Khan Parts Zone

Khan Parts Zone Khan Parts Zone(KPZ is an independent Supplier firm, fulfill all requierment of Business needs. .

10/04/2025

রাস্তায় হঠাৎ ঝড় শুরু হলে কী করবেন? গাড়িচালকদের জন্য জরুরি ১০টি করণীয় 🚗

ঝড়-বৃষ্টি আমাদের দেশের খুব পরিচিত এক আবহাওয়া সমস্যা। হঠাৎ করেই আকাশ কালো হয়ে আসে, প্রবল বাতাস বইতে শুরু করে, এরপর শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি বা কখনো শিলাবৃষ্টি। আর তখন যদি আপনি রাস্তায় থাকেন বা গাড়ি চালাচ্ছেন, তাহলে পরিস্থিতি হয়ে পড়ে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এই সময় কী করবেন? কীভাবে নিজেকে এবং আপনার গাড়িকে নিরাপদে রাখবেন? আজকের এই SEO-friendly ও 100% ইউনিক আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব ঝড়ের সময় গাড়ি চালানোর সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি।

১. ঝড়ের লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন=ঝড় হঠাৎ করেই নেমে আসে না। এর কিছু পূর্বাভাস থাকে যেমন:
আকাশ হঠাৎ অন্ধকার হয়ে যাওয়া
প্রবল বাতাস শুরু হওয়া
বিদ্যুৎ চমকানো

এমন লক্ষণ দেখলেই নিজেকে প্রস্তুত করুন, গাড়ির গতি কমিয়ে দিন এবং প্রয়োজনে কাছাকাছি নিরাপদ স্থানে চলে যান।

২. সিগন্যাল এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলুন: ঝড়ের সময় অনেক সময় ট্রাফিক লাইট কাজ না করতে পারে বা রোডে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। এ সময় খুব সচেতনভাবে সিগন্যাল মেনে চলুন এবং গাড়ির হর্ন, হেডলাইট ব্যবহার করে নিজের উপস্থিতি জানান দিন।

৩. নিরাপদ জায়গায় গাড়ি পার্ক করুন=যদি ঝড়ের তীব্রতা বেশি হয়, তাহলে রাস্তায় না থেকে গাড়ি দ্রুত কোনো পেট্রোল পাম্প, শপিং মল বা শক্ত কংক্রিটের নিচে পার্ক করুন। বড় গাছ বা বিলবোর্ডের নিচে পার্ক করবেন না – ঝড়ে এগুলো পড়ে গাড়ির বড় ক্ষতি হতে পারে।

৪. হেডলাইট ও হ্যাজার্ড লাইট চালু রাখুন =বৃষ্টির সময় দৃশ্যমানতা অনেক কমে যায়। এ সময় গাড়ির হেডলাইট এবং হ্যাজার্ড লাইট অন করে রাখুন যেন পেছনের ও পাশের গাড়িগুলো আপনাকে সহজে চিনতে পারে।

৫. মোবাইল চার্জ ও জরুরি নম্বর পাশে রাখুন= ঝড়ের সময় মোবাইল টাওয়ার সমস্যা করতে পারে, তাই আগে থেকেই মোবাইল ফুল চার্জ রাখুন। এছাড়া আপনার গাড়ির সার্ভিসিং সেন্টার, পুলিশ স্টেশন ও ফায়ার সার্ভিসের জরুরি নম্বরগুলো ফোনে সেভ করে রাখুন।

৬. গাড়ির গতি কম রাখুন ও দূরত্ব বজায় রাখুন= ঝড়ের সময় রাস্তায় পানি জমে থাকতে পারে, ব্রেক ঠিকমতো কাজ নাও করতে পারে। তাই গাড়ির গতি অবশ্যই কম রাখুন এবং সামনে-পেছনের গাড়ির সঙ্গে পর্যাপ্ত দূরত্ব বজায় রাখুন।

৭. গাড়িতে প্রাথমিক জরুরি সামগ্রী রাখুন
✅টর্চ লাইট
✅পাওয়ার ব্যাংক
✅ছোট ফার্স্ট এইড কিট
✅অতিরিক্ত পানির বোতল
✅শুকনো খাবার
✅ছাতা বা রেইনকোট
এই সামগ্রীগুলো ঝড়ে বিপদের সময় খুবই কাজে দেয়।

৮. বজ্রপাতের সময় গাড়ির ভেতর থাকুন= অনেকেই ভাবেন বজ্রপাত হলে গাড়ি বিপদজনক। আসলে সত্য হলো – আধুনিক গাড়ি বজ্রপাত প্রতিরোধে নিরাপদ, কারণ এটি ধাতব খাঁচার মতো কাজ করে। তাই ঝড়ের সময় গাড়ির ভেতরে থাকাটাই নিরাপদ।

৯. GPS ও ম্যাপ ব্যবহার করুন= ঝড়ে অনেক সময় রাস্তায় পানি জমে রাস্তা চলার অযোগ্য হয়ে পড়ে। এই সময় Google Maps বা অন্য কোনো GPS অ্যাপ ব্যবহার করে বিকল্প রুট খুঁজে নিন।

১০. নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষায় রাখুন=সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় – কোনো পরিস্থিতিতেই আতঙ্কিত হবেন না। আত্মবিশ্বাস নিয়ে চালান, কিন্তু প্রয়োজনে গাড়ি থামিয়ে অপেক্ষা করাই শ্রেয়।

উপসংহার: হঠাৎ ঝড়ে পড়া একদমই অপ্রত্যাশিত এবং বিপজ্জনক হতে পারে। কিন্তু সঠিক প্রস্তুতি ও সচেতনতা থাকলে আপনি নিজে এবং আপনার পরিবারকে নিরাপদ রাখতে পারবেন। এই টিপসগুলো মেনে চললে ঝড়ের মধ্যেও আপনি শান্তভাবে পরিস্থিতি সামলাতে পারবেন।

বিঃদ্রঃ আমাদের বাংলাদেশের অধিকাংশ রাস্তার হঠাৎ গর্ত ও এবড়োথেবড়ো অবস্থায় দেখে শুনে চলাচল করা জরুরি। বিশেষ করে মোটরসাইকেল বা দুই চাকার যানবাহন। স্পীড লিমিট রেখে চলাচল করুন।

📌 আরও এমন ড্রাইভিং টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে ফলো করুন এবং শেয়ার করতে ভুলবেন না!

নিরাপদ যাত্রা সবার অধিকার ✊

08/04/2025

👉ড্রাইভিং এর সময় গাড়ির শব্দ ও আচরণ খেয়াল রাখুন

নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের জন্য জরুরি গাইড

👉গাড়ি চালানোর সময় অনেকেই শুধু গন্তব্যে পৌঁছানোর দিকেই মনোযোগ দেন, কিন্তু একটি সচেতন ড্রাইভার হিসেবে আপনার উচিত গাড়ির প্রতিটি শব্দ ও আচরণ খেয়াল রাখা
কারণ এই ছোট ছোট লক্ষণগুলোই ভবিষ্যতের বড় সমস্যার আগাম সংকেত হতে পারে।

আজকে আমরা জানবো কীভাবে গাড়ির শব্দ ও আচরণ
পর্যবেক্ষণ করে আপনি হতে পারেন একজন স্মার্ট ও নিরাপদ ড্রাইভার।

👉 কেন গাড়ির শব্দ ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করা জরুরি?
গাড়ির যেকোনো অস্বাভাবিক শব্দ, যেমনঃ হুইসেলিং, ক্ল্যাঙ্কিং, কিংবা
গ্রাইন্ডিং—গাড়ির অভ্যন্তরীণ যন্ত্রাংশে সমস্যা নির্দেশ করতে পারে।

তেমনিভাবে স্টিয়ারিং হালকা হয়ে যাওয়া, ব্রেক চাপলে কম্পন, বা হঠাৎ গতি কমে যাওয়া—সবকিছুই হতে
পারে কোনো যান্ত্রিক সমস্যার লক্ষণ।

👉 সমস্যা আগে ধরতে পারলে তা দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়, রাস্তায়
যেকোনো বিপদ এড়ানো যায় এবং গাড়ির লাইফটাইমও বেড়ে যায়।

কিছু সাধারণ শব্দ ও এর মানে
গ্রাইন্ডিং শব্দ (Grinding Noise)
👉 ব্রেক প্যাড শেষ হয়ে গেছে, ব্রেক ডিস্কে ঘর্ষণ হচ্ছে।
ক্ল্যাঙ্কিং শব্দ (Clanking Noise)
👉 গাড়ির সাসপেনশন বা এক্সেল সমস্যাগ্রস্ত।
হুইসেলিং বা সিটি বাজা শব্দ (Whistling Sound)
👉 ভ্যাকুয়াম লিক বা উইন্ডো সিল ঠিক নেই।
কাঁপাকাঁপি অনুভব করা (Vibration)
👉 চাকায় ভারসাম্যহীনতা বা ব্রেক রটার সমস্যা।

গাড়ির আচরণ পরিবর্তন বুঝবেন যেভাবে
স্টিয়ারিং ভারী/হালকা হয়ে যাওয়া:
স্টিয়ারিং ফ্লুইড লিক বা পাওয়ার স্টিয়ারিং সমস্যা।
হঠাৎ গতি কমে যাওয়া:
ফুয়েল ফিল্টার ব্লক বা ইঞ্জিন মিসফায়ার হতে পারে।

ব্রেক চাপলে গাড়ি ডানে/বামে মোড় নেয়:
ব্রেক ক্যালিপার বা হুইল অ্যালাইনমেন্ট সমস্যা।
করণীয় (Solution)
✅ নিয়মিত সার্ভিসিং করান।
✅ যে কোনো নতুন শব্দ বা আচরণ অবহেলা না করে
দ্রুত মেকানিক দেখান।

✅ ব্রেক, সাসপেনশন, ইঞ্জিন ও স্টিয়ারিংয়ের অবস্থা পরীক্ষা করুন।
✅ ড্রাইভিং করার সময় রেডিও অফ রেখে মাঝে মাঝে শব্দ শোনার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

নতুন ড্রাইভারদের জন্য পরামর্শ
যদি আপনি নতুন ড্রাইভার হন, তাহলে শুরু থেকেই গাড়ির শব্দ ও আচরণ বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করুন। এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের সময়েই অভ্যস্ত হওয়া জরুরি। ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে এই বিষয়ে আলাদা প্রশিক্ষণ নেওয়া যায়।
স্মার্ট ড্রাইভার হতে হলে শুধু ব্রেকে চাপ দিলেই হয় না, গাড়িকে বুঝতে শিখুন।

গাড়ির শব্দ ও আচরণ হলো গাড়ির “ভাষা”। একজন দক্ষ ড্রাইভার সেই ভাষা বুঝতে পারেন এবং প্রয়োজনমতো ব্যবস্থা নিতে পারেন। আপনি যদি নিরাপদ, স্মার্ট ও দীর্ঘস্থায়ী ড্রাইভিং চান, তাহলে আজ থেকেই খেয়াল রাখুন গাড়ির প্রতিটি শব্দ ও আচরণে।

1208: Fuel Pump1200: Fuel Pressure Regulator1220: Sensor (possibly a temperature or pressure sensor)1253: Solenoid1313: ...
17/12/2024

1208: Fuel Pump
1200: Fuel Pressure Regulator
1220: Sensor (possibly a temperature or pressure sensor)
1253: Solenoid
1313: Actuator
1260: Injector
1620: Throttle Position Sensor
1261: Camshaft Position Sensor
1304: Engine Control Module (ECM)
1320: Ignition Module
1240: Oil Pressure Switch
1150: Connector
1312: Relay
13V NR: Voltage Reference

24/03/2024

🛠প্রতিটি গাড়ির ইঞ্জিনের হুডের নিচে আমরা কিছু ছোট ট্যাংক দেখতে পাই। কি কি অয়েল বা তরল পদার্থ থাকে❓ এগুলোর মধ্যে কিছু নিয়মিত চেক করা জরুরি। আবার কিছু আছে যা প্রতিদিন না চেক করলেও সপ্তাহে অন্ত্যত ১বার হলেও চেক করা প্রয়োজন।
১-ইঞ্জিনঅয়েল
২-ব্রেকঅয়েল
৩-গিয়ারঅয়েল
৪-পাওয়ার স্টিয়ারিংঅয়েল
৫-কুলেন্ট ওয়াটার বা রেডিওয়াটার
৬-ওয়াশার ওয়াটার বা রেইন ওয়াইপার ফ্লুইড

📌ইঞ্জিন অয়েল কি?
সহজ কথায় বলতে আমরা সকলেই জানি প্রতিটি ইঞ্জিনের ভিতরে কিছু জিনিস ক্রমাগত চলতে থাকে বা ঘর্ষণ হতে থাকে যেমনঃ টাইমিং চেইন, ক্র্যাংকশ্যাফট, পিস্টন ইত্যাদি। আর এইসবের ঘর্ষণ গুলো যাতে আরোও দ্রুত ও স্মুথলি হয় সেইজন্য ইঞ্জিনওয়েল ব্যবহার করা হয়। ইঞ্জিনঅয়েলের কাজ হলো এই চলমান পিস্টন গুলোর ঘর্ষণকে আরোও দ্রুত করা বা ঘর্ষন কমানো।

📌ইঞ্জিনঅয়েলের ধরণ
Synthetic oil
Synthetic blends
High mileage oil
Conventional oil.

📌ইঞ্জিনঅয়েলের গ্রেড কি?
SAE (Society of Automotive Engineers)ইঞ্জিনঅয়েল ও ট্রান্সমিশন ওয়েলের সান্দ্রতার উপর ভিত্তি করে তাদের গ্রেড নামকরন করেছে। সান্দ্রতা হল তরলের অভ্যন্তরীণ ঘর্ষণকে প্রকাশ করার পরিমাণ। ঘরের তাপমাত্রায় বিভিন্ন ইঞ্জিনের তেলের বিভিন্ন সান্দ্রতা থাকে। তারা তাপমাত্রা পরিবর্তনের জন্য ভিন্ন ভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। যেমনঃ 0W, 5W, 10W, 15W, 20W, 25W, 20, 30, 40, 50, and 60। এখানে W দ্বারা ইঞ্জিনওয়েলের weight বোঝায়। কম সান্দ্রতা হলে সেই তেল পাতলা হবে আর বেশি সান্দ্রতা হলে সেই তেল বেশি ঘন হবে।বর্তমানে আমাদের দেশে প্রায় গাড়িতে 0W-20 এবং 5W-30 ব্যবহার করে কিন্তু আমাদের খেয়াল রাখা দরকার কোন গাড়ির ইঞ্জিনের জন্য কোন গ্রেড প্রয়োজন। কোম্পানি প্রদত্ত কিছু তথ্য থাকে যা আমরা মেনে চলা উচিত তাহলে ইঞ্জিন ভালো থাকবে।

📌কিভাবে ইঞ্জিনঅয়েল চেক করতে হবে??
সপ্তাহে অন্ত্যত ১ বার হলেও ইঞ্জিনওয়েল চেক করা প্রয়োজন।
১.সকালে গাড়ি স্টার্ট করার আগে অর্থাৎ ইঞ্জিন ঠান্ডা থাকা অবস্থায় চেক করতে হবে।
২.ডিপস্টিকটি আস্তে করে খুলে নিতে হবে।
৩.সাদা টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে নিতে হবে।
৪.পূনরায় ডিপস্টিকটি প্রবেশ করিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করে আবার খুলে নিতে হবে।
৫.তারপর লক্ষ্য করবেন ডিপস্টিকে হাই বা লো দাগ কাটা থাকবে। যদি কম থাকে তাহলে রিফিল করবেন পরিমান মত নরমাল রেঞ্জ থাকলে কিছুদিন পর আবার চেক করবেন।
৬.আবার একটি সাদা টিস্যু দিয়ে ডিপস্টিকটি
মুছে নিবেন যদি দেখেন টিস্যুটি বেশি কালো
হয়েছে এবং আঙ্গুলে লাগিয়ে যদি অনুভব করেন
বেশি পাতলা হয়েছে পানির মত তাহলে।
বুঝবেন ইঞ্জিনওয়েল পরিবর্তন করার সময় হয়েছে।
৭.ওয়ার্নিং সাইন আসলেও ইঞ্জিনওয়েল চেক করতে হবে।
সাধারনত আমাদের দেশের প্রায় সকল মেকানিক ৩০০০-৩৫০০কিঃ মিঃ পরপর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করার পরামর্শ দেন। এতে ইঞ্জিন ভালো থাকে। তবে আমাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে গাড়ির কম্পানি রিকমান্ডেড যেই অয়েল আছে তা ব্যবহার করা।

📌ব্রেক অয়েল
ব্রেক অয়েল হল রাসায়নিক পদার্থ যা আধুনিক গাড়ির হাইড্রোলিক ব্রেকিং সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়। এটি ব্রেক প্যাডেলের উপর আপনার পায়ের চাপ শক্তি বাড়ানোর জন্য এবং এটি আপনার গাড়ির ব্রেকের চাপে পরিণত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ব্রেক অয়েল ছাড়া, আপনার গাড়ি থামাতে আপনার পায়ের চাপ অনেক বেশি লাগবে।অর্থাৎ,ব্রেকে যাতে আপনার পায়ের চাপ বেশি দিতে না হয় তাই ব্রেক অয়েল ব্যবহার করা হয়।

📌ব্রেক অয়েল ট্যাংকঃ
এখানে ম্যাক্সিমাম ও মিনিমাম দাগকাটা থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী এতে ফ্লুইড দিতে হবে। তিন ধরনের ব্রেক ফ্লুইড পাওয়া যায় তা হলDOT3, DOT4এবং DOT5। DOT3এবং DOT4 হল গ্লাইকোল-ভিত্তিক তরল, এবং DOT5হল DOT3এবং DOT4 হল সিলিকন-ভিত্তিক। প্রধান পার্থক্যজল শোষণ করে,যেখানেDOT5করে না। ব্রেক ফ্লুইডের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর ফুটন্ত/বয়েলিংপয়েন্ট। তবে এটি নিয়ে আমাদের বেশি গবেষনা করার প্রয়োজন নেই।

📌TRANSMISSION/GEAR OIL
গিয়ার অয়েল
গিয়ার অয়েল আপনার ট্রান্সমিশন মসৃণভাবে চালাতে সাহায্য করে। আরও গুরুত্বপূর্ণ, এটি আপনার গাড়ির গিয়ার সিস্টেমের অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলিকে তাপের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সহায়তাকরে।সাধারনত গিয়ার অয়েল ১০,০০০-২০,০০০ কিঃমিঃ পরপর পরিবর্তন করা ভালো। তবে গিয়ার অয়েলের ভালো খারাপের উপর ভিত্তি করে তা কমবেশি হতে পারে।
কিভাবে গিয়ার অয়েল চেক করবেন?(যেসব গাড়িতে ডিপস্টিক আছে)
1.ইঞ্জিনহুড খুলে ডিপস্টিক ( ঠিক যেমন ইঞ্জিনঅয়েলের ডিপস্টিক) লক্ষ করবেন।
তবে বর্তমানে আধুনিক গাড়িগুলোতে ডিপস্টিক থাকেনা। এক্ষেত্রে কম্পিউটার চেকআপের মাধ্যমে চেক করতে হবে।
2.ডিপস্টিকটি আস্তে করে খুলে নিতে হবে।
3.সাদা টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে নিতে হবে।
4.পূনরায় ডিপস্টিকটি প্রবেশ করিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করে আবার খুলে নিতে হবে।
5.তারপর লক্ষ্য করবেন ডিপস্টিকে হাই বা লো দাগ কাটা থাকবে। যদি কম থাকে তাহলে রিফিল করবেন পরিমান মতন আর যদি নরমালরেঞ্জ থাকে তাহলে কিছুদিন পর আবার চেক করবেন।

📌WASHER FLUID/ওয়াইপার ট্যাংক
এখানে মুলত পানি থাকে যা আপনার গাড়ির উইন্ডশিল্ডকে পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করা হয়। অনেকে এখানে শ্যাম্পু বা সাবানের পানি দিয়ে থাকে। এতে উইন্ডশিল্ডের কোটিং নষ্ট করে দিবে। বর্তমানে উইন্ডশিল্ডকে পরিষ্কার করার জন্য কিছু ট্যাবলেট পাওয়া যায় যা আপনার গাড়ির উইন্ডশিল্ডের কোটিং ভালো রাখে ও পরিষ্কার রাখে।

📌POWER STEERING
পাওয়ার স্টিয়ারিং অয়েল
পাওয়ার স্টিয়ারিং অয়েল হল হাইড্রোলিক তরল যা স্টিয়ারিং সিস্টেমের স্টিয়ারিং হুইল এবং সামনের চাকার মধ্যে একটি হাইড্রোলিক লিঙ্ক তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। এটি চাকা ঘুরানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টার পরিমাণ হ্রাস করে। পাওয়ার স্টিয়ারিং ফ্লুইড স্টিয়ারিং সিস্টেমের মধ্যে চলমান অংশগুলিকে লুব্রিকেট করে ফলে আপনাকে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করতে হয়না। আপনি ব্রেক অয়েল যেভাবে চেক করবেন এটিও ঠিক একইভাবে চেক করা যায়।

তবে বর্তমান গাড়িগুলোতে ইলেকট্রনিক পাওয়ার স্টিয়ারিং থাকাতে কোন তরল ব্যবহার করে না তাই কোন কোন ট্যাংক এবং কোন রক্ষণাবেক্ষণ নেই। সম্পুর্ন ইলেক্ট্রনিক সিস্টেম হওয়াতে কোনো ঝামেলা নেই।

📌RADIATOR FLUID
রেডিয়েটর তরল কি ?
রেডিয়েটর তরল, যা একধরনের কুল্যান্ট বা অ্যান্টিফ্রিজ নামে পরিচিত, আপনার রেডিয়েটরকে ঠান্ডা রাখে এবং গাড়ির ইঞ্জিঙ্কে ঠান্ডা রাখে ।চলন্ত অবস্থায় গাড়ির ইঞ্জিন খুব গরম হয়, বিশেষ করে উষ্ণ আবহাওয়ায়। যদি কোনো কারণে আপনার গাড়ির রেডিয়েটরে থাকা তরল শেষ হয়ে যায় তবে ইঞ্জিন হিট হয়ে যাবে এমনকি মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

📌রেডিয়েটর তরল চেকঃ
২ -৩দিন পর পর চেক করা উচিত। তবে এটি চেক করবেন যখন ইঞ্জিন ঠান্ডা থাকে বা সকালে গাড়ি স্ট্যার্ট দেয়ার পূর্বে। কখনও ইঞ্জিন গরম থাকা অবস্থায় চেক করবেন না এতে গরম পানি ছিটকে উঠে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই সকালে গাড়ি গাড়ি স্ট্যার্ট দেয়ার পূর্বে এটি চেক করে প্রয়োজন অনুযায়ী রিফিল করে নিবেন। এখানে অনেকে কুল্যান্ট ওয়াটার ব্যবহার করে তবে আপনি চাইলে মিনারেল ওয়াটারও ব্যবহার করতে পারেন। চেক করার সময় রিজার্ভ ট্যাংক সহ চেক করবেন।
ধন্যাবাদ🥰

“মনে রাখবেন,সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য বেশি তাই
সাবধানে গাড়ি চালাবেন ভালো থাকবেন”

27/02/2024
Toyota Corolla
19/01/2024

Toyota Corolla

Wheel Alignment⚙️
19/01/2024

Wheel Alignment⚙️

KHAN PARTS ZONE (KPZ)One For All
22/12/2023

KHAN PARTS ZONE (KPZ)
One For All

এখানে অটো রিক্সা ও মোটরসাইকেল এর পার্টস পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় হয়।ঠিকানা◆"খান পার্টস জোন" (এসপি ব্রিজ সংলগ্ন ইসলামি ব্যা...
15/04/2021

এখানে অটো রিক্সা ও মোটরসাইকেল এর পার্টস পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় হয়।

ঠিকানা◆
"খান পার্টস জোন"
(এসপি ব্রিজ সংলগ্ন ইসলামি ব্যাংক বুথের সাথেই।) বউবাজার, বগুড়া।

Address

SP Bridge, Bogura
Puran Bogra
5800

Opening Hours

Monday 09:30 - 12:30
15:00 - 22:00
Tuesday 09:30 - 12:30
15:00 - 22:00
Wednesday 09:30 - 12:30
Thursday 15:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 12:30
16:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khan Parts Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share