26/05/2024
বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় “রেমাল”। মোংলা ও পায়রা বন্দরে জারি করা হয়েছে দশ নম্বর মহাবিপদ সংকেত, অর্থাৎ বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ মাত্রার ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে। এছাড়াও চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে জারি করা হয়েছে ৯ নম্বর বিপদ সংকেত। ২৬ মে সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় “রেমাল” আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় পূর্ববর্তী ও চলাকালীন সময়ে নিম্নোক্ত পদক্ষেপসমূহ দুর্ঘটনা এড়াতে, জীবন ও সম্পদ বাঁচাতে সাহায্য করবে :
- কাঁচা ও আধাপাকা ঘরের ক্ষতিগ্রস্থ চাল, দরজা, জানালা থেকে দুরে থাকুন। ঘূর্ণিঝড়ের আগেই নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান গ্রহণ করুন এবং ঘূর্ণিঝড় শেষ না পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করুন।
- বৃদ্ধ, শিশু, গর্ভবতী নারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিন।
- গৃহপালিত পশুপাখিকে নিরাপদে সরিয়ে নিন। নিরাপত্তার স্বার্থে গবাদী পশুর বাঁধন খুলে রাখুন।
- মরা ও শুকিয়ে যাওয়া গাছের ডাল বা গাছ সরিয়ে ফেলুন।
- সাইনবোর্ড, টিনের শিট ভাল ভাবে বেঁধে রাখুন।
- যেকোনো ধরনের গাছ থেকে দুরে থাকুন, ধারালো জিনিস (ঘরের চালের টিন, কাচ) থেকে সাবধান থাকুন।
- অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ঔষধ, টর্চলাইট, মোমবাতি, দেয়াশলাই, পরিধেয় কাপড় প্রস্তুত রাখুন।
- বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, মোবাইল ফোনের ব্যাটারী ফুল চার্জ করে রাখুন, বাড়ির বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ রাখুন।
# ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী পদক্ষেপসমূহ :
- ঘূর্ণিঝড়ের পরে বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করুন। বৃষ্টির পানি বিশুদ্ধ। মাটির বড় হাঁড়িতে বা ড্রামে পানি রেখে তার মুখ ভালোভাবে আটকিয়ে রাখতে হবে, যাতে পোকা-মাকড়, ময়লা-আবর্জনা ঢুকতে না পারে।
- নোংরা পানি ফিটকারি বা ফিল্টার দ্বারা খাবার ও ব্যবহারের উপযোগী করে নিন।
জরুরী ফোন নম্বর সমূহ :
১. ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস- ৯৯৯
২. জাতীয় দুর্যোগ কেন্দ্রের হটলাইন নাম্বার- ৫৫১০১১১৫, ৫৫১০১২১৭
৩. মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ: ০২-৪৭৭৭৫৩৭৭৩
৪. পায়রা সমুদ্র বন্দর কর্তৃপক্ষ টেলিফোন: ৯৬১০২০২২৪৬, হেল্পলাইন: ২৬১০
৫. কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ: ০১৮৭২৬১৫১৩২
#রেমাল #ঘূর্ণিঝড় #জরুরীফোননম্বর