Al Ihsan Telekom

Al Ihsan Telekom Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al Ihsan Telekom, moinpor bazar, Sylhet.

ঈদে মীলাদুন নবীতে ছলাত, খুতবা নেই কেন? অবান্তর প্রশ্নের জবাব-ঈদে মীলাদুন নবী’ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি ঈদ হত...
16/09/2024

ঈদে মীলাদুন নবীতে ছলাত, খুতবা নেই কেন? অবান্তর প্রশ্নের জবাব-

ঈদে মীলাদুন নবী’ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি ঈদ হতো এবং সকল ঈদের সেরা ঈদ হতো, তবে এখানে ছলাত থাকতো, খুতবা থাকতো। এর জবাব-

ধর্মব্যবসায়ী, আশাদ্দুদ দরজার জাহিল উলামায়ে সূ’রা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলে সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছে, ‘ঈদে মীলাদুন নবী’ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি ঈদ হতো এবং সকল ঈদের সেরা ঈদ হতো, তবে এখানে ছলাত থাকতো, খুতবা থাকতো। ছলাত ডবল হতো, খুতবা ডবল হতো। কিন্তু এখানে ছলাত, খুতবা নেই।’ নাঊযুবিল্লাহ!

এর জাওয়াব হলো:- পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেহেতু সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ অর্থাৎ সকল ঈদের সেরা ঈদ সেহেতু এ ঈদে এমন ছলাত রয়েছে যেই ছলাত শুধু ডবলই নয় বরং দায়িমী ছলাত। এ ছলাত শুরু হয়েছে সৃষ্টির শুরু থেকে এবং এটা জারী থাকবে অনন্তকাল ধরে। কারণ এ ছলাত স্বয়ং আল্লাহ পাক পড়েন। সুবহানাল্লাহ!

এ প্রসঙ্গে কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে-

إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا.

অর্থ: “নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক এবং উনার ফেরেশতারা রসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে ছলাত পড়েন। হে ঈমানদারগণ! তোমরাও উনার শানে ছলাত পড়ো এবং সেই সাথে যথাযথ সম্মানে সালামও পেশ করো।” (সূরা আহযাব, আয়াত শরীফ ৫৬)

উক্ত আয়াত শরীফ-এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক মু’মিন-মুসলমানদের জন্য এ ছলাত পড়া ফরয-ওয়াজিব করে দিয়েছেন। এমনকি এ ছলাত অন্য ইবাদতসমূহের মধ্যেও পড়ার হুকুম রয়েছে। বিশেষ করে দোয়া বা মুনাজাতকে বলা হয়েছে ইবাদতের মগজ।

যেমন হাদীছ শরীফ-এর ইরশাদ হয়েছে-

الدعاء مخ العبادة.

অর্থ: দোয়া হলো ইবাদতের মগজ বা সারবস্তু।

আর সেই দুয়া বা মুনাজাত ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত উনার শানে ছলাত পড়া না হবে। সুবহানাল্লাহ!

যেমন হাদীছ শরীফ-এর বর্ণিত রয়েছে-

عن عمر بن الخطاب رضى الله تعالى عنه قال ان الدعاء موقوف بين السماء والارض لايصعد منها شىْء حتى تصلى على نبيك.

অর্থঃ হযরত উমর ইবনুল খত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, নিশ্চয়ই দুয়া আসমান ও যমীনের মাঝখানে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে। যতক্ষণ পর্যন্ত নবীদের নবী, রসূলদের রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি ছলাত বা দুরূদ শরীফ পাঠ না করবে ততক্ষণ তোমার কোন দুয়াই আল্লাহ পাক-এর নিকট পৌঁছবেনা।

‘তাইসীরুল উছূল’ কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
الدعاء موقوف بين السماء والارض لا يصعد حتى يصلى على النبى صلى الله عليه وسلم. صلوا على اول الدعاء واوسطه واخره.

অর্থঃ “দুয়া আসমান ও যমীনের মধ্যখানে ঝুলন্ত থাকে। যতক্ষণ পর্যন্ত রসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি দুরূদ শরীফ পাঠ করা না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত দুয়া উপরে উঠে না বা কবুল হয় না। সুতরাং তোমরা দুয়ার শুরুতে, মধ্যখানে ও শেষে আমার প্রতি দুরূদ শরীফ পাঠ করো।”

অতএব, এ ছলাতের গুরুত্ব কত বেশি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একইভাবে এ ঈদে এত বিশাল ও এত ব্যাপক খুতবা রয়েছে, যে খুতবা (হাবীবুল্লাহ রসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার আলোচনা, প্রশংসা, মর্যাদা-মর্তবা, ফযীলত, ছানা-ছিফত) ক্বিয়ামত পর্যন্ত বর্ণনা করা হলেও তা শেষ হবে না। সুবহানাল্লাহ! যেমন এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক নিজেই ইরশাদ করেন-
ورفعنا لك ذكرك.

অর্থ: ‘হে আমার হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনার আলোচনা বা খুতবাকে বুলন্দ করেছি।’ (সূরা আলাম নাশরাহ, আয়াত শরীফ ৪)

এবং আল্লাহ পাক বান্দাদেরকে আদেশ করেছেন যে-

إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ شَاهِدًا وَمُبَشِّرًا وَنَذِيرًا. لِتُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَتُعَزِّرُوهُ وَتُوَقِّرُوهُ وَتُسَبِّحُوهُ بُكْرَةً وَأَصِيلًا.

অর্থঃ ‘তোমরা হাবীবুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- উনার খিদমত করো, উনাকে সম্মান করো এবং সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ সদাসর্বদা উনার প্রশংসা, ছানা-ছিফত, মর্যাদা-মর্তবা বর্ণনা করো। এক কথায় উনার শানে খুতবা প্রদান করো।’(সূরা ফাতহ, আয়াত শরীফ ৮-৯) সুবহানাল্লাহ!

স্মরণীয় যে, সব ঈদের হুকুম এক রকম নয়। যেমন ঈদুল ফিতরের বিশেষ আমল হলো ঈদের নামাযের পূর্বে ছদকাতুল ফিতর আদায় করা। আর ঈদুল আযহার বিশেষ আমল হলো ঈদের নামাযের পরে পশু কুরবানী করা। যার প্রত্যেকটি ওয়াজিব। এ দু’ঈদে কিন্তু রোযা রাখা হারাম। কিন্তু জুমুআর দিন ও আরাফা’র দিন মুসলমানদের এ দু’ ঈদে রোযা রাখা হারাম নয় বরং অশেষ ফযীলতের কারণ। আর এ দু’ ঈদের আমলের মধ্যে কুরবানী কিংবা ছদক্বাতুল ফিতর কোনটিই নেই। বরং জুমুআর দিনে যুহরের নামাযের পরিবর্তে কেবলমাত্র পুরুষ, বালিগ, সুস্থ, মুক্বীম ব্যক্তির জন্য মসজিদে গিয়ে খুতবাসহ নামায আদায় করতে হয়। আর মহিলাদের জন্য জুমুআর দিনে আলাদা কোন ছলাতও নেই, আবার খুতবাও নেই। আর আরাফা’র দিনে শুধুমাত্র যারা হজ্জে যেয়ে থাকেন তাদের জন্য ৯ই যিলহজ্জ আরাফা’র ময়দানে অবস্থান করাটা ফরযের অন্তর্ভুক্ত। আর শুধুমাত্র হাজীগণের জন্য আরাফা’র ময়দানে যুহর ও আছর নামায পড়তে হয়। ঈদের দিন হওয়া সত্ত্বেও আরাফা’র ময়দানে আলাদা কোন ছলাত নেই। আর খুতবা শুধুমাত্র হাজীগণের জন্যই। হাজীগণ ব্যতীত দুনিয়ার কোন মুসলমানের জন্য হোক সে পুরুষ অথবা মহিলা আরাফা’র দিন ঈদের দিন হওয়া সত্ত্বেও আলাদা কোন ছলাতও নেই, খুতবাও নেই। আর অন্যান্যদের জন্য আরাফা’র দিন রোযা রাখা খাছ সুন্নত এবং অশেষ ফযীলতের কারণ।

এছাড়া হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম- উনার প্রতি খাঞ্চা নাযিলের দিনকে যে ঈদের দিন সাব্যস্ত করা হয়েছে সে ঈদ উপলক্ষে কোন খুতবা ও ছলাত (নামায) রয়েছে কি? বরং সে ঈদ উপলক্ষে কেবল খাদ্য গ্রহণের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। তাহলে দেখা যাচ্ছে, ঈদ হলেই যে খুতবা ও ছলাত থাকতে হবে, তা নয়। বরং একেক ঈদের একেক হুকুম, যা আল্লাহ পাক- উনার কুদরতের অন্তর্ভুক্ত।

অতএব, সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে উলামায়ে সূ’দের প্রদত্ত বক্তব্য চরম জিহালত ও মূর্খতা বলেই প্রমাণিত হলো।

15/09/2024

কদমবুসী বা পদ চুম্বন সুন্নত । আর কেউ সুন্নতকে অবজ্ঞা করলে কাফির হবে দলিল সহ পোষ্ট (২)

-
কদমবুছী সংক্রান্ত মাসায়ালা নিয়ে ইদানিং অনেক আলেম নামধারী পর্যন্ত বিভিন্ন ফিৎনা সৃষ্টি করে এবং সরল সহজ মানুষদের ধোঁকা দিয়ে এটাকে শিরিক বলে অপ-প্রচার করে থাকে।নাউযুবিল্লাহ !! আজকে এই পোস্টে বিস্তারিত ভাবে কদমবুছী সংক্রান্ত সকল বিভ্রান্তির জবাব দেয়া হবে এবং কদমবুছীর আহকাম তুলে ধরা হবে।
কদম শব্দের অর্থ হচ্ছে পা , এবং বুছি শব্দের অর্থ চুম্বন করা ! অর্থাৎ দ্বীনদ্বার পরহেজগার,সম্মানিত ব্যক্তি, পিতা-মাতা ইত্যাদি উনাদের পায়ে চুম্বন দেয়াকে শরীয়তে কদমবুছী বলে।এই কদমবুছী খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। হযরত ছাহাবয়ে কি রাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনারা হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কদমবুছী করেছেন , আবার এক ছাহাবী অন্য ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার কদমবুছী করেছেন !! এ প্রসঙ্গে অনেক হাদীস শরীফ বর্নিত আছে !
সহীহ হাদীস শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়-
ﻋﻦ ﻭﺍﺯﻉ ﺑﻦ ﺯﺍﺭﻉ ﺭﺿﻴﺎﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻋﻦ ﺟﺪﻫﺎ ﻭﻛﺎﻥ ﻓﻲ ﻭﻓﺪ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻘﻴﺲ ﻗﺎﻝ ﻟﻤﺎ ﻗﺬﻣﻨﺎ ﺍﻟﻤﺪﻳﻨﺔ ﻓﺠﻌﻠﻨﺎ ﻧﺘﺒﺎﺩﺭ ﻣﻦ ﺭﻭﺍﺣﻠﻨﺎ ﻓﻨﻘﺒﻞ ﻳﺪ ﺭﺳﻮﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻭ ﺭﺟﻠﻪ
অর্থ : হযরত ওয়াজে ইবনে যারে উনার দাদা হতে বর্ননা করেন, আর তিনি ছিলেন আব্দুল কায়েস গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। তিনি বলেন , আমরা যখন মদীনা শরীফে আসতাম, তখন আমরা আমাদের সাওয়ারী হতে তাড়াতাড়ি অবতরন করে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাত এবং পা মুবারকে চুম্বন করতাম।”
দলীল —
√ আবু দাউদ শরীফ-কিতাবুস সালাম-২য় খন্ড-৭০৯পৃষ্ঠা- হাদীস ৫২২৫ !
√ মিশকাত শরীফ- কিতাবুল আদব- মুছাফাহ ও মুয়ানাকা অধ্যায়- হাদীস নম্বর ৪৬৮৮।
√ ফতহুল বারী ১১ খন্ড- ৫৭ পৃষ্ঠা !
√ মিরকাত শরীফ ৭ম খন্ড ৮০ পৃষ্ঠা।
√ মুছান্নাফে আবী শায়বা ।
√ বায়হাকী শরীফ।
√ কানযুল উম্মাল শরীফ।
√ তাফসীরে তাবারী।
√ বজলুল মাজহুদ ৬ ষ্ঠ খন্ড ৩২৮ পৃষ্ঠা।
√ মায়ালিমুস সুনান।
√ আইনুল মা‘বুদ লি হল্লি মুশকালাতি সুনানী আবু দাউদ।
√ আশয়াতুল লুময়াত
√ এলাউস সুনান ১৭ তম খন্ড ৪২৬ পৃষ্ঠা।
কদমবুছী সম্পর্কে হাফিজে হাদীস আল্লামা কাজী আয়াজ রহমাতুল্লাহি আলাইহি এবং হাফিজে হাদীস আল্লামা নববী রহমাতুল্লাহি আলাইহি স্বস্ব কিতাবে একখানা বিশুদ্ধ হাদীস শরীফ বর্ননা করেন–
ﻋﻦ ﺑﺮﻳﺪﺓ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ ﻓﺎﺀﺫﻥ ﻟﻲ ﺍﻗﺒﻞ ﻳﺪﻳﻚ ﻭﺭﺟﻠﻴﻚ - ﻓﺎﺫﻥ ﻟﻪ ﺍﻱ ﻓﻲ ﺗﻘﺒﻴﻞ ﻳﺪﻳﻪ ﻭﺭﺟﻠﻴﻪ - ﻓﻘﺒﻠﻬﻤﺎ
অর্থ: হযরত বুরাইদা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত, তিনি বলেন, (গাছের সিজদা দেয়ার ঘটনার পর) আমি হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! আমাকে আপনার উভয় হাত এবং পা মুবারক বুছা বা চুম্বন দেয়ার অনুমতি দিন। তখন উনাকে উভয় হাত এবং পা মুবারক চুম্বন দেয়ার অর্থাৎ কদমবুছী করার অনুমতি দেয়া হলে, তিনি হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাত এবং কদম মুবারক চুম্বন করলেন।”
দলীল- √ নাসীমুর রিয়াজ শরহে কাজী আয়াজ ৩য় খন্ড ৫০ পৃষ্ঠা ।
√ কিতাবুল আযকার লিন নববী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
ছিয়াহ সিত্তার নির্ভরযোগ্য কিতাব সমূহে আরো একটি হাদীস শরীফ বর্নিত আছে। হযরত সাফওয়ান রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্নিত একটি দীর্ঘ হাদীস শরীফ। একবার দুজন লোক হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য আসলো। তারা হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে কিছু জানতে চাইলো, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সব বিষয় সমূহের জবাব দান করলেন। জবাব পাওয়ার পরের বিষয় সম্পর্কে সাফওয়ান রদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন–
ﻗﺎﻝ ﻓﻘﺒﻼ ﻳﺪﻳﻪ ﻭ ﺭﺟﻠﻴﻪ ﻭ ﻗﺎﻻ ﻧﺸﻬﺪ ﺍﻧﻚ ﻧﺒﻲ
অর্থ: হযরত সাফওয়ান রদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, অতঃপর তারা উভয়ে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাত মুবারক এবং কদম মুবারক চুম্বন করলো এবং বললো,আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি, নিশ্চয়ই আপনি আল্লাহ পাক উনার নবী।”
দলীল- √ মিশকাত শরীফ -কিতাবুল ঈমান- বাবুল কাবায়ের ওয়া আলামাতুন নিফাক- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ- ৫১ নং হাদীস শরীফ।
√ তিরমীযি শরীফ ।
√ আবু দাউদ শরীফ।
√ সুনানু নাসায়ী শরীফ।
√ তুহফাতুল আহওয়াযী।
√ সুনানুন নাসায়ী বি শরহিস জালালুদ্দীন সূয়ুতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
এছাড়া এক ছাহাবী অন্য ছাহবী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার কদমবুছী করেছেন তার দলীল–
ﻋﻦ ﺯﻳﺪﺑﻦ ﺛﺒﺖ ﺍﻧﻪ ﻗﺒﻞ ﻳﺪ ﺍﻧﺲ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻭﺍﺧﺮﺝ ﺍﻳﻀﺎ ﺍﻥ ﻋﻠﻴﺎ ﻗﺒﻞ ﻳﺪ ﺍﻟﻌﺒﺎﺱ ﻭ ﺭﺟﻠﻪ
অর্থ : হযরত যায়েদ বিন সাবিত রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত,তিনি হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার হাত মুবারকে চুম্বন করেছেন।তিনি এটাও বর্ননা করেছেন যে , হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হযরত আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার হাত এবং পা মুবারকে চুম্বন করেছেন !”
দলীল- √ ফতহুল বারী- ১১খন্ড-৫৭পৃষ্ঠা !
√ তোহফাতুল আহওয়াযী শরহে তিরমীযি শরীফ ৭ম খন্ড ৫২৮ পৃষ্ঠা।
√ ফিকহুস সুন্নাহ ওয়াল আসার।
উল্লিখিত হাদীস শরীফ দ্বারা প্রমানিত হলো কদমবুছী করা খাছ সুন্নতে ছাহাবা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার অন্তর্ভুক্ত। আর সুন্নতে ছাহাবা অনুসরন সম্পর্কে সহীহ হাদীস শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে –
ﻋﻦ ﺍﻟﻌﺮﺑﺎﺽ ﺑﻦ ﺳﺎﺭﻳﺔ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻋﻠﻴﻜﻢ ﺑﺴﻨﺘﻲ ﻭ ﺳﻨﺔ ﺍﻟﺨﻠﻔﺎﺀ ﺍﻟﺮﺍﺷﺪﻳﻦ ﺍﻟﻤﻬﺪﻳﻦ ﺗﻤﺴﻜﻮﺍ ﺑﻬﺎ ﻭ ﻋﻀﻮﺍ ﻋﻠﻴﻬﺎ ﺑﺎﻟﻨﻮﺍﺟﺬ
অর্থ : হযরত ইরবায ইবনে সারিয়া রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের জন্য আমার সুন্নত এবং আমার খুলাফায়ে রাশেদীন রদ্বিয়াল্লাহু আনহুন উনাদের সুন্নত অবশ্যই পালনীয় ! তোমরা তা মাড়ির দাঁত দিয়ে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরো !””
দলীল– √ সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস শরীফ নং ৪২
√ তিরমিযী শরীফ, হাদীস শরীফ নং ২৬৭৬
√ আবু দাউদ শরীফ, হাদীস শরীফ নং ৪৬০৭
√ মুসনাদে আহমাদ শরীফ ৪/১২৬
নিজের মায়ের কদমবুছী সম্পর্কে হাদীস শরীফে আরো এসেছে–
ﻣﻦ ﻗﺒﻞ ﺭﺟﻞ ﺍﻣﻪ ﻓﻜﺎﻧﻤﺎ ﻗﺒﻞ ﻋﺘﺒﺔ ﺍﻟﺠﻨﺔ
অর্থ : যে ব্যক্তি তার মায়ের পায়ে চুম্বন দিলো , সে যেন জান্নাতের চৌকাঠে চুম্বন দিলো !”
দলীল– √ মাবসূত লিল সারাখসী ১ম খন্ড ১৪৯ পৃষ্ঠা।
উক্ত দলীল আদিল্লা থেকে স্পষ্ট বোঝা গেল কদমবুছী করা খাস সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত |সুবহানাল্লাহ্ !!
শুধু তাই নয়, বিখ্যাত ইমাম মুস্তাহিদ উনাদের জীবনীতেও কদমবুছীর ঘটনা পাওয়া যায়। যেটা কিতাবে বর্নিত হয়েছে-
ﺍﻣﺎﻡ ﻣﺴﻠﻢ ﺑﻦ ﺣﺠﺎﺝ ﻛﺎ ﻭﺍﻗﻐﻪ ﺟﻮ ﺍﻣﺎﻡ ﺑﺨﺎﺭﻱ ﮐﮯ ﺳﺎﺗﮫ ﭘﻴﺶ ﺍﻳﺎﻛﻪ ﺍﻣﺎﻡ ﻣﺴﻠﻢ ﻧﮯ ﺍﻣﺎﻡ ﺑﺨﺎﺭﻱ ﻛﯽ ﭘﻴﺸﺎﻧﯽ ﻛﻮ ﺑﻮﺳﻪ ﺩﻳﺎ ﺍﻭﺭ ﻗﺪﻡ ﺑﻮﺳﻲ ﻛﺎ ﺍﺭﺍﺩﻩ ﻛﻴﺎ - ﻳﻪ ﻛﺘﺐ ﺣﺪﻳﺚ ﻭﺭﺟﺎﻝ ﻣﻴﻦ ﻣﻌﺮﻭﻑ ﻭ ﻣﺸﻬﻮﺭ ﻫﮯ
অর্থ: ইমাম হযরত মুসলিম রহমাতুল্লাহি আলাইহি ও ইমাম বুখারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কিত ঘটনা। অর্থাৎ ইমাম মুসলিম রহমাতুল্লাহি আলাইহি ইমাম বুখারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার কপাল মুবারকে চুম্বন দিয়েছেন এবং কদমবুছী করার ইচ্ছা পোষন করেছিলেন। এ ঘটনা হাদীস শরীফের কিতাব ও রিজাল শাস্ত্রে পরিচিত ও প্রসিদ্ধ।”
দলীল- √ আল কিরামাতু ওয়াল তাক্ববীল।
√ মিযানুল আখবার ৪৯ পৃষ্ঠা ।
এখন দেখেন, কদমবুছী যদি জায়িয না হতো তাহলে ইমাম মুসলিম রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনি কি কদমবুছী করার অনুমতি চাইতেন ? অতএব প্রমান হলো বূজর্গ ব্যক্তিদের কদমবুছী করাটা সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত।
কদমবুছী সম্পর্কে ফতোয়ার কিতাবে আরো বর্নিত আছে–
ﺗﻤﺎﻡ ﺭﻭﺍﻳﺎﺕ ﺳﮯ ﺛﺎﺑﺖ ﻫﻮﺍ ﻛﻪ ﻋﻠﻤﺎﺀ ﻭﻣﺸﺎﺀﺥ ﺍﻭﺭ ﺩﻳﻨﻲ ﺷﺮﻑ ﺭﻛﻬﻨﮯ ﻭﺍﻟﮯ ﺣﻀﺮﺍﺕ ﻛﻲ ﺩﺳﺖ ﺑﻮﺳﻲ ﺑﻠﻜﻪ ﻗﺪﻡ ﺑﻮﺳﻲ ﻧﻴﺰ ﭘﻴﺸﺎﻧﻲ ﻭﻏﻴﺮﻩ ﭘﺮ ﺑﻮﺳﻪ ﺩﻳﻨﺎ ﺳﻨﺖ ﺍﻭﺭ ﺗﻌﺎﻣﻞ ﺻﺤﺎﺑﻪ ﻭﺗﺎﺑﻌﻴﻦ ﺳﮯ ﺑﻼ ﻛﺴﻲ ﻧﻜﻴﺮ ﻛﮯ ﺛﺎﺑﺖ ﻫﮯ
অর্থ: হাদীস শরীফ উনার সকল বর্ননা দ্বারা এটাই প্রমানিত হয় যে, দ্বীনদার,আলেম,পীর ও বূজর্গ উনাদের দস্তবুছী বা হাত চুম্বন, কদমবুছী বা পা চুম্বন এমনকি কপালে চুম্বন দেওয়াও সুন্নত এবং সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহু এবং হযরত তাবেয়িন রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনাদের আমল হিসাবে বিনা প্রশ্নে প্রমানিত।”
দলীল- √ আল কিরামাতু ওয়াল তাক্ববীল লিশ শায়েখ আবেদ সিন্ধি।
প্রমান হলো, কদমবুসী করা খাছ সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। যেটা ছিহা সিত্তার হাদীস দ্বারা প্রমানিত ।এছাড়া অসংখ্য হাদীস শরীফে আছে কদমবুসী করা সুন্নাত। তারই ধারাবাহিকতায় দ্বীনদার,পরহেজগার , বূজুর্গ, পিতা-মাতা উনাদের কদমবুসী বা পদ চুম্বন সুন্নত । আর কেউ সুন্নতকে অবজ্ঞা করলে কাফির হবে।

এক নজরে সৃষ্টির শুরু থেকে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের ইতিহাস১.  সৃষ্টির শুরুই হয়েছে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের জন্য। https://...
15/09/2024

এক নজরে সৃষ্টির শুরু থেকে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের ইতিহাস
১. সৃষ্টির শুরুই হয়েছে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের জন্য। https://goo.gl/YXxtkf
২. মহান আল্লাহ পাক স্বয়ং নিজেই সর্বপ্রথম মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করেন https://goo.gl/QhKGhP
০৩. সমস্ত নবী রাসুল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন https://goo.gl/oguRBS
৪. হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন।https://goo.gl/nTem2r
৫. হযরত ইবরাহীম খলিলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন https://goo.gl/YK3hPm
৬. হযরত ইবরাহীম খলিলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন https://goo.gl/POavDX

৭. পবিত্র কোরান শরীফ হতে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়ায় আগমনের ঈদ বা আনন্দ উৎসব করার দলীল
https://goo.gl/K2K1Mi
৮. স্বয়ং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদে মিলাদুননবী পালন করেছেন । https://goo.gl/nIx9IQ
৯. ইসলামের সোনালী যুগ তথা খইরুল কুরুনে পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালিত হতো https://goo.gl/qsWVYA
১০. তাবেয়ী এবং ইমাম-মুজতাহিগন উনাদের ঈদে মিলাদ পালন https://goo.gl/vfVfYH
১১. যারা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধীতা করে তারা কাট্রা কাফির আবু লাহাব হতেও নিকৃষ্ট । https://goo.gl/3U5qyr
১২. ১ম হিজরি শতকঃ
সাহাবা যুগে মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাহফিলের প্রমান- https://goo.gl/2Gvjv7, https://goo.gl/RTsTg9
১৩. ২য় হিজরি শতকঃ
তাবে তাবেঈনদের জামানায় আব্বাসীয় খিলাফতে ঈদে মিলাদে হাবিবী পালন হত- https://goo.gl/wgpO2J
১৪. ৩য় হিজরি শতকঃ
আজ থেকে প্রায় ১২০০ বছর পুর্বেও ঈদে মিলাদে হাবীবি পালিত হত। https://goo.gl/86B0gy
১৫. ৪র্থ হিজরি শতকঃসাইয়্যিদ মুহম্মদ সুলাইমান নদভী রহমতুল্লাহি আলাইহি “ সিরাতুন নবী “ জীবনী গ্রন্থে , ভলিউম ৩ উল্লেখ করেছেন ৩/৪ শতক হিজরী মিলাদ শরীফ উদযাপন করা হত । https://goo.gl/1gA54B
১৬. ৫মঃ আজ থেকে প্রায় ৯০০ বছর আগে, হাফিযে হাদীছ আবুল ফয়েয হযরত আব্দুর রহমান ইবনুল জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি (১১১৬-১২০১ খৃঃ) - https://goo.gl/zL2Tlr
১৭. ৬ষ্টঃ বাদশা হযরত মুজাফফরুদ্দীন ইবনে যাইনুদ্দীন আবু সাঈদ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি https://goo.gl/YrdcGH
১৮. ৭ম - https://goo.gl/1xVOhU
১৯. ৮ম- ৮ম শতকের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ইবনে বতুতা তাঁর ‘রিহলা’ কিতাবের ভলিউম ১ , ৩০৯ এবং ৩৪৭ পৃষ্ঠায় লিখেন-" প্রতি জুম্মা নামাজের পর এবং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইই ওয়া সাল্লাম উনার জন্মদিনে বানু শায়বা এর প্রধান কতৃক পবিত্র কাবা শরিফের দরজা খোলা হত। মক্কা শরিফের বিচারক নজম আল দীন মুহম্মদ ইবনে আল ইমাম মুহুয়ি আল দিন আল তাবারি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বংশধর এবং সাধারন জনগনের মাঝে খাবার বিতরন করতেন।"https://goo.gl/1xVOhU
২০.৯ম -https://goo.gl/A9VgoH
২১.১০ম https://goo.gl/ArNsmJ
২২.১১তম- মোল্লা আলী ক্বারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি “আল মাওরিদুর রাভী ফি মাওলিদিন নাব্যিয়" বইয়ে ঈদে মিলাদে হাবীবি পালনের দলীল https://goo.gl/Z27s4h
২৩. ১২তম - “ফয়ূযুল হারামাইন” কিতাবে শাহ ওয়ালী উল্লাহ মোহাদ্দিসে দেহলভী রহমাতুল্লাহে আলাইহি https://goo.gl/iiNVlK
২৪. ১৩ তম- শাহ আবদুল আজিজ মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহির ঈদে মিলাদ পালন- https://goo.gl/DfkI7N
২৫. মিলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ সম্পর্কে মক্কা শরীফ-মদিনা শরীফ-এর মুফতীগণের প্রাচিন ফতোয়ার কালেকশন - https://goo.gl/7rmkmP
২৬. ঈদে মীলাদুন্নবী পালন করার ঐতিহাসিক কিছু বই এর দলিল- https://goo.gl/ALJ2uJ
২৭. ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে বীরযোদ্ধা হযরত সা্লাউদ্দিন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি’র জয়লাভের মূল রহস্য- https://goo.gl/hHmuUk
২৮. সমগ্র পৃথিবীতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাতীয় ভাবে পালন হতো তার প্রমাণ
https://goo.gl/eZzjxk
২৯. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঈদে মিলাদে হাবীবি পালন https://goo.gl/BxKLm1
৩০. ঈদে মীলাদুন নবী খ্রিস্টানদের থেকে নয়, বরং খ্রিস্টানরাই মুসলমানদের দেখে ক্রিসমাস চালু করেছে- https://goo.gl/B9BLsX
৩১. জগৎ বিখ্যাত যেসব ইমাম মুস্তাহিদ পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন- https://goo.gl/eqEZEa
৩২. বাদশাহ মুজাফরের পুর্ব থেকেই ঈদে মিলাদে হাবীবির প্রচলন ছিল - https://goo.gl/u6Qy1M
৩৩. পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনকারী ইরাকের ইরবাল শহরের বাদশাহ মুজাফফর আবূ সাঈদ ছিলেন নেককার, পরহেযগার ও আলিম- https://goo.gl/LCGTqN
৩৪. মক্কা-মদীনা শারীফে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- https://goo.gl/bgxjtY
আর জানতে ভিসিট করুন- http://eidmilaad.blogspot.com/

সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ বিষয়ক পোস্ট আর্কাইভ

আল ইহসান  চুলা ঘর মঈনপুর বাজার ছাতক সুনামগঞ্জ  মোবাইল 01712112231
31/07/2020

আল ইহসান চুলা ঘর মঈনপুর বাজার ছাতক সুনামগঞ্জ মোবাইল 01712112231

RFL
31/07/2020

RFL

31/07/2020
walton gas stove
31/07/2020

walton gas stove

New gas stove walton
28/07/2020

New gas stove walton

08/03/2020

Address

Moinpor Bazar
Sylhet
3086

Telephone

+8801712112231

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Ihsan Telekom posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share