25/06/2026
😱আলমগীর (ভুক্তভোগী প্রবাসী):"আমার কথা হচ্ছে সে যদি আমার সাথে রিলেশন করে তিন বছর, বিয়ে করছে... যদি আমাকে ভালো না লাগতে লাগে বা আমার কোনো আচরণ ব্যবহারে সর্ষে খারাপ লাগে, সে আমাকে বলে যাক, সমস্যা নাই আমার কোনো। কিন্তু ও চইলা যাইবো কিন্তু আমার ১১ বছরের ইনকাম সাথে নিয়ে যাইবো, এটা তো মেনে নেওয়া যায় না। তাই আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমি কোর্টে, কুমিল্লা কোর্টের মাঝে মামলা করছি। ইনশাআল্লাহ আমি আশাবাদী, আমি সঠিক বিচারটা পাবো।"
"প্রত্যেকদিনই মানে যাইত যখন কিছুদিন বলত বাপের বাড়িতে যাই। বাপের বাড়ির কথা বলে বাপের বাড়িতে যাইত। আবার কিছু সময় হলে বলত ডাক্তারের কাছে যাইতে হইব। ডাক্তারের কথা বলে রাতের ১০ টা ১১ টা ১২ টা দিয়ে বাড়িতে ফিরত। ওর আচরণ একটু ভিন্ন হয়ে গেছে। দীর্ঘ আড়াই মাস ধইরা আমার সাথে এর আগে যে সম্পর্কটা ছিল ও রকম ছিল না কিন্তু আমার সাথে খুব ভালো আচরণ, যা লাস্ট আমার থেকে সর্বশেষ যতটুকু সম্পদ আছে এটা ও যাতে নিতে পারে, এইরকম ভাবে ও আমার সাথে অভিনয়গুলো করে গেছে দিনের পর দিন।"
সাংবাদিক: "আপনার যে সন্তান তাকে কোথায় রেখে যাইতো?"
আলমগীর:"অবশ্যই, আমার বাড়িতেই রেখে যাইতো। কিন্তু ওর পরবর্তীতে আমি কিছু ভয়েস পাইছি, ভয়েসের মাঝে আমি যা দেখলাম যা শুনলামও, সে মানে এমন বাজে মানে আমার সন্তানকে সে এমন করে মারতেছিল, আমার সন্তান সন্তানটাকেও মেরে ফেলতে পারত ও এমন এক পরিস্থিতিতে চলে গেছে, কিন্তু বুঝতে দেয় নাই কাউরে। এই অবস্থা। আর আমি যখন ডাক্তারের ডকুমেন্টগুলো চাইতাম যে কোন ডাক্তারের কাছে গেছ কি আশয় বিষয়, তখন আমার সাথে একটু রাগারাগি কইরা হয়তো মোবাইল ব্লক করে দিত কিছু করে রাখত।"
সাংবাদিক: "উনি আপনাকে তালাক দিয়েছে?"
আলমগীর:"উনি বলছে আমাকে ডিভোর্স দিছে কিন্তু আমি আজ পর্যন্ত ডিভোর্স লেটার হাতে পাইনি।"
সাংবাদিক: "উনি এখন কোথায়?"
আলমগীর:"উনি এখন ওই ছেলের সাথে আছে।"
সাংবাদিক: "উনাদের বাড়িতে না অন্য কোথাও?"
আলমগীর:"না, অন্য কোথাও ওর ছেলের সাথে আছে। যেখানেই আছে গোপনীয়ভাবে আছে।"
সাংবাদিক: "যে ছেলের কাছে গেছে ওই ছেলে কি করে?"
আলমগীর:"ওই ছেলে সম্ভবত প্রবাসে থাকে মানে সম্ভবত। আবার ওর ভয়েসে শুনছি আমি গেলে ওই ছেলে বিদেশে যাবে। ওর ভয়েসের থেকে আমি শুনছি কিন্তু আমি কনফার্ম না। কিন্তু সম্ভাবনা ওই ছেলে বিদেশেই থাকত।"
সাংবাদিক: "তো ওই ছেলেও বিদেশ থাকে আপনিও বিদেশ থাকেন, তো আপনার থেকে চলে যাওয়ার কারণ কি ছিল মূলত? আপনি তো টাকা পয়সাও তাকে দিতেন।"
আলমগীর:"আমার এই প্রশ্নটাই ওর কাছে রয়ে গেল। ওর যদি আমাকে ভালো না লাগত বা আমার কোনো আচরণ আচরণে বা কোনো কিছু না হইত, ও তো আমাকে রিলেশন করে বিয়ে করছে। আমরাও তিন বছর রিলেশন করছি, রিলেশন করার পরে বিয়ে করছি। তো এখানে তো অন্য কোনো প্রশ্ন আসে না। তারপরও যদি ওর আমাকে ভালো না লাগে পরবর্তীতে চলে যাইতে পারে কিন্তু আমার সাথে তো কথাবার্তা বলে বা আমাকে সময় দেওয়ার দরকার ছিল যে আমি তোমার সংসার করব না, আমার ভালো লাগে না, আমার এই এইগুলো ত্রুটি বা কিছু সমস্যা আছে। কিন্তু সে আমাকে কিছুই বলে যায় নাই।"
"আমার মতন যেন কেউ অন্ধ বিশ্বাস না করে তার স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা পয়সা না পাঠায়। যতটুকু স্ত্রীকে দেবে ওটা ওর অধিকার, যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু দিবে। কিন্তু আমার মতন বোকামি করে যেন সারা জীবনের ইনকাম না দিয়ে দেয়। যেমন আমি রিলেশন করে বিয়ে করছি, অন্য ভাই একজন রিলেশন করে বিয়ে করছে, হয়ত হর ধারণা ওর স্ত্রীকে বিশ্বাস করে সব কিছু দিবে বা ভালো করবে, কিন্তু দিনশেষে দেখা যাচ্ছে আমার মতন হয়ে পথে পথে ফিরতে হবে। এখন আমি নিঃস্ব।"
সাংবাদিক: "আপনার কিছু করার নেই?"
আলমগীর:"আমার কিছু করার নেই।"
সাংবাদিক: "আপনার স্ত্রী সম্পর্কে আপনার মনে কিছু আসে বা তার সম্পর্কে কিছু বলার আছে?"
আলমগীর:"যে ছিল... সে, আমি অত্যন্ত তাকে ভালোবাসতাম, এখনো বাসি। কিন্তু তার প্রতি আমার একটা ঘৃণা। এই মুহূর্তে আমার এমন ঘৃণা যে আমাকে দিনের পর দিন এইভাবে ঠকাইছে, আমি দিনশেষে এখন তো ওকে হারিয়েই ফেলছি, আমার তো আর কিছু করার নাই। কিন্তু আমি চাইব, যে মানুষের বিশ্বাস নিয়ে এত একটা খেলা খেলছে, আমি তার সর্বোচ্চ বিচারটা চাব। দাবী করব। সে আমাকে তো দুনিয়াতে মাইরা গেছে গেছে, আমার ছেলেটাকেও সে শেষ করে দিয়ে গেছে। আমার ছেলের ভবিষ্যৎটা কি হবে? আমি নয় নতুন করে একটা জীবন গড়ে নিলামও বা, কিন্তু আমার ছেলেটা কোথায় পাবে তার মা? কোথায় পাবে তার আগের সেই বাবার স্নেহ ভালোবাসাটা?"
সাংবাদিক: "সবকিছু মিলিয়ে আপনার জীবনে আবার ফিরতে চায়, আপনি তাকে নিবেন?"
আলমগীর:"না ভাই, ওই সুযোগটা হারিয়ে ফেলছে। কারণ আমি ওর কাছে যখন ওর বাড়িতে গেছি, আমি বারে বারে আমি একজন স্বামী হয়ে তার কাছে এতটুকু রিকোয়েস্ট করছি, সমাজ সেবক যারা আছে, রাজনীতি বিদ সবাই আছে তাদের সবাইকে নিয়ে গেছি, কিন্তু সে... সে আমাকে মূল্যায়নই করে নাই।"
সাংবাদিক: "সে কি বলে?"
আলমগীর:"সে মানে এক কথায় বলে আমার সাথে সংসার করবে না, ও নাকি আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দিছে।"
সাংবাদিক: "তো আপনি তার কাছে টাকা পয়সা চাইলে তখন?"
আলমগীর:"হ্যাঁ টাকা পয়সা চাইছি, আমি আমার সম্পূর্ণ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে গেছি, সে বলে ওর কাছে কোনো টাকা পয়সা নাই। কোনো ডকুমেন্ট আছে কিনা সে আমাকে জানতে চাইতেছে। কিন্তু সম্পূর্ণ টাকা পয়সার ডকুমেন্ট আলহামদুলিল্লাহ আমার কাছে এক বছরের আছে, আমি এক বছরের ডকুমেন্ট দিয়ে মামলা করছি।"
সাংবাদিক: "এখন আপনার সন্তান কোথায়?"
আলমগীর:"এখন সন্তান আমার কাছে আছে, আমার বাড়িতে। আমার মা-বাবার সাথে আছে।"
সাংবাদিক: "আপনার শ্বশুর-শাশুড়ি কিছু বলে না?"
আলমগীর:"না ওরা কি বলবে। ওরা তো ওদের কাছে যেহেতু টাকা পয়সা অর্থ সব কিছু ওদের আন্ডারে আছে, ওরা ওরা মনে করতেছে এগুলো তো আর আমাকে দিবে না, ওরা ভবিষ্যৎ নতুন করে গড়ে নিবে এই জিনিসটা নিয়ে ওরা এগুলো দিতে চাইতেছে না। মনে করছে বর্তমান যুগে তো টাকা দিলে সব কিছু হয়ে যায়। ওরা চাইতেছে টাকার জোরে সব কিছু সলভ করে ফেলবে। আর অলরেডি আমাকে ২০ থেকে ২৫ টা নাম্বারে হুমকি দেওয়া হয়ে গেছে।"
সাংবাদিক: "হুমকিগুলা কে দিচ্ছে? তার সেই স্বামী না..."
আলমগীর:"ওর স্বামী এবং আমার স্ত্রী, এখন আমার কাছে রেকর্ড আছে, আমার স্ত্রীর যে বাজে ব্যবহারগুলো বা বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে আমাকে এগুলো করাইতেছে। যাতে আমি এমন কিছু পরিকল্পনা করে গেছি, যদি আইনের আশ্রমে বা কোনো কিছু কর, তোমার তোমার তোমার ছেলের কোমর মারব, আমি এমন ব্যবস্থা করে গেছি। আর এটা নিয়ে যদি আমি সামনে না আগাই।"
সাংবাদিক: "মা হয়ে সন্তানকে মারতে চায়?"
আলমগীর:"জি ও... সে অলরেডি আমাকে হুমকি দিছে।"
পরিচয় ও ঠিকানা:
ভুক্তভোগীর নাম: আলমগীর
স্থায়ী ঠিকানা: কোটকোটিয়া গ্রাম, মুরাদনগর থানা, কুমিল্লা।
স্ত্রীর নাম ও বাপের বাড়ির ঠিকানা: তানিয়া, রাসাল গ্রাম (খালেক মাস্টারের বাড়ি)।