Megasys Technology

Megasys Technology MEGASYS Technology provides all kind of IT & Technical Services.

পুরো বিশ্ব আজ অস্থির। ইরান-ইস্রায়েল-আমেরিকার মত পরাশক্তিগুলো নিজেদের প্রভুত্ব আর সক্ষমতা জানান দিতে আধুনিক প্রযুক্তি প্র...
19/04/2026

পুরো বিশ্ব আজ অস্থির। ইরান-ইস্রায়েল-আমেরিকার মত পরাশক্তিগুলো নিজেদের প্রভুত্ব আর সক্ষমতা জানান দিতে আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শন করছে। এই যুদ্ধের আগ অব্দিও আমার মনে অধিকাংশ মানুষই জানতো যুদ্ধ মানেই অস্ত্রের ঝনঝনানি, গোলা-কামান। কিন্তু আধুনিক বিশ্বে সেই ধারণা পালটে যেতে বাধ্য হয়েছে ইরান ও ইসরায়েল যুদ্ধের পর। এখন স্পষ্ট হয়েছে যুদ্ধ আর শুধু গোলাবারুদে সীমাবদ্ধ নাই। আসুন আজকে জেনে নেই এমন কিছু আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র যা ইরান-ইস্রায়েল যুদ্ধের পর মানুষকে ভাবিয়ে তুলছে।

বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ আর শুধু অস্ত্রের লড়াই নয়—এটি এখন প্রযুক্তির যুদ্ধচ
২০২৬ সালের ইরান–ইজরায়েল সংঘর্ষ প্রমাণ করেছে, ভবিষ্যতের যুদ্ধ কেমন হতে যাচ্ছে।

১. ড্রোন ও স্বয়ংক্রিয় যুদ্ধ প্রযুক্তি

এই যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে "ড্রোন প্রযুক্তি"। নজরদারি, আক্রমণ, এমনকি আত্মঘাতী হামলায় ড্রোন ব্যবহার একসাথে শত শত ড্রোন (swarm) ব্যবহার করে প্রতিরক্ষা ভেঙে ফেলতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, ইরান ড্রোন প্রযুক্তি দিয়েই অর্ধেক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এর সুবিধা অনেক। ড্রোন এখন “লো-কস্ট কিন্তু হাই-ইমপ্যাক্ট” অস্ত্র ।

২. হাইপারসনিক ও উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র

এই যুদ্ধে দেখা গেছে নতুন ধরনের দ্রুতগতির মিসাইল:

* Mach 5 এর বেশি গতিতে চলতে সক্ষম
* মাঝপথে দিক পরিবর্তন করতে পারে
* প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে আঘাত হানতে পারে।
* অভেদ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও অসহায় হয়ে যায়।

সমসাময়িক সময়ে ইরান তাদের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে বড় চমক দেখিয়েছে ।

৩. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) যুদ্ধ

AI এখন যুদ্ধের “মস্তিষ্ক” হিসেবে কাজ করছে। গতানুগতিক মানুষ দিয়ে যুদ্ধ পরিচালনার ধারনা পালটে যাচ্ছে। এতে কর জীবন বিনষ্ট কিংবা অপারেশনাল ঝুকি কমেছে। মানূষের প্রায় সব কাজই এ আই করতে পারে। যেমনঃ

* টার্গেট নির্বাচন
* ডাটা বিশ্লেষণ
* দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ

৪. সাইবার যুদ্ধ (Cyber Warfare)

এই যুদ্ধে সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো “অদৃশ্য যুদ্ধ” ধারনা করা হচ্ছে ভবিষ্য দুনিয়ায় তথ্য ও প্রযুক্তি যুদ্ধই মুখ্য হয়ে ঊঠবে।

* কমান্ড সিস্টেম হ্যাক করা
* যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া
* তথ্য যুদ্ধ (propaganda, misinformation)

বাস্তবে হামলার আগে সাইবার আক্রমণ চালানো হয়েছে ।

৫. স্যাটেলাইট ও স্পেস টেকনোলজি

যুদ্ধ এখন শুধু মাটিতে নয়—মহাকাশেও। স্পেস এখন যুদ্ধের নতুন স্তর। সেখানেই যুদ্ধের সকল কলকাঠি নাড়ার ব্যবস্থা হয়ে গেছে ইতোমধ্যে।

* স্যাটেলাইট দিয়ে নজরদারি
* GPS গাইডেড অস্ত্র
* যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণস

৬. ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার (EW)

এই প্রযুক্তি দিয়ে অনেক সময় গুলি ছাড়াই যুদ্ধ জেতা সম্ভব।

* রাডার জ্যাম করা
* ড্রোন নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত করা
* GPS সিগন্যাল বিভ্রান্ত করা

অসমমিত নৌ যুদ্ধ (Asymmetric Naval Warfare)

ইরান দেখিয়েছে নতুন কৌশল। বড় যুদ্ধজাহাজ ছাড়াই সমুদ্রপথ হুমকির মুখে ফেলা সম্ভব। আগে মাটিতে পুতে রাখা মাইনের কথা জানতাম। এখন সে মাইন পানির নিচে স্থাপিত হচ্ছে। ইরানের এই প্রযুক্তি সফলতা অবাক করেছে বিশ্বকে।

* ছোট, দ্রুত “মশা বোট” ব্যবহার
* ড্রোন ও মাইন দিয়ে সমুদ্র নিয়ন্ত্রণ

মাল্টি-লেয়ার ডিফেন্স সিস্টেম

আগেকার দুনিয়ায় যেখানে স্থানে স্থানে সৈন্য চৌকি থাকত পাহারায় এখন সেখানে পাহারা দিচ্ছে প্রযুক্তি। ইরান, রাশিয়া, চিন, ইজরায়েলের মতো দেশ ব্যবহার করেছে একাধিক স্তরে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ।

* Iron Dome
* David’s Sling
* Arrow missile system

ইরান–ইজরায়েল যুদ্ধ আমাদের একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। ভবিষ্যতের যুদ্ধ হবে—

* সৈন্যের নয়, **মেশিনের যুদ্ধ**
* বন্দুকের নয়, **ডেটার যুদ্ধ**
* দৃশ্যমান নয়, **অদৃশ্য প্রযুক্তির যুদ্ধ**

“যে দেশ প্রযুক্তিতে এগিয়ে, সেই দেশই যুদ্ধে এগিয়ে।”- এই কথাই এখন প্রমানিত সত্য।

যদিও এগুলো উন্নত প্রযুক্তি কিন্তু এই প্রযুক্তি ব্যবহারে মানুষ মারা যাক, দুনিয়াতে অশান্তি হোক এ আমাদের কাম্য নয়। পৃথিবী হোক জ্ঞান-বিজ্ঞানে অগ্রগামী, হোক শান্তিময়, যুদ্ধ-বিগ্রহহীণ এই প্রত্যাশা।

এডমিন--

09/09/2024
পক্ষিরাজ-  PEGASUSএটি একটি স্পাইওয়্যার। টেকনোলজির ভাষায় স্পাইওয়্যার হলো ডিজিটাল চোর। যে কিনা আপনার ডিজিটাল ডিভাইসের তথ্য...
26/08/2024

পক্ষিরাজ- PEGASUS

এটি একটি স্পাইওয়্যার। টেকনোলজির ভাষায় স্পাইওয়্যার হলো ডিজিটাল চোর। যে কিনা আপনার ডিজিটাল ডিভাইসের তথ্য চুরি করতে পারদর্শী। এমন স্পাইওয়্যার এপ্লিকেশন অনেক আছে। তবে কেন এই পক্ষিরাজ নিয়ে এত মহা যন্ত্রনা?
সকল স্পাইওয়্যারের বৈশিষ্ট্য বা কাজ হলো চুরি করা এবং সে চুরি করা মাল অন্যের কাছে হস্তান্তর করা।
১. আপনার ফোনের ম্যাসেজ।
২. আপনার গ্যালারী।
৩. আপনার স্যোস্যাল এপসের সকল তথ্য।
৪. বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গোপন পাসওয়ার্ড।
৫. আপনার লোকেশন একসেস।
৬. কল লিষ্ট, নাম্বার।
কিন্তু এই পেগাসাস হলো ভিআইপি চোর। অন্যন্য স্পাইওয়্যারের সাথে উপরের কাজগুলো ছাড়াও পেগাসাসের ভিআইপি কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
১. অন্যন্য অনেক স্পাইওয়্যার আপনার ফোনে থাকলে তা সনাক্ত করার বিভিন্ন উপায় আছে কিন্তু পেগাসাস সম্পূর্ণ নিরবে আপনার ডিভাইসে ঢুকে বসে থাকতে পারে।
২. আপনার অজান্তে আপনার ডিভাইসে এপ্লিকেশন ইনস্টল এবং আনইনস্টল করতে পারে।
৩. আপনার ডিভাইসের নিরাপত্তা পরিপূর্ণভাবে ভেঙ্গে দিতে পারে।
৪. প্রয়োজন হলে নিজে নিজেই আবার ডিভাইস থেকে সরে যেতে পারে।
৫. সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হলো পেগাসাস আইওএস এবং এন্ড্রয়েড দুই অপারেটিং সিষ্টেম এই অত্যন্ত নিরবে আঘাত হানতে পারে।
ইসরাইলের তৈরি এই স্পাইওয়্যার এর নাম গ্রিক পুরাণশাস্ত্রে উল্লেখিত দুই পাখা বিশিষ্ট্য একটি ঘোড়ার নামানুসারে পেগাসাস রাখা হয়েছে। শৈশবে পক্ষিরাজ ঘোড়ার অনেক গল্প কাহিনী শুনে আন্দোলিত হলেও বর্তমান সময়ে সাধারণ এর কাছে পেগাসাস একটি আতঙ্কের নাম।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর ভবিষ্যত এবং ফ্রিল্যান্সিং এ ক্যারিয়ার.ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট এর মাধ্যমে কিভাবে আউটসোর্সিং করে ...
12/04/2017

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর ভবিষ্যত এবং ফ্রিল্যান্সিং এ ক্যারিয়ার.

ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট এর মাধ্যমে কিভাবে আউটসোর্সিং করে ইন্টারনেটে অর্থ আয় করা যায় এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন অভিজ্ঞ একজন ফ্রিল্যান্সার যিনি প্রায় ৬/৭ বছর ধরে সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিতে সিনিয়র সফটওয়্যার ইন্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন এবং কয়েক বছর থেকে ফ্রিল্যান্সিং করছেন

আমার আজকের এই লেখা তাদের জন্য যারা খুব উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে আউটসোর্সিং/ফ্রিল্যান্সিং এ পথ খুঁজছেন। আমি আজকে এটাই বুঝাতে চাইব যে কাজ খোজার আগে নিজেকে কাজের জন্য প্রস্তুত করুন।

প্রথমেই যে জিনিসটি আপনাকে মনে রাখতে হবে সেটা হচ্ছে আপনি বড় ধরণের একটা প্রতিযোগিতায় নামতে যাচ্ছেন যেখানে আপনার প্রতিযোগী হবে সারা বিশ্ব থেকে আরও অনেক মানুষ।

ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এ অনেক ধরনের কাজ পাওয়া যায় তবে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সংক্রান্ত কাজ এখানে সবচেয়ে বেশি। প্রথমে আপনাকে ঠিক করে নিতে হবে আপনি কোন কাজটি করবেন এরপর সেটা ভালভাবে শিখে নিন এবং সবশেষে আউটসোর্সিং এ আসুন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন

ডিজাইনের কাজের বেশ চাহিদা আছে অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলিতে। এজন্য আপনাকে শিখতে হবে মুলত ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটর এর কাজ। ফটোশপ দিয়ে লোগো, বাটন, ব্যানার ইত্যাদি তৈরী করতে পারতে হবে। ফটোশপ দিয়ে পিএসডি (PSD) লেআউট ডিজাইনের কাজের প্রচুর চাহিদা।

অনলাইনে প্রচুর টিউটোরিয়াল পাবেন ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটরের। এদুটি জিনিসে সিদ্ধহস্ত হতে হবে।
গ্রাফিক্সের কাজ করতে সৃজনশীলতা (creativity) বড় একটি দক্ষতা। আপনার সৃজনশীলতা যত গভীর হবে আপনি তত নতুন নতুন আইডিয়া তৈরী করতে পারবেন। এবং আপনার ডিজাইন হবে সবার থেকে আলাদা ফলে আপনার চাহিদাও হবে সবার থেকে বেশি।
শেখা মোটামুটি সহজ, প্রতিদিন ৩/৪ ঘন্টা করে পরিশ্রম করলে ৬ মাসেই প্রফেশনাল পর্যায়ের PSD ডিজাইন করা সম্ভব। (মেধার উপর নির্ভরশীল)


ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

এখানে মুলত দুটি ভাগ করা যায়

ওয়েব ডিজাইন তথা এইচটিএমএল, সিএসএস, এবং জাভাস্ক্রিপ্ট ভালভাবে শেখা
ডেভেলপমেন্ট তথা প্রোগ্রামিং ভালভাবে শেখা


ওয়েব ডিজাইন

এজন্য আপনাকে শিখতে হবে এইচটিএমএল, সিএসএস এবং মোটামুটি জাভাস্ক্রিপ্ট (বিশেষ করে কোন ফ্রেমওয়ার্ক যেমন জেকোয়েরি)। ফটোশপের মোটামুটি আইডিয়া থাকতে হবে। যেমন পিএসডি থেকে এক্সএইচটিএমএল করতে যতকিছু লাগে ততটুকু। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট তথা প্রোগ্রামিং জগতে ঢোকার প্রথম দরজা হল ওয়েব ডিজাইন। ভাল ডিজাইনার না হলে ভাল প্রোগ্রামার হতে পারবেন না। প্রোগ্রামিং এ যদি ক্যারিয়ার নাও করেন শুধু ওয়েব ডিজাইনের চাহিদাও কম নয়।



এটাও শেখা সহজ, শিখতে ৬-৮ মাস লাগতে পারে যদি প্রতিদিন ৪/৫ ঘন্টা পরিশ্রম করেন। মেধার উপর ভিত্তি করে এর থেকে সময় কমবেশি লাগতে পারে।
অনলাইনের প্রচুর টিউটোরিয়াল আছে এখান থেকে শিখতে পারেন। এই সাইটেও প্রচুর রিসোর্স আছে।
ব্রাউজার কম্প্যাটিবিলিটি তথা আপনার ডিজাইন করা পেজ যেন সব ব্রাউজারে একই রকম দেখায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে।
বর্তমানে রেসপনসিভ ডিজাইনের যুগ। এজন্য রেসপনসিভ ডিজাইন করতে পারতে হবে। বিশেষ করে এটার জন্য ব্যবহৃত ফ্রেমওয়ার্কের কাজ ভাল জানতে হবে। যেমন টুইটার বুটস্ট্রাপ। মোবাইল সহ যেকোন ডিভাইসে আপনার ডিজাইন করা পেজ যেন একই রকম দেখায়, আড়াআড়িভাবে স্ক্রলিং করতে না হয়।
প্রয়োজনীয় টুলস যেমন বিভিন্ন IDE, IE tester, IE তে ব্রাউজার মোড বদলানো, ফায়ারবাগ ইত্যাদি শিখতে হবে।


ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা প্রোগ্রামিং

এখানে আপনাকে প্রোগ্রামিং শিখতে হবে। এটাই মুল জিনিস ডেভেলপমেন্টে। মূলত ওয়েব প্রোগ্রামিং যেমন ASP.NET, PHP, Java বা অন্য কোন ল্যাংগুয়েজ। তবে পিএইচপির কাজ বর্তমানে সবচেয়ে বেশি। ওয়েব ডেভেলপমেন্টে প্রোগ্রামিং শেখার সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট প্রচুর জিনিস শিখতে হবে। তা নাহলে বেশি উপরে উঠতে পারবেন না। যেমন ভালভাবে শেখা দরকার

১. যেকোন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ মুলত পিএইচপি

২. ডেটাবেস ডিজাইন যেমন মাইসিক্যুয়েল দিয়ে কমপক্ষে মধ্যম পর্যায়ের একটা পূর্নাঙ্গ রিলেশনাল ডেটাবেস বানাতে পারতে হবে।

৩. খুব ভাল কোয়েরি শিখতে হবে। SQL দিয়ে জটিল কোয়েরি করতে পারতে হবে।

৪. ফেইসবুক/গুগল/টুইটার/অ্যামাজন ইত্যাদি বিখ্যাত সাইটের ওয়েব সার্ভিস/ API ব্যবহার করা জানা উচিৎ। (এক্সএমএল)

৫. হোস্টিং সমন্ধে স্বচ্ছ ধারনা বিশেষ করে সার্ভার ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে ধারনা থাকা উচিৎ।

৬. সোর্স কন্ট্রোল যেমন git, tortoise svn ইত্যাদি দিয়ে কিভাবে একই প্রজেক্টে একাধিক ডেভেলপার কাজ করা যায় এসব জানতে হবে।

৭. এজাক্স, জেকোয়েরি এবং ডেভেলপমেন্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন টুলস সম্পর্কে প্রচুর জানতে হবে। যেমন নেটবিনস (কোড লেখার IDE), HeidiSQL, MySQL WorkBench (ডেটাবেস ডিজাইন টুল) এসব জানতে হবে।



সর্বোপরি ওয়েব ডিজাইনের কাজে সুপার সুপার এক্সপার্ট হতে হবে। অর্থ্যাৎ এইচটিএমএল, সিএসএস এবং জেকোয়েরি এসবের কাজ বাম হাতেই সেরে ফেলার মত যোগ্যতা থাকতে হবে। একজন ভাল প্রোগ্রামার হতে হলে আগে ভাল ডিজাইনার (বরং সুপার এক্সপার্ট) হতে হবে।

শেখা খুব কঠিন। ২-৩ বছর পরিশ্রম করা লাগতে পারে যদি প্রতিদিন ৩/৪ ঘন্টা সময় দেন। মেধার উপর ভিত্তি করে সময় কমবেশি লাগতে পারে।
চাহিদা এবং আপনার গুরত্ব হবে আকাশছোয়া।
অনলাইনে প্রচুর টিউটোরিয়াল আছে, wrox, apress পাবলিকেশনের অনেক ভাল ভাল বই আছে এখান থেকে শিখতে পারেন। এই সাইটেও প্রচুর রিসোর্স আছে। (অ্যাডভান্সড পিএইচপি, ডেটাবেস ডিজাইন, ডেটাবেস পিএইচপি, OOPHP, পিএইচপি ফ্রেমওয়ার্ক, কোডইগনাইটার, জেন্ড, জুমলা, SEO)


যে কাজই করতে চান না কেন আগে সেটাতে দক্ষতা অর্জন করুন এরপর ফ্রিল্যান্সিং এ যান। কিছু জানলেন কিংবা ভাসা ভাসা ধারনা এরুপ দক্ষতা নিয়ে ওডেস্ক বা যেকোন মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খোলা হতাশা ছাড়া কিছু দিতে পারবেনা।

এছাড়া ফ্রিল্যান্সিং এ আসার আগে ভাল সফটওয়্যার ফার্মে ১.৫/২ বছর চাকুরি করে আসা উচিৎ। চাকুরি না করে আউটসোর্সিং আসলে খুব বেশি উপরে ওঠা জটিল।



বেশির ভাগ লোকজন কিভাবে ওডেস্কে একাউন্ট খুলতে হবে, কিভাবে কাজ পাওয়া যেতে পারে এসব কৌশল শিখতে তৎপর অথচ কাজ তেমন একটা শেখেনি। মার্কেটপ্লেস গুলিতে একাউন্ট খোলা ফেইসবুকের মতই সহজ এরপর কয়েকটি পরীক্ষা দিয়ে প্রোফাইল সমৃদ্ধ করতে পারেন। যেকোন বিড করার (যেমন ওডেস্কে “Apply to this Job”) সময় কভার লেটার তথা আবেদনটি একটু আকর্ষনীয় করে লেখা উচিৎ। ভাল কভার লেটারের নমুনা ঐ সাইটগুলিতেই পাবেন। এগুলি খুবই অগুরত্বপূর্ন বিষয় এবং পানির মত সহজ। এগুলি নিয়ে চিন্তা না করে আগে টেকনিকালি এক্সপার্ট হউন।

সিএসএস- ক্যাশক্যাডিং স্টাইল শিটএটা দিয়ে এইচটিএমএল page কিভাবে দেখাবে তা ঠিক করা যায়।যখন সিএসএস কোড গুলি আলাদা ভাবে সেভ ক...
11/04/2017

সিএসএস- ক্যাশক্যাডিং স্টাইল শিট

এটা দিয়ে এইচটিএমএল page কিভাবে দেখাবে তা ঠিক করা যায়।

যখন সিএসএস কোড গুলি আলাদা ভাবে সেভ করবেন তখন শুধু এই একটি ডকুমেন্ট এডিট করে পুরো এইচটিএমএল পেজ চেহারা নিজের মত করে বদলে দিতে পারবেন।এই কাজ যদি এইচটিএমএল পেজে করতে হত তাহলে অনেক সময় বেশি লাগত এবং প্রতিটি পেজেই কোডগুলি লিখতে হত।

এইচটিএমএল- ওয়েবের ভাষাএইচটিএমএল (HTML) এর অর্থ হচ্ছে Hyper Text Markup Language. এটা কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয়, মার...
11/04/2017

এইচটিএমএল- ওয়েবের ভাষা
এইচটিএমএল (HTML) এর অর্থ হচ্ছে Hyper Text Markup Language. এটা কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয়, মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ।

এইচটিএমএল হচ্ছে ওয়েবের ভাষা, প্রত্যেক ওয়েব ডেভেলপারকে এর মৌলিক বিষয়াদি জানা চাই।

এইচটিএমএল এ "markup tags" ব্যাবহার করা হয় ওয়েব পেজের লেআউট ও কনটেন্ট তৈরীর জন্য।

এইচটিএমএল tag ইংগিত করে এটা একটা header,এবং একটা Paragraphp কে ইংগিত করে।

WWW - World Wide WebWWW হচ্ছে একটা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা সারা বিশ্বে ছড়ানো। WWW কেই বলা হয়ে থাকে Web.এই ওয়েবে কম্পিউটার...
10/04/2017

WWW - World Wide Web

WWW হচ্ছে একটা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা সারা বিশ্বে ছড়ানো। WWW কেই বলা হয়ে থাকে Web.

এই ওয়েবে কম্পিউটারগুলো একটি অপরটির সাথে কিছু নিয়ম ও ভাষা ব্যাবহার করে যোগাযোগ করে থাকে।

W3C (The World Wide Web Consortium) এই ভাষা এবং নিয়মগুলো তৈরী করে যাচ্ছে।

নতুনদের জন্য আরও নির্দেশনা** যদিও শাব্দিক অর্থ ভিন্ন তবু ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট একি অর্থে ব্যাবহার করে এর শাব্দিক ...
10/04/2017

নতুনদের জন্য আরও নির্দেশনা
** যদিও শাব্দিক অর্থ ভিন্ন তবু ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট একি অর্থে ব্যাবহার করে এর শাব্দিক অর্থ লঙ্ঘন করা হচ্ছে।আপনি যদি বলেন আমি ওয়েব ডিজাইনার তাহলে ধরা হয় আপনি ডেভেলপমেন্ট এর কাজও জানেন।আসল অর্থ হল-ওয়েব ডেভেলপার=যে প্রোগ্রামার,কোডিং করে,অ্যাপ্লিকেশন তৈরী করে।আর ওয়েব ডিজাইনার=যে ডিজাইন করে,সাইটের বাহ্যিক রুপ কেমন হবে তা তৈরী করে,কোডিং করেনা।

প্রত্যেক ওয়েব ডেভেলপার এর নিচের বিষয়গুলি জানা উচিৎ

কিভাবে www কাজ করে
এইচটিএমএল
সিএসএস
জাভাস্ক্রিপ্ট
এক্সএমএল
সার্ভার স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজ
SQL দিয়ে ডেটাবেস বানানো
WWW - World Wide Web

WWW হচ্ছে একটা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা সারা বিশ্বে ছড়ানো। WWW কেই বলা হয়ে থাকে Web.

এই ওয়েবে কম্পিউটারগুলো একটি অপরটির সাথে কিছু নিয়ম ও ভাষা ব্যাবহার করে যোগাযোগ করে থাকে।

W3C (The World Wide Web Consortium) এই ভাষা এবং নিয়মগুলো তৈরী করে যাচ্ছে।

এইচটিএমএল- ওয়েবের ভাষা

এইচটিএমএল হচ্ছে ওয়েবের ভাষা, প্রত্যেক ওয়েব ডেভেলপারকে এর মৌলিক বিষয়াদি জানা চাই।

এইচটিএমএল এ "markup tags" ব্যাবহার করা হয় ওয়েব পেজের লেআউট ও কনটেন্ট তৈরীর জন্য।

এইচটিএমএল tag ইংগিত করে এটা একটা header,এবং একটা Paragraphp কে ইংগিত করে।



সিএসএস- ক্যাশক্যাডিং স্টাইল শিট

এটা দিয়ে এইচটিএমএল page কিভাবে দেখাবে তা ঠিক করা যায়।

যখন সিএসএস কোড গুলি আলাদা ভাবে সেভ করবেন তখন শুধু এই একটি ডকুমেন্ট এডিট করে পুরো এইচটিএমএল পেজ চেহারা নিজের মত করে বদলে দিতে পারবেন।এই কাজ যদি এইচটিএমএল পেজে করতে হত তাহলে অনেক সময় বেশি লাগত এবং প্রতিটি পেজেই কোডগুলি লিখতে হত।

জাভাস্ক্রিপ্ট- ক্লাইন্ট সাইড স্ক্রিপ্টিং

জাভাস্ক্রিপ্ট ক্লাইন্ট সাইড স্ক্রিপ্টিং (ব্রাউজার স্ক্রিপ্টিং) এর জন্য ব্যাবহৃত হয়।এটা দিয়ে পেজে ডাইনামিক কনটেন্ট যোগ করতে পারবেন।

একটা জাভাস্ক্রিপ্ট statement দেখতে এমন: document.write("" + date + "")



এক্সএমএল- এক্সটেনসিবল মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ

এটা এইচটিএমএল এর পরিবর্তে ব্যাবহৃত হয় এমন নয় বরং এটা ডেটা বহন ও সংরক্ষন এর জন্য।



সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং

সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং হচ্ছে "programming" ওয়েব সার্ভারের জন্য।

পূর্নাঙ্গ ডাইনামিক কনট্ন্টে তৈরীর জন্য এটা জানতে হবে।Server-side scripting দ্বারা আপনি ডেটাবেস থেকে ডেটা তুলে এনে এইচটিএমএল page দেখাতে পারেন।(অনেক কাজের মধ্যে এটা একটা)

SQL দিয়ে ডেটাবেস বানানো

Structured Query Language (SQL) দিয়ে যেকোন ডেটাবেসে একসেস নিতে পারেন যেমন MySQL,Oracle ইত্যাদি।

এটা এমন একটা ইন্জিন যেটা দিয়ে ওয়েবে ডেটাবেসের সাথে তথ্য বিনিময় করা যায়।

কেন শিখবেন ওয়েব ডিজাইন?আমাদের দেশে মূলত লোকজন ‘কোন কাজটা আমি শিখবো’ বা ‘আমি কোন কাজটা পারবো’ এধরনের প্রশ্ন না করে বরং বল...
10/04/2017

কেন শিখবেন ওয়েব ডিজাইন?
আমাদের দেশে মূলত লোকজন ‘কোন কাজটা আমি শিখবো’ বা ‘আমি কোন কাজটা পারবো’ এধরনের প্রশ্ন না করে বরং বলে ‘কিভাবে সহজে আয় করবো’ বা ‘এটা শিখে কত টাকা আয় করবো’। যারা আয় কত করবেন বা রাতারাতি কিভাবে আয় করবেন এইসব চিন্তা করেন তাদের জন্য ওয়েব ডিজাইন নয়। যদিও ওয়েব ডিজাইন আসলে উচ্চ আয়ের পেশার মধ্যে অন্যতম কিন্তু আপনি যদি আয়ের কথাটাই মাথায় রেখে এগুতে চান তাহলে আমি বলবো আপনার জন্য ওয়েব ডিজাইন নয়। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন বা প্রোগ্রামিং এই ধরনের পেশা আসলে তাদের জন্য যারা ক্রিয়েটিভ কিছু করতে চান এবং নিজের কাজের মধ্যেই নিজেকে খুজে পেতে চান। ওয়েব ডিজাইন যেহেতু কোডিং এবং প্রোগ্রামিং এ ভরপুর আর প্রোগ্রামিং-এর নেশা ছাড়া প্রোগ্রামিং করা সম্ভব নয় তাই এধরনের কাজ শুধুমাত্র তাদের জন্য যারা এই কাজের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন। তবে বাস্তবতা হচ্ছে শিখে যাওয়ার পর আপনি অন্য যেকোনো পেশা থেকে এখানেই ভালো আয় করতে পারবেন।

Address

Barisal Sadar
Barishal
8200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Megasys Technology posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share