The Friendly Vocals

The Friendly Vocals Wanna share stories and feelings of our life. Stay connected with “The Friendly Vocals” and share you

-_-
15/01/2020

-_-

Once I accepted this I was able to exhale a bit and not take life so seriously.
14/01/2020

Once I accepted this I was able to exhale a bit and not take life so seriously.

Share your emotions. Cause as opening the windows on your room helps with ventilation, sharing your feelings or emotions...
28/08/2019

Share your emotions. Cause as opening the windows on your room helps with ventilation, sharing your feelings or emotions helps ventilate your mind.

18/08/2019

Life is like a business institute. That starts when you are born and finishes when you die. In between life and death, there are a lot of developments likewise in an institute. The people of your life are the types of important equipment of that institute. If any of the equipment gets damaged or breaks down the owner will repair or replace that equipment. The owner will not get stuck in sorrow of that lost equipment. He or she simply can't allow themselves to do that. If they did that their institute will suffer a heavy loss.

In life, we come to know a lot of people from time to time. But we can't allow ourselves to get stuck in grief when they leave. If we do, we will suffer a loss like that business institute. That doesn't mean we should not feel sadness or sorrow. Cause if we don't feel them, our lives will become one tracked and we won't be able to enjoy the happiness.
It's completely ok to feel sad but it's not ok to get stuck in sadness.
Cry when you feel like crying about something but make sure not to cry about that same thing once you are done.
Vent yourself like a fireman vents a burning building.
Only you have the ability to vent yourself.

When life gets rough it is the same situation as a ship out at sea, caught in a storm. Just let it flow with the rhythm while keeping your eyes on the compass and hand at the helm.
It's ok to ask for help, it's ok to ask someone for directions just make sure to ask the coast guard or the navy ( I mean the people who are there to help you ) and not the pirates (who will use your vulnerability for their own gain).

Please note: I compared people with equipment but I'm not saying use them as equipment and throw them away when their usefulness has ended.

~ বিল্টু

17/08/2019

অনেকদিন ধরে একটা জিনিস নোটিশ করছি। আমাদের জেনারেশনের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে একটা চিন্তা কাজ করে তা হচ্ছে " ব্রেকাপ হয়েছে এখন আরেকটা সম্পর্কে যেতে হবে, এতেই সমস্যার সমাধান হবে।"
তারা নিজের সেই সমস্যা গুলোর সমাধান না করেই আরেকটা সম্পর্কে চলে যায়। এর পর কিছুদিন সব ভালোই যায় তারপর খুটিনাটি সমস্যা শুরু হয়। একটা সময় গিয়ে এই সম্পর্কটাও টিকিয়ে রাখতে পারে না। ( আমি বলছিনা সবসময়ই এটা হয়। কিছু কিছু সম্পর্ক টিকে থাকে এবং অনেক সুন্দর ভাবেই টিকে থাকে। দুজনের উপরই সেটা নির্ভর করে)
যার কারণে আবার সেই ডিপ্রেসড ফিলিংস চলে আসে এবং আস্তে আস্তে ডিপ্রেশনে রুপ নেয়। এই ডিপ্রেসেড ফিলিংসটা থেকে রিকভার করাটা অনেক কঠিন। কারণ প্রথম ব্রেকাপের পরে যে ডিপ্রেসড ফিলিংসটা কাজ করছিল তা আবার রিলেশনে যাওয়ার কারণে চলে যায় নি। সেটা চাপা পরে গিয়েছিলো ব্যাস। আর এখনকার ব্রেকাপটা সেই চাপা কষ্ট গুলোর উপর আগুনে ঘি ঢালার মত কাজ করবে।

আমাকে কেউ যদি এমন পরিস্থিতি থেকে রিলেশনে যাওয়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে আমি পরামর্শ দিয়ে থাকি একটু সময় নিয়ে নিজেকে ঠিক হয়ে পরে রিলেশনে যেতে।

আমার মতে ৬ মাস ভালো থেকে ১ বছর কষ্ট করার চাইতে ২/৩ মাস কষ্ট করে বছরখানেক ভালো থাকা বেটার।
তাই আমি মনে করি একটু সময় নিয়ে নিজেকে ঠিক করে তার পরে রিলেশনে গেলে রিলেশনটা টেকার সম্ভাবনাও বেশি আবার না টিকলে কষ্টের পরিমানটাও একটু কম হবে।

এটা আমার ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা।
আশা করি ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

~ বিল্টু

25/06/2019

একটি মারাত্মক ভুলঃ

"আস্তাগফিরুল্লাহ" আরবি শব্দ। এর অর্থ "হে আল্লাহ , আমি ক্ষমা চাই"
আমাদের অনেকে অজ্ঞতাবশত শব্দটি কে "আস্তাকফিরুল্লাহ" উচ্চারণ করে থাকি। সামান্য একটি ভুল কিন্তু মারাত্মক অর্থ বিকৃতি দেখা যায়।
আরবি "গইন" হরফের জায়গায় "কাফ" উচ্চারণ করলে এর অর্থ দাঁড়ায়ঃ
"হে আল্লাহ আমি কাফির হতে চাই"
নাউযুবিল্লাহ!!
এই জন্য সবাই ন্যুনতম শুদ্ধ আরবি উচ্চারণ শিখার চেষ্টা করি।
Bayan পেইজ থেকে সংগৃহীত।

Eid Mubarak guy's and girls. Hope you guys have fun during the vacation. Enjoy your days with family and friends. To tho...
04/06/2019

Eid Mubarak guy's and girls.
Hope you guys have fun during the vacation.
Enjoy your days with family and friends.
To those who are suffering from anything Go out with friends or family spend some times with them. To others if you know someone who are going through something bad Reach out to them. A little gesture goes a long way.

Again EID MUBARAK.

23/04/2019

দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পর ও যদি আল্লাহর কালামের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক না থাকে তাহলে নিজের উপর কান্না করুন।
অনেকদিন যাবত যদি আল্লাহর কুর'আন থেকে কয়েকটা আয়াত তিলাওয়াত করা ও আপনার পক্ষে সম্ভব না হয় তাহলে নিজের জীবন নিয়ে,জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে আরেকবার আপনার ভাবার সময় এসেছে!

ওয়াল্লাহি! একমাত্র আল্লাহর সাথে সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হওয়া ছাড়া কারো ক্ষমতা নেই আপনাকে ভালো কাজ করা থেকে বিরত রাখার।

সুফিয়ান আস সাওরির( রহ) এর মত স্কলার বলেন-

''আমি একটি পাপ করার কারণে টানা ছয়মাস কিয়ামুল লাইলে(তাহাজ্জুদে) দাঁড়াতে পারি নি।''

সুবহানআল্লাহ্!

এ জন্য আলেমগন বলে থাকেন, আল্লাহ যখন কারো উপর অসন্তোষ, নাখোশ হন তখন তার খাওয়া-দাওয়া, নিশ্বাস নেওয়া কিংবা চলাফেরা বন্ধ করে দেন না বরং আল্লাহ সিজদাহ করার অধিকার ছিনিয়ে নেন। কুর'আন তিলাওয়াত, যিকির সহ অন্যান্য নেক আমল করার ইচ্ছাশক্তি কেড়ে নেন।আল্লাহ তাকে এমন সব কাজের মধ্যে ঘোরপ্যাঁচ খাওয়ান যেগুলোর মধ্যে আল্লাহর অসন্তুষ্টি রয়েছে।

ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লার খুব সুন্দর একইসাথে বেশ মারাত্নক একটা উক্তি রয়েছেঃ

“Whoever wants to know his stations in the eyes of Allah, then let him know where Allah has stationed him.”
-
তিনি খুব সুন্দরভাবে বলছেন, ''একটিবার তাকিয়ে দেখুন আল্লাহ আপনাকে কোন অবস্থায় রেখেছেন? কিসে ব্যস্ত রেখেছেন! তাহলে বুঝতে পারবেন আল্লাহর নিকট আপনার মর্যাদা কেমন।''

'' একটা সুন্দর ছবি ফেসবুকে আপ্লোড করে প্রশংসার জন্য অপেক্ষা করা,ফেবুকে পোস্ট লিখে লাইক কমেন্ট অন্তরে ঝড় তোলা,প্রিয়তমার হৃদয় জয় করার জন্য ব্যস্ত থাকা, যে দল আল্লাহর জন্য কাজ করে না তাতে দিন-রাত সময় দেয়া, এমন কিছু কাজে ব্যস্ত থাকা যার জন্য আল্লাহ আপনাকে পৃথিবীতে পাঠাননি- আপনি যদি নিজেকে এসব কাজে ব্যস্ত দেখেন, তাহলে এটা একটা সাইন যে আপনি আল্লাহ থেকে অনেক দূরে আছেন। আবার যদি সারা বিশ্বের মুসলিমদের অবস্থা আপনাকে চিন্তিত করে, আপনার যদি দিন কাটে মানুষকে সত্যের পথে আহবান করে, আল্লাহর যিকর করে, দান সদকা করে- তাহলে এটা একটা সাইন যে আল্লাহর কাছে আপনার মর্যাদা অনেক উপরে। আপনি সঠিক পথে আছেন বিইযনিল্লাহ।"

আপনার যদি আল্লাহর যিকরে অন্তরে প্রশান্ত না হয়, কুর'আনে হৃদয় বিগলিত না হয়,সিজদায় যদি আপনি প্রশান্তি না পান- তাহলে নিজের উপর কান্না করুন। আল্লাহর কাছে বার বার ক্ষমা চান। আল্লাহকে বলুন পূর্ব-পশ্চিমের দূরত্ব যেমন আপনার এবং গুনাহের মধ্যে ও যেন তেমন দূরত্ব সৃষ্টি করে দেন।

গুনাহের কারনে আপনার এবং আপনার রবের মধ্যকার যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে তাওবাহ, ইস্তিগফার, আল্লাহর যিকরের, নফল ইবাদাতের মাধ্যমে সেই দূরত্ব কমিয়ে আনতে চেষ্টা করুন।

মনে রাখবেন আপনাকে পৃথিবীতে দৌড়াতেই হবে। হোক সেটা দুনিয়ার জন্য কিংবা আল্লাহর জন্য। আপনি আল্লাহর ইবাদত করুন কিংবা শায়তানের। পৃথিবী আপনাকে ক্লান্ত করে ছাড়বেই। সিদ্ধান্ত আপনার আপনি কিসে ক্লান্ত হবেন?

ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ বলেন-

''And the best cure for this probelm is to flee from Allah to Allah. And whoever wishes to gain closeness to Allah and the Quarn that he should flee from trails. And to distance himself from any evil that would distance him from the Book of Allah."

copy

28/03/2019

মহিলার বাড়ীতে স্বামী সন্তান কেউ ছিল না। এমন এক বাড়ীতে ইমাম সাহেব তার অবুজ সন্তান নিয়ে দাওয়াত খাইতে গেল। মহিলা ছিল পর্দানশীল। দুটি রোমের মাঝখানে ছিল একটি দরজা। দরজাটিও ছিল পর্দা লাগানো। পর্দার একপাশ থেকে একটা একটা খাবার মহিলাটি ঠেলে দিল, ইমাম সাহেব অপর পাশ থেকে তৃপ্তি সহকারে সন্তানকে নিয়ে খাওয়া দাওয়া করলো। খাবার শেষে সন্তান তার বাবাকে বলল, বাবা এরকম একটা পর্দা আমাদের বাড়ীতে লাগিয়ে দিবা।

বাবা বলল, কেন?
সন্তান বলল, দেখলা না পর্দায় কি মজার মজার খাবার দেয়!
বাবা বলল, আরে বোকা পর্দায় খাবার দেয় না, পর্দার আড়ালে কেউ আছে সে খাবার দেয়।

ঐ অবুজ বালকের মতই আমরা অনেকেই ভাবি, জমি আমাদের খাবার দেয়, চাকরী ব্যবসা আমাদের ইনকাম দেয়, অসুস্থতায় ডাক্তার আমাদের সুস্থ করে তোলে, দক্ষ ড্রাইভার আমাদের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে। আসলে জমি,চাকরী, ব্যবসা, ডাক্তার এসব কিছু হচ্ছে পর্দা, এই পর্দার আড়ালে সবকিছুর নিয়ন্ত্রক মহান আল্লাহ আছেন যিনিই সবকিছু নিয়ন্ত্রন করে থাকেন।

23/03/2019

Meet Biltu Positive

18/03/2019

প্রচলিত ভুল

একটি ভিত্তিহীন কথা : এক নামের সবাইকে মাফ করে দেওয়া হবে

আমরা কোনো নবীর নামে বা কোনো সাহাবী কিংবা উম্মাহর কোনো বড় আলেম-মনীষীর নামে নিজেদের সন্তানের নাম রাখি। এটা অবশ্যই প্রশংসনীয়। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ সন্তানের নাম রেখেছিলেন মুসলিম জাতির পিতা ইবরাহীম আলাইহিস সালামের নামানুসারে।

কিন্তু কিছু মানুষের মাঝে এ কথা প্রচলিত রয়েছে যে, নিজ সন্তানের নাম যদি কোনো নবী বা কোনো বুযুর্গের নামে রাখা হয় তাহলে কিয়ামতের দিন যখন ঐ নবী বা বুযুর্গের নাম ঘোষণা করা হবে তো ঐ নামের যত মানুষ আছে সকলেই দাঁড়িয়ে যাবে তখন আল্লাহ তাআলা ঐ নামের ওসিলায় সকলকেই মাফ করে দিবেন।

এটি একটি কল্পনাপ্রসূত কথা, যার কোনো ভিত্তি নেই। সাথে সাথে তা শরীয়তের মেযাজেরও খেলাফ কথা। প্রতিটি ব্যক্তির ঈমান-আমল অনুসারে তার ফয়সালা হবে। নামের কারণে কাউকে মাফ করে দেওয়া হবে এমনটি ভাববার কোনো সুযোগ শরীয়তে নেই।

তবে নাম অবশ্যই ইসলামসম্মত ও সুন্দর অর্থবোধক হতে হবে। হাদীস শরীফে এসেছে,নিশ্চয় কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে তোমাদের পিতার নামসহ ডাকা হবে; সুতরাং তোমরা সন্তানদের সুন্দর নাম রাখো। -সুনানে আবু দাউদ,হাদীস ৪৯৪৮

প্রসঙ্গত জেনে নিই, সুন্দর অর্থবহ যে কোনো ইসলামসম্মত নাম রাখাই বৈধ। তবে নাম রাখার ক্ষেত্রে প্রাধান্যের পর্যায়ক্রম নি¤œরূপ :

১. আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় নাম। হাদীস শরীফে এসেছে-

أَحَبُّ الأَسْمَاءِ إِلَى اللهِ عَبْدُ اللهِ وَعَبْدُ الرَّحْمنِ.

আল্লাহ তাআলার কাছে সবচেয়ে পছন্দনীয় নাম হল, আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান। -জামে তিরমিযী,হাদীস ২৮৩৩

(মেয়েদের ক্ষেত্রে এটা হতে পারে- আমাতুল্লাহ,আমাতুর রহমান।)

২. যে নামের মাঝে আল্লাহ তাআলার আবদিয়্যাত (দাসত্বের অর্থ) পাওয়া যায় যেমন- আব্দুল আযীয,আব্দুর রহীম, আব্দুস সালাম ইত্যাদি। (মেয়েদের ক্ষেত্রে এটা হতে পারে- আমাতুল আযীয, আমাতুর রহীম, আমাতুস সালাম ইত্যাদি।)

৩. নবী-রাসূলগণের নামানুসারে নাম রাখা। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সন্তান ইবরাহীম জন্ম নেওয়ার পর নবীজী বললেন-

وُلِدَ لِي اللَّيْلَةَ غُلَامٌ فَسَمَّيْتُهُ بِاسْمِ أَبِي إِبْرَاهِيمَ.

আজ রাতে আল্লাহ আমাকে একটি ছেলে সন্তান দান করেছেন। আমি পিতা ইবরাহী আলাইহিস সালামের নামানুসারে তার নাম রেখেছি- ইবরাহীম। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৩১৫

৪. আল্লাহর যে কোনো নেক বান্দার নামানুসারে নাম রাখা; এক্ষেত্রে নবীজীর প্রিয় সাহবীগণের নাম সবার আগে।

৫. ইসলামসম্মত সুন্দর অর্থবোধক যে কোনো নাম।

আল্লাহ আমাদেরকে জীবনের সকল বিষয়ে ইসলামের সঠিক জ্ঞান দান করুন- আমীন।

প্রসঙ্গসমূহ: একটি ভুল ধারণা

Address

Riyadh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Friendly Vocals posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Friendly Vocals:

Share