H.M Enterprise, POP 21 Joor Pukur Par Chandpur.

H.M Enterprise, POP 21 Joor Pukur Par Chandpur. এখন আপনার হাতের নাগালেই পাচ্ছেন আনলি? We Provide High-Quality Broadband Internet Connection on Your Hand. So Contact us for any Digital Communication.

Nowadays the Internet is most Powerful Tool for communication, All kind of 3G/4G Facilities, Internet TV / Smart TV services are available.

আমার যদি 5mbps লাইন হয় তাহলে কয়জন ব্যাবহার করা যাবে? এরকম প্রশ্ন অনেকেই করে থাকেন আসুন আজ আমরা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জে...
15/04/2021

আমার যদি 5mbps লাইন হয় তাহলে কয়জন ব্যাবহার করা যাবে? এরকম প্রশ্ন অনেকেই করে থাকেন আসুন আজ আমরা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জেনে নিই।

আমার 5mbps প্যাকেজ দিয়ে যদি বাড়ির সব ডিভাইস স্মুতলী চলতো তাহলে ISP র বড় প্যাকেজ রাখার প্রয়োজন হতোনা,

আমি একাই চালাই তাহলে আমার 20mbps চালানোর কোন মানে হয়?

আমি যে সাইডে কাজ করি সেই কাজে সাবমিট টাইম খুবই কম থাকে যার জন্য আমার 20mbps লাইন ছাড়া সম্ভব নয়। এইটা নিয়ে যদি আমি ISPর সাথে টোল করি তাহলে সেইটা আমার মূর্খতা ছাড়া কিছুই নয়।

আমার কেনা স্পিড 20mb
1mb = 128kB * 20=2.5MBps
অর্থাৎ আমার ডাউনলোড স্পিড 2.5MB এইটা আমি ISPর কাছ থেকে বুঝে নিবো।
কোন নির্দিষ্ট সাইডে যদি বেশি পাই যেমন YouTube, Facebook, Bdix এগুলো আমাদেরকে ফ্রী দিয়ে রাখছে,
কখনো এই ফ্রী সার্ভিসে কিছুটা কম পাই সেক্ষেত্রে অভিযোগ করা ঠিক হবেনা, কেননা ওগুলোর টাকা আমি দেইনা।
খুব বেশি সমস্যা পেলে অভিযোগ জানাতে পারি,
তার মানে এই নয় যে, বাড়তি YouTube, Facebook, Bdix আমি আমার অধিকার মনে করে ISP কে ফোন করবো!

পিক আওয়ার + অফ পিক কি?

একটি লাইন নিয়ে যখন আমি একাই চালাই এটাই অফ পিক।

যখন আমার বাসার সকল ডিভাইস কানেক্ট থাকে এটাই পিক আওয়ার
আমার মুল প্যাকেজ এবং ISPর ফ্রী দেওয়া ফিচার গুলো ফুল ব্যাবহার করি তখন রাউটার থেকে আপনাআপনি সমস্যা পেতে পারি, আমার প্যাকেজ ফুল ব্যাবহার বলতে আমার 20mb তে 20mb ই ব্যাবহার হচ্ছে, (বিশেষ করে সন্ধ্যার পর) আমার লিমিড কোঠা যদি না বাড়ানো যায় তাহলে ডিভাইস কম ব্যাবহার করি।

অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন আমার 5mb প্যাকেজ দিয়ে দুইটা ফোন চালাই তাও সমস্যা হয়,

তাদের বলি আপনি YouTube বা Facebook এ যে রেজুলেশনে ভিডিও দেখছেন ওই রেজুলেশন দেখতে 10mb / 12mb প্যাকেজ লাগবে,
আর ওগুলো ISP যদি ফ্রী না দিতো তাহলে 50mb প্যাকেজ লাগতো।

ISPর দেওয়া আজকের ফ্রী
Userদের আগামী দিনের অধিকার

যদি এটা মনে না করতাম তাহলে ISP থেকে আরও অনেক কিছুই ফ্রী পাইতাম,

রাউটার কেনার ব্যাপারে

300mbps 4G ধারণ ক্ষমতাপূর্ন রাউটার কিনেছি 700/1000 টাকায় তাহ‌লে আমার রাউটারে কি সমস্যা হতে পারে?

তাহলে আমি একটি উদাহরণ দিচ্ছি,
মার্কেটে 3,000 টাকায় 4G Smart Phone পাওয়া যায়,
আপনি সেইটা না নিয়ে 20,000 টাকায় উন্নত মানের 4G Smart Phone কেন কিনলেন?

জিনিস যেটা ভালো, দাম তার বেশিই
আমরা যে কি মাল সেটা বাহিরের প্রডাক্ট ইনপোর্টাররা বুঝে গেছে

বুঝি কম, বুঝাই বেশি
অবশেষে আমরা বাঙ্গালী

ফ্রি লাইন চালানোর চাহিদাটা এসেছে ডিশ(ক্যাবল টিভি) লাইন থেকে। একসময় ডিশ ব্যবসায়ী মানেই ছিলো এলাকার কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি...
03/11/2020

ফ্রি লাইন চালানোর চাহিদাটা এসেছে ডিশ(ক্যাবল টিভি) লাইন থেকে। একসময় ডিশ ব্যবসায়ী মানেই ছিলো এলাকার কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি অথবা মহল্লার ক্ষমতাশীল বড় ভাই। সেই বড় ভাইর কাছ থেকে একটা লাইন ফ্রি চালানো মানে, গ্রহীতাও নিজেকে একরকমের ভাই মনে করতেন। যদিও সে বিল না দিলেও ডিশ কোম্পানির আহামরি তেমন কোন ক্ষতি হয়না, কারণ ডিশের কোন ব্যান্ডউইথ কস্ট নেই। এলাকা ভিত্তিত মাসিক ফিড হিসেবে একটা ফিক্সড টাকা আপস্ট্রীম কে দিতে হয়।
কিন্তু লোকজন তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে ইন্টারনেট কে ডিশ মনে করে। যেখানে প্রতিটা ইউজারের পিছনে ইন্টারনেট সেবা দানকারী প্রাতিষ্ঠানের মাসিক অনেক টাকা খরচ হয়। এখানে প্রশ্ন আসে, টাকা খরচ করে একটা সংযোগ কিভাবে কোম্পানী ফ্রি দিবে? জিনিস টা এমন না যে, একবার দিলো কিন্তু এর জন্য আর কোন খরচ নাই।
একটা সর্বনিম্ন প্যাকেজ যার মাসিক মূল্য ৫০০ টাকা হলেও, এর পিছনে কোম্পানীকে ব্যান্ডউইথ+সার্ভিস+যন্ত্রপাতি+অফিস + অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ হিসেব করলে কমপক্ষে ৪০০ টাকা খরচ হয়। এই হিসেবটা একজন ব্যবসায়ী ছাড়া আর কারো পক্ষে বুঝা সম্ভব নয়। এরপর আছে মাঝে মধ্যে এদের আবার ক্যাবল বদলানো, কানেক্টর চেঞ্জ, রাউটার সমস্যার সমাধান। এই ফ্রি লাইনের সমস্যা কিন্তু আবার সাধারণ ইউজারদের থেকে বেশী। সার্ভিসের জন্য ফোনটা আবার সরাসরি মালিকের কাছে। ফোন না ধরতে পারলে আবার নানান রঙের মেসেজ। এখন প্রশ্ন হলো, নিজের টাকা খরচ করে মাস/বছরব্যাপী একটা সার্ভিস চালানো কতোটা সম্ভব? এখানেই শেষ নয়, এরপর আছে এদের আবার সুপারিশ। অন্য আরেকজন লোক নিয়ে এসে বলবে, "ভাই, এইটা আমার বন্ধু, বিলটা একটু কমাই দেন।" মানে নিজেতো দিবেই না, আরো কিছু ক্ষতি করে গেল।
ছোট একটা হিসেব দেই। ধরেন, একজন ইউজারের পিছনে যদি মাসে একটা ছোট প্রতিষ্ঠানের ৪০০ টাকা খরচ হয়, আর ৫০টি ফ্রি লাইন থাকে। সেক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের মাসে প্রায় বিশ হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে। বছরে লোকসান হচ্ছে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা যা দিয়ে ছোট মানের এইসব প্রতিষ্ঠানের অনেক উন্নতি সম্ভব। যা কিনা উন্নতির নামে উল্টো বেশীরভাব প্রতিষ্ঠান ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। সাময়িক সমস্যা মনে না হলেও দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেকের ব্যবসা।
অন্যদিকে, এই যাদের জন্য এতো সমস্যা, এরা চাইলেই কিন্তু মাসের বিলটা অনায়াসে দিতে পারে, যেখানে এদের অনেকেই প্রতিদিন হাজার টাকাও খরচ করে নিজেদের বিনোদনে। তারপরও ফ্রি চাইবে, কারণ এই ফ্রি লাইন চালানোটা তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে।
এরা জানতেও চায় না বা চাইবেও না কখনও যে, তাদের মোবাইল বা কম্পিউটারের মনিটরে ভেসে আসা একটি পেইজ, এইসব ছোট প্রতিষ্ঠানের কতটা পরিশ্রমের ফসল।
ধন্যবাদ সবাইক

ইন্টারনেট মৌলিক মানবাধিকারেরই অংশইন্টারনেট আবিষ্কারের ২৫ বছর চলছে। এই ২৫ বছরে প্রায় চার শ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহারে ...
25/07/2020

ইন্টারনেট মৌলিক মানবাধিকারেরই অংশ
ইন্টারনেট আবিষ্কারের ২৫ বছর চলছে। এই ২৫ বছরে প্রায় চার শ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। এর আগের যেকোনো প্রযুক্তির চেয়ে এটি দ্রুত মানুষ গ্রহণ করেছে এবং এর অগ্রগামিতা বাড়ছেই। বাণিজ্যিকভাবে গাড়ি উৎপাদন শুরু করার ২৫ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশেই ১ শতাংশের কম মানুষ একটি গাড়ির মালিক হতে পেরেছিল। মাইকেল ফ্যারাডে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যন্ত্র আবিষ্কার করার ১৪০ বছর পর পৃথিবীর অর্ধেকের কম মানুষের কাছে তা পৌঁছেছিল। কিন্তু ইন্টারনেট তার গতিতেই মানুষের কাছে পৌঁছেছে।

নতুন আবিষ্কৃত যেকোনো জিনিসকেই প্রথমে বিলাসসামগ্রী হিসেবে মনে করা হয়। ধীরে ধীরে সেটি প্রাত্যহিক জীবনের প্রয়োজনীয় জিনিস হয়ে ওঠে। তার ওপর মানুষের নির্ভরতা বাড়তে থাকে। চলমান করোনা মহামারির কারণে আমাদের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ, দূরশিক্ষণ, টেলিমেডিসিন, ব্যাংকিং, সাংবাদিকতা ও নানা ধরনের সামাজিক সেবা দেওয়া–নেওয়ার বিষয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তির ওপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি। মহামারির কারণে আমাদের অনেককেই অনিচ্ছায় হলেও প্রযুক্তির সহায়তায় কাজ করতে হচ্ছে। এতে একসময় যা আমাদের কাছে নিতান্ত দুর্বোধ্য ছিল, তা ধীরে ধীরে এখন সহজ হয়ে আসতে শুরু করেছে। আমাদের অনেকেই এখন বুঝতে শুরু করেছি, ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের অবরুদ্ধ হয়ে থাকা এই জীবনে আরও বড় বিপর্যয় নেমে আসবে।

ভেবে দেখুন বিশ্বের বাকি অর্ধেক মানুষের নাগালের মধ্যে ইন্টারনেট নেই এবং ইন্টারনেট সুবিধার বাইরে থাকা এই বিপুলসংখ্যক মানুষের একটি বড় অংশ করোনা মোকাবিলা করছে। বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোর ৮০ শতাংশ মানুষ অনলাইন দুনিয়ার আলো থেকে এখনো বিচ্ছিন্ন। যারা ইন্টারনেট সুবিধার মধ্যে আছে, তারা অনলাইন শিক্ষা পাচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে। কেনাকাটা করতে পারছে। পরস্পরের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ রাখতে পারছে। বিশ্বের হালনাগাদ খবর পাচ্ছে। অর্থাৎ আধুনিক বিশ্বের নাগরিক সুবিধা তারা ভোগ করতে পারছে। আর অন্যদিকে যারা ইন্টারনেটের আওতার বাইরে, তাদের জীবনযাপন ইন্টারনেট সুবিধাপ্রাপ্তদের জীবনযাপনের চেয়ে বহু গুণ পিছিয়ে। তার মানে অনলাইন সুবিধা থাকা বা না থাকার মধ্য দিয়ে গোটা মানবজাতির মধ্যে একধরনের বিভক্তি তৈরি হচ্ছে। যারা ইন্টারনেট সুবিধা পাচ্ছে তারা যত দ্রুত বিশ্বকে বুঝতে পারছে, যারা ইন্টারনেট পাচ্ছে না তারা সে তুলনায় অন্ধ অবস্থায় থেকে যাচ্ছে। ইন্টারনেট সুবিধা যেভাবে সাম্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে, তেমনিভাবে এটি বৈষম্যের কারণও হয়ে উঠছে। এ কারণে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর সবার জন্য তুলনামূলক সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হলে মৌলিক অধিকারের মধ্যে ইন্টারনেটকেও অন্তর্ভুক্ত করা দরকার হয়ে পড়েছে। যেকোনো পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা ও উন্নয়নের রাস্তায় তুলে আনতে হলে সেই জনগোষ্ঠীর জন্য ইন্টারনেট–সেবা সহজলভ্য করতেই হবে।

মানবাধিকার, বৈশ্বিক পরিবেশ, বৈশ্বিক শান্তি, সংঘাত নিরসন—এ ধরনের ইস্যুতে বৃহত্তর জনসংযোগ দরকার। এর প্রধান হাতিয়ার ইন্টারনেট। ইন্টারনেটের কোনো সীমান্ত নেই এবং এটি নিয়ন্ত্রণে সরকারের চেয়ে বেসরকারি খাতই বেশি ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন দেশ বিভিন্নভাবে ইন্টারনেটের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা অবাধই রয়েছে। ইন্টারনেট যাতে আরও সহজলভ্য হতে পারে, সে জন্য বৈশ্বিক উদ্যোগ নিতে হবে। সম্প্রতি জাতিসংঘের মহাসচিব একটি রোডম্যাপ ফর ডিজিটাল কো-অপারেশন প্রকাশ করেছেন। সেই রূপরেখায় ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য ইন্টারনেট–সেবা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। ইন্টারনেট–সেবাপ্রাপ্তিকে মানবাধিকার হিসেবে ধরে নিয়ে এই সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ ডিজিটাল নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলার কথাও ওই রূপরেখায় বলা হয়েছে।

গত সপ্তাহে ওই রোডম্যাপ উন্মোচনের সময় ওয়ার্ল্ডওয়াইড ওয়েবের (ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ) আবিষ্কারক স্যার টিম বার নার্স লি বলেছেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতকে এক হয়ে ইন্টারনেট মাধ্যমটিকে এগিয়ে নিতে হবে। প্রাইভেসি পলিসি অনুসরণ করে ভুল তথ্যপ্রবাহ ঠেকাতে হবে। ইন্টারনেটের জগৎকে প্রথমত সবার জগৎ এবং এরপরই সবার জন্য নিরাপদ জগৎ হিসেবে গড়তে হবে।

আল–জাজিরা থেকে নেওয়া। ইংরেজি থেকে অনূদিত

ফেবরিজিও হোসশিল্ড জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল

08/07/2020
ওয়াই-ফাই কানেকশন নিতে আপনাকে যা যা করতে হবে ,১. প্রথমে আপনাকে রাউটার কিনতে হবে ।(দামঃ ১০০০-৫০০০+ টাকা)২. আপনার ওইখানের ব...
28/06/2020

ওয়াই-ফাই কানেকশন নিতে আপনাকে যা যা করতে হবে ,

১. প্রথমে আপনাকে রাউটার কিনতে হবে ।(দামঃ ১০০০-৫০০০+ টাকা)

২. আপনার ওইখানের ব্রডব্যান্ড সাপ্লাইয়ারের সাথে কথা বলে ব্রডব্যান্ড কানেকশন নিবেন । (কানেকশন চার্জ ৫০০-১০০০ টাকা স্থান ভেদে এবং মাসিক বিল ৫০০-৩০০০+ টাকা ডাটা স্পীড এর উপর নির্ভর করে)

৩. এরপর ব্রডব্যান্ড সাপ্লাইয়ার এসে আপনার সবকিছু সেটাপ করে দিবে । আপনি শুধু প্রয়জনিয় জিনিসগুলো তাদের কিনে দিলেই তারা এসে লাইন সেটাপ করে দিবে ।

প্রাথমিক পর্যায়ে আপনাকে ২৫০০ - ৩০০০ টাকা বাজেট রাখলেই আপনি ব্রডব্যান্ড কানেকশন নিতে পারবেন ।

 #ব্রডব্যান্ড কি? (What is Brodband?)কানেকশন,যার গতি কমপক্ষে ২০০ কিলোবিটস প্রতি সেকেন্ড হতে অত্যন্ত উচ্চগতি পর্যন্ত হয়ে ...
23/06/2020

#ব্রডব্যান্ড কি? (What is Brodband?)

কানেকশন,যার গতি কমপক্ষে ২০০ কিলোবিটস প্রতি সেকেন্ড হতে অত্যন্ত উচ্চগতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। কো-এক্সিয়াল কেবল, অপটিক্যাল ফাইবার কেবল,স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন, মাইক্রো-ওয়েভ কমিউনিকেশন কিংবা নেটওয়ার্কিং প্রক্রিয়ায় ডাটা স্থানান্তরে সাধারণত ব্রডব্যান্ড ব্যবহূত হয়। ডাটা কমিউনিকেশন স্পিডের তারতম্যের ফলে বিভিন্ন ব্যান্ডের উদ্ভব
হয়। আর এসব ব্যান্ড আবার বিভিন্ন গতিসম্পন্ন বিভিন্ন প্রযুক্তিতে ডাটা স্থানান্তরে ব্যবহার হয়ে থাকে।তার মধ্যে কিছু হল ডিএসএল (DSL)।
ডিএসএল (DSL) এর পূর্ন রূপ হলো Digital Subscriber Line, যা কিনা কপার এর টেলিফোন লাইন এর মাধ্যমে সংযোগ দিয়ে থাকে ।
#ফাইবার (Fiber) :
ফাইবার অপটিক ব্রডব্যান্ড সাধারন্ত “ফাইবার” নামেই পরিচিত। প্রচলিত কপার তার বা
কো-অক্সিয়াল ক্যাবলের তুলনায় অনেক
দ্রুত গতিতে ডাটা আদাব প্রদান করে থাকে। ফাইবার অপটিক ক্যাবল সাধারন্ত ডাটা পরিবহনের লাইট সিগনাল বা আলোক তরঙ্গ ব্যবহার করে থাকে।ফাইবার অপটিক এর ডাটা ট্রান্সফার (Data Transfer) রেট প্রায় ১০০ টেরাবিট প্রতি সেকেন্ড (Per Second)
#ক্যাবল (Cable) :
"ব্রডব্যান্ড" কি এবং কি এর ব্যবহার 3ক্যাবল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রচলিত ক্যাবল টিভি (Television) এর লাইনের মাধ্যমেই ডাটা পরিবহন করে থাকে ।স্বাভাবিক ভাবে ক্যাবল ইন্টারনেট এর স্পিড ৬ এমবিপি এস থেকে ১৮ এমবিপিএস (Mbps) পর্যন্ত ।যেখানে আরো উন্নত মানের ক্যাবল নেটওয়ার্ক ৭৫ এমবিপিএস পর্যন্ত স্পিড দিতে পারে । কেবল ইন্টারনেট গতি একই কেবলের সংযোগের মাধ্যমে একই সান্নিধ্যের মধ্যে উপস্থিত ব্যবহারকারীদের দ্বারা প্রভাবিত হতে পারেন।
#স্যাটেলাইট (Satellite):
স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড মুলত পৃথিবীর চারিদিকে ঘুর্নায়মান স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড সেখানেই ব্যাবহার করা হয়ে থাকে যেখানে প্রচলিত
টেরিস্ট্রিয়াল ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি যেমন ডিএসএল (DSL) বা ফাইবার অপটিক ক্যাবল পৌছানো সম্ভব না । এর ইন্টারনেট গতিকে প্রচলিত DSL
সংযোগের সাথে তুলনা করা যেতে পারে।এর স্পিড ৭৬৮ কেবিপিএস থেকে ১০ এমবিপিএস (Mbps) হতে পারে।কিন্তু এর স্পিড নির্ভর করে অনেকটা আবহাওয়া ও স্যাটেলাইটের পজিশনের উপর।

#মোবাইল_ব্রডব্যান্ড (Mobile Brodband):
তারহীন মোবাইল ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি এক্সেস করা হয়ে থাকে ৩জি (3G) বা ৪জি(4G) এবং এলটিই (LTE ) সক্রিয় সেলফোন বা ই-বুক রিডার এর মাধ্যমে । এর স্পিড নির্ভর করে ডাটা (Data) ক্যারিয়ার ও ব্যাবহারকারীর দুরত্বের উপর। সবচেয়ে দ্রুত গতির তারহীন প্রযুক্তি এলটিই (LTE) সর্বোচ্চ ১৫০ এমবিপিএস (Mbps) পর্যন্ত
স্পিড দিয়ে থাকে ।

Address

J. M Shangupta Road, Joor Pukur Par
Chandpur
3600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when H.M Enterprise, POP 21 Joor Pukur Par Chandpur. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to H.M Enterprise, POP 21 Joor Pukur Par Chandpur.:

Share