Tech Bd Info

Tech Bd Info নিশ্চয়ই আল্লাহ সবচেয়ে উত্তম পরিকল্পনাকারী। [সূরা আনফাল : ৩০ এবং আল ইমরান ৫৪ ]

ChatGPT vs DeepSick: বিস্তারিত বিশ্লেষণভূমিকাকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) আজকের প্রযুক্তি জগতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হয়ে...
12/03/2025

ChatGPT vs DeepSick: বিস্তারিত বিশ্লেষণ

ভূমিকা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) আজকের প্রযুক্তি জগতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ভাষাগত মডেলগুলোর মধ্যে ChatGPT এবং DeepSick দুটি খুবই আলোচিত নাম। যদিও এই দুটি মডেল একই প্রযুক্তির ভিত্তিতে কাজ করে, তবুও তাদের মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। এই নিবন্ধে আমরা ChatGPT এবং DeepSick এর তুলনামূলক বিশ্লেষণ করব, কীভাবে তারা কাজ করে এবং তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য কী সুবিধা বা অসুবিধা রয়েছে তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরব।

১. ChatGPT: পরিচিতি এবং কার্যক্রম

ChatGPT হচ্ছে OpenAI দ্বারা তৈরি একটি শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট। এটি GPT (Generative Pre-trained Transformer) মডেলের একটি সংস্করণ, যা বিশেষভাবে ভাষা প্রক্রিয়াকরণের জন্য তৈরি করা হয়েছে। ChatGPT মানুষের মতো স্বাভাবিক ভাষায় যোগাযোগ করতে সক্ষম, এবং এটি অনেক ধরনের কাজ করতে পারে যেমন:

প্রশ্ন-উত্তর: যেকোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদান।

লেখালেখি: প্রবন্ধ, ব্লগ, কন্টেন্ট লেখা।

ভাষান্তর: এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অনুবাদ।

কোডিং সহায়তা: প্রোগ্রামিং কোড লেখা এবং সমস্যা সমাধান।

এই মডেলটি ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন যেমন ওয়েবসাইট, চ্যাটবট, এবং ডিজিটাল সহকারী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ChatGPT মডেলটি নিয়মিত আপডেট হয়ে থাকে এবং ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।

২. DeepSick: পরিচিতি এবং কার্যক্রম

DeepSick হচ্ছে এক ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রোগ্রাম, যা বিশেষভাবে সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে। এটি সৃজনশীল কাজের জন্য যেমন গান লেখা, আর্ট তৈরি, গল্প বলা এবং আরও অনেক কিছুতে ব্যবহৃত হয়। DeepSick এর মূল ফোকাস হচ্ছে মানুষের সৃজনশীলতা এবং কল্পনা শক্তির সাথে মিশে কাজ করা। DeepSick এর কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্র হলো:

গান লেখা এবং সঙ্গীত সৃষ্টি: DeepSick কৃত্রিমভাবে গানের কথা লিখে এবং সঙ্গীত সুর সৃষ্টি করে।

আর্ট সৃষ্টি: ছবি, ডিজাইন, এবং আর্টওয়ার্ক তৈরি।

গল্প তৈরি: বিভিন্ন ধরনের গল্প বা ন্যারেটিভ তৈরি করতে পারে, যা সাধারণত মানুষের কল্পনার সঙ্গে মিলিত হয়।

DeepSick সাধারণত এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত, যা সৃজনশীল শিল্পীদের জন্য সহায়ক হতে পারে, তাদের কাজকে আরও দ্রুত এবং কার্যকরভাবে সম্পন্ন করার জন্য।

৩. ChatGPT vs DeepSick: তুলনামূলক বিশ্লেষণ

বৈশিষ্ট্যChatGPTDeepSickমূল উদ্দেশ্যভাষাগত মডেল, মানুষের মতো কথোপকথন করাসৃজনশীল কাজ যেমন গান, আর্ট তৈরিপ্রযুক্তিGPT-4 বা GPT-3 ভিত্তিককৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নিউরাল নেটওয়ার্কব্যবহার ক্ষেত্রসাধারণ তথ্য প্রদান, প্রশ্ন-উত্তর, কোডিং সহায়তাগান লেখা, আর্ট সৃষ্টি, গল্প তৈরিসুবিধাদ্রুত, পরিষ্কার এবং কার্যকর যোগাযোগসৃজনশীল কাজের জন্য আদর্শ, নতুন ধারণা তৈরিঅসুবিধাকিছু ক্ষেত্রে সৃজনশীলতায় সীমাবদ্ধকিছুটা বিশেষীকৃত, সাধারণ কাজের জন্য নয়

৪. উপসংহার

ChatGPT এবং DeepSick উভয়ই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শক্তিশালী উদাহরণ, তবে তাদের উদ্দেশ্য এবং ব্যবহারিক ক্ষেত্র ভিন্ন। ChatGPT সাধারণত ভাষাগত এবং ইনফরমেশনভিত্তিক কাজের জন্য আদর্শ, যেখানে DeepSick মূলত সৃজনশীল কাজের জন্য আরও উপযুক্ত। এই দুটি প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নতির ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে এবং ভবিষ্যতে আরও অনেক নতুন অ্যাপ্লিকেশন হতে পারে।

এখন প্রশ্ন হলো, ব্যবহারকারীকে কোনটি বেছে নিতে হবে? এটি পুরোপুরি আপনার প্রয়োজনের উপর নির্ভর করে। যদি আপনি সাধারণ তথ্য বা প্রশ্ন-উত্তর চান, তবে ChatGPT আপনার জন্য উপযুক্ত। কিন্তু যদি আপনি সৃজনশীল কিছু তৈরি করতে চান, যেমন গান বা আর্ট, তাহলে DeepSick হতে পারে আপনার জন্য সঠিক পছন্দ।

09/12/2024
07/12/2024

“সাহায্যের জন্য আমাকে মিনতিপূর্ণভাবে আহবান কর, তাহলেই আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব।” (৪০-সূরা আল মু’মিন: আয়াত-৬০)

07/12/2024

“আল্লাহ মানুষের জন্য যে দয়ার ভাণ্ডার খুলে দেন তা কেউ রদ বা বন্ধ করতে পারবে না, আর যা তিনি (পাঠানো) বন্ধ করে দেন তারপর কেউ তা পাঠাতে পারবে না।” (৩৫-সূরা ফাতির: আয়াত-২)

07/12/2024


কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার উপায়

আজকের যুগে প্রায় সব কাজের জন্যই একটা না একটা ‘অ্যাপ’ পাওয়া যায়। সফটওয়্যার ডেভেলপার আর ইঞ্জিনিয়াররা সফটওয়্যার ব্যবহার করে নানান সমস্যার সমাধান করেন, বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রক্রিয়া সহজ বানানোর চেষ্টা করেন অথবা কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে আরেকটু ভালো অভিজ্ঞতা দিতে চান। কিন্তু কোডিং ছাড়া কোনো সফটওয়্যারই তৈরি সম্ভব নয়। এ কারণেই যেকোনো অ্যাপলিকেশন তৈরিতে প্রোগ্রামারের ভূমিকা অপরিহার্য। আপনার যদি সমস্যা সমাধান করার দক্ষতা এবং কোডিং ল্যাংগুয়েজের জ্ঞান থাকে, তাহলে কম্পিউটার প্রোগ্রামার হতে পারে আপনার জন্য উপযুক্ত ক্যারিয়ার।

কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে চাকরি পেতে হয়তো আপনাকে একটু কষ্ট করতে হবে। কিন্তু এই কষ্টের ফলাফল আপনাকে নিরাশ করবে না। কারণ এই ক্যারিয়ারে ঢুকেই আপনি পেয়ে যাবেন যথেষ্ট বেতন এবং অগ্রগতির অনেক সুযোগ।

তাহলে চলুন জেনে নেই কী উপায়ে গড়তে পারেন বর্তমান যুগে অন্যতম জনপ্রিয় এই ক্যারিয়ার!

কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে আপনাকে কী কী কাজ করতে হবে?

কম্পিউটার প্রোগ্রামার বা কোডার হলেন এমন একজন টেকনলজি প্রফেশনাল যিনি বিভিন্ন কোডিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে কাজ করেন। সফটওয়্যার ডেভেলপার ও ইঞ্জিনিয়ারদের তৈরি পরিকল্পনা অনুযায়ী কার্যকরীভাবে কোড লেখাই মূলত প্রোগ্রামারদের কাজ। তাঁরা সাধারণত পাইথন, জাভা, জাভাস্ক্রিপ্ট, সি, সি++, এইচটিএমএল, পিএইচপি এবং এসকিউএল নিয়ে কাজ করে থাকেন। এইসব ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে তাঁরা কম্পিউটার অ্যাপলিকেশনের জন্য নির্দেশনা লিখতে পারেন যা ব্যবহার করে কম্পিউটার নানান কাজ সম্পাদন করতে পারে।

সফটওয়্যার ডেভেলপারদের ডিজাইনকে কার্যকর অ্যাপলিকেশনে পরিণত করতে দরকার সঠিক কোডিং। আর এর জন্য প্রয়োজন একজন দক্ষ প্রোগ্রামার। প্রোগ্রামাররা কম্পিউটার অ্যাপলিকেশন সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কোড লেখেন এবং টেস্ট করেন। এছাড়া তাঁরা প্রোটোটাইপ অ্যাপলিকেশন টেস্ট করে তা নির্ভুলভাবে কাজ করছে কিনা সেটাও যাচাই করেন।

কম্পিউটার প্রোগ্রামারদের আরও কিছু কাজের মধ্যে পড়ে –

• প্রোগ্রামে কোনো ‘Error’ আছে কিনা তা খুঁজে বের করে তা ঠিক করা।
• পুরোনো কম্পিউটার প্রোগ্রাম আপডেট করা ও তাতে নতুন ফাংশন সংযোজন করা।
• কোড লাইব্রেরি ব্যবহার করে পুরোনো কোডকে সহজ করে লেখা।
• ডেভেলপমেন্ট পর্যায়ে কোড লেখা ও টেস্ট করা।
• Software as a Service সুবিধা ব্যবহার করে একাধিক অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে এরকম কোড লেখা।

কম্পিউটার প্রোগ্রামাররা সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম ডিজাইন বা এ ধরনের সার্ভিস সেক্টরে কাজ করেন। কেউ কেউ আবার সরাসরি সফটওয়্যার পাবলিশার, ইন্স্যুরেন্স ফার্ম অথবা পণ্য উৎপাদনকারী কোম্পানির সাথেও কাজ করেন। আবার অনেকেই কোনো কোম্পানিতে কাজ না করে ফ্রিল্যান্স বা নিজস্ব প্রজেক্টে কাজ করে থাকেন। একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে আপনি যেমন একা কাজ করতে পারবেন, তেমনি বড় প্রজেক্টের ক্ষেত্রে অন্য কম্পিউটার বিশেষজ্ঞদের সাহায্যও নিতে পারবেন। যেহেতু কোডিং যে কোনো জায়গা থেকেই করা সম্ভব, আপনার কাছে অনেক রিমোট চাকরির সুযোগও থাকবে।

    ফ্রিল্যান্সিং বলতে কি বুঝায়?সাধারণত অনলাইনে যে যে কাজ পাওয়া যায় সেগুলো করে দিয়ে যে অর্থ পাওয়া যায় তাকে ফ্রিল্য...
07/12/2024






ফ্রিল্যান্সিং বলতে কি বুঝায়?

সাধারণত অনলাইনে যে যে কাজ পাওয়া যায় সেগুলো করে দিয়ে যে অর্থ পাওয়া যায় তাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে। অর্থাৎ কোন নির্দিষ্ট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের হয়ে না কাজ করে চুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করা কে ফ্রিল্যান্সিং বা অনলাইনে আয় করা বলে। ফ্রিল্যান্সিং ধারণাটি প্রাচীনকাল থেকেই সমাজে প্রচলিত আছে।

মুক্তপেশা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধীনে না থেকে মু্ক্তভাবে কাজ করাকে বোঝায়। যারা এধরনের কাজ করেন তাদের বলা হয় "মুক্তপেশাজীবী" বা ফ্রিল্যান্সার।

সংবাদ সম্পাদনার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন মুক্তপেশার সংবাদকর্মীরা
আধুনিক যুগে বেশিরভাগ মুক্তপেশার কাজগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। ফলে মুক্ত পেশাজীবীরা ঘরে বসেই তাদের কাজ করে উপার্জন করতে পারেন।[১] এ পেশার মাধ্যমে অনেকে প্রচলিত চাকরি থেকে বেশি আয় করে থাকেন, তবে তা আপেক্ষিক। ইন্টারনেটভিত্তিক কাজ হওয়াতে এ পেশার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি হাজারো ক্লায়েন্টের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ ঘটে।

ইতিহাস

মূলত অর্থের বিনিময়ে কাজ করা যোদ্ধাদের থেকে ফ্রিল্যান্সারদের উৎপত্তি। ১৮১৯ সালে প্রথম ফ্রিল্যান্সার শব্দ ছাপা হয় "Walter Scott" নামক এক লেখকের বইতে।

কাজের ধরন

মুক্তপেশার কাজের পরিধি অনেক বেশি। বিশ্বব্যাপী এধরনের কর্মপদ্ধতির চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে শীর্ষে থাকা কয়েকটি কাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

লেখালেখি ও অনুবাদ: নিবন্ধ , ওয়েবসাইট কন্টেন্ট, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি, ছোট গল্প, প্রাপ্তবয়স্কদের গল্প এবং এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় ভাষান্তরকরণ উল্লেখযোগ্য।
সাংবাদিকতা: যারা এবিষয়ে দক্ষ তারা বিভিন্ন দেশি-বিদেশি পত্রপত্রিকায় লেখালেখির, চিত্রগ্রহণের পাশাপাশি ইন্টারনেটভিত্তিক জনসংযোগ করে থাকেন।
গ্রাফিক্স ডিজাইন: লোগো, ওয়েবসাইট ব্যানার, ছবি সম্পাদনা, অ্যানিমেশন ইত্যাদি।
ওয়েব ডেভলপমেন্ট: ওয়েবসাইট তৈরি, ওয়েবভিত্তিক সফ্‌টওয়্যার তৈরি, হোস্টিং ইত্যাদি।
কম্পিউটার প্রোগ্রামিং: ডেস্কটপ প্রোগ্রামিং থেকে ওয়েব প্রোগ্রামিং সবই এর আওতায় পড়ে।
ইন্টারনেট বিপণন: ইন্টারনেটভিত্তিক বাজারজাতকরণ কার্যক্রম, যেমন ব্লগ, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে বিপণন।
গ্রাহক সেবা: দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির গ্রাহককে টেলিফোন, ইমেইল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহাজ্যে তথ্য প্রদানের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা।
প্রশাসনিক সহায়তা: দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন কাজের ডাটা এন্ট্রি করণ, ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করা ইত্যাদি* প্রশাসনিক সহায়তা: দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন কাজের ডাটা এন্ট্রি করণ, ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করা ইত্যাদি।
ইন্টারনেটভিত্তিক মুক্তপেশার চর্চায় বিশ্বব্যপী বিভিন্ন ওয়েবসাইট তাদের সেবা বিস্তৃত করেছে, এবং এসব মধ্যস্থ ব্যবসায়ীদের (মিডিয়া) মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছে বিশ্বব্যাপী ক্রেতা ও ভোক্তা উভয়েই। এসব ওয়েবসাইটে যে কেউ অ্যাকাউন্ট খুলে নিজেদের কাজের বিবরণ জানিয়ে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন, এবং অপরপক্ষে যে কেউ অ্যাকাউন্ট খুলে বিজ্ঞাপিত কাজের জন্য উপযুক্ত মনে করলে আবেদন করেন। এদের উভয়ের মধ্যে লেনদেনকৃত পরিমাণ অর্থের একটা অনুপাত এসকল মধ্যস্থ ব্যবসায়ী ওয়েবসাইটগুলো গ্রহণ করে, এবং এটাই তাদের মুনাফা। অনলাইনভিত্তিক এরকম কয়েকটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইটের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ডট কম, ফাইভার, গুরু ইত্যাদি

07/12/2024



প্রযুক্তি:

প্রযুক্তি হল কৌশল, দক্ষতা, পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া-সমষ্টি, যা পণ্য ও সেবা উৎপাদনে বা উদ্দেশ্য সাধনে ব্যবহৃত হয়; যেমন: বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান। প্রযুক্তি হতে পারে কৌশল ও প্রক্রিয়ার জ্ঞান বা এটি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে শুধুমাত্র যন্ত্রের ধারণা যে, এটি কীভাবে পরিচালিত হয় এগুলো সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান ব্যতীত। কৌশল, ( অর্থাৎ মেশিন বা যন্ত্র) যা প্রযুক্তির ইনপুট ব্যবহার নিয়ে ১টি আউটপুট ফলে পরিণত করে তাকে প্রযুক্তি কৌশল বা প্রযুক্তিগত কৌশল বলে।

একটি স্টিম টারবাইন। এরকম টারবাইনই আজকাল ব্যবহৃত সর্বাধিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। বিদ্যুতের ব্যবহার ও জীবনযাত্রার মান একে অপরের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।[১]
প্রযুক্তির সরলতম রূপ হল মৌলিক সরঞ্জামের বিকাশ ও ব্যবহার। প্রাগৈতিহাসিক কালে আগুন নিয়ন্ত্রণের আবিষ্কার ও পরবর্তীকালে নব্যপ্রস্তর যুগীয় বিপ্লব খাদ্যের উৎসের বৃদ্ধি করেছে এবং চাকার আবিষ্কার মানুষকে এই পরিবেশে পরিভ্রমণ ও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করেছে। ক্রমে ক্রমে ছাপাখানা, টেলিফোন, মোবাইল, কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের আবিষ্কার যোগাযোগ ক্ষেত্রে মানুষের শারীরিক বাঁধাকে দূর করেছে এবং মানুষকে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে মুক্তভাবে যোগাযোগে সক্ষম করেছে।

প্রযুক্তির অনেক প্রভাব রয়েছে। এটি অধিক সমৃদ্ধ অর্থনীতি বিকাশে সাহায্য করেছে (বর্তমানের বৈশ্বিক অর্থনীতি সহ) এবং যার ফলে বিলাসী সম্প্রদায়ের উদ্ভব হয়েছে।অনেক প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত উপজাত উৎপন্ন হয় যা দূষণ হিসেবে পরিচিত এবং যা প্রাকৃতিক সম্পদের অবনতির মাধ্যমে পৃথিবীর পরিবেশের ক্ষতি করে। উদ্ভাবন সর্বদাই সমাজের মূল্যবোধকে প্রভাবিত করে ও সাথে সাথে প্রযুক্তির শিষ্টাচার নিয়ে নতুন প্রশ্ন উত্থাপিত হয়।উদাহরণের মধ্যে রয়েছে দক্ষতার ভিত্তিতে খ্যাতির নির্ধারণ জৈব শিষ্টাচার কে বাধাগ্রস্ত করে।

প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে দার্শনিক যুক্তি তর্ক এখনো একমত নয় যে এটি মানুষের পরিস্থিতির উন্নতি করেছে নাকি অবনতি করছে। নব্য-লুডিজম, অ্যানার্কো-আদিমবাদ এবং অনুরূপ প্রতিক্রিয়াশীল আন্দোলন প্রযুক্তির বিস্তারকে সমালোচনা করে যুক্তি দেন যে এটি মানুষের ক্ষতি করে। অন্যদিকে টেকনো-প্রগতিবাদ মতামতের সমর্থকরা প্রযুক্তিকে সমাজের পক্ষে উপকারী মনে করেন।

প্রযুক্তি বলতে কোন একটি প্রজাতির বিভিন্ন যন্ত্র এবং প্রাকৃতিক উপাদান প্রয়োগের ব্যবহারিক জ্ঞানকে বোঝায়। নিজের প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে প্রজাতিটি কেমন খাপ খাওয়াতে পারছে এবং তাকে কীভাবে ব্যবহার করছে তাও নির্ধারণ করে প্রযুক্তি। মানব সমাজে প্রযুক্তি হল বিজ্ঞান এবং প্রকৌশলের একটি আবশ্যিক ফলাফল। অবশ্য অনেক প্রাযুক্তিক উদ্ভাবন থেকেই আবার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের অনেক জ্ঞানের ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে। মানব সমাজের প্রেক্ষিতে প্রযুক্তির সংজ্ঞায় বলা যায়, "প্রযুক্তি হল কিছু প্রায়োগিক কৌশল যা মানুষ তার প্রতিবেশের উন্নয়নকার্যে ব্যবহার করে।" যেকোন যন্ত্র এবং প্রাকৃতিক উপাদান সম্বন্ধে জ্ঞান এবং তা দক্ষভাবে ব্যবহারের ক্ষমতারকেও প্রযুক্তি বলা হয়।

আমরা যে পৃথিবী তে বাস করি তা নিয়ন্ত্রণ করার জন্যই আমরা প্রযুক্তি ব্যবহার করি। প্রযুক্তি হল জ্ঞান, যন্ত্র এবং তন্ত্রের ব্যবহার কৌশল যা আমরা আমাদের জীবন সহজ করার স্বার্থে ব্যবহার করছি।

সংজ্ঞা ও ব্যবহার
সম্পাদনা

পশ্চিমাবিশ্বে কাগজ ও ছাপাখানার বিস্তৃতি বিজ্ঞানী ও রাজনীতিবিদদের তাদের মতাদর্শ প্রকাশে সাহায্য করে, যার ফলে আলোকিত যুগের উত্থান ঘটে, যা সাংস্কৃতিক উপাদান হিসেবে প্রযুক্তির উদাহরণ।
‘প্রযুক্তি’ শব্দটির ব্যবহার গত ২০০ বছরের তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। বিংশ শতাব্দীর আগে এই শব্দটি ইংরেজিতে অপরিচিত ছিল যা সাধারণত কখনো কখনো প্রয়োজনীয় কলার[২]ব্যাখ্যা দিতে ব্যবহৃত হতো আবার কখনো কখনো ম্যাসাচুসেট্স ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি এর কৌশলগত বিদ্যাকে বোঝানো হতো (১৮৬১ সালে তালিকাভুক্ত)।[৩]

‘প্রযুক্তি’ শব্দটি প্রাধান্য পায় দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সান্নিধ্যের মাধ্যমে।এই শব্দটির অর্থ বিংশ শতাব্দীতে পরিবর্তিত হয় যখন থর্স্টেইন ভেবলেন থেকে শুরু করে আমেরিকান সমাজবিজ্ঞানীরা জার্মান Technik থেকে ‘প্রযুক্তি’ এর অনুবাদ করা শুরু করেন। জার্মান ও ইউরোপীয় ভাষায় technik এবং technologie দুটি শব্দ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু ইংরেজিতে এ দুটিকেই একই অর্থে ‘Technology’ তে অনুবাদ করা হয়েছে। ১৯৩০ এর দশকে প্রযুক্তি কেবল ইন্ডাস্ট্রিয়াল শিল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে নি।[৪]

১৯৩৭ সালে মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী রেড বাইন লিখেছিলেন ‘ প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করে সমস্ত মেশিন, সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি এবং যোগাযোগ ও পরিবহনের ডিভাইস ও দক্ষতা যা আমরা তৈরি এবং ব্যবহার করি।[৫] বাইন এর সংজ্ঞা আজ ও পরিচিত বিশেষ করে সমাজ বিজ্ঞানীদের কাছে। বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীরা যেকোনো কিছু তৈরি ও ব্যবহার কে প্রযুক্তির সংজ্ঞা দেওয়ার চাইতে এটিকে ফলিত বিজ্ঞান হিসেবে বিবেচনা করতে অধিক আগ্রহী।[৬] সম্প্রতি বিভিন্ন যান্ত্রিক কারণে অনেক বিজ্ঞানীরা ইউরোপীয় দার্শনিকদের চিন্তা ধারাকে বিবেচনা করেন প্রযুক্তিকে বিশ্লেষণ করতে যেমন করা হয়েছে ফোকল্টসের টেকনোলজিস অফ দ্যা সেলফ।

অভিধান ও বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের সংজ্ঞা দিয়ে থাকেন। মেরিয়ামিয়াম-ওয়েস্টার লার্নার্স ডিকশনারি বিষয়টির এইরকম সংজ্ঞা প্রদান করে ‘প্রযুক্তি হল শিল্প ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের ব্যবহার যা প্রয়োজনীয় জিনিস আবিষ্কার ও সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত হয়’ এবং ‘মেশিন বা সরঞ্জাম হল প্রযুক্তির তৈরি ফলাফল’।[৭] উরসুলা ফ্রাঙ্কলিন ১৯৮৯ সালে তাঁর ‘রিয়েল ওয়ার্ল্ড অফ টেকনোলজি’ লেকচারে এই ধারণাটির অন্য একটি সংজ্ঞা দিয়েছেন ‘ এটি হলো আমরা চারপাশের কাজ কীভাবে করি তার কৌশল।[৮] এটি প্রায়শই ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি বা উচ্চতর প্রযুক্তিকে বুঝায়’।[৯] বার্নার্ড স্টিলগার ‘প্রযুক্তি ও সময়-১’ প্রযুক্তিকে দুইভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন যেমন - ‘জৈবিক উপায় ছাড়া জৈবিক কার্য সাধন’ এবং ‘সুসংহত অজৈব পদার্থ’ হিসেবে।[১০]

বিস্তর পরিসরে প্রযুক্তি হল মানসিক ও শারীরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সৃষ্ট বস্তুগত ও অবস্তুগত জিনিস বা মাধ্যম যার মাধ্যমে কোনো মূল্য অর্জন করা হয়। এই দৃষ্টিকোণ থেকে প্রযুক্তি হল যন্ত্র ও সরঞ্জাম যা বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সুদূরপ্রসারি ধারণা যা সরল যন্ত্র যেমন চামচ থেকে শুরু করে অনেক জটিল যন্ত্র যেমন মহাশূন্য স্টেশন ইত্যাদি কে অন্তর্ভুক্ত করে। যন্ত্র ও সরঞ্জাম কেবল বস্তুই হতে হবে তা নয় যেমন কম্পিউটার সফটওয়্যার ও ব্যবসার পদ্ধতি এগুলো প্রযুক্তির সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।[১১] ডব্লিউ ব্রায়ান আর্থার একইভাবে বিস্তর পরিসরে প্রযুক্তিকে সংজ্ঞায়িত করেন, ‘একটি পদ্ধতি হিসেবে যা মানুষের উদ্দেশ্য পূরণ করে’।[১২]


সমন্বিত বর্তনী ও মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার (এখানে, ১৯৭১ সালের একটি ইনটেল ৪০০৪ চিপ) আধুনিক কম্পিউটার বিপ্লবের দিকে ধাবিত করে।
প্রযুক্তির শব্দটি বিভিন্ন কৌশলের সংগ্রহকে ও বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। এই পাঠ্য অংশে মানবিক জ্ঞানের প্রচলিত ধারণা উৎসগুলোকে সমন্বিত করে কাঙ্ক্ষিত জিনিস তৈরি, সমস্যা সমাধান, চাহিদা পূরণ করা হয় তা প্রযুক্তি, পদ্ধতি ও এর কাঁচামাল ব্যবহার করে।যখন এটি ‘চিকিৎসা প্রযুক্তি’ ও ‘মহাশূন্য প্রযুক্তি’ এর সাথে জড়িত হয় তখন এটি সেই ক্ষেত্রের সরঞ্জামও জ্ঞানকে বুঝায়। ‘কলা প্রযুক্তি’ মানবিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তিকে বুঝায়।

প্রযুক্তিকে সমাজ পরিবর্তনের কার্যক্রম হিসেবে উল্লেখ করা যায়।[১৩] তাছাড়া প্রযুক্তি হল গণিত, বিজ্ঞান ও কলার প্রয়োগ যা জীবনে উপকারে আসে। এর আধুনিক উদাহরণ হল যোগাযোগ প্রযুক্তির উদ্ভব যার মাধ্যমে মানুষের মধ্যকার শারীরিক মিথস্ক্রিয়ার বাধাকে অতিক্রম করে একটি নতুন সংস্কৃতি সাইবার সংস্কৃতির নামে আবির্ভূত হয়েছে যার ভিত্তি হলো কম্পিউটার ও ইন্টারনেট।[১৪] একটি সাংস্কৃতিক কার্যক্রম হিসেবে প্রযুক্তি বিজ্ঞান ও প্রকৌশল কে নির্দেশিত করে কারণ এদের প্রত্যেকটি প্রযুক্তিগত প্রচেষ্টার ধারণা উদ্ভব করে।

07/10/2024


Address

Puran Bogra

Website

https://www.youtube.com/channel/UC9ZTl9oWOqBfSY66FeF2Sgg

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tech Bd Info posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share