Network of freelancing

Network of freelancing Currently freelancing is a popular profession. I am a freelancer. I work on the Hafez Freelancing team.

So you too come to learn freelancing and improve your life.

16/01/2024

একজন নুরানি প্রশিক্ষন প্রাপ্ত শিক্ষক দরকার ...
হাদিয়া : ১০,০০০
স্থান: টঙ্গী ‍চেরাগআলী

23/08/2023
ফ্রিল্যান্সিং কি ও কিভাবে করা যাবে।ফ্রিল্যান্সিং কি ? '''মুক্তপেশা''' (Freelancing), কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠা...
09/10/2021

ফ্রিল্যান্সিং কি ও কিভাবে করা যাবে।
ফ্রিল্যান্সিং কি ? '''মুক্তপেশা''' (Freelancing), কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধীনে না থেকেমু্ক্তভাবে কাজ করাকে বোঝায়। যারা এধরণের কাজ করেন তাদের বলা হয় "মুক্তপেশাজীবী" (Freelancer)। এধরণের কাজে কোনো নির্দিষ্ট মাসিক বেতনভাতানেই তবে স্বাধীনতা আছে, ইচ্ছা মতো ইনকামের সুযোগ ও আছে, । এজন্য স্বাধীনমনা লোকদের আয়ের জন্য এটা একটা সুবিধাজনক পন্থা। আধুনিক যুগেবেশিরভাগ মুক্তপেশার কাজগুলো [ইন্টারনেট|ইন্টারনেটের] মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েথাকে। ফলে মুক্ত পেশাজীবীরা ঘরে বসেই তাদের কাজ করে উপার্জন করতে পারেন। এপেশার মাধ্যমে অনেকে প্রচলিত চাকরি থেকে বেশি আয় করে থাকেন, তবে তাআপেক্ষিক। ইন্টারনেটভিত্তিক কাজ হওয়াতে এ পেশার মাধ্যমে দেশি-বিদেশিহাজারো ক্লায়েন্টের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ ঘটে। ==কাজের ধরণ==মুক্তপেশারকাজের পরিধি অনেক বেশি। বিশ্বব্যাপী এধরণের কর্মপদ্ধতির চাহিদা ক্রমশবাড়ছে। জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে শীর্ষে থাকা কয়েকটি কাজের মধ্যেউল্লেখযোগ্য হলো:*লেখালেখি ও অনুবাদ: নিবন্ধ , ওয়েবসাইট কন্টেন্ট, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি, ছোট গল্প, প্রাপ্তবয়স্কদের গল্প এবং এক ভাষা থেকে অন্যভাষায় ভাষান্তরকরণ উল্লেখযোগ্য।*সাংবাদিকতা: যারা এবিষয়ে দক্ষতারা বিভিন্ন দেশি-বিদেশি পত্রপত্রিকায় লেখালেখির, চিত্রগ্রহণের পাশাপাশিইন্টারনেটভিত্তিক জনসংযোগ করে থাকেন।*গ্রাফিক্স ডিজাইন: লোগো, ওয়েবসাইট ব্যানার, ছবি সম্পাদনা, অ্যানিমেশন ইত্যাদি।*ওয়েব ডেভলপমেন্ট: ওয়েবসাইট তৈরি, ওয়েবভিত্তিক সফ্‌টওয়্যার তৈরি, হোস্টিং ইত্যাদি।*কম্পিউটার প্রোগ্রামিং: ডেস্কটপ প্রোগ্রামিং থেকে ওয়েব প্রোগ্রামিং সবই এর আওতায় পড়ে।*ইন্টারনেট বিপণন/ইন্টারনেট মার্কেটিং: ইন্টারনেটভিত্তিক বাজারজাতকরণ কার্যক্রম, যেমন ব্লগ, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে বিপণন।*গ্রাহকসেবা: দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির গ্রাহককে টেলিফোন, ইমেইল ও সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমের সাহাজ্যে তথ্য প্রদানের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা।*প্রশাসনিক সহায়তা: দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন কাজের ডাটা এন্ট্রি করণ, ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করা ইত্যাদি। ইন্টারনেটভিত্তিকমুক্তপেশার চর্চায় বিশ্বব্যপী বিভিন্ন ওয়েবসাইট তাদের সেবা বিস্তৃতকরেছে, এবং এসব মধ্যস্থ ব্যবসায়ীদের (মিডিয়া) মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেবিশ্বব্যাপী ক্রেতা এবং ভোক্তা উভয়েই। এসব ওয়েবসাইটে যে-কেউ অ্যাকাউন্টখুলে নিজেদের কাজের বিবরণ জানিয়ে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন, এবং অপরপক্ষেযে-কেউ অ্যাকাউন্ট খুলে বিজ্ঞাপিত কাজের জন্য উপযুক্ত মনে করলে আবেদন করেন।এদের উভয়ের মধ্যে লেনদেনকৃত পরিমাণ অর্থের একটা অনুপাত এসকল মধ্যস্থব্যবসায়ী ওয়েবসাইটগুলো গ্রহণ করে, এবং এটাই তাদের মুনাফা। অনলাইনভিত্তিকএরকম কয়েকটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইটের মধ্যে উল্লেখযোগ্যoDesk.com, Elance.com, Freelancer.com ইত্যাদি। তবে $Dolancer-সহআরো বেশ কিছু ওয়েবসাইট এই পদ্ধতি অনুসরণ করে এমএলএম ব্যবসার আদলে নিজেদেরকার্যক্রম সাঁজায় এবং পরবর্তিতে অনেকে এর ফাঁদে পা দিয়ে প্রতারিত হোনবলে অভিযোগ রয়েছে।
নতুনরা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আসতে পারে।
ফ্রিলান্সিং ইংরেজি শব্দ যার বাংলা প্রতিশব্দ মুক্ত-পেশা। আরো সহজভাবেবলা যায়, একজন ফ্রিলান্সার হচ্ছে আত্ম-কর্মশীল যে কোন নির্দিষ্ট কর্মদাতারঅধীনে দীর্ঘ সময়ের জন্য কাজ করে না। এরা সল্প সময়ের জন্য বিভিন্ন কম্পানি, এজেন্সিতে নিজেদের নিযুক্ত করে শ্রম দেয়। ফুল টাইম অথবা পার্ট যেকোনো ভাবেইসে পেশটাকে নিতে পারে। আর প্রজেক্ট ও ঘণ্টা এই দুইভাবে কাজ করে এরা।যেকোনো জায়গাতে বসেই এরা কাজ করতে পারে। হউক সেটা নিজের ঘর অথবা পার্কেরমাঠ। ছাত্র, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, গৃহিণী সহ যেকোনো কাজের পাশাপাশি যে কেউফ্রিলান্স পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারে। অথবা যারা পড়াশুনা শেষ করেচাকুরির জন্য চেষ্টা করছেন এরাও এই পেশাটাকে বেছে নিতে পারেন। নতুন বলতেশুধুমাত্র নতুন প্রজন্মকে বলা হচ্ছে না, হতে পারে সে ৪৫ বছরের একজন সরকারিচাকুরীজীবী অথবা ২৫ বছরের গৃহিণী।নতুনদের কেন ফ্রিলান্স পেশায় আসা উচিত?আন্তর্জাতিকবাজারের চাহিদা, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা হতে পারে অন্যতম কারণ যারজন্য নতুনদের এই পেশায় আসা উচিত। বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, দিন দিন আমাদেরদেশে বেকারত্বের প্রভাব বেড়েই চলেছে। শিক্ষিত জনশক্তি গোষ্ঠী বাড়ছেপ্রতিবছরই কিন্তু কর্ম-সংস্থান বাড়ছে না তুলনামুলক ভাবে। তাই অধিকাংশশিক্ষিত মানুষগুলোকে বয়ে বেড়াতে হয় বেকারত্বের অভিশাপ। যেখানে গতানুগতিকচাকুরির বাজার সঙ্কীর্ণ সেখানে অনলাইনের মাধ্যমে ফ্রিলান্সিং পেশা হতে পারেদেশের অর্থনৈতিক সচ্ছলতার অন্যতম চালিকাশক্তি। আবার যারা ইতোমধ্যে বিভিন্নপেশায় নিয়োজিত আছেন তারাও দিনের কিছুটা সময় কাজ করে আয়ের আরেকটি মাধ্যমহিসেবে ফ্রিলান্সিং পেশাকে বেছে নিতে পারেন।নতুনরা যেভাবে ফ্রিলাসিং এ আসতে পারেঃগতকয়েক বছরে ফ্রিলান্সিং আমরা যে হারে এগিয়েছি তাতে বলার অপেক্ষা রাখেনা যেএই পেশার ভবিষ্যৎ আশাব্যঞ্জক। আর এর ভবিষ্যৎ বুঝতে পেরেই বর্তমান সরকারঅনলাইনে ফ্রিলান্সিং পেশায় সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন কর্মসূচী হাতেনিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, MoICT উদ্যোগে এন্ড্রোয়েড এপস ডেভেলপমেন্টপ্রশিক্ষণ। যেখানে কিভাবে এন্ডোয়েড মোবাইলের এপস বানানো যায় তা শেখানো হয়।এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ, প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও স্বনির্ভর বাংলাদেশেরউদ্যোগে লার্নিং এন্ড আরনিং প্রশিক্ষণ। এখানে বহুবিধ কাজ শেখানো হয়। যেমন, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, এসইও সহ আরো বিভিন্ন রকমের কাজ যা করে যে কেউফ্রিলান্স করতে পারবে। যেখানে বিভিন্ন মেয়াদে সারাদেশে বিভিন্ন সময়েবিনামূল্যে ট্রেনিং এবং সরাসরি অনলাইনে কাজ করে কিভাবে বৈদেশিক মুদ্রা আয়করা যায় সে সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা দিচ্ছে। তাই নতুনরা প্রাথমিকভাবে এরমাধ্যমে কাজ শিখতে পারে। কাজ শেখা ও কাজ করাঃনতুনদেরমাঝে প্রায়ই একটা প্রশ্ন কাজ করে আর সেটা হল কি কাজ শিখবো আর কিভাবে কাজকরবো? তাদের উচিত হবে প্রথমে জেনে নেয়া যে কি কি কাজ করে অনলাইনেফ্রিলান্সিং করা যায়! এবং কিভাবে দক্ষ ও কর্মঠ হওয়া যায় সেটা নিয়ে ভাবতেহবে। একটি সুন্দর উদাহরণ দেই, আপনি যদি শুধুমাত্র ওয়েব ডেভেলপার হয়েফ্রিলান্স করতে চান তাহলে খুব সহজেই কাজ শিখতে পারবেন। আপনি নিশ্চয়ই আর.আরফাউন্ডেশনের নাম শুনেছেন, এখান থেকে যেকেউ বিভিন্ন টিউটোরিয়াল দেখে আপনিকাজ শিখতে পারেন। আর এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্যhttp://rrfoundation.netসাইটেভিজিট করতে পারেন। আবার শঙ্কায় থাকে কিভাবে টাকা হাতে পাবে, কোন ব্যাংকথেকে টাকা পাবে, কাজ শিখতে কত মাস লাগবে, প্রতিমাসে কত টাকা আয় হবে ইত্যাদিইত্যাদি। আপনি যদি ভালভাবে কাজ শিখতে পারেন তাহলে আস্তে আস্তে জানতেপারবেন কিভাবে কাজ পাবেন আর কিভাবে টাকা হতে পাবেন। তাই আপনার প্রথম কাজহবে যেকোনো একটা বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে তোলা। আর সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়েনতুনরা অনলাইনের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে কাজ করতে পারবে। তবেসাবধান, কারণ বেশিরভাগ মানুষই অল্প কিছু শিখেই মার্কেটপ্লেসে নেমে পরেকাজের উদ্দেশ্যে। তাই অনেক সময়ই দেখা যায় এরা ক্লাইন্ট এর সব কাজ করে দিতেপারে না।শেষ কথা, নতুনদের জন্য সুখবর এই যে, অনলাইন মার্কেটে এখনোদক্ষ ফ্রিলান্সারের অনেক অভাব। তাই নতুনদের জন্য পরামর্শ একটাই, ভাল করেকাজ শিখুন, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী কাজ শিখুন আর আন্তর্জাতিক বাজারেপ্রতিনিধিত্ব করুন নিজের দেশের। অর্জন করুন অসংখ্য বৈদেশিক মুদ্রা

🔵 যাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং নয়:◼ যারা শর্টকাটে সাফল্য পেতে চায়।◼ যারা অল্প কাজ শিখেই আয় করতে চান।◼ যাদের নিজের দক্ষতা ...
27/09/2021

🔵 যাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং নয়:

◼ যারা শর্টকাটে সাফল্য পেতে চায়।
◼ যারা অল্প কাজ শিখেই আয় করতে চান।
◼ যাদের নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রতি মনোযোগ নেই।
◼ যারা মনে করেন ফ্রিল্যান্সিং মানেই ঘরে বসেই মাস শেষে ৫০/৬০ হাজার টাকা আয় করা।
◼ যারা মনে করেন ৩/৪ মাসের একটি কোর্স করলেই মেন্টর সব শিখিয়ে দিবেন এবং পরবর্তীতে আর কিছু শেখা লাগবে না।
◼ যারা ভাবেন, “কিছুদিন দেখি, পরে শিখে নিবো নে”।
◼ যারা নিয়মিত এবং নির্দিষ্ট পরিমান সময় দিতে পারবেন না।
◼ যাদের পরিশ্রম করার মানষিকতা এবং সামর্থ্য নেই।
◼ যারা অল্প পরিশ্রমে বেশী আয় করতে চান।

আশা করি উপরের বিষয়গুলো যদি আপনি ভালোভাবে পড়ে থাকেন এবং বুঝে থাকেন তাহলে আপনি আপনার প্রাথমিক জ্ঞান পেয়ে যাবেন। তাই সবকিছু যদি আপনার অনুকূলে থাকে, তাহলে আপনি নিশ্চিতে ফ্রিল্যান্সিং জগতে পা রাখার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে পারেন। কিন্তু যদি মনে করেন বেশিরভাগ বিষয়গুলোই আপনার প্রতিকূলে, তাহলে এই পথ আপনার জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না..

অফিসের ৯-৫ রুটিন ও বসের ঝাড়ি প্রতিদিন, স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য খুবই Irritating!স্বপ্ন যদি হয় নিজের মন মতো কাজ করে আর্থি...
27/09/2021

অফিসের ৯-৫ রুটিন ও বসের ঝাড়ি প্রতিদিন, স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য খুবই Irritating!
স্বপ্ন যদি হয় নিজের মন মতো কাজ করে আর্থিক দিক দিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠার তাহলে ‘ঘরে বসে Freelancing’ কোর্সটি আপনার জন্য 👉
“ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং” কোর্সে আপনার জন্য থাকছে ⬇️
⚡ জিরো থেকে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার সম্পূর্ণ গাইডলাইন
⚡ ফাইবারের মতো জনপ্রিয় সাইটে নিজেকে প্রমোট কারার উপায়।
Inbox me....

দুইটা গল্পঃ ১। ইয়াহু নামমাত্র দামে গুগলকে কিনে ফেলার প্রস্তাব পেলেও কিনেনি।২। নোকিয়া এন্ড্রোয়েডকে কিনার প্রস্তাব ফিরিয়ে ...
27/09/2021

দুইটা গল্পঃ

১। ইয়াহু নামমাত্র দামে গুগলকে কিনে ফেলার প্রস্তাব পেলেও কিনেনি।
২। নোকিয়া এন্ড্রোয়েডকে কিনার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলো।

শিক্ষণীয়ঃ
১। সময়ের সাথে নিজেকে আপডেট রাখুন, নয়তো আপনি অচলের হিসেবে নাম লেখাবেন।
২। কোন রিস্ক না নেওয়াটা হচ্ছে বড়ো রিস্ক। নতুন রিস্ক গ্রহণ করুন এবং সব সময় আপডেট থাকুন।

আরো দুইটা গল্পঃ
১। গুগল দুইটা সম্ভাবনাময়ী প্রজেক্ট ইউটিউব এবং এন্ড্রোয়েডকে কিনে নিয়েছে।
২। ফেসবুকে কিনে নিয়েছে ইন্সট্রাগ্রাম এবং হোয়াটসএপকে।

শিক্ষণীয়ঃ
১। শত্রুকে ঘৃণা না করে তার সাথে সংযুক্ত হয়ে আরো শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা করুন।
২। দ্রুত এগিয়ে যান এবং শত্রুকে প্রতিহত করার চেষ্টা করুন।

আরো দুইটা গল্পঃ
১। বারাক ওবামা একজন আইসক্রিম বিক্রেতা ছিলেন।
২। এলন মাস্ক ছিলেন একজন লকার রুম গার্ড।

শিক্ষণীয়ঃ
১। ব্যাক্তিকে তার পূর্বের কাজের মাধ্যমে যাচাই করবেন না।
২। আপনার বর্তমান অবস্থা আপনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না। ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে আপনার চেষ্টা এবং পরিশ্রম।

আরো দুইটা গল্পঃ
১। কর্নেল স্যান্ডার্‌স ৬৫ বছর বয়সে KFC প্রতিষ্ঠা করেন।
২। জ্যাক মা কেএফসিতে চাকুরির আবেদন করেও কম যোগ্যতা সম্পন্ন মনে করায় চাকুরি পাননি।

শিক্ষণীয়ঃ
১। বয়স শুধু একটি সংখ্যা মাত্র, আপনি যে কোন বয়সেই সফল হতে পারেন।
২। কখনো হার মানবেন না। তারাই হেরে যায় যারা মেনে নেয়।

শেষ দুইটা গল্পঃ
১। Ferrari এর মালিক একজন ট্রাক্টর তৈরি করার কারিগরকে অপমান করেছিলেন।
২। সেই ট্রাক্টর তৈরি করার কারিগর Lamborghini প্রতিষ্ঠা করেন।

শিক্ষণীয়ঃ
১। কাউকে অবজ্ঞা করবেন না।
২। সফলতা হচ্ছে সর্বোত্তম প্রতিশোধ।

আপনি যে কোন বয়সেই সফল হতে পারেন। এর জন্য কোন বয়স কিংবা কোন ব্যাকগ্রাউন্ড বাধ্যতামূলক নয়।

কালেক্টেড - টীম "সাইবার ৭১"

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়? অসংখ্য কাজ আছে যেগুলো শিখে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। তবে সব কাজই আপনাকে অনলাইন...
25/09/2021

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়?

অসংখ্য কাজ আছে যেগুলো শিখে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। তবে সব কাজই আপনাকে অনলাইনে করতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় তার একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা লিচে দেয়া হল

তবে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জনপ্রিয় ৫ টি কাজঃ

১.ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
২.ওয়েব ও গ্রাফিক ডিজাইন
৩.কন্টেন্ট রাইটিং
৪.সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
৫.সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
উপরের শেষ তিনটি কে এক কথায় বলে ডিজিটাল মার্কেটিং। এবং এর কাজ পাওয়া যায় সবচেয়ে বেশি। আপনারা ইতিমধ্যে জেনে গেছেন বাংলাদেশের মানুষ ডিজিটাল মার্কেটিং করে সবচেয়ে বেশি ইনকাম করছে।

অনেক ধরনের ফ্রিলান্সিং জব আমরা করতে পারি। ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় তার মধ্যে কিছু নিচে উল্লেখ করা হল

3D Artist
Academic Writer
Accountant
Advertising Copywriter
App Developer
Architect
Article Writer
Artist
Blog Writer
Book Designer
Book Editor
Bookkeeper
Business Analyst
Business Writer
C Programmer
CAD Designer
Comic Artist
Commercial Writer
Computer Programmer
Concept Artist
Content Writer
Copyeditor
Copywriter
Creative Director
Drupal Developer
php Developer
Electrical Engineer
Fashion Designer
Fashion Stylist
Fiction Editor
Film Editor
Flash Designer
Game Developer
Grant Writer
Graphic Designer
Health Writer
Industrial Design
Interior Designer
Interpreter
IT Consultant
Legal Writer
Logo Designer
Magazine Writer
Marketing Consultant
Media Buyer
Medical Editor
Medical Transcription
The Medical Writer
Motion Graphics
Personal Assistant
Photo Editor
Photo Retouching
Product Designer
Professional Services
Project Manager
Public Relations
Science Editor
Science Writer
SEO Consultant
Software Developer
Sports Writer
Tech Support
Technical Writer
Textile Designer
Travel Writer
Video Editor
Virtual Assistant
Visual Merchandiser
web Designer
ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায় এ বিষয়ে আরো অনেক তথ্য আমাদের হাফেজ ফ্রিলান্সার গ্রুপে আছে। প্র্যাকটিক্যাল টিউটোরিয়াল সহ, যা আপনাকে শিখতে সাহায্য করবে। আমাদের You tube channel এর নাম Nowab Raihan

আমার মতে ফ্রিল্যান্সিং এ যেসব কাজ করা যায় তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো গ্রাফিক ডিজাইন। ফ্রিল্যান্সিং এ আপনি যে কোন কাজ করেন না কেন, আপনাকে গ্রাফিক ডিজাইন জানতে হবে। যদি না পারেন, বেসিক টা অন্তত শিখে ফেলেন। আরও অনেক বেসিক বিষয় শিখুন আমাদের you tube এর ফ্রি ভিডিও দেখে। আমাদের কোর্সে "ভর্তি+লাইফ টাইম সাপোর্ট" পেতে পারেন। যোগাযোগ করুন ইনবক্সে

25/09/2021

ফ্রিল্যান্সিং বা মুক্ত পেশা হল এমন কোন কাজ যা আপনি কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধীনে আপনার ইচ্ছামত করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং বলতে মূলত ঘরে বসে অনলাইনে কাজ করাকে বুঝায়। আপনি অনলাইনের যেসব কাজে দক্ষ, সেসব কাজ অনলাইনে করে দিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন। তাহলে বুঝতেই পারছেন আপনার অনলাইন কাজের দক্ষতা অনলাইনে বিক্রি করে টাকা আয় করাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে।

তাহলে ফ্রিলান্সিং শুরু করতে প্রথমেই আপনার পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে ফ্রিলান্সিং কি এই বিষয়ের উপর। আশা করি আপনি বুঝতে পারছেন ফ্রিলান্সিং কি। আমি এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা করব। ফ্রিল্যান্সিং শিখে আপনি মূলত ঘরে বসে দেশের বাইরে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করবেন। আপনি অনলাইনে কাজ পাবেন আর অনলাইনেই কাজ করে জমা দিয়ে আপনার প্রাপ্য টাকা বুঝে নিবেন।


ফ্রিল্যান্সাররা সাধারণত বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ পেয়ে থাকে। তাছাড়া মার্কেটপ্লেসের বাইরেও বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে কাজ পেয়ে থাকে। মার্কেটপ্লেসে আপনাকে কাজের জন্য আবেদন করতে হবে অথবা আপনাকে কাজের দক্ষতা অনুযায়ী পোর্টফোলিও সাজিয়ে রাখতে হবে। মার্কেটপ্লেসে দুই ধরণের মানুষ থাকে। এক, যারা কাজ করবে বা স্কিল বিক্রি করবে। দুই, যারা আপনাকে কাজ দিবে বা আপনার স্কিল কিনে নিবে।

মার্কেটপ্লেসের বাইরে ফ্রিল্যান্সাররা নিজেদের পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করে রাখে, যেখানে আপনাকে যারা কাজ দিবে তারা আপনাকে খুঁজে বের করবে। তাছাড়া সোস্যাল সাইট যেমন, ফেসবুক, লিঙ্কডইন, পিন্টারেষ্ট, ইন্সতাগ্রাম, রেডিট ইত্যাদি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে তারা প্রোফাইল তৈরি করে রাখে এবং যারা কাজ দেয় তাদের সাথে কানেক্ট হয়। এসব সাইটে কাজ করানোর জন্য যখন কেও লোক খুঁজে তখন ফ্রিল্যান্সাররা তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে। আবার আপনার প্রোফাইল ভিজিট করে তারা আপনাকে কাজ দেয়ার জন্য যোগাযোগ করে।

যারা আপনাকে কাজ দিবে তারা হচ্ছে আপনার ক্লায়েন্ট। মার্কেটপ্লেসে একজন ক্লায়েন্ট যখন কাজ দেয়ার জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তখন আপনি তার সাথে কথা বলে ঠিক করে নিতে পারবেন যে আপনার কাজের বিনিময়ে সে আপনাকে কত টাকা দিবে। অর্ডার কনফার্ম করার সাথে সাথে মার্কেটপ্লেসে আপনার নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা হয়ে যাবে এবং আপনার কাজ কমপ্লিট হবার সাথে সাথেই আপনি টাকা পেয়ে যাবেন।


মার্কেটপ্লেসের বাইরে কাজ করতে গেলে অনেক সময় দেখা যায় আপনি এমন ক্লায়েন্ট পাবেন যে আপনার কাজ জমা দেয়ার পর সে আপনাকে টাকা দিতে চাচ্ছে না। যদিও এটা খুব কম ক্ষেত্রেই দেখা যায়। এখানে আপনি কোন অভিযোগ করার সুযোগ পাবেন না। তাই ফ্রিল্যান্সাররা মার্কেটপ্লেসেই বেশি কাজ করে থাকে।

মার্কেটপ্লেসে কাজ করলে আপনার পেমেন্ট থেকে সামান্য কিছু টাকা তারা কেটে নিবে। মার্কেটপ্লেসের বাইরে কাজ করলে আপনার কাজ থেকে কোন টাকা কেটে নেয়ার কোন সুযোগ নেই। এজন্য মার্কেটপ্লেসের বাইরে অনেক বেশি টাকা ইনকাম করা যায়। তবে সবচেয়ে বেশি যেটা গুরুত্বপূর্ণ তা হল আপনার স্কিল। আপনার কাজের স্কিল ভালো থাকলো যোকোন জায়গায় হোক আপনাকে কখনো টাকার পিছনে ছুটতে হবে না। টাকা আপনার কাছে অটোমেটিক ধরা দিবে।

ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় করার জন্য ফ্রিল্যান্সিং খুবই ভাল একটি মাধ্যম। পড়াশোনার পাশাপাশি আয় করার জন্য তারা বেশ কিছু কাজ শিখে নিতে পারে যেমন, ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম, ইউটিউবে ভিডিও ছাড়ার নিয়ম, কিভাবে ফেসবুক পেজ খুলতে হয় এবং ফেসবুক পেজ কিভাবে চালাতে হয়। এই কাজ গুলো শিখলে ফাইভার সহ বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে প্রচুর কাজ পাওয়া যাবে। এগুলো আসলে ডিজিটাল মার্কেটিং এর অংশ। ফ্রিল্যান্সিং এ ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে এগুলো আপনাকে খুব বেশি হেল্প করবে। তাই আপনি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে এগুলো এখনই শিখে ফেলুন।

অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, অনলাইন কর্মী সরবরাহে ভারতের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। এখানে নিয়মিত কাজ করছে ৫ লাখ ফ্রিল্যান্সার। আর মোট নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা ৬ লাখ ৫০ হাজার। বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর ফ্রিল্যান্সররা ১০ কোটি ডলার আয় করে থাকেন। একেক দেশ একেক বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে এই পেশা নিয়ে কাজ করছে। যেমন ভারতীয় ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতা প্রযুক্তি ও সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট। আর বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা মূলত সেলস ও মার্কেটিং সেবায় পারদর্শী। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৪ কোটি ৪০ লাখ তরুণদের প্রতি ১০ জনের একজন বেকার। প্রতিবছরই বিশ্ববিদ্যালয় পেরোনো হাজার হাজার শিক্ষার্থী মনের মতো চাকরি না পেয়ে বেকার হয়ে বসে আছেন। ফলে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তবে খুব সহজেই আইটি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার সুযোগ রয়েছে তাদের সামনে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই নিবন্ধে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, এতে করে তারা শুধু নিজের জীবিকাই নিশ্চিত করবে না, বরং দেশে অনেক বৈদেশিক মুদ্রাও আনবে সমর্থ হবে যা ‘নতুন বাংলাদেশ’র অর্থনৈতিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।


এতক্ষণ আমরা ফ্রিল্যান্সিং কি এবং ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানলাম এখন আমাদের জানতে হবে ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়।
পরবর্তী পোস্ট দেখুন....

Address

Sarankhola, Rayenda, Rajapur
Bagerhat Town
9330

Telephone

01727331191

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Network of freelancing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share