Computer Vision & Photocopy

Computer Vision & Photocopy All kind Office Equipment Trader

22/01/2025

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নেপালের ভিসা ফ্রি! 🇳🇵
বাংলাদেশি নাগরিকরা প্রতি বছর একবার নেপালের ফ্রি ভিসা পেতে পারেন।
👉 প্রথমবার ফ্রি, দ্বিতীয়বার ভিসা ফি দিতে হবে।
👉 ভিসার মেয়াদ: ৬ মাস (৩০ দিনের ভ্রমণ অনুমতি)।
ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস 📋:
1️⃣ পাসপোর্ট (মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস)।
2️⃣ ২ কপি ছবি (সাইজ: ৩.৫x৪.৫ সেমি)।
3️⃣ জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি (NID)।
4️⃣ ব্যাংক স্টেটমেন্ট: শেষ ৩ মাসের।
5️⃣ এনওসি বা ট্রেড লাইসেন্স: চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ীদের জন্য।
6️⃣ হোটেল বুকিং ডকুমেন্টস।
7️⃣ বিমানের রাউন্ড ট্রিপ টিকিট।
8️⃣ আবেদন ফর্ম।
প্রসেসিং টাইম এবং ঠিকানা 📍:
• ঠিকানা: নতুন বাজার, আমেরিকান এম্বাসির পেছনে, নেপাল এম্বাসি।
• আবেদন জমা: সকাল ৯:০০ – দুপুর ১২:৩০।
• ডেলিভারি টাইম: দুপুর ২:০০ – বিকাল ৪:০০।
• প্রসেসিং টাইম: মাত্র ৩ দিন।
অতিরিক্ত তথ্য ✈️:
• শিশুদের জন্য বাবা-মায়ের পাসপোর্ট ও স্কুলের NOC জমা দিতে হবে।
• ভিসার তারিখ নির্ধারণের সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী সঠিক দিন উল্লেখ করুন।
• ফ্রি ভিসার সুবিধা বছরে মাত্র একবার প্রযোজ্য।
• ট্যুরিজমের জন্য অক্টোবর-ডিসেম্বর সেরা সময়।
বিশেষ পরামর্শ ⚠️:
• নেপালে হিমালয় অঞ্চলে ঘোরার জন্য গাইড রাখুন।
• পর্যাপ্ত নেপালি রুপি নিয়ে নিন, কারণ সব জায়গায় কার্ড চলে না।
• পরিবার নিয়ে ভ্রমণে সবাইকে আলাদা ডকুমেন্টস নিতে হবে।
💡 পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে অন্যরাও উপকৃত হতে পারে।

11/11/2024

🛑নতুন জাপান ভিসা আবেদন পদ্ধতি
বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ফি লাগবেনা শুধু vfs ১৯০০ টাকা সার্ভিস ফি নিবে।
সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে ইন্টারভিউ ফেস করতে হবেনা এবং ভিসা ইস্যু হবে ডকুমেন্টস বেজড্। আমি এটাকে সুখবর ই বলবো ।
৩ নভেম্বর, ২০২৪ থেকে, ভিএফএস গ্লোবাল (VFS Global) জাপান দূতাবাসের পক্ষ থেকে ভিসা আবেদন পরিষেবা প্রদান করবে। জাপান দূতাবাস এর পর সরাসরি ভিসার আবেদন গ্রহণ করবে না।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস :
১. এপ্লিকেশন ফর্ম
২. ভেলিড পাসপোর্ট ও ফটোকপি
৩ .পুরনো পাসপোর্ট ও ফটোকপি
৪ .ছবি ২ কপি – ৩৫*৪৫
৫ .এয়ারলাইন্স বুকিং কপি
৬ .হোটেল বুকিং কপি
৭ . ট্যাক্স পেমেন্ট রিসিপ্ট ( লাস্ট ৩ বছরের )
৮ .ব্যাংক স্টেমেন্ট ( বিগত ছয় মাসের )
৯ . ভিজিট শিডিউল
১০ .এন ও সি
১১ কাভার লেটার
** এক্সট্রা বৈধ ডকুমেন্টস
যদি গ্যারান্টার থাকে
১ .ইনভাইটেশন লেটার গ্যারান্টেরের কাছ থেকে
২ .গ্যারান্টারের সাথে সম্পর্কের প্রত্যয়িত বা ব্যাখ্যা করার নথি
৩ .ব্যাংক স্টেটমেন্ট 6 মাসের সর্বশেষ (ব্যক্তিগত/কোম্পানী) যদি ভ্রমণ খরচ জাপানে বসবাসকারী একজন গ্যারান্টার দ্বারা বহন করা হয়
৪ .গ্যারান্টি লেটার

 # ভারতীয় টুরিষ্ট ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর, মাত্র ১ দিনের মধ্যে আবেদন পত্র জমা দেওয়ার ডেট পাওয়া যাচ্ছে যমুনা ফিউসার ...
14/05/2024

# ভারতীয় টুরিষ্ট ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর, মাত্র ১ দিনের মধ্যে আবেদন পত্র জমা দেওয়ার ডেট পাওয়া যাচ্ছে যমুনা ফিউসার পার্কে। তাই দেরি না করে ভিসা আবেদন করতে চলে আসুন low cost tour Bangladesh
#আজ যারা টুরিষ্ট ভিসার আবেদন করেছেন তারা আবেদন পত্র জমা দেওয়ার ডেট পেয়েছেন আগামী কাল
#আমাদের কাছে আরো যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন
#ইন্ডিয়ান যে কোন রুটের ট্রেনের/এয়ার টিকিট
#ইন্ডিয়ান হাসপাতালের ডাক্তার অপয়েন্টমেন্ট ডেট
পেতে চলে আসুন আমাদের অফিসে।
#ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ও মেডিকেল ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সূমহ
#মূল পাসপোর্ট (৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)
#২বাই২ ছবি সাদা ব্যগগ্রাউন্ড (পুরাতন ছবি, চশমা পড়া ছবি, পূর্ববতী ভিসায় ব্যবহিত ছবি চলবে না)
#বিদ্যুত বিল অথবা পানির বিল অথবা টেলিফোন বিল যেকোন একটির ফটোকপি
#ব্যংক স্টেটমেন্ট ৬ মাসের ( টুরিস্ট ভিসার জন্য ৩০ হাজার টাকা ও মেডিকেল ভিসার জন্য ৫০ হাজার টাকা থাকতে হবে) অথবা ডলার ইন্ডোজ করতে হবে ১৫০ ডলার সমপরিমান
#পেশাগত প্রমাণ পত্র যেমন ব্যবসা করলে ট্রেড লাইসেন্স, চাকুরী করলে চাকুরির প্রত্যয়ন, কৃষি কাজ করলে জমির পর্চা
#পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে) আবশ্যই দিয়ে হবে
#সুডেন্ট হলে পিতার আথবা মাতার পেশাগত প্রমান পত্র এবং পিতা অথবা মাতার ব্যংক স্টেটমেন্ট
#ইন্ডিয়ান ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট আথবা ভিসা ইনভিটেশন লেটার(শুধু মাত্র মেডিকেল ভিসার জন্য)
#বাংলাদেশী ডাক্তারের পেসক্রিপশন ও মেডিকেল রিপোর্ট(শুধু মাত্র মেডিকেল ভিসার জন্য)
#যেকোনো তথ্যের জন্য সরাসরি আমাদের অফিসে চলে আসুন অথবা আমাদের ফোন করুন এই নাম্বারে
01816-210383

20/03/2024
06/02/2024

ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা প্রসেসিং এর জন্য
১)মূল পাসপোর্ট
২) ২/২ ইঞ্চি রঙিন ছবি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড হতে হবে
৩) এন আইডি কপি
৪) বর্তমান ঠিকানার বিদ্যুৎ বিল
৫) ব্যাংক স্টেটমেন্ট লাষ্ট ৬ মাসের
৬) চাকরি হলে এনওসি,
ব্যাবসা হলে ট্রেড লাইসেন্স,

💥💥💥💥💥💥💥💥💥💥💥

25/12/2023

RU Admission:
১. প্রাথমিক আবেদন শুরু: ৮ জানুয়ারি, দুপুর ১২ টা
২. প্রাথমিক আবেদন শেষ: ১৭ জানুয়ারি, রাত ১২ টা
৩. ১ম পর্যায়ের চূড়ান্ত আবেদন: ২৬ জানুয়ারি - ২৯ জানুয়ারি
৪. ২য় পর্যায়ের চূড়ান্ত আবেদন: ১ ফেব্রুয়ারি - ৩ ফেব্রুয়ারি
৫. ৩য় পর্যায়ের চূড়ান্ত আবেদন: ৬ ফেব্রুয়ারি - ৭ ফেব্রুয়ারি
৬. ৪র্থ পর্যায়ের চূড়ান্ত আবেদন: ১০ ফেব্রুয়ারি - ১১ ফেব্রুয়ারি
৭. সি ইউনিট(বিজ্ঞান) এর ভর্তি পরীক্ষা: ৫ মার্চ ২০২৪
৮. এ ইউনিট(মানবিক) এর ভর্তি পরীক্ষা: ৬ মার্চ ২০২৪
৯. বি ইউনিট(বাণিজ্য) এর ভর্তি পরীক্ষা: ৭ মার্চ ২০২৪
Etra Info:
১. প্রতি ইউনিটের চারটা শিফটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম শিফট: ৯টা -১০টা, ২য় শিফট: ১১টা - ১২ টা, ৩য় শিফট: ১ টা- ২টা, ৪র্থ শিফট: ৩.৩০টা - ৪.৩০টা।
২. প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ৭২ হাজার পরীক্ষা দিতে পারবে।
৩. প্রাথমিক আবেদন ফি ৫৫ টাকা। চূড়ান্ত আবেদন ফি 'বি' ইউনিটের (বাণিজ্য) জন্য ১১০০ টাকা, এবং 'এ' ইউনিট (মানবিক) ও 'সি' ইউনিটের চূড়ান্ত আবেদন ফি ১৩২০ টাকা।

With high quality and competitive price, Inkstone laser cartridge is renowned for its superior printing performance. Con...
25/11/2023

With high quality and competitive price, Inkstone laser cartridge is renowned for its superior printing performance.
Contacts:
+8801816-210383

21/09/2023

একটি কীবোর্ডে মোট ৮৪ থেকে ১০১টি কোন কোন কীবোর্ডে আবার ১০২টি কী থাকে।ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে কীবোর্ডকে মোটামুটি ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমনঃ (১) ফাংশন কী (২)এ্যারো কী (৩) আলফা বেটিক কী (৪) নিউমেরিক বা লজিক্যাল কী (৫) এছাড়া আরও বেশ কিছু কী আছে যেগুলোকে ‘বিশেষ কী’ হিসেবে ধরা যায়।কীবোর্ডকে আবার তিনটি অংশে ভাগ করে নেওয়া যায়। যেমন বাম পাশের অংশ, মাঝের অংশ ও ডান পাশের অংশ। (১) ফাংশন কীঃ কীবোর্ডের বাম পাশের অংশে সবচেয়ে উপরে এক লাইনে পাশাপাশি এফ১ থেকে এফ১২ আবার কোন কীবোর্ডে এফ১৫ পর্যন্ত কী থাকে এই কীগুলোকে ফাংশন কী বলে। এগুলো প্রত্যেকেই স্বয়ং সম্পূর্ণ এক একটি নির্দেশ বা কমান্ড কী। (২) এ্যারো কীঃ কীবোর্ডের মাঝের অংশে নীচে চারটি তীর চিহ্নিত কী আছে, এদেরকে অ্যারো কী বলে।কোন ডকুমেন্ট ফাইলে কাজ করার সময় এটা ব্যবহার করে মাউসের পয়েন্টারকে উপরে-নীচে, ডানে-বামে সরানো যায়। (৩)আলফা বেটিক কীঃ কীবোর্ডের বাম পাশের অংশে যেখানে এ থেকে জেড পর্যন্ত (কিউ থেকে এম) কীগুলো সাজানো রয়েছ এই অংশকে আলফা বেটিক অংশ এবং এই কীগুলোকে আলফা বেটিক কী বলে। (৪) নিউমেরিক বা লজিক্যাল কীঃ বামপাশের অংশে ফাংশন কী এর নীচের লাইনে ১ থেকে ০ পর্যন্ত সংখ্যা এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন সম্বলিত কীগুলোকে নিউমেরিক বা লজিক্যাল কী বলে। এছাড়া কীবোর্ডের ডান পাশের অংশেও অনুরূপ সংখ্যা ও সাংকেতিক চিহ্নযুক্ত কী আছে এগুলোও এই লজিক্যাল কী এর অংশভুক্ত। (৫) বিশেষ কীঃ কীবোর্ডের অনেকগুলো কী বিশেষ বিশেষ কার্যসম্পন্ন করে থাকে।কাজের বিশেষত্বে এদেরকে বিশেষ কী বলা যায়। যেমন- (ক) Esc: ইএসসি কীঃ কম্পিউটারে প্রদাণ করা কোন নির্দেশ পালনের আগেই সেটা বাতিল করার জন্য এই কী ব্যবহার হয়। (খ) Tab: ট্যাব কীঃ এই কী দ্বারা কোন তথ্য বা লেখা ডকুমেন্ট লাইনকে নির্দিষ্ট দুরত্বে সরিয়ে নেওয়া যায়। (গ) Caps Lock: ক্যাপস লক কীঃ কীবোর্ডের নিউমেরিক ও অলফাবেটিক কীগুলোর প্রতিটি কী-তে তিনটে করে অক্ষর থাকে এবং এগুলো উপরে ও নীচের অংশে বিভক্ত থাকে। সাধারণত: ক্যাপস লক কী অফ অবস্থায় থাকে এবং এ ইংরেজী ছোট হাতের লেখা বা স্মল লেটার লেখা হয়। কিন্তু বাংলা অক্ষর লেখার ক্ষেত্রে নীচের অংশের লেখাগুলো লেখা যায়। এটা আবার লোয়ার কেস বলে। ক্যাপস লক কী অন থাকলে ইংরেজী হাতের লেখা বড় হাতের হয় অর্থাৎ ক্যাপিটাল লেটার হয়। বাংলা লেখার ক্ষেত্রে অবশ্য উপরের অংশের অক্ষরগুলো লেখা হয়।এটাকে আপার কেস বলে।এই কী অন থাকলে কীবোর্ডের ডান পাশে কোণায় ছোট একটি বাতি জ্বলতে থাকে। (ঘ) Shift: শিফট কীঃ এই কী চেপে ধরে লিখলে বড় হাতের বা ক্যাপিটাল লেটার লেখা হয় বাংলায় উপরের লেখাগুলো লেখা যায়।এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে কমান্ড সহযোগি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। (ঙ) Ctrl: সিটিআরএল কীঃ এটা একটি কমান্ড কী বা কম্পিউটারকে নির্দেশ প্রদাণের কী। কিন্তু এটা ফাংশন কীগুলোর মতো স্বয়ং সম্পূর্ণ নয়। এই বোতাম চেপে ধরে কীবোর্ডথেকে অন্য অক্ষরযুক্ত বোতাম চেপে কমান্ড মিতে হয়। (চ) Alt: এএলটি কীঃ বিভিন্ন প্রোগ্রামে বিভিন্ন নির্দেশ দেওয়ার জন্য সহযোগি কমান্ড কী হিসেবে কাজ করে। (ছ) Space Bar স্পেসবার কীঃ কীবোর্ডের সবচেয়ে বড় বোতাম এটি। পাশাপাশি কিছু অক্ষর বা শব্দের মধ্যে বিরতি বা ফাক তৈরীর কাজে এই কী ব্যবহার করা হয়। (জ) Delete ডেল বা ডিলেট কীঃ ডকুমেন্টের কোন অংশ বা সম্পূর্ণ অংশ মুছে ফেলতে এই কী ব্যবহৃত হয়। (ঝ) Enter কীঃ এটি মূলত: একটি কমান্ড কী। কম্পিউটারকে কোন নির্দেশ দিয়ে তা কার্যকর করার জন্য এই কী ব্যবহার করা হয়। লেখার সময় নতুন প্যারা তৈরীতেও একে ব্যবহার করা হয়। (ঞ) Pushe/Break: কম্পিউটারে কোন লেখা দ্রুতগতির কারণে পড়তে অসুবিধা হলে এই কী চাপ দিয়ে তা পড়া যায়। (ট) Print Screen: কম্পিউটারের পর্দায় দৃশ্যত যা কিছু থাকে তা প্রিন্ট নিতে এই কী ব্যবহার করা হয়। (ঠ) Home : এই কী ব্যবহার করে মাউস পয়েন্টার লেখা বা পাতার প্রথমে আনা যায়। (ড) End : এই কী ব্যবহার করে মাউস পয়েন্টার লেখা বা পাতার শেষে আনা যায়। (ঢ) Page Up: এই কী ব্যবহার করে মাউস পয়েন্টার লেখা বা পাতার উপরের দিকে নেওয়া যায়। (ণ) Page Down: এই কী ব্যবহার করে মাউস পয়েন্টার লেখা বা পাতার নীচের দিকে নেওয়া যায়। (ত) Insert: কোন লেখার মাঝে লিখলে তা সাধারণত লেখার পানদিকে লেখা হয়, কিন্তু এই ব্যবহার করে লিখলে তা আগের লেখা বর্ণের উপর ওভার রাইটিং হয়। কাজ শেষে আবার এই কী চাপলে তা আগের অবস্থানে ফিরে আসে। (থ) Back Space: লেখার পিছনের অংশ মুছে ফেলতে এই কী ব্যবহার করা হয়। (দ) Num Look: এই কী চাপা থাকলে কীবোর্ডের ডান পাশের অংশের কীগুলো চালু হয়।এটা চালু থাকলে কীবোর্ডের ডান কোনায় ছোট বাতি জ্বলতে থাকে। (ধ) Start Menu key: এই কী চেপে ষ্ট্যাট মেনুর বিভিন্ন প্রোগ্রাম ওপেন করা যায়। এছাড়াও মাল্টিমিডিয়া কীবোর্ডে আরও তিনটি কী দেখা যায়, যেমন- (ন) Stand by Mood: এই কী চাপলে কম্পিউটার ষ্ট্যান্ড বাই মডে চালু থাকবে কিন্তু মনিটর বন্ধ হয়ে যাবে। (প) Mail key: এই কী চাপলে আউট লুক এক্সপ্রেস চালু হয় এবং তা দিয়ে মেইল পাঠানো বা মেইল পড়া যায়।তবে ইন্টারনেট চালু থাকতে হবে। (ফ) Web key : এই কী ব্যবহার করে সরাসরি ইন্টারনেট ব্রাউজার ওপেন করা যায় এবং ব্রাউজ করা যায়। মোটামুটি এই হলো আমাদের কীবোর্ডের বিভিন্ন অংশ।

আসন্ন শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১০ আগস্ট থেকে। আবেদন করা যাবে ২০ আগস্ট প...
31/07/2023

আসন্ন শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১০ আগস্ট থেকে। আবেদন করা যাবে ২০ আগস্ট পর্যন্ত।

28/06/2023

#ট্রেনের_সিট_প্রকারভেদ

বাংলাদেশ সব ট্রেনেই কয়েক ধরণের সিট বা কোচ ক্লাস/শ্রেণী থাকে। টিকেট কেনার সময় বিশেষ করে অনলাইনে টিকেট কেনার সময় সেখানে সিট ক্লাস/শ্রেণী পছন্দ করতে গিয়ে অনেকেই বুঝতে পারেন না, কোন সিট কেমন ধরণের হয় বা ঐ সিটের বিশেষ কি সুবিধা আছে।

আবার অনেকেই হয়তো জানেন না সিট ক্লাস কোডের পূর্ণ রূপ কি বা সেই সিট কেমন বা কি সুবিধা/অসুবিধা আছে। তাদের জন্যে এই আর্টিকেল। এখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন ট্রেনে যে ধরণের সিট বা কোচ ক্লাস/শ্রেণি টাইপ থাকে তা নিচে তুলে ধরা হলো।

পুরো নাম শোভন (Shovan)। নন এসি শোভন ক্লাসের চেয়ার সিট। দেশের সকল মেইল ট্রেন ও কিছু আন্তঃনগর ট্রেনে শোভন সিট থাকে। ট্রেনের সবচেয়ে কম খরচের সিট এবং আরামদায়ক নয় এই সিট।

পুরো নাম শোভন চেয়ার (Shovan Chair)। নন এসি এই সেকেন্ড ক্লাস শোভন চেয়ার সিট প্রায় সব আন্তঃনগর ট্রেনে থাকে। শোভন চেয়ারের ভাড়া শোভন এর চেয়ে বেশী। সিট মোটামুটি আরামদায়ক। শোভন চেয়ার, শোভন এর চেয়ে ভালো সিটের হয়ে থাকে।

পুরো নাম স্নিগ্ধা (Snigdha)। এসি চেয়ার (AC Chair) হিসেবেও পরিচিত। এসি কোচের চেয়ার সিট। দেশের সব আন্তঃনগর ট্রেনে না থাকলেও বেশিরভাগ জনপ্রিয় গন্তব্যের ট্রেনে স্নিগ্ধা কোচ থাকে। সীট শোভন চেয়ারের চেয়ে আরামদায়ক। পুরো কোচ এসি থাকায় ভ্রমণও আরামদায়ক হয়।

পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস চেয়ার (First Class Chair)। নন এসি চেয়ার। শোভন চেয়ার (F_CHAIR) এর চেয়ে আরামদায়ক সিট। সব আন্তঃনগর ট্রেনে এই টাইপ থাকেনা।

পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস বার্থ (First Class Berth)। নন এসি কেবিন সিট। রাতের ট্রেনে এই ক্লাস পাওয়া যায়। এখানে ঘুমানোর সুযোগ রয়েছে। দিনের বেলায় এই কোচ ক্লাস (F_SEAT) ফার্স্ট ক্লাস সিট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

পুরো নাম ফার্স্ট ক্লাস সিট (First Class Seat)। দিনের ট্রেনে নন এসি কেবিন গুলো এই সিট হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এখানে ঘুমানোর সুযোগ নেই, বসে যেতে হবে। মূলত (F_BERTH) কেবিন গুলোই দিনের বেলা (F_SEAT) সিট হিসেবে ব্যবহার হয়।

পুরো নাম এসি বার্থ (AC Berth)। এয়ার কন্ডিশনড কেবিন। শুধু রাতের ট্রেনে এই ক্লাস পাওয়া যায়। ২ অথবা ৪ সিটের কেবিন হয়ে থাকে। বাংলাদেশের দূরপাল্লার আন্তঃনগর রাতের ট্রেনে এই কেবিন থাকে। বাংলাদেশের ট্রেন গুলোর মধ্যে সবচেয়ে আরামদায়ক ও বেশী খরচের সিট।

পুরো নাম এসি সিট (AC Seat)। এয়ার কন্ডিশনড সিট। মূলত এসি বার্থ (AC_B) কেবিন গুলো দিনের বেলার যাত্রার সময় এসি সিট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

কোন যাত্রায় কেমন সিট সিলেক্ট করবেনঃ

১। দূরপাল্লার ট্রেন ভ্রমণের জন্যে শোভন এর টিকেট না কেনাই ভালো। সিট গুলো আরামদায়ক না হওয়ায় দূরের যাত্রাপথ আপনার জন্যে কষ্টকর হয়ে যাবে। তার উপর শোভন কোচে স্ট্যান্ডিং মানুষ বেশী থাকে এবং পরিবেশ তেমন ভাল হয়না।

২। যদি কম খরচ ও একটু আরামদায়ক সিটে ট্রেন ভ্রমণ করতে চান তাহলে শোভন চেয়ার (নন এসি) সিট সবচেয়ে ভালো হবে। খরচ ও কম হবে এবং সিটে বসে আরাম ও পাবেন।

৩। এসি কোচের কথা চিন্তা করলে স্নিগ্ধা সবচেয়ে ভালো।

৪। রাতের বেলায় কেবিন গুলো দিনের বেলায় সিট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু কেবিনে বসে যাওয়াটা একটু কষ্টকর। সেই হিসেবে দিনের বেলা নন এসি ফার্স্ট ক্লাস সিট (F_SEAT) বা এসি সিট (AC_S) এ না গিয়ে শোভন চেয়ার বা স্নিগ্ধাতে ভ্রমণ আরামদায়ক হবে।

৫। যদি পরিবার নিয়ে ভ্রমণ করেন এবং প্রাইভেসি চান তাহলে দিন বা রাত কেবিন পুরোটা বুক করলে ভালো হবে।

ছবিতেঃ ভারতের ভিস্তা ডোম কোচ।

18/06/2023

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: ২০২৩
,------------------------------------------------------
২৪ জুন থেকে ০৭ জুলাই পর্যন্ত আবেদন চলবে।
চলে আসুন Computer Vision & Photocopy

Address

Chandina
Chandina
3510

Telephone

+8801816210383

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Computer Vision & Photocopy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Computer Vision & Photocopy:

Share

Category