তৌহিদের স্বপ্নরাজ্য

তৌহিদের স্বপ্নরাজ্য Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from তৌহিদের স্বপ্নরাজ্য, Computer repair service, Vill: Bagdha, Dist::Barisal. BAngladesh, Barishal.

আজ আমি আপনাদেরকে দেখাবো কিভাবে যেকোন Gmail Account বা Data Permanently Delete করতে হয়। তাহলে চলুন শুরু করা যাক...আপনি যে...
10/06/2022

আজ আমি আপনাদেরকে দেখাবো কিভাবে যেকোন Gmail Account বা Data Permanently Delete করতে হয়।

তাহলে চলুন শুরু করা যাক...

আপনি যে Gmail Account টি Delete করতে চান। ঐ Gmail Account থেকে আপনাকে এই Link এ গিয়ে Account Preferences থেকে Delete your account or services Option টিতে Click করতে হবে। নিচের ছবিটির মতঃ

এরপর যে Page টি আসবে ওখানে লক্ষ করুন দু’টি Option থকবে -

1. Delete Products ও

2. Delete Google Account and data.

Delete Products:

এই Option টির কাজ হল আপনার Gmail এর যে সকল Product রয়েছে। যেমনঃ- Blogger, Google Drive, Calendar, Google+, Documents, Contacts ইত্যাদি Product গুলো Delete করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

Delete Google Account and data:

এই Option টির কাজ হল আপনার Full Gmail Account টি Delete করার জন্য ব্যবহার করা হয়। আর আমরা Option টির কাজ করবো। তার মানে আমরা Full Gmail Account টি Delete করবো। নিচের স্ক্রিনশটটি দেখুনঃ

এবার আপনাকে আপনার Gmail Account টির Password টি ‍দিয়ে Next Button এ Click করতে হবে। নিচের ছবিটির মতঃ

এরপর যে Page টি আসবে ঐ Page এর মধ্যে লক্ষ করুন Download your data নামের একটি Link পাবেন। ওখানে Click করলে আপনার Gmail এর মধ্যে যত গুলো Data আছে তা Download হয়ে যাবে।

নিচের ছবিটি দেখুনঃ

এবার ঐ Page এর নিচে গেলে দেখতে পাবেন All this content will be deleted এর মধ্যে Blogger, Gmail, YouTube, Calendar এই Option গুলো। আর এ গুলো Delete করার জন্য আমাদেরকে নিচের দু’টি Box এ টিক মার্ক ‍দিয়ে Delete Account Button এ Click করতে হবে। নিচের ছবিটি দেখুনঃ

ব্যাস আপনার কাজ শেষ। এবার Gmail এ ‍Login করতে গেলে দেখবেন Couldn't find your Google Account হিসেবে দেখবে। নিচের ছবিগুলো দেখুনঃ

আশা করি সবাই বুঝতে পারছেন। আর যদি না বুঝে থাকেন তা হলে অবশ্যই Comment করে জানাবেন।

সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন....

কম্পিউটার ড্রাইভ ‘সি’ থেকে শুরু যে কারণেকম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপে কখনোই ‘A’ কিংবা ‘B’ ড্রাইভ থাকে না। ড্রাইভগুলোর নাম ‘C’...
09/06/2022

কম্পিউটার ড্রাইভ ‘সি’ থেকে শুরু যে কারণে
কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপে কখনোই ‘A’ কিংবা ‘B’ ড্রাইভ থাকে না। ড্রাইভগুলোর নাম ‘C’ থেকে শুরু হয়। কিন্তু কেন?

আপনি যদি কম্পিউটারের শুরুর দিককার ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে এ প্রশ্নের উত্তর হয়তো আপনার জানার কথা। কিন্তু আপনি যদি বর্তমান প্রজন্মের ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে নিশ্চয়ই আপনার মনে এই প্রশ্ন উদয় হয় যে, উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের আপনার কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপের ড্রাইভের নাম ‘C’ থেকে শুরু কেন?

অর্থাৎ কম্পিউটারের মূল ড্রাইভ সর্বদা ‘C’ থেকে শুরু হয় এবং এরপর অন্যান্য ড্রাইভগুলো ধারাবাহিকভাবে ‘D’, ‘E’, ‘F’ এরকম হয়ে থাকে। আর যদি কম্পিউটারে ইউএসবি ড্রাইভ ব্যবহার করেন, তাহলে সেটি ‘G’ এবং ‘H’ হয়ে থাকে। সুতরাং ‘A’ এবং ‘B’ ড্রাইভের কী হলো?

যা হোক, এবার উত্তরটি জেনে নিন। কম্পিউটার যখন প্রথম দিকে বাজারে আসে, তখন তাতে ইন্টারনাল স্টোরেজ ছিল না। কম্পিউটারে স্টোরেজ হিসেবে শুরুর দিকে ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ ব্যবহার করা হতো। ফ্লপি ডিস্ক কম্পিউটারে প্রাথমিক অবস্থায় ‘A’ ড্রাইভ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ফ্লপি ডিস্ক দুই ধরনের মাপের ছিল ৫ ১/৪ ইঞ্চি এবং ৩ ১/২ ইঞ্চি। ফলে কম্পিউটারে যখন উভয় ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহার করা হতো, তা ‘A’ এবং ‘B’ ড্রাইভ নামে ছিল।

এরপর ১৯৮০ সালের দিকে যখন কম্পিউটারের ইন্টারনাল স্টোরেজ হিসেবে হার্ডডিস্ক আসে, তখন সেটি ধারাবাহিকতা অনুসারে ‘C’ ড্রাইভ নামে ব্যবহৃত হতে থাকে। কারণ তখনো কম্পিউটারে এক্সটারনাল স্টোরেজ হিসেবে ‘A’ এবং ‘B’ ড্রাইভ ছিল। হার্ডডিস্কে সাধারণত কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়। ধীরে ধীরে সময়ের পরিক্রমায় অতি অল্প স্টোরেজ ক্ষমতার ফ্লপি ডিস্কের ব্যবহার কম্পিউটার কমতে থাকে। এবং পরবর্তী সময়ে ফ্লপি ডিস্ক পুরোপুরি অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ায়, কম্পিউটার থেকে থেকে বিদায় নেয় ফ্লপি ডিস্ক এবং ‘A’ এবং ‘B’ নাম দুইটি। কিন্তু হার্ডডিস্ক আজও অক্ষুণ্ন থাকায় মূল ড্রাইভ হিসেবে হার্ডডিস্ক ‘C’ নামেই রয়েছে।

তবে আপনার কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপের হার্ডডিস্ক ড্রাইভটি যে ‘C’ হিসেবেই আজীবনের জন্য নির্ধারিত তা কিন্তু নয়। আপনি চাইলে কম্পিউটারের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অপশন থেকে ড্রাইভের নাম ‘A’ করতে নিতে পারবেন।

কিভাবে আপনি আপনার টাইপিং স্প্রিট বৃদ্ধি করবেন। মাত্র কয়েক ঘন্টায় হয়ে যান টাইপিং মাস্টার! কীবোর্ডে উড়ে চলবে আপনার আঙ্গুল!...
08/06/2022

কিভাবে আপনি আপনার টাইপিং স্প্রিট বৃদ্ধি করবেন। মাত্র কয়েক ঘন্টায় হয়ে যান টাইপিং মাস্টার! কীবোর্ডে উড়ে চলবে আপনার আঙ্গুল!

আপনি কি এখনো কীবোর্ড দেখে টাইপ করেন? ধীর গতির কাজের জন্য সব সময় পিছনে পড়ে থাকেন? আপনার কচ্ছপগতি টাইপ স্পিডের জন্য চ্যাটের অপর প্রান্তের ব্যক্তি পালিয়ে যায়? আপনার এই সব সমস্যার সমাধান হবে এই টিউনে।

কম্পিউটার চালাতে হলে ভাল টাইপ স্পিডের অনেক সময়ই দরকার হয়। ডকুমেন্ট, ব্লগ, চ্যাট সর্বপোরি টাইপ স্পিডের দরকার সব সময়ই। তাহলে চলুন টাইপ স্পীড বাড়ান যাক।
প্রথমে আগে আপনার টাইপ স্পীড মেপে নিন। অনলাইনে টাইপ স্পীড মাপার জন্য এক মিনিটের এই পরীক্ষা দিন।
https://10fastfingers.com/typing-test/english

পরীক্ষাতো হলো এবার আপনার টাইপ স্পীড বাড়ানোর পালা। আপনি খুব সহজেই Typing Master pro সফটওয়্যার দিয়ে এই কাজটি চালিয়ে যেতে পারেন। কিভাবে বাড়াবে স্পীড? এক নজরে দেখা যাক

১২টি লেসন থেকে আপনি খুব সহজেই A-Z শিখতে পারবেন।

রিভিউ অপশন থেকে আপনার দূর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে ইম্প্রুভ করতে পারবেন।
গেমে গেমে চর্চা করুন স্পিড।
টেস্ট করে নিন স্পীড।
সাথে সাথে টিপসতো থাকছেই
সবশেষে দেখে নিন প্রোগ্রেস রিপোর্ট
দৈনিক দুই লেসনের বেশি না করলেই ভাল। আর টিপসগুলো ফলো করবেন।
বিস্তারিত জানুন এখানে
https://www.typingmaster.com/typing-tutor/free-download.html?now
ডাউনলোড
Typing Master Pro
সাইজ মাত্র চার মেগাবাইট। সিরিয়াল কী দেয়ার পূর্বে নেট অফ করে নিবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে।

ওয়াইফাই রাউটার নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রযুক্তি পণ্য হিসেবে জায়গা করে নিয়েছি। বাসা কিংবা অফিসে ব্যবহৃত এই ওয়াইফাই রাউটার দিয়েই চ...
07/06/2022

ওয়াইফাই রাউটার নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রযুক্তি পণ্য হিসেবে জায়গা করে নিয়েছি। বাসা কিংবা অফিসে ব্যবহৃত এই ওয়াইফাই রাউটার দিয়েই চলছে মোবাইল, ল্যাপটপ, ডেক্সটপ এমনকি স্মার্ট টিভিও। আর এত ডিভাইসে রাউটিং সম্পন্ন করতে প্রয়োজন হয় সিকিউরিটি সিস্টেম বা প্রটোকল এর। টেকপ্রেমী মেহেদী হাসান পলাশ এর কাছে জানবো ওয়াইফাই রাউটারে এসপিআই ফায়ারওয়াল নিরাপত্তা সম্বন্ধে।

ওয়াইফাই রাউটার এসপিআই ফায়ারওয়াল নিরাপত্তা সুরক্ষা (1)

আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সকল ডাটা এই ওয়াইফাই রাউটারের হাত ধরেই আদান-প্রদান হচ্ছে, তাই এর সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তাও অনেক বেশি। বেশিরভাগ কর্পোরেটরাই অনেক ভালো মানের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার ফায়ারওয়াল ব্যবহার করে তাই তাদের ফায়ারওয়াল সম্পর্কে কিছু বলবনা। আজকে শুধু আপনাদেরকে পরিচয় করিয়ে দিব হোম এবং কিছু বিজনেস ক্লাস ওয়াইফাই রাউটারে থাকা এসপিআই (SPI) ফায়ারওয়ালের সাথে। ১৯৯৪ সালে চেক পয়েন্ট সফটওয়্যার নামক প্রতিষ্ঠানটি প্রথম এসপিআই ফায়ারওয়াল তৈরি করেন।

এসপিআই ফায়ারওয়াল বেসিক আলোচনাঃ

এসপিআই ফায়ারওয়াল

ফায়ারওয়ালের কাজ কিঃ

সফটওয়্যার কিংবা হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল থাকলে ইন্টারনেটের সব ডেটাই ফায়ারওয়ালের মাধ্যমে আসা যাওয়া করে, ফায়ারওয়াল পর্যবেক্ষণ করে প্রতিটা ডেটা/তথ্য/উপাত্ত সিকিউরিটির নিয়মকানুনগুলো মেনে চলছে কিনা।

রাউটারে এসপিআই (SPI= স্ট্যাটফুল প্যাকেট ইন্সপেকশান) ফায়ারওয়ালের কাজ কি?

ওয়াইফাই রাউটার এসপিআই ফায়ারওয়াল নিরাপত্তা সুরক্ষা (2)বাসা বাড়িতে যে রাউটারগুলো রয়েছে তার বেশিরভাগে বিল্ট ইন ফায়ারওয়াল হিসেবে রয়েছে এসপিআই ফায়ারওয়াল। এই ফায়ারওয়ালের কাজও অন্যান্য সাধারন ফায়ারওয়ালের মতই। ডেটা মূলত প্যাকেট আকারে আদান-প্রদান হয়। এসপিআই ফায়ারওয়াল রাউরের মাধ্যমে আদন-প্রদান হওয়া কোন প্যাকেটের অসংগতি পেলেই তা বাতিল করে দেয়। ফলে ওয়াইফাই রাউটার বিভিন্ন ধরনের ইন্টারনেট থ্রেট ও ডেনিয়াল অব সার্ভিস অ্যাটাক থেকে থাকে সুরক্ষিত। ফায়ারওয়ালটির কিছু সংক্ষিপ্ত মেমোরি রয়েছে যা মনে রাখে কোন প্যাকেট কোন আইপি ও পোর্ট থেকে এসেছে এবং কোন প্যাকেটের পর কোন প্যাকেট এসেছে। যার ফলে হ্যাকার কোন প্যাকেট পাঠালে তা ফায়ারওয়াল বাতিল করে দেয়।

তাছাড়াও এই ফায়ারওয়াল দিয়ে আপনি রাউটার থেকে নির্দিষ্ট কোন সাইট ব্লকসহ আরও অনেক সুবিধা পেতে পারেন।

router

ওয়াইফাই রাউটারে ফায়ারওয়াল কিভাবে সেটআপ করবেন?

খুবই সহজ, মাত্র কয়েক ক্লিকেই সেটআপ করতে পারবেন। আধুনিক প্রায় সকল রাউটারে ফায়ারওয়াল ডিফল্ট হিসেবে সেট করাই থাকে। তারপরেও নিজেই চেক করে নিতে পারেন।

১। রাউটারের অ্যাডমিন প্যানেলে লগিন করি

২। টিপি-লিংক, সিসকো, টেন্ডা রাউটার ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রে > Security অপশানে যাই

spi-firewallযাদের সেটিং উপরের চিত্রের মত আছে তাদের কিছুই করতে হবেনা। শুধুমাত্র নিচের চিত্রের মত থাকলে সেটআপ প্রযোজ্য।

টিপি লিংক রাউটারে যে SPI Firewall লেখার পর দুটি রেডিও বাতন/ গোল দুটি চিহ্ন দেখা যাচ্ছে।

িগীাৈোতত-2এই ছবির মত থাকলে Enable লেখার বাম পাশের গোল বৃত্তে ক্লিক করুন।

enableEnable লেখা বৃত্ত/ রেডিও বাটনের মধ্যের অংশটিতে কালো চিহ্ন আসলে নিচের চিত্রের মত সেইভ বাটনে কিল্ক করুন।

enable-2এরপর পেইজ রিফ্রেশ হলেই কাজ শেষ।

একইভাবে সিসকো রাউটার-

এসপিআই ফায়ারওয়ালতো হয়ে গেল ওয়াইফাই রাউটার সুরক্ষা ব্যবস্থায় এসপিআই ফায়ারওয়াল সেটিং। গড়ে তুললেন নিরাপদ ইন্টারনেট ভ্রমন ব্যবস্থা 🙂

কেমন লাগলো জানাতে ভূলবেন না। আর সমস্যা হলে জানাবেন মন্তব্যের ঘরে 🙂

টেলিগ্রাম কি কেন কিভাবেঃবর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলতে ফেসবুক, ফেসবুক মেসেঞ্জার, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো...
06/06/2022

টেলিগ্রাম কি কেন কিভাবেঃ

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলতে ফেসবুক, ফেসবুক মেসেঞ্জার, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো’র পাশাপাশি টেলিগ্রাম নামে আরেকটি মাধ্যমও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এর মত ব্যবহারকারী না থাকলেও অচিরেই এদের স্থান দখল করে নিবে বলে ধারনা করা যাচ্ছে।

চলুন টেলিগ্রাম সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক।

প্রথমেই টেলিগ্রাম কি তা সম্পর্কে জানা যাক। টেলিগ্রাম হচ্ছে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এর মতই একটি সামাজিক যোগাযোগের অনলাইন মাধ্যম। টেলিগ্রাম এর জনপ্রিয় হয়ে উঠার পেছনে মূল কারন এর সুরক্ষা ফিচার।

এর একটি গুরুত্বপূর্ন ফিচার হল এর মাধ্যমে পাঠানো কোন বার্তায় কোন ভুল থাকলে তা আবার এডিট করা যায়। ভুল বানান বা শব্দটি সঠিক করে পুনরায় পাঠানোর প্রয়োজন পড়ে না। তবে বার্তা পাঠানোর সাথে সাথে এই ফিচারটি কাজ করে। অনেক সময় পূর্বে পাঠানো বার্তা এডিট করা যায় না।

টেলিগ্রাম অনেক লো এন্ড ডিভাইসেও সাবলীলভাবে কাজ করতে পারে।

টেলিগ্রাম এর ইন্টারফেসঃ
টেলিগ্রাম এর ইন্টারফেস ইউজার ফ্রেইন্ডলি। ব্যবহারকারী চাইলে নিজের পছন্দমত ইন্টারফেস সাজিয়ে নিতে পারবেন। নরমাল মোড, ডার্ক মোড ফিচার এর পাশাপাশি ব্যবহারকারী ইন্টারফেসের অপশনগুলোর রঙ পরিবর্তন করতে পারবেন।

টেক্সটিং ও কলিংঃ

টেলিগ্রাম একটি ইন্সট্যান্ট মেসেজিং প্লাটফর্ম। এটি দুর্বল গতির ইন্টারনেট দিয়েও দ্রুত টেক্সট ডেলিভারি দিতে পারে। এর ভয়েস কলিং কোয়ালিটিও অন্যান্য মাধ্যমগুলোর তুলনায় বেশ ভাল। তবে সম্প্রতি যুক্ত হওয়া ভিডিও কলিং ফিচার এখনও ডেভেলপ হচ্ছে।

ফাইল শেয়ারিংঃ

টেকিগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপুর্ন ফিচারটি হচ্ছে, এর মাসদুমে ২ জিবি পর্যন্ত ফাইল শেয়ার করা যায়। অর্থ্যাৎ ব্যবহারকারীর কোন ফাইল যদি ২ জিবি পর্যন্ত হয় সেটি সে ইন্সট্যান্ট মেসেজ এর মাধ্যমেই পাঠাতে পারবেন। এর জন্য আলাদা করে গুগল ড্রাইভ বা ড্রপবক্স এ স্টোরেজ করে লিংক শেয়ার এর প্রয়োজন পড়বে না।

প্রাইভেসি ও সিকিউরিটিঃ

প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি এর দিক থেকে অন্যান্য ব্যবহৃত যেকোন ইন্সট্যান্ট মেসেজিং প্লাটফর্ম থেকে টেলগ্রামকে এগিয়ে রাখতেই হবে। টেলিগ্রাম সরাসরি ক্লায়েন্ট এনক্রিপশন ব্যবহার করে বার্তা পাঠানোয় কাজ করে। ফলে ব্যবহারকারীদের মাঝ থেকে বার্তা বা ফাইল হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

ব্যবহারকারী যে বার্তাটি মেসেজ বক্সে লিখে সেটি একটি কোড আকারে প্রেরিত হয়। যাকে বার্তাটি পাঠানো হয়েছে তার ডিভাইসে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিকোড হয়ে যায়। এছাড়া ফেসবুক মেসেঞ্জারের মত সিক্রেট চ্যাট অপশন তো থাকছেই।

এত সব সুবিধার মাঝে কিছু অসুবিধাও রয়েছে। প্রাইভেসি ও সিকিউরিটির ব্যপারে টেলিগ্রাম এগিয়ে থাকলেও শতভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে না এই মাধ্যমটি। এছাড়া অডিও ও ভিডিও কলিং এও আরও ডেভেলপ করা যাতে পারে।

সব মিলিয়ে বলতে গেলে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এর মত জনপ্রিয় মাধ্যম না হলেও টেলিগ্রাম এর ফিচারগুলো কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে। ফাইল শেয়ারিং এর মাধ্যম হিসেবে এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
, , ,

প্রোগ্রমিং কনটেস্ট কি? কিভাবে শিখব? কোথা থেকে শিখব তার সংক্ষিপ্ত বিবরন দেওয়া হলঃ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কমেন্ট বক্সে কম...
05/06/2022

প্রোগ্রমিং কনটেস্ট কি? কিভাবে শিখব? কোথা থেকে শিখব তার সংক্ষিপ্ত বিবরন দেওয়া হলঃ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুনঃ

কেন প্রোগ্রমিং শিখব?

প্রোগ্রামিং করা মানে আনন্দের সাথে শেখা। এই শেখাটা খালি কম্পিউটারের মধ্য সীমাবদ্ধ না, অধিকাংশ ভালো প্রোগ্রামারদের খুবই ভালো গাণিতিক এবং লজিকাল জ্ঞান থাকে। দাবা খেলার মতোই প্রোগ্রামিং পুরোটাই লজিকের খেলা, কোন কাজের পর কোনটা করলে কি হবে, কিভাবে করলে আরো দ্রুত ফলাফল আসবে এইসব নিয়ে চিন্তা করতে করতে মস্তিষ্কের লজিকাল সেক্টরটা ডেভেলপ করে। আমার মতে চিন্তা করার মত আনন্দের এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ ২য়টি নেই। বিশেষ করে কম বয়সে প্রোগ্রামিং শিখালে সে চিন্তাশক্তি বৃদ্ধির যেই সুফলটা পাবে সেটা সারাজীবন কাজে লাগবে, সে যদি প্রোগ্রামিং পরে ছেড়েও দেয় তারপরেও চিন্তা করার ক্ষমতাটা থেকে যাবে।

প্রোগ্রামিং কি শুধু কম্পিউটার সাইন্স যারা পড়ে বা পড়তে চায় তারা শিখবে? সেটার কোনো যুক্তি নেই, তুমি যেই বিষয় নিয়েই পড়ছো বা পড়তে চাও, প্রোগ্রামিং তুমি আনন্দের জন্যই শিখতে পারো এবং চাইলে তোমার কাজেও লাগাতে পারো। তুমি বিজ্ঞানের যেকোনো বিষয়ে লেখাপড়া করলেতো কথাই নেই, তোমার গবেষণায় প্রতি মূহুর্তে কম্পিউটার লাগবে, তুমি বিজনেস, আর্টস পড়লেও প্রোগ্রামিং কাজে লাগবে। তুমি কোম্পানির জন্য দারুণ একটি ওয়েবসাইট বানাতে পারো, একটি সফটওয়্যার বানাতে পারো যেটা যেসব কাজ বোরিং সেগুলো স্বয়ংক্রিয় ভাবে করে দিবে! আমি অনেক সময় ছোটো-খাটো কিন্তু বোরিং কাজ করার সময় চট করে একটা স্ক্রিপ্ট লিখে ফেলি, তারপর সেটাকে কাজ করতে দিয়ে ঘুম দেই!

প্রোগ্রামিং শেখা কি খুব কঠিন? উত্তর হলো হ্যা,যদি তোমার আগ্রহ না থাকে এবং কেও তোমাকে জোর করে শেখায়। যদি একবার মজা পেয়ে যান তাহলে এরপর কারো শেখানো লাগবেনা, নিজেই সব শিখে ফেলতে পারো। আমার উপদেশ হবে ২-৩ সপ্তাহ প্রোগ্রামিং করার পর যদি তোমার ভালো না লাগে তাহলে জোর করে করার দরকার নাই, এটা তোমার জন্য না, অন্য যেটা ভালো লাগে সেই কাজ করো। যদি একবার ভালো লাগে বাজী ধরে বলতে পারি কোড লিখতে লিখতে তুমি প্রায়ই খাবার কথাও ভুলে যাবে। যেকোন কাজের জন্যই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো ভালো লাগা, যেটা ভালো লাগেনা সেটা করার কোনো অর্থ আমি দেখিনা কারণ দুইদিন পর যা শিখসি সব ভুলে যাবো।

শুরু করব কিভাবে?

শুরু কিভাবে করবে? তোমার যদি ইন্টারনেট কানেকশন থাকে তাহলে কথাই নেই, ইন্টারনেটে অসংখ্য টিউটোরিয়াল আছে। ইংরেজীর পাশাপাশী বাংলা কিছু ভালো রিসোর্সও তুমি পাবে। এছাড়া খান একাডেমিতেও প্রোগ্রামিং এর ভিডিও আছে, বরাবরের মতই খুবই সুন্দর করে বুঝিয়েছেন সালমান খান। ইন্টারনেট না থাকলে তোমাকে বই জোগাড় করতে হবে, ব্যাক্তিগত ভাবে বিগিনারদের জন্য আমি ইন্টারনেটের থেকে বইকেই বেশি গুরুত্ব দিবো। প্রোগ্রামিং এর বইয়ের অভাব নেই দোকানে, তামিম শাহরিয়ার সুবিন ভাইয়ের একটি দারুণ বাংলা বই আছে। তবে একটা ব্যাপারে সতর্ক থাকবে “৭দিনে প্রোগ্রামিং শেখা” এই ধরণের চটকদার বইয়ের বা সাইটের ধারেকাছে যাবে, এগুলো সবকিছু ঝাপসা ভাবে শেখাবে, হার্ভার্ড শিল্ডের বইয়ের মত নামকরা এবং ভালো বই দেখে শিখো, বেসিক জিনিসগুলো পরিষ্কার হবে। এছাড়া লাগবে প্রোগ্রামিং এর জন্য কিছু সফটওয়্যার, এগুলোও সহজেই জোগাড় করতে পারবে। এরপর শুরু করে দাও কোড লেখা!! প্রথম ২ সপ্তাহ তোমার বেশ ঝামেলা লাগবে কারণ বিষয়টা নতুন, একটু পরপর আটকে যাবে, তারপর হঠাৎ দেখবেন সবকিছু সহজ হয়ে গিয়েছে, মূহুর্তের মধ্যেই ১০০ লাইনের কোড লিখে ফেলেছো। প্রোগ্রামিং শেখার প্রধান শর্ত হলো হাল ছাড়া যাবেনা। প্রথম দিকে কোনো কোড কপি পেস্ট করবেনা, নিজের হাতে লিখবে।
কিছু প্রোগ্রামিং কনটেস্ট সাইট নিম্নে দেওয়া হলঃ

https://www.hackerearth.com/getstarted-competitive-programming/
https://www.hackerrank.com/contests/cp-tutorial/challenges
https://exercism.org/
https://www.spoj.com/
https://www.topcoder.com/community/practice
https://codeforces.com/?f0a28=1
https://www.codewars.com/
https://www.codechef.com/
https://codegym.cc/
https://codepen.io/challenges
https://www.codingame.com/start
https://leetcode.com/
https://www.geeksforgeeks.org/
https://projecteuler.net/archives
https://www.beecrowd.com.br/judge/en/problems/index/1?origem=1
https://challenges.reply.com/tamtamy/home.action
https://codingcompetitions.withgoogle.com/kickstart
https://codingcompetitions.withgoogle.com/codejam
https://www.kaggle.com/learn
https://www.sololearn.com/home
https://geektastic.com/
https://codingbat.com/java
https://codesignal.com/
https://edabit.com/
, , , , , , , , , , , ,

কম্পিউটারের র্যাম (ram) কি ? এর কাজ এবং প্রকারভেদর্যাম (RAM) কাকে বলে: এখনের সময়ে কম্পিউটার বিষয়ক জটিল জিনিস গুলি নিয়ে আ...
27/06/2020

কম্পিউটারের র্যাম (ram) কি ? এর কাজ এবং প্রকারভেদ

র্যাম (RAM) কাকে বলে: এখনের সময়ে কম্পিউটার বিষয়ক জটিল জিনিস গুলি নিয়ে আপনার জ্ঞান আছে কি নেই সেটা পরের কথা।

📷Ram বলতে কি বোঝায় ?

তবে, কম্পিউটার বিষয়ক কিছু সাধারণ বিষয় গুলির ওপর আপনার জ্ঞান থাকা টা কিন্তু অনেক জরুরী।

এখনের যুগ হলো কম্পিউটার প্রযুক্তির (computer technology) যুগ।

প্রত্যেকটি কাজ আজকাল কম্পিউটারের মাধ্যমেই করা হয়

এবং তাই, কম্পিউটার বিষয়ক কিছু সাধারণ জ্ঞান যদি আপনার না থাকে, তাহলে বেপারটা আপনার জন্য ভবিষ্যতে বিভিন্ন খেত্রে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

তাই, আজকে আমরা কম্পিউটারের একটি বিশেষ এবং অনেক জরুরী অংশ নিয়ে কথা বলবো।

এবং সেই জরুরি অংশটি হলো, “RAM”. (About ram in Bangla).

আজকে আমরা জেনে নিবো “ram কি” (What Is RAM in Bangla), “ram এর কাজ কি” “ram এবং rom এর পার্থক্য কি”, এবং শেষে র্যাম এর বিশিষ্ট্য এবং প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে আপনার জেনে নেবো।

কম্পিউটার বিষয়ক কিছু প্রশ্ন ও উত্তর

তবে মনে রাখবেন, র্যাম বা ram বলতে কেবল ডেস্কটপ কম্পিউটার (desktop computer) এর ram বোঝায়না।

একটি র্যাম (ram) যেভাবে আমাদের কম্পিউটার ও ল্যাপটপের জন্য জরুরি, সেভাবেই স্মার্টফোন গুলিতেও এর প্রয়োজনীয়তা ঠিক একি।

কারণ আমাদের মোবাইল বা স্মার্টফোন (smartphone) গুলিও এক ধরণের computer device.

এবং সেটাই কারণ যার জন্য, আমরা কম্পিউটার ও মোবাইল দুটোই কেনার ক্ষেত্রে, র্যাম (ram) কতটুকু রয়েছে সেটা আগেই দেখে নেই।

তাই, কম্পিউটার হোক বা আধুনিক স্মার্টফোন, র্যাম (ram) এর পরিভাষা দুটো ক্ষেত্রেই সমান বা একি।

তাহলে চলুন, নিচে আমরা প্রথমেই “র্যাম কি বা ram কাকে বলে” এই বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু করি।

র্যাম (ram) কি ? (What Is A Ram in Bangla)

র্যাম এর সম্পূর্ণ নাম বা ram এর পূর্ণ রুপ হলো হলো “র‌্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি” ইংরেজিতে “random access memory.

তাছাড়া, কিছু ক্ষেত্রে একে “direct access memory” বলেও বলা হয়.

RAM হলো কম্পিউটারের একটি অনেক জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ hardware.

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার কি ?

তবে, র্যাম এর পূর্ণ রূপ বা ফুল ফর্ম এর বেপারে জানার পর, হয়তো আপনি এই বিষয়ে কিছুই বুঝতে পারলেননা।

চলুন, র্যাম এর ব্যাপারে আমরা অল্প সরল এবং সহজ ভাবে বোঝার চেষ্টা করি।

কম্পিউটারের ram হলো, এমন একটি “স্টোরেজ মেমরি ডিভাইস“, যেটা কিছু সময়ের জন্য, যেকোনো “এপ্লিকেশন (application)” প্রসেস (process) করার উদেশ্যে, এপ্লিকেশনের সাথে জড়িত বিভিন্ন তথ্য (information) এবং ডাটা (data) অস্থায়ী ভাবে নিজের কাছে জমা রাখে।

কম্পিউটারকে দেওয়া আপনার কাজের নির্দেশ অনুসারী, বিভিন্ন তথ্য (information) বা ডাটা (data), ram নিজের মেমোরিতে সেভ (save) বা সঞ্চিত করে রাখে।

এতে, অনেক সহজে এবং দ্রুত ভাবে কম্পিউটার, আপনার নির্দেশ হিসেবে কাজ গুলিকে প্রসেসরের কাছে তুলে দিতে পারে।

এবং, মনে রাখবেন, ram কেবল কিছু সময়ের জন্য যেকোনো information বা data নিজের কাছে জমা রাখে।

কাজ প্রসেস হয়ে হয়ে গেলে বা কম্পিউটার রিস্টার্ট (restart) ও turn off করে দিলেই, সকল অস্থায়ী তথ্য ও ডাটা ram থেকে নাই হয়ে যাবে।

Ram যেকোনো কম্পিউটারের সব থেকে জরুরি একটি অংশ।

কেননা, আমাদের কম্পিউটার বা স্মার্টফোন কতটা দ্রুত ভাবে কাজ করবে, সেটা নির্ভর করবে কম্পিউটারের ram memory এর ওপরে।

কম্পিউটারের ব্যবহার এবং উপকারিতা

তাহলে, র্যাম (Ram) বলতে কি বুঝায় বিষয়টি বুঝতে পারলেন তো ?

কম্পিউটারে Ram এর কাজ কি ?

যখনি আমরা কম্পিউটারকে কোনো কাজ দেই, সেই কাজের সাথে জড়িত তথ্য এবং ডাটা গুলি র্যাম (ram) নিজের কাছে সেভ (save) ও সঞ্চিত করে নেয়।

এবং তার পর, ram এর মাধ্যমে সেই সকল অস্থায়ী ডাটা ও তথ্য গুলি, প্রসেসর (processor) সহজে সংগ্রহ কোরে, কাজ গুলি সম্পন্ন (complete) করে নিতে পারে।

তাছাড়া, ram এবং processor এর মধ্যে চলতে থাকা, এই data ও information গুলির আদান প্রদানের প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত গতিতে চলতে থাকবে।

আর তাই, আপনার কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে থাকা র্যাম (ram) যত বেশি উন্নতমানের এবং অধিক ফ্রিকোয়েন্সির (frequency) থাকবে, ততটাই দ্রুত ভাবে এই “data processing” এর কাজ গুলি হবে।

আপনার computer বা smartphone device ডিভাইসে যদি একটি ram না থাকে, তাহলে সেই ডিভাইস কখনো চালু হবেনা।

কারণ, কম্পিউটার বা মোবাইল চালু করার পর, OS (operating system) এর সাথে জড়িত ডেটা ও তথ্য গুলিও ram memory তে সঞ্চিত হয়।

তারপর র্যাম থেকে, প্রসেসর (processor) আপনার কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমের তথ্য ও ডাটা গুলি সংগ্রহ করে।

শেষে, ডেটা প্রসেসিং হওয়ার পর আমাদের কম্পিউটার বা মোবাইল বুট (boot) হয় বা চালু হয়।

উদাহরণ স্বরূপে,

ধরুন, আপনি কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে যেকোনো একটি সফটওয়্যার চালু করলেন।

ধরেনিন সেই সফটওয়্যারটি হলো একটি ওয়েব ব্রাউসার (web browser).

এখন, আপনি সফটওয়্যার টিতে ক্লিক করার সাথে সাথে, সেই web browser software এর সাথে জড়িত প্রত্যেকটি data এবং information ডিভাইস এর ram memory তে save হয়ে যাবে।

এবং, তারপর ram এর থেকেই software টির data ও information গুলি processor দ্বারা সংগ্রহ করা হবে।

একবার, processor বা CPU দ্বারা data ও information গুলি প্রসেস হওয়ার পর, আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলে সেই web browser application টি ওপেন (open) হয়ে যাবে।

এখন একবার ভেবে দেখুন, software টিতে ক্লিক করার থেকে শুরু করে সফটওয়্যারটি ওপেন হওয়া অব্দি কতটা কাজ হয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু, তাও সবটাই কেবল কিছু সেকেন্ডের মধ্যেই হয়ে যাচ্ছে।

কারণ, ram এবং processor মাঝে হওয়া এই প্রক্রিয়া অনেক হাজার গুন্ দ্রুত ভাবে সম্পন্ন হয়।

Ram এর কাজ এটাই যে, কম্পিউটারে যেকোনো কাজ হওয়ার সময়, সেই কাজের সাথে জড়িত data, information বা machine code গুলিকে নিজের কাছে সেভ (save) বা জমা করে রাখা।

তাহলে এখন বুঝলেন তো, ram এর কাজ কি বা কম্পিউটারে র্যাম কি কাজ করে।

মনে রাখবেন,

Ram এর সাইজ (size) যত বেশি থাকবে, ততটাই সহজ ভাবে কম্পিউটারে মাল্টিটাস্কিং (multitasking) করা যাবে এবং কম্পিউটার হ্যাং (hang) হবেনা।

কারণ, বেশি র্যাম থাকা মানেই হলো, কম্পিউটারের কাছে অধিক অস্থায়ী মেমরি (temporary memory) থাকা।

এবং, অধিক অস্থায়ী মেমরি থাকা মানেই হলো, অধিক কাজ করার জন্য অধিক বেশি পরিমানের data ও Information র্যাম এর কাছে অস্থায়ী ভাবে জমা রাখা যাবে।

সফটওয়্যার কাকে বলে ? (What is software in Bangla)সফটওয়্যার কি ? এর প্রকারSoftware কি ? সফটওয়্যার এর সংজ্ঞা: “কম্পিউটার ...
15/06/2020

সফটওয়্যার কাকে বলে ? (What is software in Bangla)

সফটওয়্যার কি ? এর প্রকার

Software কি ? সফটওয়্যার এর সংজ্ঞা: “কম্পিউটার সফটওয়্যার” বা “সফটওয়্যার” হলো কিছু data এবং কম্পিউটার নির্দেশ (instructions) এর সংগ্রহীত মিশ্রণ, যেটা একটি প্রোগ্রাম (program) হিসেবে কম্পিউটারকে যেকোনো কাজ করার ক্ষেত্রে নির্দেশ (instructions) দেয়।

কম্পিউটার কি কাজ করবে এবং কিভাবে কাজটি করবে, এই বিষয়ে একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার তাকে নির্দেশ দিয়ে থাকে।

একটি সফটওয়্যারকে, কিছু নির্দেশ (instructions) এর মিশ্রণ ও সংগঠন বলা যেতে পারে, যাকে কম্পিউটারের দ্বারা একটি বিশেষ কাজ করানোর ক্ষেত্রে প্রোগ্রাম (program) করা হয়েছে।

ফলে, সফটওয়্যার এ থাকা এই নির্দেশ ও প্রোগ্রাম গুলোর মাধ্যমে, কম্পিউটার ডিভাইস এর বিভিন্ন হার্ডওয়্যার (hardware) গুলোকে নিয়ন্ত্র করে কম্পিউটারের বিভিন্ন কাজ গুলো প্রসেস করা যেতে পারে।

উদাহরণ স্বরূপে,

Ms-word এ কিছু লিখা, Photoshop এ ফটো এডিট করা, Google chrome এ ইন্টারনেট ব্যবহার করা বা KM player এ ভিডিও দেখা, প্রত্যেক ক্ষেত্রেই, এই আলাদা আলাদা সফটওয়্যার গুলো কম্পিউটার এর বিভিন্ন হার্ডওয়্যার গুলোকে নির্দেশ (instructions) দিচ্ছে, এবং সেই নির্দেশ হিসেবেই কম্পিউটারের দ্বারা আমরা আউটপুট (output) পেয়ে যাচ্ছি।

আর, কিছু জনপ্রিয় সফটওয়্যার এর উদাহরণ দিলে, Google chrome, VLC media player, Photoshop, MS-office, Microsoft edge ইত্যাদি গুলোকে বলা যেতে পারে।

তাহলে আশা করছি,”সফটওয়্যার মানে কি” (what is software in Bengali) বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।

সফটওয়্যার কেন দেখা বা স্পর্শ করা যায়না ?

যেকোনো ধরণের software আমরা কখনোই চোখে দেখতে পারবোনা বা হাথে স্পর্শ করতে পারবোনা।

কারণ, যেকোনো সফটওয়্যার বিভিন্ন code এবং computer language এর দ্বারা তৈরি একটি প্রোগ্রাম।

এবং, এই সকল প্রোগ্রাম গুলোর কোনো শারীরিক চেহেরা বা ভৌতিক আকার নেই।

আর, যেই জিনিসের কোনো শারীরিক গঠন ও আকার নেই, সেগুলো দেখা ও স্পর্শ করা সম্ভব না।

তবে হে, একটি সফটওয়্যার তৈরি করার ক্ষেত্রে যেসব computer language বা codes ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো কিন্তু কিছু বিশেষ প্রোগ্রাম এর সাহায্যে চোখে দেখা সম্ভব।

এনাহলে, একটি software program বানানোটা কখনোই সম্ভব হতোনা।

তবে, এই software program গুলো ছাড়া আমরা আমাদের computer device কখনো নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার করতে পারবোনা।

চলুন নিচে কিছু software program এবং তাদের examples জেনেনেই।

Search

Search



Software Examples

Media VLC player, Gom player, KM player

Antivirus AVG, Avast, KasperSky

Games Farcry, Call of Duty, Pubg

Database My SQL database

Web browser Google chrome, Opera mini

Operating system Android, Linux, Ubuntu,macOS, Windows

Word processor MS word

Programming language C++, HTML, Java etc.

Graphics / photo Skitch, Photoshop, corelDRAW

তাহলে, উদাহরণ সহ কিছু সফটওয়্যার এপ্লিকেশন গুলোর বিষয়ে জানলেন তো।

এমনিতে, software গুলো কম্পিউটার ডিভাইসে install করার পর, সেগুলোর user interface (UI) আমরা অবশই চোখে দেখতে পারি।

তবে, software টিকে দেখা এবং কেবল তার UI টি দেখা, ব্যাপার দুটো সম্পূর্ণ আলাদা।

সফটওয়্যার এর সংজ্ঞা – Software definition in Bangla

Software কে বর্ণনা করাটা একটি জটিল বিষয়। কারণ, কম্পিউটারের hardware এর মতো একটি software ফিসিক্যালয় দেখা ও অনুভব করা যায়না।

তাই, সফটওয়্যার হলো সম্পূর্ণ রূপে “virtual”.

সফটওয়্যার হলো একটি সাধারণ শব্দ, যেটা বিভিন্ন computer programs গুলোকে বর্ণনা (describe) করে।

Software programs, applications, scripts, codes, instructions ইত্যাদি প্রত্যেকটি শব্দ, সফটওয়্যার এর বিষয়টির এর সাথে জড়িত।

তাই, আপনার কম্পিউটারে যদি আপনি একটি computer application বা program ইনস্টল করছেন, তাহলে সেটা software install করাটাকেই বোঝাবে।

এখন সোজা ভাবে বললে,

সফটওয়্যার হলো কিছু কোডিং (coding) এর লাইন (line) যেগুলো কিছু বিশেষ “programming language” এর মাধ্যমে একজন “programmer” এর দ্বারা লেখা হয়।

এবং এই coding এবং scripts গুলোকে একসাথে প্রণীত (একসঙ্গে জড়ো হওয়া) করে একটি “computer program” রূপান্তর করা হয়।

সেই প্রোগ্রাম গুলোকেই বলা হয় “software”.

প্রত্যেকটি software কিছু binary data হিসেবে আপনার কম্পিউটারে storage device এ সেভ করে রাখা হয়, যখন সেটা আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল হয়ে যায়।

Program হিসেবে থাকা এই binary data ও codes গুলো, আপনার প্রয়োজন ও ব্যবহার অনুসারী কম্পিউটারকে সময়ে সময়ে কিছু বিশেষ কাজ করার নির্দেশ দিয়ে থাকে।

তাহলে, সফটওয়্যার এর সংজ্ঞা (definition) এভাবে দেওয়া যেতে পারে,

Binary data, computer language বা scripts গুলোকে একসাথে প্রণীত করে তৈরি করা Instructions এবং computer programs গুলোকে বলা হয় সফটওয়্যার।

এবং, এই programs বা software গুলো একটি computer কে ব্যবহারের যোগ্য করে তোলে।

সফটওয়্যার এর প্রকারভেদ – (Types of software)

এমনিতে বিভিন্ন সফটওয়্যার গুলোকে আমাদের কাজের জন্ন্যে তৈরি করা হয়।

এবং, সহজেই যাতে আমরা বিভিন্ন কাজ হলো করতে পারি, তাই বিভিন্ন আলাদা আলাদা বিষয়ের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা সফটওয়্যার রয়েছে।

আমরা প্রত্যেকদিন ঘুম থেকে উঠেই নিজের মোবাইল বা কম্পিউটারে বিভিন্ন software ব্যবহার করে থাকি।

যেমন, whatsapp, Facebook app, Instagram, বিভিন্ন ফটো এডিটিং টুল ইত্যাদি।

আর, এখন আমার আর্টিকেলটি পড়ার ক্ষেত্রেও আপনি কিন্তু একটি software ব্যবহার করছেন।

সেটা হলো, “web browser“.

তাই, বিভিন্ন আলাদা আলাদা কাজের ক্ষেত্রে একটি আলাদা সফটওয়্যার এর প্রকার রয়েছে।

মূলত সফটওয়্যার এর প্রকার ২ টি

System software

Application software

সিস্টেম সফটওয়্যার কাকে বলে ?

সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের এমন একটি মূল প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে computer hardware এবং ব্যবহারকারী (user) এর মধ্যে একটি ইন্টারফেস (interface) গঠন করা হয়।

এখন হতে পারে আপনি বিভিন্ন ভাষা বলতে ও বুঝতে পারেন।

যেমন, Hindi, English, Bengali ইত্যাদি।

কিন্তু, আপনার computer machine এই ধরণের ভাষা বোঝেনা।

Computer system কেবল একটাই ভাষা বোঝে যেটা হলো “binary language” বা “binary codes“.

এখন, যদি আমি ইংরেজিতে কথা বলছি বা লিখছি কিন্তু আমার কম্পিউটার মেশিন সেই ভাষাটি বুঝতে পারছেনা, তাহলে কি করা যেতে পারে ?

এই ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে একটি ইন্টারফেস (interface) এর।

Interface এর মাধ্যমে আমরা আমাদের ভাষায় দেওয়া নির্দেশাবলী (instructions) গুলোকে, কম্পিউটার মেশিনের বুঝতে পারা ভাষাতে কনভার্ট করে দিতে পারি।

যার ফলে, একটি কম্পিউটার, ইংরেজি ভাষাতে দেওয়া আমাদের নির্দেশ গুলো বুঝে কাজ করতে পারে।

কম্পিউটার কত প্রকারের ? কম্পিউটারের প্রকারভেদএমনিতে, কম্পিউটার (computer) বললেই আমরা কেবল desktop computer বা laptop কেই...
11/06/2020

কম্পিউটার কত প্রকারের ? কম্পিউটারের প্রকারভেদ

এমনিতে, কম্পিউটার (computer) বললেই আমরা কেবল desktop computer বা laptop কেই বুঝি।

এবং এটা স্বাভাবিক।

প্রায় অনেকেই, কম্পিউটার কত প্রকারের বা এর প্রকারভেদ গুলি নিয়ে বিশেষ কোনো ধ্যান দেননা।

তবে, মনে রাখবেন, কম্পিউটার বিভিন্ন প্রকারের রয়েছে।

আমার এবং আপনার বাড়িতে থাকা ওই desktop computer বা laptop ছাড়াও, এর ভিন্ন ভিন্ন প্রকার রয়েছে।

কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার গুলি হলো –

Super computer

Mainframe computer

Mini computer

Micro computer

Super computer :

এই ধরণের কম্পিউটার গুলি অনেক বেশি ফাস্ট (fast) এবং আকারে অনেক বিশাল থাকে।

এবং, আমাদের সাধারণ কম্পিউটার গুলির মতো সাধারণ কাজে এগুলি ব্যবহার করা হয়না।

এই ধরণের অ্যাডভান্সড কম্পিউটার গুলি scientific এবং engineering applications এর কাজে ব্যবহার করা হয়।

কারণ, এই ধরণের কাজে, অনেক বড় সংখ্যায় database গুলি handle করতে হয়।

তাছাড়া, অনেক বেশি computational operations করার জন্য কেবল, এই ধরণের সুপার কম্পিউটার গুলি সক্ষম।

কর্মক্ষমতার ক্ষেত্রে, এই সুপার কম্পিউটার গুলি সাধারণ কম্পিউটার গুলির তুলনায় হাজার গুন্ অধিক দ্রুত (fast) এবং সঠিক।

Mainframe computer :

Mainframe computer গুলি অনেক বড় বড় organization গুলির দ্বারা ব্যবহার করা হয় কিছু সংকট পূর্ণ (critical) এপ্লিকেশন গুলির জন্য।

এই ধরণের কম্পিউটার গুলিতেও অধিক পরিমানে স্টোরেজ, অনেক বড় আকার, প্রসেসিং এর প্রচুর শক্তিশালী ক্ষমতা এবং আরো অন্যান্য কিছু শক্তিশালী ক্ষমতা রয়েছে।

অধিক বড় ডাটা প্রসেসিং (data processing) এর কাজে বিভিন্ন বড় organization গুলি এই ধরণের মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহার করেন।

Mini computer :

মিনি কম্পিউটার সেগুলিকে বলা হয়, যেগুলিতে আধুনিক এবং শক্তিশালী প্রসেসিং পাওয়ার (processing power) থাকার সাথে সাথে অনেক শক্তিশালী থাকবে, কিন্তু তাদের আকার ছোট হবে।

মাইক্রো কম্পিউটার এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারের মাঝে থাকা কম্পিউটার হলো এটা।

কারণ, এই ধরণের কম্পিউটার গুলি আকারে, মাইক্রো কম্পিউটার থেকে বড় এবং মাইনফেস্ট কম্পিউটার থেকে ছোট হয়।

তবে, সুপার কম্পিউটার এবং মাইনফেস্ট কম্পিউটারের তুলনায় এর ক্ষমতা ও শক্তি কম।

আপনি অবশই এই ধরণের কম্পিউটার অবশই ব্যবহার করেছেন।

Desktop computer

Notebook / laptop computers

Network computer

Tablet

এগুলি হলো, মিনি কম্পিউটারের কিছু প্রকার।

এই ধরণের কম্পিউটার, বিশেষ করে মানুষের ঘরে ঘরে এবং দফতরে সাধারণ কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।

তবে, কেবল সাধারণ word processing এবং accounting এর কাজেই এগুলিকে ব্যবহার করা হতো।

Micro computer :

এখন, ওপরে বলা সব ধরণের কম্পিউটার গুলির পর আসে, মাইক্রো কম্পিউটার (micro computer).

এগুলি, সুপার কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার এবং মিনি কম্পিউটারের তুলনায় আকারে অধিক ছোট।

তবে, অনেক কম খরচেই এই ধরণের কম্পিউটার ব্যবহার করা সম্ভব।

এগুলি হলো এমন কিছু উন্নত এবং অ্যাডভান্সড কম্পিউটার, যেখানে microprocessor হিসেবে একটি central processing unit (CPU) ব্যবহার করা হয়।

তাছাড়া, মেমরি বা রেম (RAM) এর ব্যবহার করার সাথে সাথে এখানে input ও out device ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে কিছু জায়গা এর circuit board এ দেওয়া হয়েছে।

ব্যক্তিগত (individual) ব্যবহারের জন্য জন্য এই ধরণের অনেক ছোট আকারের কম্পিউটার তৈরি করা হয়েছিল।

এখনের সময়ে, আমরা এই মাইক্রো কম্পিউটার গুলিকে সোজা ভাবে personal computer বা PC বলি।

তাহলে বুঝলেন তো মাইক্রো কম্পিউটার কি।

তাহলে এখন বুঝলেনতো “কম্পিউটার কত প্রকারের” ?

কম্পিউটারের ROM কি ? এর প্রকার এবং কাজRom কাকে বলে : হ্যালো বন্ধুরা, আজকের এই ছোট আর্টিকেলে আমরা কম্পিউটার রম (ROM) এর ব...
11/06/2020

কম্পিউটারের ROM কি ? এর প্রকার এবং কাজ

Rom কাকে বলে : হ্যালো বন্ধুরা, আজকের এই ছোট আর্টিকেলে আমরা কম্পিউটার রম (ROM) এর ব্যাপারে জানবো।

ROM মানে কি ?

কম্পিউটারের রম কি, Rom কত প্রকারের, এবং এর কাজ ও ব্যবহার কি, এই বিষয়গুলি নিয়ে আপনারা আজকের এই আর্টিকেলে জানতে পারবে.

এমনিতে, আমার আগের আর্টিকেলে আমি আপনাদের, কম্পিউটারের র্যাম (ram) কি, এই বিষয়ে বলেছিলাম।

তাই, আপনারা চাইলে computer ram এর বিষয়েও জেনেনিতে পারবেন।

এখন কথা বলি ROM নিয়ে।

রম হলো, আপনার কম্পিউটারের একটি storage memory device, যেখানে বিভিন্ন ধরণের programming software রাখা হয়।

এখানে রাখা এই ধরণের সফটওয়্যার গুলি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, কম্পিউটার কে নির্দেশ দেওয়ার জন্য ব্যবহার হয়।

ROM এ যেকোনো firmware software গুলিকে pre-install করে রাখা হয়।



কম্পিউটারের ক্ষেত্রে, যখন motherboard তৈরি করা হয়, তখনি এই ধরণের সফটওয়্যার গুলি রম মেমরিতে ইনস্টল করে দেয়া হয়।

তাই, কম্পিউটারের বিভিন্ন bios এবং firmware software গুলি এই ROM memory তেই রাখা হয়।

এবং, স্থায়ী ভাবে কিছু জরুরি সিস্টেম সফটওয়্যার ও ফার্মওয়্যার সফটওয়্যার গুলিকে চিরকালের জন্য, স্টোর করে রাখাই হলো “ROM এর কাজ”।

ROM, আপনার কম্পিউটারের motherboard এ একটি ছোট chip হিসেবে লাগানো থাকে।

কম্পিউটার বিষয়ক ১০ টি প্রশ্ন ও উত্তর

অপারেটিং সিস্টেম কি ?

নিচে আমরা আরো অল্প বিস্তারিত ভাবে জেনেনিব যে আসলে “কম্পিউটার রম কি” (What Is a Rom in Bangla).

কম্পিউটারে Rom কি ?

ROM এর পূর্ণরূপ বা সম্পূর্ণ নাম হল “রিড অনলি মেমোরি“। ইংরেজিতে, “Read Only Memory“.

মানে, কম্পিউটারের এই ধরনের মেমোরিতে থাকা information ও data কেবল read করা যেতে পারে।

তাছাড়া, নতুন করে কোন ডাটা বা ইনফরমেশন এই মেমোরিতে স্টোর বা জমা করতে পারবেনা।

কম্পিউটার manufacture করার সময় এই ধরনের মেমোরিতে, জরুরী ইনফরমেশন বা ড়াটা গুলি write করে দেওয়া হয়।

রম মেমোরিতে, কম্পিউটারের bios এবং framework এর সাথে জড়িত কিছু কম্পিউটার ফাংশন এর নির্দেশ জমা থাকে।

এবং, কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথেই এই নির্দেশ গুলি সিস্টেম এর দ্বারা ব্যবহার হতেই থাকে।

তাছাড়া আপনারা হয়তো জানেননা যে, একটি ROM মেমোরি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস গুলিতেও ব্যবহার করা হয়.

যেমন একটি ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট টিভি, ফ্রিজ, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি।

এই বিভিন্ন ইলেকট্রনিক উপকরণ গুলিকেও রম (ROM) এর মাধ্যমে প্রোগ্রাম করা হয়।

ROM কে, non-volatile memory বলেও বলা হয়।

কারণ এখানে থাকা তথ্য এবং ডাটা গুলি, বিদ্যুৎ (power) সরবরাহ (supply) ছাড়াও চিরকালের জন্য স্টোর হয়ে থাকে।

যেভাবে, কম্পিউটারের রেম মেমরিতে (RAM MEMORY) থাকা ইনফরমেশন গুলি, কম্পিউটার অফ হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে মুছে যায় বা ডিলিট হয়ে যায়।

সেভাবে, রম মেমোরিতে থাকা ডাটা এবং ইনফরমেশন গুলি উপকরণের বা কম্পিউটার এর সুইচ অফ হওয়ার পরেও থেকে যায়।

উদাহরণ স্বরূপে,



আপনি কম্পিউটার ফরম্যাট করে উইন্ডোজ ইন্সটল করার আগে bios settings এ অবশই হয়তো গেছেন।

আর, মনে রাখবেন কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ না থাকা অবস্থাতেও এই BIOS function টি অবশ্যই আমরা ব্যবহার বা এক্সেস করতে পারি।

এখন কথা হল, কম্পিউটারে যদি কোন storage device না থাকে, তাহলে এই bios সফটওয়্যার টি কিভাবে কাজ করছে।

এর উত্তর হলো, ROM memory র মাধ্যমে।

Bios সফটওয়্যারটি ROM memory তে স্টোর করে রাখা হয়েছে।

ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে ?

কম্পিউটারে গ্রাফিক্স কার্ড কি ?

এবং তাই, কম্পিউটারে HARD DRIVE না থাকতেও এই bios এবং framework টি কাজ করবে।

ROM কত প্রকারের ? ( প্রকারভেদ )

মূলত ROM তিনটি প্রকারের হতে পারে।

প্রথম হলো PROM.

দ্বিতীয় EPROM.

তৃতীয় EEPROM.

PROM : এর পূর্ণ নাম বা ফুল ফর্ম হলো “Programmable read only memory“.

এটা এমন এক ধরনের মেমোরি যেখানে, সফটওয়্যার এর সাহায্য নিয়ে ডাটা এবং ইনফরমেশন গুলিকে স্টোর করা হয়।

এবং এরপর, এই ধরনের মেমোরি থেকে তথ্যগুলি কোন সময় মুছে দেওয়া বা ডিলিট করা যাবে না।

PROM কেবল একবারের জন্য প্রোগ্রাম করতে পারা যাবে।

উদাহরণস্বরূপ, বায়োস বা ফার্মওয়্যার সফটওয়্যার গুলিকে একবার এই PROM গুলিতে ইনস্টল করার পর, সেগুলিকে ভবিষ্যতে ডিলিট বা প্রোগ্রাম করা যাবেনা।

EPROM : এর মানে হলো, “erasable programmable read only memory“.

এই ধরনের রম গুলিকে কিছু বিশেষ প্রোগ্রামের সাহায্যে মুছা ও ডিলিট করতে পারা যায়।

রম গুলিকে মুছার (erase) জন্য ultraviolet rays ব্যবহার করা হয়।

EEPROM : এর পূর্ণরূপ বা সম্পূর্ণ নাম হলো, “Electrical erasable programmable read only memory“.

এই ধরনের মেমোরি গুলিকে মুছার জন্য এবং প্রোগ্রাম করার জন্য, একে সার্কিট বোর্ড থেকে সরানোর কোন ধরনের প্রয়োজন হয় না।

কিছু বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে, এই মেমোরিকে আপডেট করে দেওয়া হয়।

এতে install থাকা firmware গুলিকেও আপগ্রেড করা যেতে পারে।

এই ধরনের রম মেমোরি প্রচুর আধুনিক এবং উন্নত।

তাই অনেক সহজে এগুলিকে আপগ্রেড করতে করা যায়।

বর্তমানে আধুনিক কম্পিউটার গুলিতে এই ধরনের রম মেমোরি ব্যবহার করা হয়

আমাদের শেষ কথা,

তাহলে বন্ধুরা, “ROM কি” (What Is ROM Memory in Bangla) বা “কাকে বলে” এবং “ROM এর কাজ কি“, এই বিষয়ে আমরা ভালো করে জেনে নিয়েছি।

তাছাড়া, ROM এর প্রকার গুলির ব্যাপারেও আমি আপনাদের বললাম।

ROM হলো কম্পিউটারের এমন একটি primary memory, যেখানে data এবং information গুলিকে স্থায়ী ভাবে স্টোর করে রাখা হয়।

Address

Vill: Bagdha, Dist::Barisal. BAngladesh
Barishal
8242

Telephone

+8801932946899

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তৌহিদের স্বপ্নরাজ্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to তৌহিদের স্বপ্নরাজ্য:

Share