবে।
বর্তমানে কাঙ্ক্ষিত ফলাফলে পেতে চাইলে প্রতিনিয়ত আপনাকে প্রচার করতেই হবে।

আমাদের মাধ্যমে আপনি ফেসবুকে যে ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন -
Message AD
Video AD
Facebook AD
Instragram AD
Page Like AD
Website Traffic AD
Brand Awareness AD
Lead generation
Reach AD

আমাদের মাধ্যমে প্রতিটি বিজ্ঞাপন প্রদান করলে আমরা analysis & strategy তৈরী করে Properly AD campaign setup / boost করে থাকি .
আমরা প্রতিটি পেজের কাঙ্ক্ষিত ক্লায়েন্ট রিসার্চ করে সে অনুসারে বিজ্ঞাপন প্রদান করে থাকি।

এছাড়া AD চলাকালীন সময়ে আমরা সর্বদা এড মনিটরিং করে থাকি।
যেকোন ধরনের অনলাইন ব্যবসায়ের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

যোগাযোগের সময়ঃ- দিনে ২৪ ঘণ্টা সপ্তাহে ৭ দিন

ফেসবুক এড ম্যানেজার দিয়ে বুস্টিংবর্তমানে ফেসবুক মার্কেটিং বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং অনেকেই ফেসবুকে পেইড প্রোমোশন (যেটাকে...
23/08/2020

ফেসবুক এড ম্যানেজার দিয়ে বুস্টিং

বর্তমানে ফেসবুক মার্কেটিং বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং অনেকেই ফেসবুকে পেইড প্রোমোশন (যেটাকে বুস্ট বলা হয়) করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন। তাই আজকের পর্বে লিখবো কিভাবে ফেসবুক এড ম্যানেজার (Ads Manager) এর মাধ্যমে বুস্ট করতে হয়।

ফেসবুক মার্কেটিং জনপ্রিয়তার অন্যতম প্রধান কারন হচ্ছে অন্যান্য যেকোন মাধ্যম থেকে অনেক কম খরচে টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব। এছাড়া যেহেতু মানুষ ফেসবুকে বেশি সময় ব্যয় করে তাই এখানে বিজ্ঞাপন দেওয়াটাই বুদ্ধিদীপ্ত কাজ।

অনেক ছোট ছোট ব্যবসা গড়ে উঠেছে যার পুরোটাই ফেসবুক পেজ কেন্দ্রিক। ফেসবুকে বুস্টিং এর জন্য অনেকে থার্ড পার্টি এজেন্সির সাহায্য নিচ্ছে অথবা কার্ড ম্যানেজ করে নিজেই বুস্ট করছে। নিজে বুস্ট করার জন্যই হোক বা কোন এজেন্সি দিয়ে কাজ করানোর সময় তারা সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা বোঝার জন্যই হোক সঠিকভাবে বুস্ট করতে জানাটা তাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথমেই সতর্কতাবানী,
পেজের সকল জায়গাতে বুস্ট করার জন্য ফেসবুক বাটন দিয়ে রেখেছে কিন্তু পেজ থেকে কখনোই সরাসরি বুস্ট করা উচিত নয়। কেনো উচিত নয় তা অন্যকোন পোস্টে বিস্তারিত বলবো।

ফেসবুক এড ম্যানেজার দিয়ে বুস্ট করার আদ্যোপান্ত

যদি আপনার ফেসবুক এড ম্যানেজার থাকে তাহলে খুবই ভালো আর যদি না থাকে তাহলে কমেন্টে লিংক দিয়ে দিবো সেখান থেকে খুঁজে নিতে পারবেন। প্রতিটি পারসোনাল ফেসবুক একাউন্টের সাথেই একটি এড ম্যানেজার একাউন্ট থাকে।

ফেসবুকে এড দেওয়ার জন্য তিনটি সেগমেন্ট রয়েছে,

Ad Campaign
Ad Set
Ad

যারা আজ প্রথম এমন কিছু দেখলেন ঘাবড়ানোর কিছু নেই। আমি একে একে সবগুলোর বিস্তারিত আলোচনা করবো।

Ad Campaign

ফেসবুকে এড দেওয়ার প্রথমেই একটি এড ক্যাম্পেইন তৈরি করতে হয়। এড ক্যাম্পেইনের ভিতর অনেকগুলো এডসেট, এড থাকতে পারে। প্রথমে জেনে নেওয়া যাক,
এড ক্যাম্পেইন কি?
এড ক্যাম্পেইন হচ্ছে, যেখানে আপনার এডের অবজেক্টিভ কি তা ফেসবুককে বলে দিবেন।

উদাহরন দিচ্ছি, ধরুন আপনি চাচ্ছেন আপনার পেজে লাইক বাড়াতে। তাহলে এড ক্যাম্পেইন অবজেক্টিভ হবে, পেজ লাইক। এই অবজেক্টিভ নির্বাচন করার কারনে ফেসবুক বুঝতে পারবে আপনি পেজ লাইকের এড দিতে চাচ্ছেন। তখন সে এডসেট এবং এড ডিজাইন পেজ লাইকের জন্য করবে।

এবার এড ক্যাম্পেইন নিয়ে কিছু তথ্য এবং কিভাবে এড ক্যাম্পেইন তৈরি করবেন তা জেনে নেওয়া যাক,

এড ক্যাম্পেইন সেগমেন্টে Awareness, Consideration, Conversion ৩টা ক্যাটাগরিতে মোট ১১টি অবজেক্টিভ রয়েছে। আপনার লক্ষ্য অনুযায়ী Marketing Objective সিলেক্ট করে নিবেন।
ক্যাম্পেইন নাম দিবেন। নাম দেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তীতে যখন অনেক ক্যাম্পেইন হয়ে যাবে তখন নাম দেখে ক্যাম্পেইন সম্পর্কে ধারনা পাবেন। ধরুন, আপনার Campaign Objective, Page Likes এবং পেজের নাম XYZ. তাহলে ক্যাম্পেইন নাম দিন, XYZ – Page Likes.

Ad Set
এড সেট হচ্ছে যেখানে,
Audience (কাদের কাছে বিজ্ঞাপন দেখাতে চান),
Budget (কত টাকা খরচ করতে চান),
Schedule (কতদিন ধরে বিজ্ঞাপন দেখাতে চান)
তা নির্ধারন করা হয়ে থাকে। একটি এড সেটের ভিতর অনেকগুলো এড তৈরি করা যায়।

কিভাবে এড সেট তৈরি করবেন তা জেনে নেওয়া যাক,
এড সেটের প্রথমেই পাবেন Audience. আপনাকে স্থান, বয়স, জেন্ডার, ডিটেইলড টার্গেটিং নির্বাচন করার মাধ্যমে অডিয়েন্স তৈরি করতে হবে।
Locations সেকশনে আপনি সর্বোচ্চ 25 Countries, 200 States/Provinces/Regions, 250 Cities, 2500 Zip codes/Postal Codes সেট করতে পারবেন।
বাংলাদেশের Zip code/Postal Code ফেসবুক সাপোর্ট করে না। তবে ম্যাপের Drop Pin ব্যবহার করে নির্দিষ্ট লোকেশন বাছাই করে দিতে পারবেন।
Age, Gender, Language নিজের প্রয়োজন মত সিলেক্ট করে নিবেন।

উদাহরন দেওয়া যাক তাহলে বুঝতে সুবিধে হবে। ধরুন আপনার প্রোডাক্ট হচ্ছে ছেলেদের ঘড়ি এবং আপনি চাচ্ছেন ঢাকায় যারা থাকে তাদের কাছে বিক্রি করতে। তাহলে আপনি যা করবেন,
Location: Dhaka Age: 18-45 Gender: Male Language: English, Bengali
এইরকম একটা অডিয়েন্স তৈরি করতে পারেন।

এটা একদম বেসিক ধারনা। ঘড়ির জন্য এই অডিয়েন্স সেট করলে ভালো রেজাল্ট পাবেন না যতক্ষন না ডিটেইলড টার্গেটিং করতেছেন। এখন আমরা সেই Detailed Targeting নিয়েই জানার চেষ্টা করবো।

Detailed Targeting
একটি এড কতটা ভালো ফলাফল দিবে তা নির্ভর করছে আপনি এই সেকশনে কতভালো টার্গেট করতে পারছেন তার উপর।
এডে ভালো ফলাফল পেতে আপনার অডিয়েন্স সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকতে হবে। আপনার ক্লায়েন্ট, কাস্টমার সম্পর্কে যত বিস্তারিত আপনি জানবেন তত ভালো টার্গেটিং করতে পারবেন। অডিয়েন্স নিয়ে বিস্তারিত ধারনা পাওয়ার জন্য ফেসবুক পেজের Insights অপশনটি ভালোভাবে রিসার্চ করুন।
ধরুন, আপনি ছেলেদের ব্র্যান্ডের শার্ট বিক্রি করেন। আপনার কাজ হবে যারা ব্র্যান্ডের শার্ট পড়তে পছন্দ করে তাদের সম্পর্কে জানা। এখানে যত বেশি সময় ব্যয় করবেন আপনার প্রোডাক্ট সেলিং সম্ভাবনা তত বেড়ে যাবে।
অডিয়েন্স তৈরি করার পর অবশ্যই সেভ করে নিবেন। তাহলে পরবর্তীতে বার বার অডিয়েন্স তৈরি করতে হবে না।
Placements সাধারনত Automatic দিয়ে দিবেন। তবে আপনার টার্গেট অডিয়েন্স যদি নির্দিষ্ট কোন প্ল্যাটফর্মের প্রতি বেশি এনগেজইড হয়ে তাহলে পরিবর্তন করে দিতে পারেন।

শুধু এই অংশটা নিয়ে আরো আলোচনা করা যাবে। আপনারা চাইলে আমি এটা নিয়ে আরো বিস্তারিত লেখার চেষ্টা করবো। অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন।

Budget & Schedule
এই সেকশনে যে ভুলটা হয়, না বুঝে বাজেট ঠিক করার ফলে টাকা খরচ হয় ঠিকই কিন্তু কাঙ্খিত ফলাফল পাওয়া যায় না।
প্রথমেই বেশি বাজেট না দিয়ে অল্প খরচ করে টেস্ট করবেন। অনেকেই বলে থাকে, একটি এড যদি ১০ ডলার খরচ করার পরও ভালো রেজাল্ট না দেয় তাহলে সেই এডের পিছে আর ব্যয় করার দরকার নেই। তবে এটা বিভিন্ন নির্ণায়কের উপর নির্ভরশীল। আপনি আপনার মত করে তৈরি করে নিবেন।
কোন এড যদি ভালো ফলাফল দেয় তাহলে তার বাজেট বাড়িয়ে দিবেন, যদি খারাপ ফলাফল দেয় তাহলে এড বন্ধ করে দিবেন।
এড সেটের নাম দিন। কোন এড ভালো পারফরমেন্স দিচ্ছে তা বুঝতে নাম দরকার হবে। ধরুন, আপনার Ad Location Dhaka, Age 18-40 তাহলে এভাবে দিতে পারেন,
Page Name – Campaign Objective | Location | Age | Set No
Example: XYZ – Page Like | Dhaka | 18-40 | Set-1

Ad
এড হচ্ছে আমাদের নিউজফিডে/ম্যাসেঞ্জারে/ইন্সট্রাগ্রামে/স্টোরিতে স্পন্সরড লেখা যে বিজ্ঞাপনগুলো দেখি। এখানে আপনি যে ছবি/ভিডিও/লেখা দিবেন বিজ্ঞাপনটি ঠিক তেমনই দেখাবে।

এখন কিভাবে এড তৈরি করবেন তা জেনে নেওয়া যাক,
এডের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কন্টেন্ট। ছবি বা ভিডিও যত আকর্ষণীয় ভাবে তৈরি করবেন এড পারফরমেন্স ভালো হওয়ার সম্ভাবনা তত বেড়ে যাবে।
ভিডিও এর ক্ষেত্রে থাম্বনেইল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেখেই মানুষ ভিডিওতে ক্লিক করবে।
ছবির ক্ষেত্রে ফেসবুকে Image Overlay Tool দিয়ে চেক করে নিবেন যে ছবিটা ঠিক আছে কিনা। ছবিতে বেশি টেক্সট হয়ে গেলে ফেসবুক সেই এড রান করে না।
আপনি চাইলে পেজের পুরনো পোস্ট সিলেক্ট করতে পারেন অথবা নতুন পোস্ট তৈরি করতে পারেন।
সবশেষে এডের একটি নাম দিন। যেমনঃ Page Name – Campaign Objective | Ad No এমন হবে, XYZ – Page Like | Ad-1

Confirm করার আগে Review তে ক্লিক করে দেখে নিন সব ঠিক আছে কিনা। ঠিক থাকলে কনফার্ম করে দিন। ব্যস হয়ে গেলো এড দেওয়া।

এডে ভালো রেজাল্ট পাওয়ার জন্য A/B Testing করতে হয়। Location, Targeting, Ad creative Change করে দেখতে হয় কোনটি সবচেয়ে ভালো রেজাল্ট দিচ্ছে। তাই টেস্টিং এর জন্য কিছু বাজেট রাখুন। এই অতিরিক্ত খরচ, পরবর্তীতে অধিক মুনাফা এনে দিবে।

আমি চেষ্টা করেছি সহজ ভাষায় পুরো বিষয়টিকে তুলে ধরতে। প্রথম প্রথম বুঝতে হয়তো কিছুটা অসুবিধা হবে। কিন্তু পর্যাপ্ত সময় দিলে বুঝে যাবেন আশা করি। ব্যবসা করার জন্য এতটুকু সময়তো দিতেই হবে।

পুরো লেখাটা নিয়ে আমার একটা ভিডিও করা আছে আপনারা চাইলে আমি সেটা শেয়ার করতে পারি। কমেন্টে জানাবেন।

কারো কোন প্রশ্ন থাকলে নির্দ্বিধায় করতে পারেন আমি যতটুকু সম্ভব উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো।

বি.দ্র. গত দুইদিনে আমি এই পোস্টটি দুই পর্বে দিয়েছিলাম। আজকে পুরোটাই একটা পোস্টে আপডেট করে দিলাম। আগের পর্ব দুইটি গ্রুপ থেকে আগামীকাল ডিলিট করে দিবো।

*পোস্টে ব্যবহার করা ছবিটি টেস্টিং এর জন্য করা হয়েছে।

Address

New Market
Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AD Center Ctg posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to AD Center Ctg:

Share