জীবন রাহমান

জীবন রাহমান Jibon Rahman is my personal page. This page fully informational.

06/07/2020

সকল সাকিব ভক্তদের সার্পোট অর্থাৎ লাইক এ পেজে চাই। বাংলাদেশ ক্রিকেট বিশেষকরে সাকিব আল হাসানের সকল আপডেট তুলে ধরাই এ পেইজের মুল উদ্দেশ্য।

উইজডেন ক্রিকেট মান্থলির দৃষ্টিতেওয়ানডেতে শতাব্দীর দ্বিতীয় সেরা ক্রিকেটার সাকিব, টেস্টে ষষ্ঠ মোটে ২০ বছরই কেটেছে একুশ শতা...
02/07/2020

উইজডেন ক্রিকেট মান্থলির দৃষ্টিতে
ওয়ানডেতে শতাব্দীর দ্বিতীয় সেরা ক্রিকেটার সাকিব, টেস্টে ষষ্ঠ মোটে ২০ বছরই কেটেছে একুশ শতাব্দীর। এরই মধ্যে কি না এই শতাব্দীর সেরা ক্রিকেটার নির্বাচন করে ফেলল বিখ্যাত ক্রিকেট সাময়িকী উইজডেন ক্রিকেট মান্থলি। ক্রিকেট পরিসংখ্যান বিশ্লেষক সংস্থা ক্রিকভিজের সঙ্গে যৌথ গবেষণায় ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার’ বা এমভিপি নির্বাচন করেছে উইজডেন মান্থলি। এমভিপি নির্বাচনে ম্যাচে কোনো খেলোয়াড়ের কতটা অবদান ছিল তার তুল্যমূল্য বিচার করা হয়েছে। সেই হিসেবেই ওয়ানডেতে শতাব্দীর দ্বিতীয় মূল্যবান বা সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান। আধুনিক ক্রিকেটের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার টেস্টে জায়গা পেয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে। টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য সেরা ২০-এ জায়গা হয়নি এক বছরের নিষেধাজ্ঞায় থাকা সাকিবের। উইজডেন ক্রিকেট মান্থলির জুলাই সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে এমভিপি বা সেরাদের এই তালিকা। যে তালিকায় টেস্টে সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন শ্রীলঙ্কার স্পিন জাদুকর মুত্তিয়া মুরালিধরন। ওয়ানডেতে সেরা খেলোয়াড়ের তকমটা জুটছে ইংল্যান্ডের সাবেক অলরাউন্ডার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফের। আর টি-টোয়েন্টিতে যে সম্মান পেয়েছেন আফগান লেগ স্পিনার রশিদ খান। টেস্টে মুরালিধরন ছাড়া সাকিবের ওপরে আছেন ভারতের রবীন্দ্র জাদেজা, অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ, গ্লেন ম্যাকগ্রা ও দক্ষিণ আফ্রিকার শন পোলক। এমভিপি নির্বাচিত করতে ক্রিকভিজের ডেটা বিজ্ঞানী স্যাম গ্রিন উদ্ভাবিত ফর্মুলা ব্যবহার করা হয়েছে। যে ফর্মুলায় কোনো ম্যাচে কোনো খেলোয়াড় অন্যদের তুলনায় কতটা ভালো অথবা খারাপ করেছেন সেই হিসাব বের করা হয়েছে। এরপর নির্বাচিত সময়ে খেলা সব ম্যাচের পয়েন্ট যোগ করার পর গড় বের করা হয়েছে।

এই শতাব্দীর সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় বের করতে গিয়ে অবশ্য উইজডেন ক্রিকেট মান্থলি বলেছে তারা ‘সেরা’ খেলোয়াড় নির্বাচন করেনি, বরং খুঁজে বের করেছে এই সময়ে সবচেয়ে বেশি প্রভাব রাখা ক্রিকেটারদের।
টেস্টের সেরা ১০
১) মুত্তিয়া মুরালিধরন, শ্রীলঙ্কা, ৯৭.৫*
২) রবীন্দ্র জাদেজা, ভারত, ৯৭.৩
৩) স্টিভ স্মিথ, অস্ট্রেলিয়া, ৯১.৭
৪) গ্লেন ম্যাকগ্রা, অস্ট্রেলিয়া, ৮৯.৬
৫) শন পোলক, দক্ষিণ আফ্রিকা, ৮৪.৯
৬) সাকিব আল হাসান, বাংলাদেশ, ৮৪.২
৭) জ্যাক ক্যালিস, দক্ষিণ আফ্রিকা, ৮৩.৯
৮) রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ভারত, ৮৩.৯
৯) প্যাট কমিন্স, অস্ট্রেলিয়া, ৮৩.৩
১০) শেন ওর্য়ান,

ক্রিকইনফোর স্বপ্নের একাদশে সাকিবপ্রায় তিন মাস ধরে বন্ধ মাঠের ক্রিকেট। তবে থেমে নেই ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা। সাবেক-বর্তমান ক্...
01/07/2020

ক্রিকইনফোর স্বপ্নের একাদশে সাকিব

প্রায় তিন মাস ধরে বন্ধ মাঠের ক্রিকেট। তবে থেমে নেই ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা। সাবেক-বর্তমান ক্রিকেটার থেকে শুরু করে ক্রিকেট বিশ্লেষক, ধারাভাষ্যকার, ইতিহাস-পরিসংখ্যানবিদরা ঠিকই নতুন নতুন সব আয়োজনে গরম করে রেখেছেন বিশ্ব ক্রিকেটাঙ্গন।

লকডাউনের মধ্যে প্রায় সবাই বের করার চেষ্টা করছেন নিজেদের পছন্দের একাদশ। যেখানে একজনের সঙ্গে মিল থাকে না আরেকজনের। যা খুবই স্বাভাবিক। কেননা এসব একাদশ বানানো হয় নিজেদের পছন্দের ভিত্তিতে।

তবে ক্রিকেটভিত্তিক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো চেষ্টা করেছে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বর্তমান সময়ের সেরা তথা স্বপ্নের ওয়ানডে একাদশ বাছাইয়ের। যেখানে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশ দলের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

বাংলাদেশ থেকে শুধুমাত্র সাকিবকেই বেছে নিয়েছে ক্রিকইনফো। অধিনায়ক হিসেবে তারা দিয়েছে চমক, বিরাট কোহলি দলে থাকার পরেও তারা এ দায়িত্ব দিয়েছে নিউজিল্যান্ডের তারকা ক্রিকেটার কেন উইলিয়ামসনকে।

ক্রিকইনফোর এই স্বপ্নের একাদশে সর্বোচ্চ চারজন করে ক্রিকেটার জায়গা পেয়েছেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড ও সাবেক চ্যাম্পিয়ন ভারত থেকে। এছাড়া বাকি তিনজন রয়েছেন বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড থেকে। দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে রাখা হয়েছে ইংলিশ পেসার জোফরা আর্চারকে।

ক্রিকইনফোর বর্তমান সময়ের স্বপ্নের ওয়ানডে একাদশ

১. রোহিত শর্মা (ভারত)- ২২৪ ম্যাচে ৯১১৫ রান, ২৯ সেঞ্চুরি, সর্বোচ্চ ২৬৪

২. জেসন রয় (ইংল্যান্ড)- ৮৭ ম্যাচে ৩৪৩৪ রান, ৯ সেঞ্চুরি, সর্বোচ্চ ১৮০

৩. বিরাট কোহলি (ভারত)- ২৪৮ ম্যাচে ১১৮৬৭ রান, ৪৩ সেঞ্চুরি, সর্বোচ্চ ১৮৩

৪. কেন উইলিয়ামসন (নিউজিল্যান্ড)- ১৫১ ম্যাচে ৬১৭৩ রান, ১৩ সেঞ্চুরি, সর্বোচ্চ ১৪৮

৫. জস বাটলার (ইংল্যান্ড)- ১৪২ ম্যাচে ৩৪৮৩ রান, সেঞ্চুরি ৯, সর্বোচ্চ ১৫০

৬. বেন স্টোকস (ইংল্যান্ড)- ৯৫ ম্যাচে ২৬৮২ রান ও ৭০ উইকেট, সেঞ্চুরি ৩, সর্বোচ্চ ১০২*

৭. সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ)- ২০৬ ম্যাচে ৬৩২৩ রান ও ২৬০ উইকেট, সেঞ্চুরি ৯, সর্বোচ্চ ১৩৪*

৮. ক্রিস ওকস (ইংল্যান্ড)- ১০১ ম্যাচে ১৪৩ উইকেট, সেরা বোলিং ৬/৪৫

৯. মিচেল স্টার্ক (অস্ট্রেলিয়া)- ৯১ ম্যাচে ১৭৮ উইকেট, সেরা বোলিং ৬/২৮

১০. কুলদ্বীপ যাদভ (ভারত)- ৬০ ম্যাচে ১০৪ উইকেট, সেরা বোলিং ৬/২৫

১১. জাসপ্রিত বুমরাহ (ভারত)- ৬৪ ম্যাচে ১০৪ উইকেট, সেরা বোলিং ৫/২৭

‘সাকিব-আশরাফুলই দেশের সবচেয়ে প্রতিভাবান ক্রিকেটার’একজন ক্রিকেটার কত ভাল, দক্ষ তা মাপার কোন নির্দিষ্ট যন্ত্র নেই। সে অর্থ...
01/07/2020

‘সাকিব-আশরাফুলই দেশের সবচেয়ে প্রতিভাবান ক্রিকেটার’

একজন ক্রিকেটার কত ভাল, দক্ষ তা মাপার কোন নির্দিষ্ট যন্ত্র নেই। সে অর্থে পরিসংখ্যানই একজন ক্রিকেটারের সামর্থ্য মাপার মানদণ্ড। কিন্তু সেটাই কি শেষ কথা? সত্যিই কি শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে একজন ক্রিকেটারের প্রকৃত সামর্থ্য মাপা যায়? সেটা কি সঠিক ও যথার্থ হবে? এ বিতর্ক অনেকদিনের।

সে বিতর্ক বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তারপরও বলা, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রতিভাবান ক্রিকেটার কে বা কারা? সেই সত্তর দশক থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে মেধাবি ক্রিকেটার কে? এ প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে অনেকেই পছন্দর ক্রিকেটারের নাম বলে ফেলেন।

আগের প্রজন্ম বলে জাহাঙ্গীর শাহ বাদশাহ, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, আকরাম খানদের নাম। তারও পরের জেনারেশনের কারও কারও পছন্দ হাবিবুল বাশার, মোহাম্মদ রফিকরা। আর বর্তমানের প্রসঙ্গ এলেই ঘুরে ফিরে মাশরাফি, সাকিব, তামিম আর মুশফিকুর রহীমের কথাই উচ্চরিত হয়।

প্রজন্ম প্রজন্মের কথাই ভাবে। নিজের সময়ে চোখে দেখা প্রিয় ক্রিকেটারকেই সব সময়ের সেরা প্রতিভা বলে মনে করেন। তাই এ নিয়ে জনমত যাচাই করতে গেলে সদুত্তর পাওয়া কঠিন হবে। এখানে প্রকৃত মেধা, মনন ও প্রজ্ঞার চেয়ে ব্যক্তিগত পছন্দই অগ্রাধিকার পায় বেশি।

তবে যারা সত্যি সত্যিই জানতে চান কে বা কারা বাংলাদেশের সবসময়ের ট্যালেন্টেড ক্রিকেটার তাদের জন্য আছে সুখবর। কোন দর্শক, ভক্ত, সমর্থক নন; দেশের ক্রিকেটের অন্যতম নামি তারকা, সাবেক অধিনায়ক, সফল ব্যাটসম্যান, কোচ ও বিশ্লেষক আমিনুল ইসলাম বুলবুল এ বহুল আলোচিত প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন।

ক্রীড়া সাংবাদিক নোমান মোহাম্মদের সঙ্গে ইউটিউব লাইভে এ প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছিলেন দেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান। সঞ্চালক নোমানের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে দুটি নাম উচ্চারণ করেন বুলবুল, ‘খুব কঠিন প্রশ্ন। তবে আমার কাছে মনে হয়েছে যে বাংলাদেশে সবচেয়ে প্রতিভাবান ক্রিকেটার দুজন- সাকিব আল হাসান ও মোহাম্মদ আশরাফুল।’

কীর্তিগাঁথাসাকিব ২০১১ সালের পর নিজের ৩য় সেঞ্চুরি করেন সফরকারী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।[১২৮] বৃহস্পতিবার প্রথম ঘণ্টাতেই ত্র...
30/06/2020

কীর্তিগাঁথা

সাকিব ২০১১ সালের পর নিজের ৩য় সেঞ্চুরি করেন সফরকারী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।[১২৮] বৃহস্পতিবার প্রথম ঘণ্টাতেই ত্রয়োদশবারের মতো পাঁচ উইকেট তুলে নেন সাকিব।[১২৯] জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ২য় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে নিজের চতুর্দশ পাঁচ উইকেট প্রাপ্তির মাধ্যমে সাকিব সাকলাইন মুশতাক ও মাইকেল হোল্ডিংয়ের অর্জনকে পিছনে রেখে দেন। বামহাতি স্পিনার এনামুল হক জুনিয়রের জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এক টেস্টে দুইবার পাঁচ উইকেট প্রাপ্তির পর সাকিবও এ তালিকায় যুক্ত হন। প্রথম ইনিংসে ১৩৭ রান ও ৫/৮০ পান। পরবর্তীতে ৫/৪৪ পান দ্বিতীয় ইনিংসে। তার এ কৃতিত্বে জিম্বাবুয়ে ১৬২ রানে পরাজিত হয় ও ২-০ ব্যবধানে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান।[১৩০] নাতসাই মুশাঙউইকে আউট করে সাকিব তার দশম উইকেট পূর্ণ করেন।[১৩১] সাকিবের সেঞ্চুরি ও দশ উইকেট প্রাপ্তির পূর্বে ১৯৮৩ সালে ফয়সালাবাদে ভারতের বিপক্ষে ইমরান খান সর্বশেষ এ কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। একমাত্র অন্য খেলোয়াড় ইয়ান বোথাম এ তালিকায় রয়েছেন। তন্মধ্যে সাকিব প্রথম স্পিনার হিসেবে। ১৯৯০ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে ওয়াসিম আকরাম তিন টেস্টের সিরিজে সেঞ্চুরিসহ তিনবার পাঁচ উইকেট পান। তারপরই সাকিবের এ অর্জন। ধারাবাহিকভাবে পাঁচ উইকেট লাভের দিক দিয়ে সাকিবের অবস্থান পঞ্চম। তার সম্মুখে রয়েছেন সিডনি বার্নস, ক্ল্যারি গ্রিমেট, মুত্তিয়া মুরালিধরন, রিচার্ড হ্যাডলি। তবে হার্বার্ট সাটক্লিফ করেছেন মাত্র ১২ ইনিংসে।[১২৯]

রেকর্ড ও পরিসংখ্যানটেস্ট-ওয়ানডেতে রান ও উইকেটের ‘ডাবল’টেস্ট এবং ওয়ানডে দুই ফরম্যাটেই দেশের মাটিতে ২০০০ রান এবং ১০০ উইক...
30/06/2020

রেকর্ড ও পরিসংখ্যান

টেস্ট-ওয়ানডেতে রান ও উইকেটের ‘ডাবল’
টেস্ট এবং ওয়ানডে দুই ফরম্যাটেই দেশের মাটিতে ২০০০ রান এবং ১০০ উইকেট নেওয়ার অনন্য কীর্তির অধিকারী সাকিব আল হাসান। ক্রিকেট ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এই অনন্য রেকর্ড গড়েন। সাকিবের আগে এই কীর্তি ছিল সর্বকালের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার জ্যাক ক্যালিসের।[১০১]

টেস্ট ম্যাচ
রেকর্ডস:

সপ্তম উইকেট জুটিতে মাহমুদুল্লাহকে সাথে নিয়ে সর্বোচ্চ সংগ্রহ: ১৪৫ বনাম নিউজিল্যান্ড, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০[১০২]
এক ইনিংসে বাংলাদেশের সেরা বোলিং পরিসংখ্যান: ৭/৩৬ বনাম নিউজিল্যান্ড, ১৭ অক্টোবর ২০০৮[১০৩]
বাংলাদেশের সেরা বোলিং গড় (কমপক্ষে ১৫টি উইকেট প্রাপ্ত বোলারদের মধ্যে) ২১ ম্যাচে ৭৫ উইকেট, ৩২.১৩ গড়ে[১০৪]
ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার:'[১০৫]

তারিখ প্রতিপক্ষ ভেন্যু রেকর্ডস
২৬–৩১ ডিসেম্বর ২০০৮ শ্রীলঙ্কা শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মিরপুর, ঢাকা ব্যাটিং ২৬ এবং ৯৬; বোলিং: ৫/৭০ এবং ১/১৩৪[১০৬]
১৭–২০ জুলাই ২০০৯ ওয়েস্ট ইন্ডিজ কুইন্স পার্ক ওভাল, পোর্ট অব স্পেন, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ব্যাটিং: ১৬ এবং ৯৬*; বোলিং ৩/৫৯ এবং ৫/৭০[১০৭]
ক্যারিয়ার পারফরম্যান্স:

ব্যাটিং[১০৮] বোলিং[১০৯]
প্রতিপক্ষ ম্যাচ রান গড় সর্বোচ্চ স্কোর ১০০/৫০ রান উইকেট গড় সেরা
ইংল্যান্ড ৪ ৫০০ ২৫.২৫ ৯৬ ০/১ ৬২৮ ১৭ ৩৬.৯৪ ৫/১২১
ভারত ৫ ১৫৬ ১৯.৫০ ৩৪ ০/০ ৪৮৮ ১৩ ৩৭.৫৩ ৫/৬২
নিউজিল্যান্ড ৬ ৪৭৯ ৫৯.৮৭ ২১৭ ১/৩ ৫৪৭ ২০ ২৮.৩০ ৭/৩৬
দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ ১২১ ১৫.১২ ৪০ ০/০ ৩৫১ ১২ ২৯.২৫ ৬/৯৯
পাকিস্তান ৪ ৪১২ ৬৮.৬৬ ১৪৪ ১/৩ ৫৭৩ ৯ ৬৩.৮৮ ৬/৮২
শ্রীলঙ্কা ৩ ১৯২ ৩২.০০ ৯৬ 0/১ ৮৩৬ ২০ ৪০.৮০ ৫/৭০
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬ ৫৩২ ৫৩.২০ ৯৭ ০/৫ ৭৮৪ ২৯ ২৭.০৩ ৫/৬৩
সর্বমোট ৪০ ২৭৪১ ৩৯.৭২ ২১৭ ৩/১৯ ৪৮৩৩ ১৪৬ ৩৩.১০ ৭/৩৬
ওডিআই ম্যাচ
রেকর্ডস

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধের (২৪ জুন ২০১৯) ম্যচে তিনি ইতিহাসের দ্বিতীয় খেলোয়ার হিসেবে, বিশ্বকাপে, ১ ম্যাচে অর্ধশত রান ও ৫ উইকেট শিকারীর অধিকারী এবং প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে বিশ্বকাপে ৫ উইকেট শিকার করেন।
৫ম উইকেট জুটিতে - রাকিবুল হাসানকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ জুটি বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, ১২ মার্চ ২০০৮[১১০] >
৯ম উইকেট জুটিতে মাশরাফি বিন মর্তুজাকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ জুটি বনাম পাকিস্তান, ১৬ এপ্রিল ২০০৭[১১০]
বাংলাদেশের ব্যাটস

Address

Rangpur
5600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জীবন রাহমান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to জীবন রাহমান:

Share