Trust Next Pleasure

Trust Next Pleasure Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Trust Next Pleasure, Kurigram, Rangpur.

09/08/2026

জরায়ু নারীর শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এর সুস্থতা নির্ভর করে প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাসের উপর। চলুন জেনে নিই প্রতিদিন কী করলে জরায়ু সুস্থ ও শক্তিশালী থাকবে:

১) সকালে যা করবেন:
খালি পেটে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করুন। জরায়ুতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং টক্সিন বের হয়। ১ চামচ মেথি ভিজিয়ে রাখা পানি পান করুন। জরায়ুর প্রদাহ কমায় এবং হরমোন ব্যালেন্স করে। হালকা যোগব্যায়াম বা স্ট্রেচিং করুন ১০ মিনিট। পেলভিক এলাকায় রক্ত চলাচল বাড়ে।

২) খাবারে যা রাখবেন:
প্রতিদিন ১ বাটি সবুজ শাকসবজি খান। পালং শাক, ব্রকলি ইত্যাদি জরায়ুর জন্য চমৎকার। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খান - কমলা, পেয়ারা, লেবু। জরায়ুর টিস্যু সুস্থ রাখে। রসুন ও হলুদ নিয়মিত খান। জরায়ুর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। প্রোটিন রাখুন প্রতিবেলা - ডিম, মাছ, ডাল। জরায়ুর পেশি মজবুত করে।

৩) যা একদম এড়িয়ে চলবেন:
চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার একদম কমান। জরায়ুতে প্রদাহ বাড়ায়। ভাজাপোড়া ও প্রসেসড ফুড এড়িয়ে চলুন। হরমোন ইমব্যালেন্স করে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন এড়ান। দিনে ১ কাপের বেশি চা-কফি না। ধূমপান ও অ্যালকোহল সম্পূর্ণ বর্জন করুন। জরায়ুর ক্ষতি করে।

৪) ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা:
প্রতিদিন হালকা গরম পানি দিয়ে বাইরের অংশ পরিষ্কার করুন। সুতি আন্ডারওয়্যার পরুন। বাতাস চলাচল করতে দেয়। পিরিয়ডের সময় ৪-৬ ঘণ্টায় প্যাড পরিবর্তন করুন। সংক্রমণ রোধ করে। টাইট জিন্স বা সিন্থেটিক কাপড় কম পরুন। জরায়ুতে চাপ পড়ে।

৫) শারীরিক ব্যায়াম:
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন। জরায়ুতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। Kegel Exercise করুন দিনে ৩ বার। পেলভিক ফ্লোর মাসল শক্তিশালী করে। যোগব্যায়াম বিশেষত বাটারফ্লাই পোজ, চাইল্ড পোজ করুন। জরায়ুর স্বাস্থ্য উন্নত করে।

৬) পর্যাপ্ত বিশ্রাম:
রাত ১০-১১টার মধ্যে ঘুমাতে যান। জরায়ু রাতে রিপেয়ার হয়। ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। হরমোন ব্যালেন্স ঠিক থাকে। ভারী কাজ এড়িয়ে চলুন। জরায়ুতে চাপ পড়ে এবং দুর্বল হয়।

৭) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট:
প্রতিদিন ১০ মিনিট মেডিটেশন করুন। স্ট্রেস হরমোন জরায়ুর ক্ষতি করে। গভীর শ্বাস নিন। পেলভিক এলাকায় অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ে। পজিটিভ থাকুন এবং খুশি থাকার চেষ্টা করুন। মানসিক সুস্থতা শারীরিক সুস্থতার সাথে যুক্ত।

৮) পানি পান:দিনে অন্তত ৩ লিটার পানি পান করুন। জরায়ুকে হাইড্রেটেড রাখে এবং সংক্রমণ প্রতিরো

04/08/2026
04/08/2026

😭 আপনার ১–১.৫ বছরের বাচ্চাটা কি হঠাৎ খুব জেদি, রাগী আর কান্নাকাটি করছে?‼️

🤚 আগে এটা জানুন—আপনি একা নন। ❤️

১২–১৮ মাস হলো শিশুর Toddler Developmental Leap (দ্রুত বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ)-এর অন্যতম সময়। এই বয়সে ওদের Brain Development (মস্তিষ্কের বিকাশ) খুব দ্রুত হয়। তারা অনেক কিছু বুঝতে শুরু করে, নিজের ইচ্ছা তৈরি হয়, স্বাধীনভাবে সব করতে চায়... কিন্তু Language Skills (কথা বলার দক্ষতা) এখনও সেই গতিতে বাড়ে না।
ফলাফল?
**Big Emotions + Small Vocabulary = Tantrums
(বড় বড় অনুভূতি + সীমিত ভাষা = রাগ, কান্না ও জেদ)

🔴তাই এই বয়সে অনেক শিশুই—
😭 ছোট্ট কারণেও হঠাৎ কেঁদে ফেলে
😊 ৩০ সেকেন্ড পরেই আবার হাসতে শুরু করে
* খেলনা ছুড়ে দেয় বা রাগে মারতে পারে
*"না" শুনতে চায় না
❤️* সারাক্ষণ মায়ের কোলে থাকতে চায়।

আসলে ওদের মনের ভেতরে চলে—
"I'm tired." (আমি খুব ক্লান্ত।)
"I'm frustrated." (আমি বিরক্ত ও অসহায় বোধ করছি।)
"I need help." (আমার সাহায্য দরকার।)
"I can't explain what I'm feeling." (আমি কী অনুভব করছি, সেটা বলতে পারছি না।)

বিজ্ঞান বলছে, এই সময় শিশুর Emotional Brain (অনুভূতি নিয়ন্ত্রণের অংশ) খুব দ্রুত বিকশিত হলেও Self-control (নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা) এবং Communication Skills (যোগাযোগ ও কথা বলার দক্ষতা) এখনও পুরোপুরি তৈরি হয় না।

তাই তারা অনুভূতিগুলো কথায় নয়, কান্না, রাগ, জেদ বা মারার মাধ্যমে প্রকাশ করে।
মনে রাখবেন— ❌ আপনার সন্তান আপনাকে কষ্ট দিতে চাইছে না।

✅ সে নিজের বড় বড় অনুভূতিগুলো কীভাবে সামলাতে হয়, সেটাই এখনও শিখছে।
এই সময় আপনার ধৈর্য, ভালোবাসা, কোলে নেওয়া এবং শান্ত প্রতিক্রিয়াই তার Healthy Emotional Development (সুস্থ মানসিক ও আবেগীয় বিকাশ)-এর সবচেয়ে বড় ভিত্তি।

আপনার বাচ্চা আজ কোন ছোট্ট কারণেই সবচেয়ে বেশি কেঁদেছিল? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। ❤️

26/07/2026

Kurigram current update 27 july to 5 August

26/07/2026

😭 আপনার ১–১.৫ বছরের বাচ্চাটা কি হঠাৎ খুব জেদি, রাগী আর কান্নাকাটি করছে?‼️

🤚 আগে এটা জানুন—আপনি একা নন। ❤️

১২–১৮ মাস হলো শিশুর Toddler Developmental Leap (দ্রুত বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ)-এর অন্যতম সময়। এই বয়সে ওদের Brain Development (মস্তিষ্কের বিকাশ) খুব দ্রুত হয়। তারা অনেক কিছু বুঝতে শুরু করে, নিজের ইচ্ছা তৈরি হয়, স্বাধীনভাবে সব করতে চায়... কিন্তু Language Skills (কথা বলার দক্ষতা) এখনও সেই গতিতে বাড়ে না।
ফলাফল?
**Big Emotions + Small Vocabulary = Tantrums
(বড় বড় অনুভূতি + সীমিত ভাষা = রাগ, কান্না ও জেদ)

🔴তাই এই বয়সে অনেক শিশুই—
😭 ছোট্ট কারণেও হঠাৎ কেঁদে ফেলে
😊 ৩০ সেকেন্ড পরেই আবার হাসতে শুরু করে
* খেলনা ছুড়ে দেয় বা রাগে মারতে পারে
*"না" শুনতে চায় না
❤️* সারাক্ষণ মায়ের কোলে থাকতে চায়।

আসলে ওদের মনের ভেতরে চলে—
"I'm tired." (আমি খুব ক্লান্ত।)
"I'm frustrated." (আমি বিরক্ত ও অসহায় বোধ করছি।)
"I need help." (আমার সাহায্য দরকার।)
"I can't explain what I'm feeling." (আমি কী অনুভব করছি, সেটা বলতে পারছি না।)

বিজ্ঞান বলছে, এই সময় শিশুর Emotional Brain (অনুভূতি নিয়ন্ত্রণের অংশ) খুব দ্রুত বিকশিত হলেও Self-control (নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা) এবং Communication Skills (যোগাযোগ ও কথা বলার দক্ষতা) এখনও পুরোপুরি তৈরি হয় না।

তাই তারা অনুভূতিগুলো কথায় নয়, কান্না, রাগ, জেদ বা মারার মাধ্যমে প্রকাশ করে।
মনে রাখবেন— ❌ আপনার সন্তান আপনাকে কষ্ট দিতে চাইছে না।

✅ সে নিজের বড় বড় অনুভূতিগুলো কীভাবে সামলাতে হয়, সেটাই এখনও শিখছে।
এই সময় আপনার ধৈর্য, ভালোবাসা, কোলে নেওয়া এবং শান্ত প্রতিক্রিয়াই তার Healthy Emotional Development (সুস্থ মানসিক ও আবেগীয় বিকাশ)-এর সবচেয়ে বড় ভিত্তি।

আপনার বাচ্চা আজ কোন ছোট্ট কারণেই সবচেয়ে বেশি কেঁদেছিল? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। ❤️


Copy paste মা ও শিশু 2.0

25/07/2026

বাচ্চাদের কাশির সহজ সমাধান দিচ্ছি। পোস্টটি শেয়ার করে অন্যকে জানতে সহযোগিতা করতে পারেন বা সেভ করে রাখতে পারেন।

৭ মাসের উপরের সকল বাচ্চা কাশি হলে যদি আমার দেয়া টমেটো রসুনের স্যুপ আপনার বাচ্চা খেতে পারে তবে প্রথমে চেষ্টা করবেন এটা খাওয়ানোর জন্য। এটার গুণ নতুন করে বলার কিছু নেই। যারা বাচ্চাকে দিয়েছেন তারা এই স্যুপ সম্পর্কে জানেন। তবে জোর করে নয় যদি বাচ্চা খেতে পছন্দ করে তবে দিবেন।

রেসিপিটা শিখায়-
‎✨ উপকরণ:
‎২টি পাকা টমেটো (কাটা)
‎২ কোয়া রসুন (কুঁচি)
‎১ চা চামচ অলিভ অয়েল/ঘি
‎১ কাপ পানি
‎লবণ স্বাদ অনুযায়ী তবে পরিমাণে কম
‎🥄 প্রস্তুত প্রণালী:
‎➡️প্যানে অলিভ অয়েল/ঘি দিয়ে রসুন হালকা ভেজে নিন।
‎➡️টমেটো যোগ করে মাঝারি আঁচে নরম করুন।
‎➡️পানি দিন ও ৫-৭ মিনিট ফুটিয়ে নিন।
‎➡️ভালোভাবে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন (বাচ্চারা যেন সহজে খেতে পারে)।
‎➡️খুবই সামান্য লবণ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
‎এই স্যুপ বাচ্চাদের বুকের কফ দূর করতে সাহায্য করে।
‎❌৭ মাসের নিচের বাচ্চাদের এই স্যুপ দিবেন না।

এখন শুস্ক কাশি হলে কি করবেন?
Mirakof pediatric drop (Butamirate Citrate)
প্রতি কেজিতে ২ ফোটা করে ৩ বেলা। অর্থাৎ বাচ্চার ওজন যদি ৫ কেজি হয় তবে ১০ ফোটা করে ৩ বেলা এভাবে।

আবার চেম্বারে বা সিক্রেট গ্রুপে হিস্ট্রি নেবার সময় কাশির হিস্ট্রিতে কি ওষুধ খাওয়াইছেন জিজ্ঞেস করলে কমন একটা ওষুধের নাম বলেন বাবা মায়েরা Ambrox Drop বা Ambrox syrup যেটা মূলত কফ কাশির ওষুধ।
বাচ্চাদের কাশিতে এই ওষুধ খাওয়াইনি মনে হয় এমন মানুষ কমই আছে।
কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই দেখি ভুল ডোজে ওষুধ খাওয়াইছেন বাচ্চাকে। সঠিক ডোজ বেশিরভাগ মানুষই জানেন না। আপনাদের সঠিক ডোজটা বলছি

AMBROXOL HCL (Drop/Syrup)

Drop Ambrox
প্রতিকেজিতে ২ ফোটা করে ২ বেলা বেলা-০৫/০৭ দিন
অর্থাৎ বাচ্চার ওজন যদি ৩ কেজি হয় তবে ৬ ফোটা করে ২ বেলা এভাবে হিসাব করতে হবে।

Syrup Ambrox
প্রতি ১০ কেজিতে হাফ চামুচ করে ২/৩ বেলা-০৫/০৭ দিন
অর্থাৎ বাচ্চার ওজন যদি ১৫ কেজি হয় তবে পৌনে ১ চামুচ বা ৩.৫ মিলি করে ২/৩ বেলা
এভাবে হিসাব করে দিতে হবে।

আশাকরি আপনাদের আর ভুল হবে না। আর একটা কথা অবশ্যই বাচ্চাদের ছোট বড় যাই হোক না কেন একজন শিশু ডাক্তার দেখাবেন বা সেটা না পারলে কমপক্ষে আপনার নিকটস্থ ডাক্তারকে দেখাবেন।বাচ্চাদের কোনো বিষয় নিয়েই অবহেলা করা ঠিক না।
Copy paste.

11/07/2026

বই শুধু কাগজ আর মুদ্রিত অক্ষরের সমষ্টি নয়। বই হতে পারে একটি শিশুর প্রথম বন্ধু, প্রথম শিক্ষক, প্রথম কল্পনার সঙ্গী।

যখন একটি শিশু জন্মায়, তখন তার পৃথিবী খুব ছোট—মা, বাবা আর কয়েকটি পরিচিত মুখের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু একটি বই তার সামনে খুলে দেয় অসংখ্য নতুন পৃথিবীর দরজা। একটি গল্পের বই তাকে নিয়ে যেতে পারে জঙ্গলের ভেতর, সমুদ্রের তলায়, কিংবা মহাকাশের দূরতম গ্রহে—ঘর ছেড়ে কোথাও না গিয়েও।

অনেক অভিভাবক ভাবেন, "এত ছোট বাচ্চা বই পড়ে কী বুঝবে?" কিন্তু শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ নিয়ে গবেষণা বলে, জীবনের প্রথম পাঁচ বছরেই মস্তিষ্কের প্রায় ৯০% গঠন সম্পন্ন হয়। এই সময়ে শিশুর মস্তিষ্ক সবচেয়ে দ্রুত নতুন সংযোগ (Neural Connections) তৈরি করে। আর এই সংযোগগুলো তৈরি হয় বাস্তব অভিজ্ঞতা, কথোপকথন, খেলাধুলা এবং বইয়ের মাধ্যমে।

এখানেই আসে Active Learning এবং Passive Learning-এর পার্থক্য।

যখন আপনি শিশুকে কোলে বসিয়ে গল্প পড়েন, ছবি দেখান, প্রশ্ন করেন—"এটা কী?", "বিড়ালটা কোথায়?"—তখন শিশুর মস্তিষ্ক সক্রিয়ভাবে কাজ করে। সে শোনে, ভাবে, কল্পনা করে, উত্তর খোঁজে। এটিই Active Learning।

অন্যদিকে স্ক্রিনে ভিডিও চলতে থাকলে শিশু শুধু তাকিয়ে থাকে। তাকে ভাবতে হয় না, প্রশ্ন করতে হয় না, কল্পনা করতে হয় না। এটিই Passive Learning।

বইয়ের একটি ছবির দিকে তাকিয়ে একটি শিশু হাজারটা কল্পনা করতে পারে। কিন্তু স্ক্রিন তার জন্য সবকিছু তৈরি করে দেয়। ফলে কল্পনাশক্তির ব্যায়াম কম হয়।

আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, জীবনের প্রথম কয়েক বছরে অতিরিক্ত স্ক্রিন এক্সপোজার ভাষা বিকাশ, মনোযোগ ক্ষমতা, সামাজিক যোগাযোগ এবং ঘুমের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। স্ক্রিন শিশুর চোখের সামনে দ্রুত ছবি ও শব্দের বন্যা বইয়ে দেয়, কিন্তু বাস্তব জীবনের কথোপকথন, চোখে চোখ রেখে যোগাযোগ এবং আবেগের আদান-প্রদান শেখায় না।

একটি শিশু ভাষা শেখে YouTube দেখে নয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলে।

সে শব্দ শেখে ভিডিওর কাছ থেকে নয়, মায়ের গল্পের কাছ থেকে।

সে আবেগ বোঝে কার্টুন চরিত্রের কাছ থেকে নয়, বাবার মুখের হাসি আর কণ্ঠের উষ্ণতা থেকে।

তাই ৬ মাস বয়স থেকেই শিশুর জীবনে বইকে জায়গা দিন।

📚 ৬–১২ মাস
• Cloth Book
• Bath Book
• বড় রঙিন ছবি
• প্রাণী, ফল, গাড়ি, দৈনন্দিন জিনিসের ছবি

📚 ১–২ বছর
• Board Book
• Touch-and-Feel Book
• Picture Naming Book

copy

Address

Kurigram
Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Trust Next Pleasure posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share