ᴄʟɪᴘ ᴘʟᴀᴄᴇ

  • Home
  • ᴄʟɪᴘ ᴘʟᴀᴄᴇ

ᴄʟɪᴘ ᴘʟᴀᴄᴇ This is an entertainment page, no one should take anything personally

হয়তো তিনি শুধু একটি মুহূর্ত চেয়েছিলেন… তাঁর অনাগত সন্তানকে এক ঝলক দেখার জন্য।আল্লাহ তাঁকে জান্নাত দান করুন এবং তাঁর পর...
20/03/2026

হয়তো তিনি শুধু একটি মুহূর্ত চেয়েছিলেন… তাঁর অনাগত সন্তানকে এক ঝলক দেখার জন্য।

আল্লাহ তাঁকে জান্নাত দান করুন এবং তাঁর পরিবারকে শক্তি দিন।

মোনাজাত করার নিয়ম—🤲▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞১. প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা করবেন।সুরা ফাতিহা পড়ে, আল্লাহর সুন্দর সুন্দর নাম ধরে প্রশংসা ক...
08/02/2026

মোনাজাত করার নিয়ম—🤲
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা করবেন।
সুরা ফাতিহা পড়ে, আল্লাহর সুন্দর সুন্দর নাম ধরে প্রশংসা করবেন।
— [তিরমিজি: ৩৪৭৬]

২. তারপর দরুদ পড়বেন।
দরুদ পড়া মানে নবী কারিম (ﷺ) ও উনার পরিবারের জন্য জন্য দোয়া।
— [তিরমিজি: ৩৪৭৭]

☞ এখন দোয়া শুরু :

৩. নিজের জন্য, মাতাপিতার জন্য ও সকল মুসলমানের জন্য একটি দোয়া পাঠ করবেন:
সূরা নুহ: ২৮ নং আয়াত।
ইব্রাহিম: ৪১ নং আয়াত।

৪. এরপর বাহ্যিক দোয়া পড়া। — [ইবনে হিব্বান: ৭৬৮]
যেমন: ইসমে আযম, সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত, দোয়া ইউনুস ইত্যাদি দোয়াগুলো পড়বেন।

৫. এবার মোনাজাতে আপনার সমস্যা বা রোগীর বা অন্যের সমস্যা সমাধানের জন্য দোয়া করবেন।

৬. দোয়ার শেষে আবার দরুদ পড়বেন।
ইব্রাহিম: ৪১ নং আয়াত।

☞ প্রত্যেক দো’আ ঝুলে থাকে যতক্ষণ না দরুদ পাঠ করা হয়(ﷺ)। আলহামদুলিল্লাহ্।
❑ যারা দোয়া করছেন, কিন্তু কবুল হচ্ছে না :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
যারা আমল করেও ফল পান না, তারা পুরো লেখাটা অবশ্যই পড়বেন।

সেদিন হাদিস পড়ছিলাম মধু নিয়ে। যেহেতু নিয়মিত মধু খাওয়া শুরু করেছি, মনে হয়েছে মধু নিয়ে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) কি বলেছেন, তা জানা উচিত।

বুখারীর একটা হাদিস পড়েছিলাম, মধু নিয়েই। হাদিস নাম্বার মনে নেই। সরাসরি হাদিসটা বর্ণনা না করে আমি আমার মতো বলি!

একবার একজন লোক এসে রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে বললেন যে, তাঁর ভাইয়ের পেটব্যথা। সম্ভবত ডায়রিয়া হয়েছিলো, এক্সাক্ট মনে নেই। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) ওই লোককে মধু খাওয়ানোর নির্দেশ দিলেন। কারণ, মধুতে শেফা আছে। তো ওই লোক চলে গেলেন। আবার ফিরে এসে জানালেন যে, তাঁর ভাইয়ের অসুস্থতা ভালো হয়নি। তিনি (ﷺ) আবারও মধু খাওয়ানোর নির্দেশ দিলেন।

এভাবে কয়েকবার লোকটার ফিরে আসার পর আল্লাহর রাসূল (ﷺ) মধু খাওয়ানোরই নির্দেশ দিলেন এবং বললেন যে, “আল্লাহ সত্য বলেছেন, আর তোমার ভাইয়ের পেট মিথ্যা বলছে।” অতঃপর লোকটা ফিরে গিয়ে তাঁর ভাইকে মধু খাওয়ালেন এবং অবশেষে সে (লোকটার ভাই) সুস্থ হলো।

হাদিসটা পড়তে পড়তে আমার চিন্তা মধু থেকে সরে গিয়ে অন্য জায়গায় গেলো।
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছি, দু’আ করে অভিযোগ করি যে, আল্লাহ দু’আ কবুল করেন না। দুরুদ-ইস্তেগফার করে বলি, পেরেশানি দূর হয় না; বিপদ কাটে না। সদকাহ্ করেও সম্পদ বৃদ্ধি হতে দেখি না। হাদিসে উল্লেখিত ঋণমুক্তির দু’আগুলো পড়েও ঋণ থেকে মুক্ত হতে পারি না।

আচ্ছা, আল্লাহ কি কখনোই মিথ্যা বলতে পারেন?
তাঁর বাণী তো মহাসত্য! তাঁর রাসূলের (ﷺ) হাদিস কি মিথ্যা হতে পারে? কখনোই নয়!

আপনি কুরআন খুলুন। সূরা বাকারাহতে রমাদানের আয়াতগুলোতে দেখুন। আল্লাহ বলেছেন, তিনি বান্দাদের ডাকে সাড়া দিবেন। তিনি বলেছেন, বান্দার দু’আ তিনি কবুল করবেনই। সূরা বাকারাহ’র শেষ দিকে সদকাহ্-র আয়াতগুলো দেখুন! সম্ভবত ২৬১ থেকে শুরু। আল্লাহ ওয়াদা করেছেন, তিনি দানকারীর দান ৭০০ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিবেন কিংবা তারচেয়ে বেশি। তিনি দানকারীকে অভয় দিয়েছেন, যারা গোপনে-প্রকাশ্যে দিনে/রাতে সদকাহ্ করে, তাদের ভয় নেই, দুঃশ্চিন্তা নেই।

আপনি সূরা নূহ এ ইস্তেগফারের আয়াতগুলো পড়ুন। আল্লাহ বলেছেন, বান্দা যদি ক্ষমা চায়, তিনি বান্দাকে ক্ষমা তো করবেনই, সাথে দিবেন অঢেল রিজিক; সন্তান, বাগান, ফলফলাদি। এবং বান্দা যতক্ষণ ইস্তেগফারে থাকবে, ততক্ষণ তাকে আযাব স্পর্শ করবে না।

হাদিসে এসেছে, দুরুদ পড়লে হাজত পূর্ণ হয়৷ পেরেশানি দূর হয়। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) যখন বলেছেন, তারমানে এটা যে সত্য, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ঋণমুক্তির দু’আ আছে। ওই দু’আগুলো পড়লে পাহাড়সম ঋণও আল্লাহর পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যাবে, এমনটাই হাদিসে এসেছে।

আমাদের প্রতিটা দু’আ আল্লাহ কবুল করেন। কারণ, আরশের মালিক ওয়াদা দিয়েছেন। আমাদের সদকাহ্ বিফলে যায় না। তা বেড়ে যায় বহুগুণ। দুরুদ পড়লে সত্যিই হাজত পূর্ণ হয়। ইস্তেগফারে রিজিকে বারাকাহ্ আসে। হাদিসে বর্ণিত ঋণমুক্তির আমলে, ঋণ থেকে মুক্ত হওয়া যায়। প্রতিটি আমলই সত্য এবং কার্যকরী। যদি কাজ না হয়, বুঝতে হবে– হয় আমাদের আমলের মাঝে ত্রুটি আছে, না হয় রব্ব সবরের পরীক্ষা নিচ্ছেন।

মধুতে শেফা থাকা সত্ত্বেও একবারে তা কাজ করেনি। লোকটা কয়েকবার ফিরে এসেছিলেন। তবুও আল্লাহর রাসূল (সঃ) মধু খাওয়ানোরই নির্দেশ বহাল রেখেছিলেন। কারণ আল্লাহ সত্য বলেছেন।

আমাদের আমলগুলোকেও এই হাদিসের সাথে রিলেট করতে পারি। আল্লাহর জন্য করা সবকিছুই লাভজনক। আমরা সেটা বুঝতে পারি, আর না পারি; আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বাণী অবশ্যই সত্য, মহা সত্য। এবং কাবার মালিক আমাদের প্রত্যেকের আমলের প্রতিদান দিবেন ইংশাআল্লাহ্।
❑ নিজের জন্য দোয়া লিস্ট—🤲
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
উত্তমরূপে মুনাজাত শিখি :

আমাদের দু’আর সবচেয়ে বেশি হক্বদার আমরা নিজেরাই। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এর সুন্নাহ, কারো জন্য দু’আ করলে প্রথমে নিজের জন্য দু’আ করা।
— (মুসনাদে আহমদ ২১২৪৭ (৫/১২১)

দু’আ লিস্টটাতে আমি নিজের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের বেসিক চাওয়াগুলোই লেখার চেষ্টা করেছি। আপনারা অবশ্যই আপনাদের নোটবুকে দু’আগুলো নোট করে নিবেন। এসব ছাড়াও আমাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত অনেক অনেক প্রয়োজন আছে। সেসবও নোট করে রাখার চেষ্টা করবেন। ছোট-বড় সকল প্রয়োজন আল্লাহকে বলবেন৷ খুব করে আল্লাহর কাছে চাইবেন৷ বেশি বেশি চাইবেন।

দু’আতেই সব সুখ! একমাত্র দোয়াই ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, মৃত্যু পর্যন্ত পিছিয়ে যায়(নেক হায়াৎ বৃদ্ধি পায়)।

•••————–🤲–————•••

❑ ইয়া আল্লাহ, ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম, ইয়া জুল জালালি ওয়াল ইকরাম, আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দাও।

❑ তুমিই আল্লাহ, তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি জাহান্নাম ও কবরের আযাব থেকে।

❑ আমি তোমার কাছে পানাহ চাই তাকদিরের খারাপ কিছু থেকে।

❑ হে আল্লাহ! আমার উপর তোমার রহমত, দয়া, বরকত, শান্তি, ক্ষমা বর্ষণ করো।

❑ ক্ষমা করে দাও আমার আগের পাপ, আমার পরের পাপ, আমার ছোট-বড় সকল পাপ, আমার গোপন পাপ, আমার প্রকাশ্য পাপ। আমার বাড়াবাড়ি এবং যে সকল পাপের কথা তুমি ভালো জানো। ক্ষমা করো সেসব পাপ, যা আমি ভুলে যাই। ক্ষমা করো সেসব পাপ, যা আমি পাপই মনে করি না।

❑ আমাকে আশ্রয় দাও বিতাড়িত শয়তান থেকে, তার ওয়াসওয়াসা থেকে ও অতৃপ্ত নফস থেকে।

❑ আমাকে আশ্রয় দাও দুনিয়ার জীবনের ফিতনা ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে। এবং দাজ্জালের অমঙ্গল থেকে।

❑ আমার জন্য তোমার করুনার দরজা, তোমার রহমতের দরজা খুলে দাও।

❑ আমার রিজিকে প্রশস্ততা দাও। অঢেল বরকতময় রিজিক দাও। বেহিসাবি রিজিক দাও। এবং সেসব তোমার সন্তুষ্টি অনুযায়ী তোমার পথে ব্যয় করার নসীব দাও।

❑ আমাকে সন্তুষ্টি ও কৃতজ্ঞতার জীবন দাও। পরিপূর্ণ সুস্থতা, নিরাপত্তা দাও।

❑ আমাকে মৃত্যু অবধি পরিপূর্ণ হিদায়তের উপর অটল রাখো। আমাকে এক মূহুর্তের জন্যও নিজের জিম্মায় ছেড়ে দিও না।

❑ ইয়া রব্ব, আমার অভিভাবক, বন্ধু হিসেবে তুমিই যথেষ্ট হয়ে যাও।

❑ হে আমার প্রতিপালক, আমাকে বানিয়ে দাও তোমার জন্য অধিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী, অধিক যিকরকারী, অধিক তাকওয়াবান, তোমার প্রতি অধিক বিনয়ী, অধিক আনুগত্যকারী, তোমার প্রতি বেশি বেশি তওবাকারী।

❑ আমার জিহ্বাকে তোমার যিকর দ্বারা সুসজ্জিত, পবিত্র করে দাও। আমার কলবকে আখিরাতের ফিকির দ্বারা পূর্ণ করে দাও।

❑ আমার তওবা কবুল করে নাও। আমার পাপকে ধুয়ে দাও, আমার দুআ কবুল করো। আমার জিহ্বাকে পবিত্র ও সুসংরক্ষিত রাখো।

❑ আমার অন্তরকে সুপথে পরিচালিত করো। হিংসা, বিদ্বেষ, সংকীর্ণতাসহ সমস্ত অন্তরের রোগ থেকে আমার অন্তরকে পবিত্র রাখো।

❑ আমার হৃদয়কে আজীবনের জন্য প্রশান্ত করে দাও।

❑ যা কিছু আমাকে পীড়িত করে, সেসব কিছু আমার কাছ থেকে সরিয়ে নাও।

আমার ইজ্জত-আব্রুকে হেফাজত করো আমার মৃত্যু অবধি এবং এর পরেও।

❑ দুনিয়ার কারো কাছে আমার মাথা নত হতে দিও না। সৃষ্টির মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে পানাহ দাও।

❑ আল্লাহ! আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে আফিয়াতের সাথে সম্মানিত করো।

❑ আমাকে দুনিয়ায় দাও উত্তম বাসস্থান, উত্তম পরিজন, উত্তম সঙ্গী ও উত্তম রিজিক। আখিরাতকে করো দুনিয়ার চেয়ে বহুগুণে উত্তম, পবিত্র ও সম্মানিত।

❑ মৃত্যুকে আমার জন্য সহজ ও আনন্দদায়ক করে দাও। ইজ্জতের সাথে আমার মৃত্যু দাও। জবানে কালিমা রেখে, অন্তরে তোমার ভরপুর ভালোবাসা, তাকওয়া রেখে মৃত্যুবরণ করার তওফিক দাও। আমাকে শাহাদাতের মৃত্যু দাও। রাসুলের শহরে আমার মৃত্যু দাও। জান্নাতুল বাকিতে দাফন হওয়ার নসীব দাও। আমার কবরকে প্রশস্ত, আরামদায়ক করে দাও।

❑ তোমার নিয়ামত দেওয়ার পর তা ছিনিয়ে নিও না। এবং এর সাথে পরীক্ষাও রেখো না।

❑ আমাকে এমন কষ্ট দিও না, যা আমার ইমানকে সংকটে ফেলবে, আমার অন্তর বিধ্বস্ত করে দিবে। আমার শরীর ভেঙে দিবে। আমলে ঘাটতি আনবে।

❑ আমি তোমার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় কল্যাণ চাই। আমার জানা-অজানা যত কল্যাণ, সব তুমি আমায় দাও। আমার জানা-অজানা সমস্ত অকল্যাণ থেকে আমাকে আজীবন পানাহ দাও।

❑ হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে এমন উত্তম জ্ঞান চাই, যা আমার ও দশের উপকারে আসবে। আমাকে যা শিখিয়েছো, তা দ্বারা আমার নিজের ও অন্যের উপকার করার তওফিক দাও।

❑ আমাকে সবসময় তুমি উত্তম হালতে রাখো। আমার অতীতের চেয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যতকে আরো বেশি উত্তম করো।

❑ আমাকে তোমার যিকর, শোকর, ইবাদাত সুন্দরভাবে করার তওফিক দাও।

❑ আমাকে আশ্রয় দাও কৃপণতা থেকে, কাপুরুষতা থেকে, অপমানকর অতি বৃদ্ধ বয়সে পৌঁছান থেকে।

❑ তুমি আমার দ্বীনকে সংশোধিত, কল্যাণময় করো। আমাকে দুনিয়ায় এমন কল্যাণ দাও, যা আখিরাতের কল্যাণকে নিশ্চিত করে।

❑ দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশন, উৎকণ্ঠা, বেদনা, ক্লেশ, অলসতা, অক্ষমতা, নীচতা, লাঞ্ছনা, হতাশা, মানুষের প্রভাব থেকে পানাহ চাই। আর পানাহ চাই প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য অশ্লীলতা থেকে।

❑ ইয়া আল্লাহ! আমার সান্নিধ্যকে মানুষের জন্য স্বস্তিদায়ক বানিয়ে দাও। আমার চরিত্রকে এমন জায়গায় উন্নীত করো যেন আমার সংস্পর্শে এলে মানুষের তোমার কথা স্মরণ হয়। প্রতিটা সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাকে তুমি বেস্ট ভার্সনটা দাও। আমাকে এমন নূর দাও, আমার জবানে, চরিত্রে, চেহারায় এমন নূর, সৌন্দর্য দাও, যেন মানুষ স্বস্তি পেতে, সান্নিধ্যে পেতে আমার কাছে আসতে চাইবে।

❑ ইয়া রব্ব! তোমার কোনো বান্দা আমার উপর যেন প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে জুলুম করতে না পারে। আমিও যেন তোমার কোনো বান্দার উপর জুলুম না করি।

❑ আমাকে সবসময় এমন মানুষদের সঙ্গে রেখো, যাদের সঙ্গ ঈমানকে বৃদ্ধি করে।

❑ মা-বাবা ও জীবনসঙ্গীর সন্তুষ্টি নিয়ে তোমার সাথে সাক্ষাতের তওফিক দাও।

❑ আমাকে তুমি আরশের নিচে ছায়া দাও। আমার জন্য হিসাবকে সহজ করো। আমলনামা ডানহাতে দাও। বিদ্যুৎগতিতে পুলসিরাত পার করিয়ে দাও।

❑ আমার আল্লাহ! জাহান্নামের ঠান্ডা বাতাসও আমার দ্বারা সহ্য করা সম্ভব না। আমাকে, আমার প্রিয়জনদের তুমি বিনা হিসাবে জান্নাতুল ফেরদৌসে ঠাঁই দাও।

❑ আমার পরিবারকে বানিয়ে দাও দুনিয়ার বুকে এক টুকরো জান্নাত। আমার পরিবারের সদস্যদের একে অপরের কুররাতু আইয়ুন বানিয়ে দাও। আমাদের এক করে দাও, নেক করে দাও। আমার নিজের জন্য করা প্রতিটা দুআ তাদের জন্যও আফিয়াতের সাথে কবুল করে নাও।

❑ আমি তোমার আশ্রয় নিচ্ছি খারাপ দিন থেকে, খারাপ রাত থেকে, খারাপ মূহুর্ত থেকে, খারাপ সঙ্গী থেকে ও বসতবাড়ির খারাপ প্রতিবেশী থেকে।

❑ আমার জবানে, অন্তরে, চরিত্রে, জীবনে কুরআনকে মিশিয়ে দাও। আমাকে আফিয়াতের সাথে কুরআনের খাদিমা বানিয়ে দাও। কুরআনের পিছনে মেহনত করার তওফিক দাও।

❑ কুরআনকে বুঝার, অনুধাবন করার এবং নিজের জীবনে তা প্রয়োগ করার তওফিক দাও।

❑ আমার উপর অত্যাচারীর বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো। আমার জন্য তুমি যথেষ্ট হও। জালিমকে হিদায়ত দাও না হয় ধ্বংস করো।

❑ আমাকে এমন তাওয়াক্কুল দাও, যেন পৃথিবীর সমস্ত মানুষ আমার বিরুদ্ধে গেলেও আমি তোমার উপর ভরসা করতে পারি।

❑ যা কিছু তুমি অপছন্দ করো, সেসব কিছু থেকে পানাহ দাও।

❑ রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব নিয়ামাহ্ চাইতেন, আমাকে তুমি সেসব নিয়ামাহ্ দাও। যা কিছু থেকে তিনি পানাহ চাইতেন, আমাকেও সেসব থেকে পানাহ দাও।

❑ আমাকে পবিত্র অবস্থায় মৃত্যু দাও। তোমার সাথে পবিত্র অবস্থায় সাক্ষাতের তওফিক দাও। এমন সময় আমার মৃত্যু দাও, যে সময় আমি পাপমুক্ত এবং তুমি আমার উপর পরিপূর্ণ সন্তুষ্ট।

ইয়া রব্ব! এমন দু’আ থেকে পানাহ চাই, যে দু’আ কবুল হয় না। আমার অন্তরের চাওয়াগুলো আমার চেয়ে তুমি ভালো জানো। আমার চাওয়াগুলো আফিয়াতের সাথে, উত্তমভাবে কবুল করে নাও। আমিন🤲

— তাহিয়া ইসলাম

💌 সদকায়ে জারিয়া নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করে দিন।
📬 আপনাদের যে কোনো প্রশ্নের উত্তর জানতে আমাদের SMS করুন।

▪️ডিপ্রেশন?
▪️সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন?
▪️জ্বীনের সমস্যা?
▪️শরীরের বিভিন্ন রোগের ইসলামিক চিকিৎসা দরকার?
▪️ইসলামের যে কোনো বিষয়ের সমাধানসহ মাসয়ালা জানতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।

কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা। বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন।একদিন তাকে বলা হলো, তাকে...
02/02/2026

কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা। বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন।

একদিন তাকে বলা হলো, তাকে একটি বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বলা হলো, সে বিশ্বের সবচেয়ে জ্ঞানী, ধনী এবং প্রভাবশালী মনীষীদের সাথে দেখা করার সুযোগ পাবে।

সরল বিশ্বাসে মেয়েটি প্লেনে উঠল। কিন্তু সে জানত না, চকচকে ওই প্লেনটির নাম 'ললিটা এক্সপ্রেস' (Lo**ta Express)।

সে জানত না, এই প্লেনটি তাকে স্বপ্নের দেশে নয়, বরং দাজ্জালিক সভ্যতার এক গোপন জাহান্নামে নিয়ে যাচ্ছে।

যার গন্তব্য প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'লিটল সেন্ট জেমস'।

দ্বীপটি দেখতে দুনিয়াবী জান্নাতের মতো। চারদিকে নীল সমুদ্র, মাঝখানে রাজকীয় প্রাসাদ। কিন্তু প্রাসাদের ভেতরে ঢুকতেই মেয়েটির স্বপ্ন কাঁচের মতো চুরমার হয়ে গেল।

সে দেখল, টিভির পর্দায় যাদের সে হিরো হিসেবে দেখেছে, নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী, বিশ্বনেতা, হলিউড সুপারস্টার তারা সেখানে বসে আছে।

কিন্তু তাদের চোখে মমতা নেই, আছে এক আদিম, পৈশাচিক ক্ষুধা।

মেয়েটি চিৎকার করে বলেছিল, "আমি মায়ের কাছে যাব!" কিন্তু তার কান্না চাপা পড়ে গিয়েছিল প্রশান্ত মহাসাগরের গর্জনে আর শ্যাম্পেনের বোতল খোলার শব্দে। তাকে বলা হতো, "চুপ থাকো! এরা এই পৃথিবীর ঈশ্বর।

এদের সেবা করাই তোমার কাজ।" দিনের পর দিন, এই নিষ্পাপ শিশুদের ছিঁড়ে খেয়েছে তারা, যাদের পোস্টার আপনারা ঘরের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখেন।

আপনারা হয়তো ভাবছেন, এত বড় বড় রুই-কাতলারা জড়িত, তাহলে এই খবর বের হলো কীভাবে?

জেফ্রি এপস্টেইন ছিল অত্যন্ত চতুর। সে তার ক্লায়েন্টদের নাম এবং কন্টাক্ট ডিটেইলস লিখে রাখত একটি ছোট কালো ডায়েরিতে, যা 'দ্য ব্ল্যাকবুক' (The Black Book) নামে পরিচিত।

এটি ছিল তার ইনস্যুরেন্স পলিসি। সে ভাবত, এই রাঘব-বোয়ালদের নাম তার কাছে আছে বলে কেউ তাকে ছোঁবে না।

কিন্তু পাপ বাপকেও ছাড়ে না।

'ভার্জিনিয়া জুফরে' (Virginia Giuffre) নামের এক সাহসী নারী, যে ছোটবেলায় এই পিশাচদের শিকারে পরিণত হয়েছিল, সে এপস্টেইনের সহযোগী এবং রক্ষিতা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল এর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়।

সেই মামলার সূত্র ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের নির্দেশে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সিলড ডকুমেন্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করার আদেশ দেওয়া হয়।

বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখল, এতদিন তারা যাদের ভদ্রলোক ভেবে এসেছে, আদালতের নথিতে তাদের নামগুলো জ্বলজ্বল করছে জঘন্য সব অপরাধের সাথে।

কাদের নাম নেই সেখানে? তালিকাটি দেখলে আপনার পায়ের তলার মাটি সরে যাবে।

১. বিল ক্লিনটন: আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট, গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা। তিনি এই দ্বীপে এবং এপস্টেইনের প্লেনে চড়েছেন বহুবার। নথিতে তাকে নিয়ে বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে।

২. প্রিন্স এন্ড্রু: ব্রিটিশ রাজপরিবারের অহংকার। যার আভিজাত্যের গল্প শুনে আপনারা বড় হয়েছেন, সেও ছিল এই দ্বীপের নিয়মিত খদ্দের।

৩. স্টিফেন হকিং: যার বিজ্ঞান আর কসমোলজি নিয়ে আপনারা মুগ্ধ। তিনিও গিয়েছিলেন সেই পাপের দ্বীপে। নথিতে তার নামও উঠে এসেছে মাইনরদের সাথে সম্পর্কিত এক প্রসঙ্গে।

৪. বিল গেটস: বিশ্বের সেরা ধনী এবং ফিলানথ্রোপিস্ট। আফ্রিকায় শিশুদের টিকা দেয় (যদিও মহামারী ছড়িয়ে দেয়ার টিকা, বিভিন্ন ভাইরাস টেস্ট করার টিকা) তারও ঘনিষ্ঠতা ছিল এই শিশু পাচারকারীর সাথে।

৫. ডোনাল্ড ট্রাম্প: বিশ্ব রাজনীতির আরেক মোড়ল।
৬. হলিউড ও গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড: কেভিন স্পেসি থেকে শুরু করে নামকরা সব মডেল ও অভিনেতারা, যারা আপনাদের আইডল, তারা অনেকেই ছিলেন এই চক্রের অংশ।

জেফ্রি এপস্টেইন কি কেবল একজন বিকৃতকামী ধনী ছিল? না। সে ছিল মোস।দ এবং পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার একটি হানি ট্র্যাপ প্রজেক্টের এজেন্ট।

তার কাজ ছিল বিশ্বনেতাদের এই দ্বীপে নিয়ে এসে তাদের নোংরা কাজের ভিডিও রেকর্ড করে রাখা যাকে গোয়েন্দা ভাষায় বলা হয় Kompromat। পরবর্তীতে এই ভিডিওগুলো দিয়েই তাদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো।

আপনার প্রিয় নেতারা যখন টিভিতে দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে বা অদ্ভুত সব সেকুলার এজেন্ডার পক্ষে কথা বলে, তখন তাদের গলার দড়িটা আসলে জায়নবাদীদের হাতে থাকে। তারা জানে, মুখ খুললেই তাদের ওই গোপন ভিডিও ফাঁস হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে কোনো মাদ্রাসার শিক্ষক যদি শরিয়া নিয়ে কথা বলে, নারীদেরকে ঘরমুখী করার কথা বলে, অল্প বয়সে বিয়ে নিয়ে কথা বলে তখন এই দেশের সুশীলরা, নারীবাদীরা চিৎকার করে আকাশ-বাতাস ভারী করে ফেলে, "মোল্লারা সব শিশুকামী!"

কিন্তু আজ যখন শত শত প্রমাণ সামনে আসছে যে, তাদের স্বপ্নের আমেরিকা, তাদের সভ্যতার ধারক-বাহকেরা একেকজন জঘন্য লেভেলের পেড|ফ|ইল তখন তারা মুখে কুলুপ এঁটেছে।

কেন? কারণ এই পিশাচরা টাই পরে, ইংরেজিতে কথা বলে এবং দামী পারফিউম মাখে। তাদের কাছে সাদা চামড়ার অপরাধ কোনো অপরাধ না, ওটা লাইফস্টাইল।

যত্তসব ভন্ড হিপোক্রিটের দল, সবগুলারে আমেরিকান হাই হিল দিয়ে পিডানো দরকার।

এই দাজ্জালিক বা NWO (New World Order) এর মূলমন্ত্রই হলো পারিবারিক প্রথা ধ্বংস করা এবং বিকৃত যৌনতাকে নরমাল করা। এই এপস্টেইন চক্র কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, এটা সেকুলার পুঁজিবাদী ব্যবস্থার পচে যাওয়া কলিজার বাস্তব ছবি।

আপনার রব কি বলেননি, "ফিতনা হত্যা অপেক্ষা গুরুতর"?

ইসলাম ছাড়া, শরিয়াহ ছাড়া এই পিশাচদের থামানোর কোনো আইন দুনিয়াতে নেই। কারণ আইন যারা বানায় (Lawmakers), তারাই আজ এই অপরাধের হোতা।

কান্না করেন। শুধু ওই নির্যাতিত শিশুদের জন্য না, নিজের ঈমানের অবস্থার জন্য কান্না করেন। আপনি কাদের ফলো করছেন?

হাশরের মাঠে এই পেডোফাইলরা যখন জ।হ।ন্ন।মে যাবে, আপনাকে যেন তাদের ফ্যান বা সাপোর্টার হিসেবে তাদের পেছনে লাইনে দাঁড়াতে না হয় সেই মোনাজাত করেন! এখন সিদ্ধান্ত আপনার।
#নাসিহাহ্

কপি

"সর্বোত্তম নারী সেই, যার মধ্যে পাঁচটি গুণ পাওয়া যায়"-সর্বোত্তম নারী সেই,যার মধ্যে পাঁচটি গুণ পাওয়া যায়-① যে নারী সুদর্শন...
10/01/2026

"সর্বোত্তম নারী সেই, যার মধ্যে পাঁচটি গুণ পাওয়া যায়"-

সর্বোত্তম নারী সেই,
যার মধ্যে পাঁচটি গুণ পাওয়া যায়-

① যে নারী সুদর্শনা।

② যে স্বামীর অনুপস্থিতি ও উপস্থিতি
উভয় অবস্থায় আমানতদার (বিশ্বাসযোগ্য)।

③ যে দৃষ্টি সংযত রাখে এবং
পরপুরুষের দিকে তাকায় না।

④ যে ঘর থেকে বের হতে অনিচ্ছুক,
বিশেষ করে বাজার-হাটে যাওয়ার ক্ষেত্রে সংযমী।

⑤ যে জিহ্বাকে সংযত রাখে এবং
অপ্রয়োজনীয় কথা বলে না।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের ২৮ টি উপকারিতা:1. হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়  2. রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড লেভেল ২০-৫০% পর্যন...
05/12/2025

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের ২৮ টি উপকারিতা:

1. হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়
2. রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড লেভেল ২০-৫০% পর্যন্ত কমাতে পারে
3. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে (বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপে)
4. এথেরোস্ক্লেরোসিস (ধমনী শক্ত হওয়া) প্রতিরোধ করে
5. হার্টের অনিয়মিত স্পন্দন (arrhythmia) কমায়
6. হঠাৎ হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করে
7. শরীরে প্রদাহ (inflammation) কমায়
8. রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে ব্যথা, জড়তা ও জয়েন্টের ফোলা কমায়
9. মস্তিষ্কের বিকাশে অপরিহার্য (বিশেষ করে গর্ভাবস্থা ও শৈশবে)
10. শিশুদের বুদ্ধি বিকাশ ও চোখের দৃষ্টি উন্নত করে
11. ADHD-এর লক্ষণ কিছুটা কমায়।নোমান
12. ডিপ্রেশন ও উদ্বেগজনিত সমস্যা কমাতে সাহায্য করে
13. বাইপোলার ডিসঅর্ডার ও সিজোফ্রেনিয়ার সহায়ক চিকিৎসায় কার্যকর
14. বয়স্কদের মধ্যে আলঝাইমার ও ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায়
15. ম্যাকুলার ডিজেনারেশন প্রতিরোধে সাহায্য করে
16. শুষ্ক চোখের সমস্যা (dry eye syndrome) উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়
17. গর্ভাবস্থায় শিশুর মস্তিষ্ক ও চোখের বিকাশে অত্যন্ত জরুরি
18. অকাল প্রসবের ঝুঁকি কমায়
19. শিশুদের অ্যালার্জি ও অ্যাজমার ঝুঁকি হ্রাস করে
20. নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার রোগ (NAFLD) কমাতে সাহায্য করে
21. হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখে ও অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কিছুটা কমায়
22. PCOS রোগীদের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায় ও প্রদাহ কমায়
23. পুরুষদের শুক্রাণুর গুণগত মান, গতিশীলতা ও সংখ্যা বাড়ায় (পুরুষ ফার্টিলিটি বাড়ায়)
24. মেনোপজের পর নারীদের হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
25. ত্বকের প্রদাহজনিত রোগ (একজিমা, সোরিয়াসিস) উপকার করে
26. কোলন, স্তন ও প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি সামান্য কমাতে পারে
27. ঘুমের মান উন্নত করে (বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের)
28. ব্যায়ামের পর পেশির প্রদাহ ও ব্যথা কমায়, দ্রুত রিকভারি করে

নোমান

দান করার সময় আপনাকে নম্র হতে হবে। আপনার এটা ভেবে সম্মানিত বোধ করা উচিত যে, আপনাকে দান করার তাওফিক দেওয়া হয়েছে।আপনার ম...
06/08/2025

দান করার সময় আপনাকে নম্র হতে হবে। আপনার এটা ভেবে সম্মানিত বোধ করা উচিত যে, আপনাকে দান করার তাওফিক দেওয়া হয়েছে।আপনার মুগ্ধ হওয়া উচিত এই ভেবে যে, আল্লাহ আপনাকে দিয়েছেন এবং আপনি আল্লাহর জন্যই দিচ্ছেন। আর আপনার আনন্দিত হওয়া উচিত এই কারণে যে, কেউ একজন তা গ্রহণ করেছে। অর্থাৎ সাদাকার মাধ্যমে আপনি আসলে নিজেই নিজের উপকার করছেন।

এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি যেভাবে দ্রুত এগোচ্ছে তাতে এখন শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া বা কাজ করা নয়—এআই মডেল...
06/07/2025

এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি যেভাবে দ্রুত এগোচ্ছে তাতে এখন শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া বা কাজ করা নয়—এআই মডেলগুলো এমন কিছু আচরণ করছে, যা শুনলে অনেকেই অবাক হবেন। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, সবচেয়ে উন্নত কিছু এআই এখন ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলছে, ছলচাতুরি করছে এমনকি নিজের নির্মাতাদের হুমকি পর্যন্ত দিচ্ছে।

উদাহরণ হিসেবে, Anthropic কোম্পানির তৈরি Claude 4 নামের একটি মডেলকে যখন বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়, তখন সে একজন প্রকৌশলীকে ব্ল্যাকমেইল করে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখায়। অন্যদিকে, OpenAI-এর একটি মডেল o1 নিজের কোড বাইরে সার্ভারে ডাউনলোড করার চেষ্টা করে এবং ধরা পড়লে সেটা অস্বীকার করে।

এই ধরণের আচরণ গবেষকদের খুবই চিন্তায় ফেলেছে। কারণ এগুলো সাধারণ ভুল নয় বরং পরিকল্পিত প্রতারণা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ঘটছে যেসব মডেল যুক্তি দিয়ে চিন্তা করে—তাদের মধ্যে বেশি দেখা যাচ্ছে।গবেষকরা এখন বলছেন, কিছু মডেল বাহ্যিকভাবে নির্দেশনা মানার ভান করে, কিন্তু ভিতরে ভিতরে নিজস্ব লক্ষ্য অনুসরণ করে। এই ছদ্মবেশী আনুগত্য ভবিষ্যতে বড় বিপদের কারণ হতে পারে।

সমস্যা হলো, এখনো এসব এআই মডেলগুলোকে বোঝার মতো পর্যাপ্ত গবেষণা হয়নি। বড় কোম্পানিগুলো খুব দ্রুত গতিতে নতুন মডেল তৈরি করছে, কিন্তু নিরাপত্তা পরীক্ষা করতে সময় পাচ্ছে না। যদি এআই সত্যিই প্রতারণা শেখে, তাহলে এটি শুধু প্রযুক্তির সমস্যাই নয়, বরং মানব সমাজের জন্য এক গভীর হুমকি হয়ে উঠতে পারে। গবেষকরা বলছেন, এখনই সময় এসব মডেলের আচরণ বোঝা ও নিয়ন্ত্রণ করার পথ খোঁজার। না হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে পারে।

23/06/2025
 #যাদের দোয়া কবুল হয় না তারা এই আমল করতে পারেন 🤲দোয়া কবুলের নিয়তে আজ রাত থেকে ১১ দিনের পরিক্ষিত আমলটি শুরু করতে পারেন, দ...
23/06/2025

#যাদের দোয়া কবুল হয় না তারা এই আমল করতে পারেন 🤲

দোয়া কবুলের নিয়তে আজ রাত থেকে ১১ দিনের পরিক্ষিত আমলটি শুরু করতে পারেন, দোয়া কবুল হবে ইনশাআল্লাহ।

১১ বার ইস্তেগফার ১১ বার দুরুদ শরীফ ১১ বার আয়াতুল কুরসি ও পুনরায় ১১ বার দুরুদ শরীফ পাঠ করে, ১০০০ হাজার বার ইয়া-সামীউ আল্লাহর এই পবিত্র গুণবাচক নামটি পাঠ করবেন।

এরপর ফজরের আজান দেওয়ার সাথে সাথেই ফজরের দু রাকাত সুন্নত আদায় করে ১১ বার দুরুদ শরীফ ১১ বার আয়াতুল কুরসি ও পুনরায় ১১ বার দুরুদ শরীফ ফজরের দুই রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করে মোনাজাত দিয়ে মনের দুঃখগুলো আল্লাহকে বলুন।

আজ রাত থেকে এভাবে টানা 11 দিন করবেন। যেকোনো হাজতের জন্য আমলটি করতে পারেন।

শর্ত হল এই 11 দিন তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা অপরিহার্য। অবশ্যই দু চার রাকাত তার জন্য নামাজ আদায় করতে হবে। তাহলে অতি দ্রুত ফল পাবেন। আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করবেন। ইনশাআল্লাহ।

খুবই পরীক্ষের একটি আমল।

আলহামদুলিল্লাহ।

এই পর্যন্ত অনেকেই আমলটি করে ১১ দিনের আগেই ফল পাইছেন আশা করি আপনিও পাবেন ইনশাআল্লাহ।

Address

Rome

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ᴄʟɪᴘ ᴘʟᴀᴄᴇ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share