সীমান্ত যোদ্ধা

সীমান্ত যোদ্ধা মুখের উপর মুখোশ থাকে 👽
মিথ্যে ছবির আয়না 🫰

যতই তুমি মানুষ চিনো বেইমান চেনা যায় না 😃💯

পরিস্থিতি সামলাতে ১০ জন লাগে না একাই যথেষ্ট।🥷🖤
14/03/2026

পরিস্থিতি সামলাতে ১০ জন লাগে না একাই যথেষ্ট।🥷🖤

কঠোর প্রশিক্ষণ, নিরাপদ সীমান্ত #বিজিবি  #প্রশিক্ষণ  #সীমান্ত
13/03/2026

কঠোর প্রশিক্ষণ, নিরাপদ সীমান্ত
#বিজিবি #প্রশিক্ষণ #সীমান্ত

আপনার লক্ষ যদি সঠিক হয় তাহলে গন্তব্য যতদূরেই হোক ঠিক পৌঁছে যাবেন👈
13/03/2026

আপনার লক্ষ যদি সঠিক হয় তাহলে গন্তব্য যতদূরেই হোক ঠিক পৌঁছে যাবেন👈

খাগড়াছড়ি সেক্টর ও খাগড়াছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩২ বিজিবি) এর উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
13/03/2026

খাগড়াছড়ি সেক্টর ও খাগড়াছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩২ বিজিবি) এর উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির নতুন ক্যাম্প উদ্বোধনবর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)  নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১বিজিবি) এর ...
13/03/2026

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির নতুন ক্যাম্প উদ্বোধন
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১বিজিবি) এর অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি,সীমান্তের নিরাপত্তা বিধান এবং চোরাচালান দমনসহ অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়ন রাবার বাগান নামক এলাকায় জারুলিয়াছড়ি বিওপি’(বিজিবি ক্যাম্প) উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (১১মার্চ) সকালে বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকসার খান আনুষ্ঠানিক পতাকা উত্তোলন ও নাম ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) এর নবনির্মিত জারুলিয়াছড়ি বিওপি’র শুভ উদ্বোধন করেন। বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিওপি’র উদ্বোধনের পর রিজিয়ন কমান্ডার বিওপিতে বৃক্ষরোপণ করেন এবং সৈনিকদের সাথে মতবিনিময় এবং বিওপির বিভিন্ন স্থাপনা ও এলাকা পরিদর্শন করেন।

এ সময় বিজিবি রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার এবং নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক, রামু অধিনায়ক,কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির পরিচালক অপরেশন অফিসারসহ বিজিবির অন্যান্য কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পদবীর সৈনিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রিজিয়ন কমান্ডার বলেন,‘সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী’ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন সীমান্তের নিরাপত্তা ও সীমান্তবর্তী জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অত্র ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড এবং সদর ইউনিয়নের রাবারবাগান জারুলিয়া ছড়ি এলাকা নিকটস্থ বিওপিসমূহ হতে কিছুটা দূরবর্তী ছিল। ফলে বিওপিসমূহের অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা অনেকটাই কষ্টসাধ্য ছিল। তাই সদর ইউনিয়নের রাবারবাগানের জারুলিয়াছড়িতে বিজিবির একটি বিওপিটি স্থাপন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়ে। বিওপিটি স্থাপনের ফলে পার্শ্ববর্তী বিওপিসমূহের দূরত্ব লাঘবের পাশাপাশি নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অপারেশনাল সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

বিওপিটি সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের অনুপ্রবেশ রোধ এবং চোরাচালানসহ সকল ধরণের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সর্বত্র আমরা দেশের তরে। #বর্ডারগার্ডবাংলাদেশ        #বিজিবি
26/02/2026

সর্বত্র আমরা দেশের তরে।
#বর্ডারগার্ডবাংলাদেশ #বিজিবি

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ-এর ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলিবীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর...
26/02/2026

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ-এর ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল জেলার সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের মহিষখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, যা বর্তমানে নূর মোহাম্মদনগর নামে পরিচিত। তার পিতার নাম মোহাম্মদ আমানত শেখ এবং মাতার নাম জেন্নাতুন্নেছা। বাল্যকালেই পিতা-মাতাকে হারিয়ে তিনি প্রতিকূল পরিবেশে বেড়ে ওঠেন এবং সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন।

১৯৫৯ সালের ১৪ মার্চ তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে যোগদান করেন, যা বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নামে পরিচিত। দীর্ঘদিন দিনাজপুর সীমান্তে দায়িত্ব পালন করার পর ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই তিনি যশোর সেক্টরে বদলি হন এবং পরবর্তীতে ল্যান্স নায়েক পদে পদোন্নতি লাভ করেন।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর সেক্টরের অধীনে তিনি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর সীমান্তের বয়রা অঞ্চলে ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার নেতৃত্বে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নিয়ে তিনি দেশমাতৃকার স্বাধীনতার জন্য বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের গোয়ালহাটি ও ছুটিপুর এলাকায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে সহযোদ্ধা নান্নু মিয়া গুরুতর আহত হলে নূর মোহাম্মদ শেখ এক হাতে এলএমজি এবং কাঁধে আহত সহযোদ্ধাকে বহন করে শত্রুপক্ষের দিকে অগ্রসর হন এবং গুলি ছুড়তে থাকেন। এ সময় পাকিস্তানি বাহিনীর নিক্ষিপ্ত মর্টার শেলের আঘাতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। আশংকাজনক অবস্থাতেও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি নিজের জীবনের কথা চিন্তা না করে যুদ্ধ চালিয়ে যান এবং গুলি চালাতে চালাতে সামনে অগ্রসর হতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ এবং সহযোদ্ধাদের জীবন ও অস্ত্র রক্ষা করতে গিয়ে এদিন তিনি শহীদ হন।

পরবর্তীতে যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুরে তাকে সমাহিত করা হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অসামান্য বীরত্ব, সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করা হয়। তার এই মহান আত্মত্যাগ ও বীরত্ব জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মুরগিও শেয়ালকে বিশ্বাস করে 🙂🫰
13/08/2025

মুরগিও শেয়ালকে বিশ্বাস করে 🙂🫰

Address

Bangladesh
Rangpur
07

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সীমান্ত যোদ্ধা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share