সিলেট আইটি হেল্প ডেস্ক

সিলেট আইটি হেল্প ডেস্ক Home of Information Exchange. ওয়েব ডিজাইন,সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ও কাষ্টমাইজ একাউন্টিং সফটওয়্যার।ওয়ানপেজ,ল্যান্ডিং পেজ,ডায়নামিক ওয়েব সাইট ডিজাইন করা হয়।

07/12/2016

ট্রিক্স ঃ ফেসবুক পেজের লাইক বাড়াতে চান ??
বিনামুল্য!!
দেখে নিন ...।...................................................................................
অরগানিকভাবে ফেসবুক পেজের লাইক বৃদ্ধি করার উপায়:

ফেসবুক পেজ ফেসবুক মার্কেটিং এর জন্য বহুল ব্যবহৃত এবং জনপ্রিয় মাধ্যম। সেই পেজ কে জনপ্রিয় করতে বা প্রচার করতে আমরা বিভিন্ন ভাবে লাইক বৃদ্ধি করার চেষ্টা করি। অনেকে আবার বিভিন্ন টুলের মাধ্যমে বা লাইক এক্সচেঞ্জ ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে পেজের লাইক বৃদ্ধি করে। কিন্তু সেই লাইক গুলো ফেইক হওয়ার কারনে তেমন কোন লাভ হয় না।
আবার কিছু মার্কেটার পেইড এর মাধ্যমে লাইক বৃদ্ধি করে। তবে যদি আপনার পেজে অরগানিকভাবে লাইক বৃদ্ধি করা যায় তাহলে সেই লাইক হবে সবচেয়ে লাভজনক। কিভাবে অরগানিকভাবে লাইক বৃদ্ধি করা যায় তার একটি বিবরণ এখানে তুলে ধরা হলঃ
১. About Menu:
আপনার পেজের About Menu এর প্রত্যেকটি সাব-মেনু এর তথ্য দিন। বেশির ভাগ সময় দেখা যায়, আমরা About Menu নিয়ে ভাবি না, এমন কি কোন তথ্যও প্রদান করি না, যার কারণে পেজ Facebook Search এ তেমন একটা আসে না। সার্চ এ আশার পিছে মূলত কাজ করে About Menu । যেমন – Category, Sub-Category, User Name, Address, Long Description, Short Description ইত্যাদি ।
২. Invite Friends:
আপনার ফেসবুক বন্ধুদের আপনার পেজে লাইক দেয়ার জন্য Invite করুন। Invite আপনি ২ ভাবে করতে পারেন । আপনার পেজে আপনার বন্ধুদের Invite করার একটি সেকসন আছে তার মাধ্যমে আপনি আপনার বন্ধুদের Invite পাঠাতে পারেন, আপনি যদি আপনার সব বন্ধুদের Invite না পাঠিয়ে শুধুমাত্র কোন একটি শহর এর বন্ধুদের Invite পাঠাতে চান তাহলে সেটাও পারবেন । এছাড়া আপনি আপনার বন্ধুদের ব্যক্তিগতভাবে ফেসবুক এ মেসেজ পাঠিয়ে আপনার পেজে লাইক দেয়ার Invite পাঠাতে পারেন ।
৩. Run Contest and Giveaways or Discount Offer:
Contest/Free/Discount এসব অফার এর কারণে পেজে অনেক নতুন ব্যক্তিদের আগমন হয়। জিতে পুরস্কার পাওয়ার জন্য বা ফ্রী কিছু পাওয়ার জন্য আবার যদি কোন সর্ত থাকে যে তার ফেসবুক বন্ধুদের Invite পাঠাতে হবে Contest এর জন্য তখন পেজের লাইক বৃদ্ধি পায় । কিন্তু বর্তমানে এসব Contest দেয়ার আগে মাথায় রাখবেন নতুন ধরণের কোন Contest দেয়ার জন্য, সবাই যেমন ধরণের Contest দেয় ঠিক তেমন ধরণের Contest শুরু করলে লাইক বাড়বে কিন্তু অত বেশি না। নতুন কিছুর প্রতি মানুষের আগ্রহ সবসময় বেশি থাকে ।
৪. শুধু মাত্র সার্ভিস এবং প্রোডাক্ট প্রচার না করাঃ
ফেসবুক সম্পূর্নই মানুষের ইন্টারেস্টের সাথে সম্পর্কিত। এখানে মানুষ যুক্ত হয় বিভিন্ন রকম ইন্টারেস্টিং বিষয়গুলো জানার জন্য অথবা বলার জন্য।তাই সবসময় প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে পোষ্ট করবেন না। আপনার পোষ্টের প্রায় ৮০% বিষয় গুলো হওয়া উচিত ইন্টেরেস্টিং। হোক সেটি সার্ভিস বা প্রোডাক্ট সম্পর্কিত অথবা অন্য কিছু।
৫. Quality Or Viral কন্টেন্ট পাবলিশ করুনঃ
ফেসবুকের কন্টেন্ট তৈরি করার ক্ষেত্রে চেষ্টা করুন কিছু এমন কন্টেন্ট তৈরি করতে যা Quality Or Viral অর্থাৎ যেই কন্টেন্ট সবসময় মানুষের ভালো লাগে, লাইক দেয় এবং শেয়ার করে। এই ধরনের কন্টেন্ট গুলো শেয়ার হয় বলে এর দ্বারা অনেক লাইক পাওয়া যায়। এই কন্টেন্ট বিভিন্ন বিষয়ের উপর হতে পারে যেমনঃ
~ প্রায় মানুষ জিজ্ঞাসা করে এমন কিছু।
~ “How To”ধরনের কন্টেন্ট।
~ টিউটোরিয়াল
~ নিশের উপর গুরুত্বপূর্ন রিসোর্স।
~ ইতিহাস সম্পর্কিত আর্টিকেল ইত্যাদি।
৬. Relevant Groups:
Relevant গ্রুপ এ আপনার পেজের সবচেয়ে ভালো পোষ্টটি শেয়ার করতে পারেন । যেমন – Clothing Business হলে Buy and Sale Type গ্রুপ এ শেয়ার করতে পারেন । এর মাধ্যমে আপনার ব্যবসায় এর মার্কেটিং হয়ে যাবে এবং সাথে সাথে আপনার পেজের লাইকও বৃদ্ধি পেতে পারে ।
৭. Insights:
বেশিরভাগ Admin পেজের Insights দেখেন না। কিন্তু পেজের Insights দেখা জরুরি। Insights এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারছেন কোন ধরণের পোষ্ট আপনার পেজে লাইক দাতারা পছন্দ করছেন কোন ধরণের পোষ্ট পছন্দ করছেন না, প্রতিদিন কত লাইক বারছে কত আন-লাইক হচ্ছে, আন-লাইক কেন হচ্ছে, কোন শহরের লাইক পেজে বেশি আছে, পেজ কি তার টার্গেট অনুসারে যেতে পারছে কিনা ইত্যাদি।
৮. Ask Friends to Invite Their Friends:
আপনি আপনার বন্ধুদের ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করতে পারেন আপনার পেজে লাইক দেয়ার জন্য তার বন্ধুদের Invite করতে । বন্ধু বন্ধুকে Invite করলে বা মেসেজ দিলে সেটা আরো বেশি গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়। বন্ধু তার অ্যাকাউন্ট এ পেজের লিঙ্ক শেয়ার করার মাধ্যমেও তার বন্ধুদের Invite পাঠাতে পারেন ।
৯. Best time:
যে সময় আপনার পেজের Fanরা বেশির ভাগ অনলাইন এ থাকে সে সময় আপনি পোষ্ট করলে পোষ্ট এর রিচ বেশি হবে এবং তারা আপনার পোষ্ট এ লাইক কমেন্ট করলে তাদের ফেসবুক বন্ধুরাও দেখতে পারে এবং তখন আপনি নতুন লাইক পেতে পারেন।
১০. Facebook Like Box:
আপনার ওয়েবসাইট এর Footer এ, Contact পেজে Facebook Like Box যুক্ত করুন, যারাই আপনার ওয়েবসাইট এ আসবে এবং আপনার ওয়েবসাইট ভালো ভাবে দেখবে তাদের অনেকেই আপনার সাথে আরো ভালোভাবে যুক্ত হওয়ার জন্য আপনার ফেসবুক পেজে লাইক দিতে পারে ।
১১. Reference your page on your blog:
আপনি আপনার ব্লগ এর আর্টিকেল এর মধ্যে আপনার ফেসবুক পেজ বা আপনার ফেসবুক পেজ এর কোন নির্দিষ্ট পোষ্টকে লিঙ্ক করতে পারেন । অবশ্যই সেটা যেন আপনার আর্টিকেল এর সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় । সেখান থেকে একটু লিঙ্ক তৈরি হবে আর্টিকেল এর সাথে আপনার পেজের, আর্টিকেলটি ভালো লাগলে তারা আপনার পেজে লাইক দিতে পারে। যেমন – Moshiur Monty – Digital Marketing Trainer হাহাহাহা !
১২. Other Social Media:
আপনার ফেসবুক পেজটিকে অন্যান্য সোশ্যাল একাউন্টের সাথে যুক্ত করে নিন। যেমন: আপনার যদি YouTube –এ একটি চ্যানেল থাকে তাহলে সেই চ্যানেলের Description এবং চ্যানেল আর্টে ফেসবুক পেইজের লিঙ্ক যুক্ত করুন।
১৩. Facebook Advertisement:
অবাক হচ্ছেন, অরগানিক লাইক এর কথা বলে আবার কেন বিজ্ঞাপন এর কথা বলছি ? ফেসবুক এ বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমেও অনেক অরগানিক লাইক পাওয়া যায়। যেমন কেউ যদি বিজ্ঞাপন দেখে লাইক দেয় তাহলে সেতার জন্য ফেসবুক টাকা চার্জ করে, আর কেউ যদি সেই বন্ধুকে দেখে লাইক দেয় তখন ফেসবুক কোন চার্জ করে না, বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে আপনি ২ জন এর লাইক পেয়ে গেলেন, একজনের জন্য ফেসবুক চার্জ করবে কিন্তু অন্য জনের জন্য নয়। সুতরাং অন্য জনের লাইককে আমরা অরগানিক বলতেই পারি।

29/07/2016

দুঃখজনক ব্যাপার হল, আমাদের বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফ্রীল্যানসিং পেশাকে এখনো অনেক মানুষ খুবই সস্তা জ্ঞান করে। তারা মনে করে এটা হাটে-বাজারে যারা কম্পিউটার টাইপিং এর কাজ করে তাদের থেকে আর বেশী কি?
কিন্তু মজার ব্যাপার হল ব্যাপারটা কিন্তু মোটেও সেরকম নয়। আমি আজ আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে এব্যাপারে কিছু বলার চেষ্টা করবো। এবং আশা করি কিছুটা হলেও এব্যাপারটা ক্লিয়ার হবে-
১. পৃথিবীর যত গুলো কাজের সেক্টর আছে তদমধ্যে সবচেয়ে দূত পরিবর্তনশীল সেক্টর হল তথ্য-প্রযুক্তি। আপনি যদি ফ্রীল্যানসিং কে নিজের ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই সব-সময় হতে হবে আপ-ডেট।
যেমন আমি আমার নিজের অবিজ্ঞতা থেকে বলি, এক বছর আগে যখন আমি প্রথম সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের কাজ শেখা শুরু করি তখন এই কাজের জন্য যে সব রুলস গুলো ফলো করা হতো তা এখন আর নেই। এগুলো কিছু দিন পর পরই পরিবর্তন হয়। কাজেই সারা জীবন স্টাডির উপর না থাকলে আপনি এখানে টিকে থাকতে পারবেন না।
২. আপনাকে অবশ্যই ইংরেজীতে দক্ষ হতে হবে। তা না হলে এখানে আপনার কোন বেল নাই। আসলে আপনি যেই বিষয়ই স্টাডি করতে চান না কেন, এর জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমানে রিসোর্স। আর অনলাইনে আপনি যে কোন বিষয়ের উপর যে পরিমানের তথ্য পাবেন পৃথিবীর আর কথাও সে পরিমানে তথ্য পাবেন না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আলাদা হতে পারে তবে বিষয়টা যদি হয় তথ্য-প্রযুক্তি তবে আপনাকে মাস্ট ইন্টারনেটের উপর নির্ভর করতে হবে। আর এখানে ইংরেজী ছাড়া বাংলা ভাষায় কোয়ালিটি সম্পন্ন কন্টেইন্ট নাই। সো ইংরেজীতে দক্ষতা না অর্জন করে ভুলেও এদিকে নয়।
৩. আমাদের দেশে মনে করা হয় লাইফে চাকরি-বাকরি হয়নি তো কি হয়েছে ফ্রীল্যানসিং সেক্টর তো আছেই চিন্তা কি? ফিলিংসটা এমন যে, আগে চাকরি-বাকরি আর যদি তা না জোটে তাহলে ফ্রীল্যাসিং। কিন্তু মজার ব্যাপার হল আপনি যদি নিজেকে সেভাবে গড়ে নিতে পারেন তবে আপনার কাছে এক জন ডাক্টার কিংবা ইন্জিনিয়ার কিছুই না। আমার ফ্রেন্ডলিস্টে একজন আছে যে প্রতি মাসে ইনকাম করে ৩০ হাজার ডলার। বিলিভ ইট অর নট এটাই সত্য।
৪. আর ফ্রীল্যানসিং সর্ম্পরকে সব চেয়ে বড় ভুল ধারনা হল- এখানে মনে করা হয়, সারা জিবন ক্লাইন্টের কাছ থেকে কাজ নিয়ে কাজ করতে হবে। ক্লাইন্টের কাছ থেকে কাজ না পেলে ইনকাম বন্ধ। (সব চেয়ে হাস্যকর ধারনা) কিন্তু মজার ব্যাপার হল- যখন আপনার কাজের স্কিল কম থাকবে তথন ক্লাইন্টে কাছ থেকে কাজ নিয়েই করবেন ঠিক আছে, কিন্তু সময়ের সাথে যখন আপনার স্কিল বাড়বে তখন দেখবেন আপনি নিজেই নতুন প্রজেক্ট চালু করতে পারছেন। তখন আপনার নিজস্ব প্রজেক্ট থাকবে। আপনি কারো কাছ থেকে কাজ নিবেন না বরং আপনিই তখন অন্যকে কাজ দিবেন। আপনার অধিনে তখন মানুষ কাজ করবে, আপনি নন।
আসলে বাঙ্গালির সমস্যা হল, বাঙ্গালি সব কিছু একটু দেরিতে বুঝে আর যখন বুঝে তখন দুই লাইন বেশী বুঝে। :-D তবে আমি মনে করি একদিন বাংলাদেশের মানুষও অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার ব্যাপারে সিরিয়াস হবে। তবে সব শেষে এটাও বলবো অনলাইনে আপনার কর্ম ক্ষেত্র হবে গোটা পৃথিবী। সারা বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতা করে আপনাকে টিকে থাকতে হবে। কাজেই ব্যাপারটা কিন্তু মোটেও সহজ নয় আবার আপনি যদি নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারেন তবে এটা কঠিন কিছুও নয়। এখনো এই সেক্টরে দক্ষ লোকের অনেক অভাব। কাজেই আপনি কি হবেন, পুরো ব্যাপারটাই আপনার হাতে।

ফ্রিল্যান্সিং কোর্স ।।
13/09/2015

ফ্রিল্যান্সিং কোর্স ।।

CS it going to Start New Course, Freelancing Training with "Social Media Marketing"

01/07/2015

যে কথা প্রায়ই ইনবক্সে বলা হয়, কখনো প্রকাশ করা হয়নি। নতুন অনেকের কাজে লাগতে পারে তাই, ইনবক্সের গোপন কথা প্রশ্নকারীর নাম উল্লেখ না করে প্রকাশ করা হলো। যাদের প্রয়োজন এখান থেকে জেনে নেন। আগামী ৬ মাস এ নিয়ে ইনবক্সে আর উত্তর দেয়া হবে না।
প্রশ্নকর্তা - ভাইয়া আমাকে কিছু টিপস দেন, আমি কাজ পাইতেছি না।
আমি - যে কাজ করতে চান সেটা আগে ঠিক করেন। তারপর ভালভাবে কাজ শিখেন। আপনার কাজের মান যাচাই করার জন্য অন্য যারা ভাল কাজ করতেছে তাদের কাজের স্যাম্পল দেখেন। মার্কেটপ্লেসে লাখ লাখ সার্ভিস প্রোভাইডারের পোর্টফলিওতে কোটি কোটি স্যাম্পল আপলোড করা আছে। আপনার দরকার শুধু খুজে বের করে দেখা এবং অনুশীলন করা।
এরপর নিজের পোর্টফলিও সুন্দরভাবে সাজিয়ে ফেলুন। যেন ক্লায়েন্ট বুঝতে পারে আপনার দক্ষতা কোন লেভেলের। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এরপর যখন যথেষ্ট দক্ষতা অর্জন করবেন তখন যতটা সম্ভব অনলাইনে থেকে সবার আগে বিড করার চেষ্টা করবেন।
খুব কম বা বেশি রেটে বিড করবেন না।
আপনি যে কাজটা বুঝতে পারছেন এবং কাজটা দিলে যে করতে পারবেন সেটা ক্লায়েন্টকে আবেদন করার সময় বুঝিয়ে দিন।
প্রশ্নকর্তা - তারপর ও কাজ পাই না।
আমি - সবাই তো কাজ পাবে না। কারন মার্কেটপ্লেসে লাইফ টাইমে টোটাল যতগুলা জব পোস্ট হইছে তারচেয়ে ফ্রীল্যান্সারের সংখ্যা দ্বিগুন। আপনিই বলেন তাহলে কি সবাই একটা করে জব পাবে?
প্রশ্নকর্তা - আমিতো কাজ পারি, তাও কাজ পাই না।
আমি - আপনি কাজ পারেন সেটা আপনি বিশ্বাস করেন, ক্লায়েন্টকে বিশ্বাস করাতে হবে যে আপনি কাজ পারেন, তাহলেই কাজ পাবেন।
প্রশ্নকর্তা - অন্যরা যে কাজ করে তা আমার পছন্দ হয় না। কিন্তু আমি কাজ পাই না। একবার কাজ পেলে ক্লায়েন্টরা আমাকে ছেড়ে যেত না।
আমি - এই জন্যই আপনি কাজ পাচ্ছেন না। অন্যরা ক্লায়েন্টের পছন্দ মত কাজ করতেছে, আর আপনি আপনার পছন্দমত কাজ করার চিন্তা করতেছেন। ক্লায়েন্ট যেহেতু তার প্রয়োজন অনুযায়ী কাজ নিবে তাই আপনি ক্লায়েন্টের পছন্দ বা প্রয়োজনটা বুঝার চেষ্টা করেন। আপনি ভাল কাজ জানেন সেটা ভাল কথা, কিন্তু প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত চিনি ভাল না, সেটা সবাই পছন্দ করে না ;)
প্রশ্নকর্তা - আমি তো কাজই পাই না।
আমি- কাজ পাওয়াটাও একটা যোগ্যতা। কাজ পাওয়ার জন্য যা যা দক্ষতা লাগে তা আগে অর্জন করেন। যোগাযোগের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব, সততা, নিষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম-এগুলা যার মধ্য থাকবে তার কাজের অভাব হয়ার কথা না।
কাজ না পেলে ভাল কাজ জেনে কোন লাভ নাই।
তবে আমরা শুধু চেষ্টা করতেই পারি রিজেকের মালিক আল্লাহ্।
আপনার আই ডি আমি ওয়াচ লিস্টে রাখাছি। যেদিন কাজ পাবেন, আমি ফেসবুকে পোস্ট দিয়া জানাবো। আর আমি অনেক খুশি হব কারন আপনাকে দেয়া আমার সময়টা কাজে লেগেছে।
আপনার জন্য শুভ কামনা ও দোয়া।

ডোমেইন ফ্রী(.কম/.নেট/.অরগ/.ইনফো) ১ জিবি শেয়ার হোস্টিংয়ের সাথে-----------------------------------------------পবিত্র ঈদ উপ...
25/06/2015

ডোমেইন ফ্রী(.কম/.নেট/.অরগ/.ইনফো) ১ জিবি শেয়ার হোস্টিংয়ের সাথে
-----------------------------------------------
পবিত্র ঈদ উপলক্ষে সিএস আইটি সল্যুউশন দিচ্ছে ১ জিবি শেয়ার হোস্টিংয়ের সাথে (.কম/.নেট/.অরগ/.ইনফো) ডোমেইন ফ্রী। এ অফার চলবে- পবিত্র ঈদ পর্যন্ত।
--------
Cheap Shared Hosting--------
→ Disk Space: 01 GB
→ Bandwidth: 10 GB
→ Domains Allowed: 20
→ Email: 20
→ Sub-Domains: 20
Regular Price: 1790 Tk/yr
বিস্তারিত : http://clients.cs-itsolution.com/cart.php?gid=1¤cy=2

School Management Software :-
আমরা শিক্ষামন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক স্কুল ও কলেজের ডায়নামিক ওয়েবসাইট ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার তৈরী করে থাকি।
--------
আমাদের সার্ভিস কেন নিবেন-
√ হোস্টিং জগতে আমরা ৭ বছর ধরে।
√ ৯৯.৯% আপটাইম গ্যারান্টি।
√ ২৪/৭ ঘন্টা ফ্রেন্ডলী ফোন ও ইমেইল সাপোর্ট।
√ ১০০% কাস্টমার সেটিসফেকশন।
√ ৩০ দিন মানি ব্যাক গ্যারান্টি।
√ ফ্রী মাইগ্রেশন/সিপ্যানেল ট্রান্সফার সুবিধা।
√ আপডেট সি-প্যানেল।
√ প্রতিদিন/সাপ্তাহিক অটো ব্যাপকআপ।
√ RAID প্রোটেক্টেড সার্ভার।
√ ওভারলোডমুক্ত ও ফাস্ট সার্ভার।
√ আইপি আন-ব্লক সিস্টেম।
√ USA Base সার্ভার।
------
যোগযোগ করুন:
সিএস আইটি সল্যুউশন
৬ ওভারসিজ সেন্টার , জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন : ০১৭১১১৯৪৯৪০
ওয়েবসাইট : http://cs-itsolution.com/
ফেসবুক ফ্যানপেজ : https://www.facebook.com/csitsolution

20/06/2015

( Important Tips For Android User )

✔ রুট কী এবং কেন রুট করবেন !

✔ রুট কী ?
> সবচেয়ে সহজ শব্দে বলা যায়, রুট হচ্ছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা প্রশাসক । যদিও এর বাংলা অর্থ গাছের শিকড়, লিনাক্সের জগতে রুট বলতে সেই পারমিশন বা অনুমতিকে বোঝায় যা ব্যবহারকারীকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করে তোলে । রুট হচ্ছে একটি পারমিশন বা অনুমতি । এই অনুমতি থাকলে ব্যবহারকারী সেই ডিভাইসে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন । উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী অ্যাডমিনিস্ট্রেটর প্রিভিলেজ ছাড়া সিস্টেম ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন না ( যেগুলো সাধারণত সি ড্রাইভে থাকে ) । লিনাক্সেও তেমনি রুট পারমিশন প্রাপ্ত ইউজার ছাড়া সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজগুলো করা যায় না । যিনি লিনাক্স-চালিত কম্পিউটার যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন অথবা যার সব কিছু করার অনুমতি রয়েছে, তাকেই রুট ইউজার বলা হয় । অনেক সময় একে সুপারইউজার বলেও সম্বোধন করা হয়ে থাকে ।

✔ Phone রুট করা থাকে না কেন ?
> ফোন প্রস্তুতকারকরা ইচ্ছে করেই তাদের ফোনগুলো Lock করে দিয়ে থাকে । Root ফোল্ডারে থাকা ফাইলগুলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় । ভুলবশত এর কোন একটি মুছে গেলে আপনার ডিভাইস কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে । তাছাড়া ভাইরাস বা ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম অনেক সময় রুট করা ডিভাইসের ক্ষতি করতে পারে । তবে Lock থাকায় ব্যবহারকারী Root Access পান না, তাই অন্য প্রোগ্রামগুলোর রুট অ্যাক্সেস পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না । ফোন Lock করে বাজারে ছাড়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশন ও ফাইল । অনেকেই ইন্টারনাল মেমোরি খালি করার জন্য বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করে থাকেন । রুট করা থাকলে সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশনগুলোও ট্রান্সফার করে ফেলা যায় । কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইল রয়েছে যেগুলো ইন্টারনাল মেমোরির ঠিক যেখানে আছে সেখানেই থাকা আবশ্যক । ব্যবহারকারী যখন ডিভাইস রুট করেন, তখন স্বভাবতই অনেক কিছু জেনে তারপর রুট করেন । তখন বলে দেয়াই থাকে যে, কিছু কিছু সিস্টেম অ্যাপস এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করলে সমস্যা হতে পারে । কিন্তু যদি স্বাভাবিক অবস্থায়ই সেট রুট করা থাকে, তাহলে ব্যবহারকারী না জেনেই সেটের ক্ষতি করতে পারেন ।

✔ কেন রুট করবেন ?
> আপনি তখনি রুট করার চিন্তা করবেন যখন আপনার মোবাইলে সব ধরনের সুযোগ ব্যবহার করতে পারছেন না, আপনার মোবাইল আপনাকে কোন সীমার মধ্যে বেধে রেখেছে । যারা একদমই নতুন এই বিষয় ভালভাবে কিছু জানেন না তারা তাদের মোবাইল রুট করার চিন্তা কিছুদিন পর করার সিদ্ধান্ত নিবেন । তার কারন আপনি আগে ভাল করে বুঝে নিন কেন আপনি রুট করবেন, এবং রুট করার পর আসলেই আপনার উপকার হবে কি না । অনেকে না বুঝে রুট করে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে । তাই আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলছি সাবধানতার মাধ্যমে আপনি আপনার মোবাইল রুট করুন ।

✔ রুট করার সুবিধা —>

★ পারফরমেন্স বাড়ানো ।
★ কাস্টম রম ইন্সটল ।
★ ব্যাটারি ব্যাকাপ বাড়ানো ।
★ Font Change করা ।
★ বিভিন্ন অ্যাপ ক্র্যাক ।

✔ রুট করার অসুবিধা —>

★ Warranty হারানো ।
★ OTA Update না পাওয়া ।
★ ফোন ব্রিক করা ।

ধন্যবাদ সবাইকে ।

15/06/2015

সিলেটে হাই স্কুল কলেজের ওয়েব সাইট সরকারি নির্দেশমত করে দেয় এমন বিশ্বস্ত প্রতিষ্টান খুজছেন ?

ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড থেকেই বিশ্বের বাজারে ব্র্যান্ডিং করবে ওখানেই.কম
12/02/2015

ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড থেকেই বিশ্বের বাজারে ব্র্যান্ডিং করবে ওখানেই.কম

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৫ তে অংশ নিয়েছে দেশের শীর্ষ স্থানীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। ‘ওখানেই ডটকম’। দেশের বাহিরে থেকে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৫-তে ২৫ দে...

06/07/2012

আউটসোর্সিং বা অনলাইনে ঘরে বসে আয় সর্ম্পকে আপনার ধারনা কি ?

Address

সিলেট
Sylhet
3100

Telephone

+8801711194940

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সিলেট আইটি হেল্প ডেস্ক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সিলেট আইটি হেল্প ডেস্ক:

Share