03/05/2026
🎾 হার না মানা সাহসী সংগ্রামী নারীর গল্প
রাতের আলোয় ঝলমলে একটি বাগান পথ। দুপাশে সারি সারি গাছ, পথের ধারে মৃদু সোনালি আলোর বাতি। এমনই এক মনোরম সন্ধ্যায় বসুন্ধরা কম্পিউটারের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বেনজির বেলায়েত হঠাৎ হাজির হলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের সামনে — হাতে টেনিস র্যাকেট, চোখে স্বপ্নের আলো।
বেনজির: "স্যার, আসসালামু আলাইকুম! চিনতে পারছেন আমাকে?"
পরিচালক একটু অবাক হলেন। কতদিন পর এই পরিচিত মুখ!
পরিচালক: "ওয়ালাইকুম আসসালাম! অবশ্যই! তুমি তো... আরে, কতদিন পর! কিন্তু এই টেনিস র্যাকেট ব্যাগ নিয়ে কোথায় যাচ্ছ?"
বেনজির হাসল। সেই চেনা হাসি — আত্মবিশ্বাসী, উজ্জ্বল।
বেনজির: "স্যার, এখন টেনিস খেলি। আজ প্র্যাকটিস শেষ করে আপনার কথা মনে পড়ল, তাই চলে আসলাম!"
পরিচালকের মুখে ফুটে উঠল উষ্ণ হাসি।
পরিচালক: "আহা! তুমি আসতে আমি খুব খুশি হয়েছি। কম্পিউটার ছেড়ে টেনিসে? এটা তো মজার গল্প!"
বেনজির একটু থামল। তারপর গভীর চোখে বলল —
বেনজির: "স্যার, কম্পিউটার ছাড়িনি। টেনিসটা এখন প্যাশন হয়ে গেছে।"
মাত্র কয়েকটি শব্দ — কিন্তু এর ভেতরে লুকিয়ে ছিল একটি মেয়ের অদম্য জীবনদর্শন। বেনজির ছাড়েনি- না কম্পিউটার, না স্বপ্ন, না সংগ্রাম।
পরিচালক মুগ্ধ হয়ে বললেন —
পরিচালক: "দারুন!! তুমি তো দুটো কোর্টেই খেলছ — টেনিস কোর্ট আর কম্পিউটার কোর্স!"
বেনজির হেসে উঠল।
বেনজির: "স্যার আপনি এখনও সেই আগের মতোই আছেন! সব কিছুতে মজা খোঁজেন!"
পরিচালকের চোখে তখন গর্বের আলো। একজন পরিচালকের সবচেয়ে বড় পুরস্কার — তার শিক্ষার্থীর সাফল্য।
পরিচালক: "আর তুমিও সেই আগের মতোই আছো — যা করো, পুরোটা দিয়ে করো। এটাই তোমার সেরা গুণ!"
রাতের নরম আলোয় দুজনেই চুপ করে রইলেন কিছুক্ষণ। তারপর বেনজির ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বলল —
বেনজির: "টেনিসের প্রতিটি সার্ভে আমি যে শক্তি ঢালি, তার শিকড় বসুন্ধরা কম্পিউটারের মাটিতে। এখানেই প্রথম শিখেছিলাম — হার না মানার ভাষা। কারণ এখানেই শিখেছি — জীবনে যা করো, পুরোটা দিয়ে করো!"
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পরিচালকের আবেগ ঘন বার্তা “এটি শুধু বেনজির বেলায়েতের গল্প নয়। এটি সেই প্রতিটি মানুষের গল্প — যারা স্বপ্ন দেখে, লড়াই করে এবং কখনো হার মানে না।
💙 "দিন বদলের অঙ্গীকার"
বসুন্ধরা কম্পিউটার
#বেনজিরবেলায়েত #হারনামানারগল্প #বসুন্ধরাকম্পিউটার #সংগ্রামীনারী #অনুপ্রেরণা #নওগাঁ #দিনবদলেরঅঙ্গীকার