08/07/2020
*আপনার ব্যাকডেটেড কম্পিউটার আসলেই কি ব্যাকডেটেড?*
ব্যাকডেটেড কম্পিউটার, চলছে না, স্পীড নেই। কিন্তু যখন কিনেছিলেন তখন তো চলতো। ২০১২ সালে যখন জি-৪১ মাদারবোর্ডের সাথে ডুয়ালকোর প্রসেসর দিয়ে পিসি বিল্ড করলাম তখন ৮ জিবি র্যাম মানে ছিল স্বপ্ন (আমি ২ জিবি কিনেছিলাম 🙄🙄)। বিশাল স্পীড!! আমাদের কাছে প্রায় সুপার কম্পিউটার। বন্ধু, যারা কোর টু কোয়াড আর চার জিবির ডিডিআর থ্রি র্যাম দিয়ে পিসি বিল্ড করেছে তারা ছিল আলট্রা মডার্ণ, বড়লোক্স
এতো কথা বলার কারণ কি? এতো কথা বলার কারণ সেই কোর টু কোয়াড আর চার জিবির র্যাম দিয়ে বিল্ড করা পিসি এখন কেন স্লো, তার ব্যাখ্যা আপনার সামনে তুলে ধরা।
কারণ বিজ্ঞাপণ। হ্যাঁ আমাদের এভাবেই কোম্পানী গুলো বুঝায়, আর আমরাও সেভাবেই বুঝে ট্রেন্ড অনুযায়ী অন্যকে বলি এই পিসি!! এটা তো চলে না। কিন্তু কোয়াড কোরের এই যে পিসি তা কিন্তু এখনও আপনার সেই কল্পনাতীত স্পীডেই আছে, কমে যায় নি। শুধু বেড়েছে আপনার কল্পনার পরিধি।
আপনার বর্তমান পিসিই আপনার অধিকাংশ কাজ করে দেবার জন্য যথেষ্ট। শুধু প্রয়োজন একটু যত্নের। আসুন পিসিটার যত্ন নেই।
দুইটি পদ্ধতিতে আপনি আপনার পিসিকে গতিশীল করে তুলতে পারেন। এক. তাকে আপনি তার যৌবনকালের পরিবেশ তৈরি করে দিন। মানে যে সময়কালটাকে আপনার পিসি কে ধরা হত খুব দ্রুত গতির, ইন্সটল করা সফটওয়্যার গুলোর সেই সময়ে রিলিজ হওয়া ভার্শন ব্যবহার করুন। কারণ ওই ভার্শন গুলো তৈরিই করা হয়েছিল এই প্রসেসরের উপর বেজ করেই।
আচ্ছা বলুন তো উইন্ডোজ টেন ভার্শন ২০০৪ এ কি আছে যা ১৯০৯ এ ছিল না এবং যা ছাড়া আপনার চলছিলই না। আচ্ছা এটাই বলুন না হয়, উইন্ডোজ সেভেন এ কি নেই যেটা উইন্ডোজ টেন এ আছে, আর আপনার খুব কাজে লাগে বলে আপনাকে বাধ্য হয়ে উইন্ডোজ টেন এ শিফট করতে হয়েছে? নেই তাই না 😊
তার মানে অধিকাংশ সময় আমরা অযথাই ভারি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করি শুধুমাত্র বলার জন্য যে আমি লেটেস্ট ভার্শন ইউজ করি।
এবার আসুন দ্বিতীয় পদ্ধতিতে। আপনার কম্পিউটারকে আধুনিকায়ন করুন। কিভাবে করবেন?
আজ ফার্স্ট জেনারেশনের প্রসেসরে বিল্ড পিসির স্পীড গিয়ার আপ করবো। যেগুলোকে অল্পজানা স্টাইলিস ভাইলোক্স বাতিল মাল বলে থাকেন। তো চলুন ৩৫০০ টাকায় কাজ সারি।
Core 2 Quad 8MB/12MB chche Tk. 1000/2000
SATA 3 SSD 120/240 GB Tk. 2000/2800
RAM 2 GB Tk. 500
এই বিল্ডের পিসিতে আপনি অনায়াসেই ৬৪ বিটের উইন্ডোজ টেন সহ গ্রাফিক্সের হালকা কাজ গুলো সামলে নিতে পারবেন। আমি ডুয়াল কোর প্রসেসর দিয়েই ইউটিউবের জন্য ভিডিও বানাতাম। প্রিমিয়ার প্রো, ইডিয়াস, ক্যামটেশিয়া, অডিশন সবই চালিয়েছি কাজের জন্য। সো বুঝতেই পারছেন এই বিল্ড তো তারচেয়েও ভালো পারফর্ম করবে।
আর যদি দুইটি পদ্ধতিই কম্বাইন্ডলি মেনে চলেন তবে ভাবুন তো আপনার পিসি কতোটা ভালো পারফর্ম করবে।
প্রযুক্তি প্রিয় বন্ধুরা ভালো থাকুন আর জানতে থাকুন বিভিন্ন তথ্য।
~km_apu
Studio Up your PC Find us on Facebook https://www.facebook.com/meowstudiobd আমি...